মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ৮১
আন্তর্জাতিক নং: ১০০৯ - ১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মযী বা যৌন উত্তেজনা জনিত রস প্রসঙ্গে
(৮১) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার খুব 'মযী' নির্গত হতো। আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে প্রশ্ন করতে লজ্জা পেতাম, কারণ তাঁর মেয়ে আমার স্ত্রী ছিলেন। এজন্য আমি মিকদাদ (রা)-কে বলি, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, তার জননেন্দ্রিয় ও অণ্ডকোষ দু'টি ধৌত করবে এবং ওযূ করবে।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাতে আরও আছে, তখন দ্বিতীয় বর্ণনায় রাসূল (ﷺ) বলেন, ওযূ করবে এবং তোমার জননেন্দ্রিয়ে পানি ঢালবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে “তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এক্ষেত্রে ওযূ করতে হবে।”
তাঁর থেকে চতুর্থ এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে। আমি এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলাম ফলে সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে (এ বিষয়ে) প্রশ্ন করে। তখন তিনি বলেন, ওযূ কর এবং তা ধোও।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ বর্ণিত আছে। তাতে আরও আছে, তখন দ্বিতীয় বর্ণনায় রাসূল (ﷺ) বলেন, ওযূ করবে এবং তোমার জননেন্দ্রিয়ে পানি ঢালবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে “তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, এক্ষেত্রে ওযূ করতে হবে।”
তাঁর থেকে চতুর্থ এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে। আমি এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিলাম ফলে সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে (এ বিষয়ে) প্রশ্ন করে। তখন তিনি বলেন, ওযূ কর এবং তা ধোও।
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في المذى
(81) عن على رضى الله عنه قال كنت رجلا مذاء (1) وكنت استحى أن أسأل النبى صلى الله عليه وسلم لمكان ابته فأمرت المقداد فسأله فقال يغسل ذكره وانثييه ويتوضأ
(وعنهع من طريق ثان بنحوه) (2) ز وفيه فقال صلى الله عليه وسلم توضأ وانذح فرجك
(وعنه من طريق ثالث) (3) بنحوه وفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه الوضوء
(وعنه من طريق رابع) (4) بنحوه وفيه فأمرت رجلا فسأله فقال توضأ واغسله
(وعنهع من طريق ثان بنحوه) (2) ز وفيه فقال صلى الله عليه وسلم توضأ وانذح فرجك
(وعنه من طريق ثالث) (3) بنحوه وفيه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه الوضوء
(وعنه من طريق رابع) (4) بنحوه وفيه فأمرت رجلا فسأله فقال توضأ واغسله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মযী বা যৌন উত্তেজনা জনিত রস প্রসঙ্গে
(৮২) তাঁর (আলী (রা) থেকে অন্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, আমার খুব বেশী 'মযী' (যৌন-রস) নির্গত হতো। আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, যদি প্রবল বেগে ছিটকে বের হয় তাহলে তুমি নাপাকীর গোসল করবে। আর যদি বেগের সাথে না বের হয় তাহলে গোসল করবে না।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ যদি 'মযী' দেখ তাহলে ওযু করবে এবং তোমার লিঙ্গ ধৌত করবে। আর যদি প্রবল বেগে ছিটকে পানি বের হতে দেখ তাহলে গোসল করবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে, তাতে আরও আছে, তখন তিনি বলেন, এতে ওযু করতে হবে আর বীর্যপাত হলে গোসল করতে হবে।
(সহীহ্ ইবন খুযাইমাহ)
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ যদি 'মযী' দেখ তাহলে ওযু করবে এবং তোমার লিঙ্গ ধৌত করবে। আর যদি প্রবল বেগে ছিটকে পানি বের হতে দেখ তাহলে গোসল করবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে, তাতে আরও আছে, তখন তিনি বলেন, এতে ওযু করতে হবে আর বীর্যপাত হলে গোসল করতে হবে।
(সহীহ্ ইবন খুযাইমাহ)
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في المذى
(82) وعنه أيضا قال كنت رجلا مذاء فسألت النبى صلى الله عليه وسلم فقال إذا حذفت (5)
فاغتسل من الجنابة واذا لم تكن حاذفا فلا تغتسل (وعنه من طريق ثان (1) بنحوه) وفيه فقال اذا رأيت المذى فتوضأ واغسل ذكرك واذا رأيت فضخ الماء (2) فاغتسل (وعنه من طريق ثالث بنحوه) (3) ز وفيه فقال فيه الوضوء وفي المنى الغسل
(وعنه من طريق ثان (1) بنحوه) وفيه فقال اذا رأيت المذى فتوضأ واغسل ذكرك واذا رأيت فضخ الماء (2) فاغتسل
(وعنه من طريق ثالث بنحوه) (3) ز وفيه فقال فيه الوضوء وفي المنى الغسل
فاغتسل من الجنابة واذا لم تكن حاذفا فلا تغتسل (وعنه من طريق ثان (1) بنحوه) وفيه فقال اذا رأيت المذى فتوضأ واغسل ذكرك واذا رأيت فضخ الماء (2) فاغتسل (وعنه من طريق ثالث بنحوه) (3) ز وفيه فقال فيه الوضوء وفي المنى الغسل
(وعنه من طريق ثان (1) بنحوه) وفيه فقال اذا رأيت المذى فتوضأ واغسل ذكرك واذا رأيت فضخ الماء (2) فاغتسل
(وعنه من طريق ثالث بنحوه) (3) ز وفيه فقال فيه الوضوء وفي المنى الغسل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মযী বা যৌন উত্তেজনা জনিত রস প্রসঙ্গে
(৮৩) মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে আলী (রা) বললেনঃ আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করুন, কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সাথে শৃঙ্গার করে এবং এর ফলে তার মযী বের হয় কিন্তু বীর্যপাত না হয় তাহলে তার কী করণীয়, যদি তাঁর কন্যা আমার নিকট না থাকতেন তাহলে আমি নিজেই তাঁকে প্রশ্নটি করতাম। মিকদাদ বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এক বাক্তি তার স্ত্রীর সাথে শৃঙ্গার করে, ফলে তার মযী নির্গত হয় কিন্তু বীর্যপাত হয় না (তার কী করণীয়)। তিনি বলেনঃ সে তার লিঙ্গ ধৌত করবে এবং সালাতের ওযুর মত ওযু করবে।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূণ আছে। তাতে আরও আছে তখন তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তোমাদের কেউ এরূপ দেখতে পায় তাহলে সে তার লিঙ্গে পানি ঢালবে এবং সালাতের ওযুর মত ওযু করবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে- 'যদি তোমরা কেউ এরূপ দেখতে পাও তাহলে সে যেন তার লিঙ্গে পানি ঢালে এবং সালাতের ওযুর মত ওযু করে তা ধৌত করবে। [মালিক, আবু দাউদ, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।
তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূণ আছে। তাতে আরও আছে তখন তিনি (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যদি তোমাদের কেউ এরূপ দেখতে পায় তাহলে সে তার লিঙ্গে পানি ঢালবে এবং সালাতের ওযুর মত ওযু করবে।
তাঁর থেকে তৃতীয় এক বর্ণনায়ও অনুরূপ আছে। তাতে আরও আছে- 'যদি তোমরা কেউ এরূপ দেখতে পাও তাহলে সে যেন তার লিঙ্গে পানি ঢালে এবং সালাতের ওযুর মত ওযু করে তা ধৌত করবে। [মালিক, আবু দাউদ, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في المذى
(83) عن المقداد بن الاسود رضى الله عنع قال قال لى على (رضى الله عنه) سل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الرجل يلاعب أهله فيخرج منه المذى من غير ماء الحياة (4) فلولا أن ابته تحتي لسألته فقلت يا رسول الله الرجل يلاعب أهله فيخرج منه المذى من غير ماء الحياة قال يغسل فرجه ويتوضأ وضوءه للصلاة (وعنه من طريق ثان بنحوه) (5) وفيه فقال (يعني النبي صلى الله عليه وسلم)
إذا وجد أحدكم ذلك فلينضح فرجه وليتوضأ وضوءه للصلاة (وعنه من طريق ثالث) (1) بنحوه) وفيه فاذا وجد ذلك احدكم فلينضح فرجه وليتوضأ وضوءه للصلاة يعني يغسله (2)
إذا وجد أحدكم ذلك فلينضح فرجه وليتوضأ وضوءه للصلاة (وعنه من طريق ثالث) (1) بنحوه) وفيه فاذا وجد ذلك احدكم فلينضح فرجه وليتوضأ وضوءه للصلاة يعني يغسله (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মযী বা যৌন উত্তেজনা জনিত রস প্রসঙ্গে
(৮৪) 'আতা (ইবন্ আবী রাবাহ (১১৪ হি) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমাকে 'আইশ ইবন্ আনাস আল-বাকরী (নামক একজন তাবি'য়ী বলেছেনঃ আলী, আমার ও মিকদাদ (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) 'মযী' বিষয়ে আলোচনা করেন। তখন আলী বলেনঃ আমার খুব বেশি 'মযী' নির্গত হয়। আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করতে লজ্জা পাই। কারণ তাঁর কন্যা আমার কাছে রয়েছেন। এরপর আম্মার অথবা মিকদাদ দুইজনের একজনকে 'আতা বলেন, 'আইশ আমাকে তাঁর নাম বলেছিলেন কিন্তু আমি ভুলে গিয়েছি, তিনি বলেনঃ আপনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করুন। তিনি বলেনঃ আমি তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি (রাসুল সা) বলেনঃ এ তো 'মযী', তার থেকে তা ধৌত করবে। আমি বললামঃ তা থেকে তা' মানে কি? তিনি বললেনঃ তার লিঙ্গ। (তার লিঙ্গ থেকে 'মযী' ধুয়ে ফেলবে) এবং সুন্দররূপে ওযু করবে বা সালাতের ওযুর মত ওযু করবে। আর তার লিঙ্গে পানি ঢালবে। [নাসাঈ, ইবন হিব্বান। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(3) باب فيما جاء في المذى
(84) عن عطاء عن عائش بن انس البكري قال تذاكر على وعمار والمقداد المذى فقال على اني رجل مذاء واني استحي أن أسأله من أجل أبنته تحتي فقال لأحدهما , لعمار والمقداد , قال عطاء سماه لي عائش فنسيته سل رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألته فقال ذاك المذى ليغسل ذاك منه قلت ما ذاك منه قال ذكره ويتوضأ فيحسن وضوءه أو يتوضأ (3) مثل وضوئه للصلاة وينضح في فرجه أو فرجه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৮৫) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাপড় থেকে বীর্য ডলে (অন্য বর্ণনায়ঃ ঘষে) তুলে দিতাম। অতঃপর তিনি যেয়ে সেই কাপড়েই সালাত আদায় করতেন। (মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(85) عن الأسود عن عائشة رضى الله عنها قالت كنت أفرك (1) (وفى رواية أحت) المنى من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم يذهب فيصلي فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৮৬) আয়িশা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 'ইযখার' গাছের শিকড় বা ডাল দিয়ে তাঁর পোশাক থেকে বীর্য মুছে ফেলতেন, অতঃপর সেই পোশাকেই সালাত আদায় করতেন। আর তিনি তাঁর পোশাক থেকে শুকনো অবস্থায় বীর্য ঘষে বা ডলে উঠাতেন এবং সেই পোশাকেই সালাত আদায় করতেন।
(ইবনু খুযাইমা। ইবন হাজার হাদীসটির সনদ হাসান বলে উল্লেখ করেছেন।)
(ইবনু খুযাইমা। ইবন হাজার হাদীসটির সনদ হাসান বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(86) وعنها أيضا قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسلت (2) المنى من ثوبه بمرق الاذخر (3) ثم يصلي فيه ويحته من ثوبه يابسا ثم يصلي فيه.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৮৭) আসওয়াদ ইবন ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার কাপড়ে বীর্যের একটু চিহ্ন লেগেছিল যা আমি ধুচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় উম্মুল মু'মিনীন আয়িশা (রা) আমাকে দেখতে পান। তিনি বলেন, এটা কি? আমি বললাম, আমার কাপড়ে বীর্য লেগেছিল। তিনি বললেন, আমি দেখেছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাপড়ে তা লাগত, আর তিনি শুধুমাত্র এভাবে ডলে নেওয়া ছাড়া কিছুই করতেন না। হাদীসের বর্ণনাকারী মাহদী ডলার পদ্ধতি দেখাতে তাঁর এক হাতের উপর আরেক হাত রেখে ডলেন।
অপর এক সূত্রে আসওয়াদ আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাপড় থেকে তা ডলে উঠাতাম। যদি তুমি তা দেখতে পাও তাহলে তা ধৌত করবে। আর তা না হলে তুমি তাতে পানি ছিটিয়ে দেবে। (অন্য বর্ণনায়: আছে যদি তুমি তা বুঝতে না পার তবে তার ওপর পানি ছিটিয়ে দেবে।)
[হাদীসটির প্রথম বর্ণনা ইমাম মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিস সংলকন করেছেন। দ্বিতীয় বর্ণনাটি এভাবে ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেন নি।]
অপর এক সূত্রে আসওয়াদ আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, আয়িশা (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাপড় থেকে তা ডলে উঠাতাম। যদি তুমি তা দেখতে পাও তাহলে তা ধৌত করবে। আর তা না হলে তুমি তাতে পানি ছিটিয়ে দেবে। (অন্য বর্ণনায়: আছে যদি তুমি তা বুঝতে না পার তবে তার ওপর পানি ছিটিয়ে দেবে।)
[হাদীসটির প্রথম বর্ণনা ইমাম মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিস সংলকন করেছেন। দ্বিতীয় বর্ণনাটি এভাবে ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেন নি।]
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(87) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا عفان قال ثنا مهدي قال ثنا واصل الأحدب عن ابراهيم النخعى عن الأسود قال رأتني عائشة أم المؤمنين
(رضى الله عنها) أغسل أثر الجنابة أصابي ثوبي فقالت ما هذا قلت جنابة أصابت ثوبي فقالت لقد رأيتنا وانه يصيب ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فما يزيد على أن يقول به هكذا ووصفه مهدي حك يده على الأخرى (ومن طريق آخر) (1) عن الأسود (أيضا) عن عائشة رضى الله عنها) قالت كنت أفركه من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا رأيته فاغسله والا فرشه (وفي رواية فان خفى عليك فارششه)
(رضى الله عنها) أغسل أثر الجنابة أصابي ثوبي فقالت ما هذا قلت جنابة أصابت ثوبي فقالت لقد رأيتنا وانه يصيب ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فما يزيد على أن يقول به هكذا ووصفه مهدي حك يده على الأخرى (ومن طريق آخر) (1) عن الأسود (أيضا) عن عائشة رضى الله عنها) قالت كنت أفركه من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا رأيته فاغسله والا فرشه (وفي رواية فان خفى عليك فارششه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৮৮) হাম্মাম (ইবন হারিস) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আয়িশা (রা)-এর বাড়িতে একজন মেহমান রাত্রিযাপন করেন। আয়িশা (রা) তাঁর একটি হলুদ চাদর তাকে প্রদানের নির্দেশ দেন। উক্ত মেহমান সেই চাদরে ঘুমান। রাত্রিতে তার স্বপ্নদোষ হয়। তিনি বীর্যের চিহ্নসহ চাদরটি আয়িশা (রা)-এর কাছে ফেরত দিতে লজ্জা বোধ করেন। ফলে তিনি চাদরটি পানির মধ্যে চুবিয়ে (ধুয়ে) এরপর তা আয়িশা (রা)-এর নিকট ফেরত পাঠান। তখন আয়েশা (রা) বলেন, লোকটি আমার কাপড়টি নষ্ট করল কেন? তার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট ছিল যে, বীর্যগুলো আঙুল দিয়ে ডলে তুলবে। অনেক সময় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পোশাক থেকে আমার আঙুল দিয়ে তা ডলে তুলেছি। [মুসলিম ও অন্যান্য।
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(88) عن همام قال نزل بعائشة (رضى الله عنها) ضيف فأمرت له بملحفة (2) لها صفر فنام فيها فاحتلم فاستحى أ، يرسل بها وفيها أثر الاحتلام قال فغمسها في الماء ثم أرسل بها فقالت عائشة لم أفسد علينا ثوبنا انما كان يكفيه أن يفركه بأصابعه لربما فركته من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم بأصابعي
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৮৯) কাইস ইবন ওয়াহাব (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বনু সাওআহ্ (রা) গোত্রের জনৈক (অজ্ঞাত পরিচয়) ব্যক্তি থেকে আর তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, স্বামী-স্ত্রীর মিলনের ফলে তাদের মাঝে যে পানি ছড়িয়ে পড়ে সে বিষয়ে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পানির (বীর্যের) ওপর পানি ঢেলে দিতেন।
[শুধুমাত্র আহমদ। সনদের অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিটির কারণে হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
[শুধুমাত্র আহমদ। সনদের অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিটির কারণে হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(89) عن قيس بن وهب عن رل من بني سواءة عن عائشة
(رضي الله عنها) فيما يفيض بين الرجل وامرأته من الماء (1) قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصب الماء على الماء
(رضي الله عنها) فيما يفيض بين الرجل وامرأته من الماء (1) قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصب الماء على الماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ: বীর্য বিষয়ক হাদীসসমূহ
(৯০) সুলাইমান ইবন্ ইয়াসার থেকে বর্ণিত, তিনি আয়িশা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গোশাক থেকে বীর্য ধৌত করতেন।* [বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।
*টীকাঃ উপরের হাদীসগুলির কোনোটিতে বীর্য ধোয়া ও কোনোটিতে তা মুছে বা ডলে উঠানোর কথা বলা হয়েছে। এগুলোর সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ফকীহগণের মতভেদ রয়েছে। কোনো কোনো ফকীহ্ বীর্য অপবিত্র নয় বলে মনে করেন। তাঁরা মোছা বা ডলার হাদীসগুলির উপর নির্ভর করেছেন। অপরদিকে ইমাম আবু হানীফা ও ইমাম মালিক (র) সহ অন্য অনেক ফকীহ বীর্যকে নাপাক বলে গণ্য করেছেন। তাঁরা ধোয়ার নির্দেশনা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন। ইমাম আবু হানীফা (র) আরও বলেছেন যে, বীর্য নাপাক। তবে যদি শুরিয়ে যায় তাহলে তা ঘষে, ডলে বা মুছে উঠিয়ে দিলে পোশাক পবিত্র হয়ে যাবে। আর যদি তা আদ্র বা তরল হয় তাহলে তা অবশ্যই ধৌত করতে হবে। এভাবে তিনি এ বিষয়ক সকল হাদীসের মধ্যে সমন্বয় প্রদান করেছেন।
*টীকাঃ উপরের হাদীসগুলির কোনোটিতে বীর্য ধোয়া ও কোনোটিতে তা মুছে বা ডলে উঠানোর কথা বলা হয়েছে। এগুলোর সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ফকীহগণের মতভেদ রয়েছে। কোনো কোনো ফকীহ্ বীর্য অপবিত্র নয় বলে মনে করেন। তাঁরা মোছা বা ডলার হাদীসগুলির উপর নির্ভর করেছেন। অপরদিকে ইমাম আবু হানীফা ও ইমাম মালিক (র) সহ অন্য অনেক ফকীহ বীর্যকে নাপাক বলে গণ্য করেছেন। তাঁরা ধোয়ার নির্দেশনা জ্ঞাপক হাদীসগুলোর ওপর নির্ভর করেছেন। ইমাম আবু হানীফা (র) আরও বলেছেন যে, বীর্য নাপাক। তবে যদি শুরিয়ে যায় তাহলে তা ঘষে, ডলে বা মুছে উঠিয়ে দিলে পোশাক পবিত্র হয়ে যাবে। আর যদি তা আদ্র বা তরল হয় তাহলে তা অবশ্যই ধৌত করতে হবে। এভাবে তিনি এ বিষয়ক সকল হাদীসের মধ্যে সমন্বয় প্রদান করেছেন।
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء فى المنى
(90) عن سليمان بن يسار عن عائشة رضى الله عنها أنها كانت تغسل المنى من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ: মু'মিনের দেহ জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় পবিত্র
(৯১) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদিন) নাপাক অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে আমার সাক্ষাত হয়। তখন আমি তাঁর সাথে চলতে থাকি। এরপর যখন তিনি বসলেন, তখন আমি চুপিচুপি বেরিয়ে আমার বাড়ি চলে যাই এবং গোসল করি। এরপর আমি তাঁর কাছে আগমন করি। তিনি তখনও বসে ছিলেন। তিনি আমাকে বলেন, তুমি কোথায় ছিলে? আমি বললাম: আমার সাথে যখন আপনার দেখা হয় তখন আমি নাপাক ছিলাম, নাপাক অবস্থায় আপনার কাছে বসতে আমার খারাপ লাগে। এজন্য আমি বেরিয়ে গিয়ে গোসল করলাম। তিনি বললেন। সুবহানাল্লাহ! মু'মিন নাপাক হয় না। (বুখারী ও মুসলিম)
তাঁর থেকে (আবূ হুরায়রা (রা) থেকে) অন্য এক সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মদীনার একটি রাস্তায় চলার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। তখন আমি চুপিচুপি সরে গেলাম এবং গোসল করলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে আগমন করলাম। (তখন তিনি পূর্বের মত বললেন, তাতে আরও আছে যে,) মুসলমান নাপাক হয় না।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
তাঁর থেকে (আবূ হুরায়রা (রা) থেকে) অন্য এক সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, মদীনার একটি রাস্তায় চলার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়। তখন আমি চুপিচুপি সরে গেলাম এবং গোসল করলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে আগমন করলাম। (তখন তিনি পূর্বের মত বললেন, তাতে আরও আছে যে,) মুসলমান নাপাক হয় না।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(5) باب في طهارة المسلم حيا وميتا
(91) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال لقيت النبى صلى الله عليه وسلم وأنا جنب فمشيت معه حتى قعد فانسللت (2) فأتيت الرحل ف 6 اغتسلت ثم جئت وهو
قاعد فقال أين كنت؟ فقلت لقيتني وأ، اجنب (1) فكرهت أن أجلس اليك وأنا جنب فأنطلقت فاغتسلت فقال صلى الله عليه وسلمسبحان الله (2) ان المؤمن لا ينجس (3) (وعنه عن طريق آخر) (4) قال لقيني النبى صلى الله عليه وسلم وهو في طريق من طرق المدينة فانحبست (5) فذهبت فاغتسلت ثم جئت (فذكر مثله وفيه) فقال ان المسلم لا ينجس
قاعد فقال أين كنت؟ فقلت لقيتني وأ، اجنب (1) فكرهت أن أجلس اليك وأنا جنب فأنطلقت فاغتسلت فقال صلى الله عليه وسلمسبحان الله (2) ان المؤمن لا ينجس (3) (وعنه عن طريق آخر) (4) قال لقيني النبى صلى الله عليه وسلم وهو في طريق من طرق المدينة فانحبست (5) فذهبت فاغتسلت ثم جئت (فذكر مثله وفيه) فقال ان المسلم لا ينجس
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ: মু'মিনের দেহ জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় পবিত্র
(৯২) হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনার এক পথে তার সাক্ষাৎ পান। তখন তিনি তাঁর দিকে এগিয়ে যান। তখন আমি বললাম, আমি নাপাক। তিনি বলেনঃ মু'মিন অপবিত্র হয় না। (মুসলিম)
দ্বিতীয় এক সনদে ইবন সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পথে বের হলেন। এমতাবস্তায় হুযাইফা ইবন্ ইয়ামান (রা) তাঁর সাথে দেখা হয়। তখন হুযাইফা (রা) সেখান থেকে সরে যান এবং গোসল করেন। এরপর তিনি তাঁর নিকট আগমন করেন। তখন তিনি বলেন, তোমার কি হয়েছিল? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি নাপাক ছিলাম (গোসল ফরয ছিল), তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মুসলিম অপবিত্র হয়ে যায় না।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
দ্বিতীয় এক সনদে ইবন সীরীন থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পথে বের হলেন। এমতাবস্তায় হুযাইফা ইবন্ ইয়ামান (রা) তাঁর সাথে দেখা হয়। তখন হুযাইফা (রা) সেখান থেকে সরে যান এবং গোসল করেন। এরপর তিনি তাঁর নিকট আগমন করেন। তখন তিনি বলেন, তোমার কি হয়েছিল? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি নাপাক ছিলাম (গোসল ফরয ছিল), তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, মুসলিম অপবিত্র হয়ে যায় না।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(5) باب في طهارة المسلم حيا وميتا
(92) عن أبي وائل عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه أن النبى صلى الله عليه وسلم لقيه في بعض طرق المدينة فأهوى اليه (6) قال قلت اني جنب قال ان المؤمن لا ينجس (ومن طريق ثان) (7) عن ابن سيرين قال خرج النبى صلى الله عليه وسلم فلقيه حذيفة بن اليمان فحاد عنه (8) فاغتسل ثم جاء فقال مالك قال يا رسول الله
كنت جنبا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان المسلم لا ينجس
كنت جنبا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان المسلم لا ينجس
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ যে সকল প্রাণীর দেহে প্রবাহিত রক্ত নেই তাদের দেহ জীবিত ও মৃত অবস্থায় পবিত্র
(৯৩) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো (খাদ্য বা পানীয়ের) পাত্রের মধ্যে যদি মাছি পতিত হয়, তাহলে তার দুই ডানার এক ডানায় রোগ থাকে ও অপর ডানায় প্রতিষেধক থাকে। যে ডানায় রোগ থাকে মাছি সেই ডানার উপরেই ভর করে। এজন্য এই অবস্থায় সে যেন মাছিটিকে পুরোপুরি চুবিয়ে নেয়।
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য বর্ণনায় আছে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি তোমাদের কারো পানীয়ের মধ্যে মাছি পতিত হয়, তাহলে সে যেন মাছিটিকে পুরোপুরি তাতে চুবিয়ে নেয়। কারণ, তার দুই ডানার এক ডানায় রোগ ও অন্য ডানায় প্রতিষেধক থাকে।
(বুখারী ও অন্যান্য)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে অন্য বর্ণনায় আছে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যদি তোমাদের কারো পানীয়ের মধ্যে মাছি পতিত হয়, তাহলে সে যেন মাছিটিকে পুরোপুরি তাতে চুবিয়ে নেয়। কারণ, তার দুই ডানার এক ডানায় রোগ ও অন্য ডানায় প্রতিষেধক থাকে।
(বুখারী ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(6) باب في طهارة ما لا نفس له سائلة حيا أو ميتا
(93) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا وقع الذباب في اناء أحدكم فان في أحد جناحيه داء والآخر دواء وانه يتقى بجناحيه الذى فيه الداء فليغمسه (1) كله (وعنه من طريق ثان) (2) أن النبى صلى الله عليه وسلم قال اذا وقع الذباب في شراب أحدكم فليغمسه كله ثم ليطرحه فان في أحد جناحيه شفاء وفي الآخر داء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ যে সকল প্রাণীর দেহে প্রবাহিত রক্ত নেই তাদের দেহ জীবিত ও মৃত অবস্থায় পবিত্র
(৯৪) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, খাদ্যের মধ্যে মাছি পতিত হলে তোমরা মাছিটিকে ভূবিয়ে ফেলবে।*
*টীকাঃ উপরের হাদীসগুলি থেকে জানা যায় যে, খাদ্য বা পানীয়ের মধ্যে মাছি পতিত হলে বা মারা গেলে সেই খাদ্য বা পানীয় নাপাক হয়ে যায় না।
*টীকাঃ উপরের হাদীসগুলি থেকে জানা যায় যে, খাদ্য বা পানীয়ের মধ্যে মাছি পতিত হলে বা মারা গেলে সেই খাদ্য বা পানীয় নাপাক হয়ে যায় না।
كتاب الطهارة
(6) باب في طهارة ما لا نفس له سائلة حيا أو ميتا
(94) عن أبي سعيد الخدرى رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم قال اذا وقع الذباب في اناء أحدكم فامقلوه (3)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ যে সকল প্রাণীর দেহে প্রবাহিত রক্ত নেই তাদের দেহ জীবিত ও মৃত অবস্থায় পবিত্র
(৯৫) ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, দুই প্রকারের মৃত প্রাণী ও দুই প্রকারের রক্ত আমাদের জন্য বৈধ করা হয়েছে। বৈধ মৃত প্রাণী দুইটি হচ্ছে মাছ ও ফড়িং, (পঙ্গপাল) (Locust)। বৈধ দুই প্রকার রক্ত হচ্ছে কলিজা ও প্লীহা।
ইবন মাজাহ, শাফিয়ী, বাইহাকী, দারুকুতনী।
ইবন মাজাহ, শাফিয়ী, বাইহাকী, দারুকুতনী।
كتاب الطهارة
(6) باب في طهارة ما لا نفس له سائلة حيا أو ميتا
(95) عن ابن عمر رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أحلت لنا ميتتان ودمان فأما الميتتان فالحوت (1) والجراد (2) وأما الدمان فالكبد والطحال
(أببواب أحكام التخلي والاستنجاء والاستجمار وآداب ذلك)
(أببواب أحكام التخلي والاستنجاء والاستجمار وآداب ذلك)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: মলমূত্র ত্যাগের জন্য নরম স্থানে গমন ও যে সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগ বৈধ নয়
(৯৬) আবু মুসা আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পথ চলছিলেন। এমতাবস্থায় তিনি পথ থেকে সরে একটি বাগানের প্রাচীরের পাশে নরম বালুকাময় স্থানে গমন করেন এবং পেশাব করেন। এরপর তিনি বলেন, বনু ইসরাঈলরা (বা ইহুদীগণ) তাদের কারো (দেহে বা পোশাকে) পেশাব লাগলে তা ঠিকমত দেখে কাঁচি দিয়ে কর্তন করত। তিনি আরো বলেন, তোমাদের কেউ মূত্রত্যাগ করতে চাইলে সে যেন মূত্রত্যাগের জন্য নরম স্থানে গমন করে। (আবু দাউদ, সনদ দুর্বল।)
كتاب الطهارة
(1) باب في ارتياد المكان الرخو وما لا يجوز التخلي فيه
(96) عن أبي موسى الأشعري رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان
يمشي فبال فى دمث (1) فى جنب حائط قبال مم قال كان بنو إسرائيل إذا بال أحدهم فأصابه شئ من بوله تتبعه فقرضه بالمقاريض (2) وقال إذا أراد أحدكم أن يبول فليرتد (3) لبوله
يمشي فبال فى دمث (1) فى جنب حائط قبال مم قال كان بنو إسرائيل إذا بال أحدهم فأصابه شئ من بوله تتبعه فقرضه بالمقاريض (2) وقال إذا أراد أحدكم أن يبول فليرتد (3) لبوله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: মলমূত্র ত্যাগের জন্য নরম স্থানে গমন ও যে সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগ বৈধ নয়
(৯৭) আবদুল্লাহ ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তোমরা তিনটি অভিশাপের স্থান বর্জন করে চলবে। তখন বলা হলোঃ হে আল্লাহর রাসূল! অভিশাপের স্থানগুলো কি কি? তিনি বলেন, ১. মানুষ ছায়াগ্রহণ করে এরূপ স্থানে পেশাব করতে বসা, ২. রাস্তায় পেশাব করতে বসা এবং ৩. জলাশয়ে বা পানির মধ্যে পেশাব করতে বসা। [শুধুমাত্র আহমদ। হাদীসটির সনদ দুর্বল।
كتاب الطهارة
(1) باب في ارتياد المكان الرخو وما لا يجوز التخلي فيه
(97) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اتقوا الملاعن (4) الثلاث'قيل ما الملاعن يا رسول الله؟ قال أن يقعد أحدكم فى ظل يستظل فيه أو فى طريق أو فى نقع الماء (5)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (১) পরিচ্ছেদ: মলমূত্র ত্যাগের জন্য নরম স্থানে গমন ও যে সকল স্থানে মলমূত্র ত্যাগ বৈধ নয়
(৯৮) আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা অভিশাপ অর্জনের দুইটি বিষয় পরিহার করবে। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! অভিশাপ অর্জনের বিষয় দুইটি কি? তিনি বলেনঃ মানুষের রাস্তায় অথবা তাদের ছায়ায় মলমূত্র ত্যাগ করা। (মুসলিম)
كتاب الطهارة
(1) باب في ارتياد المكان الرخو وما لا يجوز التخلي فيه
(98) عن أبى هريرة رضى الله عنه أن النبى صلى الله عليه وسلم قال اتقوا اللعانين (6)
قالوا وما اللعانان يا رسول الله قال الذى يتخلى فى طلريق الناس أو فى ظلهم (1)
قالوا وما اللعانان يا رسول الله قال الذى يتخلى فى طلريق الناس أو فى ظلهم (1)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যে সকল স্থানে মূত্রত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে
(৯৯) কাতাদাহ আবদুল্লাহ ইবন্ সারজিস (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা কখনো গর্তের মধ্যে পেশাব করবে না। আর যখন তোমরা ঘুমাবে তখন বাতি নিভিয়ে দেবে; কারণ ইঁদুর বাতির সলতে নিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের পুড়িয়ে দেয়। তোমরা রাত্রে পানির মশকগুলো (চামড়ার পানিপাত্র) মুখ বেঁধে রাখবে, পানীয় ঢেকে রাখবে এবং দরজা বন্ধ করে রাখবে। হাদীসের বর্ণনাকারী কাতাদাহকে প্রশ্ন করা হয়ঃ গর্তের মধ্যে পেশাব করতে অপছন্দ করা হয় কেন? তিনি বলেনঃ বলা হয়, এগুলো জিনদের আবাসস্থল।
(নাসাঈ, আবু দাউদ, মুসতাদরাক হাকিম, বাইহাকী। ইবন খুযাইমা ও ইবনুস্ সাকান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(নাসাঈ, আবু দাউদ, মুসতাদরাক হাকিম, বাইহাকী। ইবন খুযাইমা ও ইবনুস্ সাকান হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى المواضع التى نهى عن البول فيها
(99) حدثنا عبد الله حدثنى أبى ثنا معاذ بن هشام حدثنى أبى عن قتادة عن عبجد الله بن سرجس (2) رضى الله عنه أن النبى صلى الله عليه وسلم قال لا يبولن أحدكم فى الجحر (3) وإذا نتمتم فأطفئوا السراج فإن الفأرة تاخذ الفتيلة فتحرق أهل البيت'وأوكئوا (4) الأسقية وخمروا (5) الشراب وغلقوا الأبواب بالليل'قالوا لقتادة ما يكره (6) من البول فى الجحرقال يقال إنها مساكن الجن
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যে সকল স্থানে মূত্রত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে
(১০০) আবদুল্লাহ ইবন্ মুগাফ্ফাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন তার গোসলের স্থানে পেশাব করে অতঃপর সেখানে ওযু না করে, কারণ অধিকাংশ ওয়াসওয়াসা এর থেকেই হয়।
তাঁর থেকে অন্য বর্ণনায় বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন কোনো ব্যক্তিকে তার গোসলের স্থানে পেশাব করতে; কারণ অধিকাংশ ওয়াসওয়াসা এর থেকেই হয়। [তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ। তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব বা দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন। যিয়া মাকদিসী অনুরূপ একটি হাদীস গ্রহণযোগ্য হিসাবে সংকলিত করেছেন।]
তাঁর থেকে অন্য বর্ণনায় বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিষেধ করেছেন কোনো ব্যক্তিকে তার গোসলের স্থানে পেশাব করতে; কারণ অধিকাংশ ওয়াসওয়াসা এর থেকেই হয়। [তিরমিযী, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন্ মাজাহ। তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব বা দুর্বল বলে উল্লেখ করেছেন। যিয়া মাকদিসী অনুরূপ একটি হাদীস গ্রহণযোগ্য হিসাবে সংকলিত করেছেন।]
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى المواضع التى نهى عن البول فيها
(100) عن عبد الله بن مغفل رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبولنأحدكم فى مستحمه (1) ثم يتوضأ فيه فإن عامة الوسواس (2) منه (وعنه من طريفق ثانن) (3) قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يبول الرجل فى مستحمه فإن عامة الوسواس من
তাহকীক: