আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৩৫১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকার একটি গ্রাম্য জামে মসজিদের টাকা অগ্রিম দিয়ে অদূরে একটি ব্রিক ফিল্ডের সাথে বিগত কয়েক বছর থেকে লাভজনক হারে দাদন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যার প্রেক্ষিতে ব্রিক ফিল্ডের মালিক উক্ত মসজিদকে নির্দিষ্ট সিজনে যে পরিমাণ ইট সরবরাহ করার জন্য নির্দিষ্ট করা হয় তা মসজিদের পক্ষ হতে পাবলিকের নিকট লাভজনক হারে বিক্রি করে টাকা নিজ হাতে মসজিদের অনুমতিতে রেখে দেয়। মসজিদ পক্ষ পুনরায় আরো কিছু টাকা ব্রিক ফিল্ডের মালিকের নিকট দিয়ে উক্ত কার্যক্রমের নবায়ণ করে।

এখন আমাদের প্রশ্ন হল, উক্ত গৃহীত পদ্ধতি ইসলামী শরীয়তে বৈধ হয়েছে কি না? যদি উক্ত ব্যবস্থা শরীয়ত পরিপন্থী হয়ে থাকে তাহলে সঠিক নিয়ম বিস্তারিত দলিলসহ জানালে উপকৃত হব।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
২৬৪৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একদিন আমাদের ক্লাসের এক সহপাঠির সঙ্গে বিজ্ঞান স্যারের পাঠদান নিয়ে তর্ক হয়। আমি বলেছি, (একটি বিষয়ে) স্যার এমন বলেছেন। আর সে আমার বিপরীত বলছে। একপর্যায়ে সে বলল, আগামীকাল স্যারকে জিজ্ঞাসা করব। যদি আমার কথা ঠিক হয় তাহলে তুমি আমাকে ২০০/- টাকা দিবে। আর যদি তোমার কথা ঠিক হয় তাহলে আমি তোমাকে ২০০/- টাকা দিব। আমি তার কথা মেনে নিয়েছি এবং আরেক সহপাঠির নিকট দুজনই ২০০/- টাকা করে জমা দিয়েছি। পরদিন স্যারকে জিজ্ঞাসা করা হল এবং আমার কথা সঠিক হল। কথামতো টাকাটাও আমি পেয়েছি। এখন জানার বিষয় হল, আমার জন্য ঐ টাকা নেওয়া কি ঠিক হয়েছে?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
২৩৮৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের অঞ্চলে ইট ভাটাগুলোতে একটি পদ্ধতি চালু আছে যে, ভাটার মালিকগণ সিজনের শুরুতে বিভিন্ন জন থেকে টাকা নিয়ে সিজন শেষে অর্থাৎ ৩/৪ মাস পর ইট দেয়। অনেকেই এই কারবারে জড়িত হচ্ছে। বিশেষভাবে যারা নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণের ইচ্ছা করেছে। এ কারবারের একটি লাভজনক দিক এই যে, ইট প্রতি ৫ টাকা হলে ৫০,০০০ টাকায় ১০,০০০ ইট কেনা যাবে। কিন্তু উক্ত পদ্ধতিতে দেড় হাজার বা ততোধিক ইট বেশি পাওয়া যায়। আমি একটি বিল্ডিং তৈরি করব। এখন এই পদ্ধতিতে ইট ক্রয় করা কি বৈধ হবে, না এটা সুদী কারবারের অন্তর্ভুক্ত হবে? দয়া করে জানাবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
২৯০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার আব্বা আমার ফুফা থেকে বিশ ডিসিম জমি ক্রয় করেছিলেন। তবে তা রেজিষ্ট্রি করা হয়নি। নিকটাত্মীয় ও বিশ্বস্ত মনে করে টাকা দিয়েছেন এবং এর সাক্ষীও রয়েছে অনেক। জমিটি প্রায় ১৫ বছর ধরে আব্বার দখলে আছে। কিন্তু  পরে ফুফা তা  বিক্রির কথা অস্বীকার করেন। আর টাকা নেয়ার কথাও অস্বীকার করেন। কিছুদিন পর তার মৃত্যু হয়। এরপর ওয়ারিশগণ কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি।

 

তার জানাযায় এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলে যে, অমুক ব্যক্তির (আমার পিতা) নিকট মৃত ব্যক্তি কিছু জমি পাবে বলে আমাকে ওসিয়ত করে গেছে। সন্তানদেরকে তা নেয়ার জন্য বলে। ফলে তাদের সঙ্গে আমাদের বিবাদ সৃষ্টি হয়। 

এখন আমার প্রশ্ন, শরীয়তের দৃষ্টিতে তার সঠিক সমাধান কী? দয়া করে তা অবগত করলে কৃতজ্ঞ হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
২১৬৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

ক) আমাদের এলাকায় ধানের উপর টাকা লাগানোর প্রচলন রয়েছে। তা এভাবে যে, জমির মালিক বৈশাখ মাস আসার আগেই প্রতি হাজারে তিন মণ ধান দেবেন বলে টাকা নেন। অতপর নির্ধারিত সময়ে ধান দিয়ে দেন। এখন আমার প্রশ্ন হল, ধানের উপর এভাবে টাকা লাগানো জায়েয কি না? এ সম্পর্কে শরীয়তের হুকুম কি? জানালে কৃতজ্ঞ হব।

খ) অনেকসময় জামাতে নামাযের মধ্যে মোবাইল বেজে উঠে। যা নামাযে ব্যাঘাত ঘটায়। এখন আমার প্রশ্ন হল, নামাযের মধ্যেই হাত দ্বারা মোবাইল বন্ধ করা যায় কি না? বন্ধ করলে কি আমালে কালীল বা কাছীর হয়ে যাবে? বিস্তারিত জানালে কৃতজ্ঞ হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
৪৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার একটি লাইব্রেরী আছে। অনেক সময় কোনো বইয়ের পূর্বের সংস্করণ শেষ হয়ে যায় বা পূর্বের কোনো বই নতুন করে ছাপা হয়। ফলে তখন অনেক টাকার প্রয়োজন হয়। আবার বই কতটুক বিক্রি হবে সে ব্যাপারেও ঝুঁকি থাকে। অগ্রিম বেশ কিছু কপি বিক্রয় হয়ে গেলে এ ঝুঁকি কিছুটা কমে যায়। এজাতীয় ক্ষেত্রে অনেক লাইব্রেরী কম মূল্যে অগ্রিম বই বিক্রয় করে দেয়। ৩০-৩৫% পর্যন্তও ছাড় দিয়ে থাকে তারা। গ্রাহকগণও এর প্রতি আগ্রহী থাকে। তাই হুজুরের কাছে জানতে চাই, এভাবে অগ্রিম বেচা-কেনা করতে কোনো সমস্যা আছে কি না? এবং শরীয়তের দৃষ্টিতে এক্ষেত্রে কী কী বিষয় লক্ষণীয়?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
১৯ অক্টোবর, ২০২০
১৭৯৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার ছেলের অপারেশনের জন্য চার লক্ষ টাকা প্রয়োজন। তাই আমি এক ব্যক্তির নিকট চার লক্ষ টাকার পরিবর্তে আমার একটি জমি বিক্রি করেছি। সে  পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করেছে। তার সাথে কথা হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ করলে তাকে জমির রেজিস্ট্রি দিয়ে দিব। সে এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা দেয়নি। এদিকে একদিন পর আমার ছেলের অপারেশনের তারিখ। তাকে বাকি টাকা পরিশোধ করতে বললে  সে বলে, জমির প্রকৃত মূল্য তিন লক্ষ টাকা। চার লক্ষ টাকা দিয়ে আমি জমি নিব না। ইচ্ছা হলে তিন লক্ষ টাকা দিয়ে জমি বিক্রি করতে পারেন। তখন আমি আরেকজনের নিকট নগদ চার লক্ষ টাকায় জমিটি বিক্রি করে জমির রেজিস্ট্রি দিয়ে দিয়েছি। প্রথম ক্রেতাকে তার টাকা দেওয়ার জন্য গেলে সে আমার সাথে অত্যন্তরাগারাগি করে। তার কথা, আমাকে না জানিয়ে অন্যের কাছে কেন জমি বিক্রি করেছেন? আমার কাছে বিক্রি করার পর অন্য কারো কাছে বিক্রি করা ঠিক হয়নি ইত্যাদি।

তাই হুযুরের কাছে জানতে চাই, উক্ত অবস্থায় অন্য ব্যক্তির নিকট জমি বিক্রি করা কি সহীহ হয়েছে? জানালে উপকৃত হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৮৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় ধানের উপর টাকা নেওয়ার প্রচলন রয়েছে। অর্থাৎ ধানের মৌসুমের শুরুতে চাষিরা নগদ টাকার প্রয়োজনে অগ্রিম ধান বিক্রি করে নগদ টাকা নেয়। আর ধান কাটার পর তা পরিশোধ করে। এলাকায় আমাদের একটি সমিতি রয়েছে। সে সমিতির টাকা থেকে আমরাও একজন হতে ৫০০ টাকা দরে ২০ মন ধান কিনেছিলাম। ধান কাটার পর তিনি আমাদেরকে ১০মন ধান দিয়ে বললেন, এবার ধান কম হয়েছে তাই পুরোটা পরিশোধ করতে পারবো না।

আমরা চাপ প্রয়োগ করলে সে বাকি ধানের পরিবর্তে একটি বকরীর বাচ্চা দিতে চাচ্ছে। যার আনুমনিক মূল্য ৬-৭ হাজার টাকা। আমাদের সমিতির সবাই বিষয়টিতে সম্মত রয়েছে।

জানার বিষয় হল, এভাবে ধানের পরিবর্তে বকরীর বাচ্চা নেওয়া জায়েয হবে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬০৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হযরত মুফতী সাহেব (আল্লাহ আপনাকে দ্বীনের খেদমতের সাথে দীর্ঘজীবী করুন) আমার কয়েকটি বিষয়ে জানার খুবই প্রয়োজন।

১. কোনো মুসলমানের জন্য  বিধর্মীর সাথে পার্টনার হিসেবে ব্যবসা করা জায়েয হবে কি? শরীয়ত এ সম্পর্কে কী বলে?

২. এক ব্যক্তি কারো থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা নেন সাত কাঠা জমি বন্ধক রেখে। এরপর বন্ধকগ্রহিতা পুনরায় উক্ত জমি ঋণগ্রহিতার নিকট ফেরত দেন এই শর্তে যে, উক্ত জমি থেকে প্রতি বছর আমাকে পনের মন ধান দিতে হবে।

উল্লেখ্য, ঋণগ্রহিতা উক্ত জমিতে ধান চাষ নাও করতে পারেন। তবুও তাকে পনের মন ধান অথবা তার মূল্য দিতে হবে। পুরো বিষয়ে শরীয়ত কী বলে?

অনুগ্রহ করে মাসআলাগুলোর সমাধান দিলে খুবই  দয়া হয়। দ্বীনের উপর চলা আমার জন্য সহজ হবে। আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০