মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ১০১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (২) পরিচ্ছেদঃ যে সকল স্থানে মূত্রত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে
(১০১) হুমাইদ ইবন্ আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন সাহাবীর সাথে আমার সাক্ষাত হয় যিনি চার বছর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ছিলেন, যেমন আবু হুরায়রা (রা) চার বছর তাঁর সাথে ছিলেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে নিষেধ করেছেন, আমাদের কেউ যেন প্রতিদিন চুল না আঁচড়ায়, কেউ যেন তার গোসলের স্থানে পেশাব না করে, স্ত্রী যেন পুরুষের গোসলের পরে অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল না করে এবং পুরুষ যেন স্ত্রীর গোসলের পরে অবশিষ্ট পানি দিয়ে গোসল না করে। (অপর বর্ণনায় আছে) বরং তারা যেন উভয়ে একত্রে পাত্রের মধ্যে হাত চুবিয়ে পানি নেয়। [পানির বিধানের ৫ম পরিচ্ছেদ-এর ২০ নং হাদীস দেখুন।]
كتاب الطهارة
(2) باب فيما جاء فى المواضع التى نهى عن البول فيها
(101) عن حميد بن عبد الحمن الحميرى قال لقيت رجلا (4) قد صحب النبى صلى اللخه عليه وسلم أربع سنين كما صحبه أبو هريرة أربع سنين قال نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يتمشط أحدنا كل يومو ان يبول فى مغتسله وأن تغتسل المرأة بفضل الرجل وأن يغتسل الرجل بفضل المراة وليغترفوا (5) (وفى رواية وليغترفا) جميعا
فصل فيما جاء في البول من قيام
فصل فيما جاء في البول من قيام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: দাঁড়িয়ে পেশাব করা প্রসঙ্গে
(১০২) আবু ওয়াইল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযাইফা ইবন্ ইয়ামান (রা)-কে বলা হয় যে, সাহাবী আবু মুসা আশ'আরী (রা) বোতলের মধ্যে পেশাব করেন। তিনি বলেন যে, ইসরাঈলের সন্তানগণ (ইহুদীগণ) যদি তাদের কারো (গায়ে বা পোশাকে) পেশাব লাগত তাহলে সেই স্থান কেটে ফেলত। হুযাইফা (রা) বলেন, তোমাদের সঙ্গী (আবূ মূসা আশ'আরী) যদি এইরূপ কড়াকড়ি না করতেন তাহলে খুবই ভাল হত বলে আমি মনে করি। আমি একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে হাঁটছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে আমরা একটি ময়লা আবর্জনার স্থানে গমন করি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করেন, যেমন তোমাদের কেউ পেশাব করে। তখন আমি সরে যাচ্ছিলাম, কিন্তু তিনি আমাকে বললেন, কাছে এস। আমি তাঁর একেবারে কাছে এসে পায়ের গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম। [বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(অন্য বর্ণনায় আছে) শাকীক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযাইফা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রাস্তায় চলছিলাম এমতাবস্থায় তিনি একটু সরে আবর্জনা ফেলার স্থানে গমন করেন। তখন আমি সরে যাচ্ছিলাম। তিনি আমাকে কাছে ডাকেন এমনকি আমি তাঁর পায়ের গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম। তিনি তখন দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। এরপর পানি চেয়ে নিয়ে ওযু করেন এবং পায়ের (চামড়ার) মোজার ওপর মাসেহ করেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(অন্য বর্ণনায় আছে) শাকীক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযাইফা (রা) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে রাস্তায় চলছিলাম এমতাবস্থায় তিনি একটু সরে আবর্জনা ফেলার স্থানে গমন করেন। তখন আমি সরে যাচ্ছিলাম। তিনি আমাকে কাছে ডাকেন এমনকি আমি তাঁর পায়ের গোড়ালির কাছে দাঁড়ালাম। তিনি তখন দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। এরপর পানি চেয়ে নিয়ে ওযু করেন এবং পায়ের (চামড়ার) মোজার ওপর মাসেহ করেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
فصل فيما جاء في البول من قيام
(102) عن أبي وائل عن حذيفة بن اليمان رضى الله عنه قال بلغه أن أبا موسى الأشعرى كان يبول في قارورة (1) ويقول ان بني اسرائيل كانوا اذا أصاب أحدهم البول قرض (2) مكانه قال حذيفة وددت أن صاحبكم لا يشدد هذا التشديد لقد رأيتني نتماشى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فانتهينا الى سباطة (3) فقام يبول كما يبول أحدكم فذهبت أتنحى (4) عنه فقال أدنه فدنوت منه حتى كنت عند عقبه
(ومن طريق أخرى) (5) عن الأعمش حدثني شقيق عن حذيفة قال كنت مع النبى صلى الله عليه وسلم في طريق فتنحى فأتى سباطة قوم فتباعدت منه فأدناني
حتى صرت قريبا من عقبيه فبال قائما ودعا بماء فتوضأ ومسح علي خفيه
(ومن طريق أخرى) (5) عن الأعمش حدثني شقيق عن حذيفة قال كنت مع النبى صلى الله عليه وسلم في طريق فتنحى فأتى سباطة قوم فتباعدت منه فأدناني
حتى صرت قريبا من عقبيه فبال قائما ودعا بماء فتوضأ ومسح علي خفيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: দাঁড়িয়ে পেশাব করা প্রসঙ্গে
(১০৩) মুগীরাহ ইবন্ শু'বাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অমুক গোত্রের আবর্জনা ফেলার স্থানে যেয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেন। হাম্মাদ ইবন আবু সোলাইমান বলেন, তিনি তাঁর দুই উরু ফাঁক করে দাঁড়ান।
[বাইহাকী)
[বাইহাকী)
كتاب الطهارة
فصل فيما جاء في البول من قيام
(103) عن عاصم بن بهدلة وحماد (1) عن أبي وائل عن المغيرة بن شعبة رضي الله عنه أن رسول الله صلي الله عليه وسلم أتي علي سباطة قوم فبال قائما،
قال حماد ابن أبي سليمان ففحج (2) رجليه
قال حماد ابن أبي سليمان ففحج (2) رجليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: দাঁড়িয়ে পেশাব করা প্রসঙ্গে
(১০৪) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি কেউ তোমাকে বলে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাঁড়িয়ে পেশাব করতেন তাহলে তা বিশ্বাস করবে না। কুরআন নাযিল হওয়ার পর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আর দাঁড়িয়ে পেশাব করেন নি।* [নাসাঈ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)
* টীকাঃ আয়িশা (রা)-এর হাদীস থেকে জানা যায় যে, দাঁড়িয়ে পেশাব না করাই ছিল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাধারণ রীতি। বাড়িতে সর্বদা তিনি বসে পেশাব করতেন। তবে হুযাইফা (রা)-এর হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, কখনো কখনো তিনি প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন, যে বিষয়ে আয়িশা (রা) জানতেন না।
* টীকাঃ আয়িশা (রা)-এর হাদীস থেকে জানা যায় যে, দাঁড়িয়ে পেশাব না করাই ছিল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাধারণ রীতি। বাড়িতে সর্বদা তিনি বসে পেশাব করতেন। তবে হুযাইফা (রা)-এর হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি যে, কখনো কখনো তিনি প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন, যে বিষয়ে আয়িশা (রা) জানতেন না।
كتاب الطهارة
فصل فيما جاء في البول من قيام
(104) عن المقدام عن أبيه عن عائشة رضي الله عنها قالت من حدثك أن رسول الله صلي الله عليه وسلم بال قائما فلا تصدقه ما بال رسول الله صلي الله عليه وسلم قائما منذ أنزل عليه القرآن
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মলমূত্র ত্যাগের জন্য, দূরে ও আড়ালে যাওয়া এবং কথাবার্তা ও সালামের উত্তর দান থেকে বিরত থাকা।
(১০৫) আবদুর রাহমান ইবন্ আবী কুরাদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে হজে্জ গমন করেছিলাম। আমি তাঁকে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হতে দেখলাম। তখন আমি পানির পাত্র নিয়ে তাঁর পিছে পিছে গেলাম। আমি তাঁর জন্য রাস্তায় বসে থাকলাম। তিনি যখন প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে বের হতেন তখন বহুদূরে (লোকচক্ষুর আড়ালে) চলে যেতেন।
(ইবন মাজাহ ও নাসাঈ হাদীসটির অংশ বিশেষ সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ সহীহ্।)
(ইবন মাজাহ ও নাসাঈ হাদীসটির অংশ বিশেষ সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ সহীহ্।)
كتاب الطهارة
(3) باب في التباعد والاستتار عند التخلي في الفضاء
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
(105) عَنْ عَبْدِ الرَّحمَنِ بْنِ أَبِي قُرَادٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ خَرَجْتُ مََعَ النَّبِيِّ
صلي الله عليه وسلم حَاجًّا فَرَأَيْتُهُ خَرَجَ مِنَ الخَلاءِ فَاتَّبَعْتُهُ بِالإدَاوَةِ أَوِ الْقَدَح (1) فَجَلَسْتُ لَهُ بِالطَّرِيقِ وَكَانَ إذَا أَتَي حَاجَتَهُ أَبْعَدَ (2)
صلي الله عليه وسلم حَاجًّا فَرَأَيْتُهُ خَرَجَ مِنَ الخَلاءِ فَاتَّبَعْتُهُ بِالإدَاوَةِ أَوِ الْقَدَح (1) فَجَلَسْتُ لَهُ بِالطَّرِيقِ وَكَانَ إذَا أَتَي حَاجَتَهُ أَبْعَدَ (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মলমূত্র ত্যাগের জন্য, দূরে ও আড়ালে যাওয়া এবং কথাবার্তা ও সালামের উত্তর দান থেকে বিরত থাকা।
(১০৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করে বলেছেন, যে ব্যক্তি মলত্যাগের জন্য গমন করবে, সে যেন নিজেকে আড়াল করে। যদি কোনো আড়াল না পায় তাহলে যেন সে কিছু মাটি বা বালি দিয়ে টিপি বানিয়ে তাকে পেছনে রেখে বসে। কারণ শয়তান আদম সন্তানদের গুপ্তাঙ্গ নিয়ে খেলা করে। যদি কেউ তা করে তাহলে ভাল, আর না করলে অসুবিধা নেই।
[আবু দাউদ, ইবন হিব্বান, হাকিম, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
[আবু দাউদ, ইবন হিব্বান, হাকিম, বাইহাকী। হাদীসটির সনদ দুর্বল।]
كتاب الطهارة
(3) باب في التباعد والاستتار عند التخلي في الفضاء
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
(106) عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم قَالَ مَنْ أَتَى الْغَائِطَ
فليستتر، فإن لم يجد إلا أن يجمع كثيبا (1) من رمل فليستدبره (2) فإن الشيطان يلعب بمقاعد بني آدم (3)، من فعل فقد أحسن ومن لا فلا حرج
فليستتر، فإن لم يجد إلا أن يجمع كثيبا (1) من رمل فليستدبره (2) فإن الشيطان يلعب بمقاعد بني آدم (3)، من فعل فقد أحسن ومن لا فلا حرج
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মলমূত্র ত্যাগের জন্য, দূরে ও আড়ালে যাওয়া এবং কথাবার্তা ও সালামের উত্তর দান থেকে বিরত থাকা।
(১০৭) আবদুর রাহমান ইবন্ হাসানাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং আমর ইবনুল আস (রা) দু'জন বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে বেরিয়ে আসলেন। তাঁর সাথে একটি ঢাল বা ঢালের মত বস্তু ছিল। তিনি সেই ঢালটির আড়ালে বসে পেশাব করেন। তখন আমরা বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি মেয়েদের মত (বসে ও আড়াল করে) পেশাব করছেন? অতঃপর তিনি আমাদের কাছে আসলেন এবং বললেনঃ তোমরা কি জান না, ইহুদীদের সাথী লোকটির কি হয়েছিল? ইহুদীদের কারো (দেহে বা পোশাকে) পেশাব লাগলে তা তারা কেটে ফেলত। ঐ লোকটি তাদেরকে তা নিষেধ করে। ফলে তাকে কবরে শাস্তি দেওয়া হয়।
(দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন) যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঢালের আড়ালে পেশাব করতে বসলেন, তখন কেউ কেউ বললঃ তাঁকে দেখ। মহিলা যেমন পেশাব করে সেইরূপ (আড়াল করে বসে) পেশাব করছেন। তিনি এই কথা শুনতে পান। তিনি বলেন, হতভাগা পোড়া কপাল! তুমি কি জান না ইহুদীদের সাথী লোকটির কি হয়েছিল?
(বাইহাকী, তাবারানী, নাসাঈ, আবু দাউদ। ইমাম মুনযিরীর মতে হাদীসটি গ্রহণযোগ্য।)
(দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন) যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঢালের আড়ালে পেশাব করতে বসলেন, তখন কেউ কেউ বললঃ তাঁকে দেখ। মহিলা যেমন পেশাব করে সেইরূপ (আড়াল করে বসে) পেশাব করছেন। তিনি এই কথা শুনতে পান। তিনি বলেন, হতভাগা পোড়া কপাল! তুমি কি জান না ইহুদীদের সাথী লোকটির কি হয়েছিল?
(বাইহাকী, তাবারানী, নাসাঈ, আবু দাউদ। ইমাম মুনযিরীর মতে হাদীসটি গ্রহণযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(3) باب في التباعد والاستتار عند التخلي في الفضاء
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
(107) عن عبد الرحمن بن حسنة رضي الله عنه قال كنت أنا وعمرو بن العاص جالسين قال فخرج علينا رسول الله صلي الله عليه وسلم ومعه درقة (4) أو شبهها
فاستتر بها فبال جالسا قال فقلنا أيبول رسول الله صلي الله عليه وسلم كما تبول المرأة (1) قال فجاءنا فقال أوما علمتم ما أصاب صاحب بني إسرائيل (2)، كان الرجل منهم إذا أصابه الشئ من البول قرضه (3) فنهاهم عن ذلك فعُذب في قبره (وعنه من طريق ثان بنحوه) (4) وفيه فقال بنض القوم انظروا إليه يبول كما تبول المرأة قال فسمعه النبي صلي الله عليه وسلم فقال ويحك أما علمت ما أصاب صاحب بني إسرائيل (الحديث)
فاستتر بها فبال جالسا قال فقلنا أيبول رسول الله صلي الله عليه وسلم كما تبول المرأة (1) قال فجاءنا فقال أوما علمتم ما أصاب صاحب بني إسرائيل (2)، كان الرجل منهم إذا أصابه الشئ من البول قرضه (3) فنهاهم عن ذلك فعُذب في قبره (وعنه من طريق ثان بنحوه) (4) وفيه فقال بنض القوم انظروا إليه يبول كما تبول المرأة قال فسمعه النبي صلي الله عليه وسلم فقال ويحك أما علمت ما أصاب صاحب بني إسرائيل (الحديث)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদঃ মলমূত্র ত্যাগের জন্য, দূরে ও আড়ালে যাওয়া এবং কথাবার্তা ও সালামের উত্তর দান থেকে বিরত থাকা।
(১০৮) আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, দুই ব্যক্তি একত্রে তাদের গুপ্তাঙ্গ অনাবৃত করে মলত্যাগরত অবস্থায় কথাবার্তা বলবে না। কারণ আল্লাহ তা অত্যন্ত ঘৃণা করেন।
[আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।]
[আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(3) باب في التباعد والاستتار عند التخلي في الفضاء
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
والكف عن الكلام ورد السلام وقتئذ
(108) عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلي الله عليه وسلم قال لا يخرج الرجلان (5) يضربان الغائط كاشفين (6) عورتهما يتحدثان فإن الله يمقت (7) علي ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সময় সালামের উত্তর দেওয়া বা আল্লাহর যিকির করা মাকরুহ
(১০৯) মুহাজির ইবন কুনফুয (রা) থেকে বর্ণিত, একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওযু করছিলেন এমতাবস্থায় তিনি তাঁকে সালাম প্রদান করেন। তিনি সালামের উত্তর না দিয়ে ওযু করা সম্পন্ন করেন। এরপর সালামের উত্তর প্রদান করেন এবং বলেনঃ তোমার সালামের উত্তর সঙ্গে সঙ্গে প্রদান করায় আমার কোনো বাধা ছিল না, তবে আমি ওযু বিহীন অবস্থায় আল্লাহর যিকির করতে অপছন্দ করলাম। হাদীসের বর্ণনাকারী বলেনঃ এই হাদীসের কারণে হাসান বসরী ওযু বিহীন অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত বা আল্লাহর যিকির করতে অপছন্দ করতেন (মাকরূহ মনে করতেন)।
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, নাসাঈ। হাদীসটির সনদ সহীহ।]
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ, নাসাঈ। হাদীসটির সনদ সহীহ।]
كتاب الطهارة
فصل في كراهة رد السلام أو الاشتغال بذكر الله تعالي حال قضاء الحاجة
(109) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا محمد بن جعفر (1) قال سئل عن رجل يسلم عليه وهو غير متوضئ فقال ثنا سعيد (2) عن قتادة عن الحسن
عن الحضين (1) أبي ساسان عن المهاجر بن قنفذ (2) أنه سلم علي رسول الله صلي الله عليه وسلم وهو يتوضأ (3) فلم يرد عليه حتي توضأ، فرد عليه، وقال إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كرهت أن أذكر الله إلا علي طهاره، قال فكان الحسن من
أجل هذا الحديث يكره أن يقرأ أو يذكر الله عز وجل حتى يتطهر
عن الحضين (1) أبي ساسان عن المهاجر بن قنفذ (2) أنه سلم علي رسول الله صلي الله عليه وسلم وهو يتوضأ (3) فلم يرد عليه حتي توضأ، فرد عليه، وقال إنه لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كرهت أن أذكر الله إلا علي طهاره، قال فكان الحسن من
أجل هذا الحديث يكره أن يقرأ أو يذكر الله عز وجل حتى يتطهر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সময় সালামের উত্তর দেওয়া বা আল্লাহর যিকির করা মাকরুহ
(১১০) মুহাজির ইবন্ কুনফুয ইবন উমাইর ইবন জাদ'আন (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ওযু করছিলেন, এমতাবস্থায় আমি তাঁকে সালাম করি তিনি আমার সালামের উত্তর প্রদান করেন নি। ওযু শেষ হলে তিনি বলেনঃ তোমার সালামের উত্তর দানে আমার একটিমাত্র অসুবিধা ছিল যে, আমি ওযু বিহীন অবস্থায় ছিলাম। (অন্য বর্ণনায়) আমি ওযু বিহীন অবস্থায় আল্লাহর যিকির করাকে অপছন্দ করেছি।
তাঁর থেকে অন্য এক সনদে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাব করছিলেন বা সবেমাত্র পেশাব শেষ করলেন, এমতাবস্থায় আমি তাঁকে সালাম করি। তিনি সালামের উত্তর না দিয়ে ওযু করেন এবং এরপর আমার সালামের উত্তর প্রদান করেন।
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।)
তাঁর থেকে অন্য এক সনদে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাব করছিলেন বা সবেমাত্র পেশাব শেষ করলেন, এমতাবস্থায় আমি তাঁকে সালাম করি। তিনি সালামের উত্তর না দিয়ে ওযু করেন এবং এরপর আমার সালামের উত্তর প্রদান করেন।
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطهارة
فصل في كراهة رد السلام أو الاشتغال بذكر الله تعالي حال قضاء الحاجة
(110) عن المهاجر بن قنفذ بن عمير بن جدعان رضي الله عنه قال سلمت علي النبي صلي الله عليه وسلم وهو يتوضأ فلم يرد علي فلما خرج من وضوئه قال لم يمنعني أن أرد عليك إلا أني كنت علي غير وضوء (وفي رواية) إلا أني كرهت أن أذكر الله تبارك وتعالي إلا علي طهارة (وعنه من طريق ثان) (1) أن النبي صلي الله عليه وسلم كان يبول أو (2) قد بال فسلمت عليه فلم يرد علي حتي توضأ ثم رد علي
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানোর সময় সালামের উত্তর দেওয়া বা আল্লাহর যিকির করা মাকরুহ
(১১১) আবদুল্লাহ ইবন্ হানযালাহ ইবনর রাহিব (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবেমাত্র পেশাব করেছেন, এমতাবস্থায় একব্যক্তি তাঁকে সালাম দেয়। তিনি সালামের উত্তর না দিয়ে প্রাচীরের গায়ে হাত বুলিয়ে তায়াম্মুম করেন অতঃপর সালামের উত্তর প্রদান করেন।
[হাদীসটির সনদ দুর্বল। হাদীসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলিত করেছেন বলে জানা যায় না।
(ইবন মাজাহ সমার্থক একটি হাদীস সংকলন করেছেন।)
[হাদীসটির সনদ দুর্বল। হাদীসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলিত করেছেন বলে জানা যায় না।
(ইবন মাজাহ সমার্থক একটি হাদীস সংকলন করেছেন।)
كتاب الطهارة
فصل في كراهة رد السلام أو الاشتغال بذكر الله تعالي حال قضاء الحاجة
(111) عن عبد الله بن حنظلة بن الراهب أن رجلا سلم علي النبي صلي الله عليه وسلم وقد بال فلم يرد عليه النبي صلي الله علي وسلم حتي قال بيده إلي الحائط يعني أنه تيمم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: ওযু বিহীন অবস্থায় আল্লাহর যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে
(১১২) আবু সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একজন সাহাবী আমাকে বলেছেন, (তিনি দেখেন যে.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পেশাব করেন এবং এরপর পানি স্পর্শ করার পূর্বেই কুরআন থেকে কিছু অংশ তিলাওয়াত করেন।
(হাদীসটির সনদ শক্তিশালী। হাদিসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় না। তবে এই অর্থে সহীহ সনদে সালমান ফারসী থেকে একটি হাদীস সংকলন করেছেন বাইহাকী ও দারুকুতনী।)
(হাদীসটির সনদ শক্তিশালী। হাদিসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় না। তবে এই অর্থে সহীহ সনদে সালমান ফারসী থেকে একটি হাদীস সংকলন করেছেন বাইহাকী ও দারুকুতনী।)
كتاب الطهارة
فصل في جواز الذكر وقراءة القرآن علي غير طهر
(112) عن أبي سلام (1) قال حدثني من رأي النبي صلي الله عليه وسلم أنه بال ثم
تلا شيئا من القرآن قبل أن يمس ماء
تلا شيئا من القرآن قبل أن يمس ماء
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ প্রকৃতির ডাকে সাড়াদানকারী শৌচাগারে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় যা বলবে
(১১৩) আনাস ইবন মালিক (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নির্জন স্থানে শৌচাগারে প্রবেশ করতেন তখন (প্রবেশের পূর্বে) বলতেন, হে আল্লাহ! আমি অপবিত্র কর্ম এবং অপবিত্র শয়তানদের থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما يقول المتخلي عند دخوله وخروجه
(113) عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن رسول الله صلي الله عليه وسلم كان إذا دخل الخلاء (1) يقول اللهم إني أعوذ بك من الخبث (2) والخبائث
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ প্রকৃতির ডাকে সাড়াদানকারী শৌচাগারে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় যা বলবে
(১১৪) শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আবদুল আযীয ইবন্ সুহাইব থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নির্জন স্থানে (মল-মূত্র ত্যাগের স্থানে) প্রবেশ করতেন তখন (প্রবেশের পূর্বে) বলতেন, হে আল্লাহ! আমি নিন্দনীয়, অপবিত্র কর্ম এবং শয়তান (পুরুষ ও নারী) থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি। শু'বা বলেনঃ দুইটিই তিনি বলতেন। (তিরমিযী।)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما يقول المتخلي عند دخوله وخروجه
(114) عن شعبة عن عبد العزيز بن صهيب قال سمعت أنس بن مالك قال كان رسول الله صلي الله عليه وآله وسلم إذا أتي الخلاء قال أعوذ بالله
من الخبث والخبيث أو الخبائث (1) قال شعبة وقد قالهما جميعا
من الخبث والخبيث أو الخبائث (1) قال شعبة وقد قالهما جميعا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ প্রকৃতির ডাকে সাড়াদানকারী শৌচাগারে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় যা বলবে
(১১৫) যায়েদ ইবন আরকাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মলমূত্র ত্যাগের স্থানগুলিতে শয়তান উপস্থিত থাকে। এজন্য তোমাদের কেউ এগুলিতে প্রবেশ করলে (প্রবেশের সময়) বলবে, "হে আল্লাহ! আমি অন্যায়-অপবিত্র কর্ম বা অপবিত্র পুরুষ ও অপবিত্র নারী (শয়তান) থেকে আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি।"
(আবু দাউদ, বাইহাকী।)
(আবু দাউদ, বাইহাকী।)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما يقول المتخلي عند دخوله وخروجه
(115) عن زيد بن أرقم رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن هذه الحشوش (2) محتضرة فإذا دخل احدكم فليقل اللهم انى أعوذ بك من الخبث والخبائث
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ প্রকৃতির ডাকে সাড়াদানকারী শৌচাগারে প্রবেশের সময় ও বের হওয়ার সময় যা বলবে
(১১৬) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শৌচাগার বা মলত্যাগের স্থান থেকে বের হতেন তখন বলতেন, 'আপনার ক্ষমা প্রার্থনা করছি।'
(তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। ইবন হিব্বান, হাকিম ও ইবন খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলে গণ্য করেছেন।)
(তিরমিযী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। ইবন হিব্বান, হাকিম ও ইবন খুযাইমা হাদীসটিকে সহীহ বলে গণ্য করেছেন।)
كتاب الطهارة
(4) باب فيما يقول المتخلي عند دخوله وخروجه
(116) عن عائشة رضى الله عنها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا خرج من
الغائط (1) قال غفرانك (2)
الغائط (1) قال غفرانك (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ মল-মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করা বা কিবলাকে পিছনে রাখার নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে
(১১৭) আবদুল্লাহ ইবদুল হারিস (রা) আযযাবীদি থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমিই সর্বপ্রথম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, তোমরা কেউ কিবলার দিকে মুখ করে পেশাব করবে না। আর আমিই কথাটি মানুষদেরকে প্রথম বলেছি।
(ইবন হিব্বান, ইবন মাজাহ। বুসীরী বলেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ।)
(ইবন হিব্বান, ইবন মাজাহ। বুসীরী বলেনঃ হাদীসটির সনদ সহীহ।)
كتاب الطهارة
(5) باب النهى عن استقبال القبلة او استدبارها وقت الحاجة
(117) عن عبدالله بن الحارث الزبيدى رضى الله عنه قال انا اول من سمع النبى صلى الله عليه وسلم يقول لا يبول احدكم مستقبل القبلة وانا اول من حدث الناس بهذا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ মল-মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করা বা কিবলাকে পিছনে রাখার নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে
(১১৮) মা‘কিল ইবন আবী মাকিল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মল-মূত্র ত্যাগের সময় দুই কিবলার দিকে মুখ করতে নিষেধ করেছেন।*
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ। ইমাম নববী হাদীসটির সনদ শক্তিশালী বলে উল্লেখ করেছেন।
*[টীকাঃ দুই কিবলাহ বলতে বাইতুল মুকাদ্দিস ও মক্কাস্থ কা'বা শরীফকে বুঝানো হয়েছে। প্রথম কিবলা মদীনা শরীফ থেকে উত্তরে এবং দ্বিতীয় কিবলা দক্ষিণে। একটির দিকে মুখ করলে অন্যটি পিছনে দেওয়া হয়। সম্ভবত এজন্যই এতদুভয়ের দিকে মুখ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
[ইবন মাজাহ, আবু দাউদ। ইমাম নববী হাদীসটির সনদ শক্তিশালী বলে উল্লেখ করেছেন।
*[টীকাঃ দুই কিবলাহ বলতে বাইতুল মুকাদ্দিস ও মক্কাস্থ কা'বা শরীফকে বুঝানো হয়েছে। প্রথম কিবলা মদীনা শরীফ থেকে উত্তরে এবং দ্বিতীয় কিবলা দক্ষিণে। একটির দিকে মুখ করলে অন্যটি পিছনে দেওয়া হয়। সম্ভবত এজন্যই এতদুভয়ের দিকে মুখ করতে নিষেধ করা হয়েছে।
كتاب الطهارة
(5) باب النهى عن استقبال القبلة او استدبارها وقت الحاجة
(118) عن معقل (4) بن ابى معقل الأسدى رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان نستقبل القبلتين ببول أو غائط
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ মল-মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করা বা কিবলাকে পিছনে রাখার নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে
(১১৯) রাফি' ইবন্ আবী ইসহাক থেকে বর্ণিত যে, তিনি মিশরে থাকা অবস্থায় সাহাবী আবু আইয়ূব আনসারী (রা)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহর কসম! আমি জানি না, এই সব শৌচাগারগুলো কি করব? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম তো বলেছেন, তোমাদের কেউ মলত্যাগ বা মূত্রত্যাগের জন্য গমন করলে সে যেন কিবলার দিকে মুখ না করে এবং পিঠ না দেয়। (মালিক, শাফিয়ী।)
كتاب الطهارة
(5) باب النهى عن استقبال القبلة او استدبارها وقت الحاجة
(119) عن رافع بن أبي اسحق مولى ابى طلحة انه سمع ابا ايوب الانصارى رضى الله عنه يقول وهو بمصر والله ما ادرى كيف اصنع بهذه الكراييس (1) يعنى الكنيف وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا ذهب احدكم الى الغائط او البول فلا يستقبل القبلة ولا يستدبرها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ মল-মূত্র ত্যাগের সময় কিবলার দিকে মুখ করা বা কিবলাকে পিছনে রাখার নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে
(১২০) আবু আইয়ুব আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ মলত্যাগ বা মূত্রত্যাগের জন্য গমন করলে সে যেন কখনোই কিবলা সামনে করে না বসে। বরং সে পূর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ করে বসবে। তিনি বলেনঃ এরপর আমরা যখন সিরিয়ায় গমন করলাম তখন দেখলাম সেখানকার শৌচাগারগুলি কিবলার দিকে মুখ করে তৈরী করা। তখন আমরা সেগুলির মধ্যে ঘুরে বসতাম এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতাম।*
[বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।
*টীকাঃ ক. মদীনা শরীফ থেকে কিবলাহ দক্ষিণ দিকে। এ জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদেরকে পূর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে বলেছেন, যেন কিবলাহ সামনে বা পিছনে না থাকে। খ. কিবলামুখী করে বানানো শৌচাগারে ঘুরে বসার পরেও তাঁরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন; কারণ এভাবে বসার পরেও মনে সন্দেহ হয় যে, হয়তবা কিছু ত্রুটি রয়ে গেল। এছাড়া এ ধরনের শৌচাগার ব্যবহার করতেও মু'মিনের মনে দ্বিধা অনুভব হয়। আর মু'মিন শরীয়তের বিধান পালনের সামান্যতম অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্যও মনের মধ্যে কষ্ট অনুভব করেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
[বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য।
*টীকাঃ ক. মদীনা শরীফ থেকে কিবলাহ দক্ষিণ দিকে। এ জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁদেরকে পূর্ব বা পশ্চিম দিকে মুখ করে প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে বলেছেন, যেন কিবলাহ সামনে বা পিছনে না থাকে। খ. কিবলামুখী করে বানানো শৌচাগারে ঘুরে বসার পরেও তাঁরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন; কারণ এভাবে বসার পরেও মনে সন্দেহ হয় যে, হয়তবা কিছু ত্রুটি রয়ে গেল। এছাড়া এ ধরনের শৌচাগার ব্যবহার করতেও মু'মিনের মনে দ্বিধা অনুভব হয়। আর মু'মিন শরীয়তের বিধান পালনের সামান্যতম অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্যও মনের মধ্যে কষ্ট অনুভব করেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
كتاب الطهارة
(5) باب النهى عن استقبال القبلة او استدبارها وقت الحاجة
(120) عن عطاء بن يزيد عن ابى ايوب الانصارى رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اتى (2) احدكم الغائط فلا يستقبلن القبلة ولكن ليشرق او ليغرب (3) قال فلما قدمنا الشام وجدنا مراحيض (4) جعلت
نحو القبلة فتنحرف ونستغفر الله (1)
نحو القبلة فتنحرف ونستغفر الله (1)
তাহকীক: