কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১৪৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৪. ইবাদাতের জন্য রাত্রি জাগরনে উৎসাহিত করা।
১৪৫১. মুহাম্মাদ ইবনে হাতিম (রাহঃ) ..... আবু সাঈদ ও আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রিকালে ঘুম হতে উঠে নিজের স্ত্রীকে জাগায়, অতঃপর তারা একত্রে দুই রাকআত নামায আদায় করে- তাদের নাম আল্লাহর নিকট যিক্‌রকারী ও যিক্‌রকারিনীদের দফতরে লিপিবদ্ধ করা হয়।
كتاب الصلاة
باب الْحَثِّ عَلَى قِيَامِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الأَقْمَرِ، عَنِ الأَغَرِّ أَبِي مُسْلِمٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَأَبِي، هُرَيْرَةَ قَالاَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنِ اسْتَيْقَظَ مِنَ اللَّيْلِ وَأَيْقَظَ امْرَأَتَهُ فَصَلَّيَا رَكْعَتَيْنِ جَمِيعًا كُتِبَا مِنَ الذَّاكِرِينَ اللَّهَ كَثِيرًا وَالذَّاكِرَاتِ " .
হাদীস নং: ১৪৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
১৪৫২. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ...... উছমান (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তিই উত্তম যে নিজে কুরআন পাঠ করে এবং তা অন্যকে শিক্ষাদান করে।
كتاب الصلاة
باب فِي ثَوَابِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُثْمَانَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ " .
হাদীস নং: ১৪৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
১৪৫৩. আহমাদ ইবনে আমর (রাহঃ) ...... সাহল্ ইবনে মুআয আল্-জুহানী (রাযিঃ) তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেননঃ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং তা অনুসারে আমল করে, কিয়ামতের দিন তার পিতা-মাতাকে এমন টুপী পরিধান করানো হবে, যার জ্যোতি সূর্যের কিরণের চাইতেও উজ্জ্বল হবে। যদি মনে করা হয় যে, সূর্য তোমাদের কারও ঘরের মধ্যে আছে (এ মতাবস্থায় তার উজ্জ্বলতা যেরূপ প্রকাশ পাবে, এর চাইতেও অধিক উজ্জ্বল টুপী তাদেরকে কিয়ামতের দিন পরিধান করানো হবে)। অতএব যে ব্যক্তি নিজে কুরআন পাঠ করে তার উপর আমল করে, তার ব্যাপারটি কেমন হবে, সে সম্পর্কে তোমাদের ধারণা কি?
كتاب الصلاة
باب فِي ثَوَابِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ زَبَّانَ بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ مُعَاذٍ الْجُهَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَعَمِلَ بِمَا فِيهِ أُلْبِسَ وَالِدَاهُ تَاجًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ ضَوْؤُهُ أَحْسَنُ مِنْ ضَوْءِ الشَّمْسِ فِي بُيُوتِ الدُّنْيَا لَوْ كَانَتْ فِيكُمْ فَمَا ظَنُّكُمْ بِالَّذِي عَمِلَ بِهَذَا " .
হাদীস নং: ১৪৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
১৪৫৪. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে এবং কুরআনে অভিজ্ঞও, সে ব্যক্তি অতি সম্মানিত ফিরিশতাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি কুরআন পাঠের সময় আটকে যায় এবং কষ্ট করে পড়ে, তার জন্য দুটি বিনিময় অবধারিত।
كتاب الصلاة
باب فِي ثَوَابِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، وَهَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ بْنِ أَوْفَى، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ وَهُوَ مَاهِرٌ بِهِ مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ الْبَرَرَةِ وَالَّذِي يَقْرَؤُهُ وَهُوَ يَشْتَدُّ عَلَيْهِ فَلَهُ أَجْرَانِ " .
হাদীস নং: ১৪৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
১৪৫৫. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যখন কোন কওমের লোকেরা আল্লাহর ঘরের কোন এক ঘরে একত্রিত হয়ে কুরআন পাঠ করে এবং একে অন্যকে শিখায় এবং শিখে, তখন তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হয় এবং আল্লাহর রহমত তাদেরকে আচ্ছাদিত করে এবং ফিরিশতারা তাদেরকে ঘিরে রাখে এবং আল্লাহ তাআলা ঐ সমস্ত বান্দাদের ব্যাপারে তাঁর নিকটবর্তী ফিরিশতাদের সামনে উল্লেখ করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي ثَوَابِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا اجْتَمَعَ قَوْمٌ فِي بَيْتٍ مِنْ بُيُوتِ اللَّهِ تَعَالَى يَتْلُونَ كِتَابَ اللَّهِ وَيَتَدَارَسُونَهُ بَيْنَهُمْ إِلاَّ نَزَلَتْ عَلَيْهِمُ السَّكِينَةُ وَغَشِيَتْهُمُ الرَّحْمَةُ وَحَفَّتْهُمُ الْمَلاَئِكَةُ وَذَكَرَهُمُ اللَّهُ فِيمَنْ عِنْدَهُ " .
হাদীস নং: ১৪৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
১৪৫৬. সুলাইমান ইবনে দাউদ (রাহঃ) ..... উকবা ইবনে আমের আল্-জুহানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর ঘর হতে বের হন, এসময় আমরা “সুফফাতে” (মসজিদে নববীর আঙ্গিনায়) অবস্থান করছিলাম। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তোমাদের মধ্যে কে পছন্দ কর যে, প্রত্যুষে সে বাত্হা বা আকীক নামক ময়দানে গমন করবে, এবং সেখান হতে উজ্জ্বল বর্ণের হৃষ্টপুষ্ট, বহুমুল্য দুইটি উট সংগ্রহ করবে, যার সংগ্রহে সে কোনরূপ অন্যায় করে নাই বা আত্মীয়তা বিচ্ছিন্নও করে নাই? তারা বলেন, আমরা সকলেই এটা পছন্দ করি। তিনি ইরশাদ করেনঃ যদি তোমাদের কেউ মসজিদে এসে আল্লাহর কিতাবের (কুরআনের) দুটি আয়াত শিক্ষা করে, তবে তা ঐ দুটি উট হতেও শ্রেয়। যদি সে ব্যক্তি তিনটি আয়াত শিক্ষা করে, তবে তা ঐরূপ তিনটি উট হতেও শ্রেয় হবে। এরূপ সে ব্যক্তি যত আয়াত শিক্ষা করবে, সে ততটি উটের চাইতেও অধিক উত্তম জিনিস প্রাপ্ত হবে।
كتاب الصلاة
باب فِي ثَوَابِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُلَىِّ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ فِي الصُّفَّةِ فَقَالَ " أَيُّكُمْ يُحِبُّ أَنْ يَغْدُوَ إِلَى بُطْحَانَ أَوِ الْعَقِيقِ فَيَأْخُذَ نَاقَتَيْنِ كَوْمَاوَيْنِ زَهْرَاوَيْنِ بِغَيْرِ إِثْمٍ بِاللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلاَ قَطْعِ رَحِمٍ " . قَالُوا كُلُّنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " فَلأَنْ يَغْدُوَ أَحَدُكُمْ كُلَّ يَوْمٍ إِلَى الْمَسْجِدِ فَيَتَعَلَّمَ آيَتَيْنِ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ خَيْرٌ لَهُ مِنْ نَاقَتَيْنِ وَإِنْ ثَلاَثٌ فَثَلاَثٌ مِثْلُ أَعْدَادِهِنَّ مِنَ الإِبِلِ " .
হাদীস নং: ১৪৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৬. সূরা ফাতিহা সম্পর্কে।
১৪৫৭. আহমাদ ইবনে শোআয়েব ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ “আলহামদু লিল্লাহে রবিল আলামীন” হল- উম্মুল্ কিতাব, উম্মুল্ কুরআন এবং আস্-সাব্উ আল-মাছানী।*

* আস্-সাব্উ আল্-মাছানী বলা হয় সূরা ফাতিহাকে। এই সূরার মধ্যে এমন সাতটি আয়াত আছে, যা পূর্ববর্তী ঐশীগ্রন্থ তাওরাত, যাবুর ও ইঞ্জীলের মধ্যে নাই। এই সাতটি আয়াত নামাযের প্রতিটি রাকআতে পঠিত হয়। একে মাছানী বলার কারণ এটাও যে, তা আল্লাহর প্রশংসায় পরিপূর্ণ। এই সূরাকে উম্মুল কুরআন এইজন্য বলা হয় যে, তা গোটা কুরআনের সারমর্মস্বরূপ। সূরা ফাতিহা, সাবউ আল-মাছানী ও উম্মুল-কুরআন ছাড়াও এর অনেক নাম আছে - (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب فَاتِحَةِ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " (الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ) أُمُّ الْقُرْآنِ وَأُمُّ الْكِتَابِ وَالسَّبْعُ الْمَثَانِي " .
হাদীস নং: ১৪৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৬. সূরা ফাতিহা সম্পর্কে।
১৪৫৮. উবাইদুল্লাহ ইবনে মুআয (রাহঃ) ..... আবু সাঈদ ইবনুল মুআল্লা (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, একদা তিনি নামাযে রত থাকাবস্থায় নবী করীম তাঁর পাশ দিয়ে গমনকালে তাঁকে ডাকেন। রাবী বলেন, আমি নামায সমাপন্তে তাঁর খিদমতে হাযির হই। তিনি জিজ্ঞাসা করেন, আমার ডাকে সাড়া দিতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? আমি বলি, আমি নামাযে রত ছিলাম। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলা কি ইরশাদ করেন নাই, হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল যখন তোমাদেরকে আহবান করেন, তখন তোমরা তার জবাব প্রদান করবে, কেননা তিনি তোমাদেরকে সত্যের প্রতি উদ্ধুদ্ধ করেন? অতঃপর তিনি বলেনঃ আমি আজ মসজিদ হতে বের হবার পূর্বেই তোমাকে কুরআনের একটি সর্বোৎকৃষ্ট সূরা শিক্ষা দিব। আমি বলি, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার মূল্যবান কথাটি বর্ণে বর্ণে সংরক্ষিত করব, যা আপনি ইরশাদ করবেন। তিনি বলেনঃ আলহামদু লিল্লাহে রবিল আলামীন সূরা যা প্রদান করা হয়েছে; এটা আস্-সাব্উ আল-মাছানী এবং আল্-কুরআনুল আজীম।
كتاب الصلاة
باب فَاتِحَةِ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُبَيْبِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ سَمِعْتُ حَفْصَ بْنَ عَاصِمٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَعِيدِ بْنِ الْمُعَلَّى، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِهِ وَهُوَ يُصَلِّي فَدَعَاهُ قَالَ فَصَلَّيْتُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ قَالَ فَقَالَ " مَا مَنَعَكَ أَنْ تُجِيبَنِي " . قَالَ كُنْتُ أُصَلِّي . قَالَ " أَلَمْ يَقُلِ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ( يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَجِيبُوا لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ ) لأُعَلِّمَنَّكَ أَعْظَمَ سُورَةٍ مِنَ الْقُرْآنِ أَوْ فِي الْقُرْآنِ " . شَكَّ خَالِدٌ " قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ مِنَ الْمَسْجِدِ " . قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَوْلَكَ . قَالَ " ( الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ) وَهِيَ السَّبْعُ الْمَثَانِي الَّتِي أُوتِيتُ وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ " .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৭. সূরা ফাতিহা লম্বা সূরাগুলোর (অর্থের দিক দিয়ে) অন্তুর্ভুক্ত।
১৪৫৯. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে সাব্উ আল-মাছানী নামীয় দীর্ঘ সূরাটি (অর্থের দিক দিয়ে) প্রদান করা হয়েছে এবং মুসা (আলাইহিস সালাম)-কে ছয়টি ‘তখত’ (যাতে তওরাত কিতাব লিপিবদ্ধ ছিল) প্রদান করা হয়। অতঃপর যখন তিনি তা রাগে নিক্ষেপ করেন, তখন আল্লাহ তাআলা এর (ভগ্ন) দুটিকে উঠিয়ে নেন এবং চারিটি অবশিষ্ট থাকে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ قَالَ هِيَ مِنَ الطُّوَلِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أُوتِيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبْعًا مِنَ الْمَثَانِي الطُّوَلِ وَأُوتِيَ مُوسَى عَلَيْهِ السَّلاَمُ سِتًّا فَلَمَّا أَلْقَى الأَلْوَاحَ رُفِعَتْ ثِنْتَانِ وَبَقِيَ أَرْبَعٌ .
হাদীস নং: ১৪৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৮. আয়াতুল কুরসীর ফযিলত।
১৪৬০. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) ..... উবাই ইবনে কাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ হে আবুল মুনযির! তোমার নিকট কুরআনের কোন আয়াতটি সর্বাপেক্ষা সম্মানিত? আমি বলি, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল এ বিষয়ে অধিক অবগত। তিনি তাঁকে পুনরায় জিজ্ঞাসা করেন, যে আবুল মুনযির! তোমার নিকট কুরআনের কোন আয়াতটি অধিক গুরুত্বপূর্ণ? রাবী বলেন, তখন আমি বলি, আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল্ হাইয়্যুল কায়্যূম। এতদশ্রবণে তিনি আমার বক্ষে হাত চাপড়িয়ে (মহব্বতের সাথে) বলেনঃ হে আবুল মুনযির! তোমার জন্য কুরআনের ইলম বরকতময় হোক।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي آيَةِ الْكُرْسِيِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ إِيَاسٍ، عَنْ أَبِي السَّلِيلِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَبَا الْمُنْذِرِ أَىُّ آيَةٍ مَعَكَ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ أَعْظَمُ " . قَالَ قُلْتُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ . قَالَ " أَبَا الْمُنْذِرِ أَىُّ آيَةٍ مَعَكَ مِنْ كِتَابِ اللَّهِ أَعْظَمُ " . قَالَ قُلْتُ ( اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ ) قَالَ فَضَرَبَ فِي صَدْرِي وَقَالَ " لِيَهْنِ لَكَ يَا أَبَا الْمُنْذِرِ الْعِلْمُ " .
হাদীস নং: ১৪৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৯. সূরা ইখলাসের ফযিলত।
১৪৬১. আল্-কানবী (রাহঃ) ...... আবু সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ” সূরাটি পুনঃ পুনঃ পাঠ করতে শ্রবণ করেন। পরদিন প্রত্যুষে ঐ ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর খিদমতে তার উল্লেখ করেন এবং ঐ ব্যক্তির (শ্রবণকারীর) নিকট এর ফযীলত কম মনে হয়েছিল। তখন নবী করীম বলেনঃ ঐ আল্লাহর শপথ যাঁর নিয়ন্ত্রণে আমার জীবন! এই সূরাটি গোটা কুরআনের তিন ভাগের একভাগ তুল্য (মর্যাদার দিক দিয়ে)।
كتاب الصلاة
باب فِي سُورَةِ الصَّمَدِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَجُلاً، سَمِعَ رَجُلاً، يَقْرَأُ ( قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ) يُرَدِّدُهَا فَلَمَّا أَصْبَحَ جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ وَكَانَ الرَّجُلُ يَتَقَالُّهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ إِنَّهَا لَتَعْدِلُ ثُلُثَ الْقُرْآنِ " .
হাদীস নং: ১৪৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬০. সূরা নাস ও ফালাকের ফযিলত।
১৪৬২. আহমাদ ইবনে আমর (রাহঃ) ..... উকবা ইবনে আমির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সফরকালীন সময়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উটের রশি ধরে টেনে নিয়ে যেতাম। তিনি একদিন আমাকে বলেনঃ হে উকবা! আমি কি তোমাকে দুটি সূরা শিক্ষা দিব, যা তুমি পাঠ করবে? অতঃপর তিনি আমাকে “কুল্ আউযু বিরবিল ফালাক” ও “কুল আউযু বি-রবিন নাস” সূরা দুটি শিক্ষা দেন। এতে তিনি আমাকে খুব উৎফুল্ল দেখেন নাই। অতঃপর তিনি ফজরের নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে অবতরণ করে নামাযের মধ্যে উক্ত সূরা দুটি পাঠ করেন। তিনি নামায শেষে আমার দিক মুখ ফিরিয়ে বলেনঃ হে উকবা! তুমি কেমন দেখলে? (অর্থাৎ যে সূরা দুটি শিক্ষা দেওয়া হয়েছে তা দ্বারা নামায আদায় করা চলে)।
كتاب الصلاة
باب فِي الْمُعَوِّذَتَيْنِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مُعَاوِيَةُ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ، مَوْلَى مُعَاوِيَةَ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ كُنْتُ أَقُودُ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَاقَتَهُ فِي السَّفَرِ فَقَالَ لِي " يَا عُقْبَةُ أَلاَ أُعَلِّمُكَ خَيْرَ سُورَتَيْنِ قُرِئَتَا " . فَعَلَّمَنِي ( قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ) وَ ( قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ) قَالَ فَلَمْ يَرَنِي سُرِرْتُ بِهِمَا جِدًّا فَلَمَّا نَزَلَ لِصَلاَةِ الصُّبْحِ صَلَّى بِهِمَا صَلاَةَ الصُّبْحِ لِلنَّاسِ فَلَمَّا فَرَغَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الصَّلاَةِ الْتَفَتَ إِلَىَّ فَقَالَ " يَا عُقْبَةُ كَيْفَ رَأَيْتَ " .
হাদীস নং: ১৪৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬০. সূরা নাস ও ফালাকের ফযিলত।
১৪৬৩. আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ...... উকবা ইবনে আমের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুহফা ও আব্ওয়া নামক স্থানদ্বয়ের মধ্যে সফরে ছিলাম। ঐ সময় হঠাৎ আমাদেরকে ঘোর কালো অন্ধকার ও প্রবল বাতাস আচ্ছন্ন করে ফেলে। তখন তিনি আল্লাহর নিকট “সূরা নাস” ও “সূরা ফালাক্” পাঠ করে আশ্রয় প্রার্থনা করেন এবং আমাকে বলেনঃ হে উকবা! তুমিও এদের দ্বারা আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা কর। এর চাইতে অধিক উত্তম তা’বীয আর কিছুই নাই। আমি নবী করীম (ﷺ)-কে দুটি সূরার দ্বারা নামাযের ইমামতি করতেও শ্রবণ করেছি।
كتاب الصلاة
باب فِي الْمُعَوِّذَتَيْنِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ بَيْنَا أَنَا أَسِيرُ، مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَيْنَ الْجُحْفَةِ وَالأَبْوَاءِ إِذْ غَشِيَتْنَا رِيحٌ وَظُلْمَةٌ شَدِيدَةٌ فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَتَعَوَّذُ بِـ ( أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ) وَ ( أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ) وَيَقُولُ " يَا عُقْبَةُ تَعَوَّذْ بِهِمَا فَمَا تَعَوَّذَ مُتَعَوِّذٌ بِمِثْلِهِمَا " . قَالَ وَسَمِعْتُهُ يَؤُمُّنَا بِهِمَا فِي الصَّلاَةِ .
হাদীস নং: ১৪৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৪. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ কিয়ামতের দিন কুরআনের পাঠককে বলা হবে, তুমি তা পাঠ করতে থাক এবং উপরে চড়তে (উঠতে) থাক। তুমি তাকে ধীরেসুস্থে পাঠ করতে থাক, যেরূপ তুমি দুনিয়াতে পাঠ করতে। কেননা তোমার সর্বশেষ বসবাসের স্থান (জান্নাত) ঐটিই, যেখানে তোমার কুরআনের আয়াত শেষ হবে।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ، حَدَّثَنِي عَاصِمُ بْنُ بَهْدَلَةَ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُقَالُ لِصَاحِبِ الْقُرْآنِ اقْرَأْ وَارْتَقِ وَرَتِّلْ كَمَا كُنْتَ تُرَتِّلُ فِي الدُّنْيَا فَإِنَّ مَنْزِلَكَ عِنْدَ آخِرِ آيَةٍ تَقْرَؤُهَا " .
হাদীস নং: ১৪৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৫. মুসলিম ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... কাতাদা (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আনাস (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কিরাআত পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, তিনি যেখানে যতটুকু টেনে পড়ার প্রয়োজন, সেখানে ততটুকুই লম্বা করে টেনে পড়তেন।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسًا عَنْ قِرَاءَةِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَقَالَ كَانَ يَمُدُّ مَدًّا .
হাদীস নং: ১৪৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৬. য়াযীদ ইবনে খালিদ (রাহঃ) ..... ইয়ালা ইবনে মুমাল্লাক্ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। একদা তিনি উম্মে সালামা (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায ও কিরাআত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন। তিনি বলেন, তাঁর ও তাঁর নামাযের সঙ্গে তোমাদের সম্পর্ক কি? তিনি যতক্ষণ নামায আদায় করতেন, ততক্ষণ সময় ঘুমাতেন; অতঃপর তিনি যতক্ষণ ঘুমাতেন তৎপরিমাণ সময় নামাযের মধ্যে অতিবাহিত করতেন; তিনি যতক্ষণ নামাযের মধ্যে কাটাতেন, ততক্ষণ সময় নিদ্রা যেতেন এবং এরূপে তিনি সকালে উপনীত হতেন। তিনি তার কিরাআত পাঠের বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, তিনি কিরাআতের প্রতিটি হরফ (অক্ষর) স্পষ্টরূপে উচ্চারণ করে তিলাওয়াত করতেন।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مَوْهَبٍ الرَّمْلِيُّ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ أُمَّ سَلَمَةَ عَنْ قِرَاءَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَلاَتِهِ فَقَالَتْ وَمَا لَكُمْ وَصَلاَتَهُ كَانَ يُصَلِّي وَيَنَامُ قَدْرَ مَا صَلَّى ثُمَّ يُصَلِّي قَدْرَ مَا نَامَ ثُمَّ يَنَامُ قَدْرَ مَا صَلَّى حَتَّى يُصْبِحَ وَنَعَتَتْ قِرَاءَتَهُ فَإِذَا هِيَ تَنْعَتُ قِرَاءَتَهُ حَرْفًا حَرْفًا .
হাদীস নং: ১৪৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৭. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে মক্কা বিজয়ের দিন স্বীয় উটের উপর অবস্থান করে “সূরা ফাতহ্” বারবার তিলাওয়াত করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ وَهُوَ عَلَى نَاقَةٍ يَقْرَأُ بِسُورَةِ الْفَتْحِ وَهُوَ يُرَجِّعُ .
হাদীস নং: ১৪৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৮. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ..... বারা ইবনে আযেব্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা তোমাদের ধ্বনির সাহায্যে কুরআনকে সুষমামণ্ডিত কর, অথবা তোমরা কুরআনকে তাজবীদ ও তারতীলের সাথে সুন্দরভাবে পাঠ কর।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ طَلْحَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْسَجَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " زَيِّنُوا الْقُرْآنَ بِأَصْوَاتِكُمْ " .
হাদীস নং: ১৪৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৬৯. আবুল ওলীদ, কুতায়বা ও য়াযীদ (রাহঃ) পূর্ববতী হাদীসের অনুরূপ অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাবী কুতায়বা বলেন, আমার কিতাবে তা এইরূপে সংরক্ষিত আছেঃ সাঈদ ইবনে আবু সাঈদ বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ ঐ ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়, যে কুরআনকে স্পষ্টরূপে বিশুদ্ধভাবে মধুর সুরে তিলাওয়াত করে না।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَيَزِيدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ مَوْهَبٍ الرَّمْلِيُّ، بِمَعْنَاهُ أَنَّ اللَّيْثَ، حَدَّثَهُمْ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَهِيكٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، - وَقَالَ يَزِيدُ عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، - عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، وَقَالَ، قُتَيْبَةُ هُوَ فِي كِتَابِي عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ " .
হাদীস নং: ১৪৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৭০. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ....... সা’দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন ......... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرٍو، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَهِيكٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .