আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১১৬৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক ব্যক্তি বিকালের দিকে সফরের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। ১৫/২০ কিলোমিটার অতিক্রম করার পর আসরের সময় হলে এক জায়গায় সে একাকী আসরের নামায দুই রাকাত কসর পড়ে নেয়। কিন্তু ৩০/৩২ কিলোমিটার যাওয়ার পর কোনো এক কারণে সে সফর মুলতবি করে দেয়। আর ঐ জায়গায় তার একটি কাজ আছে। সেটি সেরে বাড়ি যেতে যেতে রাত ১০/১১ টা হয়ে যেতে পারে।

এখন জানার বিষয় হল, সে তো সফর পুরো করেনি। তাই সে যে রাস্তায় আসরের নামায কসর পড়েছে তা কি আদায় হয়েছে এবং সে রাতে যে জায়গায় থেমেছে সেখানে ইশার নামায একাকী পড়লে তা কসর করবে না পুরোই পড়বে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
১৮১৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জামান সাহেবের বাড়ি রংপুর। ব্যবসার উদ্দেশ্যে তিনি চট্টগ্রাম শহরে গেছেন। সেখানে তিনি বিশ দিন থাকবেন। কিন্তু দশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর হঠাৎ বাড়ি থেকে তার মেয়ের অসুস্থতার খবর আসে। তিনি সফর সংক্ষিপ্ত করে আরো একদিন থেকে বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্তনেন। পেছনের দশদিনের চার রাকাত বিশিষ্ট নামায তো তিনি মুকীম হিসেবে আদায় করেছেন কিন্তু এখন যেহেতু তার বিশ দিন থাকা হচ্ছে না বরং সামনের একদিনসহ মোট এগারো দিন থাকা হবে তাই এ অবস্থায় আগামী একদিনের নামায চট্টগ্রাম শহরে থাকা অবস্থায় কীভাবে পড়বেন? কসর, নাকি পূর্ণ নামায পড়বেন?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
৭৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত মাসে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে কলকাতা গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময়ই পনের দিনের বেশি অবস্থানের ইচ্ছা ছিল। ভিসাও ছিল বিশ দিনের। কিন্তু আটদিনেই মোটামুটি কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় আর দুইদিন থেকে দেশে ফেরার ইচ্ছা করি। প্রথমে তো পনের দিন থাকব এই ভিত্তিতে মুকীম হিসেবে পূর্ণ নামাযই পড়েছি। কিন্তু আটদিন পর যখন স্পষ্ট হয়ে গেল, পনের দিন থাকা হচ্ছে না তখন দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যাই যে, এখন কসর করব নাকি আগের মতই পূর্ণ নামায পড়ব। পরে এ কথা ভেবে বাকি দু’দিনও পূর্ণ নামায পড়েছি যে, চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত পড়লে তো নামাযই হবে না, তবে দুই রাকাতের জায়গায় চার রাকাত পড়লে অন্তত নামায হয়ে যাবে।

মুফতী সাহেবের কাছে আমার জিজ্ঞাসা হল, পরবর্তী দুই দিন কসর না করে পূর্ণ নামায পড়া কি ঠিক হয়েছে?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
১৭৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 আবদুল্লাহ ও তার স্ত্রী মাঝেমধ্যেই ঝগড়া করে। স্ত্রী সর্বদা ঝগড়ার সময় বলে,আমাকে ছেড়ে দাও। এ কথাটি তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। আবদুল্লাহ একবার রাগের মাথায় বলে ফেলে যে,এই কথা তুমি আর একবার বললে তুমি তালাক। এখন জানার বিষয় হল,

ক) স্ত্রী যদি আবার রাগের মাথায় ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাটি বলে তবে তার কী হুকুম? তালাক হলে কয় তালাক হবে এবং সেক্ষেত্রে তারা একত্রিত হতে চাইলে কী করণীয়?

খ) স্বামীর জন্য তার উক্ত কথা থেকে ফিরে আসার কোনো উপায় আছে কি?

দয়া করে বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০