সূরা ওয়াকিয়া ও সূরা মূলক কখন পড়বে?
প্রশ্নঃ ১৩৫২৮৪. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম সুরা ওয়াকিয়া মাগরিবের ওয়াক্ত হলে নামাজের আগে পড়া যাবে?মুলক কি মাগরিবের পর পড়া যাবে।ছোট বাচ্চা থাকায় সময় মিলাতে পারি না। জানাবেন প্লিজ
২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
ঢাকা
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পাঠ করবে, সে কখনো অভাব-অনটনের (অনাহারের) শিকার হবে না। হযরত ইবনে মাসউদ (রা.) তাঁর কন্যাদের প্রতি রাতে এই সূরাটি পড়ার নির্দেশ দিতেন।
তাই রাতে মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময় সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করা যেতে পারে। তবে হাদীসে কোনো নির্দিষ্ট সময় বর্ণিত হয়নি। যেহেতু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিয়মিত আমল ছিল যে, তিনি ঘুমানোর আগে ‘আলিফ-লাম-মীম সাজদাহ’ এবং সূরা মূলক পাঠ করে ঘুমাতেন এবং স্বাভাবিকভাবেই এশার নামাজের পরই ঘুমানোর অভ্যাস ছিল; তাই রাতে মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময় সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করলে হাদীসে বর্ণিত ফজিলত লাভ হবে।
সারকথা হলো, সূরা ওয়াকিয়াহ এবং সূরা মূলক রাতে তিলাওয়াত করার ফজিলত হাদীসে এসেছে; তবে হাদীসে কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করা হয়নি। কিন্তু যেহেতু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অভ্যাস ছিল ঘুমানোর আগে সূরা সাজদাহ ও সূরা মূলক পাঠ করা এবং এশার নামাজের পরেই সাধারণত ঘুমানোর সময় ছিল; তাই মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময় সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করা যেতে পারে এবং ঘুমানোর সময় সূরা মূলক তিলাওয়াতের গুরুত্ব দেওয়া (আমল করা) উচিত।
مشكاة المصابيح :
"وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ قَرَأَ سُورَةَ الْوَاقِعَةِ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ لَمْ تُصِبْهُ فَاقَةٌ أَبَدًا» . وَكَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ يَأْمُرُ بَنَاتَهُ يَقْرَأْنَ بهَا فِي كل لَيْلَة. رَوَاهُ الْبَيْهَقِيّ فِي شعب الْإِيمَان".
(كتاب فضائل القرآن ،الفصل الثالث ، 1/ 668، المكتب الإسلامي)
سنن الترمذي :
"حدثنا هريم بن مسعر، قال: حدثنا الفضيل بن عياض، عن ليث، عن أبي الزبير، عن جابر أن النبي صلى الله عليه وسلم كان لاينام حتى يقرأ الم تنزيل، وتبارك الذي بيده الملك".
(ابواب الصلاۃ، باب ماجاء فی کراھیۃ النوم قبل الوتر،317/2،شركة مكتبة ومطبعة مصطفى البابي الحلبي)
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুফতি জাওয়াদ তাহের
মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১