প্রবন্ধ
হাশরের ময়দানের বিভীষিকা
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
৬৭১
০
অনন্তকালের মুসাফির মানবজাতি। দুনিয়ার জীবন একটি ক্ষণস্থায়ী মুসাফিরখানা—আজ আছি, কাল নেই। কিন্তু এই পৃথিবীর পর এক চিরন্তন জগত অপেক্ষা করছে, যার প্রথম ভয়াবহ ও বিভীষিকাময় স্টেশন হলো ‘হাশরের ময়দান’। যেদিন শেষ হয়ে যাবে সমস্ত অহংকার, চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে পার্থিব ক্ষমতার দাপট, আর প্রতিটি আত্মা তার কৃতকর্মের হিসাব দিতে ইলাহী আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে থরথর করে কাঁপতে থাকবে। সেই দিনটি কোনো সাধারণ দিন নয়; সেটি এক চরম আতঙ্ক, দিশেহারা মুহূর্ত এবং অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দেওয়া বিভীষিকার দিন।
সেদিনের সূচনা: শিঙায় ফুৎকার
কুরআনুল কারীমে এর ভয়াবহ চিত্র একে দেওয়া হয়েছে অত্যন্ত জীবন্ত ভাষায়। যখন ইসরাফীল (আ.)-এর শিঙায় প্রথম ফুঁ দেওয়া হবে, সমগ্র কায়েনাত মুহূর্তে ওলটপালট হয়ে যাবে। পৃথিবীর পাহাড়-পর্বতগুলো তুলার মতো উড়তে থাকবে, সমুদ্রগুলো উত্তাল আগুনে পরিণত হবে, আর আসমান চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন:
اِذَا السَّمَآءُ انۡفَطَرَتۡ وَاِذَا الۡکَوَاکِبُ انۡتَثَرَتۡ وَاِذَا الۡبِحَارُ فُجِّرَتۡ وَاِذَا الۡقُبُوۡرُ بُعۡثِرَتۡ عَلِمَتۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ وَاَخَّرَتۡ
"যেদিন আসমান ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে এবং নক্ষত্রগুলো ঝরে পড়বে, আর যখন সমুদ্রগুলোকে উত্তাল করে দেওয়া হবে এবং কবরগুলোকে উন্মোচিত করা হবে—তখন প্রতিটি আত্মা জানতে পারবে সে সামনে কী পাঠিয়েছে এবং পেছনে কী ছেড়ে এসেছে।" --সূরা আল-ইনফিতার: ১-৫
প্রথম ফুৎকারে সমস্ত মাখলুকাত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে। এরপর যখন দ্বিতীয় ফুৎকার দেওয়া হবে, তখন হাজার হাজার বছর ধরে মাটিতে মিশে থাকা মানুষগুলো কবর ফুঁড়ে একসাথে উঠে দাঁড়াবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
وَاُمِّہٖ وَاَبِیۡہِ وَصَاحِبَتِہٖ وَبَنِیۡہِ لِکُلِّ امۡرِیًٴ مِّنۡہُمۡ یَوۡمَئِذٍ شَاۡنٌ یُّغۡنِیۡہِ یَوۡمَ یَفِرُّ الۡمَرۡءُ مِنۡ اَخِیۡہِ
"সেদিন মানুষ নিজের ভাই, নিজের মা, নিজের বাবা, নিজের স্ত্রী এবং সন্তান-সন্ততিদের ছেড়ে পালিয়ে যাবে। সেদিন প্রত্যেকের এমন এক অবস্থা হবে যা তাকে অন্য সবার থেকে সম্পূর্ণ বেখবর করে রাখবে।"-সূরা আবাসা: ৩৪-৩৭
ভেবে দেখুন সেই দৃশ্য! যে সন্তানকে মা পরম মায়ায় বুকে আগলে রাখতেন, যে বাবাকে সন্তান বিপদে আশ্রয় মনে করত—সেদিন কেউ কাউকে চিনবে না। প্রত্যেকে নিজের নফসি-নফসি আকুতিতে কাঁদতে থাকবে।
আল্লাহ তা‘আলা আরও ইরশাদ করেন:
يوۡمَ تَرَوۡنَہَا تَذۡہَلُ کُلُّ مُرۡضِعَۃٍ عَمَّاۤ اَرۡضَعَتۡ وَتَضَعُ کُلُّ ذَاتِ حَمۡلٍ حَمۡلَہَا وَتَرَی النَّاسَ سُکٰرٰی وَمَا ہُمۡ بِسُکٰرٰی وَلٰکِنَّ عَذَابَ اللّٰہِ شَدِیۡدٌ
অর্থ: সেদিন তোমরা দেখবে, স্তন্যদাত্রী মা তার দুগ্ধপোষ্য সন্তানকে ভুলে যাবে এবং গর্ভবতী নারীর গর্ভপাত হয়ে যাবে। মানুষকে তুমি দেখবে মাতালের মতো, অথচ তারা মাতাল নয়; বরং আল্লাহর আজাব বড়ই কঠিন।"-সূরা আল-হাজ্জ: ২
যে মা নিজের জীবনের চেয়েও সন্তানকে বেশি ভালোবাসেন, সেই মা কিয়ামতের ধাক্কায় সন্তানকে মাটিতে ফেলে পালিয়ে যাবেন। বুকের সন্তানকে ভুলে যাওয়ার চেয়ে বড় বিভীষিকা আর কী হতে পারে?
ঘামের সাগরে হাবুডুবু
হাশরের ময়দান হবে একটি সমতল জমি, যেখানে কোনো গাছপালা, পাহাড় বা আড়াল থাকবে না। কোনো ছায়াও থাকবে না একমাত্র আল্লাহর আরশের ছায়া ব্যতীত। হযরত মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
অর্থ: "কিয়ামতের দিন সূর্যকে মাখলুকের এত নিকটে আনা হবে যে, তা মাত্র এক মাইল দূরে অবস্থান করবে। সূর্যের উত্তাপে মানুষ তার নিজ নিজ আমল অনুযায়ী ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে। কারো ঘাম হবে টাখনু পর্যন্ত, কারো হাঁটু পর্যন্ত, কারো কোমর পর্যন্ত, আবার কাউকে ঘাম লাগামের মতো বন্দি করে ফেলবে (অর্থাৎ নাক-কান পর্যন্ত ডুবে যাবে)।" -সহীহ মুসলিম, ২৮৬৪
হৃদয় কাঁপানো সেই তাপদাহ সহ্য করার মতো কোনো শক্তি মানুষের থাকবে না। পাপের ভারে ভারাক্রান্ত মানুষের চোখ দিয়ে সেদিন আর অশ্রু বের হবে না, বরং রক্তাশ্রু প্রবাহিত হতে থাকবে।
ভেবে দেখুন, আমাদের পুরো জিন্দেগিতে কি এমন একটা মুহূর্তও এসেছে—যখন নির্জনে বসে আল্লাহর ভয়ে দুই ফোঁটা চোখের পানি ফেলেছি? যদি না এসে থাকে, তবে হাশরের ময়দানের সেই তীব্র তাপদাহে আমাদের কী দশা হবে?
সেদিন মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা কেমন হবে?
আম্মাজান হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "কিয়ামতের দিন মানুষকে খালি পায়ে, উলঙ্গ অবস্থায় এবং খাতনাহীনভাবে একত্রিত করা হবে।" হযরত আয়েশা (রা.) চরম বিস্ময়ে আরজ করলেন, "হে আল্লাহর রাসূল! নারী ও পুরুষ সকলে কি একে অপরের দিকে তাকাতে থাকবে না?" আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তরে বললেন: "হে আয়েশা! সেদিন পরিস্থিতি এত ভয়াবহ ও কঠিন হবে যে, কেউ কারো দিকে তাকানোর কথা কল্পনাই করতে পারবে না!"-সহীহ মুসলিম, ২৮৫৯
হাশরের ময়দানের ভয় ও আতঙ্ক মানুষের চোখ-কান ও বিবেককে স্তব্ধ করে দেবে। লজ্জাবোধের চেয়ে বেঁচে থাকার এবং আজাব থেকে রক্ষা পাওয়ার আকুতি সেদিন শত গুণ বড় হয়ে দেখা দেবে।
জাহান্নামের গর্জন ও আমলনামা প্রকাশ
হাশরের ময়দানে যখন সমস্ত মানুষ অপেক্ষার প্রহর গুনতে থাকবে, তখন জাহান্নামকে টেনে হিঁচড়ে মানুষের সামনে নিয়ে আসা হবে। হাদিস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
يؤتى بجهنم يومئذ لها سبعون ألف زمام مع كل زمام سبعون ألف ملك يجرونها
"সেদিন জাহান্নামকে উপস্থিত করা হবে, যার ৭০ হাজার লাগাম থাকবে এবং প্রতিটি লাগামে ৭০ হাজার ফেরেশতা টানাটানি করতে থাকবেন।" -সহীহ মুসলিম, ২৮৪২
জাহান্নামের সেই বিকট গর্জন ও ক্রোধ দেখে আম্বিয়া-কেরাম পর্যন্ত হাঁটু গেড়ে বসে পড়বেন এবং বলতে থাকবেন—"ইয়া রব! সাল্লিম, সাল্লিম" (হে আল্লাহ! রক্ষা করো, রক্ষা করো)। -বুখারি, ৮০৬
এরপর উপস্থিত হবে সেই ক্ষণ—আমলনামা উন্মুক্ত করার ক্ষণ। মানুষের হাতে তার জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডের হিসাব তুলে দেওয়া হবে।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
ووُضِعَ الۡکِتٰبُ فَتَرَی الۡمُجۡرِمِیۡنَ مُشۡفِقِیۡنَ مِمَّا فِیۡہِ وَیَقُوۡلُوۡنَ یٰوَیۡلَتَنَا مَالِ ہٰذَا الۡکِتٰبِ لَا یُغَادِرُ صَغِیۡرَۃً وَّلَا کَبِیۡرَۃً اِلَّاۤ اَحۡصٰہَا ۚ وَوَجَدُوۡا مَا عَمِلُوۡا حَاضِرًا ؕ وَلَا یَظۡلِمُ رَبُّکَ اَحَدًا
"আর আমলনামা সামনে রাখা হবে। তখন তুমি অপরাধীদের দেখবে, এতে যা আছে তার ভয়ে তারা আতঙ্কিত। তারা বলবে, ' হায় আফসোস! এ কেমন গ্রন্থ! যা ছোট কিংবা বড় কোনো অপরাধকেই বাদ দেয়নি, সবই গণনা করে রেখেছে!' তারা যা করেছিল তা সামনে উপস্থিত পাবে। আর তোমার রব কারো ওপর জুলুম করেন না।"-সূরা আল-কাহফ: ৪৯
পুলসিরাত: তলোয়ারের চেয়ে ধারালো সেতু
হাশরের হিসাব-নিকাশ শেষে জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝে স্থাপন করা হবে 'পুলসিরাত'। প্রতিটি মানুষকে এই সেতু পার হতেই হবে। হযরত আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) বলেন, "আমরা জানতে পেরেছি, পুলসিরাত হলো চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম এবং তলোয়ারের চেয়েও ধারালো।"-সহীহ মুসলিম, ১৮৩
হাদীস শরীফে এসেছে,
يؤتى بالجسر فيجعل بين ظهري جهنم "، قلنا: يا رسول الله، وما الجسر؟ قال: " مدحضة مزلة، عليه خطاطيف وكلاليب، وحسكة مفلطحة لها شوكة عقيفاء، تكون بنجد، يقال لها: السعدان، المؤمن عليها كالطرف وكالبرق وكالريح، وكأجاويد الخيل والركاب، فناج مسلم، وناج مخدوش، ومكدوس في نار جهنم، حتى يمر آخرهم يسحب سحبا
অর্থ: পুল স্থাপন করা হবে জাহান্নামের উপর। সাহাবীগণ আরয করলেন, সে পুলটি কি ধরনের হবে ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেনঃ দুর্গম পিচ্ছিল জায়গা। এর ওপর আংটা ও হুক থাকবে, শক্ত চওড়া উল্টো কাঁটা বিশিষ্ট হবে, যা নজদ দেশের সাদান বৃক্ষের কাটার মত হবে। সে পুলের উপর দিয়ে ঈমানদারগণের কেউ অতিক্রম করবে চোখের পলকের মতো, কেউ বিজলীর মতো, কেউ বা বাতাসের মতো আবার কেউ তীব্রগামী ঘোড়া ও সওয়ারের মতো। তবে মুক্তিপ্রাপ্তগণ কেউ নিরাপদে চলে আসবে, আবার কেউ জাহান্নামের আগুনে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে। একেবারে শেষে পার হবে যে ব্যক্তিটি, সে হেঁচড়িয়ে কোন রকমে পার হয়ে আসবে।–বুখারি, ৭৪৩৯
এখনই তাওবার সময়
প্রিয় পাঠক! একবার চোখ দুটি বন্ধ করে অনুভূতির গভীর থেকে চিন্তা করুন— আজ আমরা যে চোখে অবাধে গুনাহের দৃশ্য দেখছি, হাশরের ময়দানে সেই চোখ রক্তাশ্রু ফেলবে। আজ যে কান দিয়ে আমরা গীবত, পরনিন্দা ও পাপাচারের কথা শুনছি, সেদিন সেই কান দিয়ে জাহান্নামের ভয়াল গর্জন শুনতে হবে। আজ যে শরীরকে আমরা আরাম-আয়েশে রাখছি, সেই নরম চামড়া কীভাবে হাশরের তপ্ত তামার ময়দান ও পুলসিরাতের ধারালো কাঁটা সহ্য করবে?
ইমাম তাউস (রহ.) রাতে বিছানায় শুতে পারতেন না। তিনি ছটফট করতেন। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন:
"যখনই আমার হাশরের ময়দান ও জাহান্নামের আগুনের কথা মনে পড়ে, তখন আমার চোখ থেকে ঘুম উবে যায়!"
শেখ সাদী (রহ.) তাঁর 'গুলিস্তাঁ'-তে কত চমৎকার লিখেছিলেন:
"দুনিয়ার সামান্য রোদে যে মানুষ ১০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, সে কীভাবে হাশরের ময়দানের মেগা-উত্তাপ সহ্য করবে? দুনিয়ার আগুনে একটি আঙুল লাগলে যে চিৎকার করে ওঠে, সে কীভাবে পুলসিরাতের নিচের অগ্নিকুণ্ডের ওপর দিয়ে হেঁটে যাবে?"
মৃত্যুর ফেরেশতা হযরত আজরাঈল (আ.) কিন্তু আমাদের দিকেই এগিয়ে আসছেন। জীবনের আয়ু ঘড়ির কাঁটার মতো হুহু করে কমে যাচ্ছে। আজ আমাদের তওবা করার সুযোগ আছে, হাত তুলে আল্লাহর কাছে কাঁদার সুযোগ আছে। কিন্তু হাশরের ময়দানে কান্না কোনো কাজে আসবে না। সেদিন এক ফোঁটা চোখের পানির মূল্য হবে কোটি স্বর্ণমুদ্রার চেয়েও বেশি, কিন্তু সেদিন আর কাঁদার সুযোগ থাকবে না।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা কুরআনুল কারীমে আমাদের সতর্ক করে বলছেন,
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا اتَّقُوا اللّٰہَ وَلۡتَنۡظُرۡ نَفۡسٌ مَّا قَدَّمَتۡ لِغَدٍ ۚ وَاتَّقُوا اللّٰہَ ؕ اِنَّ اللّٰہَ خَبِیۡرٌۢ بِمَا تَعۡمَلُوۡنَ
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং প্রতিটি মানুষের উচিত এটা লক্ষ্য করা যে, সে আগামীকালের (কেয়ামতের) জন্য কী অগ্রিম পাঠিয়েছে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো; নিশ্চয়ই তোমরা যা করো, আল্লাহ সে সম্পর্কে পূর্ণ অবহিত।"-সূরা আল-হাশর: ১৮
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এখনো আমাদের তওবার সুযোগ দিয়ে রেখেছেন। মৃত্যুর ফেরেশতা আসার আগেই আমাদের জাগ্রত হতে হবে।
আল্লাহ রব্বুল আলামীন ডেকে ডেকে বলছেন:
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট খাঁটি তাওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন এবং তোমাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।" --সূরা আত-তাহরীম: ৮
আসুন, হাশরের সেই বিভীষিকাময় দিনের ভয়ে, আল্লাহর মহিমার ভয়ে আজই নির্জনে দুটি ফোঁটা চোখের পানি ফেলি। আমাদের এই দু'ফোটা চোখের পানিই হতে পারে হাশরের ময়দানে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার ঢাল এবং আরশের শীতল ছায়া পাওয়ার উসীলা।
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে হাশরের ময়দানের সমস্ত বিভীষিকা থেকে রক্ষা করুন এবং শেষ বিচারে তাঁর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় দান করুন। আমীন।
মন্তব্য (...)
এ সম্পর্কিত আরও প্রবন্ধ
اخلاص اور اس کی برکات
اخلاص یہ ہے کہ انسان کا قول، عمل اور ہر کوشش صرف اللہ تعالیٰ کے لیے ہو، اس کی رضا کے لیے ہو، اس کے ق...
লেনদেনে সততা ও হালাল জীবিকা
...
তাকওয়ার লেবাস, লেবাসের তাকওয়া
মেয়েদের বোরকা পরা নিয়ে সামপ্রতিক একটি ঘটনা দ্বীনদার মহলে ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। বোরকা হিজাব ও পর...
নেককার-মুত্তাকী হওয়ার উপায়
কুরআন মুত্তাকীদের জন্য হিদায়াত। অর্থাৎ কুরআনের প্রকৃত হিদায়াত দ্বারা উপকৃত হবে কেবল মুত্তাকী গণ। আল্...
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন