মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ২৫৪ টি
হাদীস নং: ২১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পাগড়ী, সেলোয়ার এবং ইয়ামানী পোশাক
২১। হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) মক্কা বিজয়ের দিন স্বীয় মাথায় কাল বর্ণের পাগড়ী পরে মক্কায় প্রবেশ করেন।
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
كتاب اللباس والزنية
ما جاء في العمامة والسراويل وحلل الحبرة
21- عن جابر أن النبي صلى الله عليه وسلم دخل يوم فتح مكة وعليه عمامة سوداء
হাদীস নং: ২২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পাগড়ী, সেলোয়ার এবং ইয়ামানী পোশাক
২২। জা'ফর ইবন আমর ইবন হুরায়স (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত যে, নবী স্বীয় মাথায় কাল বর্ণের পাগড়ী পরে খুতবা দিয়েছেন।
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয়)
كتاب اللباس والزنية
ما جاء في العمامة والسراويل وحلل الحبرة
22- عن جعفر بن عمرو بن حريث عن أبيه رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم خطب الناس وعليه عمامة سوداء
হাদীস নং: ২৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পাগড়ী, সেলোয়ার এবং ইয়ামানী পোশাক
২৩। সুওয়ায়দ ইবন কায়স (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং মাখরামা আবদী (রা) দু'জন মিলে হাজার নামক স্থান হতে (ব্যবসার উদ্দেশ্যে) কিছু কাপড় নিয়ে (মক্কায়) আসলাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট এসে একটি পায়জামা খরিদ করতে চাইলেন। সে সময় আমাদের নিকট কিছুলোক পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পরিমাপের কাজ করছিল। তিনি এক পরিমাপকারীকে বললেন, (মূল্য) পরিমাপ কর এবং পাল্লা কিছুটা ঝুঁকিয়ে দাও।
(মুনযিরী (র) বলেছেন, ইহা মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয় বর্ণনা করেছেন।)
(মুনযিরী (র) বলেছেন, ইহা মুসলিম ও ইমামচতুষ্ঠয় বর্ণনা করেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
ما جاء في العمامة والسراويل وحلل الحبرة
23- عن سويد بن قيس قال جلبت أنا ومخرمة العبدي رضي الله عنه ثيابا من هجر قال فأتانا رسول الله صلى الله عليه وسلم فساومنا في سراويل وعندنا وزانون يزنون بالأجر فقال للوزان زن وأرجح
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পাগড়ী, সেলোয়ার এবং ইয়ামানী পোশাক
২৪। কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট সর্বাধিক প্রিয় (অন্য বর্ণনায় পছন্দনীয়) পোশাক কি ছিল? তিনি বললেন, কাতান কাপড়ের পোশাক।
(বুখারী, মুসলিম ও ইমামত্রয়)
(বুখারী, মুসলিম ও ইমামত্রয়)
كتاب اللباس والزنية
ما جاء في العمامة والسراويل وحلل الحبرة
24- عن قتادة قال قلت لأنس أي اللباس كان أعجب وفيه رواية أحب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الحبرة
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ পাগড়ী, সেলোয়ার এবং ইয়ামানী পোশাক
২৫। আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন হুশায়ম (র) তিনি বলেন, আমাকে ইউনুস (র) থেকে সংবাদ দিয়েছেন যে, একদা উমর ইবন খাত্তাব (রা) তামাত্তু' হজ্জ নিষেধ করার ইচ্ছা করেছিলেন তখন উবাই (রা) তাকে বললেন এটা আপানি করতে পারবেন না। কেননা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সঙ্গে আমরা তামাত্তু হজ্জ করেছি। কিন্তু তিনি আমাদেরকে এটা হতে নিষেধ করেন নি। তখন উমর (রা) তা থেকে বিরত থাকেন। এবং তিনি ইয়ামানী চাদর পরতে নিষেধ করতে ইচ্ছা করেছিলেন। কেননা, এটাকে পেশাবে ভিজানো হয়। তখন উবাই (রা) তাঁকে বললেন, এটাও আপনি করতে পারবেন না। কেননা, নবী এটা পরিধান করেছেন এবং আমরাও তাঁর যুগে পরিধান করেছি।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে উমর (রা) হতে হাসান (র)-এর শ্রবণ প্রমাণিত নেই।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে উমর (রা) হতে হাসান (র)-এর শ্রবণ প্রমাণিত নেই।)
كتاب اللباس والزنية
ما جاء في العمامة والسراويل وحلل الحبرة
25- حدثنا هشيم أنبأنا يونس عن الحسن أن عمر بن الخطاب رضي الله عنه أراد أن ينهى عن متعة الحج فقال له أبي يعني ابن كعب ليس ذاك لك قد تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينهنا عن ذلك، فأضرب عن ذلك عمر وأراد أن ينهى عن حلل الحبرة لأنها تصبغ بالبول فقال له أبي ليس ذلك لك قد لبسها النبي صلى الله عليه وسلم ولبسناهن في عهده
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ২৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ নতুন কাপড় পরলে কী বলবে
২৬। উমর ইবন খাত্তাব (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি নতুন কাপড় সংগ্রহ করে পরিধান করে এবং হাঁসুলির হাড় পর্যন্ত পৌছার পর এই দু'আ পড়ে-
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي
(অর্থ: আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি আমাকে এমন বস্তু পরিয়েছেন যা দ্বারা আমি নিজ সতর ঢাকতে পারি এবং আমার জীবনে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি।)
এরপর সে তার পুরাতন কাপড় পরিধান না করার ইচ্ছা করে এবং তা সাদাকা করে দেয়; তবে সে জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে, জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে, জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে আল্লাহর যিম্মায় থাকবে, আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকবে এবং আল্লাহর হিফাযতে থাকবে।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি গারীব।)
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَسَانِي مَا أُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي، وَأَتَجَمَّلُ بِهِ فِي حَيَاتِي
(অর্থ: আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি আমাকে এমন বস্তু পরিয়েছেন যা দ্বারা আমি নিজ সতর ঢাকতে পারি এবং আমার জীবনে সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারি।)
এরপর সে তার পুরাতন কাপড় পরিধান না করার ইচ্ছা করে এবং তা সাদাকা করে দেয়; তবে সে জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে, জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে, জীবদ্দশায় এবং মরণের পরে আল্লাহর যিম্মায় থাকবে, আল্লাহর সান্নিধ্যে থাকবে এবং আল্লাহর হিফাযতে থাকবে।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি গারীব।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما يقول من استجد ثوبا
26- عن عمر ابن الخطاب رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من استجد ثوبا فلبسه فقال حين يبلغ ترقرته الحمد لله الذي كساني ما أواري به عورتي وأتجمل به في حياتي ثم عمد إلى الثوب الذي أخلق أو قال ألقى فتصدق به كان في ذمة الله تعالى وفي جوار الله وفي كنف الله حيا وميتا حيا وميتا حيا وميتا
হাদীস নং: ২৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ নতুন কাপড় পরলে কী বলবে
২৭। আবু মাতার বসরী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি আলী (রা)-এর সাক্ষাত পেয়েছিলেন। তিনি বলেন যে, আলী (রা) তিন দিরহামের বিনিময়ে একটি কাপড় খরিদ করলেন। এরপর যখন তিনি তা পরিধান করেন তখন বললেন,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
এরপর তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে এরূপ বলতে শুনেছি।
(হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবন ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী মুখতার ইবন নাফি' সম্বন্ধে বুখারী (র), মুসলিম (র), নাসাঈ (র) ও আবু হাতিম (র) বলেছেন, তার হাদীস পরিতাজ্য। আর বর্ণনাকারী আবু মাতার জুহানী বাসরী সম্বন্ধে আবূ হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত।)
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
এরপর তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে এরূপ বলতে শুনেছি।
(হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবন ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী মুখতার ইবন নাফি' সম্বন্ধে বুখারী (র), মুসলিম (র), নাসাঈ (র) ও আবু হাতিম (র) বলেছেন, তার হাদীস পরিতাজ্য। আর বর্ণনাকারী আবু মাতার জুহানী বাসরী সম্বন্ধে আবূ হাতিম (র) বলেছেন, তিনি অজ্ঞাত।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما يقول من استجد ثوبا
27- عن أبي مطر البصري وكان قد أدرك عليا رضي الله عنه أن عليا اشترى ثوبا بثلاثة درهم فلما لبسه قال الحمد لله الذي رزقني من الرياش ما أتجمل به في الناس وأواري به عورتي ثم قال هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ নতুন কাপড় পরলে কী বলবে
২৮। আবু মাতার (র) থেকেই বর্ণিত যে, তিনি আলী (রা)-কে দেখলেন যে, তিনি এক অল্পবয়সের বালকের নিকট আসলেন এবং তার নিকট হতে তিন দিরহামের বিনিময়ে একটি জামা নিলেন। তারপর তা পরিধান করলেন। সেটা দুই হাতের কজি হতে পায়ের টাখনু পর্যন্ত লম্বা ছিল। তিনি পরিধান করার সময় বলছিলেন,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
এরপর তাঁকে বলা হল, এটা আপনি নিজের পক্ষ হতে বলেছেন, নাকি নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, এটা আমি রাসূল (ﷺ) -এর নিকট হতে শুনেছি। তিনি পোষাক পরিধান করাকালে বলেছিলেন,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবু ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী মুখতার ইবন নাফি' দূর্বল।)
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
এরপর তাঁকে বলা হল, এটা আপনি নিজের পক্ষ হতে বলেছেন, নাকি নবী (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, এটা আমি রাসূল (ﷺ) -এর নিকট হতে শুনেছি। তিনি পোষাক পরিধান করাকালে বলেছিলেন,
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي رَزَقَنِي مِنَ الرِّيَاشِ مَا أَتَجَمَّلُ بِهِ فِي النَّاسِ، وَأُوَارِي بِهِ عَوْرَتِي
(অর্থ: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাকে এমন পোষাক দান করেছেন যা দ্বারা আমি লোক-সমাজে সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারি এবং আমি আমার সতর ঢেকে রাখতে পারি।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবু ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী মুখতার ইবন নাফি' দূর্বল।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما يقول من استجد ثوبا
28- وعن أبي مطر أيضا أنه رأى عليا رضي الله عنه أتى غلاما حدثا فاشترى منه قميصا بثلاثة دراهم ولبسه إلى ما بين الرسغين إلى الكعبين يقول ولبسه الحمد لله الذي رزقني من الرياش ما أتجمل به في الناس وأواري به عورتي، فقيل هذا شيء تروية عن نفسك أو عن نبي الله صلى الله عليه وسلم؟ قال هذا سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول عند الكسوة الحمد لله الذي رزقني من الرياش ما أتجمل به في الناس وأواري به عورتي صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ নতুন কাপড় পরলে কী বলবে
২৯। আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন নতুন কাপড় পরতেন, তখন তার নাম উল্লেখ করতেন। যেমন, জামা, পাগড়ী। এরপর তিনি বলতেন,
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ ، أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ ، أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرِ مَا صُنِعَ لَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ
হে আল্লাহ! আপনার জন্য সমস্ত প্রশংসা। আপনিই আমাকে এ কাপড় পরিয়েছেন। আমি আপনার নিকট এর কল্যাণ কামনা করি এবং এটাকে যে উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে তার কল্যাণও কামনা করি। আর আমি আপনার নিকট এই কাপড়ের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই এবং এটাকে যে উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে তার অনিষ্ট হতেও আশ্রয় চাই।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ ، أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ ، أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرِ مَا صُنِعَ لَهُ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ
হে আল্লাহ! আপনার জন্য সমস্ত প্রশংসা। আপনিই আমাকে এ কাপড় পরিয়েছেন। আমি আপনার নিকট এর কল্যাণ কামনা করি এবং এটাকে যে উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে তার কল্যাণও কামনা করি। আর আমি আপনার নিকট এই কাপড়ের অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই এবং এটাকে যে উদ্দেশ্যে তৈরী করা হয়েছে তার অনিষ্ট হতেও আশ্রয় চাই।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب ما يقول من استجد ثوبا
29- عن أبي سعيد الخدري قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا استجد ثوبا سماه باسمه قميصا أو عمامة ثم يقول اللهم لك الحمد أنت كسوتنيه أسألك من خيره وخير ما صنع له، وأعوذ بك من شره وشر ما صنع له
হাদীস নং: ৩০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩০। মুতাররিফ (র) সূত্রে আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী (ﷺ)-এর জন্য পশম দ্বারা একটি কালো বর্ণের চাদর তৈরী করেন। (আয়েশা (রা) বলেন,) তখন তিনি চাদর কালবর্ণের এবং তাঁর রং সাদাবর্ণের হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করলেন। পরে তিনি তা পরলেন। তারপর তিনি ঘর্মাক্ত হলে পশমের গন্ধ অনুভব করলেন। এ জন্য সেটাকে ছুঁড়ে মারলেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) তিনি সু-ঘ্রাণ পছন্দ করতেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ)
আবু দাউদ (র) এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবু দাউদ, নাসাঈ)
আবু দাউদ (র) এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
30- عن مطرف عن عائشة رضي الله عنها أنها جعلت للنبي صلى الله عليه وسلم بردة سوداء من صوف فذكر سوادها وبياضه فلبسها فلما عرق وجد ريح الصوف قذفها وكان يحب الريح الطيبة
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩১
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩১। আবু রিমসা তায়মী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমরা তাঁকে কা'বা শরীফের আঙ্গিনায় উপবিষ্ট পেলাম। সে সময় তার গায়ে দু'টি সবুজ বর্ণের চাদর ছিল।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী)
তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান গারীব।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী)
তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান গারীব।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
31- وعن أبي رمشة التيمي قال كنت مع أبي فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فوجدناه جالسا في ظل الكعبة وعليه بردان أخطران
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩২
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩২। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) পুরুষদেরকে যাফরানী রংয়ের পোশাক পরতে নিষেধ করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম, ইমামত্রয় ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম, ইমামত্রয় ও অন্যান্য)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
32- عن أنس بن مالك قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يتزعفر الرجل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩৩। ইয়াহয়া ইবন ইয়া'মুর (র) থেকে বর্ণিত যে, আম্মার (রা) বলেন, আমি (এক সফর হতে) স্বীয় পরিবারের নিকট রাতে ফিরে আসলাম। (সফরকালে) আমার উভয় হাত ফেটে গিয়েছিল। এ জন্য তারা আমাকে যাফরানের প্রলেপ দিল। ভোরবেলা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে সালাম করলাম। কিন্তু তিনি সালামের জবাব দিলেন না এবং আমাকে অভিবাদনও জানালেন না। তিনি বললেন, তুমি এটা ধুয়ে আস। আম্মার (রা) বলেন, আমি ঘরে গিয়ে তা ধৌত করলাম। তারপর তাঁর নিকট এসে তাঁকে সালাম করলাম। তখন তিনি সালামের উত্তর দিলেন ও আমাকে অভিবাদন জানালেন এবং বললেন, নিশ্চয় ফেরেশতাগণ কাফির, যাফরানের প্রলেপদাতা ও জুনুবী ব্যক্তির জানাযায় উপস্থিত হন না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি জুনুবী ব্যক্তিকে ওযু করে নিদ্রায় যাওয়ার এবং পানাহার করার অনুমতি দিয়েছেন।
(আবু দাউদ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আতা খুরাসানীকে ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (র) এবং আবু হাতিম রাযী (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে সাঈদ ইবনে সুমাইয়ির (র) তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।)
(আবু দাউদ। মুনযিরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আতা খুরাসানীকে ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (র) এবং আবু হাতিম রাযী (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে সাঈদ ইবনে সুমাইয়ির (র) তাকে মিথ্যাবাদী বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
33- عن يحيى بن يعمر أن عمارا قال قدمت على أهلي ليلا وقد تشققت يداي فضمخوني بالزعفران فغدوت على رسول الله صلى الله عليه وسلم سلمت عليه فلم يرد علي ولم يرحب بي فقال اغسل هذا، قال فذهبت فغسلته ثم جئت وقد بقى علي منه شيء فسلمت عليه فلم يرد علي ولم يرحب بي وقال اغسل هذا عنك، فذهبت فغسلته ثم جئت فسلمت عليه فرد علي ورحب بي وقال إن الملائكة لا تحضر جنازة الكافر ولا المتضمخ بزعفران ولا الجنب ورخص للجنب إذا نام أو أكل أو شرب أن يتوضأ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩৪। যায়দ ইবন আসলাম (র) তার পিতা থেকে, তিনি ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি তার কাপড় যাফরানী রংয়ে রঞ্জিত করতেন এবং (দাড়িতে) যাফরানের তৈল মালিশ করতেন। তাকে বলা হল, কেন আপনি আপনার কাপড়কে যাফরান দ্বারা রঞ্জিত করেন এবং (দাড়িতে) যাফরানের তৈল মালিশ করেন? তিনি বললেন, কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে দেখেছি যে, তিনি এই রংকে বেশি পছন্দ করতেন। তিনি এর তৈল মালিশ করতেন এবং এর দ্বারা তার কাপড় রঞ্জিত করতেন।
(আবু দাউদ, নাসাঈ)
(আবু দাউদ, নাসাঈ)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
34- عن زيد بن أسلم عن أبيه عن ابن عمر أنه كان يصبغ ثيابه ويدهن بالزعفران فقيل له لم تصبغ ثيابك وتدهن بالزعفران؟ قال لأني رأيته أحب الأصباغ إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يدهن به ويصبغ به ثيابه
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩৫
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কাল, সবুজ ও যাফরানী বর্ণের এবং রঙ্গীন কাপড় পরার বিধান।
৩৫। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, (ﷺ) রাসূলুল্লাহ রঙ্গিন কাপড় ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন; যদি শরীরে রংয়ের দাগ না পড়ে এবং ঘ্রাণ না ছড়ায়।
(আবূ ইয়া'লা, বাযযার)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ ইবন উবায়দিল্লাহ দূর্বল। হায়ছামী (র) এবং হাফিয সুয়ূতী (র) তাকে দূর্বল বলেছেন।)
(আবূ ইয়া'লা, বাযযার)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ ইবন উবায়দিল্লাহ দূর্বল। হায়ছামী (র) এবং হাফিয সুয়ূতী (র) তাকে দূর্বল বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب ما جاء في الأسود والأخضر والمزعفر والملونات
35- عن ابن عباس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص في الثوب المصبوغ ما لم يكن به نفض ولا ردع
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৬
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কমলা রংয়ের পোশাক পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ এবং লাল রংয়ের পোশাক পরার বিধান।
৩৬। আবদুল্লাহ ইবন 'আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার গায়ে দু'টি কমলা রংয়ের কাপড় দেখে বললেন, এটা কাফিরদের পোষাক। তুমি তা পরিধান করো না। (অন্য বর্ণনায়: তিনি বললেন, এটা পরিত্যাগ কর। কেননা, এটা কাফিরদের পোষাক।
(মুসলিম, নাসাঈ, তায়ালিসী)
(মুসলিম, নাসাঈ, তায়ালিসী)
كتاب اللباس والزنية
باب نهى الرجال عن المعصفر وما جاء في الأحمر
36- عن عبد الله بن عمرو أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأي علي وبين معصفرين قال هذه ثياب الكفار لا تلبسها وفي لفظ قال ألقها فإنها ثياب الكفار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কমলা রংয়ের পোশাক পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ এবং লাল রংয়ের পোশাক পরার বিধান।
৩৭। আমর ইবন শু'আয়ব (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সঙ্গে 'আযাখির' গিরিপথ হতে অবতরণ করলাম। বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে, আমার গায়ে মিহিন সূতার তৈরী উসফুর রঞ্জিত পোশাক পরিহিত। আমি অনুভব করতে পারলাম যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটাকে অপছন্দ করেছেন। এরপর আমি আমার পরিবারের নিকট আসলাম। সে সময় তারা তাদের চুলায় আগুন জ্বালাচ্ছিল। তখন আমি এটাকে ভাঁজ করে সেখানে ফেলে দিলাম। তারপর আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট আসলে তিনি বললেন, তোমার সে পোশাক কি হল? বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, আপনি যে বস্তুকে অপছন্দ করেছেন তা আমি বুঝতে পেরে আমার পরিবারের নিকট আসলাম। সে সময় তারা তাদের চুলায় আগুন জ্বালাচ্ছিল। তখন আমি সেখানে ফেলে দিলাম। তখন নবী বললেন, তুমি এটাকে তোমারর পরিবারের কাউকে দিয়ে দিতে? বর্ণনাকারী বলেন, যখন রাসুলুল্লাহ (ﷺ) ও তাদেরকে নিয়ে 'আযাখির' গিরিপথ হতে অবতরণ করেন, তখন একটি দেওয়ালকে সামনে রেখে সালাত আদায় করেন। সে সময় একটি মেষশাবক নবী -এর সম্মুখ দিয়ে অতিক্রম করছিল। নবী এটাকে প্রতিহত করছিলেন; আর সে দেয়ালের নিকটে আসছিল। আমি লক্ষ্য করলাম যে, এরূপ করতে করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর পেট দেয়ালের সঙ্গে মিশে গেল। তখন মেষশাবকটি তার পিছন দিক দিয়ে চলে গেল।
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ) ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ) ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب اللباس والزنية
باب نهى الرجال عن المعصفر وما جاء في الأحمر
37- عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده قال هبطنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم من ثنية أداخر قال فنظر إلي رسول الله صلى الله عليه وسلم فإذا علي زيطة مضرجة بعصفر فقال ما هذا؟ فعرفت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد كرهها فأتيت أهلي وهم يسجرون تنورهم فلففتها ثم ألقيتها فيه ثم أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما فعلت الريطة؟ قال قلت قد عرفت ما كرهت فأتيت أهلي وهم يسجرون تنورهم فألقيتها فيه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم فهلا كسوتها بعض أهلك؟ وذكر أنه حين هبط بهم من ثنية أذاخر صلى بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى جدر (أي جدار) اتخذه قبلة فأقبلت بهمة تمر بين يدي النبي صلى الله عليه وسلم فمازال يدارئها ويدون من الجدر حتى نظرت إلى بطن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد لصق بالجدر ومرت من خلفه
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৩৮
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কমলা রংয়ের পোশাক পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ এবং লাল রংয়ের পোশাক পরার বিধান।
৩৮। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উসমান (রা) হজ্জ করার উদ্দেশ্যে মক্কা গেলেন। সে সময় মুহাম্মাদ ইবনে জা’ফর ইবনে আবি তালিব (র)-এর স্ত্রী তার (স্বামীর) ঘরে গেল। তখন মুহাম্মাদ (র) তার সঙ্গে রাত যাপন করেন। ভোর হলে তিনি উসমান (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলেন। সে সময় তার গায়ে সুগন্ধির নিদর্শন, গাঢ় হলুদ বর্ণের কম্বল ছিল। তারপর লোকেরা প্রস্থান করার পূর্বে তিনি 'মালাল' নামক স্থানে তাদের সঙ্গে মিলিত হলেন। উসমান (রা) তাকে দেখে ধমকালেন এবং এর প্রতি অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, তুমি হলুদ রংয়ের পোশাক পরেছ? অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা নিষেধ করেছেন। তখন আলী ইবন আবি তালিব (রা) তাকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে নিষেধ করেন নি এবং আপনাকেও না। তিনি কেবল আমাকে নিষেধ করেছেন।
(আবু ইয়া'লা ও বাযযার সংক্ষেপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী উবায়দিল্লাহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন মাওহিব-কে ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অন্য বর্ণনায় তিনি তাকে দূর্বল বলেছেন।)
(আবু ইয়া'লা ও বাযযার সংক্ষেপে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী উবায়দিল্লাহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন মাওহিব-কে ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অন্য বর্ণনায় তিনি তাকে দূর্বল বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب نهى الرجال عن المعصفر وما جاء في الأحمر
38- عن أبي هريرة قال راح عثمان حاجا إلى مكة ودخلت على محمد بن جعفر بن أبي طالب امرأته فبات معها حتى أصبح ثم غدا عليه ردع الطيب وملحفة معصفرة مفدمة فأدرك الناس بملل قبل أن يروحوا، فلما رآه عثمان انتهر وأفف وقال أتلبس المعصفر وقد نهى عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له علي بن أبي طالب رضي الله عنه إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لم ينهه ولا إياك، إنما نهاني
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৯
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কমলা রংয়ের পোশাক পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ এবং লাল রংয়ের পোশাক পরার বিধান।
৩৯। আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) এক ব্যক্তির গায়ে হলুদ রং দেখে অপছন্দ করলেন এবং বললেন, যদি তোমরা তাকে এই হলুদ রং ধৌত করার জন্য নির্দেশ দিতে, (তবে এটা ভাল হত)। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন লোকের মুখোমুখি হতে চাইতেন না, যার মুখমণ্ডলে তাঁর অপছন্দের কোন বস্তু থাকত।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, তায়ালিসী)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'সালম ইবন কায়স আলাবী'-কে ইবন মা'ঈন (র) দূর্বল বলেছেন।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, তায়ালিসী)
(হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'সালম ইবন কায়স আলাবী'-কে ইবন মা'ঈন (র) দূর্বল বলেছেন।)
كتاب اللباس والزنية
باب نهى الرجال عن المعصفر وما جاء في الأحمر
39- عن أنس بن مالك أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى رجل صفرة فكرهم، فقال لو أمرتم هذا أن يغسل هذه الصفرة، قال وكان لا يكاد يواجه أحدا في وجهه بشيء يكرهه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪০
পোশাক-পরিচ্ছেদ ও সাজ-সজ্জা
পরিচ্ছেদঃ কমলা রংয়ের পোশাক পুরুষদের জন্য নিষিদ্ধ এবং লাল রংয়ের পোশাক পরার বিধান।
৪০। আব্দুল্লাহ আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে উসফুর ঘাস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় পরতে এবং স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলি না যে, তিনি তোমাদেরকে এগুলো হতে নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম ও ইমামত্রয়)
(মুসলিম ও ইমামত্রয়)
كتاب اللباس والزنية
باب نهى الرجال عن المعصفر وما جاء في الأحمر
40- عن علي رضي الله عنه قال نهاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا أقول نهاكم عن المعصفر والتخم بالذهب
তাহকীক: