মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩০৩ টি

হাদীস নং: ৪০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সরবে কুরআন তিলাওয়াত করা সুর দিয়ে পড়া এবং সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত প্রসঙ্গ।
৪০। উকবা ইবন আ'মির (রা) হতে আরও বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যুলবিজাদাইন নামক এক ব্যক্তির উদ্দেশ্যে বলেছিলেন সে অধিক বিলাপকারী আর এর কারণ ছিল ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করে উচু স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করতো এবং উচু স্বরে দু'আ করতো।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الجهر بقراءة القرآن والتغني به وحسن الصوت
وعنه أيضا أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لرجل يقال له ذو البجادين إنه أواه (3) وذلك أنه كان رجلا كثير الذكر لله عز وجل في القرآن (4) ويرفع صوته في الدعاء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সরবে কুরআন তিলাওয়াত করা সুর দিয়ে পড়া এবং সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত প্রসঙ্গ।
৪১। ফাদালা ইবন উবায়দ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে বর্ণনা করেন, যে তিনি (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি গায়িকা ভাড়া করে আনে সে তার প্রতি যেমন কর্ণপাত করে, আল্লাহ তাআলা সুললিত কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াতকারী ব্যক্তির প্রতি তদপেক্ষা বেশি কর্ণপাত করেন।
(ইবন মাজাহ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الجهر بقراءة القرآن والتغني به وحسن الصوت
عن فضالة بن عبيد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لله (6) أشد أذنا إلى الرجل حسن الصوت بالقرآن (7) من صاحب القينة (8) إلى قينته
হাদীস নং: ৪২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সরবে কুরআন তিলাওয়াত করা সুর দিয়ে পড়া এবং সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত প্রসঙ্গ।
৪২। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) একদা মসজিদে প্রবেশ করলেন, তখন তিনি তথায় জনৈক ব্যক্তির কিরাআত শুনতে পেলেন, রাসূল (ﷺ) জিজ্ঞাসা করলেন। এই ব্যক্তি কে? সাহাবীগণ বললেন, আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস। রাসূল (ﷺ) বললেন, এই ব্যাক্তিকে দাউদ এর ন্যায় সুমিষ্ট কণ্ঠ দেয়া হয়েছে।
(ইবন মাজাহ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الجهر بقراءة القرآن والتغني به وحسن الصوت
عن أبي هريرة قال دخل رسول الله المسجد فسمع قراءة رجل فقال من هذا؟ قيل عبد الله بن قيس (10) فقال لقد أوتي هذا من مزامير آل داود
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সরবে কুরআন তিলাওয়াত করা সুর দিয়ে পড়া এবং সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত প্রসঙ্গ।
৪৩। আব্দুল্লাহ ইবন বুরায়দা (রা) তার পিতাসূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (রা) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আব্দুল্লাহ ইব্‌ন কাইস আশাআরীকে দাউদ (আ) এর ন্যায় সুমিষ্ট কণ্ঠ দেয়া হয়েছে।
(বুখারী ও মুসলিম অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الجهر بقراءة القرآن والتغني به وحسن الصوت
عن عبد الله بن بريدة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ان عبد الله بن قيس الأشعري اعطى مزمارا من مزامير آل داود
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: সরবে কুরআন তিলাওয়াত করা সুর দিয়ে পড়া এবং সুন্দর কণ্ঠে তিলাওয়াত প্রসঙ্গ।
৪৪। বারা ইব্‌ন আজিব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের সুমিষ্ট কণ্ঠ দ্বারা কুরআনকে সুশোভিত করে তোল।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الجهر بقراءة القرآن والتغني به وحسن الصوت
عن البراء قال قال رسول الله صلى الله عليه وآله وصحبه وسلم زينوا القرآن بأصواتكم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৪৫। মুসলিম ইব্‌ন মিখরাক (রা) আয়েশা (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি (র) বলেন, আয়েশা (রা) এর কাছে বলা হয়েছিল, কিছু মানুষ একরাত্রে একবার বা দু'বার সমস্ত কুরআন তিলাওয়াত করে আয়েশা (রা) বলেন, তারা পড়েছে না পড়ার মত। আমি পূর্ণ চন্দ্রিমা রাতে রাসূল (ﷺ) এর সঙ্গে ছিলাম (অপর এক বর্ণনামতে, পূর্ণ চন্দ্রিমা রাত্রে রাসূল (ﷺ) জাগ্রত ছিলেন) তখন তিনি সূরা বাকারা, আলে ইমরান ও নিসা তিলাওয়াত করলেন। যখনই কোন ভীতির বিবরণ সম্পর্কিত আয়াত আসতো তখন তিনি আল্লাহর নিকট দু'আ ও আশ্রয় প্রার্থনা করতেন, আবার যখনই কোন সুসংবাদের বিবরণ সম্পর্কিত আয়াত আসতো তখন তিনি আল্লাহর নিকট দু'আ ও উক্ত সুসংবাদকৃত বস্তুর প্রত্যাশা করতেন।
(বায়হাকী, ইমাম মুসলিম, আহমদ ও নাসাঈ (র) হুজায়ফা (রা) সূত্রে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
عن مسلم بن مخراق عن عائشة قال ذكر لها أن ناسا يقرؤن القرآن في الليلة مرة أو مرتين فقالت أولئك قرؤا ولم يقرؤا (2) كنت أقوم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة التمام (3) (وفي رواية كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقوم الليلة التمام) فكان يقرء سورة البقرة وآل عمران والنساء فلا يمر بآية فيها تخوف إلا دعا الله عز وجل واستعاذ ولا يمر بآية فيها استبشار إلا دعا الله عز وجل ورغب إليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৪৬। ইব্‌ন আবু মুলায়কা (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (ﷺ) এর কোন কোন স্ত্রীকে, আমার জানামতে হাফসা (রা) কে রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হল, তখন তিনি (রা) বললেন, তোমরা তা পালন করছো না, তিনি বলেন, আল হামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন, আর রাহমানির রাহীম, অর্থাৎ ধীর স্থির ভাবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
عن ابن أبي مليكة أن بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم ولا أعلمها إلا حفصة رضي الله عنها سئلت عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت إنكم لا تطيقونها قالت الحمد لله رب العالمين الرحمن الرحيم تعني الترتيل
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৪৭। কাতাদা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবন মালিক (রা) কে রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বললেন, রাসূল (ﷺ) তাঁর কিরাআতে স্বর অনেক দীর্ঘ করতেন, অপর এক বর্ণনামতে, রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত ছিল দীর্ঘ, প্রত্যেকটি মাদ্দের ক্ষেত্রে তিনি দীর্ঘায়িত করতেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযি, ইবন মাজাহ, বায়হাকী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
عن قتادة قال سألت أنس بن مالك رضي الله عنه عن قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كان يمد بها صوته مدا وفي لفظ كانت قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم مدا يمد بها مدا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৪৮। মুআবিয়া ইবন কুররা (র) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইব্‌ব মুগাফফাল (রা) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) মক্কা বিজয়ের বছর ভ্রমণকালে তাঁর বাহনের পিঠে বসে সূরাতুল ফাতহ তিলাতয়াত করলেন, তিনি আরও বলেন, একবার রাসূল (ﷺ) ভ্রমণে থাকা অবস্থায় সূরাতুল ফাতহ নাজিল হলো, তখন তিনি বাহনের পিঠে আরোহনেরও অবস্থায় উক্ত সূরা তিলাওয়াত করতে লাগলেন। বর্ণনাকারী আরও বলেন, রাসূল (ﷺ) তখন একই আয়াত একাধিক বার নীরবে-সরবে পড়ছিলেন। তিনি আরও বলেন। মুয়াবিয়া ইবন কুররা আরও বলেছেন, আমি যদি আমার নিকট মানুষের ভীড়কে অপছন্দ না করতাম তাহলে রাসূলের কিরাআত(১) আমি তোমাদের নিকট হুবহু বর্ণনা করতাম।
(বুখারী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
টিকা: (১) রাসূল প্রেম ধীর গতিতে প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ ভঙ্গি যথাযথ আদায় করে তিলাওয়াত করতেন। এমনকি কোন কোন আয়াত প্রথমে আস্তে তার পর আবার সজোরে তিলাওয়াত করতেন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
حدثنا وكيع ثنا شعبة عن معاوية بن قرة قال سمعت عبد الله بن مغفل يقول قرأ النبي صلى الله عليه وسلم عام الفتح في مسيرة سورة الفتح على راحلته وقال مرة نزلت سورة الفتح وهو في مسير له فجعل يقرأ وهو على راحلته قال فرجع فيها (5) قال فقال معاوية (يعني ابن قرة) لولا أن أكره أن يجتمع الناس علي لحكيث لكم قراءته
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৪৯। মুয়াবিয়া ইবন কুররা হতে আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফফাল সূত্রে রাসুল (ﷺ) থেকে অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
حدثنا شبابة وأبو طالب بن جابان القارئ قال ثنا شعبة عن معاوية بن قرة عن عبد الله ابن مغفل عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل هذا الحديث (8) قال ابن جابان في حديثه آء آء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৫০। আব্দুল্লাহ ইবন মুগাফফাল (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মক্কা বিজয়ের দিন রাসুল (ﷺ) কে কুরআন পড়তে শুনেছি, আমি যদি আমার নিকট মানুষ সমবেত হওয়াকে অপছন্দ না করতাম, তাহলে আমি তোমাদের নিকট রাসূল (ﷺ) এর কিরাআতের হুবহু বর্ণনা দিতাম। (হাদীসের পূর্বতন বর্ণনাকারী) মুআবিয়া ইবন কুররা বলেন, রাসূল (ﷺ) সেদিন সূরাতুল ফাতহ তিলাওয়াত করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, আমার নিকট মানুষ সমবেত হওয়ার আশংকা যদি না করতাম তাহলে রাসুল (ﷺ) এর কিরাআত সম্পর্কে আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মুগাফফাল (রা) যা বলেছেন, আমি তা হুবহু বর্ণনা করতাম। বাহয এবং গুনদার (র) বলেন, তিনি'(১) কিরাআত উচু নীচু করে একাধিকবার পড়লেন।
(বুখারী মুসলিম আবু দাউদ; নাসাঈ ও তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
টিকা: ১. মুসলিম শরীফের বর্ণনামতে তিনি বলতেন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মুগাফফাল (রা) কে বুঝানো হয়েছে, বুখারী ও মুসনাদে আহমদের বর্ণনা মতে তিনি বলতে রাসূল (ﷺ) কে বুঝানো হয়েছে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
حدثنا ابن ادريس قال سمعت شعبة يذكر عن أبي إياس معاوية بن قرة المزني عن عبد الله بن مغفل قال سمعته يقرأ يعني النبي صلى الله عليه وسلم يوم الفتح فلولا أن يجتمع الناس علي لحكيث لكم قراءة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قرأ سورة الفتح (1) قال (يعني معاوية بن قرة) لولا أن يجتمع الناس علي لحكيت لكم ما قال عبد الله يعني ابن مغفل كيف قرأ رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال بهز وغندر قال فرجع فيها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ধীর স্থিরতা এবং রাসূল (ﷺ) এর কিরাআত প্রসঙ্গ।
৫১। আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) সকাল হওয়া পর্যন্ত একটি আয়াত (২) পূনরাবৃত্তি করছিলেন।(৩)

টিকা: ২. সূরা মায়িদার আফসীর শেষে আবু যার (রা) থেকে বর্ণিত হাদীস মতে উক্ত আয়াত হচ্ছে
اِنۡ تُعَذِّبۡہُمۡ فَاِنَّہُمۡ عِبَادُکَ ۚ وَاِنۡ تَغۡفِرۡ لَہُمۡ فَاِنَّکَ اَنۡتَ الۡعَزِیۡزُ الۡحَکِیۡمُ
অর্থাৎ 'তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা করো তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় (সূরা মায়িদা: ১১৮)

টিকা: ৩. মুসনাদে আহমদ, ইমাম হাকিম ও যাহাবী (র) হাদীসখানাকে সহীহ বলেছেন।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في ترتيل القراءة وقراءة النبي صلى الله عليه وسلم
عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ردد آية حتى أصبح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ক্লান্তির ভয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা এবং কতদিনে কুরআন খতম করা যায় সে প্রসঙ্গ।
৫২। আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সম্পূর্ণ কুরআন সংগ্রহ করলাম এবং প্রতিরাতে তা খতম করছিলাম, এ ব্যাপারটি রাসূল (ﷺ) এর নিকট পৌছলে তিনি বললেন, আমি আশংকা করছি দীর্ঘ পরিশ্রম হওয়ার কারণে এটা তোমার নিকট ক্লান্তিদায়ক হতে পারে, তাই তুমি প্রতিমাসে একবার কুরআন খতম করো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে সুযোগ দিন আমি আমার শক্তি ও যৌবনকাল কাজের লাগাতে চাই। রাসূল (ﷺ) বললেন। তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম করো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমাকে সুযোগ দিন আমি আমার শক্তি ও যৌবনকাল কাজে লাগাতে চাই, রাসূল (ﷺ) বললেন তাহলে তুমি প্রতি দশদিনে একবার কুরআন খতম করো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল। আমাকে সুযোগ দিন আমি আমার শক্তি ও যৌবনকাল কাজে লাগাতে চাই, রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি সপ্তাহে একবার কুরআন খতম করো। আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে সুযোগ দিন আমি আমার শক্তি ও যৌবনকাল কাজে লাগাতে চাই, রাসূল (ﷺ) তখন আরও কমাতে অস্বীকার করলেন। (অপর এক বর্ণনা মতে, রাসূল (ﷺ) বললেন) তুমি প্রতি সপ্তাহে একবার খতম করো, তার চেয়ে বেশি করো না। আব্দুল্লাহ ইবন আমর হতে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে) তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আমি কতদিনে কুরআন খতম করবো? রাসূল (ﷺ) বললেন; প্রতি মাসে একবার খতম করবে। তিনি (রা) বলেন, আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করতে সক্ষম। রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি পঁচিশ দিনে একবার কুরআন খতম করবে। তিনি (রা) আরও বলেন আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করতে সক্ষম। রাসূল (ﷺ) বললেন তাহলে তুমি প্রতি বিশ দিনে একবার কুরআন খতম করবে। তিনি (রা) বলেন, আমি বললাম আমি এর চেয়ে বেশি করতে সক্ষম। রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তুমি প্রতি পনের দিনে একবার কুরআন খতম করবে। তিনি (রা) বলেন, আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করতে সক্ষম। রাসূল (ﷺ) বললেন তাহলে তুমি প্রতি সপ্তাহে একবার কুরআন খতম করবে। তিনি (রা) বলেন, আমি বললাম, আমি এর চেয়ে বেশি করতে সক্ষম। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তিনদিনের কম সময়ে যে কুরআন খতম করে সে আল কুরআনের মর্ম অনুধাবন করতে পারে না।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الاقتصاد في القراءة خوف الملل وفي كم يقرأ القرآن
عن عبد الله عمرو قال جمعت القرآن (6) فقرأت به في كل ليلة فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني أخشى أن يطول عليك زمان أن تمل (7) اقرأه في كل شهر قلت يا رسول الله دعني استمتع من قوتي وشبابي قال اقرأه في كل عشرين قلت يا رسول الله دعني استمتع من قوتي وشبابي قال اقرأه في عشر قلت يا رسول الله دعني استمتع من قوتي وشبابي قال اقرأه في كل سبع قلت يا رسول الله دعني استمتع من قوتي وشبابي فأبى (زاد في رواية) فاقرأه في كل سبع لا تزيدن (وعنه من طريق ثان) (1) قال قلت يا رسول الله في كم أقرأ القرآن؟ قال اقرأه في كل شهر قال قلت اني أقوى أكثر من ذلك قال اقرأه في خمس وعشرين قلت اني اقوى على أكثر من ذلك قال اقرأه في عشرين قال قلت اني اقوى على أكثر من ذلك قال اقرأه في خمس عشرة قال قلت اني اقوى على أكثر من ذلك قال اقرأه في سبع قال قلت اني اقوى على اكثر من ذلك قال لا يفقهه من يقرؤه في أقل ثلاث
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ক্লান্তির ভয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা এবং কতদিনে কুরআন খতম করা যায় সে প্রসঙ্গ।
৫৩। আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি তার একটি পুত্র নিয়ে রাসূল (ﷺ) এর নিকট আসলেন এবং বললেন। হে রাসূল! আমার এ ছেলেটি প্রতিদিনে এক খতম কুরআন পাঠ করে এবং প্রতি রাতে ঘুমায়। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমার ছেলে সারাদিন আল্লাহকে স্বরণ করে এবং প্রতি রাতে নিরাপদে ঘুমায়, এজন্য তাকে তিরস্কার করেছ?
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الاقتصاد في القراءة خوف الملل وفي كم يقرأ القرآن
وعنه أيضا أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم بابن له فقال يا رسول الله ان ابني هذا المصحف بالنهار (4) ويبيت بالليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما تنقم أن ابنك يظل ذاكرا ويبيت سالما
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কিরাআতের ক্ষেত্রে ক্লান্তির ভয়ে মধ্যপন্থা অবলম্বন করা এবং কতদিনে কুরআন খতম করা যায় সে প্রসঙ্গ।
৫৪। জুনদুব ইব্‌ন সুফিয়ান বাজালী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল (ﷺ) বলেছেন। যতক্ষণ তোমাদের চিত্তে একাগ্রতা থাকে ততক্ষণ কুরআন তিলাওয়াত করো, আর যদি একাগ্রতা বিনষ্ট হয়ে যায় তাহলে তোমরা কুরআন তিলাওয়াত ছেড়ে উঠে পড়ো।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الاقتصاد في القراءة خوف الملل وفي كم يقرأ القرآن
عن جندب بن سفيان البجلي رضي الله عنه (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم اقرؤا القرآن (6) ما ائتلفت عليه قلوبكم فإن اختلفتم (7) فقوموا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াতের সময়ে প্রশান্তি ও ফিরিশতা নাজিল হওয়া প্রসঙ্গ।
৫৫। বারা ইব্‌ন আযিব (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি সূরা কাহফ তিলাওয়াত করছিল এবং তার ঘরের কাছে একটি পশু ছিল, তখন সেটি লাফালাফি করতে লাগলো। ঐ ব্যক্তি তখন উক্ত পশুটির দিকে তাকালে তিনি দেখতে পেলেন কুয়াশা অথবা মেঘ তাকে ঘিরে ফেলেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি এ ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জানালে তিনি বললেন ওহে অমুক, তুমি তিলাওয়াত করতে থাকো, তা হচ্ছে প্রশান্তি যা কুরআন তিলাওয়াতকালে অথবা কুরআন এর বদৌলতে নাজিল হয়।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ তায়ালিসী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول السكينة والملائكة عند قراءة القرآن
عن البراء بن عازب قال قرأ رجل الكهف (3) وفي الدار دابة (4) فجعلت تنفر (5) فنظر فإذا ضبابة أو سحابة (6) قد غشيته قال فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فقال اقرأ فلان فإنها السكينة (7) تنزلت عند القرآن أو تنزلت للقرآن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াতের সময়ে প্রশান্তি ও ফিরিশতা নাজিল হওয়া প্রসঙ্গ।
৫৬। আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উসাইদ ইবন হুযায়র (রা) কোন এক রাতে তার খেজুরের চাতালে বসে কুরআন তিলাওয়াত করছিলেন, তখন তার ঘোড়া লাফাতে লাগল তিনি আবার তিলাওয়াত করলেন তখন তার ঘোড়া আবার লাফাতে লাগল উসায়দ (রা) বলেন, আমি ভাবলাম এটি আমার ছেলে ইয়াহইয়াকে পদপিষ্ট করবে তখন আমি উঠে সেটির কাছে গেলাম। তথায় আমার মাথার উপর একটি শামিয়ানার মত দেখতে পেলাম যার ভেতর প্রদীপ-সদৃশ অনেক আলো পড়েছে। তা আমি দেখতে দেখতে শূন্যে উঠে গেল। তারপর আর তা দেখতে পেলাম না আমি পরদিন সকালে রাসূল (ﷺ) এর নিকট গিয়ে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমি গতকাল মাঝরাতে আমার খেজুরের চাতালে বসে কুরআন তিলাওয়াত করছিলাম, তখন আমার ঘোড়াটি লাফিয়ে উঠলো। রাসূল (ﷺ) বললেন, হে ইবন হুযায়র। তুমি পড়তে থাকো। তিনি (রা) বলেন, আমি তখন পড়লাম এবং আমার ঘোড়া আবার লাফিয়ে উঠলো। রাসুল (ﷺ) বললেন, তুমি পড়ো ওহে ইবন হুযায়র, তিনি বলেন, অতঃপর আমি পড়লাম এবং আমার ঘোড়াটি আবারও লাফিয়ে উঠলো। রাসূল (ﷺ) বললেন। হে ইবন হুযায়র। তুমি পড়তে থাকো। তিনি বলেন আমি তখন উঠে আসলাম। আমার পুত্র ইয়াহইয়া সেখানে ছিল, তাই ঘোড়াটি তাকে মাড়াতে পারে এমন আশংকা করছিলাম। তখন আমি একটি শামিয়ানার মত দেখতে পেলাম, যার ভেতর প্রদীপ-সদৃশ অনেক আলো রয়েছে। যা শুন্যে উঠে গেলো। ফলে আমি আর তা দেখতে পেলাম না। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন, সেগুলো হচ্ছে ফিরিশতা যারা তোমার তিলাওয়াত শুনতে এসেছিলো, তুমি যদি পড়তে থাকতে তবে তারা তোমার সাথে সকাল পর্যন্ত থাকতো, মানুষ তাদেরকে দেখতে পেতো তারপরও তারা নিজেদেরকে লুকিয়ে রাখতো না।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ অন্যান্য গ্রন্থ।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب نزول السكينة والملائكة عند قراءة القرآن
عن أبي سعيد الخدري أن أسيد بن حضير رضي الله عنه بينما هو ليلة يقرأ في مربده (9) إذ جالت فرسه فقرأ ثم جالت أخرى فقرأ ثم جالت أيضا فقال أسيد فخشيت أن تطأ يحيى يعني ابنه (10) فقمت إليه فإذا مثله الظلة (11) فوق رأسي فيها أمثال أمثال السرج (12) عرجت في الجو حتى ما أراها (13) فغدوت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنه بينما أنا البارحة من جوف الليل أقرأ في مربدي إذ جالت فرسي فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرأ ابن حضير (14) قال فقرأت ثم جالت أيضا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرأ ابن حضير فقرأت ثم جالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرأ بن حضير قال فانصرفت وكان يحيى قريبا منها فخشيت أن تطأه فرأيت مثل الظلة فيها أمثال السرج عرجت في الجو حتى ما أراها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك الملائكة كانت تسمع لك (1) ولو قرأت لأصبحت يراها الناس لاتستتر منهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৫৭। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবু বকর ও উমর (রা) তাঁকে সুখবর দিলেন যে, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন যেভাবে নাযিল হয়েছে, সেভাবে তাজা তিলাওয়াত করতে চায় সে যেন ইব্‌ন উম্মে আব্দ (অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ)-এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করে।
(বাযযার, তাবারানী, আবু ইয়ালা, ইবন হিব্বান ও হাকিম অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن عبد الله أن أبا بكر وعمر رضي الله عنهما بشراه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من سره أن يقرأ القرآن غضا (4) كما أنزل فليقرأه على قراءة ابن أم عبد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৫৮। উমর ইবন খাত্তাব (রা) হতে রাসুল (ﷺ) সূত্রে পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে তবে তিনি শব্দ বলেছেন غَضًا (তাজা) বা ( সজীব।
(তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন খুযায়মা অন্যানা গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن عمر بن الخطاب رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله (7) قال غضا أو رطبا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৫৯। আবূ হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন তাজা তিলাওয়াত করতে চায় তিনি আরও বলেন, যেমনি নাজিল হয়েছে তেমনি তিলাওয়াত করতে চায়, সে যেন ইব্‌ন উম্মে আব্দ (আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أحب أن يقرأ القرآن غريضا (10) كذا قال كما أنزل فليقرأه على قراءة ابن أم عبد
tahqiq

তাহকীক: