কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

৩. যাকাতের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৪৫ টি

হাদীস নং: ১৫৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৭৬
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৭৬. আন-নুফায়লী (রাহঃ) ..... মুআয (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) তাঁকে য়ামনে প্রেরণের সময় এইরূপ নির্দেশ দেন যে, প্রতি ত্রিশটি বকরীর জন্য একটি বকরী যাকাত হিসাবে গ্রহণ করবে। আর প্রতি চল্লিশটি বকরীর জন্য একটি দুই বছর বয়সী বকরী যাকাত হিসাবে গ্রহণ করবে এবং যিম্মী হলে প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্যক্তির নিকট হতে (কর হিসাবে) এক দীনার অথবা তার সমপরিমাণ মূল্যের কাপড়, যা ইয়ামনে তৈরী হয় - গ্রহণ করবে।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مُعَاذٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا وَجَّهَهُ إِلَى الْيَمَنِ أَمَرَهُ أَنْ يَأْخُذَ مِنَ الْبَقَرِ مِنْ كُلِّ ثَلاَثِينَ تَبِيعًا أَوْ تَبِيعَةً وَمِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ مُسِنَّةً وَمِنْ كُلِّ حَالِمٍ - يَعْنِي مُحْتَلِمًا - دِينَارًا أَوْ عِدْلَهُ مِنَ الْمَعَافِرِ ثِيَابٌ تَكُونُ بِالْيَمَنِ .
হাদীস নং: ১৫৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৭৭
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৭৭. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) .... মুআয (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী করীম (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَالنُّفَيْلِيُّ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُعَاذٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
হাদীস নং: ১৫৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৭৮
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৭৮। হারূন ইবনে যায়দ (রাহঃ) .... মুআয ইবনে জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) তাঁকে ইয়ামানে প্রেরণ করেন। অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এই বর্ণনায় ইয়ামানে তৈরী কাপড়ের বিষয় উল্লেখ নাই এবং প্রাপ্ত বয়স্কদের সম্পর্কে কছু বর্ণনা নাই।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَبِي الزَّرْقَاءِ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ بَعَثَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْيَمَنِ فَذَكَرَ مِثْلَهُ لَمْ يَذْكُرْ ثِيَابًا تَكُونُ بِالْيَمَنِ . وَلاَ ذَكَرَ يَعْنِي مُحْتَلِمًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ جَرِيرٌ وَيَعْلَى وَمَعْمَرٌ وَشُعْبَةُ وَأَبُو عَوَانَةَ وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ مَسْرُوقٍ - قَالَ يَعْلَى وَمَعْمَرٌ - عَنْ مُعَاذٍ مِثْلَهُ .
হাদীস নং: ১৫৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৭৯
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৭৯. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... সুওয়ায়েদ ইবনে গাফালাহ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি স্বয়ং সফর করেছি অথবা তিনি বলেন, যে ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর যাকাত আদায়কারীর সাথে সফর করেছেন তিনি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তার নিকট নবী করীম (ﷺ)-এর একখানি পত্র আছে যাতে লিখিত ছিলঃ দুগ্ধপোষ্য বাচ্চার যাকাত গ্রহণ করতে হবে না এবং বিচ্ছিন্নভাবে বিচরণকারী পশুকে একত্রিত করবে না এবং একত্রে বিচরণকারী পশুকেও বিচ্ছিন্ন করবে না।

রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যাকাত উসুলকারী কর্মকর্তা মেশ পালের পানি পান করাবার স্থানে উপস্থিত থাকতেন এবং বলতেনঃ তোমরা তোমাদের মালের যাকাত প্রদান কর। অতঃপর তাদের এক ব্যক্তি একটি 'কাওমা' যাকাতস্বরূপ দিতে চাইল। রাবী বলেন, আমি তাকে (মায়সারাকে) জিজ্ঞাসা করি, কওমা কাকে বলে? তিনি বলেন, তা হল উঁচু কুজ বিশিষ্ট উষ্ট্রি। যাকাত আদায়কারী তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে। উটের মালিক বলল, আমি পছন্দ করি যে, আপনি আমার উত্তম মাল যাকাত হিসাবে গ্রহণ করবেন। এতদসত্ত্বেও যাকাত উসুলকারী তা গ্রহণে তা গ্রহণে অসম্মতি জ্ঞাপন করে কেননা নবী করীম (ﷺ) উত্তম মাল যাকাত হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেন।

অতঃপর সে ব্যক্তি অপর একটি উট (সামান্য নিম্নমানের) টেনে আনলে যাকাত উসুলকারী তাও গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। অতঃপর সে ব্যক্তি অপর একটি উট (আরও নিম্ন মানের) টেনে তার সম্মুখে পেশ করলে সে তা কবুল করে এবং বলে, আমি এটা গ্রহণ করলাম। অতঃপর তিনি আরো বলেন, আমি এজন্য ভয় করেছিলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার উপর এজন্য রাগান্বিত হতে পারেন যে, তুমি এক ব্যক্তির উত্তম উট যাকাত হিসাবে কেন গ্রহণ করলে?
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ خَبَّابٍ، عَنْ مَيْسَرَةَ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، قَالَ سِرْتُ أَوْ قَالَ أَخْبَرَنِي مَنْ، سَارَ مَعَ مُصَدِّقِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَنْ لاَ تَأْخُذْ مِنْ رَاضِعِ لَبَنٍ وَلاَ تَجْمَعْ بَيْنَ مُفْتَرِقٍ وَلاَ تُفَرِّقْ بَيْنَ مُجْتَمِعٍ " . وَكَانَ إِنَّمَا يَأْتِي الْمِيَاهَ حِينَ تَرِدُ الْغَنَمُ فَيَقُولُ أَدُّوا صَدَقَاتِ أَمْوَالِكُمْ . قَالَ فَعَمَدَ رَجُلٌ مِنْهُمْ إِلَى نَاقَةٍ كَوْمَاءَ - قَالَ - قُلْتُ يَا أَبَا صَالِحٍ مَا الْكَوْمَاءُ قَالَ عَظِيمَةُ السَّنَامِ - قَالَ - فَأَبَى أَنْ يَقْبَلَهَا قَالَ إِنِّي أُحِبُّ أَنْ تَأْخُذَ خَيْرَ إِبِلِي . قَالَ فَأَبَى أَنْ يَقْبَلَهَا قَالَ فَخَطَمَ لَهُ أُخْرَى دُونَهَا فَأَبَى أَنْ يَقْبَلَهَا ثُمَّ خَطَمَ لَهُ أُخْرَى دُونَهَا فَقَبِلَهَا وَقَالَ إِنِّي آخِذُهَا وَأَخَافُ أَنْ يَجِدَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِي عَمَدْتَ إِلَى رَجُلٍ فَتَخَيَّرْتَ عَلَيْهِ إِبِلَهُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ هُشَيْمٌ عَنْ هِلاَلِ بْنِ خَبَّابٍ نَحْوَهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ " لاَ يُفَرِّقْ " .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৮০
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮০
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮০. মুহাম্মাদ ইবনে সাব্বাহ (রাহঃ) ..... সুওয়ায়েদ ইবনে গাফালা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ)-এর যাকাত উসুলকারী জনৈক ব্যক্তি আমাদের নিকট এলে আমি তাঁর সাথে মোসাফাহা করি। অতঃপর আমি তাঁর নিকট যাকাত সম্পর্কীয় যে নির্দেশনামা ছিল তাতে এই বিষয়টি পাঠ করিঃ যাকাত আদায়ের ভয়ে তোমরা বিচ্ছিন্নভাবে বিচরণকারী পশুকে একত্রিত করবে না এবং একত্রে বিচরণকারীদের বিচ্ছিন্ন করবে না এবং তাতে দুগ্ধপোষ্য বাচ্চার যাকাত সম্পর্কে কিছুই উল্লেখ ছিল না।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي لَيْلَى الْكِنْدِيِّ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، قَالَ أَتَانَا مُصَدِّقُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَخَذْتُ بِيَدِهِ وَقَرَأْتُ فِي عَهْدِهِ " لاَ يُجْمَعُ بَيْنَ مُفْتَرِقٍ وَلاَ يُفَرَّقُ بَيْنَ مُجْتَمِعٍ خَشْيَةَ الصَّدَقَةِ " . وَلَمْ يَذْكُرْ " رَاضِعَ لَبَنٍ " «قال أبو داود: بين لا تجمع ولا يجمع حكم»
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৮১
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮১
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮১. আল-হাসান ইবনে আলী (রাহঃ) ...... মুসলিম ইবনে ছাফিনাহ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নাফে ইবনে আলকামা আমার পিতাকে তাঁর গোত্রের যাকাত উসুলকারী হিসাবে নিয়োগ করেন এবং তাঁকে এই নির্দেশ দান করেন, তুমি তাদের নিকট যাকাত উসুল করবে। অতঃপর আমার পিতা আমাকে একদল লোকের সাথে যাকাত আদায়ের জন্য গমন করি এবং আমি তাকে বলি, আমার পিতা আমাকে আপনার নিকট হতে যাকাত গ্রহণের জন্য পাঠিয়েছেন। তখন তিনি বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! তুমি কি নিয়মে যাকাত গ্রহণ করবে? আমি বলি, আমি লোকদের নিকট হতে উত্তম মাল গ্রহণ করব। এমনকি আমি দুগ্ধবতী ছাগীও যাকাত হিসাবে নেব। তিনি বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র! আমি রাসূলুল্লহ (ﷺ)-এর যুগেও বকরীসহ এই উপত্যকায় বসবাস করতাম।

ঐ সময় একদা দুই ব্যক্তি উটের পিঠে সওয়ার হয়ে আমার নিকট এসে বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর প্রতিনিধি এবং আপনার নিকট হতে বকরীর যাকাত উসুল করতে এসেছি। তখন আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি যে, আমার উপর কি দেওয়া ওয়াজিব? তাঁরা বলেন, একটি বকরী। তখন আমি তাঁদেরকে এমন একটি বকরী দিতে চাই, যা হৃষ্টপুষ্ট ও দুগ্ধবতী ছিল। আমি তা তাদের সম্মুখে পেশ করলে তাঁরা বলেন, এটা বাচ্চাওয়ালা বকরী এবং নবী করীম (ﷺ) এরূপ বকরী যাকাত হিসেবে গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। তখন আমি তাঁদের নিকট জিজ্ঞাসা করি, আপনার কিরূপ বকরী গ্রহণ করবেন? তাঁরা বলেন, এক অথবা দুই বছর বয়সি বকরী গ্রহণ করব। আমি তাদের সম্মুখে এমন একটি বকরী আনি যা তখনও বাচ্চা প্রসব না করলেও বাচ্চা ধরণের উপযোগী হয়েছে। তাঁরা এটাকে তাদের উটের সাথে একত্রে নিয়ে যান।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ زَكَرِيَّا بْنِ إِسْحَاقَ الْمَكِّيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي سُفْيَانَ الْجُمَحِيِّ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ ثَفِنَةَ الْيَشْكُرِيِّ، - قَالَ الْحَسَنُ رَوْحٌ يَقُولُ مُسْلِمُ بْنُ شُعْبَةَ - قَالَ اسْتَعْمَلَ نَافِعُ بْنُ عَلْقَمَةَ أَبِي عَلَى عِرَافَةِ قَوْمِهِ فَأَمَرَهُ أَنْ يُصَدِّقَهُمْ قَالَ فَبَعَثَنِي أَبِي فِي طَائِفَةٍ مِنْهُمْ فَأَتَيْتُ شَيْخًا كَبِيرًا يُقَالُ لَهُ سَعْرُ بْنُ دَيْسَمٍ فَقُلْتُ إِنَّ أَبِي بَعَثَنِي إِلَيْكَ - يَعْنِي لأُصَدِّقَكَ - قَالَ ابْنَ أَخِي وَأَىَّ نَحْوٍ تَأْخُذُونَ قُلْتُ نَخْتَارُ حَتَّى إِنَّا نَتَبَيَّنُ ضُرُوعَ الْغَنَمِ . قَالَ ابْنَ أَخِي فَإِنِّي أُحَدِّثُكَ أَنِّي كُنْتُ فِي شِعْبٍ مِنْ هَذِهِ الشِّعَابِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَنَمٍ لِي فَجَاءَنِي رَجُلاَنِ عَلَى بَعِيرٍ فَقَالاَ لِي إِنَّا رَسُولاَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَيْكَ لِتُؤَدِّيَ صَدَقَةَ غَنَمِكَ . فَقُلْتُ مَا عَلَىَّ فِيهَا فَقَالاَ شَاةٌ . فَأَعْمِدُ إِلَى شَاةٍ قَدْ عَرَفْتُ مَكَانَهَا مُمْتَلِئَةً مَحْضًا وَشَحْمًا فَأَخْرَجْتُهَا إِلَيْهِمَا . فَقَالاَ هَذِهِ شَاةُ الشَّافِعِ وَقَدْ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نَأْخُذَ شَافِعًا . قُلْتُ فَأَىَّ شَىْءٍ تَأْخُذَانِ قَالاَ عَنَاقًا جَذَعَةً أَوْ ثَنِيَّةً . قَالَ فَأَعْمِدُ إِلَى عَنَاقٍ مُعْتَاطٍ . وَالْمُعْتَاطُ الَّتِي لَمْ تَلِدْ وَلَدًا وَقَدْ حَانَ وِلاَدُهَا فَأَخْرَجْتُهَا إِلَيْهِمَا فَقَالاَ نَاوِلْنَاهَا . فَجَعَلاَهَا مَعَهُمَا عَلَى بَعِيرِهِمَا ثُمَّ انْطَلَقَا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ أَبُو عَاصِمٍ عَنْ زَكَرِيَّاءَ قَالَ أَيْضًا مُسْلِمُ بْنُ شُعْبَةَ . كَمَا قَالَ رَوْحٌ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৫৮২
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮২
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮২. মুহাম্মাদ ইবনে য়ূনুস (রাহঃ) .... যাকারিয়া ইবনে ইসহাক (রাহঃ) হতে উপরোক্ত সনদে পূর্বের হাদীস বর্ণিত হয়েছে। রাবী মুসলিম ইবনে শোবা (রাহঃ) এই বর্ণনায় বলেনঃ শাফী ঐ বকরীকে বলা হয় যা গর্ভবতী।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُونُسَ النَّسَائِيُّ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ إِسْحَاقَ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ مُسْلِمُ بْنُ شُعْبَةَ . قَالَ فِيهِ وَالشَّافِعُ الَّتِي فِي بَطْنِهَا الْوَلَدُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَرَأْتُ فِي كِتَابِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَالِمٍ بِحِمْصَ عِنْدَ آلِ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ الْحِمْصِيِّ عَنِ الزُّبَيْدِيِّ قَالَ وَأَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ جَابِرٍ عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْغَاضِرِيِّ - مِنْ غَاضِرَةِ قَيْسٍ - قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثٌ مَنْ فَعَلَهُنَّ فَقَدْ طَعِمَ طَعْمَ الإِيمَانِ مَنْ عَبَدَ اللَّهَ وَحْدَهُ وَأَنَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَعْطَى زَكَاةَ مَالِهِ طَيِّبَةً بِهَا نَفْسُهُ رَافِدَةً عَلَيْهِ كُلَّ عَامٍ وَلاَ يُعْطِي الْهَرِمَةَ وَلاَ الدَّرِنَةَ وَلاَ الْمَرِيضَةَ وَلاَ الشَّرَطَ اللَّئِيمَةَ وَلَكِنْ مِنْ وَسَطِ أَمْوَالِكُمْ فَإِنَّ اللَّهَ لَمْ يَسْأَلْكُمْ خَيْرَهُ وَلَمْ يَأْمُرْكُمْ بِشَرِّهِ " .
হাদীস নং: ১৫৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৩
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮৩. মুহাম্মাদ ইবনে মনসুর (রাহঃ) ...... উবাই ইবনে কাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে যাকাত আদায়কারী হিসাবে প্রেরণ করেন। অতঃপর আমি এক ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হলে সে তার মাল আমার সম্মুখে একত্রিত করে। হিসাবান্তে আমি দেখতে পাই যে, তার উপর এক বছর বয়সের একটি মাদী উট ফরয হয়েছে। আমি তার নিকট এক বছর বয়সী একটি মাদী উট চাইলে সে বলে, এই উষ্ট্রি দ্বারা আপনার কোনই উপকার হবে না, এর দুধও নাই এবং আপনি এতে আরোহণ করে কোথাও যেতেও পারবেন না। বরং এর পরিবর্তে আপনি আমার এই শক্তিশালী মোটাতাজা যুবতী উট গ্রহণ করুন। আমি বললাম, যা গ্রহণের জন্য আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয় নাই, আমি তা গ্রহণ করতে পারি না। (অতঃপর তিনি বলেন) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিকটেই আছেন। তুমি আমার নিকট যা পেশ করেছ, ইচ্ছা করলে তা তাঁর খেদমতে পেশ করতে পার। যদি তিনি তা গ্রহণ করেন তবে তা আমিও তা গ্রহণ করব এবং যদি ফেরত দেন তবে আমিও ফেরত দেব।

এতদশ্রবণে সেই ব্যক্তি বলে, হ্যাঁ আমি তাই করব। অতঃপর সে উক্ত উটসহ রওয়ানা হয়, এমনকি আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খেদমতে হাযির হই। ঐ ব্যক্তি বলে, ইয়া নবীআল্লাহ! আমার নিকট হতে মালের যাকাত গ্রহণের জন্য আপনার পক্ষ হতে প্রতিনিধি গিয়েছে। আল্লাহর শপথ! ইতি পূর্বে আল্লাহর রাসূল বা তাঁর কোন প্রতিনিধি আমার নিকট আসেন নাই। আমি যাকাত আদায়কারীর সম্মুখে আমার ধন-সম্পদ পেশ করার পর তিনি এইরূপ মনে করেন যে, আমার উপর যাকাত হিসেবে একবছর বয়সের এমন একটি উট ওয়াজিব হয়েছে যা দুগ্ধবতী নয় এবং এর নিকট আরোহণ করাও সম্ভব নয়। আমি তাঁর সম্মুখে একটি শক্তিশালী, হৃষ্টপুষ্ট যুবতী উট পেশ করি। কিন্তু তিনি তা গ্রহণে আসম্মতি জ্ঞাপন করেন এবং সেই উটটি এই-যা আমি আপনার খেদমতে এনেছি। ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি তা গ্রহণ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বলেনঃ তোমার উপর যাকাত স্বরূপ এক বছর বয়সের একটি উট ওয়াজিব হয়েছে, এর যদি তুমি খুশী হয়ে এর চাইতে উৎকৃষ্ট মাল প্রদান করতে চাও তবে আল্লাহ তোমাকে এর প্রতিদান দিবেন এবং আমরাও তা তোমার নিকট হতে গ্রহণ করব। তখন সে বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটাই সেই মাল। এটা আমি আপনার খেদমতে এনেছি, কাজেই আপনি তা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন এবং তার মালের বরকতের জন্য দুআ করেন।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ بَعَثَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُصَدِّقًا فَمَرَرْتُ بِرَجُلٍ فَلَمَّا جَمَعَ لِي مَالَهُ لَمْ أَجِدْ عَلَيْهِ فِيهِ إِلاَّ ابْنَةَ مَخَاضٍ فَقُلْتُ لَهُ أَدِّ ابْنَةَ مَخَاضٍ فَإِنَّهَا صَدَقَتُكَ . فَقَالَ ذَاكَ مَا لاَ لَبَنَ فِيهِ وَلاَ ظَهْرَ وَلَكِنْ هَذِهِ نَاقَةٌ فَتِيَّةٌ عَظِيمَةٌ سَمِينَةٌ فَخُذْهَا . فَقُلْتُ لَهُ مَا أَنَا بِآخِذٍ مَا لَمْ أُومَرْ بِهِ وَهَذَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْكَ قَرِيبٌ فَإِنْ أَحْبَبْتَ أَنْ تَأْتِيَهُ فَتَعْرِضَ عَلَيْهِ مَا عَرَضْتَ عَلَىَّ فَافْعَلْ فَإِنْ قَبِلَهُ مِنْكَ قَبِلْتُهُ وَإِنْ رَدَّهُ عَلَيْكَ رَدَدْتُهُ . قَالَ فَإِنِّي فَاعِلٌ فَخَرَجَ مَعِي وَخَرَجَ بِالنَّاقَةِ الَّتِي عَرَضَ عَلَىَّ حَتَّى قَدِمْنَا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ أَتَانِي رَسُولُكَ لِيَأْخُذَ مِنِّي صَدَقَةَ مَالِي وَايْمُ اللَّهِ مَا قَامَ فِي مَالِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلاَ رَسُولُهُ قَطُّ قَبْلَهُ فَجَمَعْتُ لَهُ مَالِي فَزَعَمَ أَنَّ مَا عَلَىَّ فِيهِ ابْنَةُ مَخَاضٍ وَذَلِكَ مَا لاَ لَبَنَ فِيهِ وَلاَ ظَهْرَ وَقَدْ عَرَضْتُ عَلَيْهِ نَاقَةً فَتِيَّةً عَظِيمَةً لِيَأْخُذَهَا فَأَبَى عَلَىَّ وَهَا هِيَ ذِهِ قَدْ جِئْتُكَ بِهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . خُذْهَا فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ذَاكَ الَّذِي عَلَيْكَ فَإِنْ تَطَوَّعْتَ بِخَيْرٍ آجَرَكَ اللَّهُ فِيهِ وَقَبِلْنَاهُ مِنْكَ " . قَالَ فَهَا هِيَ ذِهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ جِئْتُكَ بِهَا فَخُذْهَا . قَالَ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقَبْضِهَا وَدَعَا لَهُ فِي مَالِهِ بِالْبَرَكَةِ .
হাদীস নং: ১৫৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৪
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮৪. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মুআয (রাযিঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণের সময় বলেনঃ তুমি এমন এক সম্প্রদায়ের নিকট যাচ্ছ যারা আহলে কিতাব (অর্থাৎ ঐশী গ্রন্থের অধিকার)। অতএব তুমি তাদেরকে নিম্নোক্ত কথা গ্রহণে আহব্বান করবেঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আন্নী রাসূলুল্লাহ।

যদি তারা তা স্বীকার করে নেয় তবে, তুমি তাদের বলবে যে, আল্লাহ তাআলা তাদের উপর দিনরাত পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। যদি তারা তা মেনে নেয় তবে তাদের ধনীদের নিকট হতে তা গ্রহণ করে গরীবদের মধ্যে বিতরণ করবে। যদি তারা তা মেনে নেয় তবে তুমি তাদের উত্তম মাল (যাকাত স্বরূপ) গ্রহণ করা হতে বিরত থাকবে এবং তুমি মযলুমের (অত্যাচারিতের) বদ-দু'আকে ভয় করবে। কেননা তার দু'আ ও আল্লাহর মধ্যে কোন প্রতিবন্ধক নাই (অর্থাৎ মজলুমের বদ-দু'আ বিনা বাধায় আল্লাহর নিকট পৌছে যায়)।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ الْمَكِّيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيِّ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ " إِنَّكَ تَأْتِي قَوْمًا أَهْلَ كِتَابٍ فَادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوكَ لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوكَ لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً فِي أَمْوَالِهِمْ تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ وَتُرَدُّ فِي فُقَرَائِهِمْ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوكَ لِذَلِكَ فَإِيَّاكَ وَكَرَائِمَ أَمْوَالِهِمْ وَاتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ " .
হাদীস নং: ১৫৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৫
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
১৫৮৫. কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যাকাত আদায় করার মধ্যে অতিরঞ্জিতকারী ব্যক্তি যাকাত প্রদানে বাঁধাদানকারী তুল্য।
كتاب الزكاة
باب فِي زَكَاةِ السَّائِمَةِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سِنَانٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْمُعْتَدِي فِي الصَّدَقَةِ كَمَانِعِهَا " .
হাদীস নং: ১৫৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৬
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৫. যাকাত আদায়কারীকে রাখা।
১৫৮৬. মাহদী ইবনে হাফস ও মুহাম্মাদ ইবনে উবাইেদ (রাহঃ) ..... বাশীর ইবনুল খাসাসিয়াহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাবী ইবনে উবাইেদ তাঁর হাদীসে উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর অর্থাৎ রাবীর নাম প্রকৃতপক্ষে বাশীর ছিল না। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পরবর্তী কালে তাঁর নাম বাশীর রাখেন। তিনি বলেন, একদা আমরা (বাশীরকে) জিজ্ঞাসা করি যে, যাকাত আদায়কারীগণ আমাদের মাল হতে অতিরিক্ত পরিমাণ যাকাত আদায় করতে থাকেন। কাজেই তারা যে পরিমাণ মাল অতিরিক্ত গ্রহণ করেন আমরা কি ঐ পরিমাণ মাল গোপন করে রাখব? তিনি বলেন, না।
كتاب الزكاة
باب رِضَا الْمُصَدِّقِ
حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ حَفْصٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ رَجُلٍ، يُقَالُ لَهُ دَيْسَمٌ - وَقَالَ ابْنُ عُبَيْدٍ مِنْ بَنِي سَدُوسٍ - عَنْ بَشِيرِ بْنِ الْخَصَاصِيَةِ، - قَالَ ابْنُ عُبَيْدٍ فِي حَدِيثِهِ وَمَا كَانَ اسْمُهُ بَشِيرًا - وَلَكِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَمَّاهُ بَشِيرًا قَالَ قُلْنَا إِنَّ أَهْلَ الصَّدَقَةِ يَعْتَدُونَ عَلَيْنَا أَفَنَكْتُمْ مِنْ أَمْوَالِنَا بِقَدْرِ مَا يَعْتَدُونَ عَلَيْنَا فَقَالَ " لاَ " .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৫৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৭
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৫. যাকাত আদায়কারীকে রাখা।
১৫৮৭. হাসান ইবনে আলী (রাহঃ) ..... আইয়ুব (রাহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসের সনদ ও অর্থে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তিনি তার বর্ণনায় আরো বর্ণনা করেছেন, একদা আমরা বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যাকাত আদায়কারীগণ পরিমাণের অতিরিক্ত যাকাত উসুল করে থাকে।
كتاب الزكاة
باب رِضَا الْمُصَدِّقِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَيَحْيَى بْنُ مُوسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَيُّوبَ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَصْحَابَ الصَّدَقَةِ يَعْتَدُونَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَفَعَهُ عَبْدُ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ .
হাদীস নং: ১৫৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৮
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৫. যাকাত আদায়কারীকে রাখা।
১৫৮৮. আব্বাস ইবনে আব্দুল আজীম (রাহঃ) .... আব্দুর রহমান ইবনে জাবের ইবনে আতীক তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ অদূর ভবিষ্যতে তোমাদের নিকট এমন যাকাত আদায়কারীগণ আগমন করবে, যাদের আচরণে তোমরা অসুন্তুষ্ট হবে। তথাপি তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে তখন তোমরা তাদের স্বাগত জানাবে। অতঃপর তারা যাকাতস্বরূপ তোমাদের নিকট যা দাবী করে তোমরা তা প্রদান কর। যদি তারা ইনসাফের সাথে কাজ করে তবে তারা এর প্রতিদান প্রাপ্ত হবে। আর যদি এ ব্যাপারে তারা যুলুম করে তবে এর জন্য শাস্তি প্রাপ্ত হবে। তোমরা তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করবে। কেননা তাদের সন্তুষ্টির উপরেই তোমাদের যাকাত আদায় হওয়া নির্ভর করে। আর তোমরা তাদের সাথে এমন আচরণ করবে যাতে তারা তোমাদের জন্য দু'আ করে।
كتاب الزكاة
باب رِضَا الْمُصَدِّقِ
حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، عَنْ أَبِي الْغُصْنِ، عَنْ صَخْرِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ جَابِرِ بْنِ عَتِيكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " سَيَأْتِيكُمْ رَكْبٌ مُبَغَّضُونَ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَرَحِّبُوا بِهِمْ وَخَلُّوا بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَا يَبْتَغُونَ فَإِنْ عَدَلُوا فَلأَنْفُسِهِمْ وَإِنْ ظَلَمُوا فَعَلَيْهَا وَأَرْضُوهُمْ فَإِنَّ تَمَامَ زَكَاتِكُمْ رِضَاهُمْ وَلْيَدْعُوا لَكُمْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو الْغُصْنِ هُوَ ثَابِتُ بْنُ قَيْسِ بْنِ غُصْنٍ .
হাদীস নং: ১৫৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮৯
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৫. যাকাত আদায়কারীকে রাখা।
১৫৮৯. আবু কামিল (রাহঃ) ..... জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আরবের কতিপয় ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে আগমন করেন। অতঃপর তারা বলেন, আমাদের নিকট যাকাত আদায়ের জন্য এমন লোক আসেন যারা বাড়াবাড়ি করে থাকেন। তখন তিনি বলেনঃ তোমরা তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখবে। তারা জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি তারা আমাদের উপর যুলুমও করেন? জবাবে তিনি বলেন, তোমরা তোমাদের যাকাত উসুলকারী ব্যক্তিদের খুশী রাখবে। রাবী উছমানের বর্ণনায় আরও আছে যে, যদিও তারা তোমাদের উপর যুলুম করে।

রাবী আবু কামিলের বর্ণনায় আছে যে, জারীর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট হতে এই নির্দেশ প্রাপ্তির পর সমস্ত যাকাত আদায়কারীগণ আমার নিকট হতে সন্তুষ্ট মনে বিদায় গ্রহণ করেন।
كتاب الزكاة
باب رِضَا الْمُصَدِّقِ
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ يَعْنِي ابْنَ زِيَادٍ، ح وَحَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، - وَهَذَا حَدِيثُ أَبِي كَامِلٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ هِلاَلٍ الْعَبْسِيُّ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ جَاءَ نَاسٌ - يَعْنِي مِنَ الأَعْرَابِ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا إِنَّ نَاسًا مِنَ الْمُصَدِّقِينَ يَأْتُونَا فَيَظْلِمُونَا . قَالَ فَقَالَ " أَرْضُوا مُصَدِّقِيكُمْ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنْ ظَلَمُونَا قَالَ " أَرْضُوا مُصَدِّقِيكُمْ " . زَادَ عُثْمَانُ " وَإِنْ ظُلِمْتُمْ " . قَالَ أَبُو كَامِلٍ فِي حَدِيثِهِ قَالَ جَرِيرٌ مَا صَدَرَ عَنِّي مُصَدِّقٌ بَعْدَ مَا سَمِعْتُ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ وَهُوَ عَنِّي رَاضٍ .
হাদীস নং: ১৫৯০
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯০
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৬. যাকাত আদায়কারীর যাকাত প্রদানকারীদের জন্য দুআ করা।
১৫৯০. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা (বাইআতুর রিদওয়ানে) বৃক্ষের নীচে শপথ গ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম। নবী করীম (ﷺ)-এর নিকট যখন কোন কওম (গোত্র) যাকাত নিয়ে আসত, তখন তিনি তাদের জন্য এইরূপ দু'আ করতেনঃ ইয়া আল্লাহ! তুমি তাদের উপর রহম কর।

একদা আমার পিতা তাঁর নিকট যাকাতের মালসহ উপস্থিত হলে তিনি (ﷺ) বলেনঃ ইয়া আল্লাহ! আপনি আবু আওফার বংশধরগণের উপর রহমত বর্ষণ করুন।
كتاب الزكاة
باب دُعَاءِ الْمُصَدِّقِ لأَهْلِ الصَّدَقَةِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ النَّمَرِيُّ، وَأَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، - الْمَعْنَى - قَالاَ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ كَانَ أَبِي مِنْ أَصْحَابِ الشَّجَرَةِ وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَاهُ قَوْمٌ بِصَدَقَتِهِمْ قَالَ " اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى آلِ فُلاَنٍ " . قَالَ فَأَتَاهُ أَبِي بِصَدَقَتِهِ فَقَالَ " اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى آلِ أَبِي أَوْفَى " .
হাদীস নং: ১৫৯১
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯১
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৭. উটের বয়স সম্পর্কে

ইমাম আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, আমি রায়্যাশী, আবু হাতীম ও অন্যুদের নিকট হতে এই বর্ণনা শুনেছি এবং নাদর ইবনে শুমায়েল ও আবু উবাইদের গ্রন্থে পেয়েছি, কোন কোন কথা তাদের একজনেই বলেছেন। তাঁরা বলেন, উটের বাচ্চাকে (যতকক্ষণ মাতৃগর্ভে থেকে) ’আল-হাওয়্যার’, আল-ফাসীল (যখন ভূমিষ্ঠ হয়) ও বিনত মাখাদ (যে বাচ্চা দ্বিতীয় বছরে পদার্পন করেছে), আর তিন বছর বয়সে পদার্পণকারী বাচ্চাকে 'বিনতে লাবূন’ বলা হয়। অতঃপর উটের বয়স পূর্ণ তিন বছর হতে চার বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বলা হয়, হিক্ক ও হিককাহ। কেননা তখন হিক্কাহ বাহনের যোগ্য হয় বাচ্চা ধারণের উপযুক্ত হয় এবং যৌবনে পৌঁছে। কিন্তু হিক্কাহ ছয় বছরে না পৌঁছা পর্যন্ত প্রাপ্তবয়ষ্ক হয় না এবং হিককাহকে 'তুরুকাতুল ফাহল’ও বলা হয়। কেননা ঐ সময় পুরুষ উট এর উপর কুঁদে পড়ে।

অতঃপর যখন তার বয়স পাঁচ বছর পড়ে তখন তাকে জাযাআহ বলে এবং পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তাকে এই নামেই অখ্যায়িত করা হয়। অতঃপর যখন তা ছয় বছরে পদার্পণ করে এবং সামনের দাঁত উঠে তখন তাকে ‘ছানা’ বলে - ছয় বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর যখন তার বয়স সাত শুরু হয় তখন হতে সাত বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত পুরুষ উটকে বলা হয় ‘রুবাঈ’ এবং স্ত্রী উটকে বলা হয় ‘রুবাইয়া'। অতঃপর তা যখন আট বছরে পদার্পণ করে তখন থেকে তাকে ‘সাদীস' বলে আট পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত। যখন তা নয় বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে ‘বাযিল’ বলা হয়। কারণ তখন তাঁর কুঁজ নির্গত হতে থাকে।

অতঃপর উট যখন দশ বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে ‘মুখলিফা’ বলে। এর পরে উটের আর কোন নামকরণ নাই। অবশ্য এর পরে তাকে এক বছরের বাযিল, দুই বছরের বাযিল; এক বছরে মুখলিফ, দুই বছরের মুখলিফ, তিন বছরের মুখলিফ, চার বছরের মুখলিফ এবং পাঁচ বছরের মুখলিফ বলা হয়ে থাকে। গর্ভবতী উটকে 'হালাফা’ বলে। আবু হাতেম বলেন, জুযূআহ হল কাল প্রবাহের একটি সময়, কোন দাঁতের নাম নয়। উটের বয়সের পরিবর্তে হয় সুহাইল (Canopus) তারকা উদিত হওয়ার সাথে সাথে। আবু দাউদ (রাহঃ) বলেন, আর-রিয়াশী আমাদেরকে নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করে শুনানঃ (অর্থ)

“রাতের প্রথম প্রহরে যখন সুহাইল তারকা উদিত হয়, তখন ইবনে লাবূন হিক্কা হয়ে গেলে এবং হিক্কাহ জাযাআহ হয়ে গেল। হুবা ছাড়া এমন কোন বয়স নাই যা (সুহাইল তারকা উদয় থেকে) গণনা করা যায় না, হুবা সেই উট শাবককে বলা হয় যা সুহাইল তারকা উদয়কালে ভুমিষ্ঠ হয় না, বরং অন্য সময় ভূমিষ্ঠ হয়।

পরিচ্ছেদ ৮. যাকাত আদায়কারী যাকাতদাতাদের নিকট কোন স্থানে যাকাত গ্রহণ করবে।
১৫৯১. কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) .... আমর ইবনে শুআয়েব (রাহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও পিতামহের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যাকাত আদায়কারী (যাকাত প্রদানকারীকে) দূরে টেনে নিবে না এবং যাকাতদাতা নিজের মাল দূরে সরিয়ে রাখবে না (যাতে লেনদেনে কষ্ট না হয়); আর তাদের যাকাতের মাল, তাদের ঘর-বাড়ি ব্যতীত অন্য কোথাও হতে গ্রহণ করা চলবে না।
كتاب الزكاة
بَابُ تَفْسِيرِ أَسْنَانِ الإِبِلِ.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ: سَمِعْتُهُ مِنَ الرِّيَاشِيِّ, وَأَبِي حَاتِمٍ, وَغَيْرِهِمَا, [وَمِنْ كِتَابِ النَّضْرِ بْنِ شُمَيْلٍ, وَمِنْ كِتَابِ أَبِي عُبَيْدٍ, وَرُبَّمَا ذَكَرَ أَحَدُهُمُ الْكَلِمَةَ قَالُوا: يُسَمَّى الْحُوَارُ, ثُمَّ الْفَصِيلُ, إِذَا فَصَلَ, ثُمَّ تَكُونُ بِنْتُ مَخَاضٍ] لِسَنَةٍ, إِلَى تَمَامِ سَنَتَيْنِ, فَإِذَا دَخَلَتْ فِي الثَّالِثَةِ, فَهِيَ ابْنَةُ لَبُونٍ, فَإِذَا تَمَّتْ لَهُ ثَلاَثُ سِنِينَ, فَهُوَ حِقٌّ وَحِقَّةٌ إِلَى تَمَامِ أَرْبَعِ سِنِينَ, لأَنَّهَا اسْتَحَقَّتْ أَنْ تُرْكَبَ, وَيُحْمَلَ عَلَيْهَا الْفَحْلُ, وَهِيَ تَلْقَحُ, وَلاَ يُلْقِحُ الذَّكَرُ حَتَّى يُثَنِّيَ, وَيُقَالُ لِلْحِقَّةِ: طَرُوقَةُ الْفَحْلِ, لأَنَّ الْفَحْلَ يَطْرُقُهَا إِلَى تَمَامِ أَرْبَعِ سِنِينَ, فَإِذَا طَعَنَتْ فِي الْخَامِسَةِ, فَهِيَ جَذَعَةٌ حَتَّى يَتِمَّ لَهَا خَمْسُ سِنِينَ, فَإِذَا دَخَلَتْ فِي السَّادِسَةِ, وَأَلْقَى ثَنِيَّتَهُ, فَهُوَ حِينَئِذٍ ثَنِيٌّ, حَتَّى يَسْتَكْمِلَ سِتًّا, فَإِذَا طَعَنَ فِي السَّابِعَةِ, سُمِّيَ الذَّكَرُ رَبَاعِيًا, وَالأُنْثَى رَبَاعِيَةً إِلَى تَمَامِ السَّابِعَةِ, فَإِذَا دَخَلَ فِي الثَّامِنَةِ, وَأَلْقَى السِّنَّ السَّدِيسَ الَّذِي بَعْدَ الرَّبَاعِيَةِ, فَهُوَ سَدِيسٌ وَسَدِسٌ إِلَى تَمَامِ الثَّامِنَةِ, فَإِذَا دَخَلَ فِي التِّسْعِ وَطَلَعَ نَابُهُ, فَهُوَ بَازِلٌ, أَيْ بَزَلَ نَابُهُ, يَعْنِي طَلَعَ, حَتَّى يَدْخُلَ فِي الْعَاشِرَةِ, فَهُوَ حِينَئِذٍ مُخْلِفٌ, ثُمَّ لَيْسَ لَهُ اسْمٌ, وَلَكِنْ يُقَالُ: بَازِلُ عَامٍ, وَبَازِلُ عَامَيْنِ, وَمُخْلِفُ عَامٍ, وَمُخْلِفُ عَامَيْنِ, وَمُخْلِفُ ثَلاَثَةِ أَعْوَامٍ إِلَى خَمْسِ سِنِينَ, وَالْخَلِفَةُ: الْحَامِلُ.
قَالَ أَبُو حَاتِمٍ: وَالْجُذُوعَةُ: وَقْتٌ مِنَ الزَّمَنِ لَيْسَ بِسِنٍّ, وَفُصُولُ الأَسْنَانِ عِنْدَ طُلُوعِ سُهَيْلٍ.
قَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَأَنْشَدَنَا الرِّيَاشِيُّ.
إِذَا سُهَيْلٌ أول اللَّيْلِ طَلَعْ ... فَابْنُ اللَّبُونِ الْحِقُّ, وَالْحِقُّ جَذَعْ.
لَمْ يَبْقَ مِنْ أَسْنَانِهَا غَيْرُ الْهُبَعْ.
وَالْهُبَعُ: الَّذِي يُولَدُ فِي غَيْرِ حِينِهِ.

باب أَيْنَ تُصَدَّقُ الأَمْوَالُ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ جَلَبَ وَلاَ جَنَبَ وَلاَ تُؤْخَذُ صَدَقَاتُهُمْ إِلاَّ فِي دُورِهِمْ " .
হাদীস নং: ১৫৯২
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯২
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৮. যাকাত আদায়কারী যাকাতদাতাদের নিকট কোন স্থানে যাকাত গ্রহণ করবে।
১৫৯২. আল-হাসান ইবনে আলী ইয়াকুব ইবনে ইবরাহীমের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে, মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাকের সূত্রে لاَ جَلَبَ وَلاَ جَنَبَ সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছিঃ চতুষ্পদ জন্তুর অবস্থানের স্থানেই এগুলোর যাকাত দিতে হবে। আর যাকাত আদায়কারীর নিকট এগুলো নিতে হবে না এবং মালের যাকাত প্রদানকারীগণ এগুল দূরে সরিয়ে রাখবে না। আর যাকাত আদায়কারী যাকাত দাতাদের নিকট হতে দূরে সরিয়ে রাখবে না। আর যাকাত আদায়কারী যাকাত দাতাদের নিকট হতে দূরেও অবস্থান করবে না, বরং চতুষ্পদ জন্তু যেখানে থাকে সেখান হতেই যাকাত আদায় করবে।
كتاب الزكاة
باب أَيْنَ تُصَدَّقُ الأَمْوَالُ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، فِي قَوْلِهِ " لاَ جَلَبَ وَلاَ جَنَبَ " . قَالَ أَنْ تُصَدَّقَ الْمَاشِيَةُ فِي مَوَاضِعِهَا وَلاَ تُجْلَبُ إِلَى الْمُصَدِّقِ وَالْجَنَبُ عَنْ غَيْرِ هَذِهِ الْفَرِيضَةِ أَيْضًا لاَ يُجْنَبُ أَصْحَابُهَا يَقُولُ وَلاَ يَكُونُ الرَّجُلُ بِأَقْصَى مَوَاضِعِ أَصْحَابِ الصَّدَقَةِ فَتُجْنَبُ إِلَيْهِ وَلَكِنْ تُؤْخَذُ فِي مَوْضِعِهِ .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৫৯৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯৩
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৯. যাকাত দিয়ে তা পুনরায় ক্রয় করা।
১৫৯৩. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য একটি ঘোড়াদান করেন। অতঃপর তিনি তা বিক্রী হতে দেখে খরিদ করতে মনস্থ করেন। তিনি এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেনঃ তুমি তা খরিদ কর না এবং তোমার সদকার মাল ফেরত লইও না।
كتاب الزكاة
باب الرَّجُلِ يَبْتَاعُ صَدَقَتَهُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، - رضى الله عنه - حَمَلَ عَلَى فَرَسٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَوَجَدَهُ يُبَاعُ فَأَرَادَ أَنْ يَبْتَاعَهُ فَسَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ " لاَ تَبْتَعْهُ وَلاَ تَعُدْ فِي صَدَقَتِكَ " .
হাদীস নং: ১৫৯৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯৪
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাস-দাসীর যাকাত।
১৫৯৪. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ ঘোড়া ও দাস-দাসীতে কোন যাকাত নাই। কিন্তু দাস-দাসীর পক্ষ থেকে সাদ্‌কাতুল ফিতর (ফেতরা) দিতে হবে।
كتاب الزكاة
باب صَدَقَةِ الرَّقِيقِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَيَّاضٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَيْسَ فِي الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ زَكَاةٌ إِلاَّ زَكَاةُ الْفِطْرِ فِي الرَّقِيقِ " .
হাদীস নং: ১৫৯৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯৫
যাকাতের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাস-দাসীর যাকাত।
১৫৯৫. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা ও মালিক (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন মুসলমানের জন্য তাঁর দাস-দাসীর ও ঘোড়ার কোন যাকাত নাই।
كتاب الزكاة
باب صَدَقَةِ الرَّقِيقِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِي عَبْدِهِ وَلاَ فِي فَرَسِهِ صَدَقَةٌ " .