মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
الفتح الرباني لترتيب مسند الإمام أحمد بن حنبل الشيباني
পানীয় অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১৩৭ টি
হাদীস নং: ২১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা।
২১। (ক) কাতাদা (র) সূত্রে আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা বললাম, তবে খাবার খাওয়া? তিনি বললেন, তা আরও গুরুতর ও অধিকতর নিকৃষ্ট। বর্ণনাকারী ইবন আবি বকর (র) বলেছেন, অথবা অধিকতর খারাপ।
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(মুসলিম, আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب قائمًا
عن قتادة عن أنس بن مالك (1) قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يشرب الرجل قائمًا: قال فقلنا لأنس فالطعام؟ قال ذلك أشد وأنتن، قال ابن بكر (2) أو أخبث
তাহকীক:
হাদীস নং: ২১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা।
২১ (খ)। আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন ব্যক্তির দাঁড়ানো অবস্থায় পান করাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম ও অন্যান্য)
(মুসলিম ও অন্যান্য)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب قائمًا
عن أبى سعيد الخدرى (3) قال زجر (4) رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يشرب الرجل قائمًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা।
২২। আবূ যুবায়র (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির (রা)-কে কোন ব্যক্তি দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। জাবির (রা) বললেন, আমরা এটা অপছন্দ করি।
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন লাহি'আ বিতর্কিত।)
(হাদীসটি অন্যত্র পাওয়া যায় নি। এর সনদে বর্ণনাকারী ইবন লাহি'আ বিতর্কিত।)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب قائمًا
عن أبى الزبيرقال سألت جابرًا عن الرجل يشرب وهو قائم قال جابر كنا نكره ذلك
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা।
২৩। তারই সূত্রে জাবির (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হযরত আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা)-কে এ সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিতে শুনেছি যে, নিশ্চয়ই নবী (ﷺ) এরূপ করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন এবং পেশাব করাকালে কিবলামুখি হতেও নিষেধ করেছেন।
(মুসলিম)
(মুসলিম)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب قائمًا
وعنه أيضًا (6) عن جابرأنه قال سمعت أبا سعيد الخدرى يشهد أن النبى صلى الله عليه وسلم زجر عن ذلك (7) وزجر أن نستقبل القبلة لبول
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গ।
২৪। যাযান (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা হযরত 'আলী ইবন আবি তালিব (রা) দাঁড়ানো অবস্থায় পান করলেন। সে সময় লোকেরা তার দিকে দৃষ্টিপাত করল। মনে হল, যেন তারা এটার প্রতি আপত্তি জানাচ্ছেন। (অন্য বর্ণনায় রয়েছে: এরপর তারা এটার প্রতি অস্বীকৃতি জানালেন।) তিনি বললেন, তোমরা কি দেখছ? যদি দাঁড়ানো অবস্থায় পান করি (তবে, এতে বিস্ময়ের কিছু নেই) কেননা, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করতে দেখেছি। আর যদি বসা অবস্থায় পান করি (তবে এটাও আমি নিজের পক্ষ হতে করি নি।) কেননা, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বসা অবস্থায় পান করতে দেখেছি।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আতা ইবন সায়িব' শেষ বয়সে স্মৃতি বিভ্রাটে আক্রান্ত হয়েছিলেন।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, হাদীসটির সনদে বর্ণনাকারী 'আতা ইবন সায়িব' শেষ বয়সে স্মৃতি বিভ্রাটে আক্রান্ত হয়েছিলেন।)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن زاذان (8) أن علىّ بن أبى طالب رضى الله عنه شرب قائمًا فنظر إليه الناس كأنهم أنكروه (وفى رواية فأنكروا ذلك عليه) فقال ما تنظرون؟ إن أشرب قائمًا فقد رأيت النبى صلى الله عليه وسلم يشرب قائمًا (9) وإن أشرب قاعدًا فقد رأيت النبى صلى الله عليه وسلم يشرب قاعدًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গ।
২৫। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়িয়ে, বসে, নগ্নপায়ে, জুতা পরে পান করেছেন। আর (সালাত আদায় শেষে প্রয়োজনে) তিনি ডান দিক থেকে ফিরেছেন অথবা বাম দিক থেকে ফিরেছেন।
(তায়ালিসী। হাদীসটির সূত্রে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
(তায়ালিসী। হাদীসটির সূত্রে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن عاءشة (10) رضي الله عنها قالت شرب رسول الله صلى الله عليه وسلم قائمًا قاعدًا ومشى حافيًا وناعلًا وانصرف عن يمينه وعن شماله
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গ।
২৬। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানি পান করেছেন। (অন্য শব্দে: তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় যমযমের পানির বালতি হতে পান করেছেন।)
দ্বিতীয় সূত্রে শা'বী (র) থেকে বর্ণিত যে, ইবন আব্বাস (রা) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যমযমের পানি পরিবেশন করেছি। তিনি তা দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
দ্বিতীয় সূত্রে শা'বী (র) থেকে বর্ণিত যে, ইবন আব্বাস (রা) তার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট যমযমের পানি পরিবেশন করেছি। তিনি তা দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছেন।
(বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن ابن عباس (1) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب من زمزم وهو قائم (وفى لفظ شرب من دلو من زمزم قائمًا) (ومن طريق ثان) (2) عن الشعبى ابن عباس حدثه قال سقيت رسول الله صلى الله عليه وسلم من زمزم فشرب وهو قائم
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গ।
২৭। ইয়াযীদ ইবন 'উতারিদ (র) থেকে বর্ণিত। ওয়াকী' (র) বলেছেন, তিনি (ইয়াযীদ) সাদূসী আবু বাযারী। তিনি বলেন, আমি ইবন উমর (রা)-কে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করতাম আর হাঁটা অবস্থায় খাবার খেতাম।
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن يزيد بن عطارد (3) قال وكيع السدوسى أبى البرزى (4) قال سألت ابن عمر عن الشرب قائمًا فقال قد كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نشرب قيامًا ونأكل ونحن نسعى
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গ।
২৮। সালত ইবন গালিব হুজায়মী (র) সূত্রে মুসলিম (র) থেকে বর্ণিত যে, তিনি আবু হুরায়রা (রা)-কে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, হে আমার ভ্রাতুষ্পুত্র, একদা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে দেখেছি যে, তিনি তাঁর সাওয়ারী বেঁধেছেন। তখন সেটা মাটিতে বসে গেল। আর আমি তার লাগাম বা রশি ধরে রেখেছিলাম এবং আমার পা দ্বারা সাওয়ারীর হাত চেপে রেখেছিলাম। সে সময় কুরায়শ গোত্রের কিছুলোক এসে তাঁর পাশে দাঁড়াল। তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- এর নিকট এক পাত্র দুধ আনা হল। তিনি তা স্বীয় সাওয়ারীর ওপর বসে পান করেন। এরপর তিনি তা তাঁর ডান পাশের লোককে দেন। সে তা দাঁড়ানো অবস্থায় পান করে। এভাবে সমস্ত লোক দাঁড়িয়ে পান করলেন।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা সূত্রে বর্ণনাকারী মুসলিম সম্বন্ধে কারো কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নি। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা সূত্রে বর্ণনাকারী মুসলিম সম্বন্ধে কারো কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নি। এ ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن الصلت بن غالب (6) الجيمى عن مسلم سأل أبا هريرة عن الشرب قائمًا قال يا ابن أخى رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم عقل راحلته وهو مناخة وأنا آخذ بخطامها أو زمامها واضعًا رجلى على يدها، فجاء نفر من قريش فقاموا حوله فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بإناء من لبن فشرب وهو على راحلته، ثم ناول الذى يليه عن يمينه فشرب قائمًا حتى شرب القوم كلهم قيامًا
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মশকের মুখ দ্বারা পান করা এবং মশক কাঁত করে তা থেকে পানি পান করা।
২৯। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে, মুজাস্সামা (গুলি, তীর ইত্যাদির আঘাতে মৃত পশু) খেতে এবং জাল্লালা (যে প্রাণী ময়লা খায়)-এর দুধ পান করতে নিষেধ করেছেন।
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। তবে বুখারী ও ইবন মাজাহ-এর বর্ণনায় মুজাস্সামা ও জাল্লালা-এর বিষয়টি উল্লেখ নেই।)
(বুখারী, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবন মাজাহ। তবে বুখারী ও ইবন মাজাহ-এর বর্ণনায় মুজাস্সামা ও জাল্লালা-এর বিষয়টি উল্লেখ নেই।)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب من فى السقاء واختناث الأسقية
عن ابن عباس (7) أن النبى صلى الله عليه وسلم نهى عن الشرب من فى السقاء (8) وعن المجتَّمة (1) وعن لبن الجلالة
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩০
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মশকের মুখ দ্বারা পান করা এবং মশক কাঁত করে তা থেকে পানি পান করা।
৩০। আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন। বর্ণনাকারী আইয়ূব (র) বলেন, আমি সংবাদ পেয়েছি যে, এক ব্যক্তি মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পান করল। তখন তা থেকে একটি সাপ বের হয়ে আসল।
(বুখারী। তবে তাতে আইয়ুব (র)-এর উক্তি উল্লেখ নেই।)
(বুখারী। তবে তাতে আইয়ুব (র)-এর উক্তি উল্লেখ নেই।)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب من فى السقاء واختناث الأسقية
عن أبى هريرة (3) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يشرب من فى السقاء قال أيوب (أحد الرواة) فأنبت أن رجلًا شرب من فى السقاء فخرجت حية
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩১
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: মশকের মুখ দ্বারা পান করা এবং মশক কাঁত করে তা থেকে পানি পান করা।
৩১। আবূ সা'ঈদ (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) মশকের মুখ হেলিয়ে এর সঙ্গে মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন।
(বুখারী, আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
(বুখারী, আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)
كتاب الأشربة
باب النهى عن الشرب من فى السقاء واختناث الأسقية
عن أبى سعيد (5) أن النبى صلى الله عليه وسلم نهى عن اختناث (6) الأسقية
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩২
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গে।
৩২। আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত যে, একদা নবী (ﷺ) জনৈক আনসারী মহিলার নিকট উপস্থিত হলেন। তার ঘরে একটি মশক ঝুলন্ত ছিল। তিনি সেটা হেলিয়ে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছেন।
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
(হাদীসটি হায়ছামী (র) বর্ণনা করে বলেছেন, এটা আহমাদ বর্ণনা করেছেন। ইহার বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن عائشة رضي الله عنها (7) أن النبى صلى الله عليه وسلم دخل على امرأة من الأنصار وفى البيت قربة معلقة فاختنثها وسرب وهو قائم
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৩
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: এ বিষয়ে অবকাশ প্রসঙ্গে।
৩৩। আনাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু সুলায়ম (রা) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার ঘরে উপস্থিত হলেন। তার ঘরে একটি মশক ঝুলন্ত ছিল। উম্মু সুলায়ম (রা) বলেন, তিনি এটা হতে দাঁড়ানো অবস্থায় পান করেছেন। উম্মু সুলায়ম (রা) বলেন, আমি উঠে (বরকতের জন্য) মশকের মুখের সে অংশটা কেটে নিলাম।
(তবারানী, তাহাবী, শামায়েলে তিরমিযী)
(তবারানী, তাহাবী, শামায়েলে তিরমিযী)
كتاب الأشربة
باب الرخصة فى ذلك
عن أنس (8) قال حدثنى أمى (أم سليم) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وفى بيتها قربة معلقة قالت فشرب من القربة قائمًا قالت فعمدت إلى فم القربة فقطعتها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৪
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : পাত্রে শ্বাস ফেলা ও ফুঁক দেয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা।
৩৪। 'ইকরিমা (র) সূত্রে ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) পাত্রে শ্বাস ফেলতে অথবা তাতে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন।
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
(আবূ দাউদ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।)
كتاب الأشربة
باب النهي عن التنفس فى الإناء والنفخ فيه
عن عكرمة عن ابن عباس (1) إن شاء الله أن النبى صلى الله عليه وسلم نهى أن يتنفس فى الإناء أو ينفخ فيه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৫
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : পাত্রে শ্বাস ফেলা ও ফুঁক দেয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা।
৩৫। ইবনুল মুসান্না (র) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি মারওয়ানের নিকট উপস্থিত ছিলাম। এরপর সেখানে আবূ সা'ঈদ (রা) উপস্থিত হলেন। তখন মারওয়ান তাকে বললেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট শুনেছেন যে, তিনি পানীয়ের মধ্যে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। এরপর এক ব্যক্তি বলল, আমার তো এক নিঃশ্বাসে পান করা দ্বারা পিপাসা মেটে না। তিনি বললেন, তুমি পাত্রটি মুখ হতে সরিয়ে নিবে। তারপর শ্বাস ফেলবে। সে বলল, যদি আমি তাতে ময়লা দেখি তবে? তিনি বললেন, তবে তা ঢেলে ফেলে দিবে।
(তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।)
(তিরমিযী। তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।)
كتاب الأشربة
باب النهي عن التنفس فى الإناء والنفخ فيه
عن ابن المثنى (3) قال كنت عند مروان فدخل أبو سعيد رضى الله عنه فقال سمعت (4) رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن النفخ فى الشراب؟ قال نعم، فقال رجل أنى لا أروى (5) من نفس واحد، قال أبنه (6) عنك ثم تنفس قال أرى فيه القذاة (7) قال بأهرقها
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৬
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : পাত্রে শ্বাস ফেলা ও ফুঁক দেয়ার প্রতি নিষেধাজ্ঞা।
৩৬। আবু কাতাদা (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ পান করে, সে যেন পাত্রে শ্বাস না ফেলে। যদি কেউ ইসতিনজা করতে যায় তবে সে যেন তার ডান হাতে না মুছে। আর যখন পেশাব করে তবে সে যেন তার ডান হাত দ্বারা তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ না করে।
(হাদীসটি 'তাহারাত' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
(হাদীসটি 'তাহারাত' অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الأشربة
باب النهي عن التنفس فى الإناء والنفخ فيه
عن أبى قتادة (8) أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال إذا شرب أحدكم فلا يتنفس فى الإناء، وإذا دخل الخلاء فلا يتمسح بيمينه، وإذا بال فلا يمس ذكره بيمينه
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৭
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : পান করার সময় পাত্রের বাইরে তিনবার শ্বাস ফেলা মুস্তাহাব।
৩৭। সুমামা ইবন আবদিল্লাহ (র) সূত্রে আনাস ইবন মালিক (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (পান করাকালে) পাত্রের বাইরে তিনবার শাঁস নিতেন এবং বলতেন এটা অধিক পরিমাণে পিপাসা নিবারণ করে, অতি সহজে হজম হয় এবং সত্বর পিপাসার কষ্ট দূর করে।
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্টয়)
(মুসলিম ও ইমামচতুষ্টয়)
كتاب الأشربة
باب استحباب التنفس ثلاثًا فى الشرب خارج الإناء
عن ثمامة بن عبد الله (9) عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يتنفس فى إنائه ثلاثًا وكان أنس يتنفس ثلاثًا (10) (ومن طريق ثان) (11) عن أبى عصام عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتنفس فى الإناء (1) ثلاثًا ويقول هذا أهنأ (2) وأمرأ وأبرأ (خط)
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৮
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ : পান করার সময় পাত্রের বাইরে তিনবার শ্বাস ফেলা মুস্তাহাব।
৩৮। ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পান করার সময় পানীয়ের বাইরে তিনবার শাঁস নিতেন। (তিরমিযী, ইবন মাজাহ। তিরমিযী (র) বলেছেন, হাদীসটি গারীব।)
كتاب الأشربة
باب استحباب التنفس ثلاثًا فى الشرب خارج الإناء
عن ابن عباس (3) قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا شرب تنفس مرتين (4) فى الشراب
তাহকীক:
হাদীস নং: ৩৯
পানীয় অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ: (পাত্র ব্যতীত) সরাসরি মুখ দ্বারা পান করা।
৩৯। ইবন উমর (রা) সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, (তোমরা পাত্র ব্যতীত সরাসরি) মুখ দ্বারা পান কর না। তবে তোমাদের কেউ (পান করতে চাইলে সে) যেন স্বীয় হস্তদ্বয় দ্বারা পান করবে।
(ইবন মাজাহ। আহমাদ (র)-এর বর্ণনায় হাদীসটির সূত্রে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
(ইবন মাজাহ। আহমাদ (র)-এর বর্ণনায় হাদীসটির সূত্রে একজন বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করা হয় নি।)
كتاب الأشربة
باب ما جاء فى الشرب كرعًا
عن ابن عمر (5) عن النبى صلى الله عليه وسلم قال لا تشربوا الكرع (6) ولكن ليشرب أحدكم فى كفيه
তাহকীক: