পোড়া ক্ষতস্থানে পানি বা মাসেহ করার কারণে ক্ষতির আশঙ্কা হলে অজুর বিধান
প্রশ্নঃ ১৬৯২৯১. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আগুনে আমার পা অনেক খানি পুড়ে গেছে।ব্যান্ডেজ করা নাই তবে ক্ষত স্থানে পানি দিলে বেশি সমস্যা হচ্ছে।আমি অজু করার সময় ক্ষত স্থান বাদে বাকি অংশ ধুয়ে বা মুছে নিচ্ছি।আমার অজু হচ্ছে কিনা?
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কুষ্টিয়া
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায়, আপনার পায়ের ক্ষতস্থানে পানি দিলে যদি ব্যথা বৃদ্ধি পায়, ক্ষত আরও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে বা চিকিৎসাগতভাবে ক্ষতিকর হয়, তাহলে সেখানে পানি দেওয়া জরুরি নয়।
এক্ষেত্রে অজুর সময়-
১. ক্ষতস্থান ছাড়া অজুর অন্যান্য অঙ্গ স্বাভাবিক নিয়মে ধুয়ে নেবেন।
২. ক্ষতস্থানে পানির স্পর্শ ক্ষতিকর না হলে ভেজা হাত দিয়ে মাসেহ করবেন।
৩. কিন্তু মাসেহ করলেও যদি ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে মাসেহও করার প্রয়োজন নেই; ক্ষতস্থান বাদ দিয়ে বাকি অজু সম্পন্ন করবেন।
সুতরাং, আপনার বর্ণিত অবস্থায় ক্ষতস্থানে পানি দেওয়া বা মাসেহ করা ক্ষতিকর হলে, ক্ষতস্থান বাদ দিয়ে বাকি অঙ্গ ধুয়ে অজু করলে অজু সহিহ হবে।
المستندات الشرعية
** «سنن أبي داود» (1/ 252 ت الأرنؤوط): 336
«عن جابر، قال: خَرَجنا في سَفَرٍ فأصابَ رجلاً معنا حَجَرٌ فشَجَّهُ في رأسِهِ، ثمَّ احتَلَمَ، فسألَ أصحابَه فقال: هل تَجِدُونَ لي رُخصةً في التيمُّمِ؟ قالوا: ما نَجِدُ لكَ رُخصةً وأنتَ تَقدِرُ على الماء، فاغتَسَلَ فماتَ، فلمّا قَدِمْنا على النبيِّ صلى الله عليه وسلم أُخبِرَ بذلك، فقال: "قَتَلوهُ قَتَلَهُمُ اللهُ، ألا سألوا إذْ لم يَعلَموا، فإنما شِفاءُ العِيّ السُّؤالُ، إنما كانَ يكفيهِ أن يَتَيَمَّم ويَعصِرَ -أو يَعصِبَ، شكَّ موسى- على جُرحِهِ خِرقةً، ثمَّ يَمسَحَ عليها ويَغسِلَ سائِرَ جَسَدِه".»
** «بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع» (1/ 13):
«ومن شرط جواز المسح على الجبيرة أيضا أن يكون المسح على عين الجراحة مما يضر بها، فإن كان لا يضر بها لا يجوز المسح إلا على نفس الجراحة، ولا يجوز على الجبيرة، كذا ذكره الحسن بن زياد؛ لأن الجواز على الجبيرة للعذر، ولا عذر.»
** «حاشية ابن عابدين = رد المحتار» (1/ 280):
«(قوله على كل عصابة) أي على كل فرد من أفرادها سواء كانت تحتها جراحة وهي بقدرها أو زائدة عليها كعصابة المفتصد، أو لم يكن تحتها جراحة أصلا بل كسر أو كي، وهذا معنى قول الكنز كان تحتها جراحة أو لا، لكن إذا كانت زائدة على قدر الجراحة، فإن ضره الحل والغسل مسح الكل تبعا وإلا فلا،»
** «الدر المختار مع رد المحتار (1/ 102):
«في أعضائه شقاق غسله إن قدر وإلا مسحه وإلا تركه ولو بيده، ولا يقدر على الماء تيمم،»
(قوله: وإلا تركه) أي وإن لم يمسحه بأن لم يقدر على المسح تركه.
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুহাম্মাদ আশরাফুল আলম
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মুফতি, ফতোয়া বিভাগ, জামিয়া দারুল উলুম আল ইসলামিয়া, পল্লবী, ঢাকা
খতিব, দারুল খুলদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, মুন্সিবাগ, নারায়ণগঞ্জ
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১