আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হযরত মুফতী সাহেব (আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের খেদমতের সাথে দীর্ঘজীবী করুন) আমার কয়েকটি বিষয়ে জানার খুবই প্রয়োজন।

১. কোনো মুসলমানের জন্য  বিধর্মীর সাথে পার্টনার হিসেবে ব্যবসা করা জায়েয হবে কি? শরীয়ত এ সম্পর্কে কী বলে?

২. এক ব্যক্তি কারো থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেন সাত কাঠা জমি বন্ধক রেখে। এরপর বন্ধকগ্রহিতা পুনরায় উক্ত জমি ঋণগ্রহিতার নিকট ফেরত দেন এই শর্তে যে, উক্ত জমি থেকে প্রতি বছর আমাকে পনের মন ধান দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ঋণগ্রহিতা উক্ত জমিতে ধান চাষ নাও করতে পারেন। তবুও তাকে পনের মন ধান অথবা তার মূল্য দিতে হবে। পুরো বিষয়ে শরীয়ত কী বলে?

অনুগ্রহ করে মাসআলাগুলোর সমাধান দিলে খুবই  দয়া হয়। দ্বীনের উপর চলা আমার জন্য সহজ হবে। আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৮৬৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক কোম্পানী তাদের মাল বিক্রির জন্য ডিলার নিয়োগ দিয়েছে। কোম্পানী জামানত সরূপ ডিলারদের নিকট হতে ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) করে টাকা চেয়েছে। হিসাব করে দেখা গেছে পণ্য বিক্রির পর প্রত্যেক পণ্য হতে ডিলারের ৭ টাকা করে লাভ থাকবে। একজন ডিলার তার নিকট জামানতের টাকা না থাকায় আমার নিকট ৫০,০০০/- টাকা ঋণ চেয়েছেন। আমি তাকে বলেছি, টাকা দিতে পারি এই শর্তে যে, প্রত্যেক বিক্রিকৃত পণ্য হতে আমাকে ১ টাকা করে লাভ দিবেন।

আমি সম্মানিত মুফতী সাহেব হতে জানতে চাই উক্ত পদ্ধতিতে আমার টাকা দেয়া শরীয়তসম্মত হবে কি না? যদি না হয় তাহলে এমন কোনো পদ্ধতি আছে কি না, যে পদ্ধতিতে টাকা দিলে আমিও কিছু লাভবান হতে পারি।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৫৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় জমি বন্ধকের দুটি প্রচলন রয়েছে : এক. বন্ধকদাতা বন্ধক গ্রহীতার নিকট থেকে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা গ্রহণ করে আর বন্ধকগ্রহীতা জমি ভোগ করতে থাকে। যখন টাকা ফিরিয়ে দেয় তখন জমি

হস্তান্তর করে।

দুই. এটিও উপরের মতোই। তবে পার্থক্য হল, এক্ষেত্রে যখন টাকা ফিরিয়ে দেয় তখন বছর হিসাব করে বন্ধকগ্রহীতা কিছু টাকা কম নেয়। যেমন-কেউ এক কাঠা জমি বন্ধক নিল দশ হাজার টাকায় এবং সে দু বছর এ জমি ভোগ করে। দু বছর পর টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার সময় পাঁচশ টাকা করে এক হাজার টাকা কম নেয়। এ সুরতগুলো সহীহ কি না? উত্তম পন্থা কোনটি জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০৫২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

দুই বছর পূর্বে আমি আমার বড় ভাই থেকে আঠারো লক্ষ টাকা নিয়ে একটি কাপড়ের দোকান দিয়েছি। কথা ছিল, তার মূলধন দিয়ে আমি ব্যবসা করব। আর লভ্যাংশ আমরা সমানভাবে ভাগ করে নিব। কিন্তু দুই বছরে আমি তাকে কোনো লাভ দিতে পারিনি। কারণ, ব্যবসাটা যেহেতু মাত্র শুরু তাই ডেকোরেশন ও অন্যান্য খাতে প্রচুর খরচ হয়ে গেছে। আর মানুষের মাঝে তেমন পরিচিতিও হয়ে উঠেনি। এখন আমার ভাই এই ব্যবসা বাদ দিয়ে তার মূলধন ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছেন। আমি চাচ্ছি, ব্যবসাটা ধরে রাখতে। কেননা, আমার প্রবল ধারণা, ব্যবসাটা থেকে ভবিষ্যতে লাভ আসবে। আর এখন যদি ব্যবসাটা বন্ধ করে দেয়া হয় তাহলে আমার এত দিনের শ্রম সম্পূর্ণ বৃথা যাবে। তাই জানার বিষয় হল, আমার ভাই যদি স্বেচ্ছায় ব্যবসাটা রাখতে না চায় তাহলে তাকে তা অব্যাহত রাখতে বাধ্য করতে পারব কি না?

 

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৭৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বাজারে আমার মুদী ও কাপড়ের ব্যবসা আছে। আমার এক আত্মীয় গত এক মাস আগে বিদেশ যাওয়ার সময় আমাকে দুই লাখ টাকা দেয়- আমার ব্যবসাতে লাভ-লস সমান অংশীদারীর ভিত্তিতে খাটানোর জন্য।

কিন্তু আমার উক্ত ব্যবসাদুটির বর্তমান অবস্থার ভিত্তিতে আরো পুঁজি বিনিয়োগ করা উচিত হবে বলে মনে হয় না। তাই আমি চাচ্ছিলাম আমার ঐ আত্মীয়কে না জানিয়ে তার টাকা দিয়ে জমি ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করার জন্য। অতপর ফসল মাড়াই করে বিক্রি করে লাভ-লস বণ্টন করার জন্য। আর সে তো লাভের জন্যই দিয়েছে।

জানতে চাচ্ছি, এভাবে টাকা খাটানোতে কোনো সমস্যা আছে কি?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

পূর্বকথা : মাসআলাটি জানা আমাদের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। আমর চাচা ও আমরা কয়েক বন্ধু হালাল হারাম বিবেচনা না করে সংস্থাটির সাথে জড়িয়ে পড়ি এবং আমাদের কারণে আরো কয়েকজন বিষয়টির সাথে যুক্ত হয়। তাই মাসআলাটি যত দ্রুত সম্ভব জানা জরুরি।

আমি যে কোম্পানির কথা বলছি তার নাম তিয়ানশি। কোম্পানিটি চায়নার। তারা দুটি বিষয় নিয়ে কাজ করে :

১. সেবা

২. ব্যবসা

১. সেবা : মানুষকে সুস্থ রাখার জন্য কোম্পানিটির রয়েছে কয়েক শত পণ্য। যা বাস্তবিক পক্ষেই মানুষের জন্য উপকারী এবং কার্যকরী। এসব পণ্য দিয়েই এর ব্যবসা সঞ্চালিত হয়।

২. ব্যবসা : তিয়ানশির ব্যবসা হচ্ছে নেটওয়ারর্কিং সিস্টেমে। অর্থাৎ আমি সুস্থ থাকার জন্য সর্বপ্রথম ৩০০ ডলারের (২৪০০০ টাকা) পণ্য ক্রয় করে ৩* (three stars) অর্জন করব। তারপর আমি কোম্পানির যেসব পণ্য ক্রয় করব তা থেকে ঐ পণ্যের মূল্যের ২০% হারে ছাড় পাব। নিয়মটা ঠিক এরকম, আমি নির্দিষ্ট দামেই পণ্য কিনব। তবে পরবর্তীতে তা থেকে মূল্যের ২০% আমার ব্যাংক একাউন্টে চলে আসবে। আমার মাধ্যমে অন্য কেউ ক্রয় করলেও ঠিক এ রকম। এরপর আমি ৪ জনকে ৩* বানাব। আর তাদের থেকে নির্দিষ্ট পয়েন্ট পেয়ে আমি হয়ে যাব ৪* (four stars) এতে আমি সরাসরি যা কিনব তা থেকে পাব ২৪%। আর আমি যাদেরকে নিয়োগ দিয়েছি তাদের ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য থেকে পাব ৪%। এভাবে আমার ঐ ৪ জন ৪* হয়ে গেলে আমি হব ৫*। পণ্যের মূল্যের ২৪% লাভ পাব। আর আমার নিচের লোকদের থেকে পাব ৪% ক্রমান্বয়ে বাড়তে বাড়তে এক সময় তা ৪০% পর্যন্ত যায়। আর আমি কাজ করি না করি, জানি বা না জানি আমার নিচে যত শত শত হাজার হাজার লোক থাকবে তাদের কাছ থেকে ৪% মূল্যের দাম থেকে ওদের ভাষ্যমতে একজন ব্যক্তি ২০% থেকে ৪০% পর্যন্ত যে লাভটা পাবে সেটা হচ্ছে অন্যান্য কোম্পানি মধ্যস্তা অথবা শোরুম, টিভিতে এ্যাড, এজেন্ট, সাব এজেন্টের মত ৬/৭ টি হাত বদল হতে হতে পণ্যের দাম দ্বীগুণ অথবা তিনগুণ বেড়ে যায়। ওদের এসব মধ্যস্থতা নেই, যার ফলে ঐ বেঁচে যাওয়া টাকা থেকে তারা কোম্পানির সদস্যদের দেয়। এখন আমার প্রশ্ন হল :

১. এই সিস্টেম/পদ্ধতিতে ব্যবসা কি জায়েজ। যদি জায়েজ না হয় তবে তা কেন? (দলিলসহ)

২. যদি জায়েয না-ই বা হয় তবে আমরা যে এতদিন এর থেকে লভ্যাংশ পেয়ে এসেছি তার জন্য বর্তমানে কী করা?

৩. যদি আমরা ব্যবসা না করে ওদের কাছ থেকে পণ্য কিনি তাহলে এর বিধান কি?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯৪৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হুযুর! আমার একটি টেইলার্স আছে। এবং দর্জি হিসেবে মানুষের মাঝে আমার বেশ সুনাম-সুখ্যাতি রয়েছে। তাই মানুষ জামা-কাপড় বানানোর জন্য আমার টেইলার্সে ভীড় করে। ইদানিং আমার আশপাশে নতুন কিছু টেইলার্স হয়েছে। সেগুলোতে জামার মজুুরি কম হওয়া সত্ত্বেও মানুষ শখ করে আমার টেইলার্সে অর্ডার দেয়। ঈদের সময় আমার টেইলার্সে অনেক চাপ পড়ে যায়। প্রচুর পরিমাণে অর্ডার থাকে। কিন্তু আমি কাজ করে শেষ করতে পারি না। তাই কিছু কিছু অর্ডার কাস্টমারদের অগোচরে অন্য দর্জিদেরকে কিছু কম মজুরিতে দিয়ে দেই। যেমন, আমি কাস্টমার থেকে ৫০০ টাকা নিলে তাদেরকে দেই ৪০০ টাকা। এক্ষেত্রে কোনো কোনো অর্ডারের কাপড় আমি নিজে কেটে তাদেরকে শুধু সেলাই করতে দেই। আবার কোনো কোনো অর্ডার পুরোটাই তাদের হাতে সোপর্দ করি। তারা অপরিপক্ক হওয়ায় বাহ্যতই সে জামাগুলো একটু নি¤œমানের হয়। যা কাস্টমার সাধারণত ধরতে পারে না।

জানার বিষয় হল, আমার জন্য এমনটি করা কি জায়েয? অন্যথায় এ পরিস্থিতিতে আমি কী করতে পারি? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০