মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني

রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১৫৬ টি

হাদীস নং: ৪১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪১. 'আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা আমার নামে মিথ্যা বলো না, নিশ্চয় যে ব্যক্তি আমার নামে মিথ্যা কথা বলে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কেউ যদি আমার নিকট থেকে কোন হাদীস বর্ণনা করে অথচ সে জানে যে, এটি মিথ্যা, তা হলে সেও একজন মিথ্যাবাদী।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن علي (1) رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم لا تكذبوا علي فإنه من يكذب علي يلج النار (2) (وعنه من طريق ثان) (3) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من حدث عني حديثا يرى أنه كذب فهو أكذب الكاذبين
হাদীস নং: ৪২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪২. 'আমির ইবন আবদুল্লাহ ইব্‌ন যুবায়র (রা) তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমি যুবায়েরকে বললাম, ইবন মাসউদ ও অমুক অমুক লোক যেমন হাদীস বর্ণনা করে, আপনাকে তো আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে তেমন হাদীস বর্ণনা করতে শুনি না। তিনি বললেন, দেখ আমি তাঁর সোহবত থেকে পৃথক হয়নি। কাজেই হাদীস তো আমি জানি, কিন্তু তাঁকে বলতে শুনেছি: যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে, তাকে তার অবস্থানের স্থান জাহান্নামে বানাতে হবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن عامر بن عبد الله بن الزبير عن أبيه (4) قال قلت للزبير مالي لا أسمعك تحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم كما اسمع ابن مسعود وفلانا وفلانا؟ قال أما إني لم أفارقه منذ اسلمت ولكني سمعت منه كلمة من كذب علي معتمدا فليتبوأ مقعده من النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪৩. ইবন 'উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে, তার জন্য জাহান্নামে ঘর তৈরী করে রাখা হবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن ابن عمر (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الذي يكذب علي يبنى له بيت في النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪৪. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার নামে বানিয়ে বলে, যা আমি বলিনি, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن أبي هريرة (6) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من تقول علي ما لم أقل فليتبوأ مقعده من النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪৫. আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن شعبة (8) قال اخبرني قتادة وحماد بن أبي سليمان وسليمان التيمي سمعوا أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من كذب علي متعمدا فليتبوأ مقعده من النار
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪৬. খালিদ ইব্‌ন উরফুতা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি মুখতারের উদ্দেশ্য বলেন, সে একজন মিথ্যাবাদী। আমি রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছি: সে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আমার উপর মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার আসন ঠিক করে নেয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن مسلم مولى خالد بن عرفطة (9) أن خالد بن عرفطة قال للمختار هذا (10) رجل كذاب ولقد سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول من كذب علي متعمدا فليتبوأ مقعده من جهنم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করা এবং এ ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে
৪৭. কায়েস ইব্‌ন 'সায়াদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে আমার উপর কোন মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার শয্যা তৈরী করে নেয়, অথবা জাহান্নামে ঘর তৈরী করে নেয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الكذب على رسول الله صلى الله عليه وسلم والتغليظ في ذلك
عن قيس بن سعد بن عبادة الانصاري (1) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من كذب علي كذبة متعمدا فليتبوأ مضجعا من النار أو بيتا في جهنم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৪৮. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কোন বান্দাহ ততক্ষণ পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারে না, যতক্ষণ না সে ঠাট্টা তামাশার সময় মিথ্যা পরিহার না করে, ও ঝগড়া পরিহার না করে যদিও সেই সঠিক হয়।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أبي هريرة (3) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يؤمن العبد الايمان كله حتى يترك الكذب من المزاحة ويترك المراء وان كان صادقا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৪৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৪৯. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে আরো বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি কোন শিশুকে ডেকে বলে, আস তোমাকে দিব, অথচ সে তাকে দিল না; তাহলে সেটা হবে মিথ্যা।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
وعنه أيضا (4) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال من قال لصبي تعال هاك ثم لم يعطه فهي كذبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫০. 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন আমির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের ঘরে আসলেন, তখন আমি বালক ছিলাম। তিনি বলেন, তখন আমি খেলাধূলা করার জন্য বের হচ্ছিলাম। সে সময় আমার মা বললেন, হে 'আবদুল্লাহ! আস তোমাকে কিছু দিব। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি তাকে কি দিতে ইচ্ছে করেছ! সে বললো, খেজুর দিতে ইচ্ছে করেছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তুমি যদি ওয়াদা রক্ষা না কর, তাহলে তোমার আমলনামায় মিথ্যা লিখা হবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن عبد الله بن عامر بن ربيعة (5) أنه قال اتانا رسول الله صلى الله عليه وسل في بيتنا وانا صبي قال فذهبت اخرج لألعب فقالت أمي يا عبد الله تعال أعطك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وما أردت أن تعطيه؟ قالت أعطيه تمرا قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما أنك لو لم تفعلي كتبت عليك كذبة
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫১
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫১. মু'য়াবিয়া ইবন হায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি : সে ব্যক্তি ধ্বংস হোক, যে লোকদের হাসানোর জন্য কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা কথা বলে সে নিপাত থাক, তারাও নিপাত থাক।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن معاوية بن جيدة (6) قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ويل للذي يحدث القوم ثم يكذب ليضحكهم ويل له وويل لهم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫২
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫২. আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোন কোন মানুষ এমন কথা বলে বৈঠককারীদেরকে হাসায়, যা তাকে জাহান্নামের অনেক গভীরে নিক্ষেপ করে।
তাঁর দ্বিতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোন কোন মানুষ এমন কথা বলে, যে সম্পর্কে সে মনে করে, তাতে কোন দোষ নেই, কিন্তু সে জন্য সে সত্তর বছর দোযখে থাকবে।
তাঁর তৃতীয় বর্ণনায় তিনি বলেন, কোন বান্দাহ যখন ভালমন্দ বিচার না করেই কখনো এমন কথা বলে, যার কারণে সে নিজেকে জাহান্নামের এত গভীরে নিক্ষেপ করে, যা পূর্ব ও পশ্চিমের দূরত্বের সমান।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أبي هريرة (7) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة يضحك بها جلساءه يهوي بها أبعد من الثريا (1) (وعنه من طريق ثان) (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إن الرجل يتكلم بالكلمة لا يرى بها بأسا (3) يهوى بها سبعين خريفا (4) في النار (وعنه من طريق ثالث) (5) يرفعها إن العبد يتكلم بالكلمة يزل بها في النار أبعد ما بين المشرق والمغرب
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৩
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৩. আবু সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কোন ব্যক্তি এমন কথাও বলে ফেলে যে বিষয়ে কোন অসুবিধা আছে বলে সে মনে করে না অথচ এর কারণে সে আকাশ থেকে যমীনের দূরত্বের সমান জাহান্নামের গভীরে পতিত হবে।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أبي سعيد الخدري (6) يرفعه قال إن الرجل ليتكلم بالكلمة لا يريد بها بأسا الا ليضحك بها القوم فإنه ليقع منها أبعد من السماء
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৪
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৪. 'আবদুল্লাহ ইব্‌ন যাম'য়া (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদিন ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে তাদের বায়ু নির্গত হওয়ার কারণে যে শব্দ হতো, তা শুনে যারা হাসাহাসি করছিল, তাদেরকে উপদেশ দিয়ে বললেন, তোমাদের কেউ এমন কাজ নিয়ে হাসাহাসি কেন কর যা সে নিজেও করে?
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن عبد الله بن زمعة (8) قال خطب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وعظهم في ضحكهم من الضرطة فقال علام يضحك أحدكم على ما يفعل
হাদীস নং: ৫৫
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৫. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আমি কেবল সত্য কথাই বলে থাকি। তাঁর কোন সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) আপনি আমাদের সাথে কৌতুক ও করে থাকেন। তিনি বললেন, আমি কেবল সত্য কথাই বলে থাকি। এমনকি কৌতুকেও।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أبي هريرة (9) عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال إني لا أقول إلا حقا قال بعض أصحابه فإنك تداعبنا (10) يا رسول الله فقال إني لا أقول إلا حقا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৬
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৬. আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে আরোহণযোগ্য একটি বাহন চাইলে তিনি বলেন, আমি তোমাকে একটি উষ্ট্রীর বাচ্চায় আরোহণ করাবো। সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমি উষ্ট্রীর বাচ্চা দিয়ে কি করবো? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আরোহণযোগ্য উট কি উষ্ট্রী ছাড়া অন্য কিছু প্রসব করে?
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أنس ابن مالك (11) أن رجلا أتى النبي صلى الله عليه وسلم فاستحمله (12) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا حاملوك على ولد ناقة (13) قال يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اصنع بولد ناقة؟ (14) فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهل تلد الإبل (1) إلا النوق
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৭
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৭. উম্মে সালামা (রা) থেকে বর্ণিত। আবূ বকর (রা) ব্যবসা উপলক্ষে বুসরা যান। এ সময় নু'আইমান (রা) এবং হারমালার পুত্র সুওয়াইবিত তার সাথে ছিলেন। তারা উভয়েই বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সুওয়াইবিত রসদপত্রের দায়িত্বে ছিলেন। তার কাছে নুয়াইমান আসল এবং তাকে বললো, আমাকে কিছু আহার দিন। তিনি বললেন, না আবু বকর (রা) আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আর নুয়াইমান ছিলেন কৌতুক প্রিয় ব্যক্তি। তিনি বললেন, না, আমি আপনাকে পেরেশান করে ছাড়বো, অতঃপর সে একদল লোকের কাছে আসলো, যারা কিছু আরোহণের ব্যবস্থা করেছিল তাদেরকে তিনি বললেন, তোমরা আমার কাছ থেকে শক্তিশালী, কর্মঠ সুন্দর বাগ্মিতাপূর্ণ গোলাম খরিদ কর, হয়তো সে বলবে, আমি স্বাধীন। তোমরা যদি তার এ কথায় তাকে ছেড়ে দাও, তাহলে বাদ দাও। আমার গোলামে সমস্যা সৃষ্টি করনা। তারা বললো, না, আমরা বরং তাকে তোমার থেকে দশটি উটের বিনিময়ে ক্রয় করবো। তারপর তিনি (নোয়াইমান) তাদের দশটি উট নিয়ে আসলেন, আর তারাও সেখানে এসে অবস্থান নিলেন। তারপর তিনি বললেন ঐ যে লোকটি, সে-ই তোমাদের কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি। তখন লোকেরা এসে তাকে বললো, আমরা তোমাকে ক্রয় করেছি। সুওয়াইবিত বললেন, সে মিথ্যা বলেছে, আমি একজন স্বাধীন ব্যক্তি। তখন লোকেরা বললো, তুমি যে তা বলবে, সেটা পূর্বেই আমাদেরকে জানানো হয়েছে, তারপর তারা তার গলায় রশি লাগিয়ে তাকে নিয়ে গেল। এরপর যখন আবু বকর (রা) আসলেন, তখন তাকে এ খবর জানানো হলে তিনি তখন কয়েকজন সাথীকে নিয়ে তাদের উট ফেরত দিলেন এবং তাকে ফেরত নিয়ে আসলেন। এ ঘটনা শুনে রাসূল (ﷺ) ও তার সাথীরা এক বছর পর্যন্ত হাসাহাসি করলেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن أم سلمة (2) أن أبا بكر خرج تاجرا إلى بصرى ومعه نعيمان وسويبط ابن حرملة وكلاهما يدري وكان سويبط على الزاد فجاءه نعيمان فقال اطعمني فقال لا حتى يأتي أبو بكر وكان نعيمان رجلا مضحاكا مزاحا فقال لأغيظنك فجاء إلى أناس جلبوا ظهرا فقال ابتاعوا مني غلاما عربيا فارها (3) وهو ذو لسان ولعله يقول أنا حر فإن كنتم تاركيه لذلك فدعوني لا تفسدوا علي غلامي فقالوا بل نبتاعه منك بعشر قلائص (4) فاقبل بها يسوقها واقبل بالقوم حتى عقلها ثم قال للقوم دونكم هو هذا فجاء القوم فقالوا قد اشتريناك قال سويبط هو كاذب انا رجل حر فقالوا قد أخبرنا خبرك وطرحوا الحبل في رقبته فذهبوا به فجاء أبو بكر فاخبر فذهب هو أصحابه له فردوا القلائص وأخذوه فضحك منها النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه حولا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৮
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঠাট্টা, তামাশা ও সে ক্ষেত্রে মিথ্যা থেকে ভীতি প্রদর্শন
৫৮. 'আবদুল হামিদ ইব্‌ন সায়ফী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন সুহায়ব (রা) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত হলেন, তাঁর সামনে তখন খেজুর ও রুটি ছিল। তিনি সুহায়বকে বললেন, আস খাও, তখন তিনি খেজুর খাচ্ছিলেন, নবী করিম (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি তো চক্ষু প্রদাহে আক্রান্ত সে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ), আমি তো অন্য পাশ দিয়ে খাচ্ছি। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হেঁসে দিলেন।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في المزاح والترهيب من الكذب فيه
عن عبد الحميد بن صيفي عن أبيه عن جده (6) قال ان صهيبا قدم على الرسول صلى الله عليه وسلم وبين يديه تمر وخبز فقال ادن فكل فأخذ يأكل من التمر فقال له النبي صلى الله عليه وسلم ان بعينك رمدا (7) فقال يا رسول الله إنما آكل من الناحية الأخرى (8) قال فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৯
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া বিবাদ সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন
৫৯. আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কুরআনের কোন বিষয়ে তর্ক-বিতর্ক করা কুফরী।
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الجدال والمراء
عن أبي هريرة (9) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم جدال في القرآن كفر
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৬০
রসনার ক্ষতি সম্পর্কে অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া বিবাদ সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন
৬০. আবু উমামা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, হিদায়াতের পরে কোন জাতি তখন গুমরাহিতে লিপ্ত হবে, যখন তারা তর্ক বিতর্কে লিপ্ত হয়ে পড়বে এরপর তিনি আয়াত তেলাওয়াত করেন,
مَا ضَرَبُوهُ لَكَ إِلَّا جَدَلًا بَلْ هُمْ قَوْمٌ خَصِمُونَ
অর্থ: "তারা আপনার সামনে যে উদাহরণ উপস্থাপন করে, তা কেবল বিতর্কের জন্যই করে।”
كتاب آفات اللسان
باب ما جاء في الترهيب من الجدال والمراء
عن أبي أمامة (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما ضل قوم بعد هدى كانوا عليه إلا أوتوا الجدل ثم تلا هذه الآية (ما ضربوه لك إلا جدلا بل هم قوم خصمون
tahqiq

তাহকীক: