আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৪৫২৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
কেমন আছেন?
পুরো লেখাটুকু পড়ার অনুরোধ থাকলো, অনেক আশা নিয়ে পুরো টুকু লিখছি...
আমি একজন সাধারন ছাত্র। আলহামদুলিল্লাহ, আল্ল-হ তায়ালা আমাকে হেদায়েত দিয়েছেন।
মহান আল্লাহ আমাকে ছাত্র শিবির এর মাধমে হেদায়েত দেন এবং আমি আল্লাহর সকল মেনে চলার চেষ্টা করি ছাত্র শিবির সংগঠন করার মাধমে। শিবির এ থেকে আমি ভালো সংগ পাই যা অন্য কোথাও পাইনা, এদের সাথে মেশার মাধমে সবসময় আল্লাহর কথা মনে হয়,আল্লাহর ভয় জন্মে। কিন্তু, আমার পরিবার বাধা দেয়, তারা আমাকে বলে এইসব রাজনিতি না করতে, হক কথা বলা থেকে বিরত থাকতে ইত্যাদি, এমনকি তারা আমাকে অনেক বড় বড় গুনাহ (ফুফাত, খালাত বোনদের সাথে দেখা সাক্ষাত করা, হাসি তামাশা) করতে বলে,,তারা বলে এইদুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে এইগুলা একটু করতে হবে- সামাজিকতা বজায় রাখতে হবে ।অথচ,আমি একজন সাধারন লাইনের ছাত্র বিধায় জানি আজ তরুণ এর কি অবস্থা, তারা সবাই গেম, যেনা নিয়ে ব্যাস্ত, কারন আমি একসময় এই পথে ছিলাম। তাই আমার ইচ্ছা, শিবির এ থেকে আমি মানুষ কে হেদায়াতের পথে আনার চেষ্টা করতে চায়। আল্লাহর কছম, আমার কোন রাজনিতি বা ক্ষমতার লোভ দুনিয়াবি কারনে নেই, আছে শুধু ন্যায়বিচার-ইন্সাফ প্রতিষ্ঠার জন্য।
{> আমি ১ বছর যাবত জামায়াত-শিবির নিয়ে অনেক ঘাটছি, ভালো খারাপ দুওটাই আছে, তারা এমন একটি লক্ষে কাজ করে - যে বড় কোন ভুল ভাংগার জন্য ছোট খাট ভুল হলে সমস্যা নাই---(1)
আমার প্রশ্ন=[১] আমি আমার পরিবারের কথা মানলে ভাল কোন সংগি পায় না, নিজেকে সংযত রাখার ব্যাপার অনেক কঠিন, তাহলে কি আমি সংগঠন ছেড়ে দিব?
[২]৷ (1) এর আলোকে সংগঠন সম্পর্কে কি ধারনা?
[৩] সাধারন ভাবে সংগঠন সম্পর্কে ভালো ও খারাপ দিক কি কি আপনার?
[৪] আমাদের উপর ইস্লামের দাওয়াত দেওয়াকে ফরজ করা হয়েছে, হক কথা বলা ফরজ,,তাই আমি সংগঠনে থাকলে আল্লাহর রহমতে বাতিলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হইতে পারি, অনেক দ্রুত দাওয়াতি কাজ করতে পারি,,, আমার আব্বু আম্মুর ইচ্ছা আমি পড়াশোনা করে সমাজে ভালো পর্যায়ে যাব, কিন্তু আগে আমি আব্বু আম্মুর এই কথা শুনতাম না, অবাধ্য ছিলাম,, কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে শিবির এর ভাইদের সাথে থাকার তাওফিক দিছেন, যারা পড়াশোনা সম্পর্কে অনেক উতসাহ দেই এমনকি তাদের একপর্যায় এ গেলে,- ৫ঃ৩০ ঘন্টা পড়াশোনা করা বাধ্যতামূলক। উপরোক্ত ও এই কারনে আমার শিবির ভালো লাগে, তাই আমিও এদের মধ্যে থেকে অন্যদের আলোরপথে ফেরাতে চায়, আমার এই সিদ্ধান্ত কি ভুল? যদি হয় তাহলে কেন ভুল?( আমি সুধারাতে চাই ও অন্যদের এ ভুল ধারনা ভাংতে চেষ্টা করতে চাই)
★স্যার, আমু শুধু ভালো পথে থাকতে চাই, হোক শিবির হোক অন্য কিছু
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতি সাইদুজ্জামান কাসেমি
৮ মার্চ, ২০২২
ফুলতলা
১৪৩০৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
আসসালামু ওয়ালাইকুম।
আমি মোঃ হাবিবুর রহমান। আমার বয়স ২৬ বছর৷ আমি দেড় বছর পুর্বে পরিবারের অমতে বিয়ে করেছি। বিয়ের সময় আমার আয় মাসিক ১২ হাজার ছিলো। এজন্য আমার পরিবার বিয়েতে রাজি ছিলেন না।
পরবর্তিতে মেনে নিলেও তারা আমাকে সন্তান নিতে নিষেধ করেন। তবে আমি আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখে সন্তান নেয়ার চেষ্টা করি। আল্লাহর রহমতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারিতে ছেলে সন্তান ভুমিষ্ঠ হয়।
সন্তান যখন গর্ভে আসে তখন সবাই আমাকে বলেছিলো খাওয়াবি কি।

আমি যতটুকু জানি রিযিকের মালিক আল্লাহ।আমার সন্তানের রিযিক আল্লাহই দিবেন আশা করেছিলাম। আমার সন্তান গর্ভে আসার পর আমার দক্ষিন কোরিয়াতে চাকুরির ব্যাবস্থা হয়।
এখন আমার পরিবারের সবাই খুশি। আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমার স্বপ পুরনের অন্তরায় কি আমার সন্তানের রিযিকের কোন ভুমিকা রয়েছে?
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
৭ মার্চ, ২০২২
ঢাকা
১৪৬১৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি একদিনে সালাতের পর মসজিদে বসে আছি তো আমার মসজিদের ইমামের সাথে আমি একটি কারণে দেখা করতে যাই তখন সে আমাকে একটি কাগজে দুটি ওষুধের নাম লিখে দিয়ে বলে এগুলো আনতে এবং আমাকে টাকা দেয়। আমি তার টাকা নিয়ে গেলেও আমি আমার নিজের টাকা দিয়ে তাকে ওষুধ কিনে দিয়ে আসি। এবং তার ঔষধের সাথে তার টাকা ফিরিয়ে দেই। এরপর আমার মনে পড়ল আমি মোবাইলে একদিন দেখেছি যে মহান আল্লাহ্ কে খুশি না করে কোন হুজুর কে খুশি করার জন্য যদি হাদিয়া দেওয়া হয় তাহলে শিরক হয় তখন থেকে এই জিনিসটায় আমার সন্দেহ শুরু হয়ে গেছে যে আমার কি এই কাজে শির্ক হয়েছে এছাড়া যদি আমার নিয়তে কোন সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে কী শির্কের কোন সম্ভাবনা আছে কিনা একটু বলবেন।তাছাড়া আমার অনেক সময় কোন কাজ ভুলে হয়ে গেলে বারবার মনে হতেই থাকে শির্ক হয়েছে কিনা বা আমার ঈমান ঠিক আছে কিনা এরকম সন্ধেহ হতেই থাকে আর বারবার এই কথাই মনে পড়তেই থাকে। হুজুর এ জন্য আমি কি করব একটু জানাবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মুহাম্মাদ রাশেদুল ইসলাম
৬ মার্চ, ২০২২
ঢাকা