মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

২. ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১০৮ টি

হাদীস নং: ২২
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৭৮৯
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ইসলামের রুকন এবং এর বৃহৎ খুঁটিসমূহ প্রসঙ্গে
(২২) যিয়াদ বিন নুআঈম আল-হাদরামী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, চারটি বিষয় আল্লাহপাক ইসলামে ফরয করেছেন, যে কেউ যদি (তন্মধ্যে) তিনটি দখল করে, তবে তা তার কোন কাজে আসবে না, যতহ্মণ না সে ঐ সবগুলো পালন করবে। (সেগুলো হচ্ছে) সালাত, যাকাত, রমযানের সিয়াম ও বায়তুল্লাহর হজ্ব। (তিবরানী; এ হাদীসের একটি সূত্রও পূর্ণ নির্ভরযোগ্য নয়।)
كتاب الإيمان والإسلام
(4) باب في أركان الاسلام ودعائمه العظام
(22) وعن زياد بن نعيم الحضرمى (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأربع فرضهن الله في الاسلام فمن جاء بثلاث لم يغنين عنه شيئا حتى يأتي بهن
جميعا الصلاة والزكاة وصيام رمضان وحج البيت
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৭৫৮
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ইসলামের রুকন এবং এর বৃহৎ খুঁটিসমূহ প্রসঙ্গে
(২৩) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, নিশ্চয় নবী করীম (ﷺ) বলেছেন কোন বান্দা মু’মিন হবে না যতহ্মণ না সে চারটি বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করবে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল, তিনি আমাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন।মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে (যতহ্মণ না) বিশ্বাস স্থাপন করবে এবং তাকদীরে বিশ্বাস স্থাপন করবে।
(একই বর্ণনাকারী থেকে অন্য বর্ণনায় আছে)
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোন বান্দা মু’মিন হবে না চারটি বিষয়ে বিশ্বাস স্থাপন করা ব্যতীত।বিশ্বাস স্থাপন করবে
আল্লাহর উপর এবং বিশ্বাস স্থাপন করবে এমর্মে যে, আল্লাহ আমাকে সত্যের সাথে প্রেরণ করেছেন, বিশ্বাস স্থাপন করবে মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে এবং বিশ্বাস স্থাপন করবে তাকদীরে ভাল কিংবা মন্দ যা-ই হোক। (তাবরানী)
كتاب الإيمان والإسلام
(4) باب في أركان الاسلام ودعائمه العظام
(23) وعن على رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم أنه قال لا يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع حتى يشهد أن لا اله الا الله وأني رسول الله بعثني بالحق وحتى يؤمن بالبعث بعد الموت وحتى يؤمن بالقدر
(وعنه بلفظ آخر) (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لن يؤمن عبد حتى يؤمن بأربع يؤمن بالله وأن الله بعثني بالحق ويؤمن بالبعث بعد الموت ويؤمن بالقدر خيره وشره
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৪
আন্তর্জাতিক নং: ২১৯৫২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ইসলামের রুকন এবং এর বৃহৎ খুঁটিসমূহ প্রসঙ্গে
(২৪) আস-সুদূসিয়্যু অর্থাৎ ইবন্ আল-খাসিয়্যা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট ‘বাইআত’ হওয়ার জন্য আসলাম।তিনি আমাকে (কয়েকটি বিষয়ে) শর্ত দিলেন তা হচ্ছে; আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল এই সাহ্ম্য দেবো; সালাত কায়েম করবো; যাকাত আদায় করবো; ইসলামের রীতি অনুসারে হজ্ব পালন করবো, রমযানের সিয়াম পালন করবো এবং আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবো।তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, (এ বিষয়গুলোর মধ্যে) দু’টি পালন করার সাধ্য আমার নেই; জিহাদ ও সাদ্কা (যাকাত)।কারণ সবাই মনে করে থাকে যুদ্ধহ্মেত্র থেকে যে পলায়ন করবে, সে আল্লাহর রোষানলে পতিত হবে।সুতরাং আমার আশঙ্কা যদি আমি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করি, তবে আমি ভীত-বিহ্বল হয়ে পড়বো এবং আমার মৃত্যু হবে, যা আমি চাই না, আর সাদ্কা (যাকাত)! আল্লাহর শপথ, আমার তো সামান্য ক’টা ছাগল আর গোটা দশেক উট (বাচ্চা উট) রয়েছে যা আমার পরিবারের সম্বল ও বাহন।অতঃপর রাসূল (ﷺ) তাঁর হাত ধরলেন এবং নাড়াচাড়া করলেন, আর বললেন ও (বুঝেছি), জিহাদ নয় সাদ্কাও নয়; তো তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে কী জন্য? (অর্থাৎ এ দু’টি ছাড়াই তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে তা কি কখনও হতে পারে?) তখন আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি (সব শর্ত মেনে নিয়ে) আপনার হাতে বাইআত হবো এবং আমি এসব বিষয়ের উপর বাইআত’ করলাম। (আহমদ ও তিবরানী, আহমদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الإيمان والإسلام
(4) باب في أركان الاسلام ودعائمه العظام
(24) وعن السدوسي يعني ابن الخصاصية رضى الله عنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبايعه فاشترط على شهادة أن لا اله الا الله وأن محمدا عبده ورسوله وأن أقيم الصلاة وأن أؤدي الزكاة وأن أحج حجة الاسلام وأن أصوم شهر رمضان وأن أجاهد في سبيل الله فقلت يا رسول الله أما أثنتان فوالله ما أطيقهما الجهاد والصدقة فانهم زعموا أن من ولى الدبر فقد باء بغضب من الله فأخاف ان حضرت تللك جشعت (2) نفسي وكرهت الموت
والصدقة فو الله مالي الأغنيمة (1) وعشر ذود (2) هن رسل أهلي وحمولتهم قال فقبض رسول الله صلى الله عليه وسلم يده ثم قال فلا جهاد ولا صدقة فلم تدخل الجنة اذا قال قلت يا رسول الله أنا أبايعك قال فبايعت عليهن كلهن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৫
আন্তর্জাতিক নং: ২০৭১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৪) পরিচ্ছেদঃ ইসলামের রুকন এবং এর বৃহৎ খুঁটিসমূহ প্রসঙ্গে
(২৫) ইবন্ আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত তাঁকে; রাসূল (ﷺ) যখন মুআয ইবন্ জাবাল (রা)-কে ইয়ামেন প্রেরণ করেন তখন তাকে বলেন, তুমি আহলে কিতাবদের সম্প্রদায়ে (ইয়াহুদী-নাসারাদের মাঝে) গমন করছ।সুতরাং তুমি (প্রথমে) তাদেরকে দাওয়াত দিবে এই সাহ্ম্যের প্রতি যে, আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল।যদি তারা এ বিষয়ে তোমার অনুসরণ করে তবে তুমি তাদেরকে জানিয়ে দেবে যে, আল্লাহ তাদের উপর প্রতি দিন রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন যা তাদের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সম্পদ থেকে আদায় করে তাদের দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হবে।এতে যদি তারা তোমার অনুসরণ করে, তাহলে, সাবধান, তাদের সম্পদের উত্তম অংশটি থেকে (অর্থাৎ জোরপূর্বক যাকাতের জন্য শ্রেষ্ঠতম সম্পদটি না নিয়ে বরং মধ্যম মানের সম্পদ যাকাত হিসেবে লহ্ম্য রাখতে হবে যেন সম্পদের নিকৃষ্টতমটিও না দেয়)।এবং ভয় করবে মজলুমের (নিগৃহীতের) দোয়া (বদদোয়া) থেকে; কেননা মজলুম ও আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা অবশিষ্ট থাকে না, (অর্থাৎ তার দোয়া সর্বদা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে থাঁকে)। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الإيمان والإسلام
(4) باب في أركان الاسلام ودعائمه العظام
(25) وعن ابن عباس رضى الله عنهما أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما بعث معاذ بن جبل الى اليمن قال انك تأتي قوما أهل كتاب فادعهم الى شهادة أن لا اله الا الله وأني رسول الله فان هم أطاعوك لذلك فأعلمهم أن الله عز وجل أفترض عليهم خمس صلوات في كل يوم وليلة فان أطاعوك لذلك فأعلمهم أن الله افترض عليهم الصدقة في أموالهم تؤخذ من أغنيائهم وترد الى فقرائهم فان أطاعوك لذلك فاياك وكرائم أموالهم (#) واتق دعوة المظلوم فانها ليس بينها وبين الله حجاب (4)
হাদীস নং: ২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৮৯২৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের শাখা-প্রশাখা ও এর উদাহরণ প্রসঙ্গে
(২৬) আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঈমান হচ্ছে চৌষট্টি দরজাবিশিষ্ট, সর্বোচ্চ ও সর্বোত্তমটি হচ্ছে- লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই) বলা এবং সর্বনিম্নটি হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণ। (বুখারী ও মসলিম)
كتاب الإيمان والإسلام
(5) باب شعب الايمان ومثله
(26) عن أبي هريرة رضى الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الايمان أربعة وستون بابا (1) أرفعها وأعلاها قول لا اله الا الله وأدناها اماطة الأذى عن الطريق
হাদীস নং: ২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৯৩৬১
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের শাখা-প্রশাখা ও এর উদাহরণ প্রসঙ্গে
(২৭) তাঁর (আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরও বর্ণিত, নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ঈমান হচ্ছে সত্তরের অধিক দরজা (এর সমন্বয়ে গঠিত একটি একক)।সর্বোত্তমটি হচ্ছে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং সর্বনিম্নটি হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তুর অপসারণ এবং লজ্জা ঈমানের একটি অংশ বা শাখা। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الإيمان والإسلام
(5) باب شعب الايمان ومثله
(27) وعنه أيضا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الايمان بضع (2) وسبعون بابا أفضلها لا اله الا الله وأدناها اماطة الاذى عن الطريق والحياء شعبة من الايمان
হাদীস নং: ২৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৬৩৪
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৫) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের শাখা-প্রশাখা ও এর উদাহরণ প্রসঙ্গে
(২৮) নাওয়াস বিন সামআন আল-আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ‘সিরাত-ই-মুস্তাকীম’ -এর একটি উপমা বা উদাহরণ দাঁড় করিয়েছেন (এভাবে); সিরাত এরকম যে, এর দু’পাশে রয়েছে দু’টি গুহা; গুহা দু’টির রয়েছে অনেক উন্মুক্ত দরজা; দরজাসমূহে রয়েছে ঝুলন্ত পর্দা, সিরাতের (প্রধান) ফটকে আছেন একজন আহ্বানকারী, যিনি (সর্বদা) আহ্বান করে যাচ্ছেন- হে মানবকুল! তোমার সবাই সিরাতে প্রবেশ কর আর মুখ ফিরিয়ে নিও না।অন্য একজন আহ্বানকারী আছে সিরাতের অভ্যন্তরে, সেও আহ্বান করে যাচ্ছে।
যখন কোন লোক ঐসব দরজা খোলার ইচ্ছা করে তখন (আহ্বানকারী) বলেঃ ধ্বংস হও, দরজা খোলো না, খুললে তাতে তুমি ঢুকে যাবে।
(উপমাতে ব্যবহৃত) ‘সিরাত’ হচ্ছে আল-আসলাম’।গুহা দু‘টি হচ্ছে আল্লাহর হুদূদ বা সীমারেখা।উন্মুক্ত দরজাসমূহ হচ্ছে মাহারিমুল্লাহ বা আল্লাহর হারামকৃত বিষয়সমূহ।সিরাতের শীর্ষে অবস্থানরত দা‘য়ী হচ্ছে আল্লাহ প্রদত্ত ওয়ায়িজ বা নসীহতকারী, যা প্রত্যেক মুসলিমের অন্তরে বিদ্যমান।
(তাঁর (নাওয়াস) থেকেই অন্য বর্ণনায় আছে) তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা সিরাত-ই-মুস্তাকীম’ এর একটি উপমা দাঁড় করিয়েছেন, সিরাতের দুই কিনারে রয়েছে দু’টি গুহা; গুহা দু’টিতে রয়েছে অনেক মুক্ত দরজা।আর দরজার উপর রয়েছে পর্দা এবং একজন দা‘য়ী সিরাতের শীর্ষে থেকে আহ্বান করছেন আর একজন দা‘য়ী এর উপর থেকে আহ্বান করছেন এবং আল্লাহ শান্তির আলয়ের দিকে আহ্বান করেন এবং যাকে চান সিরাত-ই-মুস্তাকীমের দিকে পথ নির্দেশ করেন।
অতএব, সিরাতের দুই কিনারে অবস্থিত দরজাসমূহ হচ্ছে আল্লাহর হুদূদ বা সীমারেখা।এই সীমারেখায় কেউ ততহ্মণ পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে না, যতহ্মণ না আল্লাহর পর্দা খুলে যাবে।আর যে দা‘য়ী উপর থেকে আহ্বান করছে, সেটি হচ্ছে আল্লাহর (পহ্ম থেকে) ওয়ায়িজ বা নসীহতকারী।
(আহমদ আব্দুর রহমান আল-বান্না বলেন, এ হাদীসের সনদ উত্তম, এতদুভয় হাদীস থেকে তিরমিযী দ্বিতীয় হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(5) باب شعب الايمان ومثله
(28) وعن النواس (3) بن سمعان الأنصاري رضي الله عنه عن
رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ضرب الله مثلا صراطا مستقيما وعلى جنبتى (1) الصراط سوران فيهما أبواب مفتحة وعلى الأبواب ستور مرخاة وعلى باب الصراط داع يقول يأيها الناس أدخلوا الصراط جميعا ولا تنفرجوا وداع يدعو من جوف الصراط فاذا أراد يفتح شيئا من تلك الأبواب قال ويحك (2) لا تفتحه فانك ان تفتحه تلجه (3) والصراط الاسلام (4) والسوران حدود الله تعالى والأبواب المفتحة محارم الله تعالى وذلك الداعي على رأس الصراط كتاب الله عز وجل (5) والداعي فوق الصراط واعظ الله في قلب كل مسلم (6)
(وعنه في أخرى) (7) قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله عز وجل ضرب مثلا صراطا مستقيما على كنفي (8) الصراط سوران فيهما أبواب مفتحة وعلى الأباب ستور وداعي يدعو على رأس الصراط وداع يدعو من فوقه والله يدعو الى دار السلام ويهدي من يشاء الى صراط مستقيم فالأبواب التي على
كنفي الصراط حدود الله لا يقع أحد في حدود الله حتي يكشف ستر الله والذي يدعو من فوقه واعظ الله عز وجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ২৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৪১৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(২৯) সুফ্‌ইয়ান ইবন্ আব্দিল্লাহ আল-ছাকাফী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি (একদা) রাসূল (ﷺ)-কে বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আপনি আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন (কিছু) কথা বলুন যা আমি আপনি ভিন্ন আবূ মুআবিয়া বলেন, (এক রাবী) এরপরে কাউকে জিজ্ঞেস করবো না।রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি বল, “আমান্তু বিল্লাহি” (আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি) এবং তাতে মজবুত থাক।
(দ্বিতীয় আরেকটি বর্ণনা ধারায় এসেছে) আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আমাকে এমন একটি বিষয় বলে দিন যদ্বারা আমি আত্মরহ্মা করতে পারবো (অর্থাৎ জাহান্নাম থেকে নিজকে রহ্মা করতে পারবো) তিনি বললেন, তুমি বল, “রাব্বী আল্লাহ” (আমার রব আল্লাহ) এবং এর উপর দৃঢ় থাক।বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! এরপরও কি কোন ভয়ের কারণ আছে যা আপনি আমার ব্যাপারে আশঙ্কা করেন? তখন রাসূল (ﷺ) তাঁর জিহ্বা দেখিয়ে বললেন, “এটি”।(অর্থাৎ ঈমানের দৃঢ়তা এবং মৃক্তির জন্য জিহ্বার হিফাজত করা একান্ত জরুরী)। (মুসলিম, নাসাঈ ও ইবন্ মাজাহ্)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(29) عن سفيان ابن عبد الله الثقفى رضى الله عنه قال قلت يا رسول الله قل لي في الاسلام قولا لا أسأل عنه أحدا غيرك قال أبو معاوية بعدك (1) قال قل آمنت بالله ثم استقم
(ومن طريق ثان) (2) قال قلت يا رسول الله حدثني بأمر أعتصم به قال قل ربى الله ثم استقم قال قلت يا رسول الله ما أخوف ما تخاف على قال فأخذ بلسان نفسه ثم قال هذا
হাদীস নং: ৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৩৬৭২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩০) ইবন্ মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা তোমাদের রিযিক যেমন তোমাদের মধ্যে বণ্টন করেছেন, তেমনি তোমাদের মধ্যে তোমাদের আখলাক ও (স্বভাব ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য)-ও বণ্টন করে দিয়েছেন।আল্লাহ তাআলা দুনিয়া দান করেন যাকে তিনি পছন্দ করেন এবং যাকে পছন্দ করেন না (উভয়কে)।কিন্তু দীন দান করেন কেবল যাকে ভালবাসেন তাকে। সুতরাং যাকে আল্লাহ তাআলা দীন দান করেছেন, তাকে তিনি অবশ্যই ভালবাসেন।আমার জীবনের মালিকের শপথ, কোন বান্দা ততহ্মণ পর্যন্ত মুসলিম হয় না, যতহ্মণ না তার অন্তর ও জিহ্বা মুসলিম (অনুগত) হয় এবং কেউ মু’মিন হয় না যতহ্মণ না তার প্রতিবেশী তার কষ্ট দেওয়া থেকে নিরাপদে থাকে।সাহাবীগণ আরয করলেন, ‘কষ্ট দেওয়া’ কিভাবে হয়? ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! তিনি বললেন, তার জুলুম ও অত্যাচার দ্বারা।
কোন বান্দা যদি হারাম উপায়ে সম্পদ উপার্জন করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে তবে তাতে বরকত দেয়া হয় না, সে তা যদি ‘সাদ্কা’ করে তার সে সাদকা কবূল করা হয় না।আর সে যদি তা রেখে যায় তবে তা তার জন্য জাহান্নামের পাথেয় হয়।(মনে রাকবে) খারাপ বা মন্দকে মন্দ দিয়ে দূর করা যায় না বরং মন্দকে দূর করা যায় ভাল দ্বারা; নিশ্চয় নিকৃষ্টতাকে নিকৃষ্টতা দিয়ে বিলীন করা যায় না। (হাকিম সংহ্মিপ্তাকারে তিনি বলেন এ হাদীসটির সনদ সহীহ।আর যাহবী তাঁর বক্তব্য সমর্থন করেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(30) وعن ابن مسعود رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله قسم بينكم أخلاقكم كما قسم بينكم أرزاقكم وان الله عز وجل يعطي
الدنيا من يحب ومن لا يحب ولا يعطي الدين الا لمن أحب فمن أعطاه الله الدين فقد أحبه والذي نفسي بيده لا يسلم عبد حتى يسلم قلبه ولسانه ولا يؤمن حتى يؤمن جاره بوائقه (1) قالوا وما بوائقه يا نبى الله قال غشمه (2) وظلمه ولا يكتسب عبد مالا حراما فينفق منه فيبارك له فيه ولا يتصدق به فيقبل منه ولا يترك خلف ظهره الا كان زاده الى النار لا يمحو الئ بالسئ ولكن يمحو السئ بالحسن ان الخبيث لا يمحو الخبيث
হাদীস নং: ৩১
আন্তর্জাতিক নং: ২২১৩০
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩১) মুআয বিন জাবল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে একদা) সর্বোত্তম ঈমান সম্পর্কে জিঙ্গেস করেন।রাসূল (ﷺ) বলেন, তুমি ভালবাসবে আল্লাহর জন্যে, ঘৃণা বা রাগ করবে আল্লাহর জন্যে, আর তোমার জিহ্বাকে আল্লাহর স্মরণে কাজে লাগাবে।তা কীভাবে ইয়া রাসূলাল্লাহ? তিনি বললেন, মানুষের জন্য তা-ই পছন্দ করবে যা তোমার নিজের জন্য পছন্দ কর এবং তাদের জন্য তা-ই খারাপ মনে করবে, যা তোমার নিজের জন্য খারাপ মনে কর।(অন্য এক বর্ণনায়) অতিরিক্ত বলা হয়েছে এবং যখন কথা বলবে, ভাল কথা বলবে নতুবা চুপ করে থাকবে।(তিবরানী হাদীসটির সনদ সহীহ নয়।তবে এর বক্তব্য অন্য সহীহ হাদীস দ্বারা সমর্থিত।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(31) وعن معاذ بن جبل رضى الله عنه أنه سأل النبى صلى الله عليه وسلم عن أفضل الايمان قال أن تحب لله وتبغض لله وتعمل لسانك في ذكر الله قال وماذا يا رسول الله قال وأن تحب للناس ما تحب لنفسك وتكره لهم ما تكره لنفسك (زاد في الرواية) (3) وأن تقول خيرا أو تصمت
হাদীস নং: ৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৭৮
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩২) রাসূলের পিতৃব্য আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, ঈমানের স্বাদ গ্রহণ করেছে সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দীন হিসেবে এবং মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে নবী ও রাসূল হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে গ্রহণ করে নিয়েছে।(মুসলিম, ও তিরমিযী, তিনি হাদীসটি সহীহ ও হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(32) وعن العباس بن عبد المطلب رضى الله عنه أنه سمع رسول الله
صلى الله عليه وسلم يقول ذاق طعم الايمان من رضى بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد نبيا ورسولا
হাদীস নং: ৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৫৬৫
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৩) আবূ মুসা আল-আশআরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যিনি কোন নেক কাজ (কল্যাণময়) কাজ করে (মনে মনে) খুশী হন এবং কোন খারাপ বা নিন্দনীয় কাজ করে দুঃখ অনুভব করেন, তিনি মু’মিন।(তাবরানী ও হাকিম।এ হাদীসের সনদের একজন রাবী বিতর্কিত।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(33) وعن أبي موسى الأشعرى رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من عمل حسنة فسر بها وعمل سيئة فسائته فهو مؤمن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৬৯৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৪) আমের বিন রাবী'আ (রা) থেকে অনুরূপ অর্থ ও বক্তব্য সম্বলিত হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(34) وعن عامر بن ربيعة رضى الله عنه عن النى صلى الله عليه وسلم بمعناه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ২২১৫৯
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৫) আবূ উমামা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলো গুনাহ কী ? তিনি বললেন, যখন তোমার অন্তরে কোন বিষয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়, তখন তা বাদ দাও। প্রশ্নকারী বললো, ঈমান কী? তিনি বললেন, যখন তোমার মন্দ কাজ তোমার কাছে পীড়াদায়ক মনে হবে এবং তোমার ভাল কাজ তোমাকে আনন্দিত করবে, তখন তুমি মু'মিন। (ইবন্ হিববান, বায়হাকী ও হাকিম মুনাবী হাদীসটি সহীহ বলে মন্তব্য করেছেন।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(35) وعن أبى أمامة رضى الله-قال سألأ رجل النبى صلى الله عليه وسلم فقال ما الأثم (1) قال اذا حك في نفسك شئ فدعه قال فما الايمان قال اذا ساءتك سيئتك وسرتك حسنتك فأنت مؤمن
হাদীস নং: ৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৪৬
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৬) আনাস বিন মালিক থেকে বর্ণিত রাসূল (ﷺ) বলেছেন আমার জীবনের মালিকের শপথ কোন বান্দা ততক্ষণ পর্যন্ত মু'মিন হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে তার (মু'মিন) ভাইয়ের জন্য তা-ই পছন্দ করবে যা সে নিজের জন্য কল্যাণকর বলে পছন্দ করে। (বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযী)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(36) وعن أنس بن مالك رضى الله عنه أن نبى الله صلى الله عليه وسلم قال والذي
نفسي بيده لا يؤمن عبد حتى يحب لأخيه ما يحب لنفسه من الخير
হাদীস নং: ৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ৬৯৮২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৭) 'আব্দুল্লাহ বিন আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত (একদা) জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন, ইসলাম সর্বোত্তম? রাসূল (ﷺ) বললেন, যার হাত ও জিহ্বা থেকে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে (তার ইসলামই সর্বোত্তম)। (বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(37) وعن عبد الله بن عمرو بن العاص (رضى الله عنهما) أن رجلا قال يا رسول الله أى الاسلام أفضل قال من سلم المسلمون من لسانه ويده
হাদীস নং: ৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৫২১০
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৮) জাবির বিন আব্দিল্লাহ (রা) থেকেও অনুরূপ হাদীস রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে أى الاسلام কোন্ ইসলাম, এর পরিবর্তে أى المسلمين অর্থাৎ 'মুসলিমগণের মধ্যে কোন্ মুসলমান'।
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(38) وعن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما عن النبى صلى الله عليه وسلم مثله الا أنه قال فيه أى المسلمين بدل قوله أى الاسلام
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৯৪৫৫
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৩৯) আবূ সালামা থেকে বর্ণিত, তিনি আল-শারীদ বিন সুয়াইদ আল-ছাক্বাফী (রা) থেকে বর্ণনা করেন। তাঁর মা তাঁকে অসিয়ত করেছিলেন যেন তিনি মায়ের পক্ষ থেকে একজন মু'মিন ক্রীতদাস (অথবা দাসী) আযাদ করে দেন । তখন তিনি এ বিষয়ে রাসূল (ﷺ)-এর কাছে জিজ্ঞেস করেন এবং বলেন, আমার একটি কৃষ্ণবর্ণের নুবীয়্যা দাসী আছে আমি কি তাকে আযাদ করে দেব? রাসূল (ﷺ) বললেন, তাকে হাযির কর, তখন আমি তাকে ডাকলাম। সে উপস্থিত হলে রাসূল (ﷺ) তাকে জিজ্ঞেস করেন, তোমার রব (প্রভু) কে? সে বললো, আল্লাহ। তিনি বললেন, আমি কে? সে বললো, আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। অতঃপর তিনি বললেন, একে আযাদ করে দাও, কেননা সে মু'মিনা। (অর্থাৎ তোমার মায়ের দেওয়া শর্ত তার মধ্যে পাওয়া যায়)। (আহমদ, তিবারানী বাযযার, আবূ দাউদ ও নাসায়ী। এ হাদীসের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(39) وعن أبي سلمة عن الشريد (بن سويد الثقفى رضى الله عنه) أن أمة أوصت أن يعتق عنها رقبة مؤمنة فسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال عندي جارية سوداء نوبية (1) فأعتقها؟ فقال ائت بها فدعوتها فجاءت فقال لها من ربك قالت الله قال من أنا فقالت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أعتقها فإنها مؤمنة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪০
আন্তর্জাতিক নং: ১৫৭৪৩
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৪০) উবাইদুল্লাহ বিন' আব্দিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি আনসারগণের মধ্য থেকে জনৈক (সাহাবী) ব্যক্তির কাছ থেকে বর্ণনা করেন। (একদা) তিনি একজন কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসী নিয়ে রাসূলের কাছে উপস্থিত হলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আমার উপর একজন ঈমানদার ক্রীতদাস বা দাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়ে আছে)। আপনি যদি মনে করেন যে, এ (দাসী) মু'মিনা, তাহলে আমি একে আযাদ করে দিতে পারি। রাসূল (ﷺ) তখন ঐ দাসীকে প্রশ্ন করলেন, তুমি কি এই মর্মে সাক্ষ্য দাও যে, আমি আল্লাহর রাসূল? সে বললো, হ্যাঁ। রাসূল (ﷺ) বললেন, তুমি মৃত্যুর পর পুনরুত্থানে বিশ্বাস কর? সে বললো, হ্যাঁ। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, একে আযাদ করে দাও। (হাইছমী বলেন, হাদীসটি আহমদ বর্ণনা করেছেন, তার রাবীগণ নির্ভরযোগ্য। তাছাড়া এ হাদীসটি ইমাম মালিকও বর্ণনা করেছেন)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(40) وعبيد الله بن عبد الله عن رجل من الأنصار رضى الله عنه) أنه جاء بأمة سوداء وقال يا رسول الله ان على رقبة مؤمنة فان كنت ترى هذه مؤمنة فأعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهدين أني رسول الله؟ قالت نعم قال أتؤمنين بالبعث بعد الموت؟ قالت نعم قال أعتقها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১৭৩২
ঈমান ও ইসলামের বর্ণনা
পরিচ্ছেদঃ (৬) পরিচ্ছেদঃ ঈমানের বৈশিষ্ট্য ও চিহ্নসমূহ প্রসঙ্গে
(৪১) হুসাইন বিন আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মানুষের (মধ্যে) সুন্দর ইসলাম (ইসলামের আলামত) হচ্ছে নিরর্থক বিষয়ে কম কথা বলা (অন্য বর্ণনায়) নিরর্থক বিষয় পরিত্যাগ করা। (তিবরানী, তিরমিযী ও ইবন্ মাজাহ্)
كتاب الإيمان والإسلام
(6) باب في خصال الايمان وآياته
(41) وعن الحسين بن على رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حسن اسلام المرء قلة الكلام فيما لا يعنيه (وفي رولية) تركه ما لا يعنيه