মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৭১ টি
হাদীস নং: ১২৩
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ঝাড়ফুঁক এবং তাবীয: বৈধ ও অবৈধ প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ: যে সব ঝাড়ফুঁক ও তাবীয বৈধ।
পরিচ্ছেদ: যে সব ঝাড়ফুঁক ও তাবীয বৈধ।
১২৩। ইমরান ইবন হুসায়ন (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কেবল বদ-নযর এবং বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক করা বৈধ।
(তিরমিযী, হাকিম। হাকিম (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী (র) তাকে সমর্থন করেছেন।)
(তিরমিযী, হাকিম। হাকিম (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী (র) তাকে সমর্থন করেছেন।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
أبواب الرّقى والتمائم وما يجوز منها وما لا يجوز
باب ما يجوز من ذلك
باب ما يجوز من ذلك
عن عمران بن حصين (2) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا رقية إلا من عين أو حمة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৪
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়ার মন্ত্র।
১২৪। আবূ বকর ইবন সুলায়মান (র) সূত্রে হাফসা (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা নবী (ﷺ) তাঁর নিকট গেলেন। সে সময় তাঁর কাছে 'শিফা' নামক এক মহিলা উপস্থিত ছিল। (অন্য বর্ণনায়: আশ শিফা) সে পার্শ্বঘা হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ঝাড়ফুঁক করত। নবী (ﷺ) তাকে বললেন, তুমি এটা হাফসা (রা)-কে শিক্ষা দাও।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
فصل في رقية النّملة
عن أبى بكر بن سليمان (3) عن حفصة أن النبى صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها امرأة يقال لها شفاء (وفى رواية الشفاء) ترقى من النّملة (4)، فقال النبى صلى الله عليه وسلم عليها حفصة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৫
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ অনুচ্ছেদ: বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়ার মন্ত্র।
১২৫। শিফা বিনত আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) আমাদের নিকট আসলেন। আমি সে সময় হাফসা (রা)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। নবী (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি যেরূপ তাকে লেখা শিক্ষা দিয়েছ, সেরূপ বিষাক্ত প্রাণীর বিষক্রিয়া হতে রক্ষা পাওয়ার মন্ত্র শিক্ষা দাও।
(আবূ দাউদ। তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ। তিনি এবং মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
فصل في رقية النّملة
عن الشفاء بنت عبد الله (5) دخل علينا النبى صلى الله عليه وسلم وأنا عند حفصة، فقال لى ألا تعلمين هذه (6) رقية النملة كما علمتيها الكتابة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৬
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১২৬। উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখতে গেলাম। তিনি এমন তীব্র ব্যাথায় আক্রান্ত ছিলেন, যা আল্লাহ তা'আলা ভাল জানেন। এরপর বিকালবেলা আমি আবার তার নিকট গেলাম। সে সময় (দেখলাম যে,) তিনি পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আমি তাঁকে বললাম, সকালবেলা আমি আপনার নিকট এসেছিলাম, সে সময় আপনি এমন তীব্র ব্যাথায় আক্রান্ত যা আল্লাহ তা'আলা ভাল জানেন। এরপর বিকালবেলা আসলাম, তখন (দেখি) আপনি সুস্থ? তিনি বললেন, হে ইবন সামিত! জিবরাঈল (আ) আমাকে মন্ত্র পড়ে ঝেড়ে দিয়েছেন, এর ফলে আমি সুস্থ হয়েছি। আমি কি তোমাকে এটা শিখাবো! আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন,
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ : مِنْ حَسَدِ كُلِّ حَاسِدٍ وَعَيْنٍ بِاسْمِ اللَّهِ يَشْفِيْكَ.
'আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি সে সব বস্তু হতে যা আপনাকে কষ্ট দেয় এবং প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা হতে ও বদ-নযর হতে। আল্লাহর নামে এটা আপনাকে সুস্থ করবে।' (অন্য বর্ণনায় :) প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা হতে সর্বপ্রকার বদ-নযর হতে। আল্লাহর মহান নাম আপনাকে সুস্থ করবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী 'সুলায়মান' সিরিয়ার অধিবাসী। কেউ তাকে দূর্বল বলেন নি। এর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ ، مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ : مِنْ حَسَدِ كُلِّ حَاسِدٍ وَعَيْنٍ بِاسْمِ اللَّهِ يَشْفِيْكَ.
'আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি সে সব বস্তু হতে যা আপনাকে কষ্ট দেয় এবং প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা হতে ও বদ-নযর হতে। আল্লাহর নামে এটা আপনাকে সুস্থ করবে।' (অন্য বর্ণনায় :) প্রত্যেক হিংসুকের হিংসা হতে সর্বপ্রকার বদ-নযর হতে। আল্লাহর মহান নাম আপনাকে সুস্থ করবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী 'সুলায়মান' সিরিয়ার অধিবাসী। কেউ তাকে দূর্বল বলেন নি। এর অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عبادة ابن الصامت قال دخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم أعوده وبه من الوجع ما يعلم الله تبارك وتعالى بشدة ثم دخلت عليه من العشى وقد برئ أحسن برء، فقلت له دخلت عليك غدوة وبك من الوجع ما يعلم الله بشدة ودخلت عليك العشية وقد برأت، فقال يا ابن الصامت إن جبريل عليه السلام رقانى برقية برئت، ألا أعلمكها؟ قلت بلى. قال بسم الله أرقيك، من كل يؤذيك، من حسد كل حاسد وعين، بسم الله يشفيك (وفى رواية) من حسد حاسد وكل عين واسم الله يشفيك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৭
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১২৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)র অসুস্থ হলে জিবরাঈল (আ) তাকে এই বলে ফুঁক দিলেন,
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيْكَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ ذِي عَيْنٍ.
আল্লাহর নামের সাহায্যে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি সর্বপ্রকার রোগ-ব্যাধি হতে, তিনি আপনাকে রক্ষা করবেন হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে এবং বদ-নযর দানকারীর অনিষ্ট হতে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ يَشْفِيْكَ مِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ ذِي عَيْنٍ.
আল্লাহর নামের সাহায্যে আমি আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি সর্বপ্রকার রোগ-ব্যাধি হতে, তিনি আপনাকে রক্ষা করবেন হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে এবং বদ-নযর দানকারীর অনিষ্ট হতে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عائشة رضى الله عنها (1) قال كان النبى صلى الله عليه وسلم إذا اشتكى رقاه جبريل عليه السلام، فقال بسم الله أرقيك من كل داء يشفيك من شر حاسد إذا حسد ومن شر كل ذى عين
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৮
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১২৮। ফাযালা ইবন ওবায়দ আনসারী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে একটি মন্ত্র শিখিয়েছেন এবং যাকে সুযোগ হয়, তাকেই এটা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার জন্য তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আমাকে বলেছেন,
رَبَّنَا اللهُ الَّذِي فِي السَّمَوَاتِ تَقَدَّسَ اسْمُكَ، أَمْرُكَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ اللَّهُمَّ كَمَا أَمْرُكَ في السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ عَلَيْنَا فِي الْأَرْضِ اللَّهُمَّ رَبَّ الطَّيِّبِينَ اغْفِرْ لَنَا حَوْبَنَا وَذُنُوبَنَا وَخَطَايَانَا، وَنَزِِّلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ، وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ عَلَى مَا بِفُلَانٍ مِنْ شَكُوى .
"আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশে আছেন। (হে প্রভু!) আপনার নাম পবিত্র, আপনার নির্দেশ আকাশ ও পৃথিবী উভয়স্থানে প্রযোজ্য। হে আল্লাহ! আকাশে যেরূপ আপনার নির্দেশ অবতীর্ণ হয়, সেরূপ পৃথিবীতে আমাদের ওপর আপনার রহমত অবতীর্ণ করুন। হে আল্লাহ! আপনি নেক লোকদের প্রভু, আপনি আমাদের পাপরাশি ও দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন এবং আপনার বিশেষ রহমত অবতীর্ণ করুন ও আপনার বিশেষ শিফা নাযিল করুন অমুকের ব্যাথাযুক্ত স্থানে।"
এটা বলবে, তা হলে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। তিনি আরো বললেন, তুমি এটা তিনবার পড়বে। এরপর সূরা ফালাক ও সূরা নাস তিনবার পড়বে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে অপরিচিত বর্ণনাকারী বর্ণনাকারী রয়েছেন। এ ছাড়া বর্ণনাকারী আবু বকর ইবন আবি মারয়াম দুর্বল।)
رَبَّنَا اللهُ الَّذِي فِي السَّمَوَاتِ تَقَدَّسَ اسْمُكَ، أَمْرُكَ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ اللَّهُمَّ كَمَا أَمْرُكَ في السَّمَاءِ فَاجْعَلْ رَحْمَتَكَ عَلَيْنَا فِي الْأَرْضِ اللَّهُمَّ رَبَّ الطَّيِّبِينَ اغْفِرْ لَنَا حَوْبَنَا وَذُنُوبَنَا وَخَطَايَانَا، وَنَزِِّلْ رَحْمَةً مِنْ رَحْمَتِكَ، وَشِفَاءً مِنْ شِفَائِكَ عَلَى مَا بِفُلَانٍ مِنْ شَكُوى .
"আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ, যিনি আকাশে আছেন। (হে প্রভু!) আপনার নাম পবিত্র, আপনার নির্দেশ আকাশ ও পৃথিবী উভয়স্থানে প্রযোজ্য। হে আল্লাহ! আকাশে যেরূপ আপনার নির্দেশ অবতীর্ণ হয়, সেরূপ পৃথিবীতে আমাদের ওপর আপনার রহমত অবতীর্ণ করুন। হে আল্লাহ! আপনি নেক লোকদের প্রভু, আপনি আমাদের পাপরাশি ও দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করে দিন এবং আপনার বিশেষ রহমত অবতীর্ণ করুন ও আপনার বিশেষ শিফা নাযিল করুন অমুকের ব্যাথাযুক্ত স্থানে।"
এটা বলবে, তা হলে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। তিনি আরো বললেন, তুমি এটা তিনবার পড়বে। এরপর সূরা ফালাক ও সূরা নাস তিনবার পড়বে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে অপরিচিত বর্ণনাকারী বর্ণনাকারী রয়েছেন। এ ছাড়া বর্ণনাকারী আবু বকর ইবন আবি মারয়াম দুর্বল।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن فضالة بن عبيد الأنصارى (2) قال علمنى رسول الله صلى الله عليه وسلم رقية وأمرنى أن أرقى بها من بدا لى، قال لى قل ربنا الله الذي في السماء تقدس أسمك، أمرك في السماء والأرض، اللهم كما أمرك في السماء فاجعل رحمتك علينا في الأرض، اللهم رب الطيبين اغفر لنا حوبنا (3) وذنوبنا وخطايانا، ونزل رحمة من رحمتك، وشفاءاً من شفائك على ما بفرن من شكوى فيبرأ، قال وقل ذلك ثلاثاً ثم تعوذ بالمعوذتين ثلاث مرات
তাহকীক:
হাদীস নং: ১২৯
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১২৯। আলী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন রোগীকে ঝাড়ফুঁক দিতেন, তখন এই দু'আ বলতেন,
أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، اِشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
হে মানুষের প্রতিপালক! বিপদ-সঙ্কট দূর করে দিন। আপনি (তাকে) সুস্থ করুন, কেননা, আপনি রোগ নিরাময়কারী, আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই। আপনি (তার রোগ) এমনভাবে নিরাময় করুন, যাতে কোন কোন রোগ অবশিষ্ট না থাকে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী হারিস ইবন আবদিল্লাহ-কে অধিকাংশ হাদীস বিশারদ দুর্বল বলেছেন।)
أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، اِشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
হে মানুষের প্রতিপালক! বিপদ-সঙ্কট দূর করে দিন। আপনি (তাকে) সুস্থ করুন, কেননা, আপনি রোগ নিরাময়কারী, আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই। আপনি (তার রোগ) এমনভাবে নিরাময় করুন, যাতে কোন কোন রোগ অবশিষ্ট না থাকে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী হারিস ইবন আবদিল্লাহ-কে অধিকাংশ হাদীস বিশারদ দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن على رضى الله عنه (4) قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا عوّد مريضاً قال أذهب البأس رب الناس، إشف أنت الشافى، لا شفاء إلا شفاؤك شفاء لا يغادر سقماً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩০
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩০। আযহার ইবন সা'ঈদ (র) সূত্রে মায়মূনা হিলালী (রা)-এর ভ্রাতুষ্পুত্র আবদুর রহমান ইবন সায়িব (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, হযরত মায়মূনা (রা) তাকে বলেছেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে দু'আ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন, আমি কি সে দু'আ পড়ে তোমায় ঝেড়ে দিব? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন,
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ، وَاللَّهُ يَشْفِيْكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ فِيْكَ، أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شَافِيَ إِلَّا أَنْتَ.
আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, আল্লাহ তোমার সকল রোগ-ব্যাধি নিরাময় করবেন। হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনি ব্যতীত কোন রোগনিরাময়কারী নেই।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা তবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী 'আবদুল্লাহ ইবন সালিহ' বিতর্কিত। অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন আর অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তার সূত্রে বর্ণিত হাদীস 'হাসান'।)
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ، وَاللَّهُ يَشْفِيْكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ فِيْكَ، أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي لَا شَافِيَ إِلَّا أَنْتَ.
আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, আল্লাহ তোমার সকল রোগ-ব্যাধি নিরাময় করবেন। হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনি ব্যতীত কোন রোগনিরাময়কারী নেই।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা তবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী 'আবদুল্লাহ ইবন সালিহ' বিতর্কিত। অনেকে তাকে দুর্বল বলেছেন আর অনেকে তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তার সূত্রে বর্ণিত হাদীস 'হাসান'।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن أزهر بن سعيد عن عبد الرحمن بن السائب (5) بن أخى ميمونة الهلالية أنه حدثه أن ميمونة (6) قالت له يا ابن أخى ألا أرقيك برقية رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قلت بلى. قالت بسم الله أرقيك والله يشفيك من كل داء فيك، أذهب البأس رب الناس، وأشف أنت الشافى لا شافى إلا أنت
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩১। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর পরিবারের কাউকে ঝাড়ফুঁক করলে তিনি তার ওপর স্বীয় ডান হাত বুলাতেন এবং বলতেন,
أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ إِنَّكَ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই। আপনি (তার রোগ) এমনভাবে নিরাময় করুন, যাতে কোন রোগ অবশিষ্ট না থাকে।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এই দু'আ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন,
امْسَحُ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، بِيَدِكَ الشَّفَاءُ، لَا يَكْشِفُ الْكَرْبَ إِلَّا أَنْتَ .
হে মানুষের রব! দুঃখ-বেদনা নিরাময় করুন। কেবল আপনার হাতে রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রয়েছে। আপনি ব্যতীত কেউ বিপদ দূর করতে পারে না। (অন্য বর্ণনায় আপনি ব্যতীত কেউ বিপদ হতে মুক্তি দানকারী নেই।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
أَذْهِبِ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ إِنَّكَ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনার শিফা ব্যতীত কোন শিফা নেই। আপনি (তার রোগ) এমনভাবে নিরাময় করুন, যাতে কোন রোগ অবশিষ্ট না থাকে।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) এই দু'আ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন,
امْسَحُ الْبَاسَ رَبَّ النَّاسِ، بِيَدِكَ الشَّفَاءُ، لَا يَكْشِفُ الْكَرْبَ إِلَّا أَنْتَ .
হে মানুষের রব! দুঃখ-বেদনা নিরাময় করুন। কেবল আপনার হাতে রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রয়েছে। আপনি ব্যতীত কেউ বিপদ দূর করতে পারে না। (অন্য বর্ণনায় আপনি ব্যতীত কেউ বিপদ হতে মুক্তি দানকারী নেই।)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عائشة رضى الله عنها (7) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعوّذ بعض أهله يمسحه بيمينه يقول اذهب البأس رب الناس وأشف إنك أنت الشافى لا شفاء إلا شفاؤك شفاءاً لا يغادر سقماً (1) (وعنها من طريق ثان) (2) أن النبى صلى الله عليه وسلم كان يرقى يقول امسح البأس رب الناس بيدك الشفاء لا يكشف الكرب إلا أنت (وفى رواية لا كاشف له إلا أنت)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩২। তারই সূত্রে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) রোগীর নিকট গিয়ে এই দু'আ পড়তেন,
بِسْمِ اللَّهِ بِتُرْبَةِ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا لِيُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا
" আল্লাহর নামে, আমাদের ভূপৃষ্ঠের মাটি আমাদের কারো থুথুর সঙ্গে মিলিয়ে (মালিশ করছি।) যাতে এটা আমাদের রবের নির্দেশে আমাদের রোগীকে সুস্থ করে।"
(বুখারী, মুসলিম, ইবন মাজাহ, হাকিম)
بِسْمِ اللَّهِ بِتُرْبَةِ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا لِيُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا
" আল্লাহর নামে, আমাদের ভূপৃষ্ঠের মাটি আমাদের কারো থুথুর সঙ্গে মিলিয়ে (মালিশ করছি।) যাতে এটা আমাদের রবের নির্দেশে আমাদের রোগীকে সুস্থ করে।"
(বুখারী, মুসলিম, ইবন মাজাহ, হাকিম)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
وعنها أيضاً (3) أن النبى صلى الله عليه وسلم كان يقول في المريض بسم الله بتربة أرضنا (4) بريقة بعضنا ليشفى (5) سقيمنا بإذن ربنا
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৩
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৩। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী (ﷺ) নিকট আসলেন। সে সময় আমি অসুস্থ ছিলাম। (অন্য বর্ণনায় তিনি আমাকে দেখার জন্য আসলেন) তিনি বললেন, আমি তোমাকে এমন মন্ত্র শিখাবো (অন্য বর্ণনায়: আমি তোমাকে এমন মন্ত্র দ্বারা ঝাড়ফুঁক করবো) যা দ্বারা জিবরাঈল (আ) আমাকে ঝাড়ফুঁক করেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ, আপনার ওপর আমার পিতামাতা উৎসর্গ হোক। তখন তিনি বললেন,
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ، وَاللَّهُ يَشْفِيكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ يُؤْذِيكَ
“আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, আল্লাহ তোমাকে সুস্থ করবেন এমন সব রোগ- ব্যাধি হতে যা তোমাকে কষ্ট দেয়।"
(বর্ণনাকারী আবদুর রহমান (র) বলেছেন,) এমন সব রোগ-ব্যাধি হতে যা তোমার ভিতর রয়েছে এবং ঐ সকল নারীর অনিষ্ট হতে, যারা গ্রন্থিতে ফুঁক দেয় এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।
(ইবন মাজাহ। বুসীরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আসিম ইবন ওবায়দুল্লাহ 'উমারী দুর্বল।)
بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ، وَاللَّهُ يَشْفِيكَ مِنْ كُلِّ دَاءٍ يُؤْذِيكَ
“আল্লাহর নামে আমি তোমাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, আল্লাহ তোমাকে সুস্থ করবেন এমন সব রোগ- ব্যাধি হতে যা তোমাকে কষ্ট দেয়।"
(বর্ণনাকারী আবদুর রহমান (র) বলেছেন,) এমন সব রোগ-ব্যাধি হতে যা তোমার ভিতর রয়েছে এবং ঐ সকল নারীর অনিষ্ট হতে, যারা গ্রন্থিতে ফুঁক দেয় এবং হিংসুকের অনিষ্ট হতে, যখন সে হিংসা করে।
(ইবন মাজাহ। বুসীরী (র) বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আসিম ইবন ওবায়দুল্লাহ 'উমারী দুর্বল।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن أبى هريرة (6) قال دخل علىّ النبى صلى الله عليه وسلم وأنا أشتكى (وفى رواية يعودنى) فقال ألا أعلمك (وفى رواية ألا أرقيك) برقية رقانى بها جبريل عليه السلام؟ قلت بلى بأبى وأمى، قال باسم الله أرقيك والله يشفيك من كل داء يؤذيك (وقال عبد الرحمن) من كل داء فيك، ومن شر النفاثات في العقد ومن شر حاسد إذا حسد
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৪
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৪। আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জিবরাঈল (রা) নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ। আপনি অসুস্থতা অনুভব করছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। জিবরাঈল (আ) বললেন, بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ، وَعَيْنٍ يَشْفِيكَ بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ.
"আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, সব রোগ-ব্যাধি হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয় এবং সকল মানুষের বদ-নযরের অনিষ্টতা হতে। আল্লাহ আপনার রোগ নিরাময় করবেন। আমি তার নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।"
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
"আল্লাহর নামে আমি আপনাকে ঝাড়-ফুঁক করছি, সব রোগ-ব্যাধি হতে, যা আপনাকে কষ্ট দেয় এবং সকল মানুষের বদ-নযরের অনিষ্টতা হতে। আল্লাহ আপনার রোগ নিরাময় করবেন। আমি তার নামে আপনাকে ঝাড়ফুঁক করছি।"
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن أبى سعيد الخدرى (8) أن جبريل عليه السلام أتى النبى صلى الله عليه وسلم فقال اشتكيت يا محمد؟ قال نعم: قال بسم الله أرقيك من كل شئ يؤذيك من شر كل نفس وعين يشفيك بسم الله أرقيك
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৫
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৫। আবদুল আযীয (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা সাবিত বুনানী (র)-এর সঙ্গে আনাস (রা)-এর নিকট গেলাম। সে সময় সাবিত (র) তাঁকে (আনাস (রা)-কে) বললেন, আমি রোগাক্রান্ত। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে দু'আ দ্বারা ঝাড়ফুঁক করতেন, আমি কি তোমাকে সেটা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করব? সাবিত (র) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি বল,
قُلِ اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَأْسِ اِشْفِ أَنْتَ الشَّانِي لَا شَانِيَ إِلَّا أَنْتَ، اشْفِ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
“হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, দুঃখ-যাতনা নিরাময়কারী, আপনি (আমাকে) সুস্থতা দান করুন। আপনিই কেবল সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত কেউ সুস্থতা দান করতে পারে না। আপনি এমনভাবে সুস্থ দান করুন, যাতে কোন রোগ ব্যাধি অবশিষ্ট না থাকে।"
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
قُلِ اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ مُذْهِبَ الْبَأْسِ اِشْفِ أَنْتَ الشَّانِي لَا شَانِيَ إِلَّا أَنْتَ، اشْفِ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
“হে আল্লাহ! আপনি মানুষের রব, দুঃখ-যাতনা নিরাময়কারী, আপনি (আমাকে) সুস্থতা দান করুন। আপনিই কেবল সুস্থতা দানকারী। আপনি ব্যতীত কেউ সুস্থতা দান করতে পারে না। আপনি এমনভাবে সুস্থ দান করুন, যাতে কোন রোগ ব্যাধি অবশিষ্ট না থাকে।"
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عبد العزيز (9) قال دخلنا على أنس بن مالك رضى الله عنه مع ثابت فقال له إنى اشتكيت (10) فقال ألا أرقيك برقية أبى القاسم صلى الله عليه وسلم؟ قال بلى، قال قل اللهم رب الناس مذهب البأس اشف أنت الشافى لا شافى إلا أنت اشف شفاء لا يغادر سقماً
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৬
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৬। মুহাম্মাদ ইবন হাতিব জামহী (র) সূত্রে তার মা উম্মু জামীল বিনতে মুজাললিল (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাকে (মুহাম্মাদ ইবন হাতিব) নিয়ে হাবশা এলাকা হতে (মদীনার উদ্দেশ্যে) রওয়ানা হলাম। যখন মদীনায় পৌঁছতে এক বা দুই রাত পরিমাণ দুরত্ব অবশিষ্ট ছিল, তখন আমি তোমার জন্য এক প্রকার খাবার পাকাতে লাগলাম। সে সময় লাকড়ী শেষ হয়ে গেল, আমি তার খোঁজে বের হলাম। সে সময় আমি পাতিলে হাত দিলে, তা উপুড় হয়ে তোমার বাহুতে পড়ে। তারপর আমি তোমাকে নিয়ে নবী (ﷺ)-এর নিকটে আসলাম এবং বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! এই যে মুহাম্মাদ ইবন হাতিব। তখন তিনি তোমার মুখে থুথু দিলেন, তোমার মাথায় হাত বুলালেন, এবং তিনি তোমার দু'হাতে থুথু দিলেন আর এই দু'আ পড়লেন,
أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
"হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনি ব্যতীত কোন রোগনিরাময়কারী নেই।"
উম্মু জামিল (রা) বলেন, আমি তোমাকে নিয়ে তার নিকট হতে উঠে আসামাত্রই তোমার হাত সুস্থ হয়ে যায়।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার হস্তদ্বয়ে (গরম) পাতিল হতে খাবার পড়ে গেলে আমার মা আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে আসেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি কয়েকটি বাক্য উচ্চারণ করেন। অর্থাৎ তিনি বললেন, اَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ (হে মানুষের প্রভূ! দুঃখ-বেদনা দূর করুন।) বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এ কথাও বলেছেন, وَاشْفِ أَنْتَ الشّانِي (তার রোগ নিরাময় করুন, আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী।) বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় তিনি থুথু দিচ্ছিলেন।
তৃতীয় সূত্রে তার থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে। তবে তাতে আরও আছে, তিনি বলেন, এরপর আমার মা আমাকে নিয়ে 'বাতহা' নামক স্থানে এক লোকের নিকট নিয়ে গেলেন। তিনি কিছু উচ্চারণ করে আমাকে ফুঁক দেন। এরপর উসমান (রা)-এর শাসনামলে আমি আমার মাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ঐ লোকটি কে ছিলেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, প্রথম সূত্রে হাদীসটি আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। এই সনদে আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তৃতীয় সনদে হাদীসটি আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا.
"হে মানুষের প্রভু! দুঃখ-বেদনা দূর করুন। তার রোগ নিরাময় করুন। আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী। আপনি ব্যতীত কোন রোগনিরাময়কারী নেই।"
উম্মু জামিল (রা) বলেন, আমি তোমাকে নিয়ে তার নিকট হতে উঠে আসামাত্রই তোমার হাত সুস্থ হয়ে যায়।
দ্বিতীয় সূত্রে তার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার হস্তদ্বয়ে (গরম) পাতিল হতে খাবার পড়ে গেলে আমার মা আমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট নিয়ে আসেন। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি কয়েকটি বাক্য উচ্চারণ করেন। অর্থাৎ তিনি বললেন, اَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ (হে মানুষের প্রভূ! দুঃখ-বেদনা দূর করুন।) বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি এ কথাও বলেছেন, وَاشْفِ أَنْتَ الشّانِي (তার রোগ নিরাময় করুন, আপনিই একমাত্র রোগ নিরাময়কারী।) বর্ণনাকারী বলেন, সে সময় তিনি থুথু দিচ্ছিলেন।
তৃতীয় সূত্রে তার থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে। তবে তাতে আরও আছে, তিনি বলেন, এরপর আমার মা আমাকে নিয়ে 'বাতহা' নামক স্থানে এক লোকের নিকট নিয়ে গেলেন। তিনি কিছু উচ্চারণ করে আমাকে ফুঁক দেন। এরপর উসমান (রা)-এর শাসনামলে আমি আমার মাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ঐ লোকটি কে ছিলেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, প্রথম সূত্রে হাদীসটি আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। এই সনদে আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তৃতীয় সনদে হাদীসটি আহমাদ ও তবারানী বর্ণনা করেছেন। আহমাদ-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن محمد بن حاطب الجمحى (1) عن أمه أم جميل بنت المجلل (3) رضى الله عنهما قالت أقبلت بك من أرض الحبشة حتى إذا كنت في المدينة على ليلة أو ليلتين طبخت لك طبيخاً ففنى الحطب فخرجت أطلبه فتناولت القدر فانكفأت على ذراعك فأتيت بك النبى صلى الله عليه وسلم فقلت بأبى وأمى يا رسول الله هذا محمد بن حاطب فتفل في فيك ومسح على رأسك ودعا لك وجعل يتفل على يديك ويقول اذهب البأس رب الناس واشف أنت الشافى لا شفاء إلا شفاؤك شفاءاً لا يغادر سقماً، فقالت فما قمت بك من عنده حتى برأت يدك (وعنه من طريق ثان) (4) قال انصبت على يدى من قدر فذهبت بى أمى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقال كلاماً فيه اذهب البأس رب الناس وأحسبه قال اشف أنت الشافى قال وكان يتفل (5) (وعنه من طريق ثالث) (6) بنحوه وفيه قال فذهبت بى أمى إلى رجل كان بالبطحاء (7) فقال شيئاً ونفث (8) فلما كان في إمرة عثمان قلت لأمى من كان ذلك الرجل؟ قالت رسول الله صلى الله عليه وسلم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৭
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৭। উসমান ইবন আবিল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমার নিকট উপস্থিত হলেন। সে সময় আমি (প্রচণ্ড) ব্যাথায় আক্রান্ত ছিলাম, যা আমাকে ধ্বংস করে দিচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি (ব্যথিত স্থান) তোমার ডান হাত দ্বারা সাতবার মুছে দাও এবং বল, (অন্য বর্ণনায়: প্রত্যেকবার হাত ফিরাবার সময় বলবে)
أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ .
"আমি আল্লাহর প্রতাপ এবং তার ক্ষমতার আশ্রয় চাই সে সব অকল্যাণ হতে যা আমি অনুভব করছি।"
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি তাই করলাম। ফলে আমি যে ব্যাথায় আক্রান্ত ছিলাম, আল্লাহ সেটা নিরাময় করে দিলেন। এরপর হতে আমি আমার পরিবারস্থ লোকজন এবং অন্যদেরকে এটা পড়ার জন্য নির্দেশ দিতাম।
(বুখারী, মুসলিম, মালিক ও ইমাম চতুষ্ঠয়)
أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ .
"আমি আল্লাহর প্রতাপ এবং তার ক্ষমতার আশ্রয় চাই সে সব অকল্যাণ হতে যা আমি অনুভব করছি।"
বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি তাই করলাম। ফলে আমি যে ব্যাথায় আক্রান্ত ছিলাম, আল্লাহ সেটা নিরাময় করে দিলেন। এরপর হতে আমি আমার পরিবারস্থ লোকজন এবং অন্যদেরকে এটা পড়ার জন্য নির্দেশ দিতাম।
(বুখারী, মুসলিম, মালিক ও ইমাম চতুষ্ঠয়)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عثمان بن أبى العاص (9) قال أتانى رسول الله صلى الله عليه وسلم وبي وجع قد كاد يهلكنى فقال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم امسحه بيمينك سبع مرات وقل أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد (وفى رواية في كل مسحة) قال ففعلت ذلك فأذهب الله ما كان بى فلم أزل آمر به أهلى وغيرهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৮
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৮। হযরত ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত হাসান (রা) ও হযরত হুসায়ন (রা)-কে এই দু'আ পড়ে ঝাড়তেন,
أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لامَّةٍ
"আমি (তোমাদের জন্য) আল্লাহ পূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় চাই প্রত্যেক শয়তান হতে, প্রত্যেক বিষাক্ত কীট হতে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর নযর হতে।"
এবং তিনি বলতেন, আমার পিতা ইবরাহীম (আ) তাঁর সন্তানদ্বয় ইসমাঈল (আ) ও ইসহাক (আ)-এর জন্য এভাবে আশ্রয় চাইতেন।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।)
أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لامَّةٍ
"আমি (তোমাদের জন্য) আল্লাহ পূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় চাই প্রত্যেক শয়তান হতে, প্রত্যেক বিষাক্ত কীট হতে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর নযর হতে।"
এবং তিনি বলতেন, আমার পিতা ইবরাহীম (আ) তাঁর সন্তানদ্বয় ইসমাঈল (আ) ও ইসহাক (আ)-এর জন্য এভাবে আশ্রয় চাইতেন।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن ابن عباس (1) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعوّذ حسناً وحسيناً يقول أعوذ بكلمات الله (2) التامّة من كل شيطان وهامّة (3) ومن كل عين لامّة (4) وكان يقول كان إبراهيم أبى يعوّذ بهما إسماعيل وإسحق
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৯
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: ঝাড়ফুঁকের শব্দাবলী।
১৩৯। 'আমর ইবন কা'ব ইবন মালিক (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি তোমাদের কেউ পীড়া অনুভব করে, তবে সে যেন পীড়িত স্থানে স্বীয় হাত রেখে সাতবার এই দু'আ পড়ে,
أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ .
"আমি আল্লাহর প্রতাপ এবং তার ক্ষমতার আশ্রয় চাই সে সব অকল্যাণ হতে যা আমি অনুভব করছি।”
(তবারানী। হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী আবু মা'শার-কে অনেকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অধিকাংশ হাদীসবিশারদের মতে তিনি দুর্বল। এছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাফিয সুয়ূতী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
أَعُوذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهِ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ .
"আমি আল্লাহর প্রতাপ এবং তার ক্ষমতার আশ্রয় চাই সে সব অকল্যাণ হতে যা আমি অনুভব করছি।”
(তবারানী। হাদীসটির সূত্রে বর্ণনাকারী আবু মা'শার-কে অনেকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অধিকাংশ হাদীসবিশারদের মতে তিনি দুর্বল। এছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাফিয সুয়ূতী (র) হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الألفاظ الواردة في الرقى
عن عمرو بن كعب بن مالك عن أبيه (5) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا وجد أحدكم ألماً (6) فليضع يده حيث يجد ألمه ثم ليقل سبع مرات (7) أعوذ بعزة الله وقدرته على كل شئ (8) من شر ما أجد
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪০
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
১৪০। আবদুর রহমান ইবন আবি লায়লা (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে উবাই ইবন কা'ব (রা) হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, একদা আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় এক বেদুঈন এসে বললেন, ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ, আমার এক ভাই আছে, সে ব্যাথায় আক্রান্ত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তার কেমন ব্যথা? বেদুঈন বললেন, তার মধ্যে সামান্য পাগলামী রয়েছে। তিনি বললেন, তাকে আমার নিকট নিয়ে আস। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে নিজের সামনে বসালেন। তারপর সূরা ফাতিহা, সূরা বাকারার প্রথম দশ আয়াত, এই দু'আয়াত, وَالْهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ ও আয়াতুল কুরসী, এবং সূরা বাকারার শেষ তিন আয়াত, এবং সূরা আল ইমরানের شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ এ আয়াত, সূরা আ'রাফের إِنَّ رَبَّكُمُ اللهُ الَّذِى خَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ এ আয়াত, সূরা মু'মিনূনের, فَتَعَالَ اللهُ الْمِلَكُ الْحَقُّ অর্থাৎ শেষ আয়াত, সূরা জ্বিনের وَأَنَّهُ تَعَالَى جَدُّ رَبِّنَا এ আয়াত, সূরা সাফফাতের প্রথম দশ আয়াত, সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে তাকে ঝাড়লেন। এরপর লোকটি এমনভাবে দাঁড়াল মনে হল যেন, ইতিপূর্বে তার কোন রোগ-ব্যাধি ছিল না।
(হাদীসটি হায়ছামী বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী আবূ জানাব দুর্বল। তবে ইবন হিব্বান (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আবদুল্লাহ ইবন আহমাদ বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী আবূ জানাব দুর্বল। তবে ইবন হিব্বান (র) তাকে নির্ভরযোগ্য বলেছেন। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الرقية بالقرآن
عن عبد الرحمن بن أبى ليلى (10) حدثنى أبى بن كعب قال كنت عند النبى صلى الله عليه وسلم فجاء أعرابى فقال يا نبى الله إن لى أخاً وبه وجع، قال وما وجعه؟ قال به لمم قال فأتنى به فوضعه بين يديه فعوّذه النبى صلى الله عليه وسلم بفاتحة الكتاب وأربع آيات من أول سورة البقرة، وهاتين الآيتين وإلهكم إله واحد وآية الكرسى وثلاث آيات من آخر سورة البقرة وآية من آل عمران شهد الله أنه لا إله إلا هو: وآية من الأعراف إن ربكم الله الذي خلق السموات والأرض، وآخر سورة المؤمنين فتعالى الله الملك الحق وآية من سورة الجن وأنه تعالى جد ربنا، وعشر آيات من أول والصافات: وثلاث آيات من آخر سورة الحشر، وقل هو الله أحد والمعوذتين، فقال الرجل كأنه لم يشتك قط
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪১
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
১৪১। খারিজা ইবন সালত (র) সূত্রে তার চাচা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট হতে আরবের এক সম্প্রদায়ের কাছে আসলে তারা বলল, আমরা সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি ঐ লোকের নিকট হতে কল্যাণকর বিষয় নিয়ে ফিরেছ। (অন্য বর্ণনায় আমাদেরকে সংবাদ দেওয়া হয়েছে যে, তোমাদের এই সাথী কল্যাণকর বিষয় নিয়ে এসেছেন।) সুতরাং তোমার নিকট কি কোন ঔষধ বা ঝাড়ফুঁক আছে? আমাদের কাছে এক বিকৃত মস্তিষ্ক লোক শৃঙ্খলাবদ্ধ আছে? বর্ণনাকারী বলেন, তখন আমি সূরা ফাতিহা তিনদিন সকাল বিকাল পড়লাম। (অন্য বর্ণনায় অতিরিক্ত হল, প্রত্যেক দিন দু'বার করে পড়লাম।) সে সময় আমি মুখে থুথু একত্র করে তার দিকে ছুঁড়ে দিচ্ছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, (এর ফলে সে সুস্থ হয়ে দাঁড়াল।) মনে হল যেন, তাকে বন্দি দশা হতে মুক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এরপর লোকেরা আমাকে পারিশ্রমিক দিল।
(অন্য বর্ণনায়: তারা আমাকে একশত বকরী দিল।) আমি বললাম, না, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা না করে এগুলো গ্রহণ করব না। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তুমি এগুলো খেতে পার। (অন্য বর্ণনায় তিনি বললেন, তুমি এগুলো গ্রহণ কর।) আমার জীবনের শপথ! যে ব্যক্তি বাতিল ঝাড়ফুঁকের বিনিময়ে কিছু খায়, তবে এর শাস্তি তাকে ভোগ করতে হবে। কিন্তু তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁকের বিনিময়ে এগুলো খাচ্ছ।
(আবু দাউদ, নাসাঈ। আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে খারিজা (র) ব্যতিক্রম। কিন্তু ইবন হিব্বান (র) তাকেও নির্ভরযোগ্য বলেছেন)
(অন্য বর্ণনায়: তারা আমাকে একশত বকরী দিল।) আমি বললাম, না, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা না করে এগুলো গ্রহণ করব না। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তুমি এগুলো খেতে পার। (অন্য বর্ণনায় তিনি বললেন, তুমি এগুলো গ্রহণ কর।) আমার জীবনের শপথ! যে ব্যক্তি বাতিল ঝাড়ফুঁকের বিনিময়ে কিছু খায়, তবে এর শাস্তি তাকে ভোগ করতে হবে। কিন্তু তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁকের বিনিময়ে এগুলো খাচ্ছ।
(আবু দাউদ, নাসাঈ। আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি। এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তবে খারিজা (র) ব্যতিক্রম। কিন্তু ইবন হিব্বান (র) তাকেও নির্ভরযোগ্য বলেছেন)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الرقية بالقرآن
عن خارجة بن الصلت (1) عن عمه رضى الله عنه قال أقبلنا من عند النبى صلى الله عليه وسلم فأتينا على حي من العرب فقالوا أنبئنا أنكم جئتم من عند هذا الرجل بخير (وفى رواية إنا قد حدثنا أن صاحبكم هذا قد جاء بخير) فهل عندكم دواء أو رقية فإن عندنا معتوهاً (2) في القيود قال فقرأت بفاتحة الكتاب ثلاثة أيام غدوة وعشية (زاد في رواية كل يوم مرتين) أجمع بزاقى ثم أتفل قال فكأنما نشط (3) من عقال قال فأعطونى جعلا (وفى رواية فأعطونى مائة شاة) فقلت لا حتى أسأل النبى صلى الله عليه وسلم فسالته فقال كل (وفى رواية فقال خذها) لعمرى (4) من أكل برقية باطل (5) لقد أكلت برقية حق
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪২
চিকিৎসা, ঝাড়ফুঁক, বদ-নযর ও শুভাশুভ লক্ষণ গ্রহণ অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: কুরআন দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা।
১৪২। আবু সাঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কয়েকজন সাহাবী (সফর করে) আরবের এক সম্প্রদায়ের বসতির নিকট আসলেন। কিন্তু তারা তাঁদেরকে মেহমানদারী করল না। (অন্য বর্ণনায় তারা মেহমানদারী চাইলেন। কিন্তু লোকেরা মেহমানদারি করতে অস্বীকৃতি জানাল।) এরপর তারা এমতাবস্থায় থাকলে লাগলেন। ইতোমধ্যে হঠাৎ তাদের গোত্রপত্রি (সাপের) দংশনের শিকার হয়। তখন লোকেরা বলল, আপনাদের নিকট কোন ঔষধ বা মন্ত্র আছে? তারা বললেন, তোমরা আমাদেরকে মেহমানদারী করাও নি; এজন্য আমরা এটা করব না; যাবত না তোমরা আমাদের জন্য পারিশ্রমিক নির্ধারণ কর। এরপর লোকেরা এক পাল ছাগল পারিশ্রমিক নির্ধারণ করল। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর (তাঁদের) একজন সূরা ফাতিহা পড়ে মুখে থুথু একত্র করে তার প্রতি ছুড়তে লাগলেন। এর ফলে লোকটি সুস্থ হয়ে যায়। তারপর লোকেরা আমার নিকট বকরী নিয়ে আসলে সাহাবীগণ বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা না করে এগুলো গ্রহণ করব না। তাঁরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি হাসলেন এবং বললেন, তোমাকে কে অবহিত করেছে যে, এটা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা যায়? তোমরা বকরীগুলো গ্রহণ কর এবং এর মধ্যে আমার জন্য একটি অংশ নির্ধারণ কর।
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب الطب والرقى والعين والعدوى والتشاؤم والفأل
باب الرقية بالقرآن
عن أبى سعيد الخدرى (6) أن ناساً من أصحاب النبى صلى الله عليه وسلم أتوا على حىّ من أحياء العرب فلو يقروهم (7) (وفى رواية فاستضافوهم فأبوا أن يضيّفوهم) فبينما هم كذلك إذ لدغ سيد أولئك فقالوا هل فيكم دواء أو راق؟ فقالوا إنكم لم تقرونا ولا نفعل حتى تجعلوا لنا جعلاً (8) فجعلوا لهم قطيعاً من شاء (9) قال فجعل يقرأ أم القرآن ويجمع بزاقه ويتفل (10) فبرأ الرجل فأتونى بالشاء فقالوا لا نأخذها حتى نسأل عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألوا النبى صلى الله عليه وسلم عن ذلك فضحك وقال ما أدراك أنها رقية (11) خذوها واضربوا لى فيها بسهم (12)
তাহকীক: