মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
৬. পবিত্রতা অর্জন - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৫৬২ টি
হাদীস নং: ২০১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০১) যাইদ ইবন্ খালিদ আল-জুহানী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দররূণে ওযু করে অতঃপর দু' রাক'আত সালাত আদায় করে এবং তাতে ভুল করে না, আল্লাহ তার পূর্ববর্তী গুনাহ ক্ষমা করে দেন।
[আবু দাউদ। সনদ গ্রহণযোগ্য।]
[আবু দাউদ। সনদ গ্রহণযোগ্য।]
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(201) عن زيد بن خالد الجهني رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من توضأ
فأحسن وضوءه ثم صلى ركعتين لا يسهو فيهما غفر الله له ما تقدم من ذنبه
فأحسن وضوءه ثم صلى ركعتين لا يسهو فيهما غفر الله له ما تقدم من ذنبه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০২) হযরত উকবাহ ইবন্ আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি অনুরূপ হাদীসের সমার্থক আরেকটি হাদীস নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(202) عن عقبة بن عامر رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৩) হযরত উকবাহ ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আমরা নিজেরাই নিজেদের কাজকর্ম করতাম। আমরা নিজেরা পালা করে উট চরাতাম। এভাবে একবার আমার উট চরানোর পালা আসলো। আমি বিকালে উটগুলি ফিরিয়ে নিয়ে আসলাম। (উটের দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে) আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে দেখলাম, তিনি দাঁড়িয়ে মানুষদের সাথে কথা বলছেন। আমি এসে তাঁকে বলতে শুনলামঃ তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ওযু করে এবং তা পূর্ণরূপে সম্পন্ন করে অতঃপর সে দাঁড়িয়ে তার মুখ ও মনের পরিপূর্ণ একাগ্রতাও মনোযোগ দিয়ে দুই রাক'আত সালাত আদায় করে, তাহলে তার জন্য জান্নাত নির্ধারিত করা এবং তার গুনাহ ক্ষমা 'করা হবে। তখন আমি তাঁকে বললাম, এটি কত সুন্দর। তখন আমার সামনে থেকে একজন বললেন, হে উকবাহ! এর আগে যা বলেছেন তা আরো সুন্দর। তখন আমি দেখলাম তিনি হলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব। আমি বললামঃ হে আবু হাফস! তা কি? তিনি বললেন, আপনার আসার আগে তিনি বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যদি ওযু করে এবং পরিপূর্ণরূপে তা সম্পন্ন করে অতঃপর সে বলে, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো মা'বুদ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও বার্তাবাহক, তাহলে তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেয়া হবে, সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা প্রবেশ করতে পারবে।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(203) وعنه أيضا قال كنا نخدم أنفسنا وكنا نتداول 1 رعية الإبل بيننا فأصابني رعية الإبل فروحتها بعشي فأدركت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو قائم يحدث الناس فأدركت من حديثه وهو يقول ما منكم من أحد يتوضأ فيسبغ الوضوء ثم يقوم فيركع ركعتين يقبل عليهما بقلبه 2 ووجهه إلا وجبت له الجنة وغفر له، قال فقلت له ما أجود هذا 3 قال فقال قائل بين يدي كانت قبلها يا عقبة أجود منها فنظرت فإذا عمر بن الخطاب قال فقلت وما هي يا أبا حفص؟ قال إنه قال قبل أن تأتي ما منكم من أحد يتوضأ فيسبغ الوضوء ثم يقول أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأن محمدا عبده ورسوله
إلا فتحت له أبواب الجنة الثمانية يدخل من أيها شاء
إلا فتحت له أبواب الجنة الثمانية يدخل من أيها شاء
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৪) আমর ইবন আবাসাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যদি কোন ব্যক্তি সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে ওযু করে এবং সে ওযুর অঙ্গগুলো সঠিকভাবে লক্ষ্য রেখে পূর্ণভাবে ধৌত করে তাহলে সে তার সকল পাপ বা অন্যায় থেকে মুক্ত হয়ে যায়। এরপর যদি সে সালাতে দাঁড়ায় তাহলে মহামহিম মহাসম্মানিত আল্লাহ তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। আর যদি সে বসে থাকে তাহলে সে পাপমুক্ত হয়ে বসে থাকে।
[তাবারানী। সনদ শক্তিশালী।]
[তাবারানী। সনদ শক্তিশালী।]
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(204) عن عمرو بن عبسة السلمي رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أيما رجل قام إلى وضوء يريد الصلاة فأحصى الوضوء 1 إلى أماكنه سلم من كل ذنب أو خطيئة له، فإن قام إلى الصلاة رفعه الله عز وجل بها درجة وإن قعد قعد سالما
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৫) শাহর ইবন্ হাউশাব সাহাবী আবু উমামাহ হিমসী (রা) থেকে বর্ণনা করে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ওযু তার পূর্বের গুনাহগুলো ক্ষমা করায়। এরপর সালাত আদায় অতিরিক্ত কর্ম বলে গণ্য হয়। তখন তাঁকে বলা হয়ঃ আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট থেকে একথা শুনেছেন। তিনি বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই শুনেছি, একবার, দুইবার, তিনবার, চারবার বা পাঁচবার নয়, আরো বেশিবার শুনেছি।
[হাদীসটি ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। ইমাম মুনযিরী হাদসটির সনদ সহীহ্ বলে উল্লেখ করেছেন।
[হাদীসটি ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। ইমাম মুনযিরী হাদসটির সনদ সহীহ্ বলে উল্লেখ করেছেন।
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(205) عن شهر بن حوشب عن أبي أمامة الحمصي صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الوضوء يكفر ما قبله ثم تصير الصلاة نافلة فقيل له أسمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم غير مرة ولا مرتين ولا ثلاث ولا أربع ولا خمس
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৬) আবু গালিব রাসিবী থেকে বর্ণিত। তিনি সিরিয়ার হিমস শহরে আবু উমামা (রা)-এর সাথে মিলিত হন। তিনি তাঁকে কতিপয় বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন। তখন আবু উমামা (রা) তাদেরকে বলেনঃ তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ যদি কোনো মুসলিম বান্দা সালাতের আযান শুনে ওযু করতে গমন করেন তাহলে তার হাতের উপর প্রথম যে পানির ফোঁটা পতিত হয় সে ফোঁটার সাথে তাকে ক্ষমা করা হয়। অতঃপর পানির ফোঁটাগুলোর সংখ্যানুপাতে ক্ষমা করা হয়। এভাবে সে যখন তার ওযু শেষ করে তখন তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়। এরপর সালাতে দণ্ডায়মান হলে তা তার জন্য অতিরিক্ত কর্ম বলে গণ্য হয়। আবু গালিব বলেন, আমি আবু উমামা (রা)-কে প্রশ্ন করলামঃ আপনি কি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে নিজে একথা শুনেছেন? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, অবশ্যই, যিনি তাঁকে সুসংবাদদাতা ও ভয়প্রদর্শনকারীরূপে প্রেরণ করেছেন তাঁর শপথ! একবার, দুইবার, তিনবার, চারবার, পাঁচবার, ছয়বার, সাতবার, আটবার, নয়বার, দশবার, দশবার-এরও অধিকবার আমি শুনেছি, একথা বলে তিনি তাঁর দুই হাত একত্র করে তালি দেন।
[তাবারানী। ইমাম হাইসুমী বলেনঃ আবু গালিবের গ্রহণযোগ্যতা বিতর্কিত। তবে হাদীসটি অন্যান্য সনদেও বর্ণিত হয়েছে। এজন্য হাদীসটি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত।]
[তাবারানী। ইমাম হাইসুমী বলেনঃ আবু গালিবের গ্রহণযোগ্যতা বিতর্কিত। তবে হাদীসটি অন্যান্য সনদেও বর্ণিত হয়েছে। এজন্য হাদীসটি গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত।]
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(206) عن أبي غالب الراسبي أنه لقي أبا أمامة بحمص فسأله عن أشياء حدثهم أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم وهو يقول ما من عبد مسلم يسمع أذان صلاة فقام إلى وضوئه إلا غفر له بأول قطرة تصيب كفه من ذلك الماء فبعدد ذلك القطر حتى يفرغ من وضوئه إلا غفر له ما سلف من ذنوبه وقام إلى صلاته وهي نافلة، قال أبو غالب قلت لأبي أمامة أنت سمعت هذا من النبي صلى الله عليه وسلم قال إي والذي بعثه بالحق بشيرا ونذيرا غير مرة ولا مرتين ولا ثلاث ولا أربع ولا خمس ولا ست ولا سبع ولا ثمان ولا تسع ولا عشر وعشر وعشر وصفق بيديه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৭) আবু গালিব থেকে আরও বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি আবু উমামা (রা)-কে বলতে শুনেছি, যখন তুমি ওযুর পানি তার নির্ধারিত স্থানগুলোতে পৌছাবে তখন তুমি ক্ষমাপ্রাপ্ত হয়ে যাবে। যদি এরপর সে সালাতে দাঁড়ায় তাহলে তা তার জন্য মর্যাদা ও পুরস্কারে পরিণত হয়। আর যদি সে বসে থাকে তাহলে ক্ষমাপ্রাপ্ত অবস্থায় বসে থাকে। তখন এক ব্যক্তি তাঁকে প্রশ্ন করে, আপনি বলুন তো, যদি সে এ অবস্থায় সালাত আদায় করে তাহলে কি তা তার জন্য নফল বা অতিরিক্ত কর্ম বল গণ্য হবে? তিনি বলেনঃ না, অতিরিক্ত কর্ম তো নবীয়ে আকরাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য। এই ব্যক্তি তো পাপ ও ভুলভ্রান্তির মধ্যে নিমজ্জিত, এই ব্যক্তির জন্য কিভাবে অতিরিক্ত কর্ম বলে গণ্য হবে? এর জন্য তা মর্যাদা ও পুরস্কার বলে গণ্য হবে।
(তাবারানী। হাইসুমী হাদীসটির সনদ সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
(তাবারানী। হাইসুমী হাদীসটির সনদ সহীহ বলে উল্লেখ করেছেন।)
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(207) وعنه أيضا قال سمعت أبا أمامة يقول إذا وضعت الطهور مواضعه قعدت مغفورا لك، فإن قام يصلى كانت له فضيلة وأجرا، وإن قعد قعد مغفورا له، فقال له رجل يا أبا أمامة أرأيت إن قام فصلي تكون له نافلة، قال لا إنما النافلة للنبي صلى الله عليه وسلم كيف تكون له نافلة وهو يسعى في الذنوب والخطايا، تكون له فضيلة وأجرا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৮) আবু মুসলিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু উমামা (রা)-এর নিকট গমন করি। তখন তিনি মসজিদে বসে মাথার উকুন পরিষ্কার করছিলেন এবং কাঁকরের মধ্যে উকুনগুলিকে পুঁতে রাখছিলেন। আমি বললাম, হে আবু উমামা! এক ব্যক্তি আপনার সূত্রে আমাকে বলেছে, আপনি নাকি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং পূর্ণরূপে তা সম্পন্ন করবে, তার দুই হাত ও মুখমণ্ডল ধৌত করবে এবং তার মাথা ও দুই কান মাসাহ করবে, অতঃপর সে ফরয সালাতে দাঁড়াবে, সে দিন সে যে গুনাহ তার দু'পা দ্বারা, তার দু'হাত দ্বারা, তার দু'কান দ্বারা, তার দুই চোখ দ্বারা এবং তার মনের খারাপ কল্পনা দ্বারা করেছে, আল্লাহ তা ক্ষমা করে দেবেন। আবু উমামা বলেন, আল্লাহর কসম! আমি অগণিতবার এই কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি।
(তাবারানী। সনদ শক্তিশালী।)
(তাবারানী। সনদ শক্তিশালী।)
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(208) عن أبي مسلم قال دخلت على أبي أمامة وهو يتفلى في المسجد
ويدفن القمل في الحصى فقلت له يا أبا أمامة إن رجلا حدثني عنك أنك قلت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ فأسبغ الوضوء فغسل يديه ووجهه ومسح على رأسه وأذنيه ثم قام إلى الصلاة المفروضة غفر له في ذلك اليوم ما مشت إليه رجله وقبضت عليه يداه وسمعت إليه أذناه ونظرت إليه عيناه وحدث به نفسه من سوء، قال والله لقد سمعته من نبي الله صلى الله عليه وسلم ما لا أحصيه
ويدفن القمل في الحصى فقلت له يا أبا أمامة إن رجلا حدثني عنك أنك قلت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ فأسبغ الوضوء فغسل يديه ووجهه ومسح على رأسه وأذنيه ثم قام إلى الصلاة المفروضة غفر له في ذلك اليوم ما مشت إليه رجله وقبضت عليه يداه وسمعت إليه أذناه ونظرت إليه عيناه وحدث به نفسه من سوء، قال والله لقد سمعته من نبي الله صلى الله عليه وسلم ما لا أحصيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ২০৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২০৯) আসিম ইবন্ সুফিয়ান থেকে বর্ণিত, তারা (মু'আবিয়া (রা)-এর যুগে সংঘটিত) সালাসিল যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য গমন করেন। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়াতে তারা অংশগ্রহণ করতে পারেন নি। এজন্য তারা কিছুদিন সীমান্ত প্রহরায় রত থাকেন। এরপর তারা মু'আবিয়া (রা)-এর নিকট ফিরে আসেন। আবু আইয়ুব আনসারী ও উকবাহ ইবন্ আমির (রা) তখন তাঁর নিকট ছিলেন। তখন আসিম বলেনঃ হে আবু আইউব! সাধারণ যুদ্ধে আমরা অংশগ্রহণ করতে পারি নি। আমরা শুনেছি যে, যে ব্যক্তি মসজিদে (অন্য বর্ণনায় চার মসজিদে) সালাত আদায় করবে তার গুনাহ ক্ষমা করা হবে। তখন তিনি বলেনঃ হে ভ্রাতুষ্পুত্র, তোমাকে আমি এর চেয়েও সহজ কর্ম শিখিয়ে দিচ্ছি। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি যেভাবে হুকুম করা হয়েছে সেভাবে ওযু করবে এবং যেভাবে হুকুম করা হয়েছে সেভাবে সালাত আদায় করবে তার পূর্ববর্তী কুকর্মসমূহ ক্ষমা করা হবে। হে উকবাহ! তাই নয় কি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ। *
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান।)
* টীকাঃ চার মসজিদ বলতে মক্কা, মদীনা, বাইতুল মাকদিস ও কুবার মসজিদ বুঝানো হয়ে থাকে।
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ, ইবন হিব্বান।)
* টীকাঃ চার মসজিদ বলতে মক্কা, মদীনা, বাইতুল মাকদিস ও কুবার মসজিদ বুঝানো হয়ে থাকে।
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(209) عن سفيان بن عبد الرحمن عن عاصم بن سفيان الثقفي أنهم غزو غزوة السلاسل ففاتهم الغزو فرابطوا ثم رجعوا إلى معاوية وعنده أبو أيوب وعقبة بن عامر رضي الله عنهما، فقال عاصم يا أبا أيوب فاتنا الغزو العام وقد أخبرنا أن من صلى في المسجد (وفي رواية في المساجد الأربعة) غفر له ذنبه، فقال ابن أخي أدلك على أيسر من ذلك؟ إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ كما أمر وصلى كما أمر غفر له ما تقدم من عمل، أكذاك يا عقبة؟ قال نعم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২১০) আবু দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হে মানুষেরা! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং পরিপূর্ণরূপে তা সম্পন্ন করবে, অতঃপর পরিপূর্ণরূপে দুই রাক'আত সালাত আদায় করবে, সেই ব্যক্তি যা প্রার্থনা করবে আল্লাহ তাকে তাই প্রদান করবেন, তাৎক্ষণিক অথবা পরবর্তীকালে।
[হাদীসটি কেবল ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ হাসান বা গ্রহণযোগ্য।)
[হাদীসটি কেবল ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ হাসান বা গ্রহণযোগ্য।)
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(210) عن أبي الدرداء رضي الله عنه قال يا أيها الناس إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ فأسبغ الوضوء ثم صلى ركعتين أتمهما أعطاه الله ما سأل معجلا أو مؤخرا 1
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১১
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৩) পরিচ্ছেদ: ওযু ও ওযুর পরে সালাত আদায়ের ফযীলত প্রসঙ্গে
(২১১) আবদুল্লাহ বলেন, আমাকে আমার বাবা (ইমাম আহমদ) বলেন, আমাকে আহমদ ইবন আবদুল মালিক, তাকে সাহল ইবন্ আবু সাদাকাহ তিনি বলেন, তাকে কাসীর ইবন ফাদল আততুফাবী বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, তাকে ইউসুফ ইবন আবদুল্লাহ ইবন্ সালাম (রা) বলেন, আবু দারদা (রা)-এর মৃত্যুকালীন অসুস্থতার সময় আমি তাঁর নিকট আগমন করি। তিনি বলেন, হে ভ্রাতুষ্পুত্র, এদেশে কি জন্য তোমার আগমন? তিনি বলেন, অন্য কোনো কারণ নয়, শুধুমাত্র আপনার ও আমার পিতা আবদুল্লাহ ইবন্ সালামের মধ্যে যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল তা রক্ষা করার জন্যই। তখন আবু দারদা (রা) বলেন, মিথ্যা বলার জন্য এটি খুবই খারাপ সময়। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং সুন্দর সুচারুরূপে তা সমাধা করবে, অতঃপর দাঁড়িয়ে পূর্ণ মনোযোগ, যিকির ও বিনম্রতার সাথে দুই রাক'আত অথবা চার রাক'আত সালাত আদায় করবে (হাদীসের বর্ণনাকারী সাহল ইবন আবূ সাদাকাহ রাক'আতের সংখ্যা দুই না চার সে বিষয়ে দ্বিধা করেছেন), এরপর মহিমাময় পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে, তাকে ক্ষমা করা হবে।
[হাদীসটি শুধুমাত্র ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ হাসান।]
[হাদীসটি শুধুমাত্র ইমাম আহমদই সংকলন করেছেন। হাদীসটির সনদ হাসান।]
كتاب الطهارة
(3) باب ما جاء في فضل الوضوء والصلاة عقبه
(211) حدثنا عبد الله حدثني أبي ثنا أحمد بن عبد الملك حدثني سهل ابن أبي صدقة 1 قال حدثني كثير أبو الفضل الطفاوي حدثني يوسف بن عبد الله بن سلام رضي الله عنهما قال أتيت أبا الدرداء في مرضه الذي قبض فيه فقال لي يا ابن أخي ما أعمدك إلى هذا البلد 2 وما جاء بك قال قلت لا، إلا صلة ما كان بينك وبين والدي عبد الله بن سلام فقال أبو الدرداء لبئس ساعة الكذب هذه سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضأ فأحسن الوضوء ثم قام فصلى ركعتين أو أربعا شك سهل 3 يحسن فيهما الذكر والخشوع ثم استغر الله عز وجل غفر له
بسم الله الرحمن الرحيم
بسم الله الرحمن الرحيم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১২
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ ওযুর শিষ্টাচার প্রসঙ্গে, এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে
প্রথম অনুচ্ছেদ: সন্দেহ প্রবণতা নিন্দনীয় এবং ওযুর পানি ব্যবহারে অপব্যয় মাকরূহ
প্রথম অনুচ্ছেদ: সন্দেহ প্রবণতা নিন্দনীয় এবং ওযুর পানি ব্যবহারে অপব্যয় মাকরূহ
(২১২) উবাই ইবন্ কা'ব থেকে বর্ণিত, নবী (সা) বলেন, ওযুর সাথে এক শয়তান থাকে, যার নাম "ওয়ালহান"। তোমরা তাকে পরহেয কর অথবা বললেন, তোমরা তার থেকে সতর্ক থাক।
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী, তিনি এ হাদীসটি "গরীব" বলে মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন: মুহাদ্দিসদের মতে হাদীসটি সহীহ নয়। এই অর্থে নবী (সা) থেকে কোনো সহীহ্ হাদীস বর্ণিত হয় নি।)
(ইবন মাজাহ ও তিরমিযী, তিনি এ হাদীসটি "গরীব" বলে মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন: মুহাদ্দিসদের মতে হাদীসটি সহীহ নয়। এই অর্থে নবী (সা) থেকে কোনো সহীহ্ হাদীস বর্ণিত হয় নি।)
كتاب الطهارة
(4) باب في آداب تتعلق بالوضوء وفيه فصول
(الفصل الأول في ذم الوسوسة وكراهة الإسراف في ماء الوضوء)
(الفصل الأول في ذم الوسوسة وكراهة الإسراف في ماء الوضوء)
(212) عن أبيِّ بن كعبٍ رضي الله عنه عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم قال للوضوء شيطان يقال له الولهان (1) فاتقوه أو قال فاحذروه (2)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৩
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদ ওযুর শিষ্টাচার প্রসঙ্গে, এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে
প্রথম অনুচ্ছেদ: সন্দেহ প্রবণতা নিন্দনীয় এবং ওযুর পানি ব্যবহারে অপব্যয় মাকরূহ
প্রথম অনুচ্ছেদ: সন্দেহ প্রবণতা নিন্দনীয় এবং ওযুর পানি ব্যবহারে অপব্যয় মাকরূহ
(২১৩) আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (সা) (একবার) সা'দ-এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি ওযু করছিলেন। রাসূল (সা) বললেন, সা'দ এ কি অপব্যয় করছ? তিনি বললেন, ওযূতে কি অপব্যয় হয়? রাসূল (সা) বললেন, হ্যাঁ, হয়। এমন কি তুমি প্রবাহমান নদী বা কর্ণার পাশে বসে করলেও।
[ইবন মাজাহ, হাদীসটির সনদে কিছু দুর্বলতা আছে। তবে ওযুতে অপচয় না করার বিষয়ে অন্য রাবী হতে সহীহ সনদে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।]
[ইবন মাজাহ, হাদীসটির সনদে কিছু দুর্বলতা আছে। তবে ওযুতে অপচয় না করার বিষয়ে অন্য রাবী হতে সহীহ সনদে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।]
كتاب الطهارة
(4) باب في آداب تتعلق بالوضوء وفيه فصول
(الفصل الأول في ذم الوسوسة وكراهة الإسراف في ماء الوضوء)
(الفصل الأول في ذم الوسوسة وكراهة الإسراف في ماء الوضوء)
(213) عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه وسلم من بسعد وهو يتوضأ فقال ما هذا السرف (1) يا سعد؟ قال أفي الوضوء مسرف؟ قال نعم وإن كنت على نهر جار
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৪
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ ওযু ও গোসলের পানির পরিমাণ প্রসঙ্গে
(২১৪) উবাইদুল্লাহ ইবন আবূ ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত, তিনি ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক লোক বললেন, ওযুতে আমি কতটুকু পানি খরচ করতে পারি? তিনি উত্তরে বললেন, এক মুদ সমপরিমাণ।* তিনি আবার বললেন, গোসলের জন্য কত খরচ করতে পারি? তিনি উত্তরে বললেন, এক সা' সমপরিমাণ। লোকটি তখন বলল, এতটুকু আমার জন্য যথেষ্ট নয়। একথা শুনে তিনি বললেন, তোমার মা নেই।** তোমার চেয়ে উত্তম যিনি মহানবী (সা)-এর জন্য এতটুকু পানি যথেষ্ট ছিল।
[হাইসুমী বলেন, এ হাদীসটি আহমদ, বাযযার, ও তাবারানী আল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।]
*(আধুনিক হিসাব এক মুদ্দ প্রায় ১ লিটার এবং ১সা' প্রায় ৪ লিটার)।
**তোমার 'মা নেই' কথাটি আরবীতে সাধারণত তিরস্কার ও ভর্ৎসনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ তুমি কুড়িয়ে পাওয়া লোক। কাজেই তোমার মা নেই।
[হাইসুমী বলেন, এ হাদীসটি আহমদ, বাযযার, ও তাবারানী আল কাবীর গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।]
*(আধুনিক হিসাব এক মুদ্দ প্রায় ১ লিটার এবং ১সা' প্রায় ৪ লিটার)।
**তোমার 'মা নেই' কথাটি আরবীতে সাধারণত তিরস্কার ও ভর্ৎসনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ তুমি কুড়িয়ে পাওয়া লোক। কাজেই তোমার মা নেই।
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في مقدار ماء الوضوء والغسل
(214) عن عبيد الله بن أبي يزدي عن ابن عباسٍ رضي الله عنهما قال قال رجل كم يكفيني من الوضوء، قال مدُّ (2) قال كم يكفيني للغسل، قال صاعٌ قال فقال الرَّجل لا يكفيني، قال لا أمِّ لك (3) قد كفى من هو خيرٌ منك
رسول الله صلى الله عليه وسلم.
رسول الله صلى الله عليه وسلم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৫
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ ওযু ও গোসলের পানির পরিমাণ প্রসঙ্গে
(২১৫) আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (সা) বলেন, ওযুতে দু'রাতাল পরিষ্কার পানিই যথেষ্ট।
[এক রাতাল বার আওকিয়ার সমপরিমাণ বা এক পূর্ণ বয়স্ক মানুষের চার আঁজলার সমপরিমাণ। সুতরাং দু'রাতাল মানে আট আজলা পানি। (দুই রাতল সমান এক মুদ্দ বা প্রায় ১ লিটার)।]
[তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব। ইবন হাজারের বক্তব্য থেকে হাদীসটি হাসান বলে বুঝা যায়।]
[এক রাতাল বার আওকিয়ার সমপরিমাণ বা এক পূর্ণ বয়স্ক মানুষের চার আঁজলার সমপরিমাণ। সুতরাং দু'রাতাল মানে আট আজলা পানি। (দুই রাতল সমান এক মুদ্দ বা প্রায় ১ লিটার)।]
[তিরমিযী, তিনি বলেন, হাদীসটি গরীব। ইবন হাজারের বক্তব্য থেকে হাদীসটি হাসান বলে বুঝা যায়।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في مقدار ماء الوضوء والغسل
(215) عن أنس بن مالك رضي الله عنه عن النَّبِّي صلى الله عليه وسلم قال يجزئ في الوضوء رطلان (1) من ماء.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৬
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ ওযু ও গোসলের পানির পরিমাণ প্রসঙ্গে
(২১৬) তিনি আরও বর্ণনা করেন যে, রাসূল (সা) দু' রাতাল ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এক পানির পাত্র থেকে ওযু করতেন। আর এক সা' সমপরিমাণ পানি দ্বারা গোসল করতেন।
[আবু দাউদ, হাদীসটি বুখারী মুসলিম অন্য শব্দে বর্ণনা করেছেন।
[আবু দাউদ, হাদীসটি বুখারী মুসলিম অন্য শব্দে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في مقدار ماء الوضوء والغسل
(216) وعنه أيضًا رضي الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يتوضأ بإناء يكون رطلين ويغتسل بالصَّاع.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৭
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ ওযু ও গোসলের পানির পরিমাণ প্রসঙ্গে
(২১৭) তিনি আরও বর্ণনা করে বলেন, নবী (সা) বলেছেন, তোমাদের যে কারও জন্য এক মুদ্দ সমপরিমাণ পানি ওযুর জন্য যথেষ্ট।
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি এ ভাষায় অন্য কোন গ্রন্থে আমি পাই নি।]
[আবদুর রহমান আল বান্না বলেন, এ হাদীসটি এ ভাষায় অন্য কোন গ্রন্থে আমি পাই নি।]
كتاب الطهارة
الفصل الثاني في مقدار ماء الوضوء والغسل
(217) وعنه أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يكفي أحدكم مد في الوضوء
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৮
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: রূপচর্চা ও ভাল কাজ সবগুলো ডান দিক থেকে আরম্ভ করা মুস্তাহাব
(২১৮) আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা) তাঁর সব কিছু সাধ্যানুযায়ী ডান দিক থেকে শুরু করতে ভালবাসতেন। (এমনকি) তার পবিত্রতা অর্জনে, চুল আঁচড়ানোতে ও জুতা পরাতেও।
[বুখারী ও মুসলিম।]
[বুখারী ও মুসলিম।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث في استحباب البداءة باليمين في كل ما كان من باب التكريم والتزيين
(218) عن عائشة رضي الله عنها أنها قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب التَّيمُّن في شأنه كلِّه ما استطاع، في طهوره وترجُّله وتنعُّله.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১৯
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ: রূপচর্চা ও ভাল কাজ সবগুলো ডান দিক থেকে আরম্ভ করা মুস্তাহাব
(২১৯) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন তোমরা কাপড় পরবে এবং যখন ওযু করবে তখন তোমরা তোমাদের ডান দিক থেকে আরম্ভ করবে।
[ইবন্ মাজাহ, আবূ দাউদ, ইবন খুযাইমা, ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ।]
[ইবন্ মাজাহ, আবূ দাউদ, ইবন খুযাইমা, ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث في استحباب البداءة باليمين في كل ما كان من باب التكريم والتزيين
(219) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا لبستم وإذا توضَّأتم فابدؤا بأيامنكم، وقال أحمد (1) بميامنكم.
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২০
পবিত্রতা অর্জন
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদ রাসূল (সা)-এর ওযুর বর্ণনা। এতে কয়েকটি অনুচ্ছেদ রয়েছে
প্রথম অনুচ্ছেদ: এতদসংক্রান্ত উসমান ইবন্ আফফান (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
প্রথম অনুচ্ছেদ: এতদসংক্রান্ত উসমান ইবন্ আফফান (রা) থেকে বর্ণিত হাদীসসমূহ
(২২০) হুমরান ইবন আবান (র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উসমান (রা) পানি চাইলেন তখন তিনি আসনে বসাছিলেন। তখন তিনি তার ডান হাতের ওপর পানি ঢাললেন এবং তা ধুইলেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, অতঃপর তিনি তাঁর হাতে তিনবার পানি ঢাললেন এবং হাত দু'টি ধৌত করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর ডান হাতটি পানির পাত্রে ঢুকালেন (তা থেকে পানি নিয়ে) তাঁর উভয় হাতের কবজী পর্যন্ত তিনবার ধুইলেন। অতঃপর তিনি তাঁর মুখমণ্ডল ধুইলেন তিনবার এবং কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন ও নাক ঝাড়লেন এবং কনুই পর্যন্ত দু'হাত দুইলেন তিনবার। অতঃপর তাঁর মাথা মাসেহ করলেন। অপর এক বর্ণনায় আছে এবং তিনি তাঁর হাত দু'টি তাঁর দু' কানের ওপর বুলালেন। অতঃপর উভয় হাত তাঁর দাড়ির ওপর বুলালেন। অতঃপর দু' পা গোড়ালী পর্যন্ত ধুইলেন তিনবার করে। তারপর বললেন, আমি রাসূল (সা)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আমার এ ওযুর মত ওযু করবে, অতঃপর দু'রাকাত নামায আদায় করবে, যাতে তার মনে মনে কথা বলবে না, তাহলে তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। (অপর এক বর্ণনায় আছে, তার এ দু'রাকাত নামায এবং গতকালের নামাযের মধ্যে যত গুনাহ হয়েছে সব মাফ করে দেয়া হবে।)
(বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।)
(বুখারী ও মুসলিম কর্তৃক বর্ণিত।)
كتاب الطهارة
(5) باب في صفة وضوء النبي صلى الله عليه وآله وسلم وفيه فصول
(الفصل الأول فيما روى في ذلك عن عثمان بن عفان رضي الله عنه)
(الفصل الأول فيما روى في ذلك عن عثمان بن عفان رضي الله عنه)
(220) عن حمران (1) (بن أبانٍ) قال دعا عثمان رضي الله عنه بماء وهو على المقاعد (2) فسكت على يمينه فغسلها (وفي روايةٍ فأفرغ على يديه ثلاثاً فغسلهما) ثمَّ أدخل يمينه في الإناء فغسل كفَّيه ثلاثًا ثمَّ غسل وجهه ثلاث مرار ومضمض (3) واستنشق واستنثر وغسل ذراعيه إلى المرفقين ثلاث مرَّات ثم مسح برأسه (وفي روايةٍ وأمرَّ بيديه على ظاهر أذنيه ثمَّ مرَّ بهما على ظاهر لحيته) ثم غسل رجليه إلى الكعبين ثلاث مرارٍ ثمَّ قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من توضَّأ نحو وضوئي هذا ثمَّ صلَّى ركعتين لا يحدِّث نفسه فيهما غفر له ما تقدَّم من ذنبه (وفي رواية غفر له ما كان بينهما وبين صلاته بالأمس)
তাহকীক: