আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৩৫০৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
মানুষের বানানো ইস্তেগফার পাঠ করা অপেক্ষা সহীহ হাদিসে বর্ণিত ইস্তেগফার পাঠ করা উত্তম। সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার সহীহ হাদীস অনুযায়ী জানা আছে। কিন্তু নিন্মের কোনগুলো সহীহ হাদীস অনুযায়ী তাহা জানা নাই। যেগুলো সহীহ হাদীস অনুযায়ী নহে, সেই গুলো পাঠ করা উচিত হবে কি? (১) আস্তাগফিরুল্লাহ/ / আস্তাগফিরুল্লহ ( কোনটা সঠিক ? ) (২) আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবি ইলাহি (৩) আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলা ----- ওয়া আতুবি ইলাহি (৪) রাব্বিগফিরলী ওয়া আতুব ------ তাওয়াবুর রাহীম। (৫) আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাহু কানা গাফ্ফারা। আশা করি, সঠিক ভাবে পরামর্শ / জবাব দিবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২১ মার্চ, ২০২২
ফরিদগঞ্জ
১৪৭৭৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ,
ইবনে জারীর রহ. বর্ণনা করেন—

عن أبي هريرة قال: خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يعود رجلاً أصحابه وعكا وأنا معه ثم قال: "إن الله تعالى يقول: "هي نار من أسلطها على عبدي المؤمن، لتكون حظه من النار، في الآخرة". وهذا إسناد حسن.

হযরত আবু হুরাইরা রা. বলেন: রাসূলুল্লাহ এক অসুস্থ (জ্বরাক্রান্ত) সাহাবীকে দেখতে গেলেন। আমি তাঁর সাথেই ছিলাম৷ রাসূল বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা বলেছেন,
“জ্বর হল আমার আগুন, আমি আমার মুমিন বান্দার উপর একে কর্তৃত্ব দান করি—যাতে করে তা আখেরাতে তার আগুনের অংশ হয়ে যায়”। [ মুসনাদে আহমাদ (২/৪৪০) হাদিসের মান: সহিহ, জামিউল আহাদীসিল কুদসিয়্যাহ (৫/৮৪৯)।]
এই হাদিসের ব্যাখ্যা জানতে চাই, "যাতে করে তা আখেরাতে তার আগুনের অংশ হয়ে যায়" এর দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে?
জাযাকাল্লাহু খাইরান।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
২০ মার্চ, ২০২২
নবাবগঞ্জ
১৪৪৮৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
হযরত, একটা প্রশ্ন আমার দিলের ভিতর প্রায় সময় উদিত হয়। আমি জানি এটা শয়তান থেকে হয়। কোথাও এই প্রশ্ন করার সাহস পাই না। আমার দিলের সংশয় এবং শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য সন্তোষজনক একটি উত্তর প্রদান করলে কৃতজ্ঞ থাকবো। মহান আল্লাহ তাআলা আমাকে ক্ষমা করুন।
প্রশ্ন টি হল :
আল্লাহ তায়ালা আমাদের রুহ সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আমাদেরকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। নবী রাসুল পাঠিয়েছেন আমাদের হেদায়েতের জন্য। আমার প্রশ্ন হল, আমাকে যদি সৃষ্টি না করা হতো তাহলে তো আর জান্নাত-জাহান্নামের প্রশ্ন আসতো না। কেন আমাকে সৃষ্টি করা হলো ? এটা কিভাবে ইনসাফ যে, আমি কাউকে সৃষ্টি করলাম আর বললাম তুমি যদি আমাকে মেনে চলো তাহলে তোমাকে অনেক নিয়ামত দিব আর না মেনে চললে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে। সে যদি প্রশ্ন করে, আমাকে আপনি সৃষ্টি করলেন কেন ? সৃষ্টি না করলে তো এখন আমাকে ঝামেলায় পড়তে হতো না। আমার কোনো অস্তিত্বই থাকত না। জান্নাত-জাহান্নামের আমার দরকার নেই । আমি সৃষ্টি হতে চাই না। আপনি কেন আমাকে অস্তিত্ব দিয়েছেন ? এর জবাব কি ? আমি জানি যে, আল্লাহতালা আমাদেরকে নেক আমল করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ সেটা বলেছেন। আমার প্রশ্ন হল, সৃষ্টি না করলে তো নেক আমলের - বদ আমলের প্রশ্ন আসতো না ? এটা কিভাবে ইনসাফ ? আল্লাহ আমাকে মাফ করুন। আমার জন্য দোয়া চাই। শয়তান যাতে আমাকে ধ্বংস করে না দেয়।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী ইসহাক মাহমুদ
১৮ মার্চ, ২০২২
জুড়ী