মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৫৪ টি
হাদীস নং: ১৬১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬১। আমাকে রাওহ (র) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাকে ইবন জুরায়জ (র) আবদুর রহমান ইবন হাইয়ান আনসারীর আযাদকৃত দাসী বুনানা (র) থেকে, তিনি আয়েশা (রা) থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। বুনানা (র) বলেছেন যে, একদা তিনি তাঁর (আয়েশা রা) নিকট বসা ছিলেন। তখন তাঁর নিকট এক মেয়েকে উপস্থিত করা হয়। যার গলায় ঘণ্টা ছিল এবং তা শব্দ করছিল। তিনি বললেন, তার শরীর হতে ঘণ্টা না কেটে তাকে আমার নিকট নিয়ে আসবে না। সে সময় বুনানা (র) তাকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে ঘণ্টা থাকে এবং ফেরেশতা এমন কাফেলার সঙ্গ দেয় না। যাদের সাথে ঘন্টা থাকে।
(আবু দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবু দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
161- حدّثنا روح قال ثنا ابن جريج عن بنانة مولاة عبد الرحمن بن حيان الانصارى عن عائشة أم المؤمنين رضى الله عنها قالت بينا هى عندها إذ دخل عليها بجارية عليها جلاجل يصوتن فقالت لا تدخلوها على الا ان تقطعوا جلاجلها، فسألتها بنانة عن ذلك؟ فقالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تدخل الملائكة شيئا فيه جرس لا تصحب الملائكة رفقة فيها جرس
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬২। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বদর যুদ্ধের দিন উটের গলা হতে ছোট ঘড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
162- عن عائشة أيضا رضى الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم أمر بالأجراس ان تقطع من أعناق الإبل يوم بدر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬৩। মুজাহিদ (র) থেকে বর্ণিত যে, আয়েশা (র)-এর আযাদকৃত দাস তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি তাকে (সাওয়ারীর) পিছনে থেকে চালিয়ে নিয়ে যেতেন। (তিনি বলেন,) যখন আয়েশা (রা) সামনের দিকে ঘণ্টির শব্দ শুনতে পেতেন, তখন তিনি বলতেন, আমাকে দাঁড় করাও। তখন তিনি দাঁড়িয়ে থাকতেন। যাতে তিনি তা শুনতে না পান। আর যদি পিছন দিক হতে শুনতে পেতেন, তখন বলতেন, আমাকে দ্রুত চালাও। যাতে আমি এটা শুনতে না পাই। তিনি আরো বলতেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয়, কতক জিন এটার পিছনে চলে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো বলেছেন যে, আয়েশা (রা)-এর আযাদকৃত দাস অজ্ঞাত।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, এটা আহমাদ (র) বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো বলেছেন যে, আয়েশা (রা)-এর আযাদকৃত দাস অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
163- عن مجاهد ان مولى لعائشة رضى الله عنها أخبره كان يقود بها أنها كانت اذا سمعت صوت الجرس أمامها قالت قف بى فيقف حتى لا تسمعه، واذا سمعته وراءها قالت أسرع بى حتى لا أسمعه، وقالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان له تابعا من الجن
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬৪। উম্মু হাবীবা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কাফেলার সঙ্গে ঘণ্টা থাকে, ফেরেশতাগণ তাদের সঙ্গ দেন না। অন্য শব্দে ফেরেশতাগণ এমন লোকদের সঙ্গ দেন না, যাদের নিকট ঘণ্টা থাকে।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(আবূ দাউদ (র) এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(আবূ দাউদ (র) এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
164- عن أم حبيبة رضى الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان العير التى فيها لاجرس لا تصحبها الملائكة وفى لفظ لا تصحب الملائكة قوما فيهم جرس
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৬৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬৫। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ফেরেশতাগণ এমন সফরকারী কাফেলার সঙ্গ দেন না, যাদের নিকট কুকুর কিংবা ঘন্টা থাকে।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
165- عن أبى هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تصحب الملائكة رفقة فيها كلب أو جرس
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে বড় ঘণ্টা বা ছোট ঘন্টা থাকে এবং তারা এখণ কাফেলার সঙ্গ দেয় না যাদের নিকট এসব থাকে। ঘণ্টা রাখা নিষিদ্ধ।
১৬৬। তাঁরই সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, ঘণ্টা শয়তানের বাঁশি।
(মুসলিম, আবু দাউদ)
(মুসলিম, আবু দাউদ)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه جرس أو جلجل ولا تصحب ركبا فيه ذلك والنهى عن اتخاذه
166- وعنه أيضا عن النبى صلى الله عليه وسلم قال الجرس مزمار الشيطان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৬৭। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) ঘরে ছবি রাখতে নিষেধ করেছেন এবং মানুষকে এটা তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কা বিজয়ের সময় 'বাতহা' নামক স্থানে উমর ইবন খাত্তাব (রা)-কে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তিনি কা'বা গৃহে প্রবেশ করে সেখানে রক্ষিত সকল মূর্তি ভেঙ্গে দেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) সকল মূর্তি ভাঙ্গা না হওয়া পর্যন্ত তিনি কা'বায় প্রবেশ করেন নি। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত হল,) এরপর উমর (রা) একটি কাপড় ভিজিয়ে মূর্তিগুলোকে মুছে ফেলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেখানে প্রবেশ করেন। তখন তাতে কোন কিছু অবশিষ্ট ছিল না।
(আবূ দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(আবূ দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
167- عن جابر بن عبد الله ان النبى صلى الله عليه وسلم نهى عن الصور فى البيت ونهى الرجل أن يصنع ذلك، وأن النبى صلى الله عليه وسلم أمر عمر بن الخطاب رضى الله عنه زمن الفتح وهو بالبطحاء ان يأتى الكعبة فيمحو كل صورة فيها ولم يدخل البيت حتى محيت كل صورة فيه (زاد فى رواية) قبل عمر ثوبا ومحاها فدخلها رسول الله صلى الله عليه وسلم وما فيها منها شئ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৬৮। আলী (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তার পুলিশ বাহিনীর এক কর্মকর্তাকে (বিশেষ কাজে) পাঠালেন। তিনি তাকে বললেন, তুমি কি জান, আমি তোমাকে কিসের জন্য পাঠাচ্ছি? যে কাজের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে পাঠিয়ে ছিলেন, আমি তোমাকে তার জন্যই পাঠাচ্ছি। অর্থাৎ তিনি আমারে প্রত্যেক ছবি নিশ্চিহ্ন করা এবং প্রত্যেক কবরকে মাটির সমান করার জন্য পাঠিয়েছিলেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী)
(মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
168- عن على رضى الله عنه انه بعث عامل شرطته فقال له أتدرى على ما أبعثك؟ على ما بعثني عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ان أنحت يعنى كل صورة وان أسوّى كل قبر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৬৯। সাফিনা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আলী (রা)-এর মেহমান হল। তখন তারা তার জন্য খাবার প্রস্তুত করলেন। ফাতিমা (রা) বললেন, যদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে দাওয়াত করে নিয়ে আসতেন এবং তিনি আমাদের সঙ্গে খেতেন, তবে ভাল হত। তারপর তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট সংবাদ পাঠালে তিনি আসলেন। যখন তিনি দরজার চৌকাঠে পা রাখলেন, তখন দেখতে পেলেন যে, ঘরে দুই কোনে নকশাযুক্ত পর্দা ঝুলানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা দেখে ফিরে আসলেন। ফাতিমা (রা) আলী (রা)-কে বললেন, আপনি তার পিছু ধরুন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করুন যে, আপনি কেন ফিরে আসলেন? তিনি তার পিছু ধরলেন এবং তাকে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কেন ফিরে এলেন? তিনি বললেন, নিশ্চয় আমার জন্য অথবা বললেন, কোন নবীর জন্য এটা উচিত নয় যে, তিনি নকশাযুক্ত ঘরে প্রবেশ করবেন।
(আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ)
(এর সনদ হাসান।)
(আবূ দাউদ, ইবন মাজাহ)
(এর সনদ হাসান।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
169- عن سفينة ان رجلا ضاف على بن أبى طالب صلى الله عليه وسلم فصنعوا له طعاما فقالت فاطمة رضى الله عنها لو دعونا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأكل معنا؟ فارسلوا اليه فجاء فأخذ بعضادتيى الباب فاذا قرام قد ضرب به فى ناحيتى البيت فلما رآه رسول الله صلى الله عليه وسلم رجع، فقالت فاطمة لعلى اتبعه فقل له ما رجعك قال فتبعه فقال ما رجعك يا رسول الله؟ قال انه ليس لى أو ليس لنبى ان يدخل بيتا مزوقا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭০। কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (র) সূত্রে আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি একটি গদি খরিদ করেছিলেন, যাতে অনেক ছবি ছিল। এগুলো দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দরজায় দাঁড়িয়ে রইলেন, ভিতরে গেলেন না। (আয়েশা (রা) বলেন,) সে সময় আমি তাঁর চেহারায় অসন্তোষ লক্ষ্য করলাম। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট তাওবা করছি।
আমি কী অপরাধ করেছি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই গদি কেন? আমি বললাম, আপনার জন্য আমি এটা খরিদ করেছি। যেন আপনি তাতে বসতে পারেন এবং তার ওপর হেলান দিতে পারেন। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, নিশ্চয় এসব ছবি তৈরীকারীদেরকে (কিয়ামতের দিন) শাস্তি দেওয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যা তৈরী করেছ তাতে জীবন দান কর। তিনি আরো বললেন, নিশ্চয় যে ঘরে ছবি থাকে তাতে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না।
(বুখারী, মুসলিম, তায়ালিসী ও অন্যান্য)
আমি কী অপরাধ করেছি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এই গদি কেন? আমি বললাম, আপনার জন্য আমি এটা খরিদ করেছি। যেন আপনি তাতে বসতে পারেন এবং তার ওপর হেলান দিতে পারেন। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, নিশ্চয় এসব ছবি তৈরীকারীদেরকে (কিয়ামতের দিন) শাস্তি দেওয়া হবে। তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যা তৈরী করেছ তাতে জীবন দান কর। তিনি আরো বললেন, নিশ্চয় যে ঘরে ছবি থাকে তাতে ফেরেশতাগণ প্রবেশ করেন না।
(বুখারী, মুসলিম, তায়ালিসী ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
170- عن القاسم بن محمد عن عائشة رضى الله عنها أنها أخبرته أنها اشترت نمرقة فيها تصاوير فلما رآها رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على الباب فلم يدخل فعرفت فى وجهه الكراهية، فقلت يا رسول الله اتوب الى الله والى رسوله ما اذنبت؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما بال هذه النمرقة؟ فقلت اشتريتها لتقعد عليها ولتوسدها، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان أصحاب هذه الصور يعذبون يقال لهم أحيوا ما خلقتم، وقال ان البيت الذى فيه الصورة لا تدخله الملائكة
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৭১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭১। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফাতিমা (রা)-এর নিকট এসে তার ঘরের দরজায় (কারুকার্য-খচিত) পর্দা পেলেন। এ জন্য তিনি সেখানে প্রবেশ করেন নি। সাধারণত তিনি সফর হতে ফিরলে সর্বপ্রথম তার নিকট আসতেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আলী (রা) এসে তাকে (ফাতিমা (রা)-কে) চিন্তাগ্রস্থ দেখে বললেন, তোমার কী হয়েছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট এসেছিলেন; কিন্তু তিনি আমার ঘরে প্রবেশ করেন নি। তখন আলী (রা) এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ফাতিমা (রা)-এর নিকট এটা কঠিন মনে হয়েছে যে, আপনি তার নিকট গিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করেন নি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, দুনিয়ার সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক? কারুকার্যের সাথে আমার কী সম্পর্ক। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আলী (রা) ফাতিমা (রা)-এর নিকট গিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কথা অবহিত করলেন। ফাতিমা (রা) বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে জিজ্ঞাসা করুন যে, এ সম্বন্ধে (পর্দা বিষয়ে) আপনি আমাকে কী নির্দেশ দেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি (আলী (রা)) বল, সে যেন এটা অমুক লোকের নিকট পাঠিয়ে দেয়।
(আবু দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবু দাউদ)
(তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
171- عن عبد الله بن عمر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتى فاطمة رضى الله عنها فوجد على بابها سترا فلم يدخل عليها، وقلما كان يدخل الا بدأ بها، قال فجاء على رضى الله عنه، فرآها مهتمة فقال مالك؟ فقالت جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يدخل على فأتاه على رضى الله عنه فقال يا رسول الله ان فاطمة اشتد عليها انك جئتها فلم تدخل عليها، فقال وما أنا والدنيا وما أنا والرّقم قال فذهب الى فاطمة فأخبرها بقول رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت فقل لرسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم فما تأمرنى به؟ فقال قل لها ترسل به الى بنى فلان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭২। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর আযাদকৃত দাস হযরত সাওবান (রা)-থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সফরে বের হওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন তিনি সর্বশেষ ফাতিমা (রা)-এর সঙ্গে কথা বলতেন। সফর হতে ফিরে সর্বপ্রথম ফাতিমা (রা)-এর নিকট প্রবেশ করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, একদা তিনি এক যুদ্ধ থেকে ফিরে তাঁর নিকট গেলেন। তখন তার ঘরের দরজায় কারুকার্য-খচিত পর্দা এবং হাসান (রা) ও হুসায়ন (রা)-এর হাতে রূপার বালা দেখতে পেলেন। তারপর তিনি ফিরে এলেন। তার নিকট প্রবেশ করলেন না। ফাতিমা (রা) এটা দেখে ভাবলেন যে, তিনি এসব দেখার কারণেই তার নিকট প্রবেশ করেন নি। তখন তিনি পর্দা সরিয়ে দিলেন এবং পুত্রদ্বয়ের হাত হতে রূপার বালা খুলে নিয়ে ভেঙ্গে ফেললেন। এ জন্য শিশুদ্বয় কাঁদতে লাগলেন। তখন তিনি বালাগুলো তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেন। তাঁরা কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত হলে (ﷺ) রাসূলুল্লাহ তাদের নিকট হতে এগুলো নিয়ে নিলেন এবং সাওবান (রা)-কে বললেন, হে সাওবান! এটা মদীনার অমুক লোকের নিকট নিয়ে যাও এবং ফাতিমা (রা)-এর জন্য ঘোড়ার হাড় হতে তৈরী হার এবং হাতীর দাঁতের তৈরী দু'টি বালা খরিদ করবে। কেননা, এরা আমার পরিবারস্থ লোক। আমি পছন্দ করি না যে, তারা দুনিয়ার জীবনে বিলাসী ভোগ-সামগ্রী ব্যবহার করুক।
(আবু দাউদ)
(মুনযিরী (র) হাদীসটি সূত্রে বর্ণনাকারী হুমায়দ শামী এবং সুলায়মান মুনাব্বেহী সম্বন্ধে উসমান ইবন সা'ঈদ দারিমী (র) বলেন, আমি ইয়াহয়া ইবন মা'ঈন (র)-কে তাদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তারা অজ্ঞাত। ইমাম আহমাদ (র)-কে হুমায়দ শামী সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তিনি অজ্ঞাত।)
(আবু দাউদ)
(মুনযিরী (র) হাদীসটি সূত্রে বর্ণনাকারী হুমায়দ শামী এবং সুলায়মান মুনাব্বেহী সম্বন্ধে উসমান ইবন সা'ঈদ দারিমী (র) বলেন, আমি ইয়াহয়া ইবন মা'ঈন (র)-কে তাদের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তারা অজ্ঞাত। ইমাম আহমাদ (র)-কে হুমায়দ শামী সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তিনি অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
172- عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا سافر آخر عهده بانسان من أهله فاطمة، وأول من يدخل عليه إذا قدم فاطمة، قال فقدم من غزاة له فأتاها فاذا هو بمسح على بابها ورأى على الحسن والحسين قلبين من فضة فرجه ولم يدخل عليها، فلما رأت ذلك فاطمة ظنت انه لم يدخل عليها من أجل ما رأى، فهتكت الستر ونزعت القلبين من الصبيين فقطعتهما فبكى الصبيان فقسمته بينهما، فانطلقا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهما يبكيان، فأخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم منهما فقال يا ثوبان اذهب بهذا الى بنى فلانٍ أهل بيت بالمدينة واشتر لفاطمة قلادة من عصب وسوارين من عاج فان هؤلاء أهل بيتى ولا أحب أن يأكلوا طيباتهم فى حياتهم الدنيا
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৭৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৩। মুহাম্মদ ইবন আলী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবন আবদিল আজীজ (র) আমার নিকট এ মর্মে পত্র লিখলেন যে, তুমি আমার নিকট ফাতিমা (রা)-এর ওসীয়াতনামা লিখে পাঠাও। তার ওসীয়াতের মধ্যে সে পর্দার বিষয়টিও ছিল; যার সম্বন্ধে লোকেরা মনে করে যে, এটা ফাতিমা (রা) তৈরী করেছিলেন। (ﷺ) রাসূলুল্লাহ তার নিকট গিয়ে এটা দেখলে তিনি ফিরে এলেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
173- عن محمد بن على كتب الى عمر بن عبد العزيز انى أنسخ اليه وصية فاطمة فكان فى وصيتها الستر الذى بزعم الناس انها أحدثته وان رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها فلما رآه رجع
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৪। আমাকে হাফস ইবন গিয়াস (র) হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাকে লায়স (র) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, একদা আমি সালিম ইবন আবদিল্লাহ ইবন উমর (র)-এর নিকট গেলাম। সে সময় তিনি পাখি ও বন্য প্রাণীর ছবিযুক্ত একটি বালিশে হেলান দেওয়া অবস্থায় ছিলেন। আমি বললাম, এটা কি মাকরূহ নয়। তিনি বললেন, মাকরূহ কেবল সেটা যা ফুলিয়ে রাখা হয়। আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যে বাক্তি কোন ছবি তৈরী করে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। (অন্য বর্ণনায়।) তাকে তাতে প্রাণ ফুঁকতে বাধ্য করা হবে। কিন্তু সে ফুঁকতে পারবে না।
(হাদীসটি সহীহ।)
(হাদীসটি সহীহ।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
174- حدّثنا حفص بن غياث حدثنا ليث قال دخلت على سالم بن عبد الله "يعنى ابن عمر" وهو متكئ على وسادة فيها تماثيل طير ووحش، فقلت اليس يكره هذا؟ قال انما يكره ما نصب نصبا حدثنى أبى عبد الله بن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من صور صورة عذب (وفى رواية) كلف ان ينفخ فيها وليس بنافخ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৫। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের একটি পর্দায় পাখীর ছবি ছিল। ঘরে কেউ প্রবেশ করলে এটা তার মুখোমুখি পড়ত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, হে আয়েশা। এটা সরিয়ে ফেল। কেননা, আমি যখনই ঘরে প্রবেশ করেছি এবং এটা আমি দেখেছি, তখনই আমার দুনিয়ার কথা স্মরণ হয়েছে। (আয়েশা (রা) বলেন,) এবং তাঁর পশমের তৈরী একটি চাদর ছিল। আমরা লক্ষ্য করতাম যে, তার নকশাগুলো রেশমের। আমরা সেটি পরিধান করতাম।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
175- عن عائشة رضى الله عنها قالت كان لنا ستر فيه تمثال طائر فكان الداخل اذا دخل استقبله فقال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عائشة حوّلى هذا فانى كلما دخلت فرأيته ذكرت الدنيا وكانت له قطيفة كنا نقول عليها من حرير فكنا نلبسها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৬। তাঁরই সূত্রে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) স্বীয় ঘরে (প্রাণীর) ছবিযুক্ত কোন কিছু (অন্য শব্দে: কাপড়) রাখতেন না; বরং তা চূর্ণ করে ফেলতেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ)
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
176- وعنها أيضا أن النبى صلى الله عليه وسلم لم يكن يترك فى بيته شيئا (وفى لفظ ثوبا) فيه تصليب الا قضيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৭। দিকরা উম্মু আবদির রহমান ইবন উযায়না (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উম্মুল মুমিনীন (আয়েশা (রা)-এর সঙ্গে তাওয়াফ করছিলাম। সে সময় তিনি এক মহিলার গায়ে ছবিযুক্ত একটি চাদর দেখলেন। উম্মুল মু'মিনীন বললেন, এটা ছুঁড়ে ফেল, এটা ছুঁড়ে ফেল। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ কিছু দেখলে কেটে ফেলতেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
177- عن دقرة أم عبد الرحمن ابن أذينه قالت كنا نطوف بالبيت مع أم المؤمنين فرأت على امرأة بردا فيه تصاليب فقالت أم المؤمنين اطرحيه اطرحيه فان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا رأى نحو هذا قضبة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৮। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়েশা (রা)-এর একটি মিহিন কাপড়ের ছবিযুক্ত রঙ্গিন পর্দা ছিল। সেটা তিনি ঘরের এক পাশে খুলিয়ে রাখতেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (তাঁকে) বললেন, আমার সম্মুখ হতে তোমার এই পর্দার ছবিগুলো মুছে ফেল। কেননা, আমি সালাত আদায় করলে এগুলো আমার সামনে থাকে।
(বুখারী)
(বুখারী)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
177- عن أنس قال كان قرم لعائشة رضى الله عنها قد سترت به جانب بيتها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اميطى عنا قرامك هذا فان تصاوبره تعرض لى فى صلاتى
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৭৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৭৯। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট আসলেন। সে সময় আমি একটি মিহি কাপড়ের রঙ্গিন পর্দা ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। তাতে অনেক ছবি ছিল। যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা দেখলেন, তখন তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। বর্ণনাকারী বলেছেন, এক সময় তাঁর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। এরপর তিনি স্বীয় হাতে এটা সরিয়ে দিলেন এবং বললেন, নিশ্চয় আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন ঐসব লোক কঠিনতর আযাব ভোগ করবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাদৃশ্য তৈরী করে। বর্ণনাকারী সুফিয়ান (র) يَشْبَهُونَ ও يُضَاهُونَ সমার্থবোধক।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
179- عن عائشة رضي الله عنها دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد استترت بقرام فيه تماثيل، فلما رآه تلون وجهه وقال مرة تغير وجهه وهتكه بيده وقال أشد الناس عذابا عند الله عز وجل يوم القيامة الذين يضاهون بخلق الله جل وعز أو يشبهون، قال سيفان سواء
হাদীস নং: ১৮০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ঘরে, কাপড়ে, বিছানায় এবং এ জাতীয় বস্তুসমূহে ছবি এবং (ক্রুশ সদৃশ) নকশা থাকার বিধান।
১৮০। তাঁরই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঝালরযুক্ত একটি পর্দা ঝুলিয়ে ছিলাম। তাতে অনেক ছবি ছিল। (অন্য শব্দে: ডানাবিশিষ্ট ঘোড়ার ছবি ছিল।) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসে তা খুলে ফেললেন এবং বললেন, নিশ্চয় কিয়ামতের দিন ঐসব লোক কঠিনতর আযাব ভোগ করবে, যারা আল্লাহর সৃষ্টির সাদৃশ্য তৈরী করে।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء فى الصور والتصاليب تكون فى البيت وفى الستور والثياب والبسط ونحو ذلك
180- وعنها أيضا قالت اتخذت درنوكا فيه الصور (وفى لفظ فيه الخيل أولات الأجنحة) فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم فهتكه وقال ان أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يشبهون بخلق الله عز وجل