মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ২১৯
পবিত্রতা অর্জন
তৃতীয় অনুচ্ছেদ: রূপচর্চা ও ভাল কাজ সবগুলো ডান দিক থেকে আরম্ভ করা মুস্তাহাব
(২১৯) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, যখন তোমরা কাপড় পরবে এবং যখন ওযু করবে তখন তোমরা তোমাদের ডান দিক থেকে আরম্ভ করবে।
[ইবন্ মাজাহ, আবূ দাউদ, ইবন খুযাইমা, ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ।]
[ইবন্ মাজাহ, আবূ দাউদ, ইবন খুযাইমা, ইবনে হিব্বান ও বাইহাকী কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ।]
كتاب الطهارة
الفصل الثالث في استحباب البداءة باليمين في كل ما كان من باب التكريم والتزيين
(219) عن أبي هريرة رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا لبستم وإذا توضَّأتم فابدؤا بأيامنكم، وقال أحمد (1) بميامنكم.
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীছে নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওযু করার বেলায় শুরুটা করতে বলেছেন ডানদিক থেকে। ওযূ একটি মর্যাদাকর কাজ। এর দ্বারা শরীরের অপবিত্রতা দূর হয়। ফলে বান্দা কুরআন মাজীদ স্পর্শ করতে পারে, নামায পড়তে পারে ও তাওয়াফ করতে পারে। ওযূর দ্বারা শারীরিক পবিত্রতা অর্জনের পাশাপাশি রূহানী পবিত্রতাও অর্জিত হয়। কেননা এর দ্বারা গুনাহ মাফ হয়। গুনাহ রূহানী অপবিত্রতা। মোটকথা ওযু অত্যন্ত ফযীলতের একটি কাজ। তাই এ কাজ ভাবগাম্ভীর্য ও আদবের সঙ্গে করা বাঞ্ছনীয়। সেজন্যই ওযূর অঙ্গসমূহ ধোওয়ার সময় ডানদিককে প্রাধান্য দেওয়া চাই। যেমন হাত ধোওয়ার সময় ডান হাত আগে ধোওয়া ও পা ধোওয়ার সময় ডান পা আগে ধোওয়া। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিজের আমলও এরকমই ছিল এবং তিনি আমাদেরকেও এরকমই করতে বলেছেন।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. ওযূতে হাত ধোওয়ার সময় আগে ডান হাত এবং পা ধোওয়ার সময় আগে ডান পা ধোওয়া সুন্নত।
হাদীস থেকে শিক্ষণীয়ঃ
ক. ওযূতে হাত ধোওয়ার সময় আগে ডান হাত এবং পা ধোওয়ার সময় আগে ডান পা ধোওয়া সুন্নত।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ রিয়াযুস সালিহীন (অনুবাদ- মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম হাফি.)