মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৫১ টি

হাদীস নং: ১০১
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০১. আবু শুরায়হ আল-খুজায়ী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অতিথি সেবার হক তিন দিন পর্যন্ত এবং তাকে একদিন ও এক রাতের পাথেয় প্রদান। আর কোন ব্যক্তির পক্ষে কারও নিকট একটা সময় অবস্থান করা হালাল হবে না, যাতে তার কষ্ট হতে পারে। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)। কি ভাবে তার কষ্ট হবে? তিনি বললেন, তার নিকট অবস্থান করবে, অথবা মেহমানদারী করার মত কিছুই তার নিকট নেই।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن أبي شريح الخزاعي قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الضيافة ثلاثة أيام وجائزته يوم وليلة (5) ولا يحل للرجل أن يقيم عند أحد حتى يؤثمه (6) قالوا يا رسول الله فكيف يؤثمه؟ قال يقيم عنده وليس له شيء يقريه
হাদীস নং: ১০২
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০২. 'আব্বাস জুরাইরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবু 'উছমান নাহদীকে বলতে শুনেছি, আমি আবু হুরায়রা (রা)-এর নিকট সাত দিন পর্যন্ত মেহমান হিসেবে ছিলাম। তখন তাঁকে বলতে শুনেছি, একদা নবী করিম (ﷺ) তার সাথীদের মাঝে খেজুর বণ্টন করছিলেন, তাতে আমার ভাগে সাতটি পড়েছিল, তন্মধ্যে একটি ছিল শুকনো। আমার নিকট কঠিনভাবে তা চিবানোর চেয়ে আনন্দদায়ক বিষয় আর কিছু ছিল না।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن العباس الجريري قال سمعت أبا عثمان النهدي يقول تضيفت أبا هريرة سبعا (2) قال وسمعته يقول قسم النبي صلى الله عليه وآله وسلم بين أصحابه تمرا فأصابني سبع تمرات احداهن حشفة (3) فلم يكن شيء أعجب إلى منها شدت مضاغي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৩
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০৩. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা যখন তোমাদের কোন মুসলমান ভাইয়ের বাড়ীতে প্রবেশ করবে, আর সে যখন তোমাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করবে, তখন তোমরা তা খাবে। তবে খাওয়ার ব্যাপারে তাকে কোন প্রশ্ন করবে না। আর সে যখন তোমাদেরকে পান করাবার জন্য কোন পানীয়ের ব্যবস্থা করবে, তখন সে ব্যাপারেও তাকে কোন প্রশ্ন করবে না।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم إذا دخل أحدكم على أخيه المسلم فأطعمه طعاما فليأكل من طعامه ولا يسأله عنه فإن سقاه شرابا من شرابه فليشرب من شرابه ولا يسأله عنه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৪
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০৪. মিকদাম ইবন মা'দীকারিব আল-কিন্দি (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন যে প্রত্যেক মুসলমানের উপর রাতে আগত মেহমানকে আপ্যায়ন করা ওয়াজিব। আর কারোর বাড়ির আঙ্গিনায় মেহমান অভুক্ত রাত কাটালে, সেটা বাড়ির মালিকের জন্য ঋণস্বরূপ, মেহমান ইচ্ছে করলে এ ঋণ উসূল বা আদায় করে নিতে পারে, অথবা ত্যাগও করতে পারে। তার দ্বিতীয় বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যদি কোন মুসলমান কোন জাতির মেহমান হয়, আর সে মেহমানদারী থেকে বঞ্চিত হয়, অর্থাৎ সে অভুক্ত থাকে, তাহলে সকল মুসলমানের দায়িত্ব তাকে সাহায্য করা, যাতে সে তার সম্পদ ও খাদ্য শস্য থেকে এক রাত অতিথির আপ্যায়ন করতে পারে।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن المقدام بن معديكرب الكندي أبي كريمة رضي الله عنه أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم يقول ليلة الضيف واجبة على كل مسلم (7) فإن اصبح بفنائه (8) محروما كان دينا له عليه إن شاء اقتضاه وان شاء تركه (وعنه من طريق ثان) (9) عن النبي صلى الله عليه وآله وسلم أيما مسلم أضاف قوما فأصبح الضيف محروما فإن حقا على كل مسلم نصره حتى يأخذ بقرى الليلة ليلته من زرعه وماله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৫
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০৫. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে কোন মেহমান কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবস্থান করলে যদি সে মেহমানদারী থেকে বঞ্চিত হয়, তবে সে তার মেহমানদারীর মর্যাদা অনুযায়ী তার অধিকার আদায় করে নিতে পারে, এতে কোন দোষ নেই।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن أبي هريرة أن النبي صلى الله عليه وآله وسلم قال أيما ضيف نزل بقوم فأصبح الضيف محروما فله أن يأخذ بقدر قراه ولا حرج عليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৬
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মেহমানদারীর সময় এবং মেহমানের অধিকার ও তার কর্তব্য প্রসঙ্গ
১০৬. উকবা ইবন আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললাম, আপনি আমাদেরকে বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন সব জনপদে যাত্রা বিরতি করি, যারা আমাদের আপ্যায়ন করে না, এ ব্যাপারে আপনার কি অভিমত? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে বলেন, যদি তোমরা কোন বসতি এলাকায় যাত্রাবিরতি করো এবং তারা মেহমানের আপ্যায়নযোগ্য ব্যবস্থা করলে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তা না করে, তবে তোমরা তাদের থেকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী মেহমানদারির ন্যায্য হক আদায় করে নেবে।
كتاب البر والصلة
باب ما جاء مدة الضيافة وما للضيف من الحق وما عليه
عن عقبة بن عامرأنه قال قلنا لرسول الله صلى الله عليه وآله وسلم إنك تبعثنا فننزل بقوم لا يقرونا فما ترى في ذلك؟ فقال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا وان لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৭
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অধিক সংখ্যক মেহমানদের আপ্যায়নে সাহায্য করার জন্য মুসলমানদের শরীক হওয়া
১০৭. আবু 'আবদুল্লাহ ইবনে তাআহ (রা) হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যখন অধিক মেহমান আসতো, তখন তিনি বলতেন, প্রত্যেক ব্যক্তি তার মেহমানকে পরিবর্তন করে নেবে। এক রাতে তাঁর নিকট অধিক সংখ্যক মেহমানের আগমন ঘটে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, প্রত্যেকে তার পাশে বসা মেহমানকে পরিবর্তন করে নাও, তাআহ (রা) বলেন, এ পরিবর্তনে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ভাগে পড়লাম এরপর তিনি যখন 'আইশা (রা)-এর নিকট প্রবেশ করলেন, তখন তাকে বললেন, হে 'আয়েশা! তোমার কাছে খাওয়ার কিছু আছে কি? 'আইশা (রা) বললেন, হাঁ, ঘি মিশ্রিত খেজুর আছে, আমি তা আপনার সকালের নাস্তার জন্য তৈরী করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আইশা (রা) ছোট একটি পাত্রে করে তা নিয়ে আসলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা থেকে সামান্য নিয়ে খেলেন, এরপর বললেন, তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে তা গ্রহণ কর, আমরা তা থেকে পেট ভরে খেলাম। এরপর রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমার কাছে পান করার মত কিছু আছে কি? 'আইশা (রা) বললেন, হাঁ, সামান্য পরিমাণ দুধ আছে। আমি শুধু আপনার জন্যই তা রেখেছি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তা নিয়ে এসো। তিনি তা নিয়ে আসলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা গ্রহণ করলেন। এরপর মুখের কাছে উঠিয়ে সামান্য পরিমাণ পান করে বললেন, তোমরা বিসমিল্লাহ পড়ে পান কর। এরপর আমরা তা পেট ভরে পান করলাম। (এ সামান্য খাদ্য ও পানীয় অধিক হওয়া ছিল রাসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর মুজিযা।) রাবী বলেন, এরপর আমরা বের হলাম এবং মসজিদে উপস্থিত হলাম, তখন আমি উপুর হয়ে শুয়ে পড়লাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সকাল বেলা বের হয়ে সালাত, সালাত বলে মানুষকে ডাকতে লাগলেন। তাঁর অভ্যাস ছিল, তিনি বের হলে সালাত, সালাত বলে মানুষ উঠাতেন। তিনি আমার নিকট দিয়ে অতিক্রমকালে আমাকে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকতে দেখে বলেন, একে আমি বললাম, আমি 'আবদুল্লাহ ইবনে তাআহ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এভাবে উপুড় হয়ে শয়ন করাকে আল্লাহ্ অপছন্দ করেন।
كتاب البر والصلة
باب اشتراك المسلمين وتعاونهم في قرى الأضياف إذا كثروا
عن الحارث بن عبد الرحمن قال بينما أنا جالس مع أبي سلمة بن عبد الرحمن إذ طلع علينا رجل من بني غفار ابن لعيد الله بن طهفة فقال أبو سلمة ألا تخبرنا عن خبر أبيك؟ قال حدثني أبي عبد الله بن طهفة أن رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم كان إذا كثر الضيف عنده قال لينقلب كل رجل بضيفه حتى إذا كان ذات ليلة اجتمع عنده ضيفان كثير وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لينقلب كل رجل مع جليسه قال فكنت ممن انقلب مع رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم فلما دخل قال يا عائشة هل من شيء؟ قالت نعم حويسة (2) كنت أعددتها لإفطارك قال فجاءت بها في قعيبة (3) لها فتناول رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم منها قليلا فأكله ثم قال خذوا باسم الله فأكلنا منها حتى ما تنظر إليها (4) ثم قال هل عندك من شراب؟ قالت نعم لبينة (5) كنت أعددتها لك قال هلميها (6) فجاءت بها فتناولها رسول الله صلى الله عليه وسلم فرفعها إلى فيه فشرب قليلا ثم قال اشربوا بسم الله فشربنا حتى والله ما ننظر إليها (7) ثم خرجنا فأتينا المسجد (8) فاضطجعت على وجهي فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يوقظ الناس الصلاة الصلاة وكان إذا خرج يوقظ الناس للصلاة فمر بي وأنا على وجهي فقال من هذا؟ فقلت أنا عبد الله بن طهفة (9) فقال أن هذه ضجعة يكرهها الله عز وجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৮
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: অধিক সংখ্যক মেহমানদের আপ্যায়নে সাহায্য করার জন্য মুসলমানদের শরীক হওয়া
১০৮. আবদুর রহমান ইবনে আবূ বকর (রা) থেকে বর্ণিত যে, আসহাবে সুফফার লোকজন ছিলেন দরিদ্র। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একবার বললেন, যার নিকট দু'জনের খাবার আছে, সে যেন তৃতীয় একজনকে নিয়ে যায়; আর যার কাছে চারজনের খাবার আছে সে যেন পঞ্চম কিংবা ষষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে যায়। অথবা বর্ণনাকারী যেভাবে বর্ণনা করেছেন। রাবী বলেন, আবু বকর (রা) তিনজনকে নিয়ে আসলেন। আর আল্লাহর নবী দশজনকে নিয়ে রওয়ানা হলেন। আমাদের পরিবারে আমরা ছিলাম তিনজন। আমি, আমার পিতা ও আমার মাতা।
বর্ণনাকারী বলেন, আমি জানিনা, তিনি বলেছেন কিনা যে, আমার স্ত্রী এবং আমাদের ও আবু বকরের বাড়িতে শরিক খাদেম। রাবী বলেন, আবুবকর (রা) নবী (ﷺ)-এর গৃহে রাতের খানা খেলেন। এরপর তিনি অপেক্ষা করলেন। অবশেষে 'ঈশার সালাত আদায় করা হলো। সালাত থেকে প্রত্যাবর্তন করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তন্দ্রাচ্ছন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন। তারপর আল্লাহর ইচ্ছায় রাতের কিছু অংশ অতিবাহিত হলে তিনি গৃহে ফিরে আসলেন। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বললেন, মেহমান রেখে দেরী করলেন কেন? তিনি বললেন, কেন? তুমি কি তাদের রাতের খাবার খাওয়াও নি? তাঁর স্ত্রী বললেন, আপনি না আসা পর্যন্ত তাঁরা আহার করতে অস্বীকার করেছেন। কয়েকবারই খাবার পেশ করা হয়েছে, কিন্তু মেহমানরা তাঁদের কথা থেকে হটেননি। 'আবদুর রহমান (রা) বলেন, আমি গিয়ে লুকিয়ে রইলাম। তিনি বললেন, হে নির্বোধ। তারপর তিনি আমাকে বকাবকি করলেন, আর মেহমানদের বললেন, ভালো হলো না। আপনারা আহার করুন। তিনি আরো বললেন, আল্লাহর কসম। আমি এ আহার গ্রহণ করবো না। আবদুর রহমান বলেন, আল্লাহর শপথ! আমরা যে লোকমাই গ্রহণ করেছিলাম, তার নীচে তার চেয়ে অধিক পরিমাণে বেড়ে যেতো। এমনকি আমরা পরিতৃপ্তি হয়েও আমাদের খাদ্য পূর্বে যা ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশী হয়ে গেল। আবু বকর (রা) খাবারের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, তা যেমন ছিল তেমনি আছে, তা তার চেয়েও অধিক হয়েছে। তিনি তার স্ত্রীকে বললেন, হে উখ্ত (বোন) বনী ফিরাস, একি ব্যাপার? তিনি বললেন, কিছু না, আমার চোখের প্রশান্তি। এগুলো পূর্বে যা ছিল, তার চেয়ে তিন গুণ বেড়ে গেছে। আবদুর রহমান বলেন, এরপর আবু বকর (রা) কিছু খেলেন এবং বললেন, ওটা, অর্থাৎ কমটা ছিল শয়তানের পক্ষ থেকে। এরপর তিনি আরো এক লুকমা খেলেন। তারপর অবশিষ্ট গুলো রাসুলুল্লাহ (ﷺ)- এর কাছে নিয়ে গেলেন। আমিও তাঁর কাছে সকাল পর্যন্ত থাকলাম। তিনি বলেন, আমাদের এবং কোন এক সম্প্রদায়ের মাঝে একটি চুক্তি ছিল। চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আমরা বারটি দল করে বারজন লোক নিযুক্ত করলাম। প্রত্যেক ব্যক্তির সাথে অনেক লোক ছিল। আল্লাহই ভাল জানেন, প্রত্যেক বাক্তির সাথে কতজন লোক ছিল। তাদের প্রত্যেকেরই নিকট এ খাবার পাঠানো হলো। আর তারা সকলেই সে খাবার খেলেন। অথবা বর্ণনাকারী যেভাবে বর্ণনা করেছেন।
كتاب البر والصلة
باب اشتراك المسلمين وتعاونهم في قرى الأضياف إذا كثروا
عن عبد الرحمن بن أبي بكر رضي الله عنهما أن أصحاب الصفة كانوا أناسا فقراء وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مرة من كان عنده طعام اثنين فليذهب بثالث من كان عنده طعام أربعة فليذهب بخامس بسادس أو كما قال (1) وان أبا بكر جاء بثلاثة فانطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم بعشرة (2) وأبو بكر بثلاثة قال فهو أنا وأبي وأمي (3) ولا أدري هل قال وامرأتي وخادم بين بيتنا وبيت أبي بكر وان أبا بكر تعشى عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم لبث حتى صليت العشاء ثم رجع فلبث حتى نعس (4) رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء بعد ما مضى من الليل ما شاء الله قلت له امرأته ما حبسك على أضيافك أو قالت ضيفك؟ قال أو ما عشيتهم؟ قالت أبوا حتى تجيء قد عرضوا عليهم فغلبوهم (5) قال فذهبت أنا فاختبأت (6) قال يا غنثر أو يا عنتر (7) فجدع وسب وقال كلوا لا هنيئا (8) وقال والله لا أطعمه أبدا قال وحلف الضيف أن لا يطعمه حتى يطعمه أبو بكر (9) قال فقال أبو بكر هذه من الشيطان قال فدعا بالطعام فأكل قال فايم الله ما كنا نأخذ من لقمة ربا (10) من أسفلها أكثر منها قال حتى شبعوا وصارت أكثر مما كانت قبل ذلك فنظر إليها أبو بكر فاذا هي كما هي أو اكثر فقالى لامرأته (11) يا أخت بني فراس ما هذا؟ قالت لا وقرة عيني (12) لهي الآن أكثر منها قبل ذلك بثلاث مرار فأكل منها أبو بكر وقال انما ذلك من الشيطان يعني يمينه ثم أكل لقمة ثم حملها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأصبحت عنده قال وكان بيننا وبين قوم عقد فمضى الاجل فعرفنا (1) اثني عشر رجلا مع كل رجل أناس الله أعلم كم مع كل رجل غير أنه بعث معهم فأكلوا منها اجمعون أو كما قال
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৯
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের মর্যাদাকে সম্মান করা (মুসলমানদের অধিকার তাদের প্রতি দয়া, তাদেরকে নসিহত করা, তাদের প্রতি সুধারণা রাখা ও তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন করা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ)

পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১০৯. ইবন 'আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দ্বীন বা ইসলামের মূল ও স্তম্ভ হলো, জনগণের কল্যাণ কামনা করা। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, কার জন্য? তিনি বললেন, আল্লাহ্, তাঁর কিতাব, তার রাসূল (ﷺ) ও মুসলমানদের ইমামগণের জন্য।
كتاب البر والصلة
أبواب تعظيم حرمات المسلمين (وبيان حقوقهم والشفقة عليهم والنصح لهم وحسن الظن لهم وستر عوراتهم وغير ذلك)

باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وسلم الدين النصيحة قالوا لمن؟ قال لله ولرسوله (3) ولأئمة المسلمين
হাদীস নং: ১১০
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১০. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, দীন হচ্ছে জনগণের কল্যাণ কামনা করা, একথা তিনি তিনবার বললেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কার জন্য। তিনি বললেন, আল্লাহর জন্য, তাঁর কিতাব ও সমস্ত মুসলমানদেরই ইমাম বা নেতার জন্য।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدين النصيحة ثلاث مرات قال قيل يا رسول الله لمن؟ قال لله ولكتابه ولأئمة المسلمين
হাদীস নং: ১১১
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১১. তামীম আদ-দারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দ্বীন হচ্ছে- জনগণের কল্যাণ কামনা, দীন হচ্ছে- জনগণের কল্যাণ কামনা, একথা তিনি তিনবার বললেন।
অন্য বর্ণনায় আছে, নিশ্চয়ই দ্বীন হচ্ছে- জনগণের কল্যাণ কামনা; তারা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! কার জন্য? তিনি বললেন, আল্লাহ্, তাঁর কিতাব, তাঁর রাসূল, মুসলমানদের ইমাম ও সমস্ত মুসলমানদের জন্য।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن تميم الداري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الدين النصيحة الدين النصيحة ثلاثا (وفي رواية إنما الدين النصيحة) قالوا لمن يا رسول الله؟ قال لله ولكتابه ولرسوله ولأئمة المسلمين وعامتهم
হাদীস নং: ১১২
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১২. হাকীম ইবন আবি যায়েদ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, মানুষকে ডাক এবং পরস্পর পরস্পরকে বিপদে সাহায্য কর। তোমার ভাই তোমার নিকট উপদেশ চাইলে, তাকে উপদেশ দাও।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن حكيم بن أبي يزيد عن أبيه عمن سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول دعوا الناس فليصب بعضهم من بعض فماذا استنصح رجل أخاه فلينصح له
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৩
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১৩. জরীর ইবন 'আবদুল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম, আমি আপনার হাতে ইসলামের উপর বায়'আত করতে চাই। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার হাত ধরে বললেন, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য কল্যাণ কামনা করবে। এরপর তিনি বললেন, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি দয়া বা অনুগ্রহ করে না, আল্লাহ তার প্রতি দয়া করেন না।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن جرير قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أبايعك على الإسلام فقبض يده وقال النصح لكل مسلم ثم قال صلى الله عليه وسلم أنه من لم يرحم الناس لم يرحمه الله عز وجل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৪
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১৪. যিয়াদ ইবনে ইলাকা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি জারীর ইবন 'আবদুল্লাহকে মুগীরা ইবন শু'বার মৃত্যুর দিন দাঁড়িয়ে খুতবা দেওয়ার সময় বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, তোমাদের উচিত- আল্লাহকে ভয় করা, সহনশীল হওয়া ও শান্ত থাকা, যতক্ষণ না তোমাদের জন্য দ্বিতীয় কোন আমির নিযুক্ত না হয়। (তিনি ছিলেন যিয়াদ ইবনে আবু সুফিয়ান) তিনি এখনই তোমাদের মাঝে উপস্থিত হবেন, এরপর বললেন, তোমরা তোমাদের আমিরের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও শাফায়াতের জন্য দু'আ কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল ব্যক্তিকে ভালবাসেন। তিনি বলেন, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট এসে তাঁকে বললাম, আমি ইসলামের উপর আপনার হাতে বায়'য়াত হতে চাই, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি এ শর্তে বায়'য়াত করতে পার যে, তুমি সকল মুসলমানের জন্য কল্যাণ কামনা করবে। অন্য বর্ণনায়, মুসলমানের জন্য কল্যাণ কামনা করবে, কুফরী থেকে মুক্ত থাকবে, এ কথার উপর আমি বায়'য়াত করলাম। আমি কুফার মসজিদের মালিকের শপথ করে বলছি। আমি তোমাদের সকলের জন্য কল্যাণকামী হবো, এরপর তিনি মাগফিরাত কামনা করেন এবং অবতরণ করেন।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن زياد بن علاقة قال سمعت جرير ابن عبد الله رضي الله عنه قام يخطب يوم توفي المغيرة بن شعبة فقال عليكم باتقاء الله عز وجل الوقار والسكينة حتى يأتيكم أمير فإنما يأتيكم الآن ثم قال اشفعوا لأميركم (6) فإنه كان يحب العفو وقال أما بعد فإني أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أبايعك على الإسلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم واشترط على النصح لكل مسلم (7) وفي رواية (وتنصح للمسلم وتبرأ من الكافر) فبايعته على هذا ورب هذا المسجد (8) إني لكم لناصح جميعا (9) ثم استغفر ونزل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৫
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১৫. আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করিম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, মহান আল্লাহ বলেন, আমার নিকট আমার বান্দার সবচেয়ে প্রিয় ইবাদত হলো- বান্দাহ আমাকে নসিহত করে, অর্থাৎ আল্লাহর একত্ববাদের ক্ষেত্রে সঠিক বিশ্বাস ও ইবাদতের মধ্যে স্বচ্ছ নিয়ত রাখে।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن أبي أمامة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال قال الله عز وجل أحب ما تعبدني به عبدي إلى النصح لي
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৬
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানদের নসিহত করার প্রতি উৎসাহ প্রদান
১১৬. আবূ মাস'উদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করিম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, পরামর্শদাতা নিরাপদ। শাযান আরো উল্লেখ করনে যে, উত্তম কাজের প্রতি নির্দেশ দাতা ঐ কাজটি সম্পাদনের ছাওয়াব পাবে।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في النصيحة للمسلمين
عن أبي مسعود رفعه وقال شاذان مرة (3) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال المستشار مؤتمن (4) ذكر شاذان أيضا حديث الدال على الخير كفاعله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৭
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানকে সাহায্য করা, তার বিপদ মুক্ত করা, তার প্রয়োজন পূরণ করা এবং তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখা
১১৭. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের পার্থিব বিপদাপদের একটি বিপদও দূর করে দেবে, আল্লাহ তার আখিরাতের বিপদাপদের কোন একটি বিপদ দূর করে দেবেন। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় কোন মুসলমানের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষত্রুটি গোপন রাখবেন। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে অপর ব্যক্তির দারিদ্রতা দূর করে দেবে, আল্লাহ্ তার দুনিয়া ও আখিরাতের অসুবিধাগুলো সহজ করে দেবেন। আর বান্দাহ যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্য-সহযোগিতায় রত থাকেন। আল্লাহও তার সাহায্য করেন। যে ব্যক্তি 'ইলম হাসিল করার জন্য পথ অতিক্রম করে, আল্লাহ তার জান্নাতে যাবার পথ সহজ করে দেন। কোন একটি দল আল্লাহর কোন ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করলে এবং নিজেদের মধ্যে তার দরস দিলে। অবশ্যই তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয় এবং রহমত তাদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। আর ফেরেশতারা নিজেদের ডানা মেলে তাদের উপর ছায়া বিস্তার করে এবং আল্লাহর নিকটে যারা থাকেন, তিনি তাদের নিকট তার সম্পর্কে আলোচনা করেন। আর যে ব্যক্তি আমলের মধ্যে কমতি করে, সে মর্যাদা পায় না। সুতরাং বংশের গৌরব করে আমল থেকে বিরত থাকা যাবে না।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في اعانة المسلم وتفريج عنه كربه وقضاء حاجته وستر عورته
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من نفس (7) عن مؤمن كربة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما (8) ستره الله في الدنيا والآخرة ومن يسر على معسر يسر الله عليه في الدنيا والآخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون أخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له به طريقا إلى الجنة وما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم إلا نزلت عليهم السكية (9) وغشيتهم الرحمة وحفتهم الملائكة وذكرهم الله عز وجل فيمن عنده ومن أبطأ به عمله (10) لم يسرع به نسبه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৮
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানকে সাহায্য করা, তার বিপদ মুক্ত করা, তার প্রয়োজন পূরণ করা এবং তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখা
১১৮. মাসলামা ইবনে মুখাল্লাদ (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুসলমানের দোষত্রুটি গোপন রাখবে, মহান আল্লাহ্ দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষত্রুটি গোপন রাখবেন। যে ব্যক্তি বিপদগ্রস্তকে রক্ষা করবে আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার কোন একটি বিপদ দূর করে দেবেন আর কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের প্রয়োজন পূরণ করলে, আল্লাহ্ তার প্রয়োজন পূরণ করবেন।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في اعانة المسلم وتفريج عنه كربه وقضاء حاجته وستر عورته
عن مسلمة بن مخلد أن النبي صلى الله عليه وسلم قال من ستر مسلمان في الدنيا ستره الله عز وجل في الدنيا والآخرة ومن نجى مكروبا فك الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن كان في حاجة أخية كان الله عز وجل في حاجته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১১৯
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানকে সাহায্য করা, তার বিপদ মুক্ত করা, তার প্রয়োজন পূরণ করা এবং তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখা
১১৯. ইবন 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, এক মুসলমান আরেক মুসলমানের ভাই। সে তার প্রতি যুলম করবে না, এবং তাকে দুশমনের হাতে সোপর্দ করবে না, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের অভাব পূরণ করবে, আল্লাহ তার অভাব দূরীভূত করবেন। আর যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তা'আলা তার বিনিময়ে কিয়ামতের দিন তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করবেন। যে ব্যক্তি মুসলমানের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামতের দিন তার দোষত্রুটি গোপন রাখবেন।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في اعانة المسلم وتفريج عنه كربه وقضاء حاجته وستر عورته
عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال المسلم أخو المسلم لا يظلمه ولا يسلمه من كان في حاجة أخيه كان الله عز وجل في حاجته ومن فرج عن مسلم كربة فرج الله عز وجل عنه بها كربة من كرب يوم القيامة ومن ستر مسلما ستره الله يوم القيامة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১২০
সদ্ব্যবহার ও সুসম্পর্ক স্থাপন অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মুসলমানকে সাহায্য করা, তার বিপদ মুক্ত করা, তার প্রয়োজন পূরণ করা এবং তার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখা
১২০. সালাম ইবন আমর ইয়াসকুরী (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ)-এর সাথীদের কোন এক ব্যক্তি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের ভাইদের হিফাযত কর এবং তাদের সংশোধন কর।
অন্যবর্ণনায় আছে, তাদের সাথে উত্তম আচরণ কর। তোমাদের কষ্ট হলেও তাদের সাহায্য কর এবং তাদের কোন বিপদ হলেও সহায়তা কর।
كتاب البر والصلة
باب الترغيب في اعانة المسلم وتفريج عنه كربه وقضاء حاجته وستر عورته
عن سلام بن عمرو اليشكري عن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أخوانكم (4) فأصلحوا إليهم (وفي رواية فأحسنوا إليهم) واستعينوهم على ما غلبكم (5) وأعينوهم على ما غلبهم
tahqiq

তাহকীক: