মা'আরিফুল হাদীস
معارف الحديث
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৩৬৭ টি
হাদীস নং: ২৪১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানা ডান হাতে এবং নিজের সামনে থেকে খাবে
২৪১. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন কোন কিছু খায়, তখন যেন তার ডান হাত দিয়ে খায়, আর যখন কোন কিছু পান করে, তখন যেন ডান হাতে পান করে। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَكَلَ أَحَدُكُمْ فَلْيَأْكُلْ بِيَمِينِهِ، وَإِذَا شَرِبَ فَلْيَشْرَبْ بِيَمِينِهِ. (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪২
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানা ডান হাতে এবং নিজের সামনে থেকে খাবে
২৪২. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যেন বাম হাতে কিছু না খায় এবং বাম হাতে কোন কিছু পান না করে। কেননা, (এটা শয়তানী তরীকা) শয়তান বাম হাতে খায় ও পান করে।-মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنُ عُمَرَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَأْكُلَنَّ أَحَدُكُمْ بِشِمَالِهِ، وَلَا يَشْرَبَنَّ بِهَا، فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَأْكُلُ بِشِمَالِهِ، وَيَشْرَبُ بِهَا» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ জুতা খুলে খানা খাওয়ার মধ্যে আরাম বেশী
২৪৩. হযরত আনাস ইবনে মালিক রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন খাবার সামনে রাখা হয়, তখন তোমরা জুতা খুলে ফেল। কেননা, এটা তোমাদের পায়ের জন্য খুবই আরামদায়ক।-মুসনাদে দারেমী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا وُضِعَ الطَّعَامُ، فَاخْلَعُوا نِعَالَكُمْ، فَإِنَّهُ أَرْوَحُ لِأَقْدَامِكُمْ» (رواه الدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানা বেশী গরম না খাওয়া চাই
২৪৪. হযরত আসমা বিনতে আবু বকর রাযি. থেকে বর্ণিত, তার কাছে যখন সারীদ পাক করে আনা হত, তখন তিনি এটা ঢেকে রাখতে বলতেন- যে পর্যন্ত না এর ধোঁয়ার তেজ শেষ হয়ে যায়। (এরপর এটা খাওয়া হত।) আসমা (তাঁর এই কার্যপদ্ধতির সনদ হিসাবে) বলতেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি যে, এভাবে (কিছুটা ঠাণ্ডা করে) খাওয়া খুবই বরকতের কারণ হয়। -মুসনাদে দারেমী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهَا كَانَتْ إِذَا أُتِيَتْ بِثَرِيدٍ، أَمَرَتْ بِهِ فَغُطِّيَ حَتَّى يَذْهَبَ فَوْرَةُ وَدُخَانُهُ، وَتَقُولُ: إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «هُوَ أَعْظَمُ لِلْبَرَكَةِ» (رواه الدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ একত্রে খাওয়াতে বরকত হয়
২৪৫. হযরত ওয়াহশী ইবনে হারব রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এর কতিপয় সাহাবী আরজ করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের অবস্থা এই যে, আমরা খানা খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হই না। তিনি বললেন, সম্ভবত তোমরা পৃথক পৃথক খানা খাও। তাঁরা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তোমরা একত্রে খাবারে বস আর বিসমিল্লাহ বলে খানা খাও। এতে তোমরা বরকত লাভ করবে (এবং পরিতৃপ্ত হবে।) -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ وَحْشِيُّ بْنُ حَرْبٍ قَالَ: إِنَّ أَصْحَابَ النَّبِيِّ، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّا نَأْكُلُ وَلَا نَشْبَعُ، قَالَ: «لَعَلَّكُمْ تَفْتَرِقُونَ؟» قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: «فَاجْتَمِعُوا عَلَى طَعَامِكُمْ، وَاذْكُرُوا اسْمَ اللَّهِ عَلَيْهِ يُبَارَكْ لَكُمْ فِيهِ» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ একত্রে খাওয়াতে বরকত হয়
২৪৬. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ একজনের খানা দু'জনের জন্য যথেষ্ট, দু'জনের খানা চার জনের জন্য যথেষ্ট এবং চার জনের খানা আটজনের জন্য যথেষ্ট। -মুসলিম
[হাদীসগ্রন্থসমূহে এ বিষয়ের হাদীস অনেক সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত রয়েছে।]
[হাদীসগ্রন্থসমূহে এ বিষয়ের হাদীস অনেক সাহাবায়ে কেরাম থেকে বর্ণিত রয়েছে।]
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «طَعَامُ الْوَاحِدِ يَكْفِي الِاثْنَيْنِ، وَطَعَامُ الِاثْنَيْنِ يَكْفِي الْأَرْبَعَةَ، وَطَعَامُ الْأَرْبَعَةِ يَكْفِي الثَّمَانِيَةَ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানা পাত্রের কিনারা থেকে খাওয়া উচিত
২৪৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) এর নিকট সারীদ ভর্তি একটি খাঞ্চা আনা হল। তিনি (অন্য লোকদেরকে এতে শরীক করে নিলেন এবং) বললেন, তোমরা এর কিনারা থেকে খাও, মধ্যখান থেকে খেয়ো না। কেননা, বরকত মধ্যখানে নাযিল হয়। -তিরমিযী
আর আবূ দাউদ শরীফে সারীদ আসার ঘটনা উল্লেখ ছাড়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কেবল এ উক্তি বর্ণনা করা হয়েছে:
" إذا أكل أحدكم طعاما فلا يأكل من أعلى الصحفة ولكن ليأكل من أسفلها فإن البركة تنزل من أعلاها " .
অর্থাৎ, তোমাদের কেউ যখন কোন খাবার খায়, তখন যেন উপর থেকে (অর্থাৎ, মাঝখান থেকে) না খায়; বরং নীচ থেকে (অর্থাৎ, কিনারা থেকে) যেন খায়। কেননা, বরকত উপর থেকে নাযিল হয়।
আর আবূ দাউদ শরীফে সারীদ আসার ঘটনা উল্লেখ ছাড়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কেবল এ উক্তি বর্ণনা করা হয়েছে:
" إذا أكل أحدكم طعاما فلا يأكل من أعلى الصحفة ولكن ليأكل من أسفلها فإن البركة تنزل من أعلاها " .
অর্থাৎ, তোমাদের কেউ যখন কোন খাবার খায়, তখন যেন উপর থেকে (অর্থাৎ, মাঝখান থেকে) না খায়; বরং নীচ থেকে (অর্থাৎ, কিনারা থেকে) যেন খায়। কেননা, বরকত উপর থেকে নাযিল হয়।
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أُتِيَ بِقَصْعَةٍ مِنْ ثَرِيدٍ، فَقَالَ: «كُلُوا مِنْ جَوَانِبِهَا، وَلا تَأْكُلُوا مِنْ وَسَطِهَا، فَإِنَّ الْبَرَكَةَ تَنْزِلُ فِي وَسَطِهَا». (رواه الترمذى وابن ماجه والدارمى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে খানা আঙ্গুলে অথবা পাত্রে লেগে থাকে, এরও কদর করা চাই
২৪৮. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) (খাওয়ার পর) আঙ্গুল ও পাত্র চেটে খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, তোমরা জান না যে, খাদ্যের কোন কণায় ও কোন অংশে বরকতের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَ بِلَعْقِ الْأَصَابِعِ وَالصَّحْفَةِ، وَقَالَ: «إِنَّكُمْ لَا تَدْرُونَ فِي أَيِّهِ الْبَرَكَةُ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৪৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ যে খানা আঙ্গুলে অথবা পাত্রে লেগে থাকে, এরও কদর করা চাই
২৪৯. হযরত নুবায়শা হুযালী রাযি. সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন খাঞ্চায় খানা খায় এবং এটা একেবারে পরিষ্কার করে নেয় (যে, এর মধ্যে কিছুই লেগে থাকে না) তাহলে এটা ঐ ব্যক্তির ক্ষমার জন্য দু‘আ করে। -আহমাদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্, দারেমী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ نُبَيْشَةُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ أَكَلَ فِي قَصْعَةٍ، فَلَحِسَهَا، اسْتَغْفَرَتْ لَهُ الْقَصْعَةُ» (رواه احمد والترمذى والدارمى وابن ماجه)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ পড়ে যাওয়া লোকমাও উঠিয়ে খেয়ে নেওয়া চাই
২৫০. হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি, তোমাদের প্রতিটি কাজের সময় এমনকি খাওয়ার সময়ও শয়তান তোমাদের কাছে উপস্থিত থাকে। তাই (খানা খাওয়ার সময়) তোমাদের কারো হাত থেকে লোকমা পড়ে যায়, তখন সে যেন এটা উঠিয়ে পরিষ্কার করে নিয়ে খেয়ে ফেলে এবং শয়তানের জন্য ছেড়ে না দেয়। তারপর যখন খানা খেয়ে শেষ করে, তখন যেন আঙ্গুলগুলোও চেটে নেয়। কেননা, সে জানে না যে, খাবারের কোন্ অংশে বিশেষ বরকত রয়েছে। -মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ الشَّيْطَانَ يَحْضُرُ أَحَدَكُمْ عِنْدَ كُلِّ شَيْءٍ مِنْ شَأْنِهِ، حَتَّى يَحْضُرَهُ عِنْدَ طَعَامِهِ، فَإِذَا سَقَطَتْ مِنْ أَحَدِكُمُ اللُّقْمَةُ، فَلْيُمِطْ مَا كَانَ بِهَا مِنْ أَذًى، ثُمَّ لِيَأْكُلْهَا، وَلَا يَدَعْهَا لِلشَّيْطَانِ، فَإِذَا فَرَغَ فَلْيَلْعَقْ أَصَابِعَهُ، فَإِنَّهُ لَا يَدْرِي فِي أَيِّ طَعَامِهِ يَكُونُ الْبَرَكَةُ» (رواه مسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫১
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারে যদি মাছি পড়ে যায়
২৫১. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কারো পাত্রে যখন মাছি পড়ে যায়, তাহলে এটাকে চুবিয়ে বের কর। কেননা, এর এক ডানায় রোগ (সৃষ্টিকারী উপাদান) থাকে, আর অন্যটিতে রোগ উপশমের উপকরণ থাকে। আর সে তার যে ডানাতে রোগ বিস্তারের উপকরণ থাকে, এর দ্বারা অপর ডানাকে বাঁচিয়ে রাখে। সুতরাং সম্পূর্ণ মাছিই ডুবিয়ে তোলা চাই। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ، فَامْقُلُوهُ فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ دَاءً، وَفِي الْآخَرِ شِفَاءً، فَإِنَّهُ يَتَّقِي بِجَنَاحِهِ الَّذِي فِيهِ الدَّاءُ فَلْيَغْمِسْهُ كُلُّهُ» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫২
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানার ব্যাপারে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বান্দাসুলভ রীতি
২৫২. হযরত আবূ জুহাইফা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) বলেছেন: আমি হেলান দিয়ে বসে খানা খাই না। বুখারী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ «لَا آكُلُ مُتَّكِئًا» (رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৩
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খানার ব্যাপারে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বান্দাসুলভ রীতি
২৫৩. হযরত কাতাদা সূত্রে হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) কখনো খোয়ানে (ডাইনিং টেবিলে) খানা খাননি, ছোট তশতরী ও পেয়ালায়ও খাননি, আর তাঁর জন্য কখনো চাপাতিও পাকানো হয়নি। কাতাদাকে জিজ্ঞাসা করা হল, তাহলে তিনি ও সাহাবায়ে কেরাম কিসের উপর খানা খেতেন? তিনি উত্তর দিলেন, দস্তরখানের উপর। -বুখারী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ، قَالَ: «مَا أَكَلَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى خِوَانٍ، وَلاَ فِي سُكْرُجَةٍ، وَلاَ خُبِزَ لَهُ مُرَقَّقٌ» قُلْتُ لِقَتَادَةَ: عَلَى مَا يَأْكُلُونَ؟ قَالَ: «عَلَى السُّفَرِ» (رواه البخارى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৪
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ সোনা-রূপার পাত্রে পানাহারের নিষিদ্ধতা
২৫৪. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) সোনা-রূপার পাত্রে পানাহার করতে নিষেধ করেছেন। নাসায়ী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَنَسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَيَ عَنِ الْأَكْلِ وَالشُّرْبِ فِى اِنَاءِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ. (رواه النسائى)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৫
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কোন খাবারের দোষ বলতেন না
২৫৫. হযরত আবূ হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) কখনো কোন খাবারের দোষ ধরেননি। যদি ভালো লেগেছে, তাহলে খেয়েছেন, আর অপছন্দ হলে রেখে দিয়েছেন। -বুখারী, মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: «مَا عَابَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَعَامًا قَطُّ، إِنِ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ وَإِلَّا تَرَكَهُ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৬
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারের মধ্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কি কি জিনিস প্রিয় ছিল
২৫৬. হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, এক দর্জি নবী করীম (ﷺ)কে খানার দাওয়াত দিল, যে খানা সে তৈরী করেছিল। আমিও নবী করীম (ﷺ) এর সাথে গেলাম। (সম্ভবত খাদেম হিসাবে তাকেও দাওয়াত করা হয়েছিল।) দাওয়াতকারী যবের রুটি ও শোরবা পেশ করল, যার মধ্যে লাউয়ের টুকরা ও শুকনা গোশতের টুকরা ছিল। আমি নবী করীম (ﷺ)কে দেখলাম যে, তিনি পেয়ালার বিভিন্ন কিনারা থেকে বেছে বেছে লাউয়ের টুকরা খাচ্ছেন। সে দিন থেকে সর্বদা আমি লাউ পছন্দ করি। বুখারী, মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ أَنَسٍ أَنَّ خَيَّاطًا دَعَا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِطَعَامٍ صَنَعَهُ، فَذَهَبْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَرَّبَ خُبْزَ شَعِيرٍ، وَمَرَقًا فِيهِ دُبَّاءٌ وَقَدِيدٌ، «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَتَبَّعُ الدُّبَّاءَ مِنْ حَوَالَيِ القَصْعَةِ»، فَلَمْ أَزَلْ أُحِبُّ الدُّبَّاءَ بَعْدَ يَوْمِئِذٍ. (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৭
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারের মধ্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কি কি জিনিস প্রিয় ছিল
২৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জা'ফর রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে খিরার সাথে কাঁচা খেজুর খেতে দেখেছি। -বুখারী, মুসলিম
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرِ قَالَ: «رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الرُّطَبَ بِالقِثَّاءِ» (رواه البخارى ومسلم)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৮
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারের মধ্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কি কি জিনিস প্রিয় ছিল
২৫৮. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম (ﷺ) তরমুজ ও কাঁচা খেজুর এক সাথে খেতেন এবং বলতেন, এই খেজুরগুলোর গরম এই তরমুজের ঠাণ্ডায় কেটে যাবে, আর তরমুজের ঠাণ্ডা খেজুর দ্বারা দূর হয়ে যাবে। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ " يَأْكُلُ الْبِطِّيخَ بِالرُّطَبِ فَيَقُولُ: يَكْسِرُ حَرَّ هَذَا بِبَرْدِ هَذَا، وَبَرْدَ هَذَا بِحَرِّ هَذَا " (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৫৯
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারের মধ্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কি কি জিনিস প্রিয় ছিল
২৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সবচেয়ে প্রিয় খাবার ছিল রুটি (এবং গোশতের শোরবা) দিয়ে তৈরী সারীদ এবং হাইস (অর্থাৎ, রুটি, খেজুর ও ঘি দিয়ে তৈরী) সারীদ। -আবূ দাউদ
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «كَانَ أَحَبَّ الطَّعَامِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الثَّرِيدُ مِنَ الْخُبْزِ، وَالثَّرِيدُ مِنَ الحَيْسِ» (رواه ابوداؤد)
তাহকীক:
হাদীস নং: ২৬০
মু‘আশারাত ও মু‘আমালাত অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ খাবারের মধ্যে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কি কি জিনিস প্রিয় ছিল
২৬০. হযরত আয়েশা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মিষ্টিদ্রব্য ও মধু পছন্দ করতেন। -বুখারী
کتاب المعاشرت والمعاملات
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُحِبُّ الْحَلْوَاءَ وَالْعَسَلَ» (رواه البخارى)
তাহকীক: