আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৫৩৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি স্কুলে পড়ার সময় যোহর ও আসরের নামায আদায় করতে পারিনি। কারণ নামাযের সময় স্কুলে ক্লাস হত। এখন আমি সে সময়ের নামাযগুলো কাযা করছি। কিন্তু তখন কত ওয়াক্ত নামায পড়া হয়নি তা জানা নেই। তবে আমার মনে হচ্ছে, অনাদায়ী সব নামায আদায় হয়ে গেছে। আর আমার নামাযগুলো আদায়ের পদ্ধতি এই ছিল যে, যোহরের সময় মসজিদে গিয়ে যোহরের সুন্নত না পড়ে কাযা নামায পড়েছি। এছাড়া অন্য সময় কাযা আদায় করার মতো সময় আমি বের করতে পারছি না। এদিকে আমার উপর আর অনাদায়ী নামায নেই -এমনটিও বলতে পারছি না। আবার নামায বাকি আছে- এমনটিও বলতে পারছি না। তাই এখন আমার জানার বিষয় হল, আমি কি যোহরের সুন্নত বাদ দিয়ে অনাদায়ী নামায কাযা করব, নাকি আমার নামায অনাদায়ী নেই ধরে নিয়ে যোহরের সুন্নত আদায় করব? দয়া করে জানালে কৃতজ্ঞ হব।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৭৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

রমযানে যখন বিমানে সফর করা হয় তখন ইফতারের সময় নিয়ে বেশ দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। কারণ, যে দেশ থেকেই সফর শুরু হয় এক সময় দেখা যায়, সে দেশের সময় অনুযায়ী সূর্যাস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু বিমান যমিন থেকে কয়েক হাজার ফিট উপরে থাকায় স্পষ্টভাবেই সূর্য দেখা যায়। বিশেষ করে বিমান যখন পূর্বদিক থেকে পশ্চিম দিকে  যেতে থাকে। যেমন কেউ বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বিমানে উঠল। এক্ষেত্রে বিমান যেহেতু পশ্চিম দিকে যাচ্ছে তাই দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা সূর্য চোখের সামনে থাকে। অথচ বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী সূর্যাস্ত হয়ে গেছে অনেক আগেই। এক্ষেত্রে বিমানের যাত্রীদের যদি সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় তাহলে দেখা যায় কখনো কখনো রোযার সময় প্রলম্বিত হয়ে ২০-২২ ঘণ্টাও হয়ে যায়। তাই হুযুরের কাছে জানতে চাচ্ছি, এ ধরনের অবস্থায় আমরা কখন ইফতার করব? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন
 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৭০৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

(ক) : কিছু মুসাফির জামাতে নামায পড়ছে। ইমামও মুসাফির। আসরের

নামায। এক রাকাত হয়ে গেছে আর এক রাকাত বাকি। ইতিমধ্যে একজন মুসাফির এসে নামাযে শরীক হল। এখন কথা হল এই মুসাফির তো জানে না যে, ইমাম মুসাফির না মুকিম। এখন এই মুসাফির মুসল্লি কত রাকাত নামায পড়বে। মুকিমের নামায না মুসাফিরের এবং কেন?

(খ) রাসূলে আরাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করতেন? আমরা যদি আমাদের দেশের গাছের মিসওয়াক ব্যবহার করি তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে গাছের ডাল দ্বারা মিসওয়াক করেছেন তার মত ফজিলত হাসিল হবে কি না? দলিল দিয়ে উপকৃত করবেন বলে আশাবাদি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০
২৫০৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

আমাদের ফ্যাক্টরির ভেতরই কর্মচারীদের থাকার ব্যবস্থা আছে। মুরগীর জন্য মহাক্ষতিকর ভাইরাসজনিত সমস্যার কারণে কর্মচারীদের বাইরে যাওয়া নিষেধ থাকে। ফলে সকলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরেই আদায় করে থাকে। একই সমস্যার কারণে তাদেরকে জুমআর জন্যও বাইরের মসজিদে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। এখন তাদের জন্য ফ্যাক্টরির ওয়াক্তিয়া নামায ঘরে জুমআ পড়া জায়েয হবে কি না? না কি যোহর পড়তে হবে। নামায ঘরটি ওয়াকফিয়া মসজিদ নয়। অনেকের ধারণা, জুমআ আদায়ের জন্য জামে মসজিদে যেতে হবে। শুধু মসজিদ হলেও চলবে না। এটা ঠিক কি না?


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২১ অক্টোবর, ২০২০