আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৯৩৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন আগে আমার এক আত্মীয় মারা যায়। ইন্তেকালের একমাস আগ থেকে তিনি ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন। তিনি জীবদ্দশায় তার ছেলেদের উপর অসন্তুষ্ট ছিলেন। মারা যাওয়ার সপ্তাহখানেক আগে তার শহরের জমিটি জনৈক ব্যক্তির নিকট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দেন। এজন্য তিনি বায়না দেন এবং আংশিক মূল্যও গ্রহণ করেন। তবে এখনো সাব কবলা রেজিস্ট্রি হয়নি। ওয়ারিশগণ তার ইন্তেকালের পর বিষয়টি জানতে পেরে মনক্ষুণ্ণ হয় এবং তারা এ বিক্রয় কোনোভাবেই মেনে নিচ্ছে না। প্রশ্ন হল, এখন তারা ঐ বিক্রয় বাতিল করতে পারবে কি না? এক্ষেত্রে শরীয়তের হুকুম কী? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯০৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কোনো মসজিদ কমিটির নিকট মসজিদের কিছু টাকা আছে। এখন কমিটির লোকজন চাচ্ছে, সেগুলো কোনো কাজে খাটিয়ে মুনাফা অর্জন করতে। তাই তারা একটি দোকান/ঘর এভাবে বন্ধক নিল যে, এক লক্ষ টাকা দোকান মালিককে দিয়ে তার থেকে দোকান বুঝে নিবে। অতপর সে দোকানটিকে দোকানের মালিক বা অন্য কারো নিকট ভাড়া দিয়ে দোকানের মাসিক ভাড়া মসজিদের ক্যাশে রাখবে। অতপর যখন মালিক এক লক্ষ টাকা দিয়ে দিবে তখন কমিটি তার দোকান তাকে বুঝিয়ে দিবে।

এখন প্রশ্ন হল, ১. মসজিদের টাকা মুনাফার আশায় খাটানো অথবা কাউকেও ঋণ দেওয়া যাবে কি না?

২. উপরোক্ত সুরতকে বন্ধক বলা যাবে কি না?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৭২৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

একটি পুকুরে কয়েকজন অংশীদার। সবাই অংশ হিসেবে এতে খরচ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিলো। কিন্তু বর্তমান পরস্পর সম্পর্কের অবনতির কারণে কিছু অংশীদার এতে মাছ চাষ করতে সম্মত নয়। আর কয়েকজন এতে মাছ চাষ করে। আর যারা মাছ চাষ করতে সম্মত নয় তাদেরকে মাছের অংশ দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা উক্ত মাছ গ্রহণ করে না। ফিরিয়ে দেয়। তারা ফেরৎ দেওয়া মাছ এলাকার গরীব-মিসকীনকে দিয়ে দেয়।

জানার বিষয় হল, শরীকি পুকুরে এভাবে মাছ চাষ করা এবং ফেরৎ দেওয়া মাছ গরীব-মিসকীনকে দেওয়া জায়েয আছে কি না? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০