মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৩০৩ টি

হাদীস নং: ৬০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৬০। মাসরুক (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর ইবন আস (রা) এর নিকট বসা ছিলাম, তখন তিনি আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বললেন, তিনি এমন এক ব্যক্তি, যাকে আমি সারাজীবন ভালবাসবো। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তোমরা চার ব্যক্তির নিকট থেকে কুরআন শিক্ষা করো- ইব্‌ন উম্মে আব্দ (অর্থাৎ আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা)। রাসূল (ﷺ) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর নাম প্রথমে বললেন, (২) মু'আজ (রা) (৩) আবু হুযায়ফা (রা) এর মুক্তদাস সালিম। হাদীসটির এক বর্ণনাকারী ইয়ালী (রা) বলেন, আমি চতুর্থ ব্যক্তির নাম ভুলে গেছি।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن مسروق قال كنت جالسا عند عبد الله بن عمرو (بن العاص) فذكر عبد الله بن مسعود فقال إن ذاك لرجل لا أزال أحبه أبدا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول خذوا القرآن عن أربعة (2) عن ابن أم عبد فبدأ به وعن معاذ وعن سالم مولى أبي حذيفة قال يعلي (أحد الرواة) ونسيت الرابع
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৬১। আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর (রা) রাসূল (ﷺ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা চার ব্যক্তির নিকট থেকে কুরআন শিক্ষা করো (১) আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (২) আবু হুযাইফা (রা) এর মুক্ত দাস সালিম (৩) মুআয ইব্‌ন জাবাল ও (৪) উবাই ইব্‌ন কা'ব।
(বুখারী ও মুসলিম অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال استقرئوا القرآن من أربعة من عبد الله بن مسعود وسالم مولى أبي حذيفة ومعاذ بن جبل وأبي بن كعب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) এর কিরাআত অনুসারে তিলাওয়াত করার ফজীলত এবং যারা কুরআন সংরক্ষণ করেছিলেন তারা সবাই সাহাবী ছিলেন সে সম্পর্কিত বর্ণনা।
৬২। আনাস (রা) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে চার ব্যক্তি কুরআন সংগ্রহ করেছিলেন, তারা সবাই ছিলেন আনসার। তারা হলেন (১) উবাই ইবন কাব (২) মু'আয ইবন জাবাল (৩) যায়দ ইবন ছাবিত ও (৪) আবু যায়দ (রা)।
(বুখারী ও তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب فضل القراءة على قراءة عبد الله بن مسعود وذكر من حفظ القرآن كله من الصحابة
عن أنس قال جمع القرآن (7) على رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة نفر كلهم من الأنصار أبي بن كعب ومعاذ بن جبل وزيد بن ثابت وأبو زيد
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কুরআনের কোন আযাবের আয়াত অথবা রহমতের আয়াত এবং কোন সূরা শেষ করার সময়ে পাঠকের যা পড়া মুস্তাহাব।
৬৩। হুযায়ফা ইবন ইয়ামান (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন কোন রহমতের আয়াত পড়তেন তখন রহমত কামনা করতেন, আবার যখন কোন আযাবের আয়াত পড়তেন তখন আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাইতেন, আবার আল্লাহর পবিত্রতার বর্ণনা সংশ্লিষ্ট কোন আয়াত তিলাওয়াত কালে আল্লাহর তাসবীহ বর্ণনা করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما يستحب أن يقوله القارئ عند ذكر آية عذاب أو رحمة وعند ختم بعض السور
عن حذيفة بن اليمان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا مر بآية رحمة سأل (1) واذا مر بآية فيها عذاب تعوذ (2) واذا مر بآية فيها تنزيه لله عز وجل سبح
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ। কুরআনের কোন আযাবের আয়াত অথবা রহমতের আয়াত এবং কোন সূরা শেষ করার সময়ে পাঠকের যা পড়া মুস্তাহাব।
৬৪। সুফয়ান (র) আমাদের নিকট ইসমাঈল ইবন উমাইয়া (র) সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি তার জনৈক উস্তাযের নিকট থেকে শুনেছেন, তিনি বলেন, আমি জনৈক আরব বেদুঈন থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আমি আবূ হুরায়রা (রা) এর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, যে বক্তি সূরা আল মুরসালাত পাঠ করে, সে যেন বলে । অর্থাৎ আমরা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করলাম। আর যে ব্যক্তি সূরা আতত্বীন পড়ল, সে যেন বলে وَأَنَا عَلَى ذَلِكَ مِنَ الشَّاهِدِیْن অর্থাৎ এ বিষয়ে আমি অন্যতম সাক্ষী। আর যে ব্যক্তি সূরাতুল কিয়ামা এর শেষ আয়াত أَلَيْسَ ذَلِكَ بِقَادِرٍ عَلَى أَنْ يُحْيِي الْمَوْتَى(অর্থাৎ 'তবুও কি সেই স্রষ্টা মৃতকে পুনর্জীবিত করতে সক্ষম নন)। তিলাওয়াত করবে সে যেন বলে بَلَى অর্থাৎ হ্যাঁ। হাদীসের বর্ণনাকারী ইসমাঈল (র) বলেন, আমি পরখ করতে লাগলাম ঐ ব্যক্তি আরব বেদুঈন হওয়ায় সে হাদীসখানা সংরক্ষণ করতে পেরেছে কি না, তখন সে বললো হে ভাতিজা! তুমি মনে করেছো আমি হাদীসখানা সংরক্ষণ করতে পারিনি? আমি ষাট বছর হজ্জব্রত পালন করেছি এবং এমন কোন বছর নেই সে বছর আমি কোন উটে চড়ে হজ্জ করেছি তা চিনতে পারবো না।
অত্র হাদীসখানা সংক্ষিপ্ত আকারে তিরমিযী শরীফে এবং বিশদ আকারে আবু দাউদ শরীফে বর্ণিত হয়েছে অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما يستحب أن يقوله القارئ عند ذكر آية عذاب أو رحمة وعند ختم بعض السور
حدثنا سفيان عن اسماعيل بن أمية سمعه من شيخ فقال مرة سمعته من رجل من أهل البادية اعرابي سمعت ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قرأ المرسلات عرفا فليقل (5) فبأي حديث بعده يؤمنون (6) ومن قرأ التين والزيتون فليقل وانا على ذلك من الشاهدين (7) ومن قرأ أليس ذلك بقادر على أن يحيى الموتى فليقل بلى قال اسماعيل (8) فذهبت انظر هل حفظ وكان اعرابيا فقال يا ابن اخي أظننت أني لم أحفظه؟ لقد حججت ستين حجة مامنها سنة إلا أعرف البعير الذي حجيت عليه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াত শোনার ফাজিলত এবং তখন ক্রন্দন করা প্রসঙ্গ।
৬৫। আবু হাইয়ান আশজাঈ (র) বর্ণিত তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) আমাকে বললেন, তুমি আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাও। আবু হাইয়ান (র) বলেন, আমি তাঁকে বললাম আমি তো আপনার নিকট থেকেই কুরআন শিখেছি এবং আপনিই আমাদেরকে তিলাওয়াত করে শোনাতেন। তখন ইবন মাসউদ (রা) বলেন, আমি একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট গেলে তিনি বললেন তুমি আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাও। ইবন মাসউদ (রা) বলেন; আমি তখন বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরআন তো আপনার ওপরই অবতীর্ণ হয়েছে এবং আমরাতো আপনার নিকট থেকেই তা শিখেছি। রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, তবে আমি তা অন্য কারও কণ্ঠে শুনতে অধিক পছন্দ করি।
(বুখারী ও মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাই ও তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في فضل استماع القرآن والبكاء عند ذلك
عن أبي حيان الأشجعي عن ابن مسعود رضي الله عنه قال قال لي اقرأ علي من القرآن قال فقلت له اليس منك تعلمته وأنت تقرئنا؟ فقال اني اتيت النبي صلى الله عليه وسلم ذات يوم فقال اقرأ علي القرآن قال فقلت يارسول الله اليس عليك أنزل ومنك تعلمناه قال بلى ولكني أحب أسمعه من غيري
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াত শোনার ফাজিলত এবং তখন ক্রন্দন করা প্রসঙ্গ।
৬৬। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি আমাকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনও। আমি বললাম, হে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমি কিভাবে আপনাকে কুরআন তিলাওয়াত করে শোনাবো? কুরআন তো আপনার নিকটই নাজিল হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি তা অন্য কারও কণ্ঠে শুনতে পছন্দ করি। আব্দুল্লাহ (রা) বলেন, আমি তখন সূরা নিসা তাঁর সামনে তিলাওয়াত করলাম যখন (৪১ তম) আয়াত
فَكَيْفَ إِذَا جِئْنَا مِنْ كُلِّ أُمَّةٍ بِشَهِيْدٍ وَجِئْنَا بِكَ عَلَى هَؤُلَاءِ شَهِيدًا (যখন আমি প্রত্যেক উম্মত হতে একজন সাক্ষী উপাস্থিত করব এবং তোমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষীরূপে উপস্থিত করব, তখন কি অবস্থা হবে? তিলাওয়াত করলাম, তখন আমি দেখলাম রাসুল (ﷺ) এর দুচোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে।
(বুখারী, মুসলিম অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في فضل استماع القرآن والبكاء عند ذلك
عن عبد الله قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرأ علي القرآن قلت يا رسول الله كيف أقرأ عليك وانما أنزل عليك؟ قال اني اشتهي ان اسمعه من غيري (2) قال فاستفتحت سورة النساء فقرأت عليه فلما بلغت (فكيف (3) إذا جئنا من كل أمة بشهيد وجئنا بك على هؤلاء شهيدا) قال (4) نظرت اليه وعيناه تذرفان
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন তিলাওয়াত শোনার ফাজিলত এবং তখন ক্রন্দন করা প্রসঙ্গ।
৬৭। আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাবের একটি আয়াত মনযোগসহকারে শ্রবণ করে তার জন্য বর্ধনশীল সাওয়াব লেখা হয়। আর যে তা তিলাওয়াত করে কিয়ামতের দিন তার জন্য একটি জ্যোতি থাকবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في فضل استماع القرآن والبكاء عند ذلك
عن ابي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من استمع إلى آية من كتاب الله تعالى (7) كتب له حسنة مضاعفة (8) ومن تلاها كانت له نورا يوم القيامة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন এর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা, তা স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলেগেছি এরূপ বলতে মানা প্রসঙ্গ।
৬৮। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে তিনি বলেন তোমাদের কারও জন্য কতই না অশোভনীয় কথা অথবা কতই নিকৃষ্ট কথা যে, সে বলবে আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গিয়েছি, বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে, তোমরা কুরআন স্মরণ রাখতে যত্নবান থাক। সে সত্তার শপথ যার হাতে আমার জীবন উটের রশি ছিড়ে পালানো অপেক্ষাও কুরআন বেশি পলায়নপর।
আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা) হতে অপর এক সনদে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, তোমরা এ আসমানী কিতাব এর সাথে কৃত ওয়াদা পালন কর আবার কখনও কখনও বলেছেন, তোমরা কুরআনের সাথে কৃত ওয়াদা পালন কর কেননা রশিতে বাঁধা পশু অপেক্ষা ও কুরআন ব্যক্তির অন্তর থেকে বেশি পলায়পর। বর্ণনাকারী আরও বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এরূপ না বলে যে, আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছ।
(বুখারী মুসলিম, নাসাঈ, তিরমিযী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الحث على تعاهد القرآن واستذكاره والنهي عن أن يقول نسيت آية كذا وكذا
عن عبد الله عن النبي صلى الله عليه وسلم قال بئس مالأحدكم (11) أو بئسا لأحدهم أن يقول نسيت آية كيت وكيت (12) بل هو نسى (13) استذكروا القرآن فوالذي نفسي بيده لهو أشد تفصيا (1) من صدور الرجال من النعم (2) من عقلها (وعنه من طريق ثان) (3) قال تعاهدوا هذه المصاحف وربما قال القرآن (4) فلهو أشد تفصيا من صدور الرجال من النعم من عقله قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يقل أحدكم اني نسيت آية كيت وكيت بل هو نسيى
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন এর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা, তা স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলেগেছি এরূপ বলতে মানা প্রসঙ্গ।
৬৯। আবু মুসা আশআরী (রা) হতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে ও অনুরূপ বর্ণীত আছে।
(মুসলিম, নাসাঈ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الحث على تعاهد القرآن واستذكاره والنهي عن أن يقول نسيت آية كذا وكذا
عن أبي موسى الأشعري عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭০
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন এর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করা, তা স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং আমি অমুক অমুক আয়াত ভুলেগেছি এরূপ বলতে মানা প্রসঙ্গ।
৭০। আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) হতে (ﷺ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, কুরআন তিলাওয়াতকারী রশিতে বাঁধা উট-মালিকের মত যদি মালিক তাকে বেঁধে রাখে তবে তাকে আবদ্ধ রাখতে পারে আর যদি তাকে মুক্ত করে দেয় তবে সে চলে যাবে। আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) হতে অপর এক সূত্রে বর্ণিত আছে) তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কুরআন ওয়ালা যখন কুরআন হিফাজতের ব্যাপারে যত্নবান থাকে এবং তা দিনে রাতে তিলাওয়াত করে, তার উদাহরণ ঠিক ঐ ব্যক্তির মতো যার একটি উট আছে, যাকে সে বেধে রাখলে রক্ষা করতে পারে আর যদি ছেড়ে দেয়, তবে চলে যায় কুরআনওয়ালা ব্যক্তিও এ রকমই।
(বুখারী, মুসলিম ও নাসাঈ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب الحث على تعاهد القرآن واستذكاره والنهي عن أن يقول نسيت آية كذا وكذا
عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال مثل صاحب القرآن (7) مثل صاحب الإبل المعقلة (8) إن عقلها صاحبها حبسها وان اطلقها ذهبت (وعنه من طريق ثان) (9) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل القرآن إذا عاهد عليه صاحبه (10) فقرأه بالليل والنهار كمثل رجل له إبل فإن عقلها حفظها وان اطلق عقلها ذهبت فكذلك صاحب القرآن
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭১
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭১। ঈসা ইব্‌ন ফাইদ (র) হতে বর্ণিত, তিনি জনৈক ব্যক্তি সূত্রে, তিনি সা'দ ইবন উবাদা (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি তাকে একবার বা দুইবার নয় অসংখ্যবার বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ন্যায় পরায়ন বাদশা ব্যতীত যে কোন জনগোষ্ঠীর যে কোন বাদশাকেই কিয়ামতের দিন বন্ধনযুক্ত অবস্থায় হাজির করা হবে, যে বন্ধন থেকে সে মুক্ত হতে পারবে না, আর যে কুরআন তিলাওয়াতকারী তিলাওয়াত করার পর তা ভুলে গেছে সে কিয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে হাতকাটা অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে।
(আবু দাউদ অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن عيسى بن فائد عن رجل عن سعد بن عبادة قال سمعته غير مرة ولا مرتين يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما من أمير عشرة إلا يؤتي به يوم القيامة مغلولا (2) لا يفكه من ذلك الغل (3) إلا العدل وما من رجل قرأ القرآن فنسيه إلأا لفى الله يوم يلقاه وهو أجذم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭২
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭২। 'উবাদা ইবন সামিত (রা) হতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে অনুরূপ আরও একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
وعن عبادة بن الصادمت رضي الله عنه عن النبي مثله
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৩
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৩। আব্দুল্লাহ ইবন 'আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে এমন কতিপয় কুরআন তিলাওয়াতকারী থাকবে যারা ইসলাম থেকে তেমনিভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনিভাবে ধনুক থেকে তীর বেরিয়ে যায়।
(ইবন মাজাহ, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليقرأن القرآن أقوام من أمتي يمرقون (1) من الاسلام كما يمرق السهم من الرمية
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৪
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৪। বাশীর ইবন আবূ আম খাওলানী (র) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওয়ালীদ ইবন কায়স (র) তাঁকে বলেছেন যে, তিনি আবু সাঈদ খুদরী (রা) কে বলতে শুনেছেন, তিনি (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি ষাট হিজরী সালের পর এমন কিছু লোকের আবির্ভাব হবে যারা সালাত নষ্ট করবে এবং কুপ্রকৃতির অনুসরণ করবে, ফলে তারা দ্রুত ক্ষতির মধ্যে পতিত হবে, আর তাদের পর এমন কতিপয় কুরআন তিলাওয়াতকারী আসবে যাদের তিলাওয়াত তাদের অন্তর পর্যন্ত পৌছবে না। কুরআন তিলাওয়াত করবে তিন ব্যক্তি, মুমীন, মুনাফিক ও পাপাচারি। বাশীর (র) বলেন, আমি তখন ওয়ালীদ (র) কে জিজ্ঞাসা করলাম ঐ তিন ব্যক্তি কারা? তখন তিনি বলেন, মুনাফিক ঐ ব্যক্তি যে কুরআন তিলাওয়াত করে অথচ তা মানতে অস্বীকার করে, আর পাপিষ্ঠ সে ব্যক্তি যে ঐ তিলাওয়াতকে জীবিকা অর্জনের মাধ্যম করে নেয়। আর মুমীন ঐ ব্যক্তি, যে ঐ তিলাওয়াতের প্রতি ঈমান রাখে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن بشير بن أبي عمرو الخولاني ان الوليد بن قيس حدثه أنه سمع أبا سعيد الخدري رضي الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يكون خلف (4) من بعد ستين سنة (5) أضاعوا الصلاة واتبعوا الشهوات فسوف يلقون غيا (6) ثم خلف يقرؤن القرآن لا يعدوا تراقيهم (7) ويقرأ القرآن ثلاثة مؤمن ومنافق وفاجر قال بشير فقلت للوليد ما هؤلاء الثلاثة؟ فقال المنافق كافر به والفاجر يتأكل به (8) والمؤمن يؤمن به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৫
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৫। আবু সাঈদ খুদরী (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) তাবুকের বছর মানুষের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা দিলেন তখন তাঁর পৃষ্ঠদেশ একটি খেজুর গাছের সাথে ঠেকানো ছিল, রাসূল (ﷺ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম মানুষ ও সর্বনিকৃষ্ট মানুষের ব্যাপারে তথ্য দিব না? নিঃসন্দেহে মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে মৃত্যু পর্যন্ত আল্লাহর দ্বীনের জন্য ঘোড়ার পিঠে অথবা উটের পিঠে অথবা নিজের পায়ে হেটে ব্যস্ত থাকে, আর মানুষের মধ্যে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঐ পাপিষ্ট, ধৃষ্ট ব্যক্তি যে কুরআন তিলাওয়াত করে অথচ কাউকে তা পালনের জন্য আহ্বান জানায় না।
(নাসাঈ হাকিম, মুস্তাদরাক, অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن أبي سعيد الخدري أنه قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك خطب الناس وهو مسند ظهره إلى نخلة فقال ألا أخبركم بخير الناس وشر الناس؟ ان من خير الناس رجلا عمل في سبيل الله على ظهر فرسه أو على ظهر بعيره أو على قدميه حتى يأتيه الموت وان من شر الناس رجلا فاجرا جريئا يقرأ كتاب الله ولا يدعو (10) إلى شيء منه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৬
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৬। ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তিনি এক ব্যক্তির পার্শ্ব দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন, যে কোন জন গুষ্টিকে কুরআন তিলাওয়াত করে শুনাচ্ছিলেন। তিলাওয়াত শেষে সে তাদের নিকট হাদীয়া চাইল তখন ইমরান (রা) বললেন, ইন্নাল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন, আমি রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করবে সে যেন আল্লাহর কাছেই কিছু চায়, কেননা, এমন দিন আসবে যখন মানুষেরা কুরআন তিলাওয়াত করবে তারপর তা দ্বারা মানুষের নিকট প্রতিদান চাইবে।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن عمران بن حصين قال مر برجل وهو يقرأ على قوم فلما فرغ سأل فقال عمران إنا لله وإنا اليه راجعون اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من قرأ القرآن فليسأل الله تبارك وتعالى به فانه سيجيء قوم يقرؤن القرآن يسألون الناس به
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৭
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৭। আব্দুর রহমান ইবন শিবল (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো, তবে এর বিনিময়ে খাদ্য গ্রহণ করো না, এর বিনিময়ে সম্পদ বৃদ্ধির চেষ্টা করো না, এর থেকে বিমুখ হয়ো না এবং এ ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না।
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن عبد الرحمن ابن شبل قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرؤا القرآن ولا تأكلوا به ولا تستكثروا به ولا تجفوا عنه ولا تغلوا فيه
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৮
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৮। উকবা ইবন 'আমির (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতদের মধ্যে অধিকাংশ মুনাফিকই কুরআন তিলাওয়াত করবে।
(তাবারানী; বায়হাকী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن عقبة بن عامر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أكثر منافقي أمتي قراؤها
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৭৯
আল-কুরআন এর ফযীলত, তাফসীর ও শানে নুযূল অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি কুরআন হিফজ করার পর তা সম্পূর্ণ বা আংশিকরূপে ভুলে যায় অথবা যে তা পাঠ করে মানুষকে দেখানোর জন্য অথবা এর মাধ্যমে জীবিকা অর্জনের জন্য এবং যে ব্যক্তি কুরআন অনুযায়ী আমল করে না, তার কঠোর শাস্তি প্রসঙ্গ।
৭৯। আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
(তাবারানী অন্যান্য গ্রন্থসূত্র।)
كتاب فضائل القرآن وتفسيره وأسباب نزوله
باب ما جاء في الوعيد الشديد لمن نسى القرآن أو بعضه بعد حفظه أو تراآى بقراءته أو تأكل به أو لم يعمل بما فيه
عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم مثله
tahqiq

তাহকীক: