আল জামিউস সহীহ- ইমাম বুখারী রহঃ

الجامع الصحيح للبخاري

৬২- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ৯১ টি

হাদীস নং: ৫২৯৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০০ - ৫৭০১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৬. অর্ধেক মাথা কিংবা পুরো মাথা ব্যথার কারণে শিংগা লাগানো
৫২৯৬। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, মাথায় বেদনার কারণে নবী কারীম (ﷺ) ইহরাম অবস্থায় ‘লাহয়ি জামাল’ নামক একটি কূপের নিকটে মাথায় শিঙ্গা লাগান।
মুহাম্মাদ ইবনে সাওয়া (রাহঃ) হিশাম (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইহরাম বাধা অবস্থায় অর্ধ মাথা বেদনার কারণে তার মাথায় শিঙ্গা লাগান।
كتاب الطب
بَابُ الْحَجْمِ مِنَ الشَّقِيقَةِ وَالصُّدَاعِ
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، احْتَجَمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي رَأْسِهِ وَهْوَ مُحْرِمٌ مِنْ وَجَعٍ كَانَ بِهِ بِمَاءٍ يُقَالُ لَهُ لَحْىُ جَمَلٍ. وَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم احْتَجَمَ وَهْوَ مُحْرِمٌ فِي رَأْسِهِ مِنْ شَقِيقَةٍ كَانَتْ بِهِ.
হাদীস নং: ৫২৯৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৬. অর্ধেক মাথা কিংবা পুরো মাথা ব্যথার কারণে শিংগা লাগানো
৫২৯৭। ইসমাঈল ইবনে আবান (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী কারীম (ﷺ)- কে বলতে শুনেছিঃ যদি তোমাদের ঔষধ সমুহের কোনটির মধ্যে কল্যাণ বিদ্যমান থাকে তাহলে তা আছে মধুপান করার মধ্যে কিংবা শিঙ্গা লাগানোর মধ্যে কিংবা আগুন দ্বারা দাগ লাগানোর মধ্যে। তবে আমি আগুনের দাগ দেওয়াকে পছন্দ করি না।
كتاب الطب
بَابُ الْحَجْمِ مِنَ الشَّقِيقَةِ وَالصُّدَاعِ
5702 - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبَانَ، حَدَّثَنَا ابْنُ الغَسِيلِ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ خَيْرٌ، فَفِي شَرْبَةِ عَسَلٍ، أَوْ شَرْطَةِ مِحْجَمٍ، أَوْ لَذْعَةٍ مِنْ نَارٍ، وَمَا أُحِبُّ أَنْ أَكْتَوِيَ»
হাদীস নং: ৫২৯৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৩
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৭. কষ্টের কারণে মাথা মুণ্ডন করা
৫২৯৮। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... কা‘ব ইবনে উজরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ হুদায়বিয়ার সফরকালে নবী কারীম (ﷺ) আমার কাছে আসলেন। আমি তখন পাতিলের নীচে আগুন দিতে ছিলাম, আর আমার মাথা থেকে তখন উকুন ঝরছিল। তিনি বললেনঃ তোমার উকুনগুলো তোমাকে কি খুব যন্ত্রণা দিচ্ছে? আমি বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি মাথা মুণ্ডন করে নাও এবং তিন দিন রোযা পালন কর অথবা ছয়জন (মিসকীন)- কে আহার দাও কিংবা একটি কুরবানীর পশু যবেহ করে নাও। আইয়ুব (রাহঃ) বলেনঃ আমি সঠিক বলতে পারি না, এগুলোর মধ্যে প্রথমে তিনি কোনটির কথা বলেছেন।
كتاب الطب
بَابُ الْحَلْقِ مِنَ الأَذَى
5703 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، قَالَ: سَمِعْتُ مُجَاهِدًا، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبٍ هُوَ ابْنُ عُجْرَةَ، قَالَ: أَتَى عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الحُدَيْبِيَةِ، وَأَنَا أُوقِدُ تَحْتَ بُرْمَةٍ، وَالقَمْلُ يَتَنَاثَرُ عَنْ رَأْسِي، فَقَالَ: «أَيُؤْذِيكَ هَوَامُّكَ؟» قُلْتُ: نَعَمْ [ص:126]، قَالَ: «فَاحْلِقْ، وَصُمْ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ، أَوْ أَطْعِمْ سِتَّةً، أَوْ انْسُكْ نَسِيكَةً» قَالَ أَيُّوبُ: لاَ أَدْرِي بِأَيَّتِهِنَّ بَدَأَ
হাদীস নং: ৫২৯৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৪
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৮. যে ব্যক্তি আগুনের দ্বারা দাগ দেয় কিংবা অন্যকে দাগ লাগিয়ে দেয় এবং যে ব্যক্তি এভাবে দাগ দেয়নি তার ফযীলত
৫২৯৯। আবুল ওয়ালীদ হিশাম ইবনে আব্দুল মালিক (রাহঃ) .... জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) সূত্রে নবী কারীম (ﷺ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ যদি তোমাদের চিকিৎসাগুলোর কোনটির মধ্যে নিরাময় থাকে, তাহলে তা রয়েছে শিঙ্গা লাগানোর মধ্যে কিংবা আগুনের দ্বারা দাগ লাগানোর মধ্যে, তবে আমি আগুনের দ্বারা দাগ দেয়াকে পছন্দ করি না।
كتاب الطب
بَابُ مَنِ اكْتَوَى أَوْ كَوَى غَيْرَهُ، وَفَضْلِ مَنْ لَمْ يَكْتَوِ
5704 - حَدَّثَنَا أَبُو الوَلِيدِ هِشَامُ بْنُ عَبْدِ المَلِكِ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الغَسِيلِ، حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ، قَالَ: سَمِعْتُ جَابِرًا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنْ كَانَ فِي شَيْءٍ مِنْ أَدْوِيَتِكُمْ شِفَاءٌ، فَفِي شَرْطَةِ مِحْجَمٍ، أَوْ لَذْعَةٍ بِنَارٍ، وَمَا أُحِبُّ أَنْ أَكْتَوِيَ»
হাদীস নং: ৫৩০০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৮. যে ব্যক্তি আগুনের দ্বারা দাগ দেয় কিংবা অন্যকে দাগ লাগিয়ে দেয় এবং যে ব্যক্তি এভাবে দাগ দেয়নি তার ফযীলত
৫৩০০। ইমরান ইবনে মায়সারা (রাহঃ) .... ইমরান ইবনে হুসাইন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ বদ-নযর কিংবা বিষাক্ত দংশন ব্যতিরেকে অন্য কোন ব্যাপারে ঝাড়ফুঁক নেই। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর এ হাদীস আমি সা‘ঈদ ইবনে জুবাইর (রাহঃ)- এর কাছে উল্লেখ করলে তিনি বললেনঃ আমাদের নিকট ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার সামনে সকল উম্মতকে পেশ করা হয়েছিল। (তখন আমি দেখেছি) দু’একজন নবী পথ অতিক্রম করতে লাগলেন এমতাবস্থায় যে, তাদের সঙ্গে রয়েছে লোকজনের ছোট ছোট দল। কোন কোন নবী এমনও রয়েছেন যার সঙ্গে একজনও নেই। অবশেষে আমার সামনে তুলে ধরা হল বিশাল সমাবেশ। আমি জিজ্ঞাসা করলামঃ এটা কি? এ কি-আমার উম্মত?
উত্তর দেয়া হলঃ না, ইনি মুসা (আলাইহিস সালাম), এর সঙ্গে তার কওম। আমাকে বলা হলঃ আপনি উর্ধাকাশের দিকে তাকান। তখন দেখলামঃ বিশাল একটি দল যা দিগন্তকে ঢেকে রেখেছে। তারপর আমাকে বলা হলঃ আকাশের দিগন্তের এদিক ওদিক দৃষ্টিপাত করুন। তখন দেখলাম বিশাল একটি দল, যা আকাশের দিগন্তসমূহ ঢেকে দিয়েছে। তখন বলা হল এরা হলঃ আপনার উম্মত। আর তাদের মধ্য থেকে সত্তর হাজার ব্যক্তি বিনা হিসাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
তারপর নবী কারীম (ﷺ) ঘরে চলে গেলেন। উপস্থিতদের কাছে কথাটির কোন ব্যাখ্যা প্রদান করলেন না। (যে বিনা হিসাবের লোক কারা হবে?) ফলে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হল। তারা বললঃ আমরা আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছি এবং তার রাসুলের অনুসরণ করে থাকি, সুতরাং আমরাই তাদের অন্তর্ভুক্ত। কিংবা তারা হল আমাদের সে সকল সন্তান-সন্ততি যারা ইসলামের যুগে জন্মগ্রহণ করেছে। আর আমাদের জন্ম হয়েছে জাহিলী যুগে।
নবী কারীম (ﷺ)- এর কাছে এ সংবাদ পৌছলে তিনি বেরিয়ে আসলেন এবং বললেনঃ তারা হল সে সব লোক যারা মন্ত্র পাঠ করে না, বদফালী (শুভ-অশুভ) গ্রহণ করে না এবং আগুনের সাহায্যে দাগ লাগায় না। বরং তারা তো তাদের রবের উপরই ভরসা করে থাকে। তখন উককাসা ইবনে মিহসান (রাযিঃ) বললেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! তাদের মধ্যে কি আমি আছি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। তখন আরেকজন দাঁড়িয়ে বললঃ তাদের মধ্যে কি আমিও আছি? তিনি বললেনঃ উককাসা এ সুযোগ তোমার আগেই নিয়ে গেছে।
كتاب الطب
بَابُ مَنِ اكْتَوَى أَوْ كَوَى غَيْرَهُ، وَفَضْلِ مَنْ لَمْ يَكْتَوِ
5705 - حَدَّثَنَا عِمْرَانُ بْنُ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا حُصَيْنٌ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: لاَ رُقْيَةَ إِلَّا مِنْ عَيْنٍ أَوْ حُمَةٍ، فَذَكَرْتُهُ لِسَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، فَقَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: " عُرِضَتْ عَلَيَّ الأُمَمُ، فَجَعَلَ النَّبِيُّ وَالنَّبِيَّانِ يَمُرُّونَ مَعَهُمُ الرَّهْطُ، وَالنَّبِيُّ لَيْسَ مَعَهُ أَحَدٌ، حَتَّى رُفِعَ لِي سَوَادٌ عَظِيمٌ، قُلْتُ: مَا هَذَا؟ أُمَّتِي هَذِهِ؟ قِيلَ: بَلْ هَذَا مُوسَى وَقَوْمُهُ، قِيلَ: انْظُرْ إِلَى الأُفُقِ، فَإِذَا سَوَادٌ يَمْلَأُ الأُفُقَ، ثُمَّ قِيلَ لِي: انْظُرْ هَا هُنَا وَهَا هُنَا فِي آفَاقِ السَّمَاءِ، فَإِذَا سَوَادٌ قَدْ مَلَأَ الأُفُقَ، قِيلَ: هَذِهِ أُمَّتُكَ، وَيَدْخُلُ الجَنَّةَ مِنْ هَؤُلاَءِ سَبْعُونَ أَلْفًا بِغَيْرِ حِسَابٍ " ثُمَّ دَخَلَ وَلَمْ يُبَيِّنْ لَهُمْ، فَأَفَاضَ القَوْمُ، وَقَالُوا: نَحْنُ الَّذِينَ آمَنَّا بِاللَّهِ وَاتَّبَعْنَا رَسُولَهُ، فَنَحْنُ هُمْ، أَوْ أَوْلاَدُنَا الَّذِينَ وُلِدُوا فِي الإِسْلاَمِ، فَإِنَّا وُلِدْنَا فِي الجَاهِلِيَّةِ، فَبَلَغَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَرَجَ، فَقَالَ: «هُمُ الَّذِينَ لاَ يَسْتَرْقُونَ، وَلاَ يَتَطَيَّرُونَ، وَلاَ يَكْتَوُونَ، وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ» فَقَالَ عُكَاشَةُ بْنُ مِحْصَنٍ: أَمِنْهُمْ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «نَعَمْ» فَقَامَ آخَرُ فَقَالَ: أَمِنْهُمْ أَنَا؟ قَالَ: «سَبَقَكَ بِهَا عُكَّاشَةُ»
হাদীস নং: ৫৩০১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০১৯. চোখের রোগের কারণে সুরমা ব্যবহার করা। উম্মে আতিয়্যা (রাযিঃ) থেকেও বর্ণনা রয়েছে
৫৩০১। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... উম্মে সালামা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, জনৈকা মহিলার স্বামী মারা গেলে তার চোখে অসুখ দেখা দেয়। লোকজন নবী কারীম (ﷺ)- এর কাছে মহিলার কথা উল্লেখ করে সুরমা ব্যবহারের কথা আলোচনা করল এবং তার চোখ আশঙ্কাগ্রস্ত বলে জানাল। তখন তিনি বললেনঃ তোমাদের এক একটি মহিলার অবস্থাতো এরূপ ছিল যে, তার ঘরে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাপড়ে আচ্ছাদিত হয়ে থাকত কিংবা তিনি বলেছেনঃ সে তার কাপড়ের দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে তার সবচেয়ে নিকৃষ্ট ঘরে (বছরের পর বছর ধরে) অবস্থান করতে থাকতো। এরপর যখন কোন কুকুর হেঁটে যেত, তখন সে কুকুরটির দিকে উটের বিষ্টা নিক্ষেপ করে (বেরিয়ে আসার অনুমতি লাভ করতো)। কাজেই, সে চোখে সুরমা লাগাবে না বরং চার মাস দশ দিন পর্যন্ত সে অপেক্ষা করবে।
كتاب الطب
بَابُ الإِثْمِدِ وَالْكُحْلِ مِنَ الرَّمَدِ فِيهِ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ
5706 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي حُمَيْدُ بْنُ نَافِعٍ، عَنْ زَيْنَبَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا: أَنَّ امْرَأَةً تُوُفِّيَ زَوْجُهَا، فَاشْتَكَتْ عَيْنَهَا، فَذَكَرُوهَا لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَذَكَرُوا لَهُ الكُحْلَ، وَأَنَّهُ يُخَافُ عَلَى عَيْنِهَا، فَقَالَ: " لَقَدْ كَانَتْ إِحْدَاكُنَّ تَمْكُثُ فِي بَيْتِهَا، فِي شَرِّ أَحْلاَسِهَا - أَوْ: فِي أَحْلاَسِهَا فِي شَرِّ بَيْتِهَا - فَإِذَا مَرَّ كَلْبٌ رَمَتْ بَعْرَةً، فَهَلَّا، أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا "
হাদীস নং: ৫৩০২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৭ - ৫৭০৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২০ কুষ্ঠ রোগ। আফফান (রাহঃ) বলেন, সালিম ইবনে হায়য়ান, আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, রোগের কোন সংক্রমণ নেই, কুলক্ষণ বলতে কিছু নেই, পেঁচা অশুভের প্রতিক নয়, সফর মাসের কোন অশুভ নেই। কুষ্ঠ রোগী থেকে দূরে থাক, যেভাবে তুমি দূরে থাক বাঘ থেকে।
৫৩০২। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) .... সাঈদ ইবনে যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী কারীম (ﷺ)- কে বলতে শুনেছিঃ ছত্রাক এক জাতীয় শিশির থেকে হয়ে থাকে। আর এর রস চোখের জন্য শেফা। শুবা (রাহঃ) বলেনঃ হাকাম ইবনে উতায়বা (রাযিঃ) নবী কারীম (ﷺ) থেকে আমার কাছে এরূপ বর্ণনা করেছেন। শুবা (রাহঃ) বলেনঃ হাকাম যখন আমাকে হাদীসটি বর্ণনা করেন তখন আব্দুল মালিক বর্ণিত হাদীসকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেন নি।
كتاب الطب
بَابُ الْجُذَامِ وَقَالَ عَفَّانُ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مِينَاءَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لاَ عَدْوَى وَلاَ طِيَرَةَ وَلاَ هَامَةَ وَلاَ صَفَرَ، وَفِرَّ مِنَ الْمَجْذُومِ كَمَا تَفِرُّ مِنَ الأَسَدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، سَمِعْتُ عَمْرَو بْنَ حُرَيْثٍ، قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ زَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ، وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ ". قَالَ شُعْبَةُ وَأَخْبَرَنِي الْحَكَمُ بْنُ عُتَيْبَةَ عَنِ الْحَسَنِ الْعُرَنِيِّ عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. قَالَ شُعْبَةُ لَمَّا حَدَّثَنِي بِهِ الْحَكَمُ لَمْ أُنْكِرْهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْمَلِكِ.
হাদীস নং: ৫৩০৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭০৯ - ৫৭১২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২২. রোগীর মুখের ভিতর ঔষধ ঢেলে দেয়া
৫৩০৩। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) ও আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, আবু বকর (রাযিঃ) নবী কারীম (ﷺ)- এর মৃতদেহ মুবারকে চুমু নিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন আয়েশা (রাযিঃ) আরো বলেন, নবী কারীম (ﷺ)- এর অসুখের সময় আমরা তার মুখে ঔষধ ঢেলে দিলাম। তখন তিনি আমাদের ইশারা দিতে থাকলেন যে, তোমরা আমার মুখে ঔষধ ঢেল না। আমরা মনে করলাম এটা ঔষধের প্রতি একজন রোগীর অরুচির প্রকাশ মাত্র। এরপর তিনি যখন সুস্থবোধ করলেন তখন বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে আমার মুখে ঔষধ ঢেলে দিতে নিষেধ করিনি? আমরা বললামঃ আমরাতো ঔষধের প্রতি রোগীর সাধারণ অনীহা মনে করেছিলাম। তখন তিনি বললেন আমি এখন যাদের এ ঘরে দেখতে পাচ্ছি তাদের সকলের মুখেই ঔষুধ ঢালা হবে। আব্বাস (রাযিঃ) ছাড়া কেউ বাদ যাবে না। কেননা, তিনি তোমাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন না।
كتاب الطب
بَابُ اللَّدُودِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَعَائِشَةَ، أَنَّ أَبَا بَكْرٍ ـ رضى الله عنه ـ قَبَّلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهْوَ مَيِّتٌ. قَالَ وَقَالَتْ عَائِشَةُ لَدَدْنَاهُ فِي مَرَضِهِ، فَجَعَلَ يُشِيرُ إِلَيْنَا، أَنْ لاَ تَلُدُّونِي. فَقُلْنَا كَرَاهِيَةُ الْمَرِيضِ لِلدَّوَاءِ. فَلَمَّا أَفَاقَ قَالَ " أَلَمْ أَنْهَكُمْ أَنْ تَلُدُّونِي ". قُلْنَا كَرَاهِيَةَ الْمَرِيضِ لِلدَّوَاءِ. فَقَالَ " لاَ يَبْقَى فِي الْبَيْتِ أَحَدٌ إِلاَّ لُدَّ ـ وَأَنَا أَنْظُرُ ـ إِلاَّ الْعَبَّاسَ فَإِنَّهُ لَمْ يَشْهَدْكُمْ ".
হাদীস নং: ৫৩০৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৩
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২২. রোগীর মুখের ভিতর ঔষধ ঢেলে দেয়া
৫৩০৪। আলী ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) .... উম্মে কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার এক পুত্র সন্তানকে নিয়ে নবী কারীম (ﷺ)- এর নিকট গেলাম। ছেলেটির আলাজিহ্বা ফোলার কারণে আমি তা দাবিয়ে দিয়েছিলাম। তখন তিনি বললেনঃ এ ধরনের রোগ-ব্যাধি দমনে তোমরা নিজেদের সন্তানদের কেন কষ্ট দিয়ে থাক? তোমরা ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা তাতে সাত রকমের নিরাময় বিদ্যমান। তন্মধ্যে আছে পাজরের ব্যাথা। আলাজিহ্বা ফোলার কারণে এটির ধোয়া নাক দিয়ে টেনে নেয়া যায়। পাজরের ব্যথার রোগীকে তা সেবন করান যায়।*
সুফিয়ান বলেনঃ আমি যুহরীকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আমাদের কাছে দুটির কথা বর্ণনা করেছেন। আর পাঁচটির কথা বর্ণনা করেননি। বর্ণনাকারী আলী বলেনঃ আমি সুফিয়ানকে বললাম মা‘মার স্মরণ রাখতে পারেন নি। তিনি বলেছেনঃ علقت عَلَيْهِ আর যুহরী তো বলেছেন أَعْلَقْتُ عَنْهُ শব্দ দ্বারা। আমি তার মুখ থেকে শুনে মুখস্থ করেছি। আর সুফিয়ানের রেওয়াতে তিনি ছেলেটির অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন যে, আঙ্গুলের সাহায্যে যার তালু দাবিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ সময় সুফিয়ান নিজের তালুতে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে দেখিয়েছেন অর্থাৎ তিনি তাঁর আঙ্গুলের দ্বারা তালুকে তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু أَعْلِقُوا عَنْهُ شَيْئًا এভাবে কেউ বর্ণনা করেন নি।
*ঘষে পানি মিশিয়ে তা সেবন করা যেতে পারে।
كتاب الطب
بَابُ اللَّدُودِ
5713 - حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أُمِّ قَيْسٍ، قَالَتْ: دَخَلْتُ بِابْنٍ لِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَقَدْ أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ مِنَ العُذْرَةِ، فَقَالَ: " عَلَى مَا تَدْغَرْنَ أَوْلاَدَكُنَّ بِهَذَا العِلاَقِ، عَلَيْكُنَّ بِهَذَا العُودِ الهِنْدِيِّ، فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ، مِنْهَا ذَاتُ الجَنْبِ: يُسْعَطُ مِنَ العُذْرَةِ، وَيُلَدُّ مِنْ ذَاتِ الجَنْبِ " فَسَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ يَقُولُ: بَيَّنَ لَنَا اثْنَيْنِ، وَلَمْ يُبَيِّنْ لَنَا خَمْسَةً، قُلْتُ لِسُفْيَانَ: فَإِنَّ مَعْمَرًا يَقُولُ: أَعْلَقْتُ عَلَيْهِ؟ قَالَ: لَمْ يَحْفَظْ، إِنَّمَا قَالَ: أَعْلَقْتُ عَنْهُ، حَفِظْتُهُ مِنْ فِي الزُّهْرِيِّ، وَوَصَفَ سُفْيَانُ الغُلاَمَ يُحَنَّكُ بِالإِصْبَعِ، وَأَدْخَلَ سُفْيَانُ فِي حَنَكِهِ، إِنَّمَا يَعْنِي رَفْعَ حَنَكِهِ بِإِصْبَعِهِ، وَلَمْ يَقُلْ: أَعْلِقُوا عَنْهُ شَيْئًا
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ৫৩০৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৪
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২২. রোগীর মুখের ভিতর ঔষধ ঢেলে দেয়া
৫৩০৫। বিশর ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... নবী করীম (ﷺ) -এর সহধর্মিণী ‘আয়েশা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর রোগ-যন্ত্রণা বেড়ে গেল এবং তীব্র আকার ধারণ করল, তখন তিনি তার সহধর্মিণীগণের কাছে অনুমতি চাইলেন যে, তিনি যেন আমার গৃহে অসুস্থকালীন সময় অবস্থান করতে পারেন। এরপর তাঁরা অনুমতি দিলে তিনি দু’ব্যক্তি অর্থাৎ ‘আব্বাস (রাযিঃ) ও আরেকজনের সাহায্যে এভাবে বেরিয়ে আসলেন যে, যমীনের উপর তাঁর দু’পা হেঁচড়াতে ছিলেন। আমি ইবনে ‘আব্বাস (রাযিঃ) কে হাদীসটি অবহিত করলে তিনি বলেনঃ আপনি কি জানেন আরেক ব্যক্তি যার নাম ‘আয়েশা (রাযিঃ) উল্লেখ করেননি, তিনি কে ছিলেন? আমি উত্তর দিলামঃ না। তিনি বললেনঃ ‘আলী (রাযিঃ)।

আয়েশা (রাযিঃ) বলেনঃ যখন তাঁর রোগ-যন্ত্রণা আরো তীব্র হল তখন তিনি বললেন, যে সব মশকের মুখ এখনো খোলা হয়নি এমন সাত মশক পানি আমার গায়ের উপর ঢেলে দাও। আমি লোকজনের কাছে কিছু অসীয়ত করে আসার ইচ্ছা পোষণ করছি। তিনি বলেন, তখন আমরা তাকে তার সহধর্মিণী হাফসা (রাযিঃ) -এর একটি কাপড় কাচার জায়গায় নিয়ে গিয়ে বসালাম। এরপর তার গায়ের উপর সেই মশকগুলো থেকে পানি ঢালতে লাগলাম। অবশেষে তিনি আমাদের দিকে ইশারা দিলেন যে, তোমরা কাজ সমাধা করেছ। তিনি বলেনঃ এরপর লোকজনের দিকে বেরিয়ে গেলেন। আর তাদের নিরে নামায আদায় করলেন এবং তাদের সামনে খুতবা দিলেন।
كتاب الطب
بَابُ اللَّدُودِ
5714 - حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، وَيُونُسُ: قَالَ الزُّهْرِيُّ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ: أَنَّ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، زَوْجَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَتْ: لَمَّا ثَقُلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَاشْتَدَّ وَجَعُهُ، اسْتَأْذَنَ أَزْوَاجَهُ فِي أَنْ يُمَرَّضَ فِي بَيْتِي، فَأَذِنَّ لَهُ، فَخَرَجَ بَيْنَ رَجُلَيْنِ تَخُطُّ رِجْلاَهُ فِي الأَرْضِ، بَيْنَ عَبَّاسٍ وَآخَرَ، فَأَخْبَرْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ: هَلْ تَدْرِي مَنِ الرَّجُلُ الآخَرُ الَّذِي لَمْ تُسَمِّ عَائِشَةُ؟ قُلْتُ: لاَ، قَالَ: هُوَ عَلِيٌّ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَعْدَ مَا دَخَلَ بَيْتَهَا، وَاشْتَدَّ بِهِ وَجَعُهُ: «هَرِيقُوا عَلَيَّ مِنْ سَبْعِ قِرَبٍ لَمْ تُحْلَلْ أَوْكِيَتُهُنَّ، لَعَلِّي أَعْهَدُ إِلَى النَّاسِ» قَالَتْ: فَأَجْلَسْنَاهُ فِي مِخْضَبٍ لِحَفْصَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ طَفِقْنَا نَصُبُّ عَلَيْهِ مِنْ تِلْكَ القِرَبِ، حَتَّى جَعَلَ يُشِيرُ إِلَيْنَا: «أَنْ قَدْ فَعَلْتُنَّ» قَالَتْ: وَخَرَجَ إِلَى النَّاسِ، فَصَلَّى لَهُمْ وَخَطَبَهُمْ
হাদীস নং: ৫৩০৬
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৪. উযরা-আলাজিহ্বা যন্ত্রণা রোগের বর্ণনা
৫৩০৬। আবুল ইয়ামান (রাহঃ) ......... ‘উবাইদুল্লাহ ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আসাদ গোত্রের অর্থাৎ আসাদ খুযায়মা গোত্রের উম্মে কায়স বিনতে মিহসান আসাদিয়া (রাযিঃ) ছিলেন প্রথম যুগের হিজরতকারিনীদের অন্তর্ভুক্ত। যারা নবী করীম (ﷺ) -এর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করেছিলেন। আর তিনি ছিলেন উককাশা (রাযিঃ) -এর বোন। তিনি বলেছেন যে, তিনি তার এক ছেলেকে নিয়ে নবী করীম (ﷺ) এর নিকট এসেছিলেন। ছেলেটির আলাজিহ্বা ফোলার কারণে তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ তোমরা এ সকল ব্যাধি দমানে তোমাদের সন্তানদের কেন কষ্ট দিয়ে থাক? তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ সংগ্রহ করে রেখে দিও। কেননা এতে সাত রকমের চিকিৎসা আছে, তন্মধ্যে একটি হল পাঁজর ব্যথা। কথাটির দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য হল কোস্ত। আর কোস্ত হল হিন্দী চন্দন কাঠ।
ইউনুস ও ইসহাক ইবনে রাশিদ-যুহরী থেকে ‘عَلَّقَتْ عَلَيْهِ’ শব্দে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطب
باب الْعُذْرَةِ
5715 - حَدَّثَنَا أَبُو اليَمَانِ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أُمَّ قَيْسٍ بِنْتَ مِحْصَنٍ [ص:128] الأَسَدِيَّةَ، أَسَدَ خُزَيْمَةَ، وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلِ اللَّاتِي بَايَعْنَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ أُخْتُ عُكَاشَةَ، أَخْبَرَتْهُ: أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِابْنٍ لَهَا قَدْ أَعْلَقَتْ عَلَيْهِ مِنَ العُذْرَةِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلَى مَا تَدْغَرْنَ أَوْلاَدَكُنَّ بِهَذَا الْعِلاَقِ، عَلَيْكُمْ بِهَذَا العُودِ الهِنْدِيِّ، فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ، مِنْهَا ذَاتُ الجَنْبِ» يُرِيدُ الكُسْتَ، وَهُوَ العُودُ الهِنْدِيُّ، وَقَالَ يُونُسُ، وَإِسْحَاقُ بْنُ رَاشِدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ: «عَلَّقَتْ عَلَيْهِ»
হাদীস নং: ৫৩০৭
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৫. পেটের পীড়ার চিকিৎসা
৫৩০৭। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ......... আবু সা‘ঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করীম (ﷺ) -এর কাছে এসে বলল যে, আমার ভাইয়ের পেট খারাপ হয়েছে। নবী করীম (ﷺ) বললেন, তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু সেবন করাল। এরপর বলল, আমি তাকে মধু পান করিয়েছি কিন্তু পীড়া আরো বেড়ে চলছে। তিনি বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট অসত্য প্রতিপন্ন করেছে। নযর (রাহঃ) শু‘বা থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطب
باب دَوَاءِ الْمَبْطُونِ
5716 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي المُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: إِنَّ أَخِي اسْتَطْلَقَ بَطْنُهُ، فَقَالَ: «اسْقِهِ عَسَلًا» فَسَقَاهُ فَقَالَ: إِنِّي سَقَيْتُهُ فَلَمْ يَزِدْهُ إِلَّا اسْتِطْلاَقًا، فَقَالَ: «صَدَقَ اللَّهُ وَكَذَبَ بَطْنُ أَخِيكَ» تَابَعَهُ النَّضْرُ، عَنْ شُعْبَةَ
হাদীস নং: ৫৩০৮
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৭
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৬. ‘সফর’[১] পেটের পীড়া ব্যতীত কিছুই নয়
[১] ‘সফর’ আরবী মাসের নাম। আইয়্যামে জাহিলিয়াতে এই মাসকে অশুভ মাস মনে করা হত। মূলত এ ধারণা অমূলক আর এক অর্থে ‘সফর’ এক প্রকার রোগ। সেকালে ধারণা করা হত, এই রোগে পেটে সাপ জন্মে, এর দংশনে রোগীর মৃত্যু হয় এবং এই রোগ ছোঁয়াচে। মূলত এ ধারণা ভিত্তিহীন।
৫৩০৮। ‘আব্দুল ‘আযীয ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ......... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রোগের কোন সংক্রমন নেই, সফরের কোন কুলক্ষণ নেই, পেঁচার মধ্যেও কোন কুলক্ষণ নেই। তখন জনৈক বেদুঈন বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তাহলে আমার উটের এ অবস্থা হয় কেন? সেগুলো যখন চারণ ভূমিতে থাকে তখন সেগুলো যেন মুক্ত হরিণের পাল। এমন অবস্থায় চর্মরোগা উট এসে সেগুলোর মধ্যে ঢ়ুকে পড়ে এবং এগুলোকেও চর্ম রোগাক্রান্ত করে ফেলে। নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ তাহলে প্রথমটিকে চর্ম রোগাক্রান্ত কে করেছে?

যুহরী হাদীসটি আবু সালামা ও সিনান ইবনে আবু সিনান (রাহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন।
كتاب الطب
باب لاَ صَفَرَ، وَهْوَ دَاءٌ يَأْخُذُ الْبَطْنَ
5717 - حَدَّثَنَا عَبْدُ العَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَغَيْرُهُ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لاَ عَدْوَى وَلاَ صَفَرَ وَلاَ هَامَةَ» فَقَالَ أَعْرَابِيٌّ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَمَا بَالُ إِبِلِي، تَكُونُ فِي الرَّمْلِ كَأَنَّهَا الظِّبَاءُ، فَيَأْتِي البَعِيرُ الأَجْرَبُ فَيَدْخُلُ بَيْنَهَا فَيُجْرِبُهَا؟ فَقَالَ: «فَمَنْ أَعْدَى الأَوَّلَ؟» رَوَاهُ الزُّهْرِيُّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَسِنَانِ بْنِ أَبِي سِنَانٍ
হাদীস নং: ৫৩০৯
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৮
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৭. পাঁজরের ব্যথা
৫৩০৯। মুহাম্মাদ (রাহঃ) ......... ‘উবাইদুল্লাহ ইবনে ‘আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, উম্মে কায়স বিনতে মিহসান তিনি ছিলেন প্রথম কালের হিজরতকারিণী ‘উককাশা ইবনে মিহসান (রাযিঃ) -এর বোন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর নিকট বায়‘আত গ্রহণকারিণী মহিলা সাহাবী। তিনি বলেছেনঃ তিনি তাঁর এক ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর কাছে আসেন। ছেলেটির আলাজিহ্বা ফুলে গিয়েছিল। তিনি তা দাবিয়ে দিয়েছিলেন। তখন নবী করীম (ﷺ) বললেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, কেন তোমরা তোমাদের সন্তানদের তালু দাবিয়ে কষ্ট দাও। তোমরা এই ভারতীয় চন্দন কাঠ ব্যবহার কর। কেননা, এতে রয়েছে সাত প্রকারের চিকিৎসা। তন্মধ্যে একটি হল পাঁজরের ব্যথা। কাঠ বলতে নবী করীম (ﷺ) -এর উদ্দেশ্য হল কোস্ত। “القسط” শব্দে তার আভিধানিক ব্যবহার আছে।
كتاب الطب
باب ذَاتِ الْجَنْبِ
5718 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدٌ، أَخْبَرَنَا عَتَّابُ بْنُ بَشِيرٍ، عَنْ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ: أَنَّ أُمَّ قَيْسٍ بِنْتَ مِحْصَنٍ، وَكَانَتْ مِنَ الْمُهَاجِرَاتِ الأُوَلِ اللَّاتِي بَايَعْنَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَهِيَ أُخْتُ عُكَّاشَةَ بْنِ مِحْصَنٍ، أَخْبَرَتْهُ: أَنَّهَا أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِابْنٍ لَهَا قَدْ عَلَّقَتْ عَلَيْهِ مِنَ العُذْرَةِ، فَقَالَ: «اتَّقُوا اللَّهَ، عَلَى مَا تَدْغَرُونَ أَوْلاَدَكُمْ بِهَذِهِ الأَعْلاَقِ، عَلَيْكُمْ بِهَذَا العُودِ الهِنْدِيِّ، فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ، مِنْهَا ذَاتُ الجَنْبِ» يُرِيدُ الكُسْتَ، يَعْنِي القُسْطَ. قَالَ: وَهِيَ لُغَةٌ
হাদীস নং: ৫৩১০
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭১৯ - ৫৭২১
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৭. পাঁজরের ব্যথা
৫৩১০। আরিম (রাহঃ) ......... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আবু তালহা ও আনাস ইবনে নযর (রাযিঃ) তাকে আগুন দিয়ে দাগ দিয়েছেন। আর আবু তালহা তাকে নিজ হাতে দাগ দিয়েছেন। ‘আব্বাদ ইবনে মানসুর বলেন, আইয়ূ্ব আবু কিলাবা ......... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসারদের জনৈক পরিবারের লোকদের বিষাক্ত দংশন ও কান ব্যথা জনিত কারণে ঝাঁড়ফুক গ্রহণ করার জন্য অনূমতি দেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন: আমাকে পাঁজর ব্যথা রোগের কারণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর জীবিত থাকাকালে আগুন দিয়ে দাগ দেয়া হয়েছিল। তখন আমার নিকট উপস্থিত ছিলেন আবু তালহা, আনাস ইবনে নযর এবং যায়দ ইবনে সাবিত (রাযিঃ)। আর আবু তালহা (রাযিঃ) আমাকে দাগ দিয়েছিলেন।
كتاب الطب
باب ذَاتِ الْجَنْبِ
حَدَّثَنَا عَارِمٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ قُرِئَ عَلَى أَيُّوبَ مِنْ كُتُبِ أَبِي قِلاَبَةَ، مِنْهُ مَا حَدَّثَ بِهِ وَمِنْهُ مَا قُرِئَ عَلَيْهِ، وَكَانَ هَذَا فِي الْكِتَابِ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ أَبَا طَلْحَةَ وَأَنَسَ بْنَ النَّضْرِ كَوَيَاهُ، وَكَوَاهُ أَبُو طَلْحَةَ بِيَدِهِ. وَقَالَ عَبَّادُ بْنُ مَنْصُورٍ عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أَذِنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَهْلِ بَيْتٍ مِنَ الأَنْصَارِ أَنْ يَرْقُوا مِنَ الْحُمَةِ وَالأُذُنِ. قَالَ أَنَسٌ كُوِيتُ مِنْ ذَاتِ الْجَنْبِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَىٌّ، وَشَهِدَنِي أَبُو طَلْحَةَ وَأَنَسُ بْنُ النَّضْرِ وَزَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ، وَأَبُو طَلْحَةَ كَوَانِي.
হাদীস নং: ৫৩১১
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২২
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৮. রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্য চাটাই পুড়িয়ে ছাই লাগানো
৫৩১১। সা‘ঈদ ইবনে ‘উফায়র (রাহঃ) ......... সাহল ইবনে সা’দ সাঈদী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন যখন নবী করীম (ﷺ) -এর মাথায় লৌহ শিরস্ত্রাণ (হেলমেট) চুর্ন করে দেয়া হল, আর তার মুখমণ্ডল রক্তে রঞ্জিত হয়ে গেল এবং তাঁর রুবাঈ দাঁত ভেংগে গেল, তখন ‘আলী (রাযিঃ) ঢাল ভর্তি করে পানি দিতে থাকলেন এবং ফাতিমা (রাযিঃ) এসে তার চেহারা মুবারক থেকে রক্ত ধুয়ে দিতে লাগলেন। ফাতিমা (রাযিঃ) যখন দেখলেন যে, পানি ঢালার পরেও অধিক পরিমাণ রক্ত ঝরে চলছে, তখন তিনি একটি চাটাই নিয়ে এসে তা পুড়ালেন এবং নবী করীম (ﷺ) এর যখমের উপর ছাই লাগিয়ে দিলেন। ফলে রক্ত বন্ধ হয়ে গেল।
كتاب الطب
باب حَرْقِ الْحَصِيرِ لِيُسَدَّ بِهِ الدَّمُ
5722 - حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ القَارِيُّ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، قَالَ: «لَمَّا كُسِرَتْ عَلَى رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ البَيْضَةُ، وَأُدْمِيَ وَجْهُهُ، وَكُسِرَتْ رَبَاعِيَتُهُ، وَكَانَ عَلِيٌّ يَخْتَلِفُ بِالْمَاءِ فِي المِجَنِّ، وَجَاءَتْ فَاطِمَةُ تَغْسِلُ عَنْ وَجْهِهِ الدَّمَ، فَلَمَّا رَأَتْ فَاطِمَةُ عَلَيْهَا السَّلاَمُ الدَّمَ يَزِيدُ عَلَى المَاءِ كَثْرَةً، عَمَدَتِ الى حَصِيرٍ فَأَحْرَقَتْهَا، وَأَلْصَقَتْهَا عَلَى جُرْحِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَرَقَأَ الدَّمُ»
হাদীস নং: ৫৩১২
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৩
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৯. জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়
৫৩১২। ইয়াহয়া ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) ......... ইবনে ‘উমর (রাযিঃ) -এর সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে সৃষ্টি হয়। কাজেই তা পানির সাহায্যে নিভিয়ে দাও। নাফি‘ (রাহঃ) বলেন, ‘আব্দুল্লাহ (রাযিঃ) তখন বলতেন, আমাদের উপর থেকে শাস্তিকে হালকা কর।
كتاب الطب
باب الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
5723 - حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنِي ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ، فَأَطْفِئُوهَا بِالْمَاءِ» قَالَ نَافِعٌ: وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ، يَقُولُ: «اكْشِفْ عَنَّا الرِّجْزَ»
হাদীস নং: ৫৩১৩
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৪
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৯. জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়
৫৩১৩। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ......... ফাতিমা বিনতে মুনযির (রাহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আসমা বিনতে আবু বকর (রাযিঃ) -এর নিকট যখন কোন জ্বরাক্রান্ত মহিলাকে দু‘আর জন্য আনা হত, তখন তিনি পানি হাতে নিয়ে সেই মহিলার জামার ফাঁক দিয়ে তার গায়ে ছিটিয়ে দিতেন এবং বলতেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের আদেশ দিতেন, আমরা যেন পানি দিয়ে জ্বর ঠাণ্ডা করে দেই।
كتاب الطب
باب الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
5724 - حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ المُنْذِرِ، أَنَّ أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: كَانَتْ إِذَا أُتِيَتْ بِالْمَرْأَةِ قَدْ حُمَّتْ تَدْعُو لَهَا، أَخَذَتِ المَاءَ، فَصَبَّتْهُ بَيْنَهَا وَبَيْنَ جَيْبِهَا، قَالَتْ: «وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُنَا أَنْ نَبْرُدَهَا بِالْمَاءِ»
হাদীস নং: ৫৩১৪
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৫
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৯ জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়
৫৩১৪। মুহাম্মাদ ইবনে মুসান্না (রাহঃ) ......... ‘আয়েশা (রাযিঃ) সূত্রে নবী করীম (ﷺ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়। কাজেই তোমরা পানির দ্বারা তা ঠাণ্ডা করো।
كتاب الطب
باب الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
5725 - حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ المُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ، فَابْرُدُوهَا بِالْمَاءِ»
হাদীস নং: ৫৩১৫
আন্তর্জাতিক নং: ৫৭২৬
- চিকিৎসা - তদবীরের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩০২৯. জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়
৫৩১৫। মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ......... রাফি‘ ইবনে খাদীজ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে বলতে শুনেছিঃ জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে সৃষ্টি হয়। কাজেই তোমরা তা পানির দ্বারা ঠাণ্ডা করে নিও।
كتاب الطب
باب الْحُمَّى مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
5726 - حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبَايَةَ بْنِ رِفَاعَةَ، عَنْ جَدِّهِ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «الحُمَّى مِنْ فَوْحِ جَهَنَّمَ، فَابْرُدُوهَا بِالْمَاءِ»