মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পানীয় অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৩৭ টি
হাদীস নং: ৪০
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: (পাত্র ব্যতীত) সরাসরি মুখ দ্বারা পান করা।
৪০। জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা নবী (ﷺ) জনৈক আনসারীর নিকট উপস্থিত হলেন। সে সময় তার সঙ্গে তার এক সাহাবীও ছিলেন। আনসারী লোকটি তাঁকে সালাম দিল। নবী (ﷺ) তাকে বললেন, যদি কোন মশকে রাতের বাসি পানি থাকে তবে তা দাও, তা না হলে আমরা মুখ লাগিয়ে পান করে নিব। লোকটি সে সময় এক বাগানে পানি দিচ্ছিল। লোকটি বলল, আমার নিকট রাতের বাসি পানি আছে। তারপর সে তাদেরকে নিয়ে ঝুপড়িতে গেল এবং এক পাত্রে পানি ঢেলে দিল। তারপর সে তাতে পালিত পশুর দুধ দোহন করল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তা পান করলেন। তারপর তার সঙ্গে যে লোকটি ছিলেন তিনিও পান করলেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ)
(বুখারী, আবু দাউদ, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى الشرب كرعًا
عن جابر (7) أن النبى صلى الله عليه وسلم دخل على رجل من الأنصار (8) ومعه صاحب (9) فسلم فقال فى النبى صلى الله عليه وسلم إن كان عندك ماء بات فى هذه الليلة فى شنة (10) وَإلاَّ كرعنا، قال والرجل يحوّل الماء (11) فى حائط، فقال الرجل عندي ماء بات فالطلق بهما إلى العريش (1) فسكب ماءًا فى قدح ثم حلب عليه من داجن (2) فشرب رسول الله صلى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلم ثم شرب الرجل الذى جاء معه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: দুধ পান, দোহন করা ইত্যাদি প্রসঙ্গ।
৪১। আয়িশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট দুধ উপস্থিত করা হলে তিনি বলতেন ঘরে কতই না উত্তম একটি বরকত বা দু'টি বরকত (বর্ণনাকারী সন্দেহ করেছেন) রয়েছে।
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى اللبن وشربه وحلبه وغير ذلك
عن عائشة رضى الله عنها (3) قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتى باللبن قال كم فى البيت بركة (4) أو بركتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: দুধ পান, দোহন করা ইত্যাদি প্রসঙ্গ।
৪২। আবদুল্লাহ ইবন বুরায়দা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ও আমার পিতা মু'আবিয়া (রা)-এর নিকট গেলাম। তিনি আমাদেরকে একটি বিছানায় বসালেন। তারপর আমাদের নিকট খাবার উপস্থিত করা হলে আমরা তা খেলাম। তারপর শরাব উপস্থিত করা হলে (সর্বপ্রথম) মু'আবিয়া (রা) তা পান করলেন। এরপর তিনি আমার পিতাকে দিলেন। তারপর বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা হারাম করার পর হতে আমি কখন তা পান করি নি। (সম্ভবত এটা আঙ্গুর ব্যতীত অন্য কিছু তৈরী নাবীয ছিল। মু'আবিয়া (রা) এটা হতে অল্পপরিমাণ পান করেছিলেন। যা সাধারণত নেশা সৃষ্টি করে না।) এরপর মু'আবিয়া (রা) বললেন, আমি কুরায়শ গোত্রে সর্বাধিক সুন্দর ও হাস্যোজ্জল যুবক ছিলাম। আমি যুবক বয়সে দুধ পানে অথবা এমন মিষ্টভাষী মানুষ দেখে যে আমার সঙ্গে মিষ্টভাষায় কথা বলে, যে পরিমাণ স্বাদ অনুভব করতাম, সেরুপ অন্য কিছুতে অনুভব করতাম না।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, আহমদের বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। হায়ছামী (র) বলেছেন, আহমদের বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى اللبن وشربه وحلبه وغير ذلك
عن عبد الله بن بريدة (5) قال دخلت أنا وأبى على معاوية رضي الله عنه فأجلسنا على الفرش ثم أتينا بالطعام فأكلنا ثم أُتينا بالشراب فشرب معاوية ثم ناول أبى ثم قال (6) ما شربته منذ حرّمه رسول الله صلى الله عليه وسلم (7) ثم قال معاوية كنت أجمل شباب قريش وأجوده ثغرًا (8) وما شئ كنت أجد له لذة كما كنت أجده وأنا شاب غير اللبن أو إنسان حسن الحديث يحدثنى
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: দুধ পান, দোহন করা ইত্যাদি প্রসঙ্গ।
৪৩। যিরার ইবন আযওয়ার (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার পরিবারের লোকরা আমাকে একটি দুধেল উটনী দিয়ে নবী (ﷺ)-এর নিকট পাঠায়। তিনি আমাকে তা দোহন করতে নির্দেশ দিলে আমি তা দোহন করলাম। তখন তিনি বললেন, কিছু দুধ রেখে দাও, যা আরো দুধ টেনে আনবে।
(ইবন হিব্বান, দারিমী, হাকিম। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাফিয (র) ইহাকে সহীহ বলেছেন।)
(ইবন হিব্বান, দারিমী, হাকিম। হাদীসটির বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। হাফিয (র) ইহাকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى اللبن وشربه وحلبه وغير ذلك
عن ضرار بن الأزور (9) قال بعثنى أهلى بلقوح (10) إلى النبى صلى الله عليه وسلم فأمرنى أن أحلبها فحلبتها فقال دع داعى (11) اللبن
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: দুধ পান, দোহন করা ইত্যাদি প্রসঙ্গ।
88। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যে ছাগল ময়লা খায় তার দুধ পান করতে, কোন প্রাণীকে লক্ষ্যস্থল বানাতে এবং মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। হাদীসটির সূত্র ভাল। আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) এ সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। হাদীসটির সূত্র ভাল। আবু দাউদ (র) ও মুনযিরী (র) এ সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى اللبن وشربه وحلبه وغير ذلك
عن ابن عباس قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن لبن شاة الجلالة (13) وعن المجثمة وعن الشرب في السقاء
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৪৫। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য (চামড়ার) মশকে নাবীয প্রস্তুত করতাম। আমরা রাতে এক মুষ্ঠি কিশমিশ বা একমুষ্ঠি নিয়ে মশকে ছেড়ে দিতাম। এরপর তাতে পানি ঢালতাম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা দিনের বেলা পান করতেন। অথবা দিনের বেলা প্রস্তুত করলে রাত্রে পান করতেন।
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن عائشة رضي الله عنها (1) قالت كنا ننبذ للنبى صلى الله عليه وسلم فى سقاء فنأخذ من زبيب أو قبضة من تمر فنطرحها فى السقاء ثم نصب عليه الماء ليلًا (3) فيشربه نهارًا (4) أو نهارًا فيشربه ليلًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৪৬। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য চামড়ার মশকে সকালে নাবীয প্রস্তুত করতাম। তবে এটাকে মদ বানাতাম না এবং মশকের তলায় কিছু অংশ রেখে দিতাম না। সন্ধ্যা হলে তিনি রাতের খাবার গ্রহণ করতেন, তারপর রাতের খাবারের সঙ্গে তা পান করতেন। কিছু অবশিষ্ট থাকলে আমি সেটা ঢেলে ফেলে দিতাম। তারপর পাত্র ধৌত করা হত। বর্ণনাকারীকে জিজ্ঞাসা করা হল যে, হাদীসে কি মশকে ধৌত করার কথা দু'বার উল্লেখ আছে? তিনি বললেন, দু'বার।
(আবূ দাউদ। তিনি এবং মুনযিরী (র) উক্ত হাদীস সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ। তিনি এবং মুনযিরী (র) উক্ত হাদীস সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن عمرة عن عائشة (5) رضي الله عنها قالت كنا ننبذ لرسول الله صلى الله عليه وسلم غدوة (6) فى سقاء ولا نخمَّره ولا نجعل له عكرًا (7) فإذا تعشى فشرب على عشائه فان بقى شئ فرّغته أو صببته ثم نغسل السقاء فننبذ فيه من العشاء فإذا أصبح تغدى فشرب على غدائه، فان فضل شئ صببته أو فرّغته ثم غسل الإناء، فقيل له (8) أفيه غسل السقاء مرتين قال مرتين
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৪৭। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য (কিশমিশ ভিজিয়ে) নাকী প্রস্তুত করা হত। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি এটা সেদিন, পরের দিন, এবং তার পরের দিন বিকাল পর্যন্ত সময়ের ভিতর পান করতেন। এরপর (কিছু অবশিষ্ট থাকলে) তার ব্যাপারে নির্দেশ দিতেন, তখন সেটা কাউকে পান করানো হত বা ঢেলে ফেলা হত।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن ابن عباس (1) قال كان ينقع النبى صلى الله عليه وسلم الزبيب قال فيشربه اليوم والغد وبعد الغد إلى مساء الثالثة ثم يؤمر به فيسقى (2) أو يهراق
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৪৮। ইকরিমা (র) থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ব্যক্তি ইবন আব্বাস (রা)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নাবীয সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাতের যা প্রস্তুত করা হত তা তিনি দিনে পান করতেন আর দিনের বেলা যা প্রস্তুত করা হত তা রাত্রে পান করতেন।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। ইহার সূত্রে বর্ণনাকারী 'হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ' দুর্বল।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। ইহার সূত্রে বর্ণনাকারী 'হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ' দুর্বল।)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن عكرمة (3) أن رجلًا سأل ابن عباس رضي الله عنهما عن نبيذ رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان يشرب بالنهار ما صنع بالليل ويشرب بالليل ما صنع بالنهار
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৪৯। ইয়াহইয়া (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম ইবন সা'দ (রা)-কে বলতে শুনেছি যে, আমি সুফিয়ান-এর ব্যাপারে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি তাকে নাবীয সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে অথবা তাকে নাবীয সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, তুমি খুরমা খাও এবং পানি পান কর, এটা তোমার পেটে নাবীয হয়ে যাবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি।)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
وحدّثنا يحيى (4) قال سمعت إبراهيم بن سعد يقول أشهد على سفيان أنى سألته أو سئل عن النبيذ فقال كل تمرًا واشرب ماءًا يصير فى بطنك نبيذًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫০
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৫০। সুহায়রা বিনতে জায়ফার (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা হজ্জ করে মদীনা ফিরে এলাম। এরপর আমরা সাফিয়্যা বিনতে হুয়াই (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমরা সেখানে কুফাবাসী কয়েকজন মহিলাকে পেলাম। তারা আমাদেরকে বলল, যদি তোমরা ইচ্ছা কর, তবে তোমরা জিজ্ঞাসা কর, আমরা শুনব। আর যদি ইচ্ছা কর, তবে আমরা জিজ্ঞাসা করি, তোমরা শুন। তখন আমরা বললাম, তোমরা জিজ্ঞাসা কর। এরপর তারা মহিলা ও তার স্বামী বিষয়ক এবং হায়েযবিষয়ক কিছু কথা জিজ্ঞাসা করল। এরপর তারা মটকায় প্রস্তুত নাবীয সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, হে ইরাকীরা, তোমরা মটকায় প্রস্তুত নাবীয বিষয়ে আমাদের ওপর বাড়াবাড়ি করেছে। তোমাদের কোন মহিলার ওপর এতে অসুবিধা নেই যে, সে স্বীয় খুরমা রান্না করবে, এরপর তা ঘর্ষণ-মর্দণ কর আবর্জনা দূর করবে, তারপর এটা মশকে রেখে এর মুখ বন্ধ করে দিবে। এরপর সুস্বাদু হলে সে নিজে পান করবে এবং তার স্বামীকে পান করাবে।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, ইহা আহমাদ, তাবারানী, আবূ ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, ইহা আহমাদ, তাবারানী, আবূ ইয়া'লা বর্ণনা করেছেন।)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن صيرة بنت جيفر (5) قالت حججنا ثم انصرفنا إلى المدينة فدخلنا على صفية بنت حيى فوافقنا عند نسوة من أهل الكوفة فقلن لنا إن شئتن سألتن وسمعنا (6) وغن شئتن سألنا وسمعتن فقلنا سلن، فسألن عن أشياء من أمر المرأة وزوجها من أمر المحيض ثم سألن عن نبيذ الجر (7) فقالت أكثرتم علينا يا أهل العراق فى نبيذ الجر، وما على أحداكن أن تطبخ ثمرها تدلكه ثم تصفيه فتجعله فى سقائها وتوكى (8) عليه فإذا طاب شربت وسقت زوجها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হালাল ও হারাম নাবীয প্রসঙ্গ
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
পরিচ্ছেদ : হালাল নাবীয, নবী (ﷺ)-এর জন্য কীভাবে নাবীয তৈরী করা হত এবং কোন বস্তু দ্বারা তৈরী করা হত?
৫১। আবদুল্লাহ দায়লামী (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট এসে বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! আমরা তো আঙ্গুর চাষ করি। এদিকে মদ হারাম হওয়ার বিধান অবতীর্ণ হয়েছে। সুতরাং আমরা এর দ্বারা কী করব? তিনি বললেন, তোমরা এটাকে কিশমিশ বানাবে। (বর্ণনাকারী বলেন,) সে লোক বলল, এরপর আমরা কিশমিশ দ্বারা কী করব? তিনি বললেন, তোমরা এটা দ্বারা ভোরবেলা নাবীয তৈরি করে, বিকালবেলা পান করবে এবং বিকালবেলা নাবীয তৈরী করে, সকালবেলা পান করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা কারা, সে বিষয়ে আপনি অবহিত আছেন আর আমরা কোন শ্রেণীর মানুষের সামনে অবস্থান করি তাও আপনি জানেন। এবতাবস্থায় আমাদের অভিভাবক কে হবেন? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তার রাসূল। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটাই আমার জন্য যথেষ্ট।
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। আবূ দাউদ (র) এর মুনযিরী হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
(আবূ দাউদ, নাসাঈ। আবূ দাউদ (র) এর মুনযিরী হাদীসটি সম্বন্ধে কোন মন্তব্য করেন নি।)
كتاب الأشربة
أبواب الأنبذة الجائزة والمحرمة
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
باب ما يجوز من ذلك وكيف كان ينبذ النبى صلى الله عليه وسلم ومن أى شئ كان نبيذه
عن عبد الله بن الديلى عن أبيه (9) قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا أصحاب أعناب وكرم وقد نزل تحريم الخمر فما نصنع بها؟ قال تتخذونه زبيبًا، فنصنع بالزبيب ماذا؟ قال تنقعونه على غدائكم وتشربونه على عشائكم، وتنقعونه على عشائكم وتشربونه على غدائكم، قال قلت يا رسول الله نحن من قد علمت (1) ونحن نزول بين ظهرانى من قد علت (2) فمن ولُّينا؟ قال الله ورسوله قلت حسبى يا رسول الله
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মশকের নাবীয। নবী (ﷺ) এটা হতে পান করতেন এবং এটা পসন্দ করতেন।
৫২। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের নিকট আসলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উসামা ইবন যায়দ (রা)। সে সময় আমরা তার নিকট এই নাবীয অর্থাৎ চামড়ার মশকে তৈরী নাবীয পান করার জন্য নিয়ে গেলে তিনি এটা পান করলেন এবং বললেন, তোমরা উত্তম কাজ করেছ। তোমরা এরূপই করবে অর্থাৎ চামড়ার মশকে নাবীয তৈরী করবে।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি। এর সূত্র উত্তম।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায়নি। এর সূত্র উত্তম।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى نبيذ السقاية وشرب النبى صلى الله عليه وسلم منه واستحسانه
عن ابن عباس (3) قال جاءنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ورديفه أسامة فسقيناه من هذا النبيذ يعنى نبيذ السقاية (4) فشرب منه وقال أحسنتم هكذا فاصنعوا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মশকের নাবীয। নবী (ﷺ) এটা হতে পান করতেন এবং এটা পসন্দ করতেন।
৫৩। জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য চামড়ার মশকে নাবীয প্রস্তুত করা হত। যদি কোন মশক না পাওয়া যেত, তখন পাথর নির্মিত পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করা হত। তিনি আরো বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কদুর খোলস, খেজুর গাছের কাণ্ড হতে তৈরী পাত্র, মটকা এবং আলকাতরা লাগান পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, নাসাঈ, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى نبيذ السقاية وشرب النبى صلى الله عليه وسلم منه واستحسانه
عن جابر (6) قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينتبذ له فى سقاء فإذا لم يكن له سقاء نبذ له فى تور (7) من برام، قال ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدّباء والنقير والجر والمزفت
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : মশকের নাবীয। নবী (ﷺ) এটা হতে পান করতেন এবং এটা পসন্দ করতেন।
৫৪। রূহ (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন ইবন জুরায়জ (র)। তিনি বলেছেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ ইবন ওবায়দিল্লাহ ইবন আব্বাস (র) এবং দাউদ ইবন 'আলী ইবন আবদিল্লাহ ইবন আব্বাস (র)। তাদের একজন অন্যজন কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে অতিরিক্ত বলেছেন। (তারা বলেন,) একদা জনৈক ব্যক্তি ইবন আব্বাস (রা) কে ডাকল, সে সময় তার পাশে আরো কিছু লোক উপস্থিত ছিল। সে বলল, তোমরা এই নাবীয ব্যবহার করে সুন্নাত কায়েম কর, নাকি দুধ ও মধু অপেক্ষা তাতে খরচ অল্প হওয়ায় তা ব্যবহার কর? ইবন আব্বাস (রা) বললেন, একদা নবী (ﷺ) আব্বাস (রা)-এর নিকট এসে বললেন, আমাকে পান করাও। তখন তিনি বললেন, পান করার মত এই নাবীয আছে, তবে তাতে লোকদের হাত লেগেছে; সুতরাং আমরা কি আপনাকে দুধ বা মধু পান করাব? তিনি বললেন, তোমরা লোকদেরকে যা পান করাও, তা আমাকেও পান করাও। এরপর নবী (ﷺ) নাবীয আনা হয়। নবী (ﷺ) এবং তার সঙ্গে আগত মুহাজির ও আনসারী সাহাবীদের নিকট দুই মশক তা পান করলেন এবং তৃপ্ত হওয়ার পূর্বে তিনি জলদি করে মাথা উঠিয়ে বললেন, তোমরা ভালই করেছ। পরবর্তীতে তোমরা এরূপই করবে। (অর্থাৎ মশকে নাবীয প্রস্তুত করবে।) সুতরাং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর এই সন্তুষ্টি আমার নিকট সেখানকার গিরিপথে দুধ ও মধূ প্রবাহিত হওয়া অপেক্ষা অনেক পছন্দনীয়।
(হাদীসটির সনদে সংযোগ-বিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে এটা দুর্বল। হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ ও দাউদ ইবন আলী ইবন আবদিল্লাহ ইবন আব্বাস (রা)-এর সাক্ষাত পান নি। তবে অন্যান্য সূত্রে বর্ণিত হাদীস এটাকে সমর্থন করে।)
(হাদীসটির সনদে সংযোগ-বিচ্ছিন্নতা থাকার কারণে এটা দুর্বল। হুসায়ন ইবন আবদিল্লাহ ও দাউদ ইবন আলী ইবন আবদিল্লাহ ইবন আব্বাস (রা)-এর সাক্ষাত পান নি। তবে অন্যান্য সূত্রে বর্ণিত হাদীস এটাকে সমর্থন করে।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى نبيذ السقاية وشرب النبى صلى الله عليه وسلم منه واستحسانه
حدّثنا روح (9) ثنا ابن جريج قال أخبرنى حسين بن عبد الله بن عبيد بن عباس وداود بن على بن عبد الله بن عباس يزيد أحدهما على صاحبه (10) أن رجلًا نادى ابن عباس: والناس حوله فقال أسنّة تبتغون بهذا النبيذ أم هو أهون عليكم من اللبن والعسل؟ (11) فقال ابن عباس جاء النبى صلى الله عليه وسلم عباسًا فقال اسقونا فقال إن هذا النبيذ شراب قد مغث (12) ومرث أفلا نسقيك لبنًا أو عسلًا؟ قال اسقونا مما تسقون الناس فأتى النبي صلى الله عليه وسلم ومعه أصحابه من المهاجرين والأنصار بسقاتين فيهما النبيذ، فلما شرب النبى صلى الله عليه وسلم عجل قبل أن يروى (1) فرفع رأسه فقال أحسنتم هكذا فاصنعوا، قال ابن عباس فرضًا رسول الله صلى الله عليه وسلم بذلك أحب إلى من أن تسيل شعابها (2) لبنًا وعسلًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব নাবীয হালাল নয় এবং মটকায় তৈরী নাবীয প্রসঙ্গ
৫৫। আবূ বাকরা ইবন আবি মূসা (র) সূত্রে তার পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে ইয়ামান পাঠান। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সেখানে নানাবিধ শরাব রয়েছে। সেগুলো হতে কোনগুলো পান করব এবং কোনগুলো ছেড়ে দিব? তিনি বললেন, সেগুলো কি? আমি বললা, 'বিত'আ এবং মিযর। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বুঝতে পারেন নি যে, এগুলো কি? এজন্য জিজ্ঞাসা করলেন, বিত'আ এবং মিযর কি? তিনি বললেন, বিত'আ হল, জোয়ার থেকে তৈরী নাবীয, যা পাকানো হয়, এরপর তা বিত'আ হয়। আর মিযর হল, মধু দ্বারা তৈরী নাবীয। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তোমরা নেশাকর বস্তু পান কর না।
দ্বিতীয় সূত্রে আবু সাঈদ ইবন আবি বুরদা (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবূ মূসা (রা) ও মু'আয ইবন জাবাল (রা)-কে ইয়ামান পাঠালেন। তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা সহজ করবে, কঠিন করবে না, সুসংবাদ দিবে, তাড়িয়ে দিবে না এবং তোমরা একে অপরকে মেনে চলবে। আবূ মূসা (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এমন এলাকায় যাচ্ছি, যেখানে মধু দ্বারা এক প্রকার শরাব তৈরী করা হয়। তাকে বিত'আ বলা হয়। আর এক প্রকার শরাব যব দ্বারা তৈরী করা হয়। তাকে মিযর বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য। তবে তাতে প্রথম রিওয়ায়াতে বর্ণিত আবূ মূসা (রা)-এর ব্যাখ্যামূলক বক্তব্য উল্লেখ নেই। )
দ্বিতীয় সূত্রে আবু সাঈদ ইবন আবি বুরদা (র) তার পিতা থেকে, তিনি তার দাদা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবূ মূসা (রা) ও মু'আয ইবন জাবাল (রা)-কে ইয়ামান পাঠালেন। তিনি তাদেরকে বললেন, তোমরা সহজ করবে, কঠিন করবে না, সুসংবাদ দিবে, তাড়িয়ে দিবে না এবং তোমরা একে অপরকে মেনে চলবে। আবূ মূসা (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা এমন এলাকায় যাচ্ছি, যেখানে মধু দ্বারা এক প্রকার শরাব তৈরী করা হয়। তাকে বিত'আ বলা হয়। আর এক প্রকার শরাব যব দ্বারা তৈরী করা হয়। তাকে মিযর বলা হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, প্রত্যেক নেশাকর বস্তু হারাম।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য। তবে তাতে প্রথম রিওয়ায়াতে বর্ণিত আবূ মূসা (রা)-এর ব্যাখ্যামূলক বক্তব্য উল্লেখ নেই। )
كتاب الأشربة
باب ما لا يجوز من الأنبذة وما جاء فى نبيذ الجر
عن أبى بكر بن أبى موسى عن أبيه (3) قال بعثنى رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فقلت يا رسول الله ان بها أشربة فما أشرب وما أدع؟ قال وما هى؟ قلت البتع (4) والمزر فلم يدر رسول الله صلى الله عليه وسلم ما هو، فقال ما البتع وما المزر؟ قال أما البتع فنبيذ الذُّرة (5) يطبق حتى يعود بتعاء، وأما تامزر فنبيذ العسل، قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تشربنّ مسكرًا (6) (ومن طريق ثان) (7) عن سعيد بن أبى بردة عن أبيه عن جده (8) قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم أبا موسى ومعاذ بن جبل إلى اليمن فقال لهما يسرًا ولا تعسرًا وبشرًا ولا تنفرًا وتطاوعًا (9) قال أبو موسى يا رسول الله إنا بأرض يصنع فيها شراب من العسل يقال له البتع، وشراب من الشعير يقال له المزر (10) قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم كل مسكر حرام
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব নাবীয হালাল নয় এবং মটকায় তৈরী নাবীয প্রসঙ্গ
৫৬। উবাদা ইবন সামিত (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, নিশ্চয় আমার উম্মতের একদল লোক মদকে অন্য নামকরণ করে হালাল করবে।
(ইবন মাজাহ্। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
(ইবন মাজাহ্। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
كتاب الأشربة
باب ما لا يجوز من الأنبذة وما جاء فى نبيذ الجر
عن عبادة ابن الصامت (1) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ليستحلن طائفة من أمتى الخمر باسم يسمونها إياه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব নাবীয হালাল নয় এবং মটকায় তৈরী নাবীয প্রসঙ্গ
৫৭। ইবন মুহায়রীয (র) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জনৈক সাহাবী বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আমার উম্মতের একদল লোক মদের নাম পরিবর্তন করে তা পান করবে।
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
(ইবন মাজাহ। হাদীসটির সূত্র উত্তম।)
كتاب الأشربة
باب ما لا يجوز من الأنبذة وما جاء فى نبيذ الجر
عن ابن حيريز (3) يحدث عن رجل من أصحاب النبى صلى الله عليه وسلم (4) قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أناسًا من أمتى يشربون الخمر يسمونها بغير اسمها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব নাবীয হালাল নয় এবং মটকায় তৈরী নাবীয প্রসঙ্গ
৫৮। আবূ আবদুল্লাহ জাসরী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মা'কিল ইবন ইয়াসার (রা)-কে শরাব সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, একদা আমরা মদীনায় ছিলাম। সেখানে প্রচুর পরিমাণে খেজুর হয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের জন্য 'ফাযীখ' (কাঁচা খেজুর হতে তৈরী মদ) হারাম করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তার নিকট এক ব্যক্তি এসে তার অতিবৃদ্ধা মা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করল যে, আমরা কি তাকে নাবীয পান করাতে পারব? কেননা, তিনি খাবার খান না? তখন মা'কিল (রা) তাকে নিষেধ করে দেন।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, ইহা আহমাদ ও তাবারানী সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, ইহা আহমাদ ও তাবারানী সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন। ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب ما لا يجوز من الأنبذة وما جاء فى نبيذ الجر
عن أبى عبد الله الجسرى (5) قال سألت معقل بن يسار رضي الله عنه عن الشراب فقال كنا بالمدينة وكانت كثيرة التمر فحرّم علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم الفضيح (6) وأتاه رجل فسأله عن أم له عجوز كبيرة أنسقيها النبيذ فإنها لا تأكل الطعام؟ فنهاه معقل
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: যে সব নাবীয হালাল নয় এবং মটকায় তৈরী নাবীয প্রসঙ্গ
৫৯। সাবিত বুনানী (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তাকে বললাম, মটকায় তৈরী নাবীয পান করতে নিষেধ করা হয়েছে? তিনি বললেন, লোকেরা তো এটা বলে। আমি বললাম, কে এটা বলে? নবী (ﷺ)? তিনি বললেন, লোকেরা তাই বলে। এরপর বললাম, হে আবূ আবদির রহমান, আপনি কি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, লোকেরা তাই মনে করে। বর্ণনাকারী বলেন, সেদিন তাকে আমার থেকে বিমুখ রাখা হয়। যদি তাদের কারো নিকট জিজ্ঞাসা করা হত যে, আপনি কি নবী (ﷺ) -এর নিকট হতে শুনেছেন, তবে তিনি রাগান্বিত হতেন এবং তাকে প্রহার করতে উদ্যত হতেন।
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
(বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأشربة
باب ما لا يجوز من الأنبذة وما جاء فى نبيذ الجر
عن ثابت البنانى (7) قال سألت ابن عمر رضي الله عنهما فقلت أنهى عن نبيذ الجر؟ (8) فقال قد زعموا ذاك، فقلت من زعم ذاك؟ النبى صلى الله عليه وسلم؟ قال زعموا ذاك، فقلت با أبا عبد الرحمن أنت سمعته من النبى صلى الله عليه وسلم؟ قال قد زعموا ذاك (9) قال فصرفه عنه يومئذ، وكان أحدهم إذا سئل أنت سمعته من النبى صلى الله عليه وسلم غضب ثم همّ بصاحبه
তাহকীক: