মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

২. ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১০৮ টি

হাদীস নং: ৪২
আন্তর্জাতিক নং: ২১৭৩৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৪২) আবূদ দারদা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহকে সর্বশক্তিমান মনে করো, তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দেবেন। ইবন্ ছাওবান (একজন বর্ণনাকারী) বলেন, অর্থাৎ তোমরা ইসলাম কবুল কর। (তিবরানী আবূ ইয়ালা। সুয়ূতী জামেউস্ সাগীরে” হাদীসটি হাসান হবার প্রতীক ব্যবহার করেছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(42) وعن أبي الدرداء رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أجلوا الله يغفر لكم قال ابن ثوبان (أحد الرواة) يعني أسلموا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ২১০৭
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৩) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, আল্লাহর নিকট প্রিয়তম দীন কোনটি? তিনি বললেন, “আল-হানাফিয়্যাহ আল-সামহা” অর্থাৎ আল-ইসলাম, (যাকে ‘মিল্লাতে ইবরাহীম’ বলেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।) (তিবরানী, বাযযার ও অন্যান্য এবং ইমাম বুখারী আদাবুল মুফরাদ নামক গ্রন্থে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(43) عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قيل لرسول الله صلى الله عليه وسلم أى الأديان أحب الى الله قال الحنيفية (1) السمحة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ২০৬৬৯
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৪) গাদিরা ইবন্ উরওয়াহ আল্ ফুকাইমী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা (একদা) রাসূল (ﷺ)-এর (সাক্ষাতের) জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তিনি বের হলেন কেশ বিন্যস্ত (আঁচড়ানো অবস্থায়)। তাঁর মাথা থেকে ওষু অথবা গোসলের পানির (বিন্দু বা ফোঁটা) ঝরছিল, তারপর তিনি সালাত আদায় করলেন, যখন সালাত আদায় শেষ হল তখন লোকজন তাঁকে প্রশ্ন করলোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের জন্য এই বিষয়ে (দীনের কোন বিষয়ে) কাঠিন্য আছে কী? রাসূল (ﷺ) বললেন, হে লোক সকল নিশ্চয় আল্লাহর দীন সরল সহজের মধ্যে (এতে কঠিন কিছু নেই)। তিনি তিনবার এ কথাটি উচ্চারণ করলেন। (তিবরানী ও আবূ ইয়া'লা)
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(44) وعن غاضرة بن عرروة الفقيمي حدثني أبي عروة رضى الله عنه قال كنا ننتظر النبى صلى الله عليه وسلم فخرج رجلا (2) يقطر رأسه من وضوء أو غسل فصلى فلما قضى الصلاة جعل الناس يسألونه يا رسول الله أعلينا حرج في كذا
فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أيها الناس ان دين الله عز وجل في يسر ثلاثا يقولها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ২৩৮১৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৫) মিকদাদ বিন আল-আসওয়াদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি ভূপৃষ্ঠে এমন কোন মাটির তৈরী গৃহ কিংবা তাঁবু গৃহ অবশিষ্ট থাকবে না, যাতে আল্লাহ তাআলা ইসলামের কালেমা প্রবেশ করাবেন না অর্থাৎ গ্রামে-গঞ্জে অথবা শহরে-বন্দরে ধনী কিংবা দরিদ্র প্রত্যেকের গৃহে ইসলামের দাওয়াত আল্লাহ পৌঁছানোর দায়িত্ব নিয়েছেন; (তবে সেই দাওয়াত কে কীভাবে গ্রহণ করবে, তা তার নিজস্ব ব্যাপার)। সম্মানীর জন্য সম্মানিত পন্থায় এবং লাঞ্ছিতের জন্য লাঞ্ছনাপূর্ণ পন্থায়। (এ দীন দ্বারা) আল্লাহ তাদেরকে সম্মানিত করবেন, ফলে তারা এ দীনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে । অথবা আল্লাহ তা'আলা এ দীন দ্বারা তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন, ফলে তারা এর অনুগত হতে বাধ্য হবে । (হাকিম, তিবারানী ও বায়হাকী)
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(45) وعن المقداد بن الأسود رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يبقى على ظهر الأرض بيت مدر (1) ولا وبر الا أدخله الله كلمة الاسلام بعز عزيز أو ذل ذليل اما يعزهم الله عز وجل فيجعلهم من أهلها أو يذلهم فيدينون لها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৬৯৫৭
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৬) তামীম আদ-দারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, দিবস ও রজনীর ন্যায় আল্লাহ তা'আলা এই দীনকে অবশ্যই সর্বত্র পৌঁছিয়ে দেবেন। আল্লাহপাক এমন কোন মাটির ঘর কিংবা চামড়ার তৈরী তাঁবু ঘর বাদ রাখবেন না, যেখানে এই দীনকে প্রবেশ করানো হবে না। সম্মানিতের জন্য সম্মানিত পন্থায় এবং লাঞ্ছিতের জন্য লাঞ্ছনাময় পন্থায়। সম্মানিতকে আল্লাহ পাক ইসলাম গ্রহণের মাধ্যমে সম্মানিত করেন; আর লাঞ্ছিতকে কুফরীর মাধ্যমে লাঞ্ছিত করেন।
তামীম আল-দারী (রা) বলেন, এ বিষয়টির সত্যতা আমি আমার আত্মীয়-পরিজনের মধ্যে লক্ষ্য করেছি। (তাদের মধ্যে) যারা ইসলাম গ্রহণ করেছে তারা কল্যাণ ও মান-সম্মানের অধিকারী হয়েছে; আর যারা কাফির রয়ে গেছে, তাদের জুটেছে লাঞ্ছনা, অসম্মান ও জিযিয়া কর । (হাদীসটি অন্য কোথাও পাওয়া যায়নি, তবে সনদ উত্তম)
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(46) وعن سليم بن عامر عن تميم الداري رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليبلغن هذا الأمر ما بلغ الليل والنهار ولا يترك الله بيت مدر ولا وبر الا أدخله الله هذا الدين بعز عزيز أو بذل ذليل عزا يعز الله به الاسلام أو ذلا يذل الله به الكفر وكان تميم الدارى يقول قد عرفت ذلك في أهل بيتي لقد أصاب من أسلم منهم الخير والشرف والعز
ولقد أصاب من كان منهم كافر الذل والصغار والجزية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ২০৪৫৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৭) আবূ বাকরাহ (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা এই দীনকে শক্তিশালী (বা সাহায্য করবেন এমন সব লোক দ্বারা, যাদের (এই দীনে) কোন অংশীদারিত্ব নেই। (অর্থাৎ এসব লোক এই দীনের মাধ্যমে উপকৃত না হলেও অন্যরা তাদের মাধ্যমে উপকৃত হবে)। (নাসাঈ, তিবরানী ও ইবন্ হাব্বান )
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(47) وعن أبي بكر رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم أنه قال ان الله تبارك وتعالى سيؤيد هذا الدين بأقوام لا خلاق لهم (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ৮০৯০
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৭) পরিচ্ছেদঃ দীন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য এবং আল্লাহর প্রিয়তম ও একমাত্র মনোনীত দীন হিসেবে এর মর্যাদা প্রসঙ্গে। এতে কয়েকটি “অনুচ্ছেদ” রয়েছে

প্রথম অনুচ্ছেদঃ দীন ইসলামের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব
(৪৮) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এই দীনকে কখনো ফাজির-বিদ্রোহী ও গুনাহগার ব্যক্তি দ্বারা শক্তিশালী (বা সাহায্য করবেন। (বুখারী ও মুসলিম)
كتاب الإيمان والإسلام
(7) باب في سماحة ديننا الاسلام والاعتزاز به وأنه أحب الأديان الى الله عز وجل وفيه فصول
الفصل الأول في سماحة الدين الاسلامي والاعتزاز به
(48) وعن أبي هريرة رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله يؤيد هذا الدين بالرجل الفاجر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৫০
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ মুশরিকদেরকে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং তাদের প্রতি বিনম্র আচরণের মাধ্যমে আকৃষ্ট করা প্রসঙ্গে
(৪৯) আনাস বিন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন কোন (মুশরিক) ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর নিকট পার্থিব কোন বস্তুর জন্য আসতো, এবং তা তাকে প্রদান করা হতো । তারপর দিনান্তে ইসলাম হয়ে ওঠতো তার কাছে দুনিয়া এবং তার অভ্যন্তরীণ সামগ্রী থেকে আপন ও প্রিয়তর।
(হাদীসটি অন্য কোথাও পাওয়া যায়নি। তবে এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الثاني في ترغيب المشركين في اعتناق الاسلام وتأليف قلوبهم رحمة بهم
(49) وعن أنس بن مالك رضى الله عنه قال كان الرجل يأتي النبى صلى الله عليه وسلم لشئ يعطاه من الدنيا فلا يمسي حتى يكون الاسلام أحب اليه وأعز عليه من الدنيا وما فيها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৫১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ মুশরিকদেরকে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং তাদের প্রতি বিনম্র আচরণের মাধ্যমে আকৃষ্ট করা প্রসঙ্গে
(৫০) তাঁর (আনাস (রা) থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে কোন জিনিস প্রার্থনা বা চাওয়া হলে, তিনি ইসলামের স্বার্থে দান করে দিতেন। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি এসে প্রার্থনা করলো। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) নির্দেশ দিলেন দুই পাহাড়ের মাঝখানে সাদকার ছাগলের পালের অনেক ছাগল ঐ লোকটিকে দিয়ে দেয়ার জন্য। তারপর লোকটি তার গোত্রে ফিরে যাওয়ার পর গোত্রবাসীকে বললো, হে আমার গোত্রবাসীগণ, তোমরা ইসলাম গ্রহণ কর, মুহাম্মাদ (ﷺ) মুক্ত হস্তে দান করেন, তিনি দারিদ্রকে ভয় পান না। (হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি, তবে সনদ উত্তম।)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الثاني في ترغيب المشركين في اعتناق الاسلام وتأليف قلوبهم رحمة بهم
(50) وعنه أيضا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يكن يسئل شيئا عن الاسلام الا أعطاه قال فأتاه رجل فسأله فأمر له بشاء كثير (2) بين جبلين من شاء
الصدقة قال فرجع الى قومه فقال يا قوم أسلموا فان محمدا صلى الله عليه وسلم يعطي عطاء ما يخشى الفاقة
হাদীস নং: ৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১২০৬১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ মুশরিকদেরকে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং তাদের প্রতি বিনম্র আচরণের মাধ্যমে আকৃষ্ট করা প্রসঙ্গে
(৫১) আনাস (রা) থেকে আরও বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে বললেন, ইসলাম গ্রহণ কর । সে বললো, মন সায় দিচ্ছে না। তিনি বললেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ কর, তোমার মন সাঁয় না দিলেও। (আবূ ইয়ালা ও জিয়া আল মাকদেসী । হাদীসটি সহীহ্)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الثاني في ترغيب المشركين في اعتناق الاسلام وتأليف قلوبهم رحمة بهم
(51) وعنه أيضا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل أسلم قال أجدني كارها قال أسلم وان كنت كارها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫২
আন্তর্জাতিক নং: ২০২৮৭
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদঃ মুশরিকদেরকে ইসলাম গ্রহণে উৎসাহ প্রদান এবং তাদের প্রতি বিনম্র আচরণের মাধ্যমে আকৃষ্ট করা প্রসঙ্গে
(৫২) নসর বিন 'আসিম তাদেরই (গোত্রীয়) জনৈক ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন। সেই ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এসে ইসলাম গ্রহণ করলো এই শর্তে যে, সে দুই সময় সালাত আদায় করবে; আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তার কাছ থেকে এ শর্ত মেনে নেন । (হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الثاني في ترغيب المشركين في اعتناق الاسلام وتأليف قلوبهم رحمة بهم
(52) وعن نصر بن عاصم عن رجل منهم أنه أتى النبى صلى الله عليه وسلم فاسلم على أنه لا يصلي الا صلاتين فقبل منه ذلك
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৬৯৪৮
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদঃ যাঁর হাতে কোন কাফির ইসলাম গ্রহণ করেছে তার মর্যাদা
(৫৩) তামীম আদ-দারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূলের নিকট জানতে চাইলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আহলে কিতাব (এবং অন্য বর্ণনায় আহলে কুফর) দলভুক্ত কেউ যদি মুসলিম দলভুক্ত কোন ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করে তবে এই ব্যক্তির (যার হাতে ইসলাম গ্রহণ করেছে) সুন্নত (মর্যাদা) কি রূপ? রাসূল (ﷺ) বলেন, সেই ব্যক্তি মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম তার জীবনে ও মরণে (অর্থাৎ ইহকাল ও পরকালে সে সম্মানিত থাকবে)। (আব্দুর রাযযাক, মুহাদ্দিসদের বক্তব্য হতে হাদীসটি সহীহ বলে প্রতীয়মান হয়)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الثالث في حكم من أسلم على يده رجل من الكفار
(53) عن تميم الدارى رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله ما السنة في الرجل من أهل الكتاب (وفي رواية من أهل الكفر) يسلم على يدى رجل من المسلمين قال هو أولى الناس بمحياه ومماته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ২২২৩৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ চতুর্থ অনুচ্ছেদঃ আহলে কিতাবদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার জন্য দ্বিগুণ
(৫৪) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন (মক্কা) বিজয়ের দিন আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সওয়ারীর (বাহন) নীচে দণ্ডায়মান ছিলাম (অর্থাৎ লাগাম ধরে অথবা পার্শ্বে দণ্ডায়মান অবস্থায় ছিলাম)। এই সময় তিনি খুব সুন্দর ও আকর্ষণীয় কিছু কথা বললেন। তাঁর সেই কথার মধ্যে এও ছিল যে, আহলে কিতাব (অর্থাৎ ইয়াহুদ ও নাসারাদের) মধ্য থেকে যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব (নির্ধারিত)। এছাড়া আমাদের যা অধিকার সেও তা পাবে এবং আমাদের যা কর্তব্য তার অংশীদারও সে হবে। আর মুশরিকদের মধ্য থেকে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে, সে তার প্রাপ্য (ছওয়াব পাবে (অর্থাৎ একবার) এবং আমাদের যা অধিকার সেও তাই পাবে এবং আমাদের যা কর্তব্য সে তারও অংশীদার হবে। (তাবারানী-এর সনদে ইবন্‌ লাহইয়া নামক একজন বিতর্কিত রাবী আছে।)
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الرابع في أنه من أسلم من أهل الكتاب فله أجره مرتين
(54) عن أبي أمامة رضى الله عنه قال اني لتحت (1) راحلة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قولا حسنا جميلا وكأن فيما قال من أسلم من أهل الكتابين (2) فله أجره مرتين وله ما لنا وعليه ما علينا ومن أسلم من المشركين فله أجره وله ما لنا وعليه ما علينا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৫৩২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ চতুর্থ অনুচ্ছেদঃ আহলে কিতাবদের মধ্যে কেউ ইসলাম গ্রহণ করলে তার জন্য দ্বিগুণ
(৫৫) আবূ মুসা আল-আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেন, যদি কারো কোন ক্রীতদাসী থাকে এবং সে তাকে উত্তম পন্থায় সুশিক্ষা প্রদান করে তাকে শিষ্টাচার শিক্ষা দেয় উত্তম পন্থায়, তারপর তাকে আযাদ করে দিয়ে বিবাহ বন্ধনে আব্দ্ধ করে তাহলে সেই ব্যক্তির জন্য দ্বিগুণ ছওয়াব। (এমনিভাবে) কোন ক্রীতদাস যদি আল্লাহর হক (অধিকার) এবং তার মালিকের হক আদায় করে (সেও দ্বিগুণ হওয়াব পাবে) এবং আহলে কিতাবভুক্ত কোন ব্যক্তি যদি বিশ্বাস স্থাপন করে (ঈমান আনে) যা হযরত ঈসা (আ) নিয়ে এসেছিলেন এবং যা মুহাম্মাদ (ﷺ) নিয়ে এসেছেন (আল্লাহর পক্ষ থেকে) তার প্রতি, তবে তার জন্যও দ্বিগুণ ছওয়াব বা পুরস্কার থাকবে। (বুখারী, মুসলিম ও অনান্য )
كتاب الإيمان والإسلام
الفصل الرابع في أنه من أسلم من أهل الكتاب فله أجره مرتين
(55) وعن أبي موسى الأشعرى رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم قال من كانت له أمة فعلمها فأحسن تعليمها وأدبها فأحسن تأديبها وأعتقها قتزوجها فله أجران وعبد أدى حق الله وحق مواليه ورجل من أهل الكتاب آمن بما جاء به عيسى وما جاء به محمد صلى الله عليه وسلم فله أجران
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৮২৭
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৫৬) আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আল্লাহ (দয়াপরবশ হয়ে) আমার অন্তরে ইসলাম (ইসলামের সাহায্য) ঢেলে দেন। তখন আমি রাসূল (ﷺ)-এর সমীপে বাইয়াত গ্রহণের জন্য আগমন করি । রাসূল (ﷺ) আমার দিকে তাঁর হাত বাড়িয়ে দেন । কিন্তু আমি বললাম, যতক্ষণ আমার পূববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করা না হবে, ততক্ষণ আমি বাইয়াত করবো না। তখন রাসূল (ﷺ) বলেন, হে আমর তুমি কি জান না যে, হিজরত পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহ বিলীন করে দেয়; হে 'আমর তুমি কি জান না, ইসলাম পূর্ববর্তী যাবতীয় গুনাহ্ বিলীন করে দেয়? (মুসলিম, ও সাঈদ ইবন্ মানসুর)
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(56) عن عمرو بن العاص رضى الله عنه قال لما ألقى الله عز وجل في قلبي الاسلام قال أتيت النبى صلى الله عليه وسلم ليبايعني فبسط يده الى فقلت لا أبايعك حتى يغفر لي ما تقدم من ذنبي قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا عمرو
أما علمت أن الهجرة تجب ما قبلها من الذنوب يا عمرو أما علمت أن الاسلام يجب ما قبله من الذنوب
হাদীস নং: ৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৩৫৯৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৫৭) আব্দুল্লাহ ইবন্ মাস'উদ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) আল্লাহর নবী (ﷺ)-এর কাছে এক ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আমি যদি ইসলামে (অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণের পর) সৎকর্ম করি তবে কি জাহিলিয়্যা যুগে আমি যা করেছি (অপকর্ম) তার জন্য শাস্তি প্রদান করা হবে? তিনি বলেন, যদি তুমি ইসলামে (এসে) সৎকর্ম কর তবে তোমার জাহিলিয়্যা যুগের কর্মের জন্য শাস্তি প্রদান করা হবে না, কিন্তু যদি ইসলামে এসে অপকর্ম কর, তবে তোমার প্রথম ও শেষ সব কর্মের জন্য দায়ী করা হবে। (বুখারী, মুসলিম ও ইবন্ মাজাহ)
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(57) وعن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال أتى النبى صلى الله عليه وسلم رجل فقال يا رسول الله اذ أحسنت في الاسلام أؤاخذ بما عملت في الجاهلية؟ قال اذا أحسنت في الاسلام لم تؤاخذ بما عملت في الجاهلية واذا أسأت في الاسلام أخذت بالأول والآخر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৯২৩
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৫৮) সালামা বিন ইয়াযিদ আল জু'আফী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ও আমার ভাই রাসূল (ﷺ)-এর সমীপে গমন করি এবং আমরা বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমাদের মা মুলাইকা জাহিলী যুগে আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন, মেহমানদারী করতেন, ইত্যাদি ইত্যাদি ভাল কাজ করতেন; তিনি জাহিলী যুগে মারা গেছেন। এতে কি তাঁর কোন উপকার হবে? তিনি বললেন, না। আমরা বললাম, (আমাদের মা) আমাদের একটি বোনকে (শিশু অবস্থায়) জীবন্ত কবর দিয়েছিলেন এটা কি তার জন্য কোন উপকারে আসবে? তিনি বললেন, (কন্যা শিশুকে) যে জীবন্ত কবর দেয় সে এবং কবর দেয়া শিশুর মা উভয়ই দোযখবাসী হবে। যদি না সে (যে কবর দিয়েছে) ইসলাম গ্রহণ করে এবং আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। (তিবরানী, হাইছুমী বলেন, আহমদের এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য)*

*যারা এহেন জঘন্যতম অপকর্ম করে তারা তো তাদের অপকর্মের জন্য জাহান্নামী হবে; কিন্তু শিশুর মা জাহান্নামী হবে অপকর্মে সম্মত হওয়ার কারণে। আল্লাহ সর্বোত্তম জ্ঞাত।
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(58) وعن سلمة بن يزيد الجعفي رضى الله عنه قال انطلقت أنا وأخي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلنا يا رسول الله ان أمنا مليكة كانت تصل الرحم وتقرى الضيف وتفعل وتفعل هلكت في الجاهلية فهل ذلك نافعها شيئاً قال
لا قال قلنا فإنها كانت وأدت أختا لنا في الجاهلية فهل ذلك نافعها شيئا قال الوائدة والموؤدة في النار الا أن تدرك الوائدة الاسلام فيعفو الله عنها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৩৮৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৫৯) আদী বিন হাতিম আত্-তায়ী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-এর বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমার পিতা আত্মীয়তার সুসম্পর্ক বজায় রাখতেন এবং আরো আরো ভাল কাজ করতেন (জাহিলী যুগে)। তিনি কি এর জন্য কোন পুরস্কার পাবেন (আল্লাহর নিকট)? তিনি বললেন, তোমার পিতা খ্যাতি অর্জন করতে চেয়েছিল এবং সে তা পেয়েছে। (আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য)
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(59) (59) وعن عدى بن حاتم الطائي رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله ان أبي كان يصل الرحم ويفعل ويفعل فهل له في ذلك شئ من الاجر قال ان أباك طلب أمرا فأصابه (3)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৩১৮
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৬০) হাকিম ইবন হিযাম (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি জাহিলী যুগে কিছু ভাল কাজ করতাম, যেমন দাস মুক্তি, আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা (ইত্যাদি); তো এতে কি আমার জন্য কোন পুরস্কার আছে? তখন রাসূল (ﷺ) বলেন, তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ তোমার পূর্ববর্তী সব সৎকর্মসমেত। (বুখারী ও মুসলিম)
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(60) وعن حكيم بن حزام رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله أرأيت أمورا كنت أتحنث (4) بها في الجاهلية من عتاقة وصلة رحم هل لي
فيها أجر فقال له النبى صلى الله عليه وسلم أسلمت على ما أسلفت من خير (1)
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৪৩২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৮) পরিচ্ছেদঃ ইসলাম ও হিজরত পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ বিলীন করে দেয়, ইসলাম গ্রহণের পর জাহিলিয়্যা যুগের কুকর্মের এবং কাফিরের অপকর্মের শাস্তি হবে কি না সে প্রসঙ্গে
(৬১) আমর বিন 'আবাসা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা) একজন অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি তার লাঠিতে ভর দিয়ে রাসূলের সমীপে হাযির হয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আমার (অতীতে) কিছু বিশ্বাসঘাতকতা ও বড় ধরনের গুনাহ আছে, আমার জন্য তা কি ক্ষমা করা হবে? রাসূল (ﷺ) বললেন, আপনি কি 'লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-এর সাক্ষ্য প্রদান করেন না? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং আমি আরও সাক্ষ্য দেই যে, আপনি আল্লাহর রাসূল। রাসূল (ﷺ) বললেন, আপনার সেই বিশ্বাসঘাতকতা ও অন্যান্য গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়েছে। (তিবরানী-এর সনদ উত্তম)
كتاب الإيمان والإسلام
(8) باب في كون الاسلام يجب ما قبله من الذنوب وكذا الهجرة وهل يؤاخذ باعمال الجاهلية وبيان حكم عمل الكافر اذا أسلم بعده
(61) وعن عمرو بن عبسة رضى الله عنه قال جاء رجل الى النبى صلى الله عليه وسلم شيخ كبير يدعم (2) على عصالة فقال يا رسول الله ان لي غدرات وفجرات (3) فهل يغفر لي قال ألست تشهد أن لا اله الا الله قال بلى وأشهد أنك رسول الله قال قد غفر لك غدراتك وفجراتك
tahqiq

তাহকীক: