আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭৪০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর আসসালামু আলাইকুম।
আমি গ্রামে গিয়ে দেখেছি আমার দাদুমনির অবস্থা অনেক বেশি খারাপ। উনার যে পরিমান খাবার আর সেবা দরকার তার কিছুই উনি পাচ্ছেন না। তার উপর উনার সাথে অনেক খারাপ আচরন করা হয়, উনার বিরুদ্ধে মিথ্যে বলে বলে উনার ছেলেদের মন উঠিয়ে নিচ্ছে। আমার চাচারাও উনাদের বিবিগনের কথায় সত্য বলে ধরে নেন। উনারা সকলেই দেশের বাহিরে থাকেন।

আমি যা দেখে এসেছি এই সত্য গুলো যদি বাবাদের জানায় তবে উনারা দাদুর অন্য কোনো ব্যবস্থা করবেন ইনশাআল্লাহ যা আমার দাদুর জন্যে অনেক বেশি দরকার।

এই অবস্থায় কি আমি বাবাদের এসব জানাতে পারব? এতে কি গীবত হয়ে সম্পর্ক নষ্ট হতে পারে??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ইফতা বিভাগ
১৭ জুলাই, ২০২১
চট্টগ্রাম
৭২৭৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, ১. আমি বেশ কয়েকমাস ধরে শারিরিক বিভিন্ন সমস্যায় ছিলাম। রাতে খুব ভয় হতো। ভয়ংকর স্বপ্ন দেখতাম। ডাক্তার কোন অসুখ পায়নি। তবুও সবসময় অসুস্থ থাকতাম। গত পরশু আমার মা এক হুজুরের কাছে গিয়েছিল। হুজুর বলেছেন আমার সাথে জ্বিন আছে। আমার নিজেরও অনেকবার এটা মনে হতো। হুজুর আমাকে ২ টা তাবিজ দিয়েছেন যা গতকাল থেকে ব্যবহার করছি। আল্লাহর রহমতে আজ আমি অনেকটা সুস্থ বোধ করছি। আমার প্রশ্ন হলো এই তাবিজ ব্যবহারে কি কোন সমস্যা বা শিরকের মধ্যে পড়বে?

২. আমি এই এপের সকাল সন্ধ্যার দোয়া, রাতে আয়াতুল কুরসি, তিন কুল, সব অনেক পড়তাম। কিন্তু তারপরও ঠিক হচ্ছিলাম না। তাবিজের বিশ্বাসের চেয়ে আমি এটা ভেবে ব্যবহার করছি যে, আল্লাহ এর উসিলায় যেন আমাকে সুস্থ করে দেন। কিন্তু তারপরও মনে সন্দেহ লাগে শিরক হচ্ছে কি না। তাবিজ ব্যবহার করা কি নিষেধ? যদি তাই হয়, দয়া করে বাংলায় রেফারেন্স সহ জানাবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৭ জুলাই, ২০২১
টঙ্গী
৬৫৬০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আস্সালামু আলাইকুম, আমি এবার দশম শ্রেণীতে আর আমার বয়স ১৬ , আল্ হামদু লিল্লাহ , আমি ২ বছর যাবৎ দীন প্রাকটিস করতে চেষ্টা করছি, শুরুরদিকে অনেক strict ছিলাম নিজের দীন নিয়ে, কিন্তু কিছু incident last year আমাকে অনেক বাজে ভাবে change করে দেয়, আমি গান শুনা শুরু করি, মাহরাম মেইনটেইন করতে পারছিলাম না, কিয়ামুল লাইল এর সংখ্যা কমতে কমতে শূন্যের কাছাকাছি...
আমি যে একেবারে গা ভাসিয়ে দিয়েছি , তা নয়। আমি নিজের অবস্থার জন্যে লজ্জিত এবং অনুতপ্ত। কিন্তু আমি চাইলেও এই গুনাহ্ গুলো থেকে বের হয়ে আসতে পারছি না। এইসব নিয়ে এতবেশি stressed , যে আমার anxiety শুরু হয়, প্যানিক অ্যাটাক আসতে থাকে...
আমি জানি না এইটা পরীক্ষা নাকি শাস্তি...
তবে খুব hard লাগে, আমি অনেক চেষ্টা করেছি গুনাহ্ ছাড়ার, নামাজে শান্তি খুঁজার, কিন্তু হয়তো এই গুনাহ্ গুলোর জন্যে অন্তরের সকিনা আসছে না...

আমি এখন কি করবো?
যে ঘুমায় তাকে তো জাগানো যায়, কিন্তু যে ভান করছে ...

সে কি করবে ??
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৭ জুন, ২০২১
গাজীপুর