মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৫৪ টি
হাদীস নং: ৮১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ আংটির নকশা, ডান হাতে আংটি পরার বিধান। মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরা মাকরূহ।
৮১। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) রূপার একটি আংটি তৈরী করে তাতে مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللَّهِ খোদাই করলেন। এবং তিনি বললেন, তোমরা আংটিতে এরূপ নকশা কর না।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في نقش الخاتم ولبسه في اليمين وكراهته في الوسطى
81- عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم صنع خاتما من ورق فنقش فيه محمد رسول الله، ثم قال لا تنقشوا عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ আংটির নকশা, ডান হাতে আংটি পরার বিধান। মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরা মাকরূহ।
৮২। ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর আংটিতে مُحَمَّدٌ رَسُوْلُ اللَّهِ অংকিত ছিল।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في نقش الخاتم ولبسه في اليمين وكراهته في الوسطى
82- عن ابن عمر رضي الله عنهما قال كان في خاتم رسول الله صلى الله عليه وسلم محمد رسول الله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ আংটির নকশা, ডান হাতে আংটি পরার বিধান। মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরা মাকরূহ।
৮৩। হযরত আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা মুশরিকদের আগুন হতে আলো গ্রহণ কর না এবং তোমাদের আংটিতে আরবের পরিচিত নকশা অংকন কর না।
(নাসাঈ)
(হাদীসটির সনদে আযহার ইবন রাশিদ বসরী নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন। আবু হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত।)
(নাসাঈ)
(হাদীসটির সনদে আযহার ইবন রাশিদ বসরী নামে একজন বর্ণনাকারী রয়েছেন। আবু হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في نقش الخاتم ولبسه في اليمين وكراهته في الوسطى
83- عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تستضيئوا بنار المشركين ولا تنقشوا خواتيمكم عربيا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ আংটির নকশা, ডান হাতে আংটি পরার বিধান। মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরা মাকরূহ।
৮৪। আমাকে ইয়াযীদ (র) হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমাকে হাম্মাদ ইবন সালামা (র) সংবাদ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ইবন আবি রাফি' (র)-কে স্বীয় ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছি। আমি তাঁকে এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন জা'ফর (রা)-কে স্বীয় ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছেন। আর আবদুল্লাহ ইবন জা'ফর (রা) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বীয় ডান হাতে আংটি পরতেন।
(তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
(তিরমিযী (র) বলেন, বুখারী (র) বলেছেন, উক্ত হাদীস এ অনুচ্ছেদে বিশুদ্ধতম।)
(তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
(তিরমিযী (র) বলেন, বুখারী (র) বলেছেন, উক্ত হাদীস এ অনুচ্ছেদে বিশুদ্ধতম।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في نقش الخاتم ولبسه في اليمين وكراهته في الوسطى
84- حدثنا يزيد أنبأنا حماد بن سلمة قال رأيت ابن أبي رافع يتختم في يمينه فسألته عن ذلك، فذكر أنه رأى عبد الله بن جعفر رضي الله عنهما يتختم في يمينه، وقال عبد الله بن جعفر وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتختم في يمينه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ আংটির নকশা, ডান হাতে আংটি পরার বিধান। মধ্যমা আঙ্গুলে আংটি পরা মাকরূহ।
৮৫। আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে নিষেধ করেছেন যেন আমি এ আঙ্গুলে অর্থাৎ শাহাদাত আঙ্গুলে বা তার পরবর্তী আঙ্গুলে আংটি না পরি।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في نقش الخاتم ولبسه في اليمين وكراهته في الوسطى
85- عن علي رضي الله عنه قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أجعل خاتمي في هذه، السباحة أو التي تليها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৮৬। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী (ﷺ) -এর নিকট বসা ছিলাম। সে সময় এক মহিলা এসে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ। স্বর্ণের হার সম্বন্ধে কী বলেন? তিনি বললেন, এটা জাহান্নামের কংকন। সে বলল, স্বর্ণের দুলদ্বয় সম্বন্ধে কী বলেন? তিনি বললেন, এটা জাহান্নামের দুল। বর্ণনাকারী বলেন, সে মহিলার হাতে দু'টি স্বর্ণের কংকন ছিল। সে এগুলোকে ফেলে দিল। এরপর সে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) যদি আমাদের কেউ স্বীয় স্বামীর সামনে নিজেকে সাজিয়ে না রাখে, তবে সে তার নিকট বোঝা হয়ে দাঁড়ায়? বর্ণনাকারী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, রূপা দ্বারা কানের দুল বানিয়ে তাতে যাফরান মিশিয়ে নিতে তোমাদেরকে কে নিষেধ করে?
(নাসাঈ, আবু দাউদ)
(নাসাঈ, আবু দাউদ)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
86- عن أبي هريرة قال كنت قاعدا عند النبي صلى الله عليه وسلم فجاءته امرأة فقالت يا رسول الله طوق من ذهب، قال طوق من نار، قالت يا رسول الله سواران من ذهب، قال سواران من نار، قالت قرطان من ذهب، قال قرطان من نار، قال وكان عليها سوار من ذهب فرمت به ثم قالت يا رسول الله أن إحدانا إذا لم تزين لزوجها صلفت عنده، قال فقال ما يمنع إحداكن تصنع قرطين من فضة ثم تصفرهما بالزعفران
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৮৭। আবদুর রহমান ইবন গানাম (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি সামান্য পরিমাণ সোনার তৈরী আংটি দ্বারা সজ্জিত হয় অথবা বললেন, যাকে সজ্জিত করা হয়, তাকে কিয়ামতের দিন এটা দ্বারা দাগ দেওয়া হবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, এর সনদে বর্ণনাকারী 'শাহর ইবন হাওশাব' দূর্বল। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, এর সনদে বর্ণনাকারী 'শাহর ইবন হাওশাব' দূর্বল। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
87- عن عبد الرحمن بن غنم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من تحلى أو حلى يحر بصيصة من ذهب كوى بها يوم القيامة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৮৮। 'আতা (র) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। আতা (র) বলেন, একদা উম্মু সালামা (রা) স্বর্ণের হার বানিয়ে গলায় পরলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার নিকট উপস্থিত হয়ে (স্বর্ণের হার দেখে) তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। (উম্মু সালামা (রা) বলেন,) তখন আমি বললাম, আপনি কেন আমার অলংকারের দিকে তাকাচ্ছেন না? তিনি বললেন, তোমার অলংকারের কারণেই আমি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছি। আতা বললেন, লোকেরা মনে করেছেন যে, তিনি বলেছেন, যদি তোমাদের কেউ রূপা দ্বারা হার বানিয়ে তাতে যাফরান মিশিয়ে নেয়, তবে এটা তার জন্য দূষণীয় নয়।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (রা)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (রা)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
88- عن عطاء عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم ورضى عنها قال جعلت شعائر من ذهب في رقبتها فدخل النبي صلى الله عليه وسلم فأعرض عنها، فقلت ألا تنظر إلى زينتي؟ فقال عن زينتك أعرض قال زعموا أنه قال ما ضر إحداكن لو جعلت خرصا من ورق ثم جعلته بزعفران
তাহকীক:
হাদীস নং: ৮৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৮৯। তারই সূত্রে উম্মু সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি একটি হার পরলাম। তাতে স্বর্ণের সুতা জড়ানো ছিল। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সেটা দেখে আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন এবং বলেন, যখন আল্লাহ তোমাকে কিয়ামতের দিন এর পরিবর্তে আগুনের সূতা গলায় পরাবেন, তখন তোমাকে কোন জিনিস রক্ষা করবে? তিনি বলেন, এরপর আমি খুলে ফেললাম।
(তবারানী)
(হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(তবারানী)
(হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
89- وعنه أيضا عن أم سلمة رضي الله عنها قالت لبست قلادة فيها شعرات من ذهب قالت فرآها رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعرض عني، فقال ما يؤمنك أن يقلدك الله مكانها يوم القيامة شعرات من نار قالت فنزعتها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯০। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর আযাদকৃত দাস হযরত সাওবান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হুবায়রার কন্যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত হল। সে সময় তার হাতে কয়েকটি স্বর্ণের আংটি ছিল। এগুলোকে 'ফাতখ' (বড় মাপের আংটি অথবা পাথরবিহীন আংটি) বলা হত। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বীয় ক্ষুদ্র লাঠি দ্বারা তার হাতে আঘাত করছিলেন এবং বলছিলেন, তোমার জন্য কি এটা আনন্দদায়ক হবে যে, আল্লাহ তোমার হাতে জাহান্নামের আংটি পরাবেন? এরপর সে ফাতিমা (রা)-এর নিকট এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তার সঙ্গে যে আচরণ করেছেন এ সম্বন্ধে অভিযোগ করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সেখানে গেলাম। তিনি দরজার একপাশে দাঁড়ালেন। যখন তিনি (কারো ঘরে যাওয়ার জন্য) অনুমতি চাইতেন, তখন দরজার একপাশে দাঁড়াতেন। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর ফাতিমা (রা) হুবায়রার কন্যাকে বললেন, তুমি এই চেইনটি দেখ; এটা হাসানের পিতা আমাকে উপহার দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর হাতে স্বর্ণের তৈরী একটি চেইন ছিল। তারপর নবী এর প্রবেশ করে বললেন, হে ফাতিমা। নিঃসন্দেহে লোকেরা বলবে যে, মুহাম্মদের কন্যা ফাতিমার হাতে জাহান্নামের চেইন রয়েছে। তারপর, তিনি তাকে কঠোর ভাষায় ভর্ৎসনা করে চলে আসলেন, তার নিকট বসলেন না। তারপর ফাতিমা (রা) চেইন সম্বন্ধে নির্দেশ দিলে তা বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর তিনি এর মূল্য দ্বারা একটি দাস খরিদ করে আযাদ করলেন। নবী (ﷺ) এটা শুনে 'আল্লাহু আকবার' উচ্চারণ করে বললেন, الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي نَجي فَاطِمَةَ مِنَ النَّارِ ) প্রশংসা আল্লাহর জন্য; যিনি ফাতিমাকে জাহান্নাম হতে রক্ষা করেছেন।)
(নাসাঈ)
(হাদীসটি সহীহ। এর সনদে সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(নাসাঈ)
(হাদীসটি সহীহ। এর সনদে সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
90- عن ثوبان مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ابنة هبيرة دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي يدها خواتيم من ذهب يقال لها الفتخ فجعل رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرع يدها بعصية معه يقول لها أيسرك أن يجعل الله في يدك خوايم من نار؟ قال فاطمة رضي الله عنها فشكت إليها ما صنع بها رسول الله صلى الله عليه وسلم قال وانطلقت أنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام خلف الباب وكان إذا استأذن قام خلف الباب، قال فقالت لها فاطمة انظري إلى هذه السلسة التي أهداها إلىّ أبو حسن قال وفي يدها سلسلة من ذهب فدخل النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا فاطمة بالعدل أن يقول الناس فاطمة بنت محمد وفي يدك سلسة من نار، ثم عذمها عذما شديدا ثم خرج ولم يقعد فأمرت بالسلسلة فبيعت فاشترت بثمنها عبدا فأعتقته فلما سمع بذلك النبي صلى الله عليه وسلم كبّر وقال الحمد لله الذي نجى فاطمة من النار
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯১। উম্মুল কিরাম (র) থেকে বর্ণিত যে, তিনি হজ্জ পালনের জন্য রওয়ানা হন। মক্কায় পৌছে তিনি এক মহিলার সঙ্গে মিলিত হন; যার সাথে অনেক দাস দাসী ছিল। তাদের গায়ে রূপা ব্যতীত অন্য কিছুর অলংকার ছিল না। আমি তাকে বললাম, আমার কি হল যে, আমি আপনার সেবক দলের কারো নিকট রূপা ব্যতীত অন্য কিছুর অলংকার দেখছি না? সে বলল, একদা আমার দাদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত ছিলেন। আমিও তার সঙ্গে ছিলাম। সে সময় আমার কানে স্বর্ণের দুটি দুল ছিল। তখন (ﷺ) রাসূলুল্লাহর বললেন, এ দু'টি অগ্নি-স্ফুলিঙ্গ। সুতরাং আমরা নবী-পরিবারের সদস্য; আমাদের কেউ রূপা অলংকার ব্যতীত অন্য কিছুর অলংকার পরে না।
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী উম্মুল কিরাম অজ্ঞাত। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী উম্মুল কিরাম অজ্ঞাত। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
91- عن أم الكرام أنها حجت قالت فلقيت امرأة بمكة كثيرة الحشم ليس عليهن حلىّ إلا الفضة فقلت لها مالي لا أرى على أحد من حشمك حليا إلا الفضة؟ قالت كان جدي عند رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا معه علىّ قرطان من ذهب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم شهابان من نار، فنحن أهل البيت ليس أحد منا بلبس حليا إلا الفضة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯২। শাহর ইবন হাওশাব (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রা) আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বায়'আত গ্রহণের জন্য মুসলামন মহিলাদেরকে একত্র করলেন। তখন আসমা (রা) তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি আমাদের জন্য আপনার হাত খুলে দিবেন না (যেন আমরা মুসাফাহা করতে পারি)? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, আমি মহিলাদের সঙ্গে মুসাফাহা করি না: তবে তাদের নিকট হতে বায়'আত গ্রহণ করি। (বর্ণনাকারী বলেন,) উপস্থিত মহিলাদের মধ্যে একজন তাঁর (আসমা বিনতু ইয়াযীদের) খালা ছিলেন। তার পরনে স্বর্ণের দু'টি বালা এবং স্বর্ণের কয়েকটি আংটি ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন, হে মহিলা। তোমার জন্য কি এটি আনন্দদায়ক হবে যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাকে জাহান্নামের আগুন হতে তৈরী দু'টি বালা এবং আংটি পরাবেন? মহিলা বললেন, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ! এটা হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে খালা! আপনার পরনে যা আছে সেগুলো ফেলে দিন। তখন তিনি সেগুলো ফেলে দিলেন। (বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব (র) বলেন,) এরপর আসমা (রা) আমার নিকট বর্ণনা করে বলেন যে, হে বৎস! আল্লাহর শপথ! তিনি এগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। আমি জানি না, পরে কে এগুলো সে স্থান হতে কুড়িয়েছে? আমাদের কেউ সে দিকে দৃষ্টিপাত করেন নি। আসমা (রা) বলেন, আমি বললাম, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ! যদি তারা তাদের স্বামীদের জন্য সেজে-গুজে উপস্থিত হয়, তবে তাদেরকে স্বীয় স্বামীর কঠোরতার শিকার হতে হয়। নবী বললেন, তোমাদের কারো জন্য এটা দোষনীয় নয় যে, সে রূপা দ্বারা দু'টি বালা তৈরী করবে এবং এর জন্য রূপা দ্বারা মুক্তাসদৃশ দু'টি দানা তৈরী করবে; এরপর এগুলোতে সামান্য যাফরান মিশিয়ে আঙ্গুলে ঢুকিয়ে দিবে। তখন এটা স্বর্ণের ন্যায় চমকাতে থাকবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দুর্বল।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দুর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
92- عن شهر بن حوشب قال حدثني أسماء بنت يزيد أن رسول الله صلى عليه وسلم جمع نساء المسلمين المبيعة فقالت له أسماء ألا تحسر لنا عن يدك يا رسول الله؟ فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أني لست أصافح النساء ولكن آخذ عليهن وفي النساء خالة لها عليها قلبان من ذهب وخواتيم من ذهب، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا هذه هل يسرك أن يحليك الله يوم القيامة من جمر جهنم سوارين وخواتيم؟ فقالت أعوذ بالله يا نبي الله، قالت قلت يا خالتي اطرحي ما عليك فطرحته، فحدثني أسماء والله يا بني لقد طرحته فما أدرى من لقطه من مكانه ولا التفت منا أحد إليه، قالت أسماء فقلت يا نبي الله أن إحداهم تصلف عند زوجها إذا ل تملح له أو تحلى له، قال نبي الله صلى الله عليه وسلم ما على أحدا كن أن تتخذ قرطين من فضة وتتخذ لها جمانتين من فضة فتدرجها بين أناملها بشيء من زعفران فإذا هو كالذهب يبرق
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৩। তারই সূত্রে আসমা বিনত ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসুলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট বায়'আত গ্রহণ করার জন্য আসলাম। আমি কাছে গেলাম। সে সময় আমার পরনে স্বর্ণের দু'টি বালা ছিল। তিনি এগুলোর চমক দ্বারা বুঝে ফেলেন। তখন তিনি বললেন, হে আসমা। বালাদ্বয় ফেলে দাও। তুমি কি এই ভয় কর না যে, আল্লাহ তোমাকে আগুনের বালা পরাবেন? আসমা (রা) বলেন, এরপর আমি বালাদ্বয় ফেলে দিলাম। আমি জানি না, কে এগুলো উঠিয়ে নিয়েছে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন এবং আবু দাউদ (র) সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দুর্বল আর বর্ণনাকারী 'দাউদ আইদী-কে ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। অন্য বর্ণনায় তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন এবং আবু দাউদ (র) সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দুর্বল আর বর্ণনাকারী 'দাউদ আইদী-কে ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। অন্য বর্ণনায় তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
93- وعنه أيضا عن أسماء بنت يزيد قالت أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم لأبايعه فدنوت وعلىّ سواران من ذهب فبصر بيصيصها فقال ألقى السوارين يا أسماء، أما تخافين أن يسورك الله بسوار من نار؟ قالت فألقيتهما فما أدرى من أخذهما
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৪। তারই সূত্রে বর্ণিত যে, আসমা বিনত ইয়াযীদ (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর খেদমত করতেন। তিনি বলেন, একদা আমি তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। সে সময় আমার খালা আসলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে (বিভিন্ন বিষয়ে) জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন। তখন তাঁর পরনের স্বর্ণের দু'টি বালা ছিল। নবী (ﷺ) তাকে বললেন, এটা কি তোমার জন্য আনন্দদায়ক হবে যে, তোমার পরনে আগুনের দু'টি বালা হোক? তিনি বলেন, আমি আমার খালাকে বললাম, হে খালা। তিনি তো আপনার এই বালাদ্বয় সম্বন্ধে বলছেন। তখন তিনি এগুলো ফেলে দেন। তিনি বললেন, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ! যদি মহিলারা সাজ- সজ্জা না করে, তবে তারা তাদের স্বামীর কঠোরতার শিকার হয়। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাঁসলেন এবং বললেন, তোমাদের কেউ কি এটা পারে না যে, সে রূপা দ্বারা হার বানাবে, রূপা দ্বারা মালা বানাবে: তারপর তাতে যাফরান মিশাবে। তখন মনে হবে যেন এটা স্বর্ণের তৈরী। যে ব্যক্তি ফড়িংযের চোখ পরিমাণ স্বর্ণ অথবা স্বর্ণের ক্ষুদ্র অংশ দ্বারা তৈরী আংটি দ্বারা সজ্জিত হয়, কিয়ামতের দিন তাকে এটা দ্বারা দাগ দেওয়া হবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
94- وعنه أيضا أن أسماء بنت يزيد رضي الله عنها كانت تخدم النبي صلى الله عليه وسلم قالت فبينما أنا عنده إذ جاءته خالتي قالت فجعلت تسائله وعليها سواران من ذهب، فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم أيسرك أن عليك سوارين من نار؟ قالت قلت يا خالتي إنما يعني سواريك هذين، قالت فألقتهما، قالت يا نبي الله أنهن إذا لم يتحلين صلفزعند أزواجهن، فضحك رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال أما تستطيع أحدا كن أن تجعل طوقا من فضة وجمانة من فضة ثم تخلقه بزعفران فيكون كأنه من ذهب، فإن من تحلى وزن عين جرادة من ذهب أو حر بصيصة كوى بها يوم القيامة
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৫। মাহমূদ ইবন আমর (র) থেকে বর্ণিত যে, আসমা বিনতে ইয়াযীদ (র) তাকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে কোন মহিলা স্বর্ণের হার পরবে, কিয়ামতের দিন সে পরিমাণ আগুন তার ঘাড়ে রাখা হবে। আর যে কোন মহিলা নিজ কানে স্বর্ণের দুল ব্যবহার করবে, কিয়ামতের দিন সে পরিমাণ আগুন তার ঘাড়ে রাখা হবে।
(নাসাঈ, আবু দাউদ)
(হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(নাসাঈ, আবু দাউদ)
(হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
95- عن محمود بن عمرو أن أسماء بنت يزيد حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما امرأة تحلت قلادة من ذهب جعل في عنقها مثلها من النار يوم القيامة، وأيما امرأة جعلت في أذنها خرصة من ذهب جعل في أذنها مثلها من النار يوم القيامة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৬। আসমা বিনতে ইয়াযীদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, স্বর্ণের তৈরী কোন কিছু ব্যবহার করা যাবে না এবং তার ক্ষুদ্রতম অংশও না।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দূর্বল।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব দূর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
96- عن أسماء بنت يزيد قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يصح من الذهب شيء ولا بصيصة
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৭। তারই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ও আমার খালা নবী (ﷺ) -এর নিকট গেলাম। সে সময় আমাদের পরনে স্বর্ণের বালা ছিল। তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা কি ইহার যাকাত আদায় কর? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, না। তিনি বললেন, তোমাদের কি এই ভয় নেই যে, আল্লাহ তোমাদেরকে আগুনের বালা পরাবেন? তোমরা এর যাকাত আদায় করবে।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী 'আলী ইবন আসিম' বিতর্কিত।
হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী 'আলী ইবন আসিম' বিতর্কিত।
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
97- وعنها أيضا قال دخلت أنا وخالتي على النبي صلى الله عليه وسلم وعلينا اسورة من ذهب فقال لنا أتعطيان زكاته؟ قالت فقلنا لا، قال أما تخافان أن يسور كما الله اسورة من نار؟ أديا زكاته
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৯৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৮। রিব'ঈ ইবন খিরাশ (র) তার স্ত্রী থেকে, তিনি হুযায়ফা (রা)-এর বোন থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তিনি বললেন, হে নারী সম্প্রদায়। তোমাদের জন্য রূপার কি এমন কিছু নেই যা দ্বারা তোমরা সাজতে পার? শুনে রেখো। তোমাদের যে কোন নারী স্বর্ণ পরে তা প্রকাশ করবে, কিয়ামতের দিন অবশ্যই তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(মুনযিরী (র) বলেন, রিব'ঈ (র)-এর স্ত্রী অজ্ঞাত।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(মুনযিরী (র) বলেন, রিব'ঈ (র)-এর স্ত্রী অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
98- عن ربعى بن خراش عن امرأته عن أخت حذيفة رضي الله عنها قالت خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا معشر النساء أما لكن في الفضة ما تحلين به؟ أما أنه ما منكن من امرأة تلبس ذهبا تظهره إلا عذبت به يوم القيامة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৯৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
৯৯। মুহাম্মাদ ইবন সালামা ইবন আসওয়াদ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি খুসায়ফ (র) ও মারওয়ান ইবন শুজা' (র) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমার কাছে খুসায়ফ (র) মুজাহিদ (র) থেকে, তিনি আয়েশা (রা) থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। মারওয়ান (র) বলেন, আমি হযরত আয়েশা (রা)-কে বলতে শুনেছি, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বর্ণ ব্যবহার করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, তখন আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ। বালা তৈরীতে সামান্য স্বর্ণ সংযুক্ত করতে পারবো না? তিনি বললেন, তোমরা কেন এটাকে রূপা দ্বারা বাঁধাই করে তাতে যাফরান মিশাও না। তবে তো এটা স্বর্ণের ন্যায় হত?
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবু ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবু ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
99- حدّثنا محمد بن سلمة بن الأسود عن خصيف ومروان ابن شجاع قال حدثني خصيف عن مجاهد عن عائشة وقال مروان سمعت عائشة رضي الله عنها تقول قالت لما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبس الذهب قلنا يا رسول الله ألا تربط ألمسك بشيء من ذهب؟ قال أفلا تربطونه بالفضة ثم تلطخونه بزعفران فيكون مثل الذهب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ মহিলাদের জন্য স্বর্ণের অলংকার পরা নিষিদ্ধ এবং রূপার অলংকার পরা বৈধ।
১০০। মুহাম্মাদ ইবন সালামা (র) খুসায়ফ (র) সূত্রে আমার কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ (র) বলেন, আমার কাছে, মারওয়ান (র) আতা (র) থেকে, তিনি উম্মু সালামা (রা) থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
كتاب اللباس والزنية
باب منع النساء من التحلي بالذهب وجوازه لهن بالفضة
100- حدّثنا محمد بن سلمة عن خصيف وحدثنا مروان قال ثنا خصيف عن عطاء عن أم سلمة مثل ذلك
তাহকীক: