প্রবন্ধ
মোট প্রবন্ধ - ৯০২ টি
তারাবীর নামাযে তিলাওয়াতে কুরআন সম্পর্কে কিছু কথা বলার ইচ্ছা আছে , যেগুলো খেয়াল রাখলে ফায়দা হবে ইন
প্রশ্ন : আমাদের এলাকায় একটি লিফলেট বিতরণ করা হয়। তারাবীর নামায বিশ রাকাআত না আট রাকাআত এবং এ বিষয়
মাহে রমযান। তাকওয়া অর্জনের মাস। সহমর্মিতার মাস। প্রতি বছরই সংযম ও নেক আমলের বার্তা নিয়ে এ মাসের আগ
আরবী ভাষায় ‘ ঈদ ’ অর্থ আনন্দ আর ‘ ওয়ীদ ’ অর্থ অভিশাপ। আল্লাহর করুণা অভিশাপে পরিণত হয় নেয়ামতের বে
রমযানুল মুবারক। বছরের বার মাসের সর্বাধিক মর্যাদাশীল ও মহিমান্বিত মাস। এ মাসে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কা
হিজরীবর্ষের নবম মাসটির নাম রমাযানুল মুবারক। এ মাসের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য বলার অপেক্ষা রাখে না। এ মাস
আনন্দ ও সংযম মানবজীবনের দু’টি অপরিহার্য উপাদান। কিন্তু জীবনযাত্রার অন্য অনেক অনুষঙ্গের মতো এদু’টি বি
রোযার গুরুত্বপূর্ণ মাসাইল আলকাউসারে একাধিকবার লেখা হয়েছে। প্রথমবার লেখা হয়েছিল ফিকহ ও ফতোয়ার নির্
প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা হারামাইন শরীফাইনের আমল তারাবীর বিষয়ে প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসা মসজিদে হারাম
এক এক মুহূর্তের সমষ্টিই তো জীবন। প্রতিটি মুহূর্ত সময়ের একটি অংশ। সময়ের আলাদা কোনো অস্তিত্ব যেহেতু
রমযনের রোযা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। ঈমান , নামায ও যাকাতের পরই রোযার স্থান। রোযার আরবি শব্দ সও
সিয়ামের মাস রমযান প্রতি বছরই ফিরে আসে আমাদের মাঝে। ফিরে আসে আমাদের মুক্তির বার্তা নিয়ে, গোনাহ মাফে
বছরের অন্যতম ফযীলতপূর্ণ মাস হল রমযান। প্রত্যেক মুসলিমের জীবনে রমযানের গুরুত্ব অপরিসীম। রমযান হল পূণ্
মাহে রমাযান সমাগত। রহমতের পয়গাম নিয়ে রাব্বুল আলামীনের বার্তাবাহক বান্দার দুয়ারে হাজির। বান্দা যদি তা
বছরের অন্যান্য মাসের মধ্যে মাহে রমযানের অবস্থান আলাদা। এ মাসের আছে এমন কিছু বিশিষ্টতা, যা অন্যান্য ম
আল্লাহ তাআলার অপার মেহেরবানী, তিনি আমাদেরকে ১৪৪৪ হিজরীর শাবান-রমযানে উপনীত করেছেন আলহামদু লিল্লাহ। আ
আরবীতে রোজার নিয়ত জরুরী মনে করা ইসলামে নিয়তের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রত্যেক ইবাদতের আগে নিয়তের গুরুত্