আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ

الجامع الصحيح للبخاري

৬২- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৯১ টি

হাদীস নং: ৫৩১৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৭
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩০. অনুকূল নয় এমন এলাকা থেকে বেরিয়ে যাওয়া
৫৩১৬। ‘আব্দুল ‘আলা ইবনে হাম্মাদ (রাহঃ) ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘উককাল ও উরায়না গোত্রের কতিপয় মানুষ কিংবা তিনি বলেছেন কতিপয় পুরুষ লোক রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট এসে ইসলাম সম্পর্কে আলাপ আলোচনা করল। এরপর তারা বলল: হে আল্লাহর নবী! আমরা ছিলাম পশু পালন অঞ্চলের অধিবাসী। আমরা কখনো চাষাবাদকারী ছিলাম না। অতএব মদীনায় বসবাস করা তাদের জন্য অনুপযোগী হল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদের জন্য কিছু উট ও একজন রাখাল দেওয়ার আদেশ দিলেন এবং তাদের হুকুম দিলেন যেন এগুলো নিয়ে যায় এবং এগুলোর দুধ ও পেশাব পান করে।

এরপর তারা রওয়ানা হয়ে যখন হাররা এলাকার কাছাকাছি গিয়ে পৌছল তখন তারা ইসলাম ত্যাগ করে কুফরী অবলম্বন করল এবং তারা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর রাখালটিকে হত্যা করে উটগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে গেল। নবী করীম (ﷺ) -এর কাছে এ খবর পৌছল। তিনি তাদের পেছনে অনুসন্ধানকারী দল পাঠালেন। (ধরে আনার পর) নবী করীম (ﷺ) তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত আদেশ দিলেন। সে মতে সাহাবায়ে কেরাম তাদের চক্ষুগুলো -ফুঁড়ে দিলেন। তাদের হাতগুলো কেটে দিলেন এবং তাদের হাররা এলাকায় ফেলে রাখা হল। অবশেষে তারা সেই অবস্থায় মারা গেল।
كتاب الطب
باب مَنْ خَرَجَ مِنْ أَرْضٍ لاَ تُلاَيِمُهُ
5727 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ: أَنَّ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، حَدَّثَهُمْ: " أَنَّ نَاسًا، أَوْ رِجَالًا، مِنْ عُكْلٍ وَعُرَيْنَةَ، قَدِمُوا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَتَكَلَّمُوا بِالإِسْلاَمِ، وَقَالُوا: يَا نَبِيَّ اللَّهِ، إِنَّا كُنَّا أَهْلَ ضَرْعٍ، وَلَمْ نَكُنْ أَهْلَ رِيفٍ، وَاسْتَوْخَمُوا المَدِينَةَ، فَأَمَرَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِذَوْدٍ وَبِرَاعٍ، وَأَمَرَهُمْ أَنْ يَخْرُجُوا فِيهِ، فَيَشْرَبُوا مِنْ أَلْبَانِهَا وَأَبْوَالِهَا، فَانْطَلَقُوا حَتَّى كَانُوا نَاحِيَةَ الحَرَّةِ، كَفَرُوا بَعْدَ إِسْلاَمِهِمْ، وَقَتَلُوا رَاعِيَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاسْتَاقُوا الذَّوْدَ، فَبَلَغَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَبَعَثَ الطَّلَبَ فِي آثَارِهِمْ، وَأَمَرَ بِهِمْ فَسَمَرُوا أَعْيُنَهُمْ وَقَطَعُوا أَيْدِيَهُمْ، وَتُرِكُوا فِي نَاحِيَةِ الحَرَّةِ، حَتَّى مَاتُوا عَلَى حَالِهِمْ "
হাদীস নং: ৫৩১৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩১৭। হাফস ইবনে ‘উমর (রাহঃ) ......... উসামা ইবনে যায়দ (রাযিঃ) থেকে সা‘দ (রাযিঃ) -এর কাছে নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন এলাকায় প্লেগের প্রাদুর্ভাবের সংবাদ পাও, তখন সেই এলাকায় প্রবেশ করো না। আর তোমরা যেখানে অবস্থান কর, তথায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটলে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না। (বর্ণনাকারী হাবীব ইবনে আবু সাবিত বলেন) আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি কি উসামা (রাযিঃ) -কে এ হাদীস সা‘দ (রাযিঃ) -এর কাছে বর্ণনা করতে শুনেছেন যে, (সা‘দ) তাতে কোন অসম্মতি প্রকাশ করেননি? ইবরাহীম ইবনে সা‘দ বলেনঃ হ্যাঁ।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5728 - حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ، قَالَ: سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ بْنَ سَعْدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أُسَامَةَ بْنَ زَيْدٍ، يُحَدِّثُ سَعْدًا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمْ بِالطَّاعُونِ بِأَرْضٍ فَلاَ تَدْخُلُوهَا، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلاَ تَخْرُجُوا مِنْهَا» فَقُلْتُ: أَنْتَ سَمِعْتَهُ يُحَدِّثُ سَعْدًا، وَلاَ يُنْكِرُهُ؟ قَالَ: نَعَمْ
হাদীস নং: ৫৩১৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৯
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩১৮। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ‘উমর ইবনে খাত্তাব (রাযিঃ) সিরিয়ার দিকে যাত্রা করেছিলেন। অবশেষে তিনি যখন সারগ এলাকায় গেলেন, তখন তার সঙ্গে সৈন্য বাহিনীর প্রধানগণ তথা আবু ‘উবাইদা ইবনে জাররাহ ও তার সঙ্গীগণ সাক্ষাত করেন। তারা তাকে অবহিত করেন যে, সিরিয়া এলাকায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, তখন ‘উমর (রাযিঃ) বলেনঃ আমার নিকট প্রবীণ মুহাজীরদের ডেকে আনো। তখন তিনি তাদের ডেকে আনলেন। ‘উমর (রাযিঃ) তাঁদের সিরিয়ায় প্লেগের প্রাদুর্ভাব ঘটার কথা অবহিত করে তাদের কাছে পরামর্শ চাইলেন। তখন তাদের মধ্যে মতভেদের সৃষ্টি হল। কেউ বললেনঃ আপনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে বের হয়েছেন; কাজেই তা থেকে ফিরে যাওয়াকে আমরা পছন্দ করি না। আবার কেউ কেউ বললেনঃ আপনার সঙ্গে রয়েছেন শেষ অবশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সাহাবীগণ, কাজেই আমাদের কাছে ভাল মনে হয় না যে, আপনি তাদের এই প্লেগের মধ্যে ঠেলে দিবেন।

‘উমর (রাযিঃ) বললেনঃ তোমরা আমার নিকট থেকে চলে যাও। এরপর তিনি বললেনঃ আমার নিকট আনসারদের ডেকে আনো। আমি তাদের ডেকে আনলাম। তিনি তাদের কাছে পরামর্শ চাইলে তারাও মুহাজিরদের পথ অবলম্বন করলেন এবং তাঁদের ন্যায় মতভেদ করলেন। ‘উমর (রাযিঃ) বললেনঃ তোমরা উঠে যাও। এরপর আমাকে বললেনঃ এখানে যে সকল বয়োজ্যেষ্ঠ কুরাইশী আছেন, যারা মক্কা বিজয়ের বছর হিজরত করেছিলেন, তাদের ডেকে আনো। আমি তাদের ডেকে আনলাম, তখন তারা পরস্পরে কোন মতপার্থক্য করেননি। তাঁরা বললেনঃ আপনার লোকজনকে নিয়ে ফিরে যাওয়া এবং তাদের প্লেগের কবলে আপনার ঠেলো না দেওয়াই আমাদের কাছে ভাল মনে হয়। তখন ‘উমর (রাযিঃ) লোকজনের মধ্যে ঘোষণা দিলেন যে, আমি ভোরে সাওয়ারীর পিঠে আরোহন করবো (ফিরে যাওয়ার জন্য)। এরপর ভোরে সকলে এভাবে প্রস্তুতি নিল।

আবু ‘উবাইদা (রাযিঃ) বললেনঃ আপনি কি আল্লাহর নির্ধারণকৃত তাকদীর থেকে পলায়ন করার জন্য ফিরে যাচ্ছেন? ‘উমর (রাযিঃ) বললেন: হে আবু উবাইদা! যদি তুমি ছাড়া অন্য কেউ কথাটি বলতো! হ্যাঁ, আমরা আল্লাহর এক তাকদীর থেকে আল্লাহর অন্য একটি তাকদীরের দিকে ফিরে যাচ্ছি। তুমি বলত তোমার কিছু উটকে যদি তুমি এমন কোন উপত্যকায় নিয়ে যাও আর সেখানে আছে দুটি মাঠ। তন্মধ্যে একটি হল সবুজ শ্যমল, আর অন্যটি হল শুষ্ক ও ধূসর। এবার বল ব্যাপারটি কি এমন নয় যে, যদি তুমি সবুজ মাঠে চরাও তাহলে তা আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরিয়েছ। আর যদি শুষ্ক মাঠে চরাও, তাহলে তাও আল্লাহর তাকদীর অনুযায়ীই চরিয়েছ।

বর্ণনাকারী বলেন, এমন সময় ‘আব্দুর রহমান ইবনে ‘আউফ (রাযিঃ) আসলেন। তিনি এতক্ষণ যাবত তাঁর কোন প্রয়োজনের কারণে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেনঃ এ ব্যাপারে আমার নিকট একটি তথ্য আছে, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা যখন কোন এলাকায় (প্লেগের) প্রাদুর্ভাবের কথা শোন, তখন সেখানে প্রবেশ করো না। আর যদি কোন এলাকায় এর প্রাদুর্ভাব নেমে আসে, আর তোমরা সেখানে থাক, তাহলে পলায়ন করে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর ‘উমর (রাযিঃ) আল্লাহর প্রশংসা করলেন, তারপর প্রত্যাবর্তন করলেন।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5729 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ الحَمِيدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ الخَطَّابِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، خَرَجَ إِلَى الشَّأْمِ، حَتَّى إِذَا كَانَ بِسَرْغَ لَقِيَهُ أُمَرَاءُ الأَجْنَادِ، أَبُوعُبَيْدَةَ بْنُ الجَرَّاحِ وَأَصْحَابُهُ، فَأَخْبَرُوهُ أَنَّ الوَبَاءَ قَدْ وَقَعَ بِأَرْضِ الشَّأْمِ. قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: فَقَالَ عُمَرُ: ادْعُ لِي المُهَاجِرِينَ الأَوَّلِينَ، فَدَعَاهُمْ فَاسْتَشَارَهُمْ، وَأَخْبَرَهُمْ أَنَّ الوَبَاءَ قَدْ وَقَعَ بِالشَّأْمِ، فَاخْتَلَفُوا، فَقَالَ بَعْضُهُمْ: قَدْ خَرَجْتَ لِأَمْرٍ، وَلاَ نَرَى أَنْ تَرْجِعَ عَنْهُ، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: مَعَكَ بَقِيَّةُ النَّاسِ وَأَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلاَ نَرَى أَنْ تُقْدِمَهُمْ عَلَى هَذَا الوَبَاءِ، فَقَالَ: ارْتَفِعُوا عَنِّي، ثُمَّ قَالَ: ادْعُوا لِي الأَنْصَارَ، فَدَعَوْتُهُمْ فَاسْتَشَارَهُمْ، فَسَلَكُوا سَبِيلَ المُهَاجِرِينَ، وَاخْتَلَفُوا كَاخْتِلاَفِهِمْ، فَقَالَ: ارْتَفِعُوا عَنِّي، ثُمَّ قَالَ: ادْعُ لِي مَنْ كَانَ هَا هُنَا مِنْ مَشْيَخَةِ قُرَيْشٍ مِنْ مُهَاجِرَةِ الفَتْحِ، فَدَعَوْتُهُمْ، فَلَمْ يَخْتَلِفْ مِنْهُمْ عَلَيْهِ رَجُلاَنِ، فَقَالُوا: نَرَى أَنْ تَرْجِعَ بِالنَّاسِ وَلاَ تُقْدِمَهُمْ عَلَى هَذَا الوَبَاءِ، فَنَادَى عُمَرُ فِي النَّاسِ: إِنِّي مُصَبِّحٌ عَلَى ظَهْرٍ فَأَصْبِحُوا عَلَيْهِ. قَالَ أَبُوعُبَيْدَةَ بْنُ الجَرَّاحِ: أَفِرَارًا مِنْ قَدَرِ اللَّهِ؟ فَقَالَ عُمَرُ: لَوْ غَيْرُكَ قَالَهَا يَا أَبَا عُبَيْدَةَ؟ نَعَمْ نَفِرُّ مِنْ قَدَرِ اللَّهِ إِلَى قَدَرِ اللَّهِ، أَرَأَيْتَ لَوْ كَانَ لَكَ إِبِلٌ هَبَطَتْ وَادِيًا لَهُ عُدْوَتَانِ، إِحْدَاهُمَا خَصِبَةٌ، وَالأُخْرَى جَدْبَةٌ، أَلَيْسَ إِنْ رَعَيْتَ الخَصْبَةَ رَعَيْتَهَا بِقَدَرِ اللَّهِ، وَإِنْ رَعَيْتَ الجَدْبَةَ رَعَيْتَهَا بِقَدَرِ اللَّهِ؟ قَالَ: فَجَاءَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ - وَكَانَ مُتَغَيِّبًا فِي بَعْضِ حَاجَتِهِ - فَقَالَ: إِنَّ عِنْدِي فِي هَذَا عِلْمًا، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ بِأَرْضٍ فَلاَ تَقْدَمُوا عَلَيْهِ، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا فَلاَ تَخْرُجُوا فِرَارًا مِنْهُ» قَالَ: فَحَمِدَ اللَّهَ عُمَرُ ثُمَّ انْصَرَفَ
হাদীস নং: ৫৩১৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩০
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩১৯। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসুফ (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, ‘উমর (রাযিঃ) সিরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর তিনি ‘সারগ’ নামক স্থানে পৌছলে তার কাছে সংবাদ আসলো যে সিরিয়া এলাকায় মহামারী দেখা দিয়েছে। তখন ‘আব্দুর রহমান ইবনে ‘আউফ (রাযিঃ) তাকে অবহিত করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন স্থানে এর প্রাদুর্ভাবের কথা শোন, তখন সে এলাকায় প্রবেশ করো না; আর যখন এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়, আর তোমরা সেখানে বিদ্যমান থাকো, তাহলে তা থেকে পলায়ন করার উদ্দেশ্যে সেখান থেকে বেরিয়ে যেয়ো না।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5730 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرٍ - أَنَّ عُمَرَ خَرَجَ إِلَى الشَّأْمِ، فَلَمَّا كَانَ بِسَرْغَ بَلَغَهُ أَنَّ الوَبَاءَ قَدْ وَقَعَ بِالشَّأْمِ - فَأَخْبَرَهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَوْفٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا سَمِعْتُمْ بِهِ بِأَرْضٍ فَلاَ تَقْدَمُوا عَلَيْهِ، وَإِذَا وَقَعَ بِأَرْضٍ وَأَنْتُمْ بِهَا، فَلاَ تَخْرُجُوا فِرَارًا مِنْهُ»
হাদীস নং: ৫৩২০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩২০। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ইউসূফ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মদীনা নগরীতে প্রবেশ করতে পারবে না মাসীহ দাজ্জাল, আর না মহামারী।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5731 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ نُعَيْمٍ المُجْمِرِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ [ص:131] رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لاَ يَدْخُلُ المَدِينَةَ المَسِيحُ، وَلاَ الطَّاعُونُ»
হাদীস নং: ৫৩২১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩২১। মুসা ইবনে ইসমা‘ঈল (রাহঃ) ......... হাফসা বিনতে সিরীন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়াহয়া কি রোগে মারা গেছে? আমি বললামঃ প্লেগ রোগে। তিনি বললেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্লেগ রোগের কারণে মৃত্যুবরণ প্রত্যেক মুসলিমের জন্য শাহাদাত হিসাবে গণ্য।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5732 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، حَدَّثَنَا عَاصِمٌ، حَدَّثَتْنِي حَفْصَةُ بِنْتُ سِيرِينَ، قَالَتْ: قَالَ لِي أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: يَحْيَى بِمَ مَاتَ؟ قُلْتُ: مِنَ الطَّاعُونِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الطَّاعُونُ شَهَادَةٌ لِكُلِّ مُسْلِمٍ»
হাদীস নং: ৫৩২২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৩
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩১. প্লেগ রোগের বর্ণনা
৫৩২২। আবু ‘আসিম (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ উদরাময় রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ, আর প্লেগ রোগে মৃত ব্যক্তি শহীদ।
كتاب الطب
باب مَا يُذْكَرُ فِي الطَّاعُونِ
5733 - حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ سُمَيٍّ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «المَبْطُونُ شَهِيدٌ، وَالمَطْعُونُ شَهِيدٌ»
হাদীস নং: ৫৩২৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৪
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩২. প্লেগ রোগে ধৈর্যধারণকারীর সাওয়াব
৫৩২৩। ইসহাক (রাহঃ) ......... নবী করীম (ﷺ) -এর সহধর্মিনী ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তখন আল্লাহর নবী করীম (ﷺ) তাকে অবহিত করেন যে এটি হচ্ছে এক প্রকারের আযাব। আল্লাহ যার উপর তা পাঠাতে ইচ্ছা করেন পাঠান। কিন্তু আল্লাহ এটিকে মুমিনদের জন্য রহমত স্বরূপ বানিয়ে দিয়েছেন। অতএব প্লেগ রোগে কোন বান্দা যদি ধৈর্য ধারণ করে এই বিশ্বাস নিয়ে আপন শহরে অবস্থান করতে থাকে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্ধারণ করে রেখেছে তা ব্যতীত আর কোন বিপদ তার উপর আসবে না তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকবে শহীদ ব্যক্তির সাওয়াবের সমান সাওয়াব।
দাউদ থেকে নযরও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطب
باب أَجْرِ الصَّابِرِ فِي الطَّاعُونِ
5734 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا حَبَّانُ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي الفُرَاتِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْنَا: أَنَّهَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الطَّاعُونِ، فَأَخْبَرَهَا نَبِيُّ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنَّهُ كَانَ عَذَابًا يَبْعَثُهُ اللَّهُ عَلَى مَنْ يَشَاءُ، فَجَعَلَهُ اللَّهُ رَحْمَةً لِلْمُؤْمِنِينَ، فَلَيْسَ مِنْ عَبْدٍ يَقَعُ الطَّاعُونُ، فَيَمْكُثُ فِي بَلَدِهِ صَابِرًا، يَعْلَمُ أَنَّهُ لَنْ يُصِيبَهُ إِلَّا مَا كَتَبَ اللَّهُ لَهُ، إِلَّا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ الشَّهِيدِ» تَابَعَهُ النَّضْرُ، عَنْ دَاوُدَ
হাদীস নং: ৫৩২৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৩. কুরআন পড়ে এবং কুরআনের সূরা নাস ও ফালাক (মু‘আব্বিযাত) পড়ে ফুঁক দেওয়ার বর্ণনা
৫৩২৪। ইবরাহীম ইবনে মুসা (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) যে রোগে ওফাত পান সেই রোগের সময়ে তিনি নিজ দেহে মু‘আব্বিযাত (সূরা নাস ও ফালাক) পড়ে ফুঁক দিতেন। এরপর যখন রোগ তীব্রে হয়ে গেল, তখন আমি সেগুলো পড়ে ফুঁক দিতাম। আর আমি তার নিজের হাত তার দেহের উপর বুলিয়ে দিতাম। কেননা তাঁর হাতে বরকত ছিল।
রাবী বলেনঃ আমি যুহরীকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি কিভাবে ফুঁক দিতেন? তিনি বললেনঃ তিনি তার দুই হাতের উপর ফুঁক দিতেন, এরপর সেই হস্তদ্বয় দ্বারা আপন মুখমণ্ডল বুলিয়ে নিতেন।
كتاب الطب
باب الرُّقَى بِالْقُرْآنِ وَالْمُعَوِّذَاتِ
5735 - حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَنْفُثُ عَلَى نَفْسِهِ فِي المَرَضِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ، فَلَمَّا ثَقُلَ كُنْتُ أَنْفِثُ عَلَيْهِ بِهِنَّ، وَأَمْسَحُ بِيَدِ نَفْسِهِ لِبَرَكَتِهَا» فَسَأَلْتُ الزُّهْرِيَّ: كَيْفَ يَنْفِثُ؟ قَالَ: «كَانَ يَنْفِثُ عَلَى يَدَيْهِ، ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا وَجْهَهُ»
হাদীস নং: ৫৩২৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৪. সূরায়ে ফাতিহার দ্বারা ফুঁক দেয়া।
ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে নবী করীম (ﷺ) সূত্রে এ ব্যাপারে উল্লেখ আছে
৫৩২৫। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... আবু সা‘ঈদ খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) -এর সাহাবীদের মধ্যে কতিপয় সাহাবী আরবের এক গোত্রের নিকট আসলেন। গোত্রের লোকেরা তাদের কোন মেহমানাদারী করল না। তারা সেখানে থাকা কালেই হঠাৎ সেই গোত্রের নেতাকে সর্প দংশন করলো। তখন তারা এসে বলল, আপনাদের কাছে কি কোন ঔষধ আছে কিংবা আপনাদের মখ্যে ঝাড়-ফুঁককারী কোন লোক আছে কি? তারা উত্তর দিলেনঃ হ্যাঁ। তবে তোমরা আমাদের কোন মেহমানদারী করনি। কাজেই আমাদের জন্য কোন বিনিময় নির্ধারণ না করা পর্যন্ত আমরা তা করবো না। ফলে তারা তাদের জন্য এক পাল বকরী বিনিময় স্বরূপ দিতে রাযী হল।

তখন একজন সাহাবী উম্মুল কুরআন (সূরা-ফাতিহা) পড়তে লাগলেন এবং মুখে থুথু জমা করে তা সে ব্যক্তির গায়ে ছিঁটিয়ে দিলেন। ফলে সে আরোগ্য লাভ করল। এরপর তারা বকরীগুলো নিয়ে এসে বললো, আমরা নবী করীম (ﷺ) কে জিজ্ঞাসা করার পূর্বে এটি স্পর্শ করবো না। এরপর তাঁরা এ বিষয়ে নবী করীম (ﷺ) -কে জিজ্ঞাসা করলেন। নবী করীম (ﷺ) শুনে হেসে দিলেন এবং বললেন তোমরা কিভাবে জানলে যে এটি রোগ নিরাময়কারী? ঠিক আছে বকরীগুলো নিয়ে যাও এবং তাতে আমার জন্যও এক অংশ রেখে দিও।
كتاب الطب
باب الرُّقَى بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَيُذْكَرُ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
5736 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ أَبِي المُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الخُدْرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنَّ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَتَوْا عَلَى حَيٍّ مِنْ أَحْيَاءِ العَرَبِ فَلَمْ يَقْرُوهُمْ، فَبَيْنَمَا هُمْ كَذَلِكَ، إِذْ لُدِغَ سَيِّدُ أُولَئِكَ، فَقَالُوا: هَلْ مَعَكُمْ مِنْ دَوَاءٍ أَوْ رَاقٍ؟ فَقَالُوا: إِنَّكُمْ لَمْ تَقْرُونَا، وَلاَ نَفْعَلُ حَتَّى تَجْعَلُوا لَنَا جُعْلًا، فَجَعَلُوا لَهُمْ قَطِيعًا مِنَ الشَّاءِ، فَجَعَلَ يَقْرَأُ بِأُمِّ القُرْآنِ، وَيَجْمَعُ بُزَاقَهُ وَيَتْفِلُ، فَبَرَأَ فَأَتَوْا بِالشَّاءِ، فَقَالُوا: لاَ نَأْخُذُهُ حَتَّى نَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَسَأَلُوهُ فَضَحِكَ وَقَالَ: «وَمَا أَدْرَاكَ أَنَّهَا رُقْيَةٌ، خُذُوهَا وَاضْرِبُوا لِي بِسَهْمٍ»
হাদীস নং: ৫৩২৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৭
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৫. ঝাড়-ফুঁক দেওয়ার বিনিময়ে একপাল বকরির শর্ত
৫৩২৬। সীদান ইবনে মুদারিব আবু মুহাম্মাদ বাহিলী (রাহঃ) ......... ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর সাহাবীগণের একটি দল একটি কূপের পাশে বসবাসকারীদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। কূপের পাশে অবস্থানকারীদের মধ্যে ছিল সাপে কাটা এক ব্যক্তি কিংবা তিনি বলেছেন দংশিত এক ব্যক্তি। তখন কূপের কাছে একজন এসে তাদের বলল আপনাদের মধ্যে কি কোন ঝাড়-ফুঁককারী আছেন? কূপ এলাকায় একজন সাপ বা বিচ্ছু দংশিত লোক আছে। তখন সাহাবীগণের মধ্যে একজন সেখানে গেলেন। এরপর কিছু বকরি দানের বিনিময়ে তিনি সূরা ফাতিহা পড়লেন (এবং ফুঁক দিলেন)।
ফলে লোকটি আরোগ্য লাভ করল। এরপর তিনি বকরিগুলো নিয়ে তাঁর সাথীদের নিকট আসলেন কিন্তু তাঁরা কাজটি পছন্দ করলেন না। তারা বললেনঃ আপনি আল্লাহর কিতাবের উপর বিনিময় গ্রহণ করেছেন। অবশেষে তারা মদীনায় পৌছে নবী করীম (ﷺ) -এর দরবারে যেয়ে বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তিনি আল্লাহর কিতাবের উপর বিনিময় গ্রহণ করেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ যে সকল জিনিসের উপর তোমরা বিনিময় গ্রহণ করে থাকো তম্মধ্যে সবচেয়ে বড় হল আল্লাহর কিতাব।
كتاب الطب
باب الشَّرْطِ فِي الرُّقْيَةِ بِقَطِيعٍ مِنَ الْغَنَمِ
5737 - حَدَّثَنِي سِيدَانُ بْنُ مُضَارِبٍ أَبُو مُحَمَّدٍ البَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا [ص:132] أَبُو مَعْشَرٍ البَصْرِيُّ هُوَ صَدُوقٌ يُوسُفُ بْنُ يَزِيدَ البَرَّاءُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الأَخْنَسِ أَبُو مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ نَفَرًا مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرُّوا بِمَاءٍ، فِيهِمْ لَدِيغٌ أَوْ سَلِيمٌ، فَعَرَضَ لَهُمْ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ المَاءِ، فَقَالَ: هَلْ فِيكُمْ مِنْ رَاقٍ، إِنَّ فِي المَاءِ رَجُلًا لَدِيغًا أَوْ سَلِيمًا، فَانْطَلَقَ رَجُلٌ مِنْهُمْ، فَقَرَأَ بِفَاتِحَةِ الكِتَابِ عَلَى شَاءٍ، فَبَرَأَ، فَجَاءَ بِالشَّاءِ إِلَى أَصْحَابِهِ، فَكَرِهُوا ذَلِكَ وَقَالُوا: أَخَذْتَ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ أَجْرًا، حَتَّى قَدِمُوا المَدِينَةَ، فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخَذَ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ أَجْرًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ أَحَقَّ مَا أَخَذْتُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا كِتَابُ اللَّهِ»
হাদীস নং: ৫৩২৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৬. বদ-নযরের জন্য ঝাড়ফুঁক করা
৫৩২৭। মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) আমাকে আদেশ করেছেন কিংবা তিনি বলেছেন নবী করীম (ﷺ) আদেশ করেছেন, বদ-নযরের কারণে ঝাড়ফঁক গ্রহণের।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ الْعَيْنِ
5738 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَعْبَدُ بْنُ خَالِدٍ، قَالَ: سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ شَدَّادٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: «أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَوْ أَمَرَ أَنْ يُسْتَرْقَى مِنَ العَيْنِ»
হাদীস নং: ৫৩২৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৩৯
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৬. বদ-নযরের জন্য ঝাড়ফুঁক করা
৫৩২৮। মুহাম্মাদ ইবনে খালিদ (রাহঃ) ......... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) তার ঘরে একটি মেয়েকে দেখলেন যে, তার চেহারায় কালো দাগ রয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ তাকে ঝাড়ফুক করাও, কেননা তার উপর (বদ) নযর লেগেছে। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে সালিম (রাহঃ) এ হাদীস যুবায়দী থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। উকায়ল (রাহঃ) বলেছেন, এটি যুহরী (রাহঃ) উরওয়া (রাহঃ) সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ الْعَيْنِ
5739 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبِ بْنِ عَطِيَّةَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الوَلِيدِ الزُّبَيْدِيُّ، أَخْبَرَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ ابْنَةِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى فِي بَيْتِهَا جَارِيَةً فِي وَجْهِهَا سَفْعَةٌ، فَقَالَ: «اسْتَرْقُوا لَهَا، فَإِنَّ بِهَا النَّظْرَةَ» تَابَعَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ وَقَالَ عُقَيْلٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীস নং: ৫৩২৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪০
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৭. বদ-নযর লাগা সত্য
৫৩২৯। ইসহাক ইবনে নসর (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ বদ-নযর লাগা সত্য। আর তিনি উল্কি আঁকতে (খোদাই করতে) নিষেধ করেছেন।
كتاب الطب
باب الْعَيْنُ حَقٌّ
5740 - حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ نَصْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «العَيْنُ حَقٌّ» وَنَهَى عَنِ الوَشْمِ
হাদীস নং: ৫৩৩০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৮. সাপ কিংবা বিচ্ছুর দংশনে ঝাড়-ফুঁক দেয়া
৫৩৩০। মুসা ইবনে ইসমা‘ঈল (রাহঃ) ......... ‘আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদের পিতা আসওয়াদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি ‘আয়েশা (রাযিঃ) -কে বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের কারণে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের ব্যাপার জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) সব রকমের বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের জন্য অনুমতি দিয়েছেন।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ
5741 - حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَاحِدِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ، عَنِ الرُّقْيَةِ مِنَ الحُمَةِ، فَقَالَتْ: «رَخَّصَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرُّقْيَةَ مِنْ كُلِّ ذِي حُمَةٍ»
হাদীস নং: ৫৩৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৯. নবী করীম (ﷺ) এর ঝাড়ফুঁক
৫৩৩১। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... ‘আব্দুল ‘আযীয (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও সাবিত একবার আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) এর নিকট যাই। সাবিত বললেন, হে আবু হামযা, আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। তখন আনাস (রাযিঃ) বললেনঃ আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করেছিলেন তা দিয়ে ঝাড়ফুঁক করে দেব? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন আনাস (রাযিঃ) পড়লেন হে আল্লাহ! তুমি মানুষের রব, ব্যথ্যা নিবারণকারী, শিফা দান করো, তুমিই শিফা দানকারী। তুমি ব্যতীত আর কেউ শিফা দানকারী নেই। এমন শিফা দাও যা কোন রোগ অবশিষ্ট রাখে না।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
5742 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الوَارِثِ، عَنْ عَبْدِ العَزِيزِ، قَالَ: دَخَلْتُ أَنَا وَثَابِتٌ عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فَقَالَ ثَابِتٌ: يَا أَبَا حَمْزَةَ، اشْتَكَيْتُ، فَقَالَ أَنَسٌ: أَلاَ أَرْقِيكَ بِرُقْيَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: بَلَى، قَالَ: «اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، مُذْهِبَ البَاسِ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لاَ شَافِيَ إِلَّا أَنْتَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا»
হাদীস নং: ৫৩৩২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪৩
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৯. নবী করীম (ﷺ) এর ঝাড়ফুঁক
৫৩৩২। ‘আমর ইবনে ‘আলী (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে সূরা নাস এবং সূরা ফালাক পড়ে ডান হাত দ্বারা বুলিয়ে দিতেন এবং পড়তেন হে আল্লাহ! মানুষের প্রতিপালক, কষ্ট দূর করো এবং শিফা দান করো, তুমিই শিফা দানকারী, তোমার শিফা ছাড়া অন্য কোন শিফা নেই। এমন শিফা দাও, যা কোন রোগ অবশিষ্ট থাকে না। সুফিয়ান (রাহঃ) বলেছেন, আমি এ সম্বন্ধে মানসুরকে বলেছি। তারপর ইবরাহীম সূত্রে মাসরুকের বরাতে ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
5743 - حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُعَوِّذُ بَعْضَ أَهْلِهِ، يَمْسَحُ بِيَدِهِ اليُمْنَى [ص:133] وَيَقُولُ: «اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ البَاسَ، اشْفِهِ وَأَنْتَ الشَّافِي، لاَ شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لاَ يُغَادِرُ سَقَمًا» قَالَ سُفْيَانُ: حَدَّثْتُ بِهِ مَنْصُورًا، فَحَدَّثَنِي، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، نَحْوَهُ
হাদীস নং: ৫৩৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪৪
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৯. নবী করীম (ﷺ) এর ঝাড়ফুঁক
৫৩৩৩। আহমাদ ইবনে আবু রাজা (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঝাড়ফুঁক করতেন। আর এ দু‘আ পাঠ করতেনঃ ব্যথা দূর করে দাও, হে মানুষের পালনকর্তা। শিফাদানের ইখতিয়ার কেবল তোমারই হাতে। এ ব্যথা তুমি ব্যতীত আর কেউ দূর করতে পারে না।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
5744 - حَدَّثَنِي أَحْمَدُ ابْنُ أَبِي رَجَاءٍ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَرْقِي يَقُولُ: «امْسَحِ البَاسَ رَبَّ النَّاسِ، بِيَدِكَ الشِّفَاءُ، لاَ كَاشِفَ لَهُ إِلَّا أَنْتَ»
হাদীস নং: ৫৩৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৯. নবী করীম (ﷺ) এর ঝাড়ফুঁক
৫৩৩৪। ‘আলী ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) রোগীর জন্য (মাটিতে) এ দু‘আ পড়তেনঃ “আল্লাহর নামে আমাদের দেশের মাটি এবং আমাদের কারও থুথু, আমাদের রবের হুকুমে আমাদের রোগীকে আরোগ্য দান করে থাকে।
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
5745 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُولُ لِلْمَرِيضِ: «بِسْمِ اللَّهِ، تُرْبَةُ أَرْضِنَا، بِرِيقَةِ بَعْضِنَا، يُشْفَى سَقِيمُنَا، بِإِذْنِ رَبِّنَا»
হাদীস নং: ৫৩৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭৪৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০৩৯. নবী করীম (ﷺ) এর ঝাড়ফুঁক
৫৩৩৫। সাদাকা ইবনে ফাযল (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেনঃ নবী করীম (ﷺ) ঝাড়ফুঁক পড়তেনঃ “আমাদের দেশের মাটি এবং আমাদের কারও থুথুতে আমাদের রবের হুকুমে আমাদের রোগী আরোগ্য লাভ করে।”
كتاب الطب
باب رُقْيَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم
5746 - حَدَّثَنِي صَدَقَةُ بْنُ الفَضْلِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي الرُّقْيَةِ: «تُرْبَةُ أَرْضِنَا، وَرِيقَةُ بَعْضِنَا، يُشْفَى سَقِيمُنَا، بِإِذْنِ رَبِّنَا»