আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০৮৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
সামী ইচছাকৃতভাবে আয় রোজগার না করলে কি তার সাথে দুরব্যবহার ও তাকে শিখখা দেয়ার জন্য তার সাথে দূরত্ব বজায় রাখা কি জায়েজ হবে, তার বাবার টাকা পয়সা আছে বলে সে কোন কাজ করতে চায়না, স্ত্রী সন্তানএর ছোটখাটো প্রয়োজনের জন্য সামীর মা বাবার কাছে স্ত্রী কে হাত পাততে হয়, যা সব সময় করা যায়না, এজন্য কি তাকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হবেনা! তার নিজের খরচ সে কোন না কোন ভাবে বের করে নেয়, মাথায় ছাদ আর বাবা মার টাকায় ৩ বেলা খাবার ছাড়া সে কোন দায়িত্ব ই নেয়না, এ অবস্থায় তাকে সঠিক পথে আনার জন্য স্ত্রী যদি আলাদা হতে চায় বা নিজে চাকরি করতে চায় তাহলে কি জায়েজ হবে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২৯ নভেম্বর, ২০২১
Lakshmipur
১০৮২৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
শায়েখ।আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ । - আল্লাহ পাক আপনাকে এবং আমাদেরকে সর্বদাই মুমিন হিসেবে জীবিত রাখুন -
শায়েখ। আপনার নিকট আমার জানার বিষয় হলোঃ
স্ত্রীর কাছ থেকে স্বামী দ্বীনি প্রয়োজন বা দুনিয়াবি প্রয়োজনে কতদিন পর্যন্ত দূরে থাকতে পারবে?

দ্বীনি প্রয়োজন যেমনঃ মাদ্রাসা/মসজিদের খেদমতে নিয়োজিত কর্তৃপক্ষ তাকে ২/৩ মাস পর ছুটি দিচ্ছেন।

আর দুনিয়াবি প্রয়োজন যেমনঃ ব্যক্তি বিদেশ চলে গেলো, ২/৩ বছর হয়ে গেলো আসার কোনো প্রয়োজন মনে করছেন না বা কর্তৃপক্ষ তাকে ছুটি দিচ্ছেন না।

জাঝাকুমুল্লাহ
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুসলিম বাংলা ফাতওয়া বিভাগ
২৪ নভেম্বর, ২০২১
খুজকিপুর
১০৬৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান ।এবং নিম্নবিত্ত পরিবারেই আমার বিবাহ হয়েছে।এমতাবস্থায় আমি সমাজে প্রচলিত নিয়মানুযায়ী স্বামীর সংসারে কোন যৌতুক বা উপহার দিতে পারিনি এবং উক্ত কারনে আমার শাশুড়ী ও ননদ আমাকে খুব অপমান করে।অথচ আমার স্বামীও আমাকে মোহরানা দেননি।আরো উল্লেখ্য যে আমি সবসময় বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে আর্থিক সাহায্য করেছি।তবুও তাদের মন পাইনি।প্রায় তিন বছর আগে আমার একটি ছেলে সন্তান হয়ে মারা গেছে। পরবর্তীতে আমি ঢাকায় এসে আমার স্বামীর সাথে জব করছি।এখন আমার ভরনপোষণ আমি নিজেই বহন করি।এবং বাকি টাকা আমার স্বামী তার নিজের পরিবারে খরচ করে।আমি উনার পরিবারের পাশাপাশি আমার বাবা মাকে সামান্য সাহায্য করলে রাগ করে।সে চাই আমার উপার্জনের পুরোটাই যেন আমি তাদের দিয়ে দেই।এবং এখন আমি উপার্জনক্ষম হওয়ায় তিনি আমাকে সন্তান নিতে দিচ্ছেন না।তিনি চান সম্পূর্ণ স্বচ্ছল না হওয়া পর্যন্ত আমি যেন তাদের আর্থিক সাহায্য করি।অথচ একটা সন্তানের জন্য আমার বুকটা হাহাকার করে।আমি আমার স্বামীকে খুব ভালোবাসি।কিন্তু নিজের উপর এতো জুলুম আর সহ্য করতে পারছিনা।এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি জানাবেন প্লিজ।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
২৭ নভেম্বর, ২০২১
ঢাকা
৯৯৯০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
সামী যদি উপার্জন করতে না চায়, ইচ্ছাকৃতভাবে অলসতা বশত অকর্মক হয়, স্ত্রী সন্তানের হাতখরচ না দেয়, নামাজ কালামে আসক্ত না হয়, তাহলে কি তাকে দীনের পথে আনার জন্য ও শিক্ষা দেয়ার জন্য তার সাথে দূরত্ব বজায় রাখা যাবে? ( যৌথ পরিবারে থাকায় আমার, আমার ছোট একটি সন্তান, ও আমার সামীর খাদ্য ও বাসস্থানের চাহিদা শশুর শাশুড়ি পূরণ করেন। বাবার সহায় সম্পত্তি থাকায় তার উপর ই আমার সামী নির্ভর করে শিক্ষিত হয়েও ইচ্চেকরে চাকরি বাকরিতে টিকে থাকেনা, কোন না কোন অজুহাত দিয়ে যেকন চাকরি ২/৩ মাস করে ছেড়ে দেয়, তার ইচ্ছে ব্যবসা করবে বাবার টাকায়, কিন্তু সে কোন চাকরি ৬ মাস টিকিয়ে রাখতে পারেনা বলে তার বাবা তাকে ব্যবসা ধরিয়ে দেয়না বিশাসের অভাবে।) এমতাবস্থায় আমার কি করা উচিত?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৪ নভেম্বর, ২০২১
ঢাকা