মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৫৪ টি
হাদীস নং: ২০১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০১। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মু’মিনের ইযার তার পায়ের গোছার মাংসল পর্যন্ত হওয়া উচিত। তারপর গোছার অর্ধাংশ পর্যন্ত। তারপর টাখনু পর্যন্ত। এর নীচে যে অংশ থাকবে তা জাহান্নামে যাবে।
(নাসাঈ)
(নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
201- عن أبى هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إزرة المؤمن إلى عضلة ساقيه ثم إلى نصف ساقيه ثم الى كعبيه فما كان أسفل من ذلك فى النار
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০২। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা তাকে ইযার পরিধান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তুমি জ্ঞাত লোকের নিকটই জিজ্ঞাসা করেছ। মু'মিনের ইযার পায়ের গোছার অধাংশ পর্যন্ত হওয়া উচিত। তবে সে এর নীচে টাখনুর মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত পরলে তার ওপর কোন দোষ নেই অথবা বললেন, কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু এর নীচে (অর্থাৎ টাখনুর নীচে) যা যাবে, সেটা জাহান্নামে যাবে। যে ব্যক্তি অহংকারবশত স্বীয় ইযার (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে চলে আল্লাহ তার দিকে (অনুগ্রহের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না।
(মালিক, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান)
(আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(মালিক, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান)
(আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
202- عن أبى سعيد الخدرى انه سئل عن الازار فقال على الخبير سقطت، سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إزرة المؤمن إلى أنصاف الساقين لا جناح أو لا حرج عليه فيما بينه وبين الكعبين، ما كان أسفل من ذلك فهو فى النار، لا ينظر الله إلى من جر ازاره بطرا
হাদীস নং: ২০৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৩। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মু'মিনের ইযার পায়ের গোছা পর্যন্ত হওয়া উচিত। তারপর যখন (ﷺ) রাসূলুল্লাহ মুসলমানের পক্ষে এটাকে কঠিন মনে করলেন, তখন তিনি বললেন, টাখনু পর্যন্ত হতে পারবে। এর নীচে হলে তাতে কোন কল্যাণ নেই।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তায়ালিসী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তায়ালিসী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
203- عن أنس بن مالك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الازار إلى نصف الساق، فلما رأى شدة ذلك على المسلمين قال إلى الكعبين، لا خير فيما أسفل من ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৪। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ইযারের যে অংশ টাখনুর নীচে থাকবে তা জাহান্নামে যাবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
204- عن عائشة رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما تحت الكعب من الازار فى النار
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৫। আবূ তামীমা হুজায়মী (র) সূত্রে তার গোত্রের জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে ইযার পরিধান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তাকে বললাম, আমি কোথায় ইযার পরব? তখন তিনি স্বীয় ইযার তার পায়ের গোছার হাড় পর্যন্ত উঁচু করলেন এবং বললেন, এখানে ইযার পর। যদি এটা করতে না চাও, তবে এর নীচে এখানে। এটাও যদি করতে না চাও, তবে টাখনুর ওপরে- এখানে। যদি তুমি এটাও করতে না পার, তবে জেনে রাখ। আল্লাহ দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না। বর্ণনাকারী বলেন, এবং আমি তাকে সৎ কাজ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম।....... শেষ পর্যন্ত।
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
205- عن أبى تميمة الهجيمى عن رجل من قومه قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الازار فقلت أين أتزر؟ فاقنع ظهره بعظم ساقه وقال ههنا اتزر، فان أبيت فهنا أسفل من ذلك، فان أبيت فهنا فوق الكعبين فان أبيت فان الله لا يحب كل مختال فخور، قال وسألته عن المعروف الخ
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৬। কাসিম ইবন আবদির রহমান (র) সূত্রে আমর আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি (কাসিম) বলেন, একদা আমর (রা) স্বীয় ইযার ঝুলিয়ে চলছিলেন। সে সময় হঠাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে তার সাক্ষাত হল। তখন তিনি নিজের কপাল ধরে বলতে লাগলেন اللَّهُمَّ أَنَا عَبْدُكَ بْنُ عَبْدِكَ بْنِ اَمَتِكَ (হে আল্লাহ! আমি আপনার দাস, আপনার দাসের সন্তান, আপনার দাসীর সন্তান।) আমর (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি শীর্ণ গোছাবিশিষ্ট পুরুষ। তিনি বললেন, হে আমর। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা সবকিছুকে সুন্দর গঠনে সৃষ্টি করেছেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) তারপর (ﷺ) রাসূলুল্লাহ স্বীয় ডান হাতের চার আঙ্গুল আমর (রা)-এর হাটুর নীচে স্থাপন করে বললেন, হে আমর! এটা হল ইযার পরার স্থান। এরপর তিনি (সেখান থেকে) হাত উঠিয়ে দ্বিতীয় স্থানে (দ্বিতীয় চার আঙ্গুল) রেখে বললেন, হে আমর! এটা ইযার পরার স্থান।
(হাদীসটি হায়সামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়সামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
206- عن القاسم بن عبد الرحمن عن عمرو بن فلان الانصارى قال بينا هو يمشى قد أسبل ازاره إذ لحقه رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد أخذ بناصية نفسه وهو يقول اللهم عبدك بن عبدك بن امتك قال عمرو فقلت يا رسول انى رجل حمش الساقين فقال يا عمرو إن الله عز وجل قد أحسن كل شئ خلقه يا عمرو، وضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم بأربع أصابع من كفه اليمنى تحت ركبة عمرو فقال يا عمرو هذا موضع الازار، ثم رفعها ثم وضعها تحت الثانية فقال يا عمرو هذا موضع الازار
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৭। শারীদ ইবন সুওয়াইদ (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) সাকীফ গোত্রের এক লোকের পিছু ধরলেন। (অন্য বর্ণনায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক লোককে স্বীয় ইযার ঝুলিয়ে চলতে দেখলেন।) তিনি তার পিছনে দ্রুত হেটে তার কাপড়ে ধরে বললেন, তুমি তোমার ইয়ার উঁচু কর। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি স্বীয় হাটু খুলে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ। আমার পা ভিতরের দিকে বেঁকে গেছে এবং আমার হাটুদ্বয় একটি অপরটির সঙ্গে টক্কর খায়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আল্লাহর সকল সৃষ্টি সুন্দর। বর্ণনাকারী বলেন, মৃত্যু পর্যন্ত এই লোকের ইযার তার গোছার অর্ধাংশ পর্যন্তই দেখা গিয়েছে। (আল্লাহ তাঁর ওপর সন্তুষ্ট হোন)।
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
207- عن الشريد بن سويد أن النبى صلى الله عليه وسلم تبع رجلا من ثقيف (وفى رواية أبصر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا يجر ازاره) حتى هرول فى أثره حتى أخذ ثوبه فقال ارفع ازارك قال فكشف الرجل عن ركبتيه فقال يا رسول الله انى احنف وتصطك ركبتاى، فقال رسول صلى الله عليه وسلم كل خلق الله عز وجل حسن، قال ولم ير ذلك الرجل إلا وازاره إلى أنصاف ساقيه حتى مات "رضى الله عنه
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২০৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৮। উবায়দা ইবন খালফ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি যুবক বয়সে মদীনা আসলাম। সে সময় আমি আমার সাদা কালো ডোরাযুক্ত চাদরকে ইযার হিসাবে তা ঝুলিয়ে চলছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার নিকট এসে আমাকে তার লাঠি দ্বারা আঘাত করে বলল, যদি তুমি তোমার কাপড়টিকে উচিয়ে রাখতে তবে তা টিকসই হত এবং পরিচ্ছন্ন থাকত। আমি তখন লোকটির দিকে তাকালাম: দেখলাম যে, তিনি রাসূলাল্লাহ (ﷺ) । বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা একটা ডোরাযুক্ত চাদর। রাসূলাল্লাহ (ﷺ) বললেন, ডোরাযুক্ত চাদর হলে তা উচিয়ে পর। তুমি আমার আদর্শ কি গ্রহণ করবে না? বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি তাঁর ইযারের দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে, তা টাখনুর ওপরে এবং গোছার মোটার অংশের নীচে পরিহিত।
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
208- عن عبيدة بن خلف قال قدمت المدينة وانا شاب مؤازر ببردة لى ملحاء أجرُّها فادركنى رجل فغمزنى بمخصرة معه مقال أما لو رفعت ثوابك كان ابقى وأنقى فالتفت فاذا هو رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلت يا رسول الله إنما هى بردة ملحاء، أما لك فى أسوتى فنظرت إلى ازاره فاذا فوق الكعبين وتحت العضلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড় পরার মুস্তাহাব, জায়িয এবং হারাম সীমানা।
২০৯। হুযায়ফা ইবন ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার পায়ের গোছা অথবা তার পায়ের গোছার মাংসল অংশ ধরে বললেন, এটা ইযার পরিধান করার স্থান। যদি এটা করতে না চাও, তবে এর সামান্য নীচে পরতে পারবে। আর যদি এটাও করতে না চাও, তবে টাখনুর নীচে ইযার পরার কোন বৈধতা নেই।
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ) এর সনদ হাসান।
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ) এর সনদ হাসান।
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الحد المستحب للثوب والجائز والحرام
عن حذيفة (يعنى ابن اليمان) قال أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم بعضلة ساقى أو ساقه قال هذا موضع الازار، فان أبيت بأسفل، فان أبيت فلاحق للازار فيما دون الكعبين
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১০। নাফি'(র) সূত্রে ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি অহংকারবশত স্বীয় কাপড় (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে চলে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দিকে (অনুগ্রহের দৃষ্টিতে) তাকাবেন না। বর্ণনাকারী নাফি' (র) বলেন, আমি সংবাদ পেয়েছি যে, এরপর উম্মু সালামা (রা) বললেন, তবে এ ব্যাপারে আমাদের বিধান কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এক বিঘত পরিমাণ ঝুলাতে পারবে। তিনি বললেন, তবে তো আমাদের পা খুলে থাকবে? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তবে এক হাত। এর আধিক্য বাড়াবে না।
(তিরমিযী, নাসাঈ) এর সনদ সহীহ।
(তিরমিযী, নাসাঈ) এর সনদ সহীহ।
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
عن نافع عن ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الذى يجر ثوبه من الخيلاء لا ينظر الله اليه يوم القيامة، قال نافع فانبئت أن أم سلمة رضى الله عنها قالت فكيف بنا قال شبرا، قالت إذا تبدو اقدامنا، قال ذراعا لا تزدن عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১১। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উম্মুল মু'মিনীনকে এক বিঘত পরিমাণ কাপড় (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে চলার অবকাশ দিয়েছিলেন। এরপর তারা আরো বাড়ানোর আবেদন করলে তিনি তাদের জন্য আরো এক বিঘত বৃদ্ধি করেন। তারপর তারা একহাত বুলিয়ে দেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) তারা আমাদের নিকট কাপড় পাঠিয়ে দিতেন, আমরা তাদের জন্য একহাত পরিমাপ দেই।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী যায়দ আম্মী-কে হাসান ইবন সুফিয়ান নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী যায়দ আম্মী-কে হাসান ইবন সুফিয়ান নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
عن ابن عمر قال رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم لأمهات المؤمنين فى الذيل شبرا فاستزدنه فزادهن شبرا آخر فجعلته ذراعًا فكن يرسان الينا تذرع لهن ذراعا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) ফাতিমা (রা) এবং উম্মু সালামা (রা)-কে কাপড়ের আঁচল এক হাত ঝুলিয়ে চলতে নির্দেশ দিয়েছেন।
(ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবূ মাহযাম তায়মী বসরী অগ্রহণযোগ্য।)
(ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবূ মাহযাম তায়মী বসরী অগ্রহণযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
عن أبى هريرة ان النبى صلى الله عليه وسلم أمر فاطمة وأم سلمة رضى الله عنهما أن تجرا الذيل ذراعا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১৩। আয়েশা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) বলেছেন যে, এটা এক বিঘত লম্বা হবে। থেকে বর্ণিত। তিনি মহিলাদের কাপড়ের আঁচল সম্বন্ধে আয়েশা (রা) বললেন, যদি তারা বাজারে বের হয়? তিনি বললেন, তবে এক হাত লম্বা রাখবে।
(ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু মাহযাব দুর্বল।)
(ইবন মাজাহ)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী আবু মাহযাব দুর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
عن عائشة رضى الله عنها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فى ذيول النساء قال شمر، قالت قلت إذا تخرج سوقهن قال فذراع
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১৪। উম্ম সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মহিলাদের বিধান কী? তিনি বললেন, তারা (কাপড়) এক বিঘত ঝুলিয়ে পরবে। আমি বললাম, তবে তো তাদের অঙ্গ খুলে যাবে? তিনি বললেন, তা হলে আরো এক বিঘত লম্ব করবে। এর চেয়ে বেশি বাড়াবে না।
(আবু দাউদ, নাসাঈ) হাদীসটি সনদ হাসান।
(আবু দাউদ, নাসাঈ) হাদীসটি সনদ হাসান।
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
عن أم سلمة رضى الله عنها قالت قلت يارسول الله كيف بالنساء قال يرخين شبرا: فلينت إذا ينكشف عنهن يا رسول الله قال فذراع لا يزدان عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মহিলাদের জন্য কাপড় ঝুলিয়ে পরার অনুমতি প্রসঙ্গ।
২১৫। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ফাতিমা (রা)-কে স্বীয় কোমরবন্ধ হতে এক বিঘত ঝুলিয়ে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب الرخصة فى اطالة ذيل المرأة
وعنها أيضا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم شبر لفاطمة رضى الله عنها شبرا من نطاقها
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য সাজ-সজ্জা এবং এতদসংক্রান্ত বৈধ ও অবৈধ বিষায়াবলী
পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
২১৬। সাফিয়্যা বিন্তে শায়বা (র) সূত্রে আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, এক আনসারী কন্যাকে বিয়ে দেওয়া হলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এতে তার চুল পড়ে যায়। তখন লোকেরা তার মাথায় কৃত্রিম চুল সংযোজন করতে চাইল। তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে কৃত্রিম চুল সংযোজন করার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে। তিনি কৃত্রিম চুল সংযোজনকারিনী এবং সংযোজনপ্রার্থীনীর ওপর লা'নত করেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب ما يجوز للنساء من الزينة وغيرها ومالا يجوز لهن
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
عن صفية بنت شيبة عن عائشة رضى الله عنها أن جارية من الأنصار زوجت وأنه مرضت فتمعط شعرها أرادوا أن يصلوه فسألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الوصال فلعن الواصلة والمستوصلة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
২১৭। আসমা বিনত আবি বাকর (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে।
(হাদীসটি বিবাহ অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি বিবাহ অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
وعن اسماء بنت أبى بكرعن النبى صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
২১৮। মাকিল ইব্ন ইয়াসার (রা) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক আনসারী ব্যক্তি এক মহিলাকে বিয়ে করল। পরে মহিলার চুল পড়ে যায়। এরপর নবী (ﷺ) -কে কৃত্রিম চুল সংযোজন করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কৃত্রিম চুল সংযোজনকারিনী এবং সংযোজনপ্রার্থিনীর ওপর লা'নত করেছেন।
(তাবারানী)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী ফযল ইবন দালহাম নির্ভরযোগ্য। তবে তার মধ্যে সামান্য দুর্বলতা আছে। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(তাবারানী)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী ফযল ইবন দালহাম নির্ভরযোগ্য। তবে তার মধ্যে সামান্য দুর্বলতা আছে। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
عن معقل بن يسارأن رجلا من الأنصار تزوج امرأة فسقط شعرها فسئل النبى صلى الله عليه وسلم عن الوصال، فلعن الواصلة والموصولة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
২১৯। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লা'নত করেছেন এমন মহিলার ওপর যে মুখমণ্ডল রং করে, আর যে রং গ্রহন করে এবং যে উল্কি অংকন করে আর যে উল্কি গ্রহণ করে এবং যে কৃত্রিম চুল সংযোজন করে আর যাকে সংযোজন করে (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে) এবং যে স্বীয় (কপাল বা ভ্রু) চুল উপড়িয়ে ফেলে আর যে অন্যের দ্বারা চুল উপড়ায়।
(হাদীসটি হায়াসামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, হাদীসটি সনদে একজন বর্ণনাকারিণী অজ্ঞাত।)
(হাদীসটি হায়াসামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, হাদীসটি সনদে একজন বর্ণনাকারিণী অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
عن عائشة رضى الله عنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يلعن القاشرة والمقشورة والواشمة والمستوشمة والواصلة والمتصلة (زادت فى رواية) والنامصة والمتنمصة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চুল সংযোজন এবং তৈল ব্যবহার করা।
২২০। আলকামা (র) সূত্রে আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলা এমন সব মহিলাদের ওপর লা'নত করেছেন যারা (অন্যের গায়ে) উল্কি অংকন করে এবং যারা উল্কি গ্রহণ করে। এবং যারা (কপাল বা ভ্র) চুল উপড়িয়ে ফেলে এবং যারা সৌন্দর্যের জন্য দাঁত ফাঁকা করে এবং যারা আল্লাহর সৃষ্টিকে পরিবর্তন করে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর ঘরের ভিতরের অবস্থিত উম্মু ইয়াকুব (র) নামের এক মহিলার নিকট এ সংবাদ পৌছলে সে তাঁর নিকট এসে বলল, আমার নিকট সংবাদ পৌঁছেছে যে, আপনি নাকি এরূপ এরূপ কথা বলেছেন। তিনি বললেন, আমি কেন তাদের ওপর লা'নত করব না, যাদের ওপর (ﷺ) রাসূলুল্লাহলা'নত করেছেন? আল্লাহ তা'আলার কিতাবেও তো এ সম্বন্ধে নির্দেশ রয়েছে। মহিলা বলল, নিশ্চয় আমি পূর্ণ কুরআন পড়ে থাকি; কিন্তু আমি এ নির্দেশ তো পাই নি? এরপর আবদুল্লাহ (রা) বললেন, যদি তুমি (মনোযোগসহকারে) পড়তে, তবে অবশ্যই এ নির্দেশ পেতে। তুমি কি এ আয়াত পড়নি-
مَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا
রাসূল (ﷺ) তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করে তা হতে তোমরা বিরত থাক।
সে মহিলা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে (শুন,) নবী এসব করতে নিষেধ করেছেন। সে বলল, আমি তো মনে করি যে, আপনার পরিবারস্থ লোকেরাও এসব করে থাকে। তিনি বললেন, তুমি যাও এবং তাদেরকে দেখ। এরপর সে মহিলা দেখল; কিন্তু তার কাঙ্ক্ষিত কিছু দেখল না। সে এসে বলল, আমি এসব কিছু দেখতে পাই নি। তিনি বললেন, যদি এরূপ হত, তবে তারা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারত না। বর্ণনাকারী (সুফিয়ান সাওরী) বলেন, আমি তাকে (মানসুর) আবদুর রহমান ইবন আবিস (র) সূত্রে উম্মু ইয়াকুব (র) থেকে হাদীস বর্ণিত যে, এক মহিলা ইবন মাসউদ (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি সংবাদ পেয়েছি যে, আপনি অন্য নারীর মাথায় কৃত্রিম চুল সংযোজন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, এটা কি আপনি আল্লাহর কিতাবে পেয়েছেন, নাকি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি এটা আল্লাহর কিতাবেও পেয়েছি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) - এর কাছেও শুনেছি। সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তো কিতাবের উভয় মলাটের মাঝে খুঁজেছি। তিনি বললেন, তুমি কি এ হাদীস এর শেষাংশে রয়েছে যে, সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তো কিতাবের উভয় মলাটের মাঝে খুঁজেছি। হাদীস এর শেষাংশে রয়েছে যে, সে বলল, তবে (অর্থাৎ আমি কোন কিছু নিষেধ করে, তা নিজেই পালন করলে) তো আমি শু'আয়ব (আ)-এর এই নির্দেশনা লঙ্ঘনকারী সাব্যস্ত হবো। অর্থাৎ (আমি তোমাদেরকে যা হতে নিষেধ করি, আমি নিজে তা করতে ইচ্ছা করি না।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
مَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا
রাসূল (ﷺ) তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা থেকে নিষেধ করে তা হতে তোমরা বিরত থাক।
সে মহিলা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে (শুন,) নবী এসব করতে নিষেধ করেছেন। সে বলল, আমি তো মনে করি যে, আপনার পরিবারস্থ লোকেরাও এসব করে থাকে। তিনি বললেন, তুমি যাও এবং তাদেরকে দেখ। এরপর সে মহিলা দেখল; কিন্তু তার কাঙ্ক্ষিত কিছু দেখল না। সে এসে বলল, আমি এসব কিছু দেখতে পাই নি। তিনি বললেন, যদি এরূপ হত, তবে তারা আমাদের সঙ্গে বসবাস করতে পারত না। বর্ণনাকারী (সুফিয়ান সাওরী) বলেন, আমি তাকে (মানসুর) আবদুর রহমান ইবন আবিস (র) সূত্রে উম্মু ইয়াকুব (র) থেকে হাদীস বর্ণিত যে, এক মহিলা ইবন মাসউদ (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি সংবাদ পেয়েছি যে, আপনি অন্য নারীর মাথায় কৃত্রিম চুল সংযোজন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, এটা কি আপনি আল্লাহর কিতাবে পেয়েছেন, নাকি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে শুনেছেন? তিনি বললেন, আমি এটা আল্লাহর কিতাবেও পেয়েছি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) - এর কাছেও শুনেছি। সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তো কিতাবের উভয় মলাটের মাঝে খুঁজেছি। তিনি বললেন, তুমি কি এ হাদীস এর শেষাংশে রয়েছে যে, সে বলল, আল্লাহর শপথ! আমি তো কিতাবের উভয় মলাটের মাঝে খুঁজেছি। হাদীস এর শেষাংশে রয়েছে যে, সে বলল, তবে (অর্থাৎ আমি কোন কিছু নিষেধ করে, তা নিজেই পালন করলে) তো আমি শু'আয়ব (আ)-এর এই নির্দেশনা লঙ্ঘনকারী সাব্যস্ত হবো। অর্থাৎ (আমি তোমাদেরকে যা হতে নিষেধ করি, আমি নিজে তা করতে ইচ্ছা করি না।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى وصل الشعر والدهن
عن علقمة عن عبد الله قال لعن الله الواشمات والمتوشمات والمتنمصات (2) والمتفلجات للحسن (3) المغيرات خلق الله، قال فبلغ امرأة فى البيت يقال لها أم يعقوب (4) فجاءت اليه فقالت بلغنى انك قلت كيت وكيت، فقال مالى لاألعن من لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم فى كتاب الله عز وجل (5) فقالت انى لأقرأ ما بين لوحيه (6) فما وجدته، فقال ان كنت قرأتيه فقد وجدتيه، أما قرأت (ماأتاكم الرسول فخذوه، فانتهوا) قالت بلى، قال فان النبى صلى الله عليه وسلم نهى عنه قالت أنى لأظن أهلك يفعلون (7) قال اذهبى فانظرى، فنظرت فلم تر من حاجتها شيئا فجاءت فقالت ما رأيت شيئا، قال لو كانت كذلك لم تجامعنا (8) قال وسمعته من عبد الرحمن (9) بن عابس يحدثه عن أم يعقوب سمعه منها فاخترت حديث منصور (ومن طريق ثان) (10) عن مسروق أن امرأة جاءت الى ابن مسعود فقالت أنبئت أنك تنهى عن الواصلة: فال نعم، فقالت أبشئ تجده فى كتاب الله أم سمعته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ فقال أجده فى كتاب الله وعن رسول الله صلى الله عليه وسلم، فقالت والله لقد تصفحت ما بين دفتى المصحف الحديث (وفى آخره) قال ما حفظت اذًا وصية العبد الصالح (1) (وما أريد أن أخالفكم الى ما أنهاكم عنه)
তাহকীক: