আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ
الجامع الصحيح للبخاري
৬২- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ৯১ টি
হাদীস নং: ৫৩৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৬৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৩. আজওয়া খেজুর দ্বারা যাদুর চিকিৎসা
৫৩৫৬। ‘আলী (রাহঃ) ......... ‘আমির ইবনে সা‘দ -এর পিতা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে কয়েকটি আজওয়া খেজুর খাবে ঐ দিন রাত পর্যন্ত কোন বিষ ও যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না। অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ বলেছেনঃ সাতটি খেজুর।
كتاب الطب
باب الدَّوَاءِ بِالْعَجْوَةِ لِلسِّحْرِ
5768 - حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ، أَخْبَرَنَا هَاشِمٌ، أَخْبَرَنَا عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ اصْطَبَحَ كُلَّ يَوْمٍ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً، لَمْ يَضُرَّهُ سُمٌّ، وَلَا سِحْرٌ ذَلِكَ اليَوْمَ إِلَى اللَّيْلِ» وَقَالَ غَيْرُهُ: «سَبْعَ تَمَرَاتٍ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৬৯
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৩. আজওয়া খেজুর দ্বারা যাদুর চিকিৎসা
৫৩৫৭। ইসহাক ইবনে মানসুর (রাহঃ) ......... সা‘দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি ভোর বেলা সাতটি আজওয়া (মদীনায় উৎপন্ন উন্নত মানের খুরমার নাম) খেজুর খাবে, সে দিন কোন বিষ বা যাদু তার কোন ক্ষতি করবে না।
كتاب الطب
باب الدَّوَاءِ بِالْعَجْوَةِ لِلسِّحْرِ
5769 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَامِرَ بْنَ سَعْدٍ، سَمِعْتُ سَعْدًا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ تَصَبَّحَ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً، لَمْ يَضُرَّهُ ذَلِكَ اليَوْمَ سُمٌّ وَلاَ سِحْرٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭০ - ৫৭৭১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৪. পেঁচার মধ্যে কোন অশুভ লক্ষণ নেই
৫৩৫৮। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ রোগের মধ্যে কোন সংক্রামক শক্তি নেই। সফর মাসের মধ্যে অমঙ্গলের কিছু নেই এবং পেঁচায় কোন অশুভ লক্ষণ নেই। তখন এক বেদুঈন বলল: ইয়া রাসুলাল্লাহ! তা হলে যে উট পাল মরুভূমিতে থাকে, হরিণের ন্যায় তা সুস্থ ও সবল হয়। এ উট পালের মধ্যে একটি চর্মরোগ বিশিষ্ট উট মিশে সবগুলোকে চর্ম রোগগ্রস্থ করে ফেলে (এরূপ কেন হয়)? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তবে প্রথম উটটির মধ্যে কে এ রোগ সংক্রমণ করল?
আবু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যেন কখনও রোগাক্রান্ত উট সুস্থ উটের সাথে না রাখে। আর আবু হুরায়রা (রাযিঃ) প্রথম হাদীস অস্বীকার করেন। আমরা বললাম: আপনি কি لاَ عَدْوَى হাদীস বর্ণনা করেননি? এ সময় তিনি হাবশী ভাষায় কি যেন বললেন। আবু সালামা (রাহঃ) বলেনঃ আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) -কে এ হাদীসটি ভিন্ন অন্য কোন হাদীস ভুলে যেতে দেখিনি।
আবু সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ কেউ যেন কখনও রোগাক্রান্ত উট সুস্থ উটের সাথে না রাখে। আর আবু হুরায়রা (রাযিঃ) প্রথম হাদীস অস্বীকার করেন। আমরা বললাম: আপনি কি لاَ عَدْوَى হাদীস বর্ণনা করেননি? এ সময় তিনি হাবশী ভাষায় কি যেন বললেন। আবু সালামা (রাহঃ) বলেনঃ আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) -কে এ হাদীসটি ভিন্ন অন্য কোন হাদীস ভুলে যেতে দেখিনি।
كتاب الطب
باب لاَ هَامَةَ
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ عَدْوَى، وَلاَ صَفَرَ، وَلاَ هَامَةَ ". فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَمَا بَالُ الإِبِلِ تَكُونُ فِي الرَّمْلِ كَأَنَّهَا الظِّبَاءُ، فَيُخَالِطُهَا الْبَعِيرُ الأَجْرَبُ فَيُجْرِبُهَا. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَمَنْ أَعْدَى الأَوَّلَ ".
وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، بَعْدُ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ يُورِدَنَّ مُمْرِضٌ عَلَى مُصِحٍّ ". وَأَنْكَرَ أَبُو هُرَيْرَةَ حَدِيثَ الأَوَّلِ قُلْنَا أَلَمْ تُحَدِّثْ أَنَّهُ لاَ عَدْوَى فَرَطَنَ بِالْحَبَشِيَّةِ. قَالَ أَبُو سَلَمَةَ فَمَا رَأَيْتُهُ نَسِيَ حَدِيثًا غَيْرَهُ.
وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، بَعْدُ يَقُولُ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ يُورِدَنَّ مُمْرِضٌ عَلَى مُصِحٍّ ". وَأَنْكَرَ أَبُو هُرَيْرَةَ حَدِيثَ الأَوَّلِ قُلْنَا أَلَمْ تُحَدِّثْ أَنَّهُ لاَ عَدْوَى فَرَطَنَ بِالْحَبَشِيَّةِ. قَالَ أَبُو سَلَمَةَ فَمَا رَأَيْتُهُ نَسِيَ حَدِيثًا غَيْرَهُ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৫. কোন সংক্রামক নেই
৫৩৫৯। সা‘ঈদ ইবনে ‘উফায়র (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রোগে কোন সংক্রমণ নেই, শুভ-অশুভ বলতে কিছু নেই, অশুভ কেবল নারী, ঘোড়া ও ঘর এ তিন জিনিসের মধ্যেই হতে পারে।
كتاب الطب
باب لاَ عَدْوَى
5772 - حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَحَمْزَةُ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ، إِنَّمَا الشُّؤْمُ [ص:139] فِي ثَلاَثٍ: فِي الفَرَسِ، وَالمَرْأَةِ، وَالدَّارِ "
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭৩ - ৫৭৭৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৫. কোন সংক্রামক নেই
৫৩৬০। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছিঃ (রোগে) কোন সংক্রমণ নেই। আবু সালামা ইবনে ‘আব্দুর রহমান বলেন, আমি আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে শুনেছি, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ রোগাক্রান্ত উট সুস্থ উটের মধ্যে মিশাবে না। যুহরী সূত্রে আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ (রোগে) সংক্রমণ নেই। তখন এক বেদুঈন দাঁড়িয়ে বলল, এ ব্যাপারে অপনার কি মত যে, হরিণের ন্যায় সুস্থ উট প্রান্তরে থাকে। পরে কোন চর্মরোগগ্রস্ত উট এদের সাথে মিশে সবগুলোকে চর্মরোগে আক্রান্ত করে। তখন নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ তা যদি হয় তবে প্রথমটিকে কে রোগাক্রান্ত করেছিল?
كتاب الطب
باب لاَ عَدْوَى
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ عَدْوَى ". قَالَ أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تُورِدُوا الْمُمْرِضَ عَلَى الْمُصِحِّ ". وَعَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي سِنَانُ بْنُ أَبِي سِنَانٍ الدُّؤَلِيُّ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ عَدْوَى ". فَقَامَ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ أَرَأَيْتَ الإِبِلَ تَكُونُ فِي الرِّمَالِ أَمْثَالَ الظِّبَاءِ فَيَأْتِيهِ الْبَعِيرُ الأَجْرَبُ فَتَجْرَبُ. قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " فَمَنْ أَعْدَى الأَوَّلَ ".
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৫. কোন সংক্রামক নেই
৫৩৬১। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ (রোগের মধ্যে) কোন সংক্রমণ নেই এবং শুভ-অশুভ নেই আর আমার নিকট ‘ফাল’ পছন্দনীয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেনঃ ‘ফাল’ কী? তিনি বললেনঃ উত্তম কথা।
كتاب الطب
باب لاَ عَدْوَى
5776 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ، وَيُعْجِبُنِي الفَأْلُ» قَالُوا: وَمَا الفَأْلُ؟ قَالَ: «كَلِمَةٌ طَيِّبَةٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭৭
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৬. নবী করীম (ﷺ) -কে বিষ প্রয়োগ করানো প্রসঙ্গে উ‘রওয়া (রাহঃ) বর্ণনা করেছেন ‘আয়িশা (রাযিঃ) থেকে, তিনি নবী করীম (ﷺ) থেকে
৫৩৬২। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বার যখন বিজয় হয়, তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট হাদীয়া স্বরূপ একটি (ভুনা) বকরি-প্রেরিত হয়। এর মধ্যে ছিল বিষ। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ এখানে যত ইয়াহুদী আছে আমার কাছে তাদের জমায়েত কর। তার কাছে সবাইকে জমায়েত করা হলো। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের সন্মোধন করে বললেনঃ আমি তোমাদের নিকট একটি বিষয়ে জানতে চাই, তোমরা কি সে বিষয়ে আমাকে সত্য কথা বলবে? তারা বললোঃ হ্যাঁ, হে আবুল কাসিম! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমাদের পিতা কে? তারা বললো, আমাদের পিতা অমুক। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা মিথ্যে বলেছ বরং তোমাদের পিতা অমুক। তারা বললোঃ আপনি সত্য বলেছেন ও সঠিক বলেছেন।
এরপর তিনি বললেনঃ আমি যদি তোমাদের নিকট আর একটি প্রশ্ন করি, তা হলে কি তোমরা সে ব্যাপারে আমাকে সত্য কথা বলবে? তারা বললো: হ্যাঁ, হে আবুল কাসিম! যদি আমরা মিথ্যে বলি তবে তো আপনি আমাদের মিথ্যা জেনে ফেলবেন, যেমনিভাবে জেনেছেন আমাদের পিতার ব্যাপারে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বললেনঃ জাহান্নামী কারা? তারা বললো: আমরা সেখানে অল্প দিনের জন্যে থাকব। তারপর আপনারা আমাদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরাই সেখানে লাঞ্চিত হয়ে থাকো। আল্লাহর কসম! আমরা কখনও সেখানে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বলেন আমি যদি তোমাদের কাছে আর একটি বিষয়ে প্রশ্ন করি, তবে কি তোমরা সে ব্যাপারে আমার কাছে সত্য কথা বলবে? তারা বললো, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন: তোমরা কি এ বকরির মধ্যে বিষ মিশ্রিত করেছ? তারা বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কিসে তোমাদের এ কাজে উদ্ভুদ্ধ করেছে? তারা বললো। আমরা চেয়েছি, যদি আপনি (নবুওয়াতের দাবীতে) মিথ্যাবাদী হন, তবে আমরা আপনার থেকে মুক্তি পেয়ে যাব। আর যদি আপনি (সত্য) নবী হন, তবে এ বিষ আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
এরপর তিনি বললেনঃ আমি যদি তোমাদের নিকট আর একটি প্রশ্ন করি, তা হলে কি তোমরা সে ব্যাপারে আমাকে সত্য কথা বলবে? তারা বললো: হ্যাঁ, হে আবুল কাসিম! যদি আমরা মিথ্যে বলি তবে তো আপনি আমাদের মিথ্যা জেনে ফেলবেন, যেমনিভাবে জেনেছেন আমাদের পিতার ব্যাপারে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বললেনঃ জাহান্নামী কারা? তারা বললো: আমরা সেখানে অল্প দিনের জন্যে থাকব। তারপর আপনারা আমাদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তোমরাই সেখানে লাঞ্চিত হয়ে থাকো। আল্লাহর কসম! আমরা কখনও সেখানে তোমাদের স্থলাভিষিক্ত হবো না।
এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের বলেন আমি যদি তোমাদের কাছে আর একটি বিষয়ে প্রশ্ন করি, তবে কি তোমরা সে ব্যাপারে আমার কাছে সত্য কথা বলবে? তারা বললো, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন: তোমরা কি এ বকরির মধ্যে বিষ মিশ্রিত করেছ? তারা বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ কিসে তোমাদের এ কাজে উদ্ভুদ্ধ করেছে? তারা বললো। আমরা চেয়েছি, যদি আপনি (নবুওয়াতের দাবীতে) মিথ্যাবাদী হন, তবে আমরা আপনার থেকে মুক্তি পেয়ে যাব। আর যদি আপনি (সত্য) নবী হন, তবে এ বিষ আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي سَمِّ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَوَاهُ عُرْوَةُ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
5777 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ: لَمَّا فُتِحَتْ خَيْبَرُ، أُهْدِيَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَاةٌ فِيهَا سَمٌّ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اجْمَعُوا لِي مَنْ كَانَ هَا هُنَا مِنَ اليَهُودِ» فَجُمِعُوا لَهُ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنِّي سَائِلُكُمْ عَنْ شَيْءٍ، فَهَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْهُ» . فَقَالُوا: نَعَمْ يَا أَبَا القَاسِمِ، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَبُوكُمْ» قَالُوا: أَبُونَا فُلاَنٌ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَذَبْتُمْ، بَلْ أَبُوكُمْ فُلاَنٌ» فَقَالُوا: صَدَقْتَ وَبَرِرْتَ، فَقَالَ: «هَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْ شَيْءٍ إِنْ سَأَلْتُكُمْ عَنْهُ» فَقَالُوا: نَعَمْ يَا أَبَا القَاسِمِ، وَإِنْ كَذَبْنَاكَ عَرَفْتَ كَذِبَنَا كَمَا عَرَفْتَهُ فِي أَبِينَا، قَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَهْلُ النَّارِ» فَقَالُوا: نَكُونُ فِيهَا يَسِيرًا، ثُمَّ تَخْلُفُونَنَا فِيهَا، فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اخْسَئُوا فِيهَا، وَاللَّهِ لاَ نَخْلُفُكُمْ فِيهَا أَبَدًا» . ثُمَّ قَالَ لَهُمْ: «فَهَلْ أَنْتُمْ صَادِقِيَّ عَنْ شَيْءٍ إِنْ سَأَلْتُكُمْ عَنْهُ» قَالُوا: نَعَمْ، فَقَالَ: «هَلْ جَعَلْتُمْ فِي هَذِهِ الشَّاةِ سَمًّا؟» فَقَالُوا: نَعَمْ، فَقَالَ: «مَا حَمَلَكُمْ عَلَى ذَلِكَ» فَقَالُوا: أَرَدْنَا: إِنْ كُنْتَ كَذَّابًا نَسْتَرِيحُ مِنْكَ، وَإِنْ كُنْتَ نَبِيًّا لَمْ يَضُرَّكَ
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৭. বিষ পান করা, বিষ দ্বারা চিকিৎসা করা, মারাত্মক কিছু দ্বারা চিকিৎসা করা যাতে মারা যাবার আশঙ্কা রয়েছে এবং হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করা
৫৩৬৩। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আব্দুল ওয়াহহাব (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পাহাড়ের উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের আগুনে পুড়বে, চিরদিন সে জাহান্নামের মধ্যে অনুরূপভাবে লাফিয়ে পড়তে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষপান করে আত্মহত্যা করবে তার বিষ জাহান্নামের আগুনের মধ্যে তার হাতে থাকবে, চিরকাল সে জাহান্নামের মধ্যে তা পান করতে থাকবে। যে ব্যক্তি লোহার আঘাতে আত্মহত্যা করবে, জাহান্নামের আগুনের মধ্যে সে লোহা তার হাতে থাকবে, চিরকাল সে তা দ্বারা নিজের পেটে আঘাত করতে থাকবে।
كتاب الطب
باب شُرْبِ السُّمِّ، وَالدَّوَاءِ بِهِ، وَبِمَا يُخَافُ مِنْهُ وَالْخَبِيثِ
5778 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الوَهَّابِ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الحَارِثِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ ذَكْوَانَ، يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «[ص:140] مَنْ تَرَدَّى مِنْ جَبَلٍ فَقَتَلَ نَفْسَهُ، فَهُوَ فِي نَارِ جَهَنَّمَ يَتَرَدَّى فِيهِ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا، وَمَنْ تَحَسَّى سُمًّا فَقَتَلَ نَفْسَهُ، فَسُمُّهُ فِي يَدِهِ يَتَحَسَّاهُ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا، وَمَنْ قَتَلَ نَفْسَهُ بِحَدِيدَةٍ، فَحَدِيدَتُهُ فِي يَدِهِ يَجَأُ بِهَا فِي بَطْنِهِ فِي نَارِ جَهَنَّمَ خَالِدًا مُخَلَّدًا فِيهَا أَبَدًا»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৭৯
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৭. বিষ পান করা, বিষ দ্বারা চিকিৎসা করা, মারাত্মক কিছু দ্বারা চিকিৎসা করা যাতে মারা যাবার আশঙ্কা রয়েছে এবং হারাম বস্তু দ্বারা চিকিৎসা করা
৫৩৬৪। মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... সা‘দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকাল বেলা সাতটি আজওয়া খেজুর খেয়ে নিবে, তাকে সে দিন কোন বিষ অথবা যাদু ক্ষতি করতে পারবে না।
كتاب الطب
باب شُرْبِ السُّمِّ، وَالدَّوَاءِ بِهِ، وَبِمَا يُخَافُ مِنْهُ وَالْخَبِيثِ
5779 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ بَشِيرٍ أَبُو بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَامِرُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَقُولُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنِ اصْطَبَحَ بِسَبْعِ تَمَرَاتِ عَجْوَةٍ، لَمْ يَضُرَّهُ ذَلِكَ اليَوْمَ سَمٌّ، وَلاَ سِحْرٌ»
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৮০ - ৫৭৮১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৮. গাধীর দুধ
৫৩৬৫। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... আবু ছা‘লাবা খুশানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বপ্রকার নখ বিশিষ্ট হিংস্র জন্তু খেতে নিষেধ করেছেন। যুহরী (রাহঃ) বলেন, আমি সিরিয়ায় চলে আসা পর্যন্ত এ হাদীস শুনি নাই। লাঈস বাড়িয়ে বলেছেন যে, ইউনুস (রাহঃ) ইবনে শিহাব (রাহঃ) থেকে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন যে, আমি এ হাদীসের বর্ণনাকারী (আবু ইদরীস) কে জিজ্ঞাসা করেছি যে, গাধীর দুধ, হিংস্র প্রাণীর পিত্তরস এবং উটের পেশাব পান করা বা তা দিয়ে ওযু করা জায়েয কি না?
তিনি বলেছেনঃ পূর্বেকার মুসলিমগণ উটের পেশাব দ্বারা চিকিৎসার কাজ করতেন এবং একে তারা কোন পাপ মনে করতেন না। আর গাধীর দুধ সম্পর্কে কথা হলো: গাধার গোস্ত খাওয়ার নিষেধ বাণী আমাদের কাছে পৌছেছে, কিন্তু তার দুধ সম্পর্কে আদেশ বা নিষেধ কোনটিই আমাদের কাছে পৌছেনি। আর হিংস্র প্রাণীর পিত্তরস সম্পর্কে ইবনে শিহাব (রাহঃ) আবু ইদরীস খাওলানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বপ্রকার নখর বিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ করেছেন।
তিনি বলেছেনঃ পূর্বেকার মুসলিমগণ উটের পেশাব দ্বারা চিকিৎসার কাজ করতেন এবং একে তারা কোন পাপ মনে করতেন না। আর গাধীর দুধ সম্পর্কে কথা হলো: গাধার গোস্ত খাওয়ার নিষেধ বাণী আমাদের কাছে পৌছেছে, কিন্তু তার দুধ সম্পর্কে আদেশ বা নিষেধ কোনটিই আমাদের কাছে পৌছেনি। আর হিংস্র প্রাণীর পিত্তরস সম্পর্কে ইবনে শিহাব (রাহঃ) আবু ইদরীস খাওলানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বপ্রকার নখর বিশিষ্ট হিংস্র প্রাণী খেতে নিষেধ করেছেন।
كتاب الطب
باب أَلْبَانِ الأُتُنِ
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيِّ، عَنْ أَبِي ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ، رضى الله عنه قَالَ نَهَى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السَّبُعِ. قَالَ الزُّهْرِيُّ وَلَمْ أَسْمَعْهُ حَتَّى أَتَيْتُ الشَّأْمَ. وَزَادَ اللَّيْثُ قَالَ حَدَّثَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ وَسَأَلْتُهُ هَلْ نَتَوَضَّأُ أَوْ نَشْرَبُ أَلْبَانَ الأُتُنِ أَوْ مَرَارَةَ السَّبُعِ أَوْ أَبْوَالَ الإِبِلِ. قَالَ قَدْ كَانَ الْمُسْلِمُونَ يَتَدَاوَوْنَ بِهَا، فَلاَ يَرَوْنَ بِذَلِكَ بَأْسًا، فَأَمَّا أَلْبَانُ الأُتُنِ فَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ لُحُومِهَا، وَلَمْ يَبْلُغْنَا عَنْ أَلْبَانِهَا أَمْرٌ وَلاَ نَهْىٌ، وَأَمَّا مَرَارَةُ السَّبُعِ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ أَخْبَرَنِي أَبُو إِدْرِيسَ الْخَوْلاَنِيُّ أَنَّ أَبَا ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ أَكْلِ كُلِّ ذِي نَابٍ مِنَ السَّبُعِ.
তাহকীক:
হাদীস নং: ৫৩৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৮২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৫৯. কোন পাত্রে যখন মাছি পড়ে
৫৩৬৬। কুতায়বা (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কারও কোন খাবার পাত্রে মাছি পড়ে, তখন তাকে সম্পূর্ণভাবে ডুবিয়ে দিবে, তারপরে ফেলে দিবে। কারণ, তার এক ডানায় থাকে শিফা, আর অন্য ডানায় থাকে রোগ জীবাণু।
كتاب الطب
باب إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي الإِنَاءِ
5782 - حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُتْبَةَ بْنِ مُسْلِمٍ، مَوْلَى بَنِي تَيْمٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ حُنَيْنٍ، مَوْلَى بَنِي زُرَيْقٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا وَقَعَ الذُّبَابُ فِي إِنَاءِ أَحَدِكُمْ فَلْيَغْمِسْهُ كُلَّهُ، ثُمَّ لِيَطْرَحْهُ، فَإِنَّ فِي أَحَدِ جَنَاحَيْهِ شِفَاءً، وَفِي الآخَرِ دَاءً»