মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৫৪ টি
হাদীস নং: ১৪১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড়ে সামান্য রেশম যেমন নকশা, তালি ইত্যাদি দেওয়া বৈধ।
১৪১। হযরত আসমা বিনতে আবি বাকর (রা)-এর আযাদকৃত দাস আবদুল্লাহ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমা বিনতে আবি বাকর (রা) আমাকে ইবন উমর (রা)-এর নিকট এই বলে পাঠান যে, তার নিকট এ সংবাদ পৌঁছেছে যে, আপনি নাকি তিনটি বস্তুকে হারাম মনে করেন। (এক) কাপড়ে রেশমের নকশা, গাঢ় লাল রংয়ের গদি এবং রজবের পুরো মাস সাওম পালন করা? তখন তিনি বললেন, আপনি যে রজব মাসে সাওম পালনের ব্যাপারে বললেন এটা এমন ব্যক্তির পক্ষে কিভাবে পালন করা সম্ভব যে সদাসর্বদা সাওম পালন করে? আর আপনি যে কাপড়ে রেশমের নকশার কথা বলেছেন এ সম্বন্ধে আমি উমর (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ইহকালে রেশমের কাপড় পরবে, সে তা পরকালে পরতে পারবে না।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب إباحة اليسير من الحرير كالعلم والرقعة ونحوها
141- عن عبد الله مولى أسماء بنت أبي بكر رضي الله عنهما قال أرسلتني أسماء إلى ابن عمر أنه بلغها أنك تحرم أشياء ثلاثة: العلم في الثوب وميثرة الأرجوان وصوم رجب كله، فقال أمّا ما ذكرت من صوم رجب فكيف بمن يصوم الأبد، وأما ما ذكرت من العلم في الثوب فاني سمعت عمر رضي الله عنه يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه في الآخرة
হাদীস নং: ১৪২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড়ে সামান্য রেশম যেমন নকশা, তালি ইত্যাদি দেওয়া বৈধ।
১৪২। তারই সূত্রে আসমা (রা) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ (র) বলেন, তিনি আমার নিকট এমন একটি কিসরাওয়ানী (পারস্য সম্রাট কিসরার দিকে সম্বন্ধনীয়) ডোরাকাটা জুব্বা বের করেন; যার কলারে রেশমযুক্ত ছিল (অন্য শব্দে যার কলারে রেশমযুক্ত ছিল এবং সেটা কিসরাওয়ানী ছিল।) এবং তার গলা ও বুকের পট্টিগুলো রেশম জড়ানো ছিল। তিনি বললেন, এটা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর জুব্বা। তিনি এটা পরিধান করতেন। এটা আয়েশা (রা)-এর নিকট ছিল। তারপর তাঁর মৃত্যু হলে আমি সেটা আমার নিকট নিয়ে এলাম। আমরা এটা রোগীর রোগ নিরাময়ের জন্য ধৌত করি।
(মুসলিম)
(আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ সংক্ষেপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
(মুসলিম)
(আবু দাউদ, নাসাঈ ও ইবন মাজাহ সংক্ষেপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب إباحة اليسير من الحرير كالعلم والرقعة ونحوها
142- وعنه أيضا عن أسماء قال أخرجت إلىّ جبة طيالسة عليها لبنة شبر من ديباج كسرواني (وفي رواية لبنتها ديباج كسرواني) وفرجاها مكفوفان به قالت هذه جبة رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يلبسها عند عائشة، فلما قبضت عائشة قبضتها إلىّ، فنحن نغسلها للمريض منا يستشفى بها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাপড়ে সামান্য রেশম যেমন নকশা, তালি ইত্যাদি দেওয়া বৈধ।
১৪৩। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আসমা (রা) আমাদের নিকট রেশমের ডোরাকাটা একটি জুব্বা বের করে বললেন, এটা পরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শত্রুদের মুখোমুখি হতেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ হাসান।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ হাসান।)
كتاب اللباس والزنية
باب إباحة اليسير من الحرير كالعلم والرقعة ونحوها
143- وعنه أيضا قال أخرجت إلينا أسماء جبة مزرورة بالديباج فقالت في هذه كان يلقى رسول الله صلى الله عليه وسلم العدو
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৪। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন (প্রাণীর) ছবি অংকন করবে, কিয়ামতের দিন তার উপর শাস্তি চলবে; যাবত না সে তাতে প্রাণ ফুঁকবে। কিন্তু সে তাতে প্রাণ ফুঁকতে পারবে না। যে ব্যক্তি অবাস্তব স্বপ্নের কথা বলবে, কিয়ামতের দিন তার উপর শাস্তি চলবে; যাবত না সে দু'টি যবের মধ্যে গিট লাগায়। কিন্তু সে গিট লাগাতে পারবে না। যে ব্যক্তি অন্য লোকদের আলোচনা কান পেতে শুনবে, অথচ তারা এটাকে তার থেকে গোপন রাখতে চায়, কিয়ামতের দিন তার কর্ণদ্বয়ে শাস্তি ঢেলে দেওয়া হবে।
(বুখারী)
(মুসলিম ও ইমাম চতুষ্টয়ও হাদীসটি বিক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।)
(বুখারী)
(মুসলিম ও ইমাম চতুষ্টয়ও হাদীসটি বিক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
144- عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من صوّر صورة عذب يوم القيامة حتى ينفخ فيها وليس بنافخ، ومن تحلم عذب يوم القيامة حتى يعقد شعيرتين وليس عاقدا، ومن استمع إلى حديث قوم يفرون به منه صب في أذنيه يوم القيامة عذاب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৫। হযরত আবু হুরায়রা (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে। এবং তাতে আরও আছে, যে ব্যক্তি অন্য লোকদের কথায় কর্ণপাত করবে, অথচ তারা তার শুনাকে পছন্দ পছন্দ করে না, (কিয়ামতের দিন) তার কানে গলিত সীসা ঢেলে দেওয়া হবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ এবং সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদ সহীহ এবং সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
145- وعن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله وفيه ومن استمع إلى حديث قوم ولا يعجبهم أن يسمع حديثهم أذيب في أذنه الآنك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৬। নাযর ইবন আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি হযরত ইবন আব্বাস (রা)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি লোকদেরকে (বিভিন্ন বিষয়ে) ফাতওয়া দিচ্ছিলেন। তবে তিনি কোন ফতওয়াকে নবী (ﷺ) -এর সঙ্গে সম্পর্কিত করছিলেন না। এমন সময় ইরাক থেকে এক লোক এসে বলল, আমি ইরাকের অধিবাসী। আমি এ ধরনের (প্রাণীর) ছবি তৈরী করি। তখন ইবন আব্বাস (রা) তাকে বললেন, তুমি আমার কাছে আস। (বর্ণনাকারী বলেন,) এটা তিনি দু'বার বা তিনবার বললেন। তারপর সে কাছে আসলে ইবন আব্বাস (রা) বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ইহকালে কোন ছবি তৈরী করবে, কিয়ামতের দিন তাকে এর মধ্যে রূহ ফুঁকতে বাধ্য করা হবে। অথচ সে (তাতে কোনভাবেই) রূহ ফুঁকতে পারবে না।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
146- عن النضر بن أنس قال كنت عند ابن عباس رضي الله عنهما وهو يفتي الناس لا يسند إلى النبي صلى الله عليه وسلم شيئا من فتياه حتى جاءه رجل من أهل العراق فقال أني رجل من أهل العراق وأني أصوّر هذه التصاوير، فقال له ابن عباس ادنه إما مرتين أو ثلاثا فدنا، فقال ابن عباس سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من صوّر صورة في الدنيا كلف يوم القيامة أن ينفخ فيه الروح وليس بنافخ
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৭। সা'ঈদ ইবন আবিল হাসান (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবন আব্বাস (রা)- এর নিকট এসে বলল, হে ইবন আব্বাস। আমি তো এসব ছবি তৈরী করে থাকি। আপনি আমাকে এ বিষয়ে ফাতওয়া দিন। তিনি বললেন, তুমি আমার কাছে আস। লোকটি তার কাছে গেল। তিনি তার মাথায় হাত রেখে বললেন, আমি (এ বিষয়ে) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট থেকে যা শুনেছি তাই কি তোমাকে শুনাব? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, প্রত্যেক ছবি নির্মাতা জাহান্নামে যাবে। যে যে পরিমাণ ছবি তৈরী করেছে, (কিয়ামতের দিন) সবগুলোতে প্রাণ দেওয়া হবে এবং জাহান্নামে শাস্তি দেওয়া হবে। (ইবন আব্বাস (রা) বললেন,) যদি তোমাকে ছবি তৈরী করতেই হয় তবে তুমি গাছ- গাছরা এবং এমন বস্তু ছবির তৈরী কর, যাতে কোন প্রাণ নেই।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
147- عن سعيد بن أبي الحسن قال جاء رجل إلى ابن عباس فقال يا ابن عباس أني رجل أصوّر هذه الصور واصنع هذه الصور فأفتني فيها، قال أدن مني فدنا حتى وضع يده على رأسه قال انبئك بما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول كل مصوّر في النار يجعل له بكل صورة صوّرها نفس تعذبه في جهنم، فان كنت لابد فاعلا فاجعل الشجر ومالا نفس له
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৮। আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় কিয়ামতের দিন জাহান্নামী লোকদের মধ্যে ছবি তৈরীকারীদেরকে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে। বর্ণনাকারী ওয়াকী' বলেছেন, মানুষের মধ্যে সর্বাধিক কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে।
(বুখারী)
(বুখারী)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
148- عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أن من أشد أهل النار عذابا يوم القيامة المصورِّين، وقال وكيع أشد الناس
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৪৯। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ছবি তৈরীকারীদেরকে কিয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে; তাদেরকে বলা হবে, তোমরা যা তৈরী করেছ তাতে জীবন দান কর।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
149- عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال المصوِّرين يعذبون يوم القيامة ويقال أحيوا ما خلقتم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫০। আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, হাফস ইবন গিয়াস। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন লায়স (র)। তিনি বলেন, আমি সালিম ইবন আবদিল্লাহ (র) এর নিকট উপস্থিত হলাম। তখন তিনি পাখী ও বন্য পশুর ছবিযুক্ত একটি বালিশে হেলান দেওয়া অবস্থায় ছিলেন। আমি তাকে বললাম, এটা কি মাকরূহ নয়? তিনি বললেন, না। মাকরূহ কেবল এমন ছবি, যা স্থাপন করা হয়। তিনি আরো বললেন, আমাকে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি ছবি তৈরী করে, তাকে শাস্তি দেওয়া হবে। বর্ণনাকারী হাফস (র) এক সময় বলেছেন, তাকে এর মধ্যে প্রাণ ফুঁক দেওয়ার জন্য বাধ্য করা হবে। কিন্তু সে তাতে প্রাণ ফুঁকতে পারবে না।
(হাদীসটি মারফু' অংশ বুখারী, মুসলিম বর্ণনা করেছেন। আর বাকী অংশ অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটি সহীহ এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি মারফু' অংশ বুখারী, মুসলিম বর্ণনা করেছেন। আর বাকী অংশ অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হাদীসটি সহীহ এবং এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
150- حدّثنا حفص بن غياث حدثنا ليث قال دخلت على سالم بن عبد الله وهو متكئ على وسادة فيها تماثيل طير ووحض، فقلت أليس يكره هذا؟ قال لا، إنما يكره ما نصب نصبا حدثني أبي عبد الله بن عمر عن رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وسلم قال من صوّر عذب، وقال حفص مرة كلف أن ينفخ فيها وليس بنافخ
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫১। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় যারা এসব (প্রাণীর) ছবি তৈরী করে তাদেরকে কিয়ামতের দিন শাস্তি দেওয়া হবে; তাদেরকে বলা হবে, তোমার যা বানিয়েছ তাতে জীবন দান কর। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
151- عن عائشة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أن أصحاب هذه الصور يعذبون يوم القيامة يقال لهم أحيوا ما خلقتم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫২। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, সে ব্যক্তি অপেক্ষা অধিকতর জালিম কে, যে আমার সৃষ্টির অনুরূপ মাখলুক তৈরী করতে চায়? তা হলে তারা একটি মশা সৃষ্টি করুক এবং তারা একটি বিন্দু সৃষ্টি করুক। বর্ণনাকারী আবু উবায়দা (র) বলেছেন, সে যেন সৃষ্টি করে।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
152- عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الله عز وجل ومن أظلم ممن خلق كخلقي فليخلقوا بعوضة وليخلقوا ذرة، قال أبو عبيدة يخلق
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫৩। আবু যুর'আ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আবু হুরায়রা (রা)-এর সঙ্গে মারওয়ান ইবনুল হাকামের ঘরে প্রবেশ করলাম। তিনি সেখানে কিছু ছবি দেখলেন, যা তৈরী করা হচ্ছিল। তখন তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা'আলা বলেন, সে ব্যক্তি অপেক্ষা অধিকতর জালিম কে, যে আমার সৃষ্টির অনুরূপ মাখলুক তৈরী করতে চায়? তা হলে তারা একটি বিন্দু সৃষ্টি করুক! অথবা একটি শস্যদানা সৃষ্টি করুক। অথবা একটি যব সৃষ্টি করুক।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
153- عن أبي زرعة قال دخلت مع أبي هريرة دار مروان بن الحكم فرأى فيها تصاوير وهي تبنى فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول، يقول الله عز وجل ومن أظلم ممن ذهب يخلق خلقا كخلقي فليخلقوا ذرة فليخلقوا حبة أو ليخلقوا شعيرة الحديث
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৫৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫৪। কুরাঈশ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত যে, একদা তিনি আবু হুরায়রা (রা)-এর সঙ্গে ছিলেন। সে সময় আবু হুরায়রা (রা) জনৈক দাসীর হাতে কাপড়ে নকশাকৃত একটি ঘোড়ার ছবি দেখে বললেন, তুমি কি এটা দেখ না? রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, এটা কেবল এমন লোক তৈরী করে, কিয়ামতের দিন যার কোন অংশ নেই।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
154- عن رجل من قريش عن أبيه أنه كان مع أبي هريرة فرأى أبو هريرة فرسا من رقاع في يد جارية فقال ألا ترى هذا؟ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما يعمل هذا من لا خلاق له يوم القيام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ (প্রাণীর) ছবি সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা। কাপড়, বিছানা, পর্দা ইত্যাদির ছবির বিধান প্রসঙ্গ
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
(ছবির নিষিদ্ধতা এবং ছবি প্রস্তুতকারীর প্রতি কঠোরবাণী।)
১৫৫। আবদুল্লাহ ইবন নুজাঈ হাযরামী (র) সূত্রে তার পিতা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আলী (রা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আমার বিশেষ মর্যাদা ছিল, যা সৃষ্টিকূলের অন্য কারো জন্য ছিল না। আমি প্রতিদিন সাহরীর সময় তার নিকট আসতাম এবং তাকে সালাম দিতাম। তিনি গলাখাঁকার দিলে আমি প্রবেশ করতাম। একরাতে এসে আমি তাকে সালাম বললাম, 'আসসালামু আলাইকা ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ'। তখন তিনি বললেন, হে আবু হাসান। তুমি অপেক্ষা কর; যাবত না আমি বের হয়ে আসি। যখন তিনি বের হলেন, তখন আমি বললাম, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ। আপনাকে কি কেউ অসন্তুষ্ট করেছে? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তবে আপনার কি হল যে, আপনি আমার সঙ্গে বিগত সময়ে কথা বলেছেন, কিন্তু আজ কথা বলেন নি? (অর্থাৎ অন্যান্য সময়ে অনুমতি চাইলে আপনি অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু আজ অনুমতি দেন নি।) তিনি বললেন, আমি হুজরায় নাড়াচাড়ার আওয়াজ শুনে ছিলাম। তখন আমি বললাম, কে? বলল, আমি জিবরাঈল। আমি বললাম, আসুন। তিনি বললেন, না। আপনি বের হয়ে আমার নিকট আসুন। আমি তাঁর নিকট আসলে তিনি বললেন, আপনার ঘরে এমন এক বস্তু আছে যার উপস্থিত থাকাকালে সেখানে ফেরেশতা প্রবেশ করতে পারে না। আমি বললাম, হে জিবরাঈল। আমি তো এ সম্বন্ধে কিছু জানি না। তিনি বললেন, আপনি ভিতরে গিয়ে দেখুন। আমি ঘরের দরজা খুললাম। কিন্তু সেখানে একটি কুকুর ছানা ব্যতীত অন্য কিছু পেলাম না। হাসান এটাকে নিয়ে খেলা করছিল। আমি (এসে) বললাম, আমি তো কেবল একটি কুকুরছানা দেখতে পেয়েছি। তিনি বললেন, নিশ্চয় এটা তিন বস্তুর অন্তর্ভুক্ত, যেগুলোর কোন একটি উপস্থিতিতে কখনো ফেরেশতা প্রবেশ করতে পারেন না। অর্থাৎ কুকুর, নাপাকী অথবা প্রাণীর ছবি।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট দুই সময়ে প্রবেশ করতাম। রাতে এবং দিনে। যখন তার নিকট যেতাম, সে সময় তিনি সালাত আদায়রত থাকলে গলাখাঁকার দিতেন। এক রাতে আমি তার নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান, আজ রাতে ফেরেশতা কি করেছেন? আমি সালাম আদায় করছিলাম। সে সময় আমি ঘরে নাড়াচাড়ার আওয়াজ শুনলাম। তখন বের হয়ে দেখলাম যে, জিবরাঈল (আ) এসেছেন। তিনি বললেন, এই রাতে আমি (আপনার নিকট আসার জন্য) অপেক্ষা করছিলাম। আপনার ঘরে একটি কুকুর আছে। এজন্য আমি সেখানে প্রবেশ করতে পারি নি। নিশ্চয় আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যেখানে কুকুর, জুনুবী ব্যক্তি বা কোন (প্রাণীর) ছবি থাকে।
(নাসাঈ ও ইবন মাজাহ হাদীসটির কিয়দাংশ উল্লেখ করেছেন। প্রথম সূত্রটি হাসান। আর দ্বিতীয় সূত্রটি সংযোগবিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে দূর্বল।)
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রা) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট দুই সময়ে প্রবেশ করতাম। রাতে এবং দিনে। যখন তার নিকট যেতাম, সে সময় তিনি সালাত আদায়রত থাকলে গলাখাঁকার দিতেন। এক রাতে আমি তার নিকট আসলাম। তখন তিনি বললেন, তুমি কি জান, আজ রাতে ফেরেশতা কি করেছেন? আমি সালাম আদায় করছিলাম। সে সময় আমি ঘরে নাড়াচাড়ার আওয়াজ শুনলাম। তখন বের হয়ে দেখলাম যে, জিবরাঈল (আ) এসেছেন। তিনি বললেন, এই রাতে আমি (আপনার নিকট আসার জন্য) অপেক্ষা করছিলাম। আপনার ঘরে একটি কুকুর আছে। এজন্য আমি সেখানে প্রবেশ করতে পারি নি। নিশ্চয় আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যেখানে কুকুর, জুনুবী ব্যক্তি বা কোন (প্রাণীর) ছবি থাকে।
(নাসাঈ ও ইবন মাজাহ হাদীসটির কিয়দাংশ উল্লেখ করেছেন। প্রথম সূত্রটি হাসান। আর দ্বিতীয় সূত্রটি সংযোগবিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে দূর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
أبواب النهي عن التصوير وحكم ما فيه صور من الثياب والبسط والستور ونحو ذلك - باب ما جاء في النهي عن التصوير ووعيد فاعله
155- عن عبد الله بن نجىّ الحضرمى عن أبيه رضي الله عنه قال قال لي علىّ كانت لي من رسول الله صلى الله عليه وسلم منزلة لم تكن لأحد من الخلائق أني كنت آتية كل سحر فاسلمّ عليه حتى يتنحنح وأني جئت ذات ليلة صليت عليه فقلت السلام عليك يا نبي الله، فقال على رسلك يا أبا حسن حتى أخرج إليك، فلما خرج إلىّ قلت يا نبي الله أغضبك أحد؟ قال لا، قلت فما لك لا تكلمني فيما مضى حتى كلمتني الليلة قال سمعت في الحجرة حركة فقلت من هذا؟ قال جبريل، قلت ادخل، قال لا، أخرج إىّ، فلما خرجت إليه قال أن في بيتك شيئا لا يدخله ملك ما دام فيه، قلت ما اعلمه يا جبريل، قال اذهب فانظر، ففتحت البيت فلم أجد فيه شيئا غير جرو كلب كان يلعب به الحسن قلت ما وجدت إلا جروا، قال أنها ثلاث لن يلج ملك ما دام فيها أبدا واحد منها، كلب أو جنابة، أو صورة روح (وعنه من طريق ثان) قال قال علىّ لي من رسول الله صلى الله عليه وسلم مدخلان بالليل والنهار، وكنت إذا دخلت عليه وهو يصلي تنحنح، فأتيته ذات ليلة فقال أتدري ما أحدث الملك الليلة؟ كنت أصلي فسمعت خشفة في الدار فخرجت فإذا جبريل عليه السلام فقال ما زلت هذه الليلة انتظرك، أن في بيتك كلبا فلم استطع الدخول، وإنا لا ندخل بينا فيه كلب ولا جنب ولا تمثال
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে (প্রাণীর) ছবি, কুকুর অথবা অপবিত্র লোক থাকে।
১৫৬। আলী (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার নিকট জিবরাঈল (আ) আসলেন। (মুসলিমের বর্ণনায় অতিরিক্ত হল, আমার নিকট) কিন্তু তিনি (ঘরের ভিতর) আসেন নি। তখন নবী (ﷺ) তাঁকে বললেন, আপনাকে কোন জিনিস ভিতরে আসতে বাঁধা দিয়েছে? তিনি বললেন, আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যেখানে ছবি অথবা পেশাব থাকে।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জিবরাঈল (আ) নবী (ﷺ) -এর নিকট এসে বললেন, নিশ্চয় আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যেখানে ছবি অথবা কুকুর থাকে। ঘরের ভিতরের কুকুরটি হাসানের ছিল।
(হাদীসটির উভয় সূত্র দুর্বল।)
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জিবরাঈল (আ) নবী (ﷺ) -এর নিকট এসে বললেন, নিশ্চয় আমরা এমন ঘরে প্রবেশ করি না, যেখানে ছবি অথবা কুকুর থাকে। ঘরের ভিতরের কুকুরটি হাসানের ছিল।
(হাদীসটির উভয় সূত্র দুর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه صورة أو كلب أو جنب
156- عن على عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أتاني جبريل عليه السلام (زاد في رواية يسلم علىّ) فلم يدخل علىَّ فقال له النبي صلى الله عليه وسلم وما منعك أن تدخل؟ قال إنا لا ندخل بيتا فيه صورة ولا بول (وعنه من طريق ثان) أن جبريل أتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إنا لا ندخل بيتا فيه صورة أو كلب وكان الكلب للحسن في البيت
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে (প্রাণীর) ছবি, কুকুর অথবা অপবিত্র লোক থাকে।
১৫৭। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কা'বা গৃহে প্রবেশ করে সেখানে ইবরাহীম (আ) ও মারয়াম (আ)-এর মূর্তি পেলেন। তখন তিনি বললেন, তারা (কাফের সম্প্রদায়) তো শুনেছে যে, ফেরেশতারা এমন ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে ছবি থাকে। কিন্তু এখানে ইবরাহীম (আ)-এর ছবি রয়েছে। তিনি তো জুয়ার তীর দ্বারা ভাগ্য নির্ণয় করতেন না।
(বুখারী, নাসাঈ)
(বুখারী, নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه صورة أو كلب أو جنب
157- عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حين دخل البيت وجد فيه صورة إبراهيم وصورة مريم، فقال أمّا هم فقد سمعوا أن الملائكة لا تدخل بيتا فيه صورة وهذا إبراهيم مصوَّرا فما باله يستقسم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে (প্রাণীর) ছবি, কুকুর অথবা অপবিত্র লোক থাকে।
১৫৮। আবু তালহা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছি, ফেরেশতাগণ এমন ঘরে প্রবেশ করেন না, যেখানে কুকুর এবং প্রাণীর ছবি থাকবে।
(বুখারী, নাসাঈ)
(বুখারী, নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه صورة أو كلب أو جنب
158- عن أبي طلحة قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا تدخل الملائكة بيتا فيه كلب ولا صورة تماثيل
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৫৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে (প্রাণীর) ছবি, কুকুর অথবা অপবিত্র লোক থাকে।
১৫৯। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, একদা জিবরাঈল (আ) আমার নিকট এসে বললেন, আমি গত রাত আপনার নিকট এসেছিলাম। কিন্তু ঘরের ভিতরে প্রবেশ করতে আমাকে যা বাঁধা দিয়েছিল সেটা হল, এক পুরুষের ছবি। ঘরের দরজায় একটি রঙ্গিন পর্দা ঝুলানো ছিল। তাতে অনেক প্রাণীর ছবি ছিল। সুতরাং এসব ছবির মাথার ব্যাপারে নির্দেশ দিন, যেন তা কেটে ফেলা হয়। তা হলে এগুলো গাছ সদৃশ হয়ে যাবে। এবং পর্দার ব্যাপারে নির্দেশ দিন, যেন তা কেটে ফেলা হয় এবং এটা দ্বারা দু'টি গদি তৈরী করা হয়। আর কুকুরের ব্যাপারে নির্দেশ দিন, যেন তাকে বের করা হয়। এরপর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) তাই করলেন। কুকুরের একটি ছানা হাসান ও হুসায়নের ছিল। এটা তাদের খাটের নীচে ছিল। তিনি (রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ) বলেন, জিবরাঈল (আ) আমাকে প্রতিবেশী (এর অধিকার) সম্বন্ধে অধিক পরিমাণে তাগিদ দিচ্ছিলেন। এমন কি আমি ভাবলাম যে, হয়ত তিনি তাকে উত্তরাধিকারী বলে ঘোষণা দিবেন।
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন হিব্বান)
(আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন হিব্বান)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه صورة أو كلب أو جنب
159- عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أتاني جبريل عليه السلام فقال أني كنت أتيتك الليلة فلم يمنعني أن أدخل عليك البيت الذي أنت فيه إلا أنه كان في البيت تمثال رجل وكان في البيت قرام يتر فيه تماثيل فمر برأس التمثال يقطع فيصير كهيئة الشجرة، ومر بالستر يقطع فيجعل منه وسادتان توطآن، ومر بالكلب فيخرج، ففعل رسول الله صلى الله عليه وسلم واذا الكلب جرو كان للحسن والحسين عليهما السلام تحت نضد لهما قال وما زال يوصينى بالجار حتى ظننت أو رأيت انه سيورثه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ ফেরেশতা এমন ঘরে প্রবেশ করে না যেখানে (প্রাণীর) ছবি, কুকুর অথবা অপবিত্র লোক থাকে।
১৬০। আবু বাকর ইবন আনাব আবি মূসা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি সালিম ইবন আবদিল্লাহ (র)-এর সঙ্গে ছিলাম। সে সময় উম্মুল বানীন (অর্থাৎ উতবা ইবন হুসায়নের কন্যা)-এর কাফেলা আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করল। তাদের সঙ্গে অনেক ঘণ্টা ছিল। তখন সালিম (র) তার পিতা থেকে, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করলেন যে, তিনি বলেছেন, যে কাফেলার সঙ্গে ঘন্টা থাকে, ফেরেশতা তাদের সঙ্গ দেয় না। তাদের নিকটে তো তুমি অনেক ঘণ্টা দেখতে পাচ্ছ।
(নাসাঈ)
(হাদীসটির সূত্র হাসান।)
(নাসাঈ)
(হাদীসটির সূত্র হাসান।)
كتاب اللباس والزنية
باب لا تدخل الملائكة بيتا فيه صورة أو كلب أو جنب
160- عن ابى بكر يعنى انب ابى موسى قال كنت مع سالم بن عبد الله بن عمر فمرت رفقة لأم البنين فيها أجراء فحدث سالم عن ابيه عن النبى صلى الله عليه وسلم انه قال لا تصحب الملائكة ركبا معهم الجلجل فكم ترى فى هؤلاء من جلجل
তাহকীক: