মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পানীয় অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৩৭ টি
হাদীস নং: ১০০
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০০। আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, মদ হয় এই দুই গাছ হতে। অর্থাৎ খেজুর এবং আঙ্গুর গাছ।
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্টয়)
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্টয়)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن أبي هريرة (3) أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقول الخمر من هاتين الشجرتين من النخلة والعنبة
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০১। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে 'বিত' সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হল। (বর্ণনাকারী বলেন,) 'বিত' হল, মধুর নাবীয। ইয়ামানবাসীরা তা পান করত। তিনি বললেন, শরাব নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, বায়হাকী)
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, বায়হাকী)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن عائشة رضي الله عنها (4) قالت سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن البتع (5) والبتع نبيذ العسل، وكان أهل اليمن يشربونه فقال كل شراب أسكر فهو حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০২। আমার কাছে ইয়াহইয়া (র) ইবন উয়ায়না ইবন আবদির রহমান (র) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমার কাছে আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, এক ব্যক্তি ইবন আব্বাস (রা)-এর নিকট এসে বলল, আমি খুরাসান অঞ্চলের অধিবাসী। আমাদের অঞ্চল শীতল প্রধান অঞ্চল। এরপর সে বিভিন্ন প্রকার শরাবের কথা তুলে ধরল। তখন ইবন আব্বাস (রা) বললেন, যে কিশমিশ বা খেজুর অথবা অন্যকিছু নেশার সৃষ্টি করে তা পরিহার কর। সে বলল, আপনি মটকায় তৈরী নাবীয সম্বন্ধে কী বলেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মটকায় তৈরী নাবীয পান করতে নিষেধ করেছেন।
(নাসাঈ শুধু মারফু' অংশটুকু বর্ণনা করেছেন। এর সনদ উত্তম।)
(নাসাঈ শুধু মারফু' অংশটুকু বর্ণনা করেছেন। এর সনদ উত্তম।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
حدثنا يحيى (7) عن ابن عيينة بن عبد الرحمن حدثني أبي قال جاء رجل إلى ابن عباس فقال إني رجل من أهل خراسان وإن أرضنا أرض باردة فذكر من ضروب الشراب (8) فقال اجتنب ما أسكر من زبيب أو تمر وما سوى ذلك (9) قال ما تقول في نبيذ الجر (10) قال نهى رسول الله صلى الله وعلى آله وصحبه وسلم عن نبيذ الجر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৩। সালিম ইবন আবদিল্লাহ (র) সূত্রে তার পিতা (আবদুল্লাহ ইবন উমর) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম। যে বস্তুর বেশিটা নেশা সৃষ্টি করে তার অল্পটাও হারাম।
(ইবন মাজাহ, দারাকুতনী। দারাকুতনী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(ইবন মাজাহ, দারাকুতনী। দারাকুতনী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن سالم بن عبد الله (1) عن أبيه (يعني عبد الله بن عمر) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل مسكر حرام، ما أسكر كثيره فقليله حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৪। নাফি' (র) সূত্রে ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, প্রত্যেক নেশাকর বস্তু মদ। আর মদ মাত্রই হারাম।
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن نافع عن ابن عمر (3) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال كل مسكر خمر وكل خمر حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৫। আবদুল্লাহ ইবন 'আমর ইবনুল 'আস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, যে বস্তুর বেশিটা নেশার সৃষ্টি করে তার অল্প অংশও হারাম।
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আবদুল্লাহ ইবন উমর ওমারী' দুর্বল।)
(নাসাঈ, ইবন মাজাহ। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আবদুল্লাহ ইবন উমর ওমারী' দুর্বল।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن عبد الله بن عمرو (5) (يعني ابن العاص) أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ما أسكر كثيره فقليلة حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৬। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা রয়েছে।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান গারীব।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি হাসান গারীব।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن جابر بن عبد الله (6) عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৭। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে বস্তুর এক ফারাক (পরিমাপ বিশেষ) পান করলে নেশা সৃষ্টি করে তার এক কোষও হারাম।
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن عائشة رضي الله عنها (7) قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أسكر الفرق (8) منه إذا شربته فملء الكف (9) منه حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৮। শাহর ইবন হাওশাব (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামা (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রত্যেক নেশাকারক ও দূর্বলকারক বস্তু হতে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ। যায়নুদ্দীন ইরাকী (র) এবং হাফিয (র) হাদীসটির সনদকে সহীহ বলেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব-কে আহমাদ (র) ও ইয়াহয়া ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অনেকে তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। ইমাম তিরমিযী (র) তার হাদীসকে সহীহ বলে থাকেন।)
(আবূ দাউদ। যায়নুদ্দীন ইরাকী (র) এবং হাফিয (র) হাদীসটির সনদকে সহীহ বলেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী শাহর ইবন হাওশাব-কে আহমাদ (র) ও ইয়াহয়া ইবন মা'ঈন (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। তবে অনেকে তার ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। ইমাম তিরমিযী (র) তার হাদীসকে সহীহ বলে থাকেন।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن شهر بن حوشب (10) قال سمعت أم سلمة تقول نهى رسول صلى الله عليه وسلم عن كل مسكر ومفتر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১০৯। আবদুল্লাহ ইবন ইদরীস (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুখতার ইবন ফুলফুল (র)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি আনাস ইবন মালিক (রা)-কে শারাবের পাত্রসমূহ দ্বারা পান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) 'মুযাফফাতা' হতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, যা নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, যদি পিতল এবং কাঁচের পাত্র হয় তবে? তিন্নি বললেন, তাহলে এতে কোন অসুবিধা নেই। তিনি বলেন আমি বললাম কিছু লোক এগুলোকে অপছন্দ করে। তিনি বললেন যে বস্তু তোমাকে সন্দিহান করে তা পরিহার করো যা সন্দিহান করে না তা আকড়ে ধর। কেননা, যা নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, আপনি এটা সত্য বলেছেন যে, যা নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম, কিন্তু এক ঢোক বা দুই ঢোক শরাব আমাদের খাদ্যে ব্যবহার করলে সেটা সম্বন্ধে কি বলেন? তিনি বললেন, যে বস্তুর বেশি পরিমাণ নেশার সৃষ্টি করে তারা অল্প পরিমাণও হারাম এবং তিনি বললেন, মদ হয় আঙ্গুর হতে, খেজুর হতে, মধু হতে, গম হতে, যব হতে, জোয়ার হতে। এগুলো ঘন ও নেশাকর হলে তাই মদ হবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবূ ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ ও আবূ ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন। আহমাদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
حدثنا عبد الله بن إدريس (1) قال سمعت المختار بن فلفل قال سألت أنس بن مالك عن الشرب في الأوعية، فقال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزفتة، وقال كل مسكر حرام، قال قلت وما المزفتة؟ قال المقيرة (2) قال قلت فالرصاص والقارورة؟ (3) قال ما بأس بهما، قال قلت فإن ناسا يكرهونهما، قال دع ما يريبك إلى ما لا يريبك فإن كل مسكر حرام (4) قال قلت له صدقت المسكر حرام فالشربة والشربتان على طعامنا؟ قال أسكر كثيرة فقليله حرام (5) وقال الخمر من العنب والتمر والعسل والحئنظة والشعير والذرة فما خمرت (6) من ذلك فهي الخمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১০
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১১০। উম্মু হাবীবা বিনতে আবি সুফিয়ান (র) থেকে বর্ণিত যে, ইয়ামানের একদল লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট আসলে তিনি তাদেরকে সালাত, সুন্নাহ ও ফরয বিধি-বিধান শিক্ষা দেন। এরপর তারা বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কিছু শরাব আছে, যা আমরা গম, যব দ্বারা প্রস্তুত করি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তিনি বললেন, এটা কি গুবায়রা? তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা এটা খেয়ো না। (বর্ণনাকারী বলেন,) এর দু'দিন পর তারা পুনরায় তার নিকট গম ও যব হতে তৈরী শরাব সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল। তখন তিনি বললেন, এটা কি গুবায়রা? তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা এটা খেয়ো না। এরপর যখন তারা চলে আসার ইচ্ছা করল তখন আবার সে সম্বন্ধে তাঁকে জিজ্ঞাসা করল। তিনি বললেন, এটা কি গুবায়রা? তারা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা এটা খেয়ো না। এরপর তারা বলল, লোকেরা তো এটা পরিহার করবে না। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তা পরিহার না করবে তার গর্দানে আঘাত করবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ, আবু ইয়া'লা ও তাবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন লাহি'আ বিতর্কিত। তবে তার হাদীস হাসান।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ, আবু ইয়া'লা ও তাবারানী বর্ণনা করেছেন। এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন লাহি'আ বিতর্কিত। তবে তার হাদীস হাসান।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن أم حبيبة (7) بنت أبي سفيان أن أناسا من أهل اليمن قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فأعلمهم الصلاة والسنن والفرائض، ثم قالوا يا رسول الله أن لنا شرابًا نصنعه من القمح والشعير قال فقال الغبيراء؟ (8) قالوا نعم، قال لا تطعموه، ثم لما كان بعد ذلك بيومين ذكروهما له أيضاً، فقال الغبيراء؟ قالوا نعم قال لا تعطموه، ثم لما أرادوا أن ينطلقوا سألوا عنه فقال الغبيراء؟ قالوا أنعم، قال لا تطعموه، قالوا فإنهم لا يدعونها، قال من لم يتركها فاضربوا عنقه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১১১। কায়স ইবন সা'দ ইবন উবাদা (র) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার প্রভূ আল্লাহ তা'আলা আমার ওপর মদ, তবলা, জুয়াখেলা হারাম করেছেন। তোমরা গুবায়রা হতে বেঁচে থাক। কেননা, এটা পৃথিবীর তৃতীয়াংশ মদ।
(তাবারানী। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'উবায়দুল্লাহ ইবন যাহর'-কে আবূ যুর'আ (র) ও নাসাঈ (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। কিন্তু অধিকাংশ হাদীসবিশারদ তাকে দুর্বল বলেছেন।)
(তাবারানী। হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'উবায়দুল্লাহ ইবন যাহর'-কে আবূ যুর'আ (র) ও নাসাঈ (র) নির্ভরযোগ্য বলেছেন। কিন্তু অধিকাংশ হাদীসবিশারদ তাকে দুর্বল বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن قيس بن سعد بن عبادة (10) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إن ربي تبارك وتعالى حرم على الخمر والكوبة والقنين (1) وإياكم والغبيراء (2) فإنها ثلث خمر العالم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১১২। দায়লাম হিময়ারী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা শীতপ্রধান অঞ্চলে বাস করি। সেখানে আমরা কঠিন কাজে শ্রম ব্যয় করি। আর আমরা এই গম দ্বারা শরাব প্রস্তুত করি। এর দ্বারা আমরা আমাদের কাজে শক্তি সঞ্চয় করি এবং শীত হতে আত্মরক্ষা করি। তিনি বললেন, এটা কি নেশা সৃষ্টি করে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে এটা হতে বেঁচে থাক।
(অন্য বর্ণনায়, তবে তোমরা এটা পান কর না।) বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি তার সামনে এসে পুনরায় তাঁকে অনুরূপ জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, এটা কি নেশা সৃষ্টি করে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে এটা হতে বেঁচে থাক। আমি বললাম, লোকেরা তো এটা ছাড়বে না। তিনি বললেন, যদি তারা এটা না ছাড়ে তবে তাদেরকে হত্যা করবে।
(আবূ দাউদ। এর সনদে বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক নির্ভরযোগ্য। তবে তিনি মুদাল্লিস।)
(অন্য বর্ণনায়, তবে তোমরা এটা পান কর না।) বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমি তার সামনে এসে পুনরায় তাঁকে অনুরূপ জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, এটা কি নেশা সৃষ্টি করে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তবে এটা হতে বেঁচে থাক। আমি বললাম, লোকেরা তো এটা ছাড়বে না। তিনি বললেন, যদি তারা এটা না ছাড়ে তবে তাদেরকে হত্যা করবে।
(আবূ দাউদ। এর সনদে বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবন ইসহাক নির্ভরযোগ্য। তবে তিনি মুদাল্লিস।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن ديلم الحميري (3) قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا بأرض باردة نعالج بها عملا شديدا وإنا نتخذ شرابا من هذا القمح نتقوى به على أعمالنا وعلى برد بلادنا، قال هل يسكر؟ قلت نعم، قال فاجتنبوه (وفي وراية فلا تشربوه) قال ثم جئت بين يديه فقلت له مثل ذلك، فقال هل يسكر؟ قلت نعم، قال فاجتنبوه، قلت إن الناس غير تاركيه: قال فأن لم يتركوه فاقتلوهم
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১১৩। জাবির ইবন আবদিল্লাহ (রা) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি 'জায়শান' নামক স্থান হতে আসল। জায়শান হল ইয়ামানের একটি এলাকা। সে নবী (ﷺ)-কে এক বিশেষ শরাব সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল, যা তারা নিজেরা শস্য হতে প্রস্তুত করে পান করত। এটাকে 'মিযর' বলা হত। নবী (ﷺ) বললেন, এটা কি নেশা সৃষ্টি করে? সে বলল, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যা নেশা সৃষ্টি করে তাই হারাম। আর আল্লাহর ওপর ওয়াদা রয়েছে যে, যে ব্যক্তি নেশাকর বস্তু পান করবে তাকে তিনি 'তীনাতুল খাবাল' পান করাবেন। লোকেরা বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! 'তীনাতুল খাবাল' কি? তিনি বললেন, জাহান্নামীদের ঘাম অথবা বললেন, জাহান্নামীদের রক্ত ও পুঁজ।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن جابر بن عبد الله (5) أن رجل قدم من جيشان وجيشان من اليمن فسأل النبي صلى الله عليه وسلم عن شراء يشربونه يصنع بأيديهم من الذرة يقال له المزر (6) فقال النبي صلى الله عليه وسلم أمسكر هو؟ قال نعم، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل مسكر حرام وإن على الله عز وجل عهدا لمن يشرب المسكر أن يسقيه من طينة الخبال (7) فقالوا يا رسول الله وما طينة الخبال؟ قال عرق أهل النار أو عصارة أهل النار
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব বস্তু দ্বারা মদ তৈরী হয় তার বিবরণ। মদ হারাম এবং প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
১১৪। ইবন শারাহীল ইবন বুকায়ল (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-কে বললাম, মিসরে আমার কতিপয় আত্মীয়-স্বজন আছে। তারা এই আঙ্গুরসমূহ হতে শরাব তৈরী করে। তিনি বললেন, কোন মুসলমান কি এটা করেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা ইয়াহুদীদের মত হয়ো না। তাদের ওপর আমি চর্বি হারাম করেছিলাম। তারা এটা বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করত। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, কোন ব্যক্তি এক গুচ্ছ আঙ্গুর নিয়ে তা নিংড়িয়ে পান করলে তার সম্বন্ধে আপনি কি বলেন? তিনি বললেন, এটা দোষণীয় নয়। এরপর যখন আমি অবতরণ করলাম, তখন তিনি বললেন, যে বস্তু পান করা হালাল তা বিক্রি করাও হালাল।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) সংক্ষেপে বর্ণনা করে বলেছেন, এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন বুকায়ল এবং তাইয়াফ অজ্ঞাত। এছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) সংক্ষেপে বর্ণনা করে বলেছেন, এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন বুকায়ল এবং তাইয়াফ অজ্ঞাত। এছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب ما يتخذ منه الخمر وتحريمه وأن كل مسكر حرام
عن شراحيل بن بكيل (8) قال قلت لابن عمر إن لي أرحاما بمصر يتخذون من هذه الأعناب، قال وفعل ذلك أحد من المسلمين؟ قلت نعم، قال لا تكونوا بمنزلة اليهود: حرمت عليهم الشحوم فباعوها وأكلوا أثمانها، قال قلت ما تقول في رجل أخذ عنقودًا فعصره فشربه؟ قال لا بأس، فلما نزلت قال ما حل شربه حل بيعه
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মদের কদর্যতা ও এর অনিষ্টতা, এর পানকারীর প্রতি অভিসম্পাত এবং পরকালের শরাব হতে তার বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গ।
পরিচ্ছেদ : মদের অনিষ্টতা ও ইহা হারাম হওয়ার পূর্বে হামযা (রা) কর্তৃক আলী (রা)-এর উটনীদ্বয়ের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা।
পরিচ্ছেদ : মদের অনিষ্টতা ও ইহা হারাম হওয়ার পূর্বে হামযা (রা) কর্তৃক আলী (রা)-এর উটনীদ্বয়ের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা।
১১৫। আমার কাছে বর্ণনা করেছেন আবদুর রাজ্জাক (র)। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবন জুরাইজ। তিনি বলেন, আমার কাছে ইবন শিহাব (র) আলী ইবন হুসায়ন ইবন আলী (র) থেকে এবং তিনি আলী ইবন আবি তালিব (রা) থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে গনীমত (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) হতে একটি বয়স্ক উট পেয়েছিলাম। আর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে আরো একটি বয়স্ক উট দান করলেন। একদিন আমি এ দু'টি উট জনৈক আনসারী লোকের দরজার সামনে বেঁধে রাখলাম। আমি ইচ্ছা করেছিলাম, এদের দ্বারা ইযখির (ঘাস বিশেষ) বয়ে এনে তা বিক্রি করব। আমার সঙ্গে বনু কায়নুকা'-এর জনৈক স্বর্ণকার ছিল। এটা এ জন্য করতে চেয়েছিলাম যাতে, ফাতিমা (রা)-এর ওলীমায় (ইযখির বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা) সাহায্য গ্রহণ করতে পারি। এদিকে হামযা ইবন আবদিল মুত্তালিব (রা) সে বাড়ী মদ পান করছিল। হামযা (রা) এ দু'টি উটের দিকে ছুটে গিয়ে তরবারি দ্বারা আঘাত করল। সে উটগুলোর কুঁজ কেটে ফেলল এবং পেছনের অংশ ফেড়ে দিল। এরপর সে এ দু'টির কলিজা বের করে নিল। বর্ণনাকারী ইবন জুরায়জ (র) বলেন, আমি ইবন শিহাব (র)-কে বললাম, তিনি কুঁজ হতে কি নিলেন? তিনি বললেন, সে উট দু'টির কুঁজ কেটে নিয়ে গেল। তিনি (আলী) বলেন, আমি এই (মর্মস্পর্শী) দৃশ্য দেখলাম। যা আমাকে ব্যথিত করল। তারপর আমি তা নিয়ে নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলাম। সে সময় তাঁর কাছে যায়দ ইবন হারিসা (রা) বসা ছিলেন। আমি তাঁকে এ সংবাদ জানালাম। তিনি ঘর হতে বের হলেন। তাঁর সঙ্গে যায়দ (রা) ও ছিলেন। তিনিও তাঁর সঙ্গে চললেন। এরপর তিনি হামযা (রা)-এর নিকট গিয়ে তার প্রতি ক্রোধ প্রকাশ করলেন। তখন হামযা (রা) স্বীয় চোখ উঁচু করে বলল, তোমরা কি আমার পিতার দাস ছাড়া আর কিছু? তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পিছনে হেঁটে হেঁটে তাদের কাছ থেকে বের হয়ে আসলেন। (বর্ণনাকারী বলেন,) উক্ত ঘটনা মদ হারাম হওয়ার পূর্বে ঘটেছিল।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأشربة
أبواب ما جاء في قبح الخمر ومفاسدها ولعن شاربها وحرمانه من خمر الآخرة وغير ذلك
باب مفاسد الخمر وقصة حمزة مع ناقتي على قبل تحريم الخمر
باب مفاسد الخمر وقصة حمزة مع ناقتي على قبل تحريم الخمر
حدثنا عبد الرازق (2) أنبأنا ابن جريج حدثني ابن شهاب عن علي بن حسين بن علي عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال قال على أصبت شارفا (3) مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في المغنم يوم بدر وأعطاني رسول الله صلى الله عليه وسلم شارفا أخرى فأنختهما يوما عند باب رجل من الأنصار وأنا أريد أن أحمل عليهما إذ خرا (4) لأبيعه ومعي صائغ من بني فينقاع (4) لأستعين به علي وليمة فاطمة، وحمزة ابن عبد المطلب يشرب في ذلك البيت فثار إليهما حمزة بالسيف فجب (6) أسنمتهما وبقر خواصرهما (7) ثم ثم أخذ من أكبادهما: قلت لابن شهاب ومن السنام (8) قال جب أسنمتهما فذهب بها، قال فنظرت إلى منظر أفظعني فأتيت به نبي الله صلى الله عليه وسلم وعنده زيد بن حارثة فأخبرته الخبر فخرج ومعه زيد فانطلق معه فدخل على حمزة فتغيظ (9) عليه فرجع حمزة بصره فقال هل أنتم إلا عبيد لأبي فرجع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقهقر (1) حتى خرج عنهم وذلك قبل تحريم الخمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মদ ও তা পানকারীর প্রতি অভিশম্পাত এবং তাওবা না করলে পরকালের শরাব হতে তার বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গ।
১১৬। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খেজুর শুকানোর উঠানে গেলেন। আমিও তাঁর সঙ্গে বের হলাম। আমি তাঁর ডানপাশে ছিলাম। তারপর আবু বকর (রা) আসলে তার সম্মানে আমি পিছনে চলে আসলাম। তিনি তাঁর ডানপাশে গেলেন আর আমি তাঁর বামপাশে গেলাম। এরপর উমর (রা) আসলে আমি তার জন্য সরে পড়লাম। তিনি তাঁর বামপাশে গেলেন। এভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খেজুর শুকানোর উঠানে আসলেন। তিনি সে উঠানে মদভর্তি কিছু চামড়ার মশক দেখলেন। ইবন উমর (রা) বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বড় ছুরি আনার জন্য ডেকে পাঠান। আমি কেবল সেদিনই বড় ছুরি চিনতে পেরেছি। এরপর তিনি মশকগুলোর ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন সেগুলো ফেড়ে ফেলা হয়। তারপর বললেন, মদ, মদ পানকারী, পরিবেশনকারী, বিক্রেতা, ক্রেতা, বহনকারী ও যার ওপর বহন করা হয়, যে তা অন্যের জন্য নিংড়ায় বা নিজের জন্য নিংড়ায় এবং যে এর মূল্য আহার করে, তাদের ওপর লা'নত করা হয়েছে।
(আবূ দাউদ। ইবন মাজাহ ও হাকিম শুধু মারফু' অংশ বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) ও হাফিয (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(আবূ দাউদ। ইবন মাজাহ ও হাকিম শুধু মারফু' অংশ বর্ণনা করেছেন। হাকিম (র) ও হাফিয (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء في لعن الخمر وشاربها وحرمانه من خمر الآخرة إلا أن يتوب
عن عبد الله ابن عمر (2) قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى المربد (3) فخرجت معه فكنت عن يمينه، وأقبل أبو بكر فتأخرت له فكان عن يمينه (4) وكنت عن يساره ثم أقبل عمر فتنحيت له فكان عن يساره فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم المربد فإذا بأزقاق (5) على المربد فيها خمر قال ابن عمر فدعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم بالمدية قال وما عرفت المدية (6) إلا يومئذ فأمر بالزقاق فشقت (7) ثم قال لعنت الخمر (8) وشاربها وساقيها وبائعها ومبتاعها وحاملها والمحمولة إليه وعاصرها (9) ومعتصرها وآكل ثمنها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মদ ও তা পানকারীর প্রতি অভিশম্পাত এবং তাওবা না করলে পরকালের শরাব হতে তার বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গ।
১১৭। তাঁরই সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত যে, যে ব্যক্তি পৃথিবীতে মদ পান করবে আর তা হতে তাওবা না করবে, পরকালে তাকে এটা হতে বঞ্চিত রাখা হবে; তাকে পান করানো হবে না।
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, তায়ালিসী)
(বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবন মাজাহ, তায়ালিসী)
كتاب الأشربة
باب ما جاء في لعن الخمر وشاربها وحرمانه من خمر الآخرة إلا أن يتوب
وعنه أيضًا (11) عن النبي صلى الله عليه وسلم من شرب الخمر في الدنيا ولم يتب منها حرمها في الآخرة لم يسقها
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মদ ও তা পানকারীর প্রতি অভিশম্পাত এবং তাওবা না করলে পরকালের শরাব হতে তার বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গ।
১১৮। আবদুল্লাহ ইবন 'আমর ইবনুল আস (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কাউকে অনুগ্রহ করে খোঁটা দেয় এবং যে নিয়মিত মদ পান করে সে জান্নাতে যাবে না।
(নাসাঈ)
(নাসাঈ)
كتاب الأشربة
باب ما جاء في لعن الخمر وشاربها وحرمانه من خمر الآخرة إلا أن يتوب
عن عبد الله بن عمرو بن العاص (2) عن النبي صلى الله عليه وسلم قال لا يدخل الجنة منان (3) ولا مدمن خمر
তাহকীক:
হাদীস নং: ১১৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মদ ও তা পানকারীর প্রতি অভিশম্পাত এবং তাওবা না করলে পরকালের শরাব হতে তার বঞ্চিত হওয়া প্রসঙ্গ।
১১৯। আবূ মূসা আশ'আরী (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) বলেছেন, তিন ব্যক্তি জান্নাতে যাবে না: নিয়মিত মদ্যপায়ী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী এবং যাদুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী। যে ব্যক্তি নিয়মিত মদ পান করে মৃত্যুবরণ করে তাকে 'গুতা' নহর হতে পান করানো হবে। তাকে জিজ্ঞাসা করা হল, 'গুতা' নহর কি? তিনি বললেন, এটা এমন নহর যা ব্যভিচারিণী মহিলাদের লজ্জাস্থান হতে প্রবাহিত হবে। তাদের লজ্জাস্থানের দুর্গন্ধ জাহান্নামীদেরকে কষ্ট দিবে।
(আবূ ইয়া'লা, ইবন হিব্বান, তাবারানী, হাকিম। হাকিম (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী (র) তাকে সমর্থন করেছেন। হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, আহমদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(আবূ ইয়া'লা, ইবন হিব্বান, তাবারানী, হাকিম। হাকিম (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী (র) তাকে সমর্থন করেছেন। হায়ছামী (র) হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন, আহমদ (র)-এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء في لعن الخمر وشاربها وحرمانه من خمر الآخرة إلا أن يتوب
عن أبي موسى (4) يعني الأِشعري أن النبي صلى الله عليه وسلم آله وصحبه وسلم قال ثلاثة لا يدخلون الجنة (5) مدمن خمر وقاطع رحم ومصدق بالسحر، ومن مات مدمنها للخمر سقاه الله عز وجل من نهر الغوطة (6) قيل وما نهر الغوطة؟ قال نهر يجري من فروج المومسات يؤذي أهل النار ريح فروجهن
তাহকীক: