মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

২. ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১০৮ টি

হাদীস নং: ১০২
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৮৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০২) ইবন্ মাস'উদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ) থেকে পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন, তবে তাঁর বর্ণনায়— (إن الدين) -এর পরিবর্তে (إن الإسلام) শব্দটি এসেছে এবং للغرباء-এরপর অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে- "قيل: ومن الغرباء؟ قال: " النزاع من القبائل" (অর্থাৎ জিজ্ঞেস করা হলো, গরীব কারা? তিনি বললেন, স্বীয় গোত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যারা তারা। (মুসলিম)
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(102) وعن ابن مسعود رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم (بلفظ) إن الإسلام فذكر مثله وزاد قيل ومن الغرباء قال النزاع 2 من القبائل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৮০২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০৩) আলকামা মুযানী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমাকে এক লোক বলেন, আমি উমর উবন খাত্তাব (রা)-এর মজলিসে উপস্থিত ছিলাম। উমর (রা) গোত্রের একজনকে লক্ষ্য করে বললেন, হে অমুক! বলতো, তুমি রাসূল (ﷺ)-কে আল-ইসলামের সংজ্ঞা কীরূপ দিতে শুনেছ? লোকটি জবাব দিলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, নিশ্চয় ইসলাম সূচনা লাভ করেছে শিশু অবস্থায়। (শূন্য থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত), এরপর কিশোর অবস্থায় (ছয় বছর পর্যন্ত), এরপর 'রুবায়ী' বা সপ্তম বর্ষীয়। এরপর অষ্টম বর্ষীয় এবং সর্বশেষে নবম বর্ষীয় অবস্থায় (অর্থাৎ পূর্ণাঙ্গরূপে)। হযরত উমর (রা) বললেন, পূর্ণতার পর তো পতনের শুরু। (এ হাদীসটি অন্য কোন গ্রন্থে পাওয়া যায় নি, এর সনদেও একজন অজ্ঞাত রাবী আছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(103) وعن علقمة المزني قال حدثني رجل قال كنت في مجلس عمر
ابن الخطاب بالمدينة فقال لرجل من القوم يا فلان كيف سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينعت الإسلام قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول إن الإسلام بدا جذعا 1 ثم ثنيا ثم رباعيا ثم سداسيا ثم بازلا فقال عمر فما البزول إلا النقصان 2
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯১৮ - ১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০৪) কুরয বিন আলকামা আল-খুযায়ী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) এক বেদুঈন জিজ্ঞেস করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ), ইসলামের কি কোন শেষ পরিণতি আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন আল্লাহ তা'আলা আরব অথবা আজমের কোন পরিবার পরিজনের কল্যাণ ইচ্ছা করেন, তখন তাদের মধ্যে ইসলাম প্রবেশ করিয়ে দেন। বেদুঈন বললো, এরপর কী, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! রাসূল (ﷺ) বললেন, এরপর শুরু হবে ফিনা, কাল সাপের ন্যায়। বেদুঈন বললো, কখনও না। (অন্য বর্ণনায়- আল্লাহর শপথ! কখনও না ইনশাআল্লাহ)। নবী করীম (ﷺ) বলেন, হ্যাঁ, যার হাতে আমার প্রাণ, সেই সত্তার শপথ! তোমরা অবশ্যই সেই কালসাপের যুগে প্রত্যাবর্তন করবে, যেখানে একজন অপরজনের ঘাড় মটকে দেবে।
(দ্বিতীয় বর্ণনায় এরূপই এসেছে) তবে এখানে يضرب بعضكم এরপর رقاب بعض অতিরিক্ত আছে, অর্থাৎ সুফিয়ান আমাকে পড়ে শোনান। যুহরী বলেন, أساود صبا হচ্ছে কাল বিষাক্ত সৰ্প যা দংশন করে।
(তৃতীয় বর্ণনায় অনুরূপ বক্তব্যই এসেছে। তবে এতে অতিরিক্ত যুক্ত হয়েছে- আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন, ঐ দুঃসময়ে সেই ব্যক্তি হবেন সর্বোত্তম, যে মু'মিন গোত্র থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করবে আর আল্লাহকে ভয় করবে, এবং মানুষকে পরিত্যাগ করবে অনিষ্টের আশঙ্কায়। (হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। তবে এ হাদীসটির সনদ উত্তম।)
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(104) وعن كرز بن علقمة الخزاعي رضي الله عنه قال قال أعرابي يا رسول الله هل للإسلام من منتهى قال نعم أيما أهل بيت من العرب أو العجم أراد الله عز وجل بهم خيرا أدخل عليهم الإسلام قال ثم ماذا يا رسول الله قال ثم تقع فتن كأنها الظلل 3 قال الأعرابي كلا (وفي رواية كلا والله إن شاء الله) قال النبي صلى الله عليه وسلم بلى والذي نفسي بيده لتعودن فيها أساود 4 صبا يضرب بعضكم رقاب بعض
(وعنه من طريق ثان بنحوه) 5 وفيه بعد قوله يضرب بعضكم رقاب بعض وقرأ علي سفيان قال
الزهري أساود صبا قال سفيان الحية السوداء تنصب أي ترتفع
(وعنه من طريق ثالث بنحوه 1) وزاد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وأفضل الناس يومئذ مؤمن معتزل في شعب من الشعاب يتقي ربه تبارك وتعالى ويدع الناس من شره
হাদীস নং: ১০৫
আন্তর্জাতিক নং: ২২১৬০
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০৫) আবূ উমামা আল-বাহিলী (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, ইসলামের রশি একটা একটা করে ছিঁড়ে যাবে, অর্থাৎ ইসলামের বিধান একটা একটা করে ছেড়ে দেয়া হবে। যখনই কোন একটি রশি ছিঁড়ে যাবে, তখনই মানুষ এর পরবর্তী রশি আঁকড়ে ধরবে। সর্বপ্রথম ছিড়ে যাবে 'হুকুম' বা ইসলামী শাসন ব্যবস্থা। আর সর্বশেষ ছিড়ে পড়বে সালাত। (ইবন হাব্বান হাকিম, হাকিম বলেন, হাদীসটি সনদ সহীহ্।)
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(105) وعن أبي أمامة الباهلي رضي الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لينقضن 2 عرى الإسلام عروة عروة فكلما انتقضت عروة تشبث 3 الناس بالتي تليها وأولهن نقضا الحكم وآخرهن الصلاة
হাদীস নং: ১০৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৮০৩৯
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০৬) ইবন ফাইরুয আল-দাইলামী তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ইসলাম একটু একটু করে অবশ্য সংকুচিত হবে। যেমন রশি সংকুচিত হয় পাঁকের মাধ্যমে শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে। (এ হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(106) وعن ابن 4 فيروز الديلمي عن أبيه (رضي الله عنه) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لينقضن الإسلام عروة عروة كما ينقض 5 الحبل قوة قوة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৬৭৯
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১২) পরিচ্ছেদঃ যে সময় ঈমান দুর্বল হয়ে পড়বে
(১০৭) আব্দুল্লাহ ইবন্ বুসার (রা) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আমি দীর্ঘ দিন পূর্বে একটি হাদীস শুনেছি, যখন তুমি বিশ জনের একটা দলে থাকবে অথবা তার কম বা বেশী লোকের মধ্যে থাকবে, তখন তাদের মুখের দিকে তাকাবে। তখন যদি তাদের মধ্যে এমন কোন লোক দেখতে না পাও যাকে আল্লাহ্ ওয়াস্তে ভয় করা হয়, তখন বুঝতে হবে যে, ঈমান দুর্বল হয়ে পড়েছে। (হাকিম, তিনি হাদীসটি সহীহ্ বলে মন্তব্য করেন । যাহাবী তাঁর বক্তব্য
كتاب الإيمان والإسلام
(12) باب في الوقت الذي يضمحل فيه الإيمان
(107) وعن عبد الله بن بسر رضي الله عنه قال سمعت حديثا منذ زمان، إذا كنت في قوم عشرين رجلا أو أقل أو أكثر فتصفحت في وجوههم فلم تر فيهم رجلا يهاب 1 في الله فاعلم أن الأمر قد رق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৮
আন্তর্জাতিক নং: ২৩২৫৫
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১৩) পরিচ্ছেদঃ ঈমান ও আমানত উঠে যাওয়া প্রসঙ্গে
(১০৮) হুযাইফা ইবন আল ইয়ামান (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) আমাকে দু'টি বিষয় সম্বন্ধে বলেছেন। আমি তার একটি দেখেছি অপরটির জন্য অপেক্ষা করছি। তিনি আমাকে বলেছেন, আমানত লোকদের অন্তরের অন্তঃস্থলে অবতীর্ণ হয়। অতঃপর আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়। তখন লোকেরা আল-কুরআনের জ্ঞান এবং সুন্নাহর জ্ঞান অর্জন করে। অতঃপর আমাদেরকে আমানত উঠে যাওয়া প্রসঙ্গে বলেন। কোন লোক ঘুমিয়ে পড়ে তখন তার অন্তর হতে আমানত তুলে নেয়া হয়। তখন তার প্রভাব থাকে কেবল ফোস্কার প্রভাবের মত। যেমন তোমার পায়ের উপর কোন জ্বলন্ত অঙ্গার ফেললে তখন তাতে উঁচু ফোস্কা দেখতে পাও। অথচ তাতে তেমন কিছু নেই। অতঃপর কিছু পাথর নিলেন তারপর তা তার পায়ের উপর ফেললেন, তিনি আরও বলেন এমতাবস্থায় লোকেরা বেচা-কেনা করবে। কিন্তু কেউ আমানত আদায় করবে না। এমন এক পর্যায়ে উপনীত হবে যে, তখন বলা হবে অমুক গোত্রে একজন আমানতদার লোক আছেন এবং সে লোকটাকে বলা হবে লোকটি না কতই কঠিন, বুদ্ধিমান, কতই না জ্ঞানী । অথচ তার অন্তরে সরিষা পরিমাণ ঈমানও নেই। (হুযাইফা বলেন, আমি এমন এক সময়ে উপনীত যে, এখন আমি আমার পরোয়া নেই। যদি সে মুসলমান হয় তাহলে তার দীন তাকে আমার হক আদায় করতে বাধ্য করবে। আর খ্রিস্টান বা ইহুদী হয় তাহলে তার শাসক আমার হক আদায় করতে বাধ্য করবে। তবে বর্তমানে আমি তোমাদের মধ্যে অমুক অমুক ছাড়া আর কারো সাথে বেচা-কেনা করবো না। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী ও ইবন্ মাজাহ্
كتاب الإيمان والإسلام
(13) باب فيما جاء في رفع الأمانة والإيمان
(108) عن حذيفة بن اليمان رضي الله عنه قال حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثين قد رأيت أحدهما وأنا انتظر الآخر، حدثنا أن الأمانة 2 نزلت في جذر 3 قلوب الرجال ثم نزل القرآن فعلموا من القرآن وعلموا من السنة ثم حدثنا عن رفع الأمانة فقال ينام الرجل النومة فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها مثل أثر الوكت 4 فتقبض الأمانة من قلبه فيظل أثرها
مثل أثر المجل 1 كجمر دحرجته على رجلك فتراه منتبرا 2 وليس فيه شيء قال ثم أخذ حصى فدحرجه على رجله قال فيصبح الناس يتبايعون 3 لا يكاد أحد يؤدي الأمانة حتى يقال إن في بني فلان رجلا أمينا حتى يقال للرجل ما أجلده وأظرفه وأعقله وما في قلبه حبة من خردل من إيمان ولقد أتى 4 علىّ زمان وما أبالي أيكم بايعت لئن كان مسلما ليردنه عليّ دينه ولئن كان نصرانيا أو يهوديا ليردنه علي ساعيه فأما اليوم فما كنت لأبايع منكم إلا فلانا وفلانا
হাদীস নং: ১০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৩৭৩০ - ১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (১৩) পরিচ্ছেদঃ ঈমান ও আমানত উঠে যাওয়া প্রসঙ্গে
(১০৯) আব্দুল্লাহ অর্থাৎ ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ইসলামের চাক্কি পাঁচটি জিনিসের উপর ঘুরবে। (অপর এক বর্ণনায় আছে পঁয়ত্রিশটি বা ছত্রিশ বা সাঁইত্রিশ বছর পর্যন্ত (সুস্থ ও অটুট) থাকবে। (অর্থাৎ ইসলামের অগ্রযাত্রা অটুট থাকবে।) এর মধ্যে যারা মারা যাবে তারা ইতিপূর্বে যারা মারা গেছে তাদের পথ অনুসরণ করবে, আর যদি তারা তাদের দীন কায়েম করে তাহলে তা সত্তর বছর পর্যন্ত কায়েম থাকবে । তিনি (ইবন মাসউদ) বলেন, আমি বললাম, তা কি অতীতের বছরগুলো থেকে হবে নাকি যা ভবিষ্যতে বাকি আছে তা থেকে? তিনি (নবী (ﷺ)) বলেন, ভবিষ্যত থেকে।
(দ্বিতীয় এক সূত্রে তার থেকে বর্ণিত আছে।) তিনি নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন, তবে তিনি তাতে আরও বলেন, তখন উমর (রা) তাঁকে বললেন, হে আল্লাহ্ রাসূল! তা কি অতীত থেকে নাকি ভবিষ্যৎ থেকে? তিনি বলেন ভবিষ্যৎ থেকে।
(তাঁর থেকে তৃতীয় এক সূত্রে বর্ণিত আছে।) তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন ইসলামের চাক্কি পঁয়ত্রিশ বছর বা ছত্রিশ বছর অথবা সাঁইত্রিশ বছর পর্যন্ত সঠিকভাবে অগ্রসর হতে থাকবে। এতে যদি মারা যায় তাহলে যারা ইতিপূর্বে মারা গেছেন তাদের পথ অনুসরণ করবে। আর যদি তাদের দীন কায়েম হয় তাহলে তা সত্তর বছর পর্যন্ত কায়েম থাকবে। তখন উমর (রা) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তা কি অতীত সমেত না কি ভবিষ্যত সহ? তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ থেকে। (হাদীসটি কিছু পরিবর্তনসহ আবূ দাউদ তায়ালিসী বর্ণনা করেছেন, এ হাদীসের সনদের রাবীগণ সকলেই নির্ভরযোগ্য)।
كتاب الإيمان والإسلام
(13) باب فيما جاء في رفع الأمانة والإيمان
(109) وعن عبد الله (يعني بن مسعود رضي الله عنه) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال تدور رحى 1 الإسلام بخمس (وفي رواية على رأس خمس) وثلاثين أو ست وثلاثين أو سبع وثلاثين فإن يهلكوا فسبيل من قد هلك وإن يقم لهم دينهم يقم لهم سبعين عاما قال قلت أَمِمَّا مضى أم مما بقي
(وعنه أيضا من طريق ثانٍ) 2 عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله إلا أنه قال فقال
له عمر 1 يا رسول الله ما مضى أم ما بقي قال ما بقي
(وعنه أيضا من طريق ثالث) 2 قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن رحى الإسلام ستزول 3 بخمس وثلاثين أو ست وثلاثين أو سبع وثلاثين فإن يهلكوا فكسبيل من هلك وإن يقم لهم دينهم يقم لهم سبعين عاما قال عمر يا رسول الله أبما مضى أم بما بقي قال بل بما بقي
...
tahqiq

তাহকীক: