আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৬০৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমি আমার মা বাবার একটি ছেলে,,ও দুই বোন আছে,আমি আগে একটা বিবাহ করেছিলাম,,সেটা একটা এক্সিডেন্টে ছিলো, কিন্তু পরের বার আমাকে,, আমার মা বাবা,,দেখে শুনে আমাকে বিবাহ দেয়,4-5মাস যাওয়ার পরে,, আমার স্ত্রী কে আমার মা দেখতে পারে না,, আমাদের আলাদা করে দিলো,,আলাদা করার ভিতর ও ঝগড়া করতো তার কিছুদিন পরে আমাদের বাড়ি থেকে বাইর করে দিলো,1বসর পর আমার একটা ছেলে সন্তান হয়,,তাও কোনো খোঁজ নেয় না,,তবু্ও আমি তাদের যখন যা লাগে আমি যতটুকু পারি দিই,,সব সময় দুই মেয়েকে নিয়ে মেতে থাকে,,মেয়ে দুটোর বিয়ে হয়ে গিয়েছে,,,ছোটো মেয়ের বিয়ে দিয়েছে আমাকে একটুও বলেনি,এজন্য আমি আর কথা বলি না ,, তারা তো খোঁজ খবর মরে গেলেও নেই না,,, এতে কি আমার পাপ হবে,,,,এবং আমি কি করবো,,,তার পরও আমি আমার স্ত্রীকে সন্তান কে নিয়ে আমার মা বাবার কাছে চলে গিয়েছিলাম,, আবার ও বাইর করে দিয়েছে,,,আমার স্ত্রী কে একটুও দেখতে পারে না,, আমার মা বাবা,,
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১২ নভেম্বর, ২০২০
আলমডাঙ্গা
৩৫২৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত, আমি কুমিল্লা থেকে সিয়াম প্রশ্ন করছি।

আমি সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। কোন টিউশনি না পাওয়ায় আমার আয়ের কোন ব্যবস্থা নেই। বাবার পাঠানো টাকাতেই চলি। যখন থেকে মাসজিদের সাথে সম্পর্ক হয়, তালিমে বসি, তখন থেকেই আল'হামদুলিল্লাহ সুন্নাতের উপর চলার চেষ্টা করছি। আমার বাবা-মা নামাজি হলেও আমার পোশাক পছন্দ করেন না এবং ঈদ আসলে তারা আমাকে শার্ট-প্যান্ট কেনার জন্য চাপ দেন। কিন্তু আমি আমার পুরনো পাঞ্জাবি-পাজামাই পড়ি। এমতাবস্থায় আমার মামা আমাকে পাঞ্জাবি-পাজামার জন্য কাপড় হাদিয়া দেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমার মামা ক্রিমিনাল কেসের দক্ষ আইনজীবী, তার আয়ের ব্যাপারে সন্দেহ আছে, হারাম হবার সম্ভাবনাই বেশি।

আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, যেহেতু আমার বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা নেই এবং আমি সুন্নাতি পোশাক পরিধানে আগ্রহী সেহেতু আমি কি আমার মামার হাদিয়ার কাপড় গ্রহণ করতে পারি? জানালে উপকৃত হবো। জাযাকাল্লাহ খাইর।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১২ নভেম্বর, ২০২০
কুমিল্লা
৩৫২৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার দেড় বছর বয়সী একটা ছেলে বাবু আছে। আমার ছেলে খুব চঞ্চল প্রকৃতির। বাবু হওয়ার পর থেকেই নামাজ আর কোরান পড়ায় অনেক গাফেল হয়ে গিয়েছি। যখনই নামাজ বা কোরান পড়তে বসি তখনই ছেলের চঞ্চলতা আরো কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আমার তখন খুব আফসোস হয়। ওর সাথে আমি অনেক রাগ করি, মাঝে মধ্যে মারিও। আবার তার জন্য খুব অনুতপ্ত হই। কিন্তু ওর চঞ্চলতার সাথে আমি পেরে উঠি না। আমার খুব কষ্ট হয় সামলাতে ওকে। ওর দুষ্টুমির জন্য মানুষ আমাকে অনেক কথাও শুনায়। তখন ওর জন্য আরও মায়া ও কষ্ট লাগে।

১. ওর দুষ্টুমি কি করে কমাই? যদিও সকাল বিকেল আয়তুল কুরসি ৩ কুল পরে ফু দেয়ার চেষ্টা করি।

২. ওর দিকে খেয়াল রেখে কি করে নামাজ আর কোরান পড়ায় সময় বেশি দেই?

৩. আমি যে আমার বাবুটাকে মারি, এতে কি আমার গুনাহ হবে? নিজেকে কি করে শুধরাবো ?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ, মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিআ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর
১২ নভেম্বর, ২০২০
ঢাকা