মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৫৬ টি
হাদীস নং: ১০১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০১. তাঁর থেকে আরো বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন এবং পানির বড় পাত্র থেকে সরাসরি পান করতে নিষেধ করেছেন। এবং কোন ব্যক্তিকে তার দেয়ালের মধ্যে প্রতিবেশীর খুঁটি রাখার ক্ষেত্রে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
وعنه أيضا (6) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يشرب الرجل قائما (1) وعن الشرب من في السقاء وأن يمنع الرجل جاره أن يضع الخشبة في حائطه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০২. ওয়াছিলা ইব্ন আসকা' (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সবচেয়ে বড় মিথ্যা হলো- কোন ব্যক্তি নিজের পিতাকে বাদ দিয়ে অন্যকে পিতা বলে দাবী করা, অথবা কোন ব্যক্তির দাবী যে, সে স্বপ্নে সে কিছু দেখেছে, অথচ সে তা দেখেনি, অথবা সে রাসূল (ﷺ)-এর নামে এমন কথা বলে, যা তিনি বলেননি।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن وائلة بن الأسقع (3) قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم أن من أعظم الفيرى (4) أن يدعي الرجل إلى غير أبيه أو يرى في المنام مالم تريا (5) أو يقول على رسول الله صلى الله عليه وسلم ما لم يقل
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৩. 'ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হানতাম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, (এটা চীনা মাটির তৈরী এক ধরনের পাত্র)। (অন্য শব্দে :) তিনি হানতাম, স্বর্ণের আংটি ও রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
حدثنا محمد بن جعفر (7) ثنا شعبة عن أبي التياح قال سمعت رجلا من بني ليث قال أشهد على عمران بن حصين قال شعبة او (8) قال عمران اشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم انه نهى عن الحناتم أو قال الحنتم (9) (وفي لفظ) عن الشرب في الحناتم وخاتم الذهب والحرير
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৪. ছাওবান (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, অনুমতি ব্যতিত কোন মুসলমান ব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তির ঘরের অভ্যন্তরে দৃষ্টি দেওয়া বৈধ নয়। যদি কেউ অনুমতি ছাড়া দৃষ্টি দেয়, তাহলে যেন অনুমতি ছাড়াই তার ঘরে প্রবেশ করলো। কোন ইমাম যেন সালাতে কোন দু'আ নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে না করে। যদি সে তা করে, তাহলে সে খিয়ানত করবে। কেউ পায়খানা অথবা পেশাব থেকে হালকা না হয়ে তা আটক রেখে নামায পড়বে না কারণ এতে নামাযের একাগ্রতা নষ্ট হয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن ثوبان (11) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال لا يحل لامرئ من المسلمين أن ينظر في جوف بيت امرئ حتى يستأذن فإن نظر فقد دخل (12) ولا يؤم قوما فيختص نفسه بدعاء دونهم فإن فعل فقد خانهم (13) ولا يصلي وهو حقن (1) حتى يخفف
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৫. 'আবদুল্লাহ ইবন 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তির জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করেছেন। তারা হলো, সব সময় মদপান কারী, মাতা-পিতাকে কষ্ট দানকারী এবং দায়স অর্থাৎ এমন স্বামী যে তার পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতার স্বীকৃতি দেয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن عبد الله بن عمر (2) ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة قد حرم الله عليهم الجنة مدمن الخمر والعاق والديوث (3) الذي يقر في أهله الخبث
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৬. তার থেকে আরো বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না আর আল্লাহ্ কিয়ামতের দিন তাদের প্রতি তাকাবেন না। তারা হলো, পিতা- মাতার নাফরমান সন্তান, পুরুষদের বেশ ধারণ ও অনুকরণকারী নারী ও দায়ূস অর্থাৎ এমন স্বামী যে তার পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতার স্বীকৃতি দেয়। আর তিন ব্যক্তির প্রতি আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাকাবেন না তারা হলো, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, সব সময় মদপানকারী এবং উপকার করে খোঁটা দানকারী ব্যক্তি।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
وعنه أيضا (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث لا يدخلون الجنة ولا ينظر الله اليهم يوم القيامة العاق والديه والمرأة المترجلة المتشبهة بالرجال والديوث وثلاث لا ينظر الله اليهم يوم القيامة العاق بوالديه والمدمن الخمر والمنان بما أعطى
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৭. 'আবদুল্লাহ ইবন 'আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তির মধ্যে তিনটি দোষ পাওয়া যাবে, সে খাঁটি মুনাফিক। আর তা হলো, সে কথায় কথায় মিথ্যা বলবে, ওয়াদা করলে ভংগ করবে এবং আমানত রাখলে খিয়ানত করবে। আর যার মধ্যে এগুলোর যে কোন একটি আলামত থাকবে। তার মধ্যে সর্বদা মুনাফেকী করার অভ্যাস সৃষ্টি হবে, যতক্ষণ না সে পরিত্যাগ করবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن عبد الله بن عمرو (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث اذا كن في الرجال فهو المنافق الخالص ان حدث كذب وان وعد اختلف وان ائتمن خان ومن كانت فيه خصلة منهن لم يزل يعني فيه خصلة من النفاق حتى يدعها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৮. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জাহেলী যুগের তিনটি কাজ, মুসলিমরা তা ত্যাগ করবে না, মৃতের জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি করা, তারকা দেখে বৃষ্টির হওয়ার কথা বলা এবং এ ধরনের আরো। আমি সা'ঈদকে বললাম, সেটা কি? তিনি বললেন, জাহেলী যুগের গোত্রিয় গৌরব গাথা বর্ণনা করা। তারা বলে, হে অমুকের বংশধর! হে অমুকের বংশধর।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
حدثنا عبد الرحمن (6) يعني ابن اسحق عن سعيد عن أبي هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ثلاث من عمل أهل الجاهلية لا يتركهن اهل الاسلام النياحة (7) والاستسقاء بالأنواء وكذا (8) قلت لسعيد وما هو قال دعوى الجاهلية يا آل فلان يا آل فلان يا آل فلان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১০৯. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিনটি দু'আ অবশ্যই কবুল হয়, যাতে কোন সন্দেহ নেই। তা হলো, নির্যাতিত ব্যক্তির দু'আ, মুসাফিরের দু'আ এবং সন্তানের জন্য মাতাপিতার দু'আ।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن أبي هريرة (1) أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول ثلاث دعوات مستجابات لا شك فيهن دعوة المظلوم ودعوة المسافر ودعوة الوالد على ولده
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১০. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন শ্রেণীর লোকের সাথে কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ্ কথা বলবেন না, তাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তারা হলো, (১) যার নিকট নির্জন প্রান্তরে অতিরিক্ত পানি আছে, আর সে তা পথিক মুসাফিরকে পান করতে বাধা দেয়, (২) যে ব্যক্তি কেবল পার্থিব স্বার্থ লাভের অভিপ্রায়ে শাসকের আনুগত্য করার শপথ করে, শাসক তাকে কিছু দিলে শপথ পূর্ণ করে এবং না দিলে শপথ ভঙ্গ করে। (৩) যে বিক্রেতা আসরের পর তার পণ্য ক্রেতার নিকট বিক্রয় করে, আর সে আল্লাহ্ নামে শপথ করে বলে যে, সে এতো এতো মূল্যে তা ক্রয় করেছে আর ক্রেতা তার কথা বিশ্বাস করে, অথচ আসল ব্যাপার এর বিপরীত।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
وعنه أيضا (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث لا يكلمهم الله ولا ينظر اليهم ولا يزكيهم ولهم عذاب اليم رجل على فضل ماء بالفلاة (3) يمنعه من ابن السبيل ورجل بايع الامام ولا يبايعه إلا لدينا فإن اعطاه منها وفي له وان لم يعطه لم يف له قال ورجل بايع رجلا سلعة بعد العصر (4) فحلف له بالله لأخذها بكذا وكذا فصدقه وهو على غير ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১১. মুগীরা ইবন শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ্ তোমাদের জন্য তিনটি জিনিস অপছন্দ করেন। আর সেগুলো হলো, বাজে কথাবার্তা বলা, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং মাল সম্পদ নষ্ট করা। আর তিনি কন্যা সন্তানকে জীবিত কবর দেয়া, মায়ের নাফরমানী করা এবং হকদারের হক না দেয়া তোমাদের উপর হারাম করেছেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن المغيرة بن شعبة (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله كره لكم ثلاثا قيل وقال (6) وكثرة السؤال (7) واضاعة المال (8) وحرم عليكم رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وسلم وأد البنات (9) وعقوق الأمهات (10) ومنع وهات
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১২. ছাকীফ গোত্রের এক লোক থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট তিনটি জিনিসের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করেছিলাম। তিনি সেগুলোর কোনটারই অনুমতি দেননি। আমরা আমাদের পূর্বে ইসলাম গ্রহণকারী ক্রীতদাস আবূ বাকরা (রা) কে আমাদের নিকট ফেরত দেয়ার প্রার্থনা করেছিলাম। তিনি বললেন, না, (তাকে ফেরত দেয়া যাবে না) সে আল্লাহর নিকট স্বাধীন এবং তাঁর রাসূলের নিকটও স্বাধীন। তারপর আমরা আমাদের দেশে অধিক শীতের কারণে পানি ছাড়া পবিত্রতা অর্জনের অনুমতি প্রার্থনা করেছিলাম, কিন্তু তিনি তারও অনুমতি দেননি। আর আমরা তাঁর নিকট কদুর পাত্র ব্যবহার করার অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি তা ব্যবহারের অনুমতি দেননি। (কারণ তারা এ পাত্রে মদ তৈরী করতো, যাতে মাদকতা বৃদ্ধি পায়।)
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن رجل من ثقيف (11) قال سألنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثلاث فلم يرخص لنا في شيء منهن سألناه أن يرد الينا ابا بكرة وكان مملوكا واسلم قبلنا فقال لا هو طليق الله ثم طليق رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سألناه أن يرخص لنا في الشتاء وكانت أرضنا أرضا باردة يعني في الطهور فلم يرخص لنا (12) وسألناه أن يرخص لنا في الدباء (1) فلم يرخص لنا فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৩. আবূ মূসা আশয়ারী (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তারা হলো, সব সময় মদপানকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী এবং যাদুতে বিশ্বাসকারী। যে ব্যক্তি মদপান করা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, আল্লাহ্ তাকে 'গুতা', নামক নদী থেকে পান করাবেন। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: 'গুতা' নামক নদী কি? তিনি বলেন, যিনাকারী মহিলাদের স্ত্রীলিঙ্গ থেকে যে ময়লা প্রবাহিত হবে, জাহান্নামীদেরকে যার দুর্গন্ধ কষ্ট দেবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن أبي موسى الأشعري (2) أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ثلاثة لا يدخلون الجنة مدمن خمر وقاطع رحم ومصدق بالسحر ومن مات مدمنا للخمر سقاه الله عز وجل من نهر الغوطة قيل وما نهر الغوطة؟ قال نهر يجري من فروج المومسات (3) يؤذي أهل النار ريح فروجهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৪. আবু যর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তিন ধরনের লোকদের সাথে আল্লাহ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পাক পবিত্রও করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। তিনি বলেন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! এরা তো চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এরা কারা? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ কথাটি তিনবার উল্লেখ করে এরপর বললেন, তারা হলো, টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী, মিথ্যা অথবা অন্যায় শপথ করে জিনিসপত্র বিক্রয়কারী আর উপকার করে খোঁটাদানকারী।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن أبي ذر (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاثة لا يكلمهم الله ولا يزكيهم ولهم عذاب اليم قال قلت يا رسول الله من هم خسروا وخابوا قال فاعاده رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات قال المسبل (5) والمنفق سلعته (6) بالحلف الكاذب أو الفاجر (7) والمنان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৫. ছাওবান (রা) নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি তিনটি কাজ থেকে দূরে থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তা হলো, অহংকার, ঋণ এবং গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن ثوبان (8) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من فارق الروح الجسد وهو بريء من ثلاث دخل الجنة الكبر والدين والغلول
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৬. ফাদালা ইবন 'উবায়দ (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, তিন শ্রেণীর লোক সম্পর্কে প্রশ্নও করো না (অর্থাৎ তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে) তারা হলো, যে ব্যক্তি দল থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে এবং তার ইমাম বা নেতার নাফরমানী করে এবং পাপী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যে দাস অথবা দাসী মালিকের কাছ থেকে পলায়ন করে সে অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। যে নারীর স্বামী তাকে দুনিয়ার প্রয়োজনীয় জিনিস দেয়ার পর তার থেকে অনুপস্থিত থাকে আর সে তার রূপ ও সৌন্দর্য অপরিচিত লোকদের সামনে প্রকাশ করে বেড়ায়, তাদের সম্পর্কে প্রশ্নও করো না (অর্থাৎ তারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে)। আরো তিন শ্রেণীর লোক তাদের সম্পর্কেও প্রশ্ন করো না (অর্থাৎ তারাও ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে), তারা হলো, যে ব্যক্তি আল্লাহর চাদর নিয়ে টানাটানি করে, (অর্থাৎ যে ব্যক্তি গর্ব অহংকার করে) আর আল্লাহর চাদর হলো গর্ব বা অহংকার এবং তাঁর ইযার হলো সম্মান; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর অস্তিত্বে সন্দেহ পোষণ করে আর যে ব্যক্তি আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن فضالة بن عبيد (10) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ثلاثة لا تسأل عنهم (11) رجل فارق الجماعة وعصى إمامه ومات عاصيا وأمة أو عبد أبق فمات (12) وامرأة غلب عنها زوجها قد كفاها مؤنة الدنيا فتبرجت بعده (13) فلا تسأل عنهم (14) وثلاثة لا تسأل عنهم رجل نازع الله عز وجل رداءه فإن رداءه الكبرياء (15) وازاره العزة ورجل شك في أمر الله (16) والقنوط من رحمة الله عز وجل (17)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৭. শা'বী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আয়েশা (রা) মদিনার ওয়ায়েজ ইবন আবি সায়েবকে তিনটি বিষয়ে বলেন, আর বলেন হয় তুমি এসব বিষয়ে আমার হাতে বায়াত হবে আর না হয় আমি তোমার সাথে বিবাদ করব। তিনি বললেন, সেগুলো কি? হে উম্মুল মুমেনিন! আমি আপনার হাতে বায়াত হচ্ছি। এরপর তিনি বললেন, দু'আ করার সময় অন্তমিলযুক্ত বাক্য পরিহার করবে। কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সাহাবীগণ কখনও এরূপ করতেন না, ইসমাঈল এক বর্ণনায় বলেন, 'আয়েশা (রা) বললেন, আমি রাসূল (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণকে কখনও এমন করতে দেখিনি। তুমি মানুষের কাছে সপ্তাহে একবার কাহিনী বর্ণনা করবে। যদি এর চেয়ে অধিক কর, তাহলে সপ্তাহে দু'দিন করবে, যদি তার চেয়ে বেশী কর, তাহলে তিন দিন করবে। বেশি বেশি করে মানুষকে এই কিতাবের প্রতি বিতৃষ্ণ করবে না। যাতে মানুষ কুরআন শুনতে বিরক্ত বোধ না করে। তুমি কোন সম্প্রদায়ের নিকট গেলে তারা যদি কথাবার্তায় মশগুল থাকে, তাহলে তাদের কথা বন্ধ করে দিয়ে কথা বলা শুরু করবে না বরং তাদেরকে কথা শেষ করতে দেবে। তারা যদি তোমার আগমনকে অভিনন্দন জানায় এবং তোমাকে অনুমতি দেয়, তাহলে তুমি কথা বলবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن الشعبي (1) قال قالت عائشه رضي الله عنها لابن ابي السائب قاص (2) أهل المدينة ثلاثا لتبايعني عليهن أو لأناجزنك (3) فقال ما هن؟ بل أنا ابايعك يا أم المؤمنين قالت اجتنب السجع من الدعاء فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه كانوا لا يفعلون ذلك وقال اسماعيل (4) مرة فقالت اني عهدت رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه وهم لا يفعلون ذاك وقص على الناس في كل جمعة مرة فإن أبيت فثنتين فان أبيت فثلاثا فلا تمل الناس هذا الكتاب (5) ولا الفينك تأتي القوم وهم في حديث من حديثهم فتقطع عليهم حديثهم ولكن اتركهم فإذا جرءوك (6) عليه وأمروك به فحدثهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৮. 'আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহর নিকট আমলের দেওয়ান বা পুস্তক তিন প্রকারে বিভক্ত। এক প্রকার পুস্তককে আল্লাহ কোন ভ্রূক্ষেপ করবেন না। আরেক প্রকার পুস্তক, আল্লাহ সেখান থেকে কোন কিছুই ছাড় দেবেন না। আরেক প্রকার পুস্তক, আল্লাহ্ তা ক্ষমা করবেন না। যা আল্লাহ ক্ষমা করবেন না, তা হলো আল্লাহর সাথে শিরিক করা। আল্লাহ তা'আলা বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শিরিক করে, আল্লাহ্ তার জন্য জান্নাত হারাম করেছেন। আর এক প্রকার পুস্তক, যে ব্যাপারে আল্লাহ কোন ভ্রূক্ষেপ করবেন না, সেটা হলো- বান্দা তার রবের বিষয়ে নিজের নফসের উপর যেসব যুলুম করেছে যেমন একদিন রোযা ছেড়ে দিয়েছে, অথবা এক ওয়াক্ত নামায ছেড়ে দিয়েছে। সেটা আল্লাহ তা'আলা মাফ করে দিবেন। আর এক প্রকারের পুস্তক আছে, আল্লাহ্ যা থেকে কোন কিছুই ছাড়বেন না, আর তা হলো বান্দাহদের একে অপরের প্রতি জুলুম। আর অবশ্যই এর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن عائشه (7) رضي الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسل الدواوين (8) عند الله عز وجل ثلاثة ديوان لا يعباء الله به شيئا (9) وديوان لا يترك الله منه شيئا (10) وديوان لا يغفره الله فأما الديوان الذي لا يغفره الله فالشرك بالله قال الله عز وجل (ومن يشرك بالله فقد حرم الله عليه الجنة) وأما الديوان الذي لا يعبأ الله به شيئا فظلم العبد نفسه فيما بينه وبين ربه من صوم يوم تركه أو صلاة تركها فإن الله عز وجل يغفر ذلك ويتجاوز إن شاء (11) وأما الديوان الذي لا يترك الله منه شيئا فظلم العباد بعضهم بعضا القصاص (12) لا محالة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তিনটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১১৯. আবূ হুরায়রা (রা) নবী (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেছেন, যার মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যাবে, সে মুনাফিক হিসাবে গণ্য হবে, যদিও সে নামায পড়ে, রোযা রাখে এবং দাবী করে যে, সে একজন মুসলমান। আর তা হলো, যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে ভঙ্গ করে এবং আমানতের খিয়ানত করে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الثلاثيات
عن أبي هريرة (1) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ثلاث من كن فيه فهو منافق وان صام وصلى وزعم أنه مسلم أذا حدث كذب واذا وعد أخلف واذا ائتمن خان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : চারটি বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১২০. ইবন 'আব্বাস (রা) থেকে মারফু সূত্রে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না, সৎকাজের নির্দেশ দেয় না এবং অসৎ কাজে বাধা দেয় না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الرباعيات
عن ابن عباس (2) يرفعه الى النبي صلى الله عليه وسلم قال ليس منا من لم يوقر الكبير ويرحم الصغير ويأمر بالمعروف وينهى عن المنكر
তাহকীক: