মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৫৬ টি
হাদীস নং: ১২১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : চারটি বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১২১. ইবন 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তির সুপারিশ আল্লাহর বিধানের পরিপন্থী হয়, সে যেন আল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করল, যে ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে মারা যায়, তার দীনার ও দিরহাম আখিরাতে কোন কাজে আসবে না বরং তার নেক আমলসমূহ পাওনাদারকে দিয়ে দেয়া হবে (নেক আমল দ্বারা ঋণ পরিশোধ না হলে, ঋণদাতার খারাপ আমলগুলো ঋণগ্রহীতাকে দেওয়া হবে)। যে ব্যক্তি জেনে শুনে কোন বাতিল বিষয় নিয়ে বিতর্ক করে, সে তা বন্ধ ও তাওবা না করা পর্যন্ত আল্লাহর অসন্তোষের মধ্যে বিরাজ করে। যে ব্যক্তি কোন মুমিন সম্পর্কে এমন কথা বলে, যেটা তার মধ্যে নেই, ঐ কথা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আল্লাহ্ তাকে জাহান্নামীদের শরীর থেকে বের হওয়া পুঁজ, রক্ত ও ঘামের মধ্যে বাস করাবেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الرباعيات
عن ابن عمر (3) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من حالت شفاعته دون حد من حدود الله عز وجل فقد ضاد الله في أمره (4) ومن مات وعليه دين فليس بالدينار ولا بالدرهم ولكنها الحسنات والسيئات (5) ومن خاصم في باطل وهو يعلمه لم يزل في سخط الله حتى ينزع (6) ومن قال في مؤمن ما ليس فيه اسكنه الله ردغه الخبال (7) حتى يخرج مما قال
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : চারটি বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১২২. 'আবদুল্লাহ ইব্ 'আমর (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অন্যের তালাক দেয়া নারীকে বিবাহ করা বৈধ নয়। কোন ব্যক্তির জন্য অপর ব্যক্তির বিক্রয় প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া বৈধ নয়, যতক্ষণ না সে তার প্রস্তাব ফিরিয়ে নেয়। আর তিন ব্যক্তি কোন মরুভূমিতে একত্রে অবস্থান করলে, তাদের মধ্যে থেকে একজনকে অবশ্যই ইমাম বানাতে হবে। আর তিন ব্যক্তি এক সাথে কোন মরুভূমিতে অবস্থান করলে, একজনকে বাদ দিয়ে দু'জন কান পরামর্শ করা বৈধ নয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الرباعيات
عن عبد الله بن عمرو (8) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل أن ينكح المرأة بطلان أخرى ولا يحل لرجل أن يبيع على بيع صاحبه حتى يذره (9) ولا يحل لثلاث نفر يكونون بأرض فلاة الا أمروا عليهم أحدهم (10) ولا يحل لثلاثة نفر يكونون بأرض فلاة يناجي اثنان دون صاحبهما
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : চারটি বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৩. তাঁর থেকে আরো বর্ণিত। নবী (ﷺ) বলেন, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, সব সময় মদ পানকারী ব্যক্তি, দান করে খোটাদানকারী এবং জারজ সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الرباعيات
وعنه أيضا (2) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يدخل الجنة عاق ولا مدمن خمر ولا منان ولا ولد زنية
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : চারটি বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৪. 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করিম (ﷺ) আমাকে বলেন, হে আলী! উত্তমরূপে অযু করবে, যদি তা কঠিনও হয়, সাদাকার মাল খাবে না, (কারণ বনী হাশিমের জন্য সাদাকা খাওয়া হারাম), গাধা দিয়ে ঘোটকারী পাল দেবে না, এবং গণকদের সাথে ওঠাবসা করবে না।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الرباعيات
عن علي رضي الله عنه (3) قال لي النبي صلى الله عليه وسلم يا علي اسبغ الوضوء وان شق عليك ولا تأكل الصدقة (4) ولا تنز الحمير على الخيل ولا تجالس أصحاب النجوم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৫. 'আবদুল্লাহ ইবন 'আমর (রা) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, যার মধ্যে চারটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যাবে, সে মুনাফিক। অথবা যার মধ্যে চারটি বৈশিষ্ট্যের একটি পাওয়া যাবে যতক্ষণ না সে তা পরিত্যাগ করবে, ততক্ষণ তার মধ্যে মুনাফেকীর একটি বৈশিষ্ট্য আছে বলে ধরে নেয়া হবে, আর তা হলো, যখন সে কথা বলে, মিথ্যা বলে; ওয়াদা করলে খেলাপ করে, চুক্তি করলে ভঙ্গ করে এবং ঝগড়া করার সময় অশ্লীল বাক্য ব্যবহার করে।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
عن عبد الله بن عمرو (6) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال أربع من كن فيه منافقا أو كانت فيه خصلة من الأربع كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها اذا حدث كذب واذا وعد اخلف واذا عاهد غدر واذا خاصم فجر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৬. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জাহেলী যুগের চারটি কাজ, মানুষ কখনোই তা বর্জন করবেনা। তা হলো- বংশ দিয়ে কলঙ্ক দেয়া, মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি করা, বৃষ্টির পূর্ব লক্ষণ প্রদর্শনকারী তারকা দেখে বৃষ্টি আসার প্রতি বিশ্বাস করা, আর এই বিশ্বাস রাখা যে একটি চর্ম রোগে আক্রান্ত উটের সংস্পর্শে এসে একশত উট চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে প্রথমটিকে কে চর্ম রোগাক্রান্ত করেছে?
(তিরমিযি, ইব্ন মাযা)
(তিরমিযি, ইব্ন মাযা)
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
عن أبي هريرة (7) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اربع من امر الجاهلية لن يدعهن الناس التعيير (8) في الاحساب والنياحة على الميت والأتواء (9) وأجرب بعير فاجرب مائة من أجرب البعير الأول
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৭. আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, অন্তর চার প্রকারের। এক প্রকার অন্তর খালি, তা প্রদীপের মত জ্বলতে থাকে। আরেক প্রকার অন্তর গেলাফ লাগানো, তা গেলাফের উপর বাঁধা থাকে (অর্থাৎ সত্য শুনা ও কবুল করা থেকে আচ্ছাদিত থাকে); আরেক প্রকার অন্তর উল্টানো (অর্থাৎ ঈমানের পরিচয় পাওয়ার পর তা অস্বীকার করে পুনরায় কুফরীতে ফিরে যায়), আরেক প্রকার অন্তর প্রলেপ যুক্ত, (অর্থাৎ একবার তা ঈমানদারের সাথে থাকে, আবার তা কাফিরের সাথে থাকে।)
'প্রথম প্রকার', সেটি হলো মুমিনের অন্তর, যার প্রদীপে আলো থাকে; 'দ্বিতীয় প্রকার অন্তর'- সেটি কাফিরের অন্তর; 'তৃতীয় প্রকার,'- সেটি মুনাফিকের অন্তর, যা ঈমানের পরিচয় জানার পর আবার তা অস্বীকার করে; আর 'চতুর্থ প্রকার' সে অন্তর যাতে ঈমান ও নিফাক একত্রে থাকে। তাতে থাকা ঈমানের উদাহরণ হলো উদ্ভিদের ন্যয়, যার সঞ্জীবনী হল উত্তম পানি দ্বারা। আর তাতে থাকা নিফাকের উদাহরণ হলো, ঘায়ের মত পুজ এবং রক্তের মাধ্যমে যা বড় হতে থাকে। এ দুটোর মাঝে যার প্রসারতা অন্যটির উপর প্রভাব বিস্তার করবে, সেটাই জয় লাভ করবে।
'প্রথম প্রকার', সেটি হলো মুমিনের অন্তর, যার প্রদীপে আলো থাকে; 'দ্বিতীয় প্রকার অন্তর'- সেটি কাফিরের অন্তর; 'তৃতীয় প্রকার,'- সেটি মুনাফিকের অন্তর, যা ঈমানের পরিচয় জানার পর আবার তা অস্বীকার করে; আর 'চতুর্থ প্রকার' সে অন্তর যাতে ঈমান ও নিফাক একত্রে থাকে। তাতে থাকা ঈমানের উদাহরণ হলো উদ্ভিদের ন্যয়, যার সঞ্জীবনী হল উত্তম পানি দ্বারা। আর তাতে থাকা নিফাকের উদাহরণ হলো, ঘায়ের মত পুজ এবং রক্তের মাধ্যমে যা বড় হতে থাকে। এ দুটোর মাঝে যার প্রসারতা অন্যটির উপর প্রভাব বিস্তার করবে, সেটাই জয় লাভ করবে।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
عن أبي سعيد (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم القلوب أربعة قلب أجرد (2) فيه مثل السراج يزهر وقلب أغلف مربوط على غلافه (3) وقلب منكوس (4) وقلب مصفح (5) فأما القلب الأجرد فقلب المؤمن سراجه فيه نوره وأما القلب الأغلف فقلب الكافر وأما القلب المنكوس فقلب المنافق عرف ثم أنكر وأما القلب المصفح فقلب فيه إيمان ونفاق فمثل الايمان فيه كمثل البقلة (6) ممدها الماء الطيب ومثل النفاق فيه كمثل القرحة (7) يمدها القيح والدم فأي المدتين غلبت على الأخرى غلبت عليه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৮. আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) পুনরায় বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এমন চারটি জিনিস শুনেছি, যা আমাকে আনন্দিত করেছে। আফফান (রা) বলেন, আমাকে মুগ্ধ করেছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন নারীকে স্বামী অথবা মাহরাম পুরুষ সাথী ছাড়া দু'দিনের দূরত্বে সফর করতে নিষেধ করেছেন। আফফান (রা) বলেন, তিনি দুটি সময় নামায পড়তে নিষেধ করেছেন, ফযরের নামাযের পর সূর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের নামায পড়ার পর সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত। আর তিনি দু'দিন রোযা রাখতে নিষেধ করেছেন, তা হলো- কুরবানীর দিন ও ঈদুল ফিতরের দিন। তিনি (ﷺ) আরো বলেছেন, তিনটি মসজিদ ছাড়া সফরের উদ্দেশ্যে বের হবে না, তা হলো- বায়তুল্লাহ, বায়তুল মাক্দিস ও আমার মসজিদ।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
وعنه أيضا (8) قال سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعا فأعجبتني وأينقني قال عفان (9) وأنقني نهى أن تسافر المرأة مسيرة يومين قال عفان أو ليلتين الا ومعها زوج أو ذو محرم ونهى عن الصلاة في ساعتين بعد الغداة حتى تطلع الشمس وبعد العصرة حتى تغيب ونهى عن صيام يومين يوم النحر ويم الفطر وقال لا تشد الرحال إلا في ثلاثة مساجد مسجد الحرام ومسجد الأقصى ومسجدي هذا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১২৯. আবু মালিক আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জাহেলী যুগের চারটি কাজ (অবশ্যই বর্জন করতে হবে কিন্তু) মানুষ তা বর্জন করবে না। তা হলো, বংশ নিয়ে অহংকার, বংশ উল্লেখ করে কলঙ্ক দেয়া, তারকা গণনা করে বৃষ্টির প্রার্থনা করা, মৃত ব্যক্তির জন্য বিলাপ করে কান্নাকাটি করা। বিলাপ করে কান্নাকাটিকারী যদি মৃত্যুর পূর্বে তাওবা না করে, তাহলে তাকে কিয়ামতের দিন আলকাতরার জামা, অথবা খোস পাঁচড়ায় আক্রান্ত বর্ম পরিধান করে উঠানো হবে।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
عن أبي مالك الأشعري قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع من الجاهلية لا يتركن الفخر في الأحساب والطعن في الأنساب والاستسقاء بالنجوم والنياحة والنائحة اذا لم تتب قبل موتها تقام يوم القيامة وعليها سربال (1) من قطران أو درع (2) من جرب
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: চার সংখ্যা বিশিষ্ট শব্দ দিয়ে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩০. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) চারটি বিষয় থেকে পানাহ চাইতেন। তা হলো, জাহান্নামের আযাব, কবরের আযাব, হায়াত ও মউতের ফিতনা এবং দাজ্জালের ফিতনা।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الرباعيات المبدوءة بعدد
عن أبي هريرة (3) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يتعوذ من أربع من عذاب جهنم ومن عذاب القبر وفتنة المحيا والممات وفتنة الدجال
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩১. 'আবদুল্লাহ ইবন 'আমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা আমার উম্মতের জন্য মদ, জুয়া খেলা, গম ও ভুট্টা থেকে তৈরী এক প্রকার মদ, পাশা খেলা, ও হাবশীদের বাদ্যযন্ত্র হারাম করেছেন এবং বিতরের নামাযকে নফল করেছেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الخماسيات
عن عبد الله بن عمر (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حرم على أمتى الخمر والميسر والمزر (5) والكوبة والقنين (6) وزادني صلاة الوتر (7) قال يزيد (أحد الرواة) القنين البرابط
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩২. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, শহরের লোক গ্রামের লোকের পক্ষ হয়ে বিক্রয় করবে না। অন্যের উপর দিয়ে দর কষাকষি করবে না। কোন ব্যক্তি যেন তার ভাইয়ের কেনার সময় সে জিনিষের দাম বাড়িয়ে না বলে, অন্যের বিবাহের প্রস্তাবের উপর নিজের প্রস্তাব দেবে না, কোন নারী যেন তার বোনের তালাক না চায়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الخماسيات
عن أبي هريرة (8) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبع حاضر لباد ولا تناجشوا ولا يزيد الرجل على بيع أخيه ولا يخطب على خطبته ولا تسأل امرأة طلاق اختها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩৩. আবু হুরায়রা (রা) থেকে পুনরায় বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, চোর যখন চুরি করে, তখন সে মুমিন থাকে না; ব্যভিচারী যখন ব্যভিচারে লিপ্ত হয়, তখন সে মুমিন থাকে না এবং মদপায়ী যখন মদ পান করে, তখন সে মুমিন থাকে না। যার হাতে আমার প্রাণ তার শপথ করে বলছি: লুন্ঠনকারী যখন মানুষের চোখের সামনে লুট করে তখন সে মুমিন থাকে না, এবং তোমাদের কেউ যখন আত্মসাৎ করে, তখন সে মুমিন থাকে না। সুতরাং এসব কাজ থেকে তোমরা সাবধান! সাবধান!
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الخماسيات
وعنه أيضا (9) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يسرق سارق حين يسرق وهو مؤمن ولا يزني زان حين يزني وهو مؤمن ولا يشرب الشارب حين يشرب وهو مؤمن يعني الخمر (10) والذي نفس محمد بيده ولا ينهب أحدكم نهبة ذات شرف يرفع اليه المؤمنون أعينهم فيها وهو حين ينتهبها مؤمن ولا يغل أحدكم حين يغل وهو مؤمن (1) فأياكم واياكم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩৪. হানাস সান'য়ানী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রুয়াইফি ইবন ছাবিত আনসারীর সাথে মরক্কোর যুবরা নামক একটি গ্রামে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। তিনি আমাদের উদ্দেশ্য বক্তৃতা দিয়ে বলেন, হে মানুষ! যেভাবে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট থেকে শুনেছি, সেভাবে আমি তোমাদেরকে বলবো, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হুনায়নের যুদ্ধের সময় আমাদের উদ্দেশ্য বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ও আখিরাতের প্রতি বিশ্বাস রাখে, তার জন্য অন্যের ক্ষেতে পানি দেওয়া হালাল নয়, (অর্থাৎ গর্ভবতী যুদ্ধবন্দী কোন দাসীর সাথে যৌনসঙ্গম করা অথবা বিক্রি করা হালাল নয়।) আর যুদ্ধবন্দী বিবাহিতা নারী হলে, যতক্ষণ তার রেহেম মুক্ত না হবে। গনিমতের মাল বণ্টন করার পূর্বে তা বিক্রি করা বৈধ নয় আর মুসলমানদের যুদ্ধে ফাই পাওয়া জন্তুর উপর আরোহন করে সেটি দুর্বল হওয়ার পর তা ফেরত দেয়া এবং মুসলমানদের ফাই পাওয়া কাপড় পরিধান করার পর তা ব্যবহারের অনুপযোগী হলে, তখন ফেরত দেয়া হালাল নয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الخماسيات
عن حنش الصنعائي (2) قال غزونا مع رويفع بن ثابت الانصاري قرية من قرى المغرب يقال لها جربة فقام فينا خطيبا فقال ايها الناس اني لا أقول فيكم إلا ما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قام فينا يوم حنين فقال لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسقى ماؤه زرع غيره يعني اتيان الحبالى من السبايا وان يصيب امرأة ثيبا من السبى حتى يسترها يعني اذا اشتراها وان يبيع مغنما حتى يقسم وأن يركب دابة من فيء المسلمين حتى اذا أعجفها ردها فيه وأن يلبس ثوبا من قيء المسلمين حتى اذا اخلقه رده فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: পাঁচটি বিষয় উল্লেখ করে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩৫. হাজ্জাজ ও রাওহ সূত্রে ইবন জুরায়জ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আবূ যুবায়ের সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি যাবির (রা) কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, এক পায়ে জুতা পরিধান করে চলবে না। এক চাদর পরে আবৃত হবে না, বাম হাতে আহার গ্রহণ করবে না, 'সম্মা করবে না, শোয়ার সময় এক পা অন্য পায়ের উপর রাখবে না। আমি আবূ যুবায়রকে প্রশ্ন করলাম, শায়িত অবস্থায় হাত পা ছড়িয়ে থাকা অবস্থায় তা কি হাঁটুর উপর রাখব? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, 'সম্মা' হলো পোশাকের একটি অংশ ভীতরে পরে বাহিরের অংশ তোমার কাঁধে রেখে গোটা শরীরে জড়িয়ে নেয়া। (অর্থাৎ লজ্জাস্থানে কোন অংশ না রাখা।) আমি আবু যুবায়রকে বললাম, তারা বলল: এক চাদর দ্বারা আবৃত হলে শরীরের সবস্থানে তা পৌঁছে না, (লজ্জাস্থানের কোন অংশ বাকী থাকে) এভাবে আমি যাবির (রা) থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন, এক চাদর পরে আবৃত হবে না। হাজ্জাজ বলেন, এটি ইবন যুরাইজ থেকে বর্ণিত। 'উমর (রা) তাকে বলেছিলেন, এক চাদর পরে আবৃত হলে তা শরীরের সকল স্থানে পৌঁছায় না। অর্থাৎ লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ থাকে না।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الخماسيات
حدثنا حجاج وروح (3) عن ابن جريج أخبرني أبو الزبير أنه سمع جابر يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تمش في نعل واحدة ولا تحتبين في إزار واحد ولا تأكل بشمالك ولا تشتمل الصماء ولا تضع احدى رجليك على الاخرى اذا استلقيت قلت لأبي الزبير أو ضعه (4) رجله على الركبة مستلقيا؟ قال نعم قال أما الصماء فهي احدى اللبستين تجعل داخله ازارك وخارجه على احدى عاتقيك قلت لأبي الزبير (5) فإنهم يقولون لا يحتبى في إزار واحد مفضيا قال كذلك سمعت جابرا يقول لا يحتبى في إزار واحد (6) قال حجاج عن ابن جريج قال عمرو لي مفضيا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পঞ্চম শব্দ দিয়ে শুরু
১৩৬. সানয়াবাসীদের এক ব্যক্তি আইয়ূব ইবন সালমান (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি এবং অন্যরা মিলে ইবন 'উমর (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে যে পাঁচটি বাণী শুনেছি। তার সংবাদ কি দেব? তারা বললো, হ্যাঁ। যে ব্যক্তির সুপারিশ আল্লাহর বিধানের পরিপন্থী হয়, সে যেন আল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করল, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে ঝগড়া বিবাদে সাহায্য করে, সে তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত আল্লাহর অসন্তুষ্টির ছায়াতলে অবস্থান করে; যে ব্যক্তি কোন মুমিন পুরুষ অথবা নারীর উপর মিথ্যা অপবাদ দেবে, আল্লাহ্ তাকে দোযখবাসীদের শরীর থেকে বের হওয়া পুঁজ রক্ত ও ঘামের মধ্যে আটকে রাখবেন; যে ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে মারা যাবে, সে ব্যক্তির নেক আমল থেকে ঋণদাতাকে দিয়ে দেয়া হবে আর তার দীনার ও দিরহাম পরকালে কোন কাজে আসবে না, ফযরের দু'রাকাত নামায ঠিকমত আদায় করবে, এ দু রাকাত বড়ই মর্যাদাপূর্ণ।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الخماسيات المبدوءة بعدد
عن أيوب بن سلمان (8) رجل من أهل صنعاء أنه جلس هو وآخرون إلى ابن عمر رضي الله عنهما فقال لهم الا أخبركم بخمس سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا بلى قال من حالت شفاعته دون حد من حدود الله فهو مضاد الله في أمره ومن أعان على خصومة بغير حق فهو مستظل في سخط الله حتى يترك ومن قفا مؤمنا (9) أو مؤمنة حبسه الله في ردغة الخبال عصارة أهل النار ومن مات وعليه دين أخذ لصاحبه من حسناته لا دينار ثم ولا درهم (1) وركعتا الفجر حافظوا عليهما فإنهما من الفضائل
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পঞ্চম শব্দ দিয়ে শুরু
১৩৭. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পাঁচটি জিনিষের কোন কাফফারা নেই; তা হলো, আল্লাহর সাথে শরীক করা, অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা, মুমিনের সম্পদ লুট করা, যুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন করা, এবং অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল করার জন্য সুস্থমস্তিষ্কে শপথ করা।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الخماسيات المبدوءة بعدد
عن أبي هريرة (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم خمس ليس لهن كفارة الشرك بالله عز وجل وقتل النفس بغير حق أو نهب مؤمن أو الفرار يوم الزحف أو يمين صابرة يقتطع بها مالا بغير حق
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: পঞ্চম শব্দ দিয়ে শুরু
১৩৮. আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, পাঁচ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না: সব সময় মদপানকারী, যাদুতে বিশ্বাসকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, গণক ও দান করে খোঁটাদানকারী ব্যক্তি।
كتاب آفات اللسان
فصل منه في الخماسيات المبدوءة بعدد
عن أبي سعيد الخدري (3) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يدخل الجنة صاحب خمس مدمن خمر ولا مؤمن بسحر ولا قاطع رحم ولا كاهن ولا منان
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ছয় বাক্য বিশিষ্ট বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১৩৯. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা পরস্পরে হিংসা পোষণ করো না, পরস্পর ধোঁকাবাজী করো না, পরস্পর বিদ্বেষ পোষণ করো না। একে অপরের (ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে) পশ্চাতে শক্রতা করো না এবং একের বেচাকেনার উপর অন্যে বেচা–কেনার চেষ্টা করবে না। তোমরা আল্লাহর বান্দা রূপে ভাই ভাই হয়ে থাক।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في السداسيات
عن أبي هريرة (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تحاسدوا ولا تناجشوا ولا تباغضوا ولا تدابروا ولا يبع أحدكم على بيع أخيه وكونوا عباد الله اخوانا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ছয় বাক্য বিশিষ্ট বিষয় সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে
১৪০. মুগীরা ইব্ন শু'বা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা তোমাদের জন্য বাজে কথা বলা, অতিরিক্ত প্রশ্ন করা এবং মাল-সম্পদ নষ্ট করাকে অপছন্দ করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তোমাদের উপর কন্যা সন্তানকে জীবন্ত কবর দেয়া, মায়েদের নাফরমানী করা ও হকদারের হক না দেয়া হারাম করেছেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في السداسيات
عن المغيرة بن شعبة (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله كره لكم ثلاثا قيل وقال وكثرة السؤال واضاعة المال وحرم عليكم رسول الله صلى الله عليه وسلم وأد البنات وعقوق الأمهات ومنع وهات
তাহকীক: