মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৬৭ টি
হাদীস নং: ১৪১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মু'আনাকা, (কোলাকোলি) চুম্বন ও কারো সম্মানে দাঁড়িয়ে যাওয়া
১৪১. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে শারীরিক গঠন, চরিত্র, অভ্যাস ও চাল-চলনে (তাঁর ছোট মেয়ে) হযরত ফাতিমার চেয়ে অধিক সাদৃশ্যশীল আর কাউকে দেখিনি। (অর্থাৎ, এসব বিষয়ে তিনিই ছিলেন সবার চেয়ে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ।) যখন তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খেদমতে আসতেন, তখন তিনি (ভালোবাসার আবেগে) তার দিকে উঠে দাঁড়াতেন, তার হাত নিজের হাতে লুফে নিতেন ও এতে চুমু খেতেন এবং নিজের স্থানে তাঁকে বসাতেন। তেমনিভাবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন তার কাছে তশরীফ নিয়ে যেতেন, তখন তিনিও তার জন্য দাঁড়িয়ে যেতেন, তার হাত ধরে এতে চুমু খেতেন এবং নিজের স্থানে তাঁকে বসাতেন। আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا كَانَ أَشْبَهَ سَمْتًا وَهَدْيًا وَدَلًّا بِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ فَاطِمَةَ كَانَتْ «إِذَا دَخَلَتْ عَلَيْهِ قَامَ إِلَيْهَا فَأَخَذَ بِيَدِهَا، وَقَبَّلَهَا، وَأَجْلَسَهَا فِي مَجْلِسِهِ، وَكَانَ إِذَا دَخَلَ عَلَيْهَا قَامَتْ إِلَيْهِ، فَأَخَذَتْ بِيَدِهِ فَقَبَّلَتْهُ، وَأَجْلَسَتْهُ فِي مَجْلِسِهَا» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪২
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাত অথবা ঘরে কিংবা মজলিসে আসার জন্য অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন যে, যখন কারো সাথে সাক্ষাতের জন্য অথবা তার ঘরে কিংবা তার মজলিসে কেউ যেতে চায়, তখন প্রথমে সালাম দিবে এবং অনুমতি প্রার্থনা করবে। এছাড়া কখনো হঠাৎ প্রবেশ করবে না। কেননা, জানা নেই সে এ সময় কোন অবস্থায় ও কোন কাজে ব্যস্ত রয়েছে। হতে পারে যে, এ সময় তার সাক্ষাত প্রার্থী হওয়া সঙ্গত নয়।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন যে, যখন কারো সাথে সাক্ষাতের জন্য অথবা তার ঘরে কিংবা তার মজলিসে কেউ যেতে চায়, তখন প্রথমে সালাম দিবে এবং অনুমতি প্রার্থনা করবে। এছাড়া কখনো হঠাৎ প্রবেশ করবে না। কেননা, জানা নেই সে এ সময় কোন অবস্থায় ও কোন কাজে ব্যস্ত রয়েছে। হতে পারে যে, এ সময় তার সাক্ষাত প্রার্থী হওয়া সঙ্গত নয়।
১৪২. কালদাহ ইবনে হাম্বল থেকে বর্ণিত, তার (বৈপিত্রেয় ভাই) সাফওয়ান ইবনে উমাইয়্যা তাকে কিছু দুধ, একটি হরিণ শাবক ও কিছু খিরা দিয়ে নবী করীম (ﷺ) এর খেদমতে পাঠাল। এটা তখনকার কথা, যখন নবী করীম (ﷺ) মক্কার প্রান্তরের উঁচু ভূমিতে ছিলেন। কালদাহ বলেন, আমি এগুলো নিয়ে নবী করীম (ﷺ) এর কাছে পৌঁছে গেলাম। কিন্তু আমি প্রথমে সালামও দেইনি, আর অনুমতিও প্রার্থনা করিনি। তখন তিনি বললেন, তুমি ফিরে যাও এবং (নিয়ম অনুযায়ী) বল: আসসালামু আলাইকুম। আমি কি ভিতরে আসতে পারি? -তিরমিযী, আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ كَلَدَةَ بْنَ حَنْبَلٍ، أَخْبَرَهُ أَنَّ صَفْوَانَ بْنَ أُمَيَّةَ بَعَثَهُ بِلَبَنٍ وَجَدَايَةٍ وَضَغَابِيسَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَعْلَى الوَادِي، قَالَ: فَدَخَلْتُ عَلَيْهِ وَلَمْ أُسَلِّمْ وَلَمْ أَسْتَأْذِنْ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْجِعْ فَقُلْ: السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ أَأَدْخُلُ؟ (رواه الترمذى وابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাত অথবা ঘরে কিংবা মজলিসে আসার জন্য অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন
১৪৩. হযরত আতা ইবনে ইয়াসার তাবেয়ী থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে জিজ্ঞাসা করল যে, আমি কি আমার মায়ের কাছে যাওয়ার জন্যও পূর্ব অনুমতি গ্রহণ করব? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, মায়ের কাছে যাওয়ার জন্যও অনুমতি প্রার্থনা কর। লোকটি বলল, আমি আমার মায়ের সাথেই থাকি। (অর্থাৎ, আমার ঘর পৃথক নয়, আমরা মা-পুত্র একই ঘরে একসাথে অবস্থান করি। (তাই এমতাবস্থায়ও কি এর প্রয়োজন রয়েছে যে, অনুমতি নিয়ে ঘরে প্রবেশ করব?) তিনি বললেন, হ্যাঁ, অনুমতি নিয়েই ঘরে প্রবেশ কর। ঐ ব্যক্তি বলল, আমিই তার খাদেম। (অর্থাৎ, আমিই তার কাজকর্ম করে দেই। এ জন্য বার বার যেতে হয়। তাই এমতাবস্থায় তো প্রতিবার অনুমতি নিতে হবে না।) তিনি বললেন, অনুমতি নিয়েই তার কাছে যাও। তুমি কি এটা পছন্দ কর যে, তাকে (অসাবধান অবস্থায়) বিবস্ত্র দেখবে? সে বলল, না। তিনি তখন বললেন, তাহলে অনুমতি নিয়েই তার কাছে যাও। -মুয়াত্তা মালেক
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنّ رَجُلًا سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: أَسْتَأْذِنُ عَلَى أُمِّي؟ قَالَ: «نَعَمْ» ، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي مَعَهَا فِي الْبَيْتِ، قَالَ: «اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا» ، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي خَادِمُهَا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا أتُحِبُّ أَنْ تَرَاهَا عُرْيَانَةً؟» قَالَ: لا، قَالَ: «فَاسْتَأْذِنْ عَلَيْهَا» . (رواه مالك مرسلا)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাত অথবা ঘরে কিংবা মজলিসে আসার জন্য অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন
১৪৪. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি অনুমতি চাওয়ার আগে সালাম দিল না, তাকে (ঘরে প্রবেশের) অনুমতি দিয়ো না। বায়হাকী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: " لَا تَأْذَنُوا لِمَنْ لَمْ يَبْدَأْ بِالسَّلَامِ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাত অথবা ঘরে কিংবা মজলিসে আসার জন্য অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন
১৪৫. রিবয়ী ইবনে হিরাশ তাবেয়ী থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি এসে নবী করীম (ﷺ) এর কাছে এই বলে অনুমতি প্রার্থনা করল, أألج, অর্থাৎ, আমি কি ভিতরে ঢুকতে পারি? নবী করীম (ﷺ) নিজের খাদেমকে বললেন, তুমি এর কাছে গিয়ে অনুমতি প্রার্থনার পদ্ধতি শিখিয়ে দাও। তাকে গিয়ে বল, তোমার এভাবে বলা চাই: السلام عليكم أأدخل؟ অর্থাৎ, আস্সালামু আলাইকুম। আমি কি ভিতরে আসতে পারি? লোকটি একথা নিজেই শুনে ফেলল এবং বলল: السلام عليكم أأدخل؟ নবী করীম (ﷺ) তখন অনুমতি দিয়ে দিলেন এবং সে তাঁর কাছে এসে গেল। -আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا رَجُلٌ فَاسْتَأْذَنَ عَلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: أَأَلِجُ؟ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِخَادِمِهِ: " اخْرُجْ إِلَى هَذَا فَعَلِّمْهُ الِاسْتِئْذَانَ، فَقُلْ لَهُ: قُلِ السَّلَامُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُلُ؟ " فَسَمِعَهُ الرَّجُلُ، فَقَالَ: السَّلَامُ عَلَيْكُمْ، أَأَدْخُلُ؟ فَأَذِنَ لَهُ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَدَخَلَ. (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাত অথবা ঘরে কিংবা মজলিসে আসার জন্য অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন
১৪৬. হযরত সা'দ ইবনে উবাদা রাযি.-এর পুত্র কায়েস ইবনে সা'দ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বাড়ীতে তশরীফ আনলেন এবং (রীতি অনুযায়ী বাইরে থেকে) বললেন: আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আমার পিতা খুবই ক্ষীণ স্বরে কেবল সালামের উত্তর দিলেন (যাতে তাঁর কানে আওয়াজ না পৌঁছে।) আমি তখন বললাম, আপনি কেন তাঁকে ভিতরে আসার অনুমতি দিচ্ছেন না? আমার পিতা বললেন, আরে রাখ, কিছু বলো না- যাতে তিনি আমাদেরকে বেশী করে সালাম দিতে থাকেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবার বললেন: আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহ-মাতুল্লাহ। হযরত সা'দ আবারও খুব আস্তে সালামের উত্তর দিলেন, (যা তিনি শুনতে পাননি।) তারপর আবার বললেন, আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। (এবার যখন তিনি কোন উত্তর শুনতে পেলেন না, তখন) তিনি ফিরে যেতে উদ্যত হলেন। এবার সা'দ তাঁর পেছনে ছুটলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার সালাম শুনছিলাম এবং (ইচ্ছা করেই) চুপে চুপে উত্তর দিচ্ছিলাম- যাতে আপনি আমাদেরকে আরও সালাম দেন (আর আমরা এর বরকত লাভ করে নেই।) একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার সাথে তার বাড়ীতে আসলেন। হযরত সা'দ বাড়ীর লোকদেরকে তাঁর জন্য গোসলের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিলেন এবং তিনি গোসল করে নিলেন। তারপর সা'দ তাকে একটি চাদর দিলেন- যা জাফরান অথবা ওয়ার্স দ্বারা রঞ্জিত ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এটা 'এশতেমাল' পদ্ধতিতে অর্থাৎ, শরীরে পেচিয়ে পরিধান করলেন। তারপর দু'হাত তুলে এভাবে দু‘আ করলেন: اللَّهُمَّ اجْعَلْ صَلوتك ورحمتك على ال سعد অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! তুমি তোমার বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত নাযিল কর সা'দ পরিবারের উপর। তারপর তিনি কিছু খাবার গ্রহণ করলেন। এরপর যখন তিনি যাওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন আমার পিতা সা'দ একটি গাধা পেশ করলেন- যার উপর কাপড়ের গদি লাগানো ছিল। আমার পিতা সা'দ বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে যাও। তখন আমি তাঁর সাথে রওয়ানা হলাম। এবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমিও আমার সাথে সওয়ারীতে উঠে যাও; কিন্তু আমি অস্বীকার করলাম। তিনি তখন বললেন, হয় আমার সাথে সওয়ারীতে আরোহণ কর, না হয় ফিরে যাও। (অর্থাৎ, এটা আমি মানতে পারি না যে, আমি সওয়ারীতে আরোহণ করে যাব, আর তুমি পায়ে হেটে সাথে যাবে।) কায়স ইবনে সা'দ বলেন, তখন আমি ফিরে আসলাম। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: زَارَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي مَنْزِلِنَا فَقَالَ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ» فَرَدَّ اَبِىْ رَدًّا خَفِيًّا، قَالَ قَيْسٌ: فَقُلْتُ: أَلَا تَأْذَنُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: ذَرْهُ يُكْثِرُ عَلَيْنَا السَّلَامِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ» فَرَدَّ سَعْدُ رَدًّا خَفِيًّا، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ» ثُمَّ رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاتَّبَعَهُ سَعْدٌ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي كُنْتُ أَسْمَعُ تَسْلِيمَكَ وَأَرُدُّ عَلَيْكَ رَدًّا خَفِيًّا لِتُكْثِرَ عَلَيْنَا مِنَ السَّلَامِ، فَانْصَرَفَ مَعَهُ النَّبِىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَرَ لَهُ سَعْدٌ بِغُسْلٍ، فَاغْتَسَلَ، ثُمَّ نَاوَلَهُ مِلْحَفَةً مَصْبُوغَةً بِزَعْفَرَانٍ، أَوْ وَرْسٍ، فَاشْتَمَلَ بِهَا، ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ وَهُوَ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ صَلَوَاتِكَ وَرَحْمَتَكَ عَلَى آلِ سَعْدِ» قَالَ: ثُمَّ أَصَابَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنَ الطَّعَامِ، فَلَمَّا أَرَادَ الِانْصِرَافَ قَرَّبَ لَهُ سَعْدٌ حِمَارًا قَدْ وَطَّأَ عَلَيْهِ بِقَطِيفَةٍ، فَقَالَ لِي سَعْدٌ: اصْحَبْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَحِبْتُهُ فَقَالَ لِىْ «ارْكَبْ مَعِىْ» فَأَبَيْتُ، فَقَالَ: إِمَّا أَنْ تَرْكَبَ وَإِمَّا أَنْ تَنْصَرِفَ فَانْصَرَفْتُ. (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সাক্ষাতপ্রার্থীর একটি দাবী হল তাকে পাশে বসানো
১৪৭. হযরত ওয়াসেলা ইবনুল খাত্তাব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খেদমতে আসল, যখন তিনি মসজিদে বসা ছিলেন। এটা দেখে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের স্থান থেকে একটু সরে গেলেন। (যাতে তাকে কাছে বসাতে পারেন।) লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (আপনি নিজ স্থানে তশরীফ রাখুন।) এখানে যথেষ্ট জায়গা রয়েছে। (অর্থাৎ, আমার জন্য আপনার নিজ স্থান থেকে সরে যাবার প্রয়োজন নেই।) তিনি বললেন, মুসলমানের একটি দাবী হচ্ছে এই যে, সে কাউকে তার কাছে আসতে দেখলে নিজ স্থান থেকে একটু সরে যাবে (এবং তাকে নিজের কাছে বসাবে।) বায়হাকী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ: دَخَلَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ قَاعِدٌ، فَتَزَحْزَحَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ الرَّجُلُ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ فِي الْمَكَانِ سَعَةً، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " إِنَّ لِلْمُسْلِمِ حَقًّا إِذَا رَآهُ أَخُوهُ أَنْ يَتَزَحْزَحَ لَهُ ". (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মজলিস থেকে কাউকে উঠিয়ে দিয়ে তার জায়গায় বসা না চাই
১৪৮. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন: কোন ব্যক্তি যেন অপর কোন ব্যক্তিকে তার স্থান থেকে উঠিয়ে দিয়ে সেখানে না বসে; বরং তোমরা আগমনকারীদের জন্য স্থান প্রশস্ত কর এবং বসার সুযোগ করে দাও। -বুখারী, মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ يُقِيمُ الرَّجُلُ الرَّجُلَ مِنْ مَجْلِسِهِ ثُمَّ يَجْلِسُ فِيهِ وَلَكِنْ تَفَسَّحُوْا وَتَوَسَّعُوْا» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মজলিস থেকে কাউকে উঠিয়ে দিয়ে তার জায়গায় বসা না চাই
১৪৯. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি (কোন প্রয়োজনে) নিজের জায়গা থেকে উঠে গেল এবং পুনরায় ফিরে আসল, সে-ই হবে এ জায়গার অধিক হকদার। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ» وَفِي حَدِيثِ أَبِي عَوَانَةَ «مَنْ قَامَ مِنْ مَجْلِسِهِ، ثُمَّ رَجَعَ إِلَيْهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মজলিসে দু'ব্যক্তির মাঝে তাদের অনুমতি ছাড়া বসা অনুচিত
১৫০. হযরত আমর ইবনে শু'আইব আপন পিতা থেকে এবং তিনি আপন দাদা আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযি. থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তুমি দু'ব্যক্তির মাঝে তাদের অনুমতি ছাড়া বসে যেয়ো না। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «لَا تَجْلِسْ بَيْنَ اثْنَيْنِ إِلَّا بِإِذْنِهِمَا» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ নিজের সম্মানের জন্য আল্লাহর বান্দাদের দাঁড়িয়ে যাওয়া যার ভালো লাগে সে জাহান্নামী
১৫১. হযরত মু'আবিয়া রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তির এটা ভালো লাগে যে, মানুষ তার জন্য দাঁড়িয়ে থাকুক, সে যেন জাহান্নামে নিজের ঠিকানা প্রস্তুত করে নেয়। -তিরমিযী, আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ مُعَاوِيَةُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَتَمَثَّلَ لَهُ الرِّجَالُ قِيَامًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ. (رواه ابوداؤد والترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫২
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের তা'যীমের জন্য কারো দাঁড়িয়ে যাওয়া পছন্দ করতেন না
১৫২. হযরত আবু উমামা বাহেলী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লাঠিতে ভর দিয়ে বাইরে আসলেন। আমরা তখন তাঁর জন্য দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি বললেন, তোমরা ওভাবে দাঁড়িয়ে যেয়ো না, যেভাবে অনারব লোকেরা একজন আরেকজনের তা'যীমের জন্য দাঁড়িয়ে যায়। -আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ: خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَّكِئًا عَلَى عَصًا فَقُمْنَا لَهُ فَقَالَ: «لَا تَقُومُوا كَمَا يَقُومُ الْأَعَاجِمُ، يُعَظِّمُ بَعْضُهَا بَعْضًا» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের তা'যীমের জন্য কারো দাঁড়িয়ে যাওয়া পছন্দ করতেন না
১৫৩. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সাহাবায়ে কেরামের কাছে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর চেয়ে অধিক প্রিয় ব্যক্তি আর কেউ ছিল না। এতসত্ত্বেও তাদের রীতি এই ছিল যে, তাঁকে দেখে তারা দাঁড়িয়ে যেতেন না। কেননা, তারা জানতেন যে, এটা তিনি অপছন্দ করেন। -তিরমিযী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَنَسٍ، قَالَ: لَمْ يَكُنْ شَخْصٌ أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَكَانُوا إِذَا رَأَوْهُ لَمْ يَقُومُوا لِمَا يَعْلَمُونَ مِنْ كَرَاهِيَتِهِ لِذَلِكَ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ মজলিস প্রধান উঠে গেলে মজলিসবাসীর দাঁড়িয়ে যাওয়া
১৫৪. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের সাথে মসজিদে বসতেন এবং (দ্বীনি কথাবার্তা বলতেন।) তারপর যখন তিনি (ঘরে যাওয়ার জন্য মজলিস থেকে) উঠে যেতেন, তখন আমরাও উঠে যেতাম। আমরা এতক্ষণ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতাম যে, আমাদের দৃষ্টিগোচর হত যে, তিনি তাঁর কোন স্ত্রীর ঘরে প্রবেশ করে গিয়েছেন। বায়হাকী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: " كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَجْلِسُ مَعَنَا فِي الْمَسْجِدِ يُحَدِّثُنَا، فَإِذَا قَامَ قُمْنَا قِيَامًا حَتَّى نَرَاهُ قَدْ دَخَلَ بَعْضَ بُيُوتِ أَزْوَاجِهِ " (رواه البيهقى فى شعب الايمان)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ শোয়া, নিদ্রা যাওয়া ও বসার ব্যাপারে হুযুর (ﷺ)-এর উপদেশাবলী এবং তাঁর রীতি
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শোয়া, নিদ্রা যাওয়া ও বসার ব্যাপারে উম্মতকে উপদেশাবলী দিয়েছেন এবং আপন কর্মপদ্ধতি দ্বারাও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। নিম্নে এ ধারার কিছু হাদীস পাঠ করুন এবং তাঁর শিক্ষা ও দিকনির্দেশনার সামগ্রিকতা উপলব্ধি করুন।
প্রাচীরবিহীন ছাদে ঘুম যাওয়া নিষেধ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শোয়া, নিদ্রা যাওয়া ও বসার ব্যাপারে উম্মতকে উপদেশাবলী দিয়েছেন এবং আপন কর্মপদ্ধতি দ্বারাও দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। নিম্নে এ ধারার কিছু হাদীস পাঠ করুন এবং তাঁর শিক্ষা ও দিকনির্দেশনার সামগ্রিকতা উপলব্ধি করুন।
প্রাচীরবিহীন ছাদে ঘুম যাওয়া নিষেধ
১৫৫. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন ছাদে ঘুম যেতে নিষেধ করেছেন- যা (প্রাচীর অথবা বেড়া দ্বারা) বেষ্টিত নয়। -তিরমিযী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَنَامَ الرَّجُلُ عَلَى سَطْحٍ لَيْسَ بِمَحْجُورٍ عَلَيْهِ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ প্রাচীরবিহীন ছাদে ঘুম যাওয়া নিষেধ
১৫৬. হযরত আলী ইবনে শায়বান রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন ঘরের এমন ছাদে রাতে নিদ্রা যায়- যার উপর কোন প্রতিবন্ধক প্রাচীর নেই, তার উপর থেকে নিরাপত্তার দায়িত্ব শেষ হয়ে গেল। -আবু দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَلِيٍّ ابْنَ شَيْبَانَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ بَاتَ عَلَى ظَهْرِ بَيْتٍ لَيْسَ عَلَيْهَِ حِجَابٌ (وَفِىْ رِوَايَةً حِجَارٌ) فَقَدْ بَرِئَتْ مِنْهُ الذِّمَّةُ» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাড়া হাঁটুর উপর হাঁটু রেখে শোয়ার নিষিদ্ধতা ও এর কারণ
১৫৭. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক পা অন্য পায়ের উপর রেখে চিৎ হয়ে শয়ন করা থেকে নিষেধ করেছেন। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، نَهَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يَرْفَعَ الرَّجُلُ إِحْدَى رِجْلَيْهِ عَلَى الْأُخْرَى وَهُوَ مُسْتَلْقٍ عَلَى ظَهْرِهِ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাড়া হাঁটুর উপর হাঁটু রেখে শোয়ার নিষিদ্ধতা ও এর কারণ
১৫৮. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন যে, সে উপুড় হয়ে পেটের উপর শুয়ে আছে। তিনি বললেন, শোয়ার এ পদ্ধতিটি আল্লাহ্ পছন্দ করেন না। -তিরমিযী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: رَأَى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلاً مُضْطَجِعًا عَلَى بَطْنِهِ فَقَالَ: إِنَّ هَذِهِ ضِجْعَةٌ لاَ يُحِبُّهَا اللَّهُ. (رواه الترمذى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৫৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাড়া হাঁটুর উপর হাঁটু রেখে শোয়ার নিষিদ্ধতা ও এর কারণ
১৫৯. হযরত আবূ যর গেফারী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন নবী করীম (ﷺ) আমার পাশ দিয়ে গেলেন- যখন আমি উপুড় হয়ে শুয়ে ছিলাম। তিনি আমাকে তাঁর পা দিয়ে নাড়া দিলেন এবং বললেন, হে জুন্দুব! এটা হচ্ছে জাহান্নামীদের শোয়ার পদ্ধতি। ইবনে মাজাহ্
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ: مَرَّ بِيَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا مُضْطَجِعٌ عَلَى بَطْنِي، فَرَكَضَنِي بِرِجْلِهِ وَقَالَ: «يَا جُنْدُبُ، إِنَّمَا هَذِهِ ضِجْعَةُ أَهْلِ النَّارِ» (رواه ابن ماجه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৬০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ হুযুর (ﷺ) নিজে কিভাবে শয়ন করতেন
১৬০. হযরত আবু কাতাদা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) যখন (সফরে) রাতের বেলা অবতরণ করতেন, তখন ডান কাতে শুয়ে যেতেন। আর যখন ভোরের সামান্য পূর্বে অবতরণ করতেন, তখন হাতের কব্জি খাড়া করে মস্তক মুবারক তালুতে স্থাপন করে বিশ্রাম করে নিতেন। শারহুস্সুন্নাহ, বাগভী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا عَرَّسَ بِلَيْلٍ اضْطَجَعَ عَلَى شِقِّهِ الأَيْمَنِ، وَإِذَا عَرَّسَ قُبَيْلَ الصُّبْحِ، نَصَبَ ذِرَاعَهُ، وَوَضَعَ رَأْسَهُ عَلَى كَفِّهِ» (رواه فى شرح السنة)
তাহকীক: