কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১৪৩১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৭. বিতরের পর দুআ পাঠ সম্পর্কে।
১৪৩১. মুহাম্মাদ ইবনে আওফ (রাহঃ) ...... আবু সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি নিদ্রা বা ভুলের কারণে বিতরের নামায আদায় করে নাই, সে যেন তা স্মরণ হওয়ার পরপরই আদায় করে নেয়।
كتاب الصلاة
باب فِي الدُّعَاءِ بَعْدَ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَوْفٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي غَسَّانَ، مُحَمَّدِ بْنِ مُطَرِّفٍ الْمَدَنِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ نَامَ عَنْ وِتْرِهِ أَوْ نَسِيَهُ فَلْيُصَلِّهِ إِذَا ذَكَرَهُ " .
হাদীস নং: ১৪৩২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৮. নিদ্রার পূর্বে বিতরের নামায আদায় সম্পর্কে।
১৪৩২. ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয় হাবীব রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে তিনটি কাজের জন্য ওসিয়াত করেছেন, যা আমি স্থায়ীভাবে কোথাও অবস্থানকালে এবং সফরের সময়েও ত্যাগ করি না।

১। চাশতের সময় দুই রাকআত নামায,

২। প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখা (১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের রোযা) এবং

৩। নিদ্রার পূর্বে বিতরের নামায আদায় করা।
كتاب الصلاة
باب فِي الْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا أَبَانُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، - مِنْ أَزْدِ شَنُوءَةَ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاَثٍ لاَ أَدَعُهُنَّ فِي سَفَرٍ وَلاَ حَضَرٍ رَكْعَتَىِ الضُّحَى وَصَوْمِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنَ الشَّهْرِ وَأَنْ لاَ أَنَامَ إِلاَّ عَلَى وِتْرٍ .
হাদীস নং: ১৪৩৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৮. নিদ্রার পূর্বে বিতরের নামায আদায় সম্পর্কে।
১৪৩৩. আব্দুল ওয়াহ্হাব্ ইবনে নাজ্দা (রাহঃ) ..... আবু দারদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয় হাবীব (ﷺ) আমাকে তিনটি জিনিসের জন্য উপদেশ দান করেছেন। আমি তা কোন অবস্থাতেই ত্যাগ করি না।

১. তিনি প্রতি মাসে তিন দিন আমাকে রোযা রাখার জন্য ওসিয়াত করেন,

২. বিতরের নামায আদায়ের পূর্বে না ঘুমাতে এবং

৩. চাশতের নামায আদায় করার নির্দেশ দেন, চাই তা সফরের সময় হোক বা স্থায়ীভাবে বাড়ীতে বসবাসের সময়।
كتاب الصلاة
باب فِي الْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ نَجْدَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ السَّكُونِيِّ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ " أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاَثٍ لاَ أَدَعُهُنَّ لِشَىْءٍ أَوْصَانِي بِصِيَامِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَلاَ أَنَامُ إِلاَّ عَلَى وِتْرٍ وَبِسُبْحَةِ الضُّحَى فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ .
হাদীস নং: ১৪৩৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৮. নিদ্রার পূর্বে বিতরের নামায আদায় সম্পর্কে।
১৪৩৪. মুহামাদ ইবনে আহমাদ (রাহঃ) ..... আবু কাতাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ) আবু বকর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ আপনি বিতরের নামায কোন সময় আদায় করেন? তিনি বলেন, রাত্রির পথম অংশে। অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কোন সময়ে বিতরের নামায আদায় করেন? তিনি বলেন, রাত্রির শেষ অংশে। তিনি আবু বকর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ সতর্কতা হেতু আপনি এর উপর আমল করতে থাকুন। তিনি উমর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ আপনি আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী আমল করুন।
كتاب الصلاة
باب فِي الْوِتْرِ قَبْلَ النَّوْمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا أَبُو زَكَرِيَّا، يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ السَّيْلَحِينِيُّ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لأَبِي بَكْرٍ " مَتَى تُوتِرُ " قَالَ أُوتِرُ مِنْ أَوَّلِ اللَّيْلِ . وَقَالَ لِعُمَرَ " مَتَى تُوتِرُ " . قَالَ آخِرَ اللَّيْلِ . فَقَالَ لأَبِي بَكْرٍ " أَخَذَ هَذَا بِالْحَزْمِ " . وَقَالَ لِعُمَرَ " أَخَذَ هَذَا بِالْقُوَّةِ " .
হাদীস নং: ১৪৩৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৯. বিতরের ওয়াক্ত সম্পর্কে।
১৪৩৫. আহমাদ ইবনে ইউনুস (রাহঃ) .... মাসরূক (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞসা করি যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) রাত্রির কোন সময়ে বিতর আদায় করতেন? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইশার নামায আদায়ের পর বিতরের নামায কোন সময় রাত্রির প্রথমাংশে, কোন সময় মধ্যম অংশে এবং কোন সময় শেষাংশে আদায় করতেন। তবে তিনি ইনতিকালের পূর্বে শেষ রাত্রিতে বিতরের নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ مَتَى كَانَ يُوتِرُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ كُلَّ ذَلِكَ قَدْ فَعَلَ أَوْتَرَ أَوَّلَ اللَّيْلِ وَوَسَطَهُ وَآخِرَهُ وَلَكِنِ انْتَهَى وِتْرُهُ حِينَ مَاتَ إِلَى السَّحَرِ .
হাদীস নং: ১৪৩৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৯. বিতরের ওয়াক্ত সম্পর্কে।
১৪৩৬. হারূন ইবনে মারূফ (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা সুবহে সাদিকের পূর্বেই বিতরের নামায আদায় করবে।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " بَادِرُوا الصُّبْحَ بِالْوِتْرِ " .
হাদীস নং: ১৪৩৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৯. বিতরের ওয়াক্ত সম্পর্কে।
১৪৩৭. কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাযিঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে আবু কায়েস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর বিতরের নামায সম্পর্কে আয়িশা (রাযিঃ)-কে জিজ্ঞাসা করি। তখন জবাবে তিনি বলেন, তিনি কখনও রাত্রির প্রথমাংশে এবং কখনও শেষাংশে তা আদায় করতেন। আমি বলি, তিনি কি কিরাআত আস্তে পড়তে না জোরে? তিনি বলেন, উভয় প্রকারেই কখনো জোরে এবং কখনো আস্তে। তিনি (অপবিত্রতার পরে) কোন সময় গোসল করে এবং কোন সময় উযু করে শয়ন করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ صَالِحٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَيْسٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنْ وِتْرِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ رُبَّمَا أَوْتَرَ أَوَّلَ اللَّيْلِ وَرُبَّمَا أَوْتَرَ مِنْ آخِرِهِ . قُلْتُ كَيْفَ كَانَتْ قِرَاءَتُهُ أَكَانَ يُسِرُّ بِالْقِرَاءَةِ أَمْ يَجْهَرُ قَالَتْ كُلَّ ذَلِكَ كَانَ يَفْعَلُ رُبَّمَا أَسَرَّ وَرُبَّمَا جَهَرَ وَرُبَّمَا اغْتَسَلَ فَنَامَ وَرُبَّمَا تَوَضَّأَ فَنَامَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَقَالَ غَيْرُ قُتَيْبَةَ تَعْنِي فِي الْجَنَابَةِ .
হাদীস নং: ১৪৩৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৪৯. বিতরের ওয়াক্ত সম্পর্কে।
১৪৩৮. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ তোমরা বিতরকে রাত্রির সর্বশেষ নামায হিসাবে আদায় করবে।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " اجْعَلُوا آخِرَ صَلاَتِكُمْ بِاللَّيْلِ وِتْرًا " .
হাদীস নং: ১৪৩৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৩৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫০. দুই বার বিতর পড়বে না।
১৪৩৯. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... কায়েস ইবনে তালক (রহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তালক ইবনে আলী (রাযিঃ) আমদের সাথে কোন এক রোযার দিনে সাক্ষাত করেন এবং সেদিন আমাদের সাথে ইফতার করেন। অতঃপর আমাদের নিয়ে জামাআতে তারাবীহ্ ও বিতরের নামায আদায় করে তিনি তাঁর নিজের মসজিদে গমন করেন এবং সেখানেও তাঁর সঙ্গীদের সাথে তারবীহ নামায আদায় করেন এবং বিতরের নামায আদায়ের জন্য অন্য এক ব্যক্তিকে ইমামতির জন্য সম্মুখে পাঠিয়ে দেন এবং বলেন, তুমি এদের সাথে বিতরের নামায আদায় কর। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছিঃ একই রাতে দুইবার বিতরের নামায আদায় করা যায় না।
كتاب الصلاة
باب فِي نَقْضِ الْوِتْرِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا مُلاَزِمُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَدْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ طَلْقٍ، قَالَ زَارَنَا طَلْقُ بْنُ عَلِيٍّ فِي يَوْمٍ مِنْ رَمَضَانَ وَأَمْسَى عِنْدَنَا وَأَفْطَرَ ثُمَّ قَامَ بِنَا تِلْكَ اللَّيْلَةَ وَأَوْتَرَ بِنَا ثُمَّ انْحَدَرَ إِلَى مَسْجِدِهِ فَصَلَّى بِأَصْحَابِهِ حَتَّى إِذَا بَقِيَ الْوِتْرُ قَدَّمَ رَجُلاً فَقَالَ أَوْتِرْ بِأَصْحَابِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ وِتْرَانِ فِي لَيْلَةٍ " .
হাদীস নং: ১৪৪০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪০. দাউদ ইবনে উমাইয়া (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নামায পাঠের অনুরূপ নামায আদায় করব। রাবী বলেন, তখন আবু হুরায়রা (রাযিঃ) যোহর, ইশা এবং ফজরের শেষ রাকআতে কুনূতে নাযেলাহ্ পাঠ করেন। তিনি এই নামাযের মধ্যে মুমিনদের জন্য দুআ করেন এবং কাফিরদের অভিসম্পাত দেন।
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ أُمَيَّةَ، حَدَّثَنَا مُعَاذٌ، - يَعْنِي ابْنَ هِشَامٍ - حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ وَاللَّهِ لأُقَرِّبَنَّ بِكُمْ صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَكَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يَقْنُتُ فِي الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ مِنْ صَلاَةِ الظُّهْرِ وَصَلاَةِ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ وَصَلاَةِ الصُّبْحِ فَيَدْعُو لِلْمُؤْمِنِينَ وَيَلْعَنُ الْكَافِرِينَ .
হাদীস নং: ১৪৪১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪১. আবুল ওয়ালীদ এবং মুসলিম ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) .... বারাআ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) ফজরের নামাযের সময় কুনূত পাঠ করেন। রাবী ইবনে মুআয (রাযিঃ) বলেন, তিনি মাগরিবের নামাযেও কুনূত পাঠ করতেন।*

* হানাফী মাযহাব অনুসারে, ফজরের নামাযে কুনুত নাযেলাই পাঠ করা যাবে না। তবে বিশেষ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত তা পাঠ করা যেতে পারে, যথা যুদ্ধ-বিগ্রহ ও মুসলমানদের উপর বিপদকালে - (অনুবাদক)
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، وَمُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَحَفْصُ بْنُ عُمَرَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالُوا، كُلُّهُمْ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْبَرَاءِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْنُتُ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ زَادَ ابْنُ مُعَاذٍ وَصَلاَةِ الْمَغْرِبِ .
হাদীস নং: ১৪৪২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪২. আব্দুর রহমান ইবনে ইবরাহীম (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মাস যাবৎ ইশার নামাযে কুনূতে নাযেলাহ্ পাঠ করেনঃ “ইয়া আল্লাহ! আপনি ওলীদ ইবনে ওলীদকে মুক্তি দান করুন। ইয়া আল্লাহ! আপনি সালামা ইবনে হিশামকে মুক্তি দিন। ইয়া আল্লাহ! আপনি সামর্থহীন দুর্বল মুমিনদেরকে নাজাত দান করুন। ইয়া আল্লাহ! আপনি আপনার দুশমনদের ধ্বংস করুন। ইয়া আল্লাহ! আপনি তাদের উপর ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর সময়ের মত করাল দুর্ভিক্ষ আপতিত করুন।” একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাযের সময় তাদের জন্য এরূপ দুআ না করায় আমি তাঁকে স্মরণ করিয়ে দেই। তখন তিনি বলেনঃ তুমি কি দেখ না যে, তারা মুক্তিপ্রাপ্ত হয়ে মদীনাতে চলে এসেছে?
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ الْعَتَمَةِ شَهْرًا يَقُولُ فِي قُنُوتِهِ " اللَّهُمَّ نَجِّ الْوَلِيدَ بْنَ الْوَلِيدِ اللَّهُمَّ نَجِّ سَلَمَةَ بْنَ هِشَامٍ اللَّهُمَّ نَجِّ الْمُسْتَضْعَفِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهُمَّ اشْدُدْ وَطْأَتَكَ عَلَى مُضَرَ اللَّهُمَّ اجْعَلْهَا عَلَيْهِمْ سِنِينَ كَسِنِي يُوسُفَ " . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ وَأَصْبَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ فَلَمْ يَدْعُ لَهُمْ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ " وَمَا تَرَاهُمْ قَدْ قَدِمُوا " .
হাদীস নং: ১৪৪৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪৩. আব্দুল্লাহ ইবনে মুআবিয়া (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ক্রমাগতভাবে একমাস যাবত যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা ও ফজরের নামাযে কুনূতে নাযেলাহ পাঠ করেন। অর্থাৎ তিনি প্রত্যেক নামাযের শেষ রাকআতে ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদা’ বলার পর বনী সুলায়ম, রিআল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যাদের জন্য বদ-দুআ করতেন। সে সময় মুক্তাদীগণ আমীন বলতেন।
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ خَبَّابٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شَهْرًا مُتَتَابِعًا فِي الظُّهْرِ وَالْعَصْرِ وَالْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ وَصَلاَةِ الصُّبْحِ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلاَةٍ إِذَا قَالَ " سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ " . مِنَ الرَّكْعَةِ الآخِرَةِ يَدْعُو عَلَى أَحْيَاءٍ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ عَلَى رِعْلٍ وَذَكْوَانَ وَعُصَيَّةَ وَيُؤَمِّنُ مَنْ خَلْفَهُ .
হাদীস নং: ১৪৪৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪৪. সুলাইমান ইবনে হারব (রাহঃ) ...... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফজরের নামাযে কুনূতে নাযেলাহ্ পাঠ করেছেন কি? তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর তাঁকে আরো জিজ্ঞাসা করা হয় যে, তিনি কি তা রুকূর পূর্বে না পরে পাঠ করেছেন? তিনি বলেন, রুকূর পরে।

রাবী মুসাদ্দাদ বলেন, তিনি এটা মাত্র কয়েক দিন পাঠ করেন।
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ سُئِلَ هَلْ قَنَتَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ فَقَالَ نَعَمْ . فَقِيلَ لَهُ قَبْلَ الرُّكُوعِ أَوْ بَعْدَ الرُّكُوعِ قَالَ بَعْدَ الرُّكُوعِ . قَالَ مُسَدَّدٌ بِيَسِيرٍ .
হাদীস নং: ১৪৪৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪৫. আবুল ওয়ালীদ আত-তায়ালিসী (রাহঃ) ...... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক সময় এক মাস যাবত কুনূতে নাযেলাহ্ পাঠের পর তা বন্ধ করেন।
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَنَتَ شَهْرًا ثُمَّ تَرَكَهُ .
হাদীস নং: ১৪৪৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
১৪৪৬. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রাহঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ফজরের নামায আদায়কারী জনৈক সাহাবী আমাকে বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দ্বিতীয় রাকআতের রুকূ হতে দাঁড়ানোর পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতেন।
كتاب الصلاة
باب الْقُنُوتِ فِي الصَّلَوَاتِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُفَضَّلٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، قَالَ حَدَّثَنِي مَنْ، صَلَّى مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْغَدَاةِ فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ قَامَ هُنَيَّةً .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১৪৪৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫২. ঘরে নফল নামায আদায়ের ফযিলত সম্পর্কে।
১৪৪৭. হারূন ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ...... যায়দ ইবনে ছাবিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মদীনার মসজিদে একটি হুজরা কায়েম করেন। তিনি রাতে সেখানে গমন করে নামায আদায় করতেন। ঐ সময় অন্যান্য লোকেরাও প্রতি রাতে তাঁর সাতে নামায আদায় করতেন। একদা রাতে তিনি মসজিদে না আসায় তাঁরা উচ্চস্বরে কথাবার্তা শুরু করেন, এমনকি তাঁর ঘরের দরজায় গিয়ে কেউ কেউ করাঘাত করে এবং কংকর নিক্ষেপ করে।

রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন রাগান্বিত হয়ে বাইরে এসে বলেনঃ হে জনগণ! তোমাদের কি হয়েছে? তোমরা নফল নামায জামাআতে আদায়ের জন্য এত ব্যতিব্যস্ত কেন? তোমাদের কর্মধারায় আমার কাছে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, এটা তোমাদের জন্য ফরয হয়ে যাবে। তোমরা স্ব-স্ব গৃহে (প্রত্যাবর্তন করে) নামায আদায় কর। কেননা মানুষের জন্য ফরয নামায ব্যতীত, অন্যান্য নামায গৃহেই আদায় করা উত্তম।
كتاب الصلاة
باب فِي فَضْلِ التَّطَوُّعِ فِي الْبَيْتِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْبَزَّازُ، حَدَّثَنَا مَكِّيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ - عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّهُ قَالَ احْتَجَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ حُجْرَةً فَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَخْرُجُ مِنَ اللَّيْلِ فَيُصَلِّي فِيهَا قَالَ فَصَلَّوْا مَعَهُ بِصَلاَتِهِ - يَعْنِي رِجَالاً - وَكَانُوا يَأْتُونَهُ كُلَّ لَيْلَةٍ حَتَّى إِذَا كَانَ لَيْلَةً مِنَ اللَّيَالِي لَمْ يَخْرُجْ إِلَيْهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَتَنَحْنَحُوا وَرَفَعُوا أَصْوَاتَهُمْ وَحَصَبُوا بَابَهُ - قَالَ - فَخَرَجَ إِلَيْهِمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُغْضَبًا فَقَالَ " يَا أَيُّهَا النَّاسُ مَا زَالَ بِكُمْ صَنِيعُكُمْ حَتَّى ظَنَنْتُ أَنْ سَتُكْتَبَ عَلَيْكُمْ فَعَلَيْكُمْ بِالصَّلاَةِ فِي بُيُوتِكُمْ فَإِنَّ خَيْرَ صَلاَةِ الْمَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلاَّ الصَّلاَةَ الْمَكْتُوبَةَ " .
হাদীস নং: ১৪৪৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫২. ঘরে নফল নামায আদায়ের ফযিলত সম্পর্কে।
১৪৪৮. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ...... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা স্ব স্ব গৃহে (নফল) নামায আদায় করবে এবং তাকে তোমরা কবর (সদৃশ্য) বানিও না।
كتاب الصلاة
باب فِي فَضْلِ التَّطَوُّعِ فِي الْبَيْتِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْعَلُوا فِي بُيُوتِكُمْ مِنْ صَلاَتِكُمْ وَلاَ تَتَّخِذُوهَا قُبُورًا " .
হাদীস নং: ১৪৪৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৪৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৩. (দীর্ঘ কিয়াম)
১৪৪৯. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে হাবশী আল-খাছআমী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করা হয় যে, উত্তম আমল কোনটি? তিনি বলেনঃ নামাযের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ দণ্ডায়মান থাকা। অতঃপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কোন সাদ্‌কাহ উত্তম? তিনি বলেনঃ সামর্থ্য না থাকা সত্ত্বেও দান করা। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, উত্তম হিজরত কোনটি? তিনি বলেনঃ আল্লাহ তাআলার হারাম বস্তুসমূহ হতে ফিরে থাকাই উত্তম হিজরত। অতঃপর তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কোন জিহাদ উৎকৃষ্ট? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তার জান-মাল দিয়ে মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করে। অতঃপর তাকে বলা হয়ঃ কোন ধরনের নিহত হওয়া উত্তম? তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তার ঘোড়াসহ যুদ্ধের ময়দানে নিহত।
كتاب الصلاة
باب
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيٍّ الأَزْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُبْشِيٍّ الْخَثْعَمِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ " طُولُ الْقِيَامِ " . قِيلَ فَأَىُّ الصَّدَقَةِ أَفْضَلُ قَالَ " جُهْدُ الْمُقِلِّ " . قِيلَ فَأَىُّ الْهِجْرَةِ أَفْضَلُ قَالَ " مَنْ هَجَرَ مَا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ " . قِيلَ فَأَىُّ الْجِهَادِ أَفْضَلُ قَالَ " مَنْ جَاهَدَ الْمُشْرِكِينَ بِمَالِهِ وَنَفْسِهِ " . قِيلَ فَأَىُّ الْقَتْلِ أَشْرَفُ قَالَ " مَنْ أُهْرِيقَ دَمُهُ وَعُقِرَ جَوَادُهُ " .
হাদীস নং: ১৪৫০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৫০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৫৪. ইবাদাতের জন্য রাত্রি জাগরনে উৎসাহিত করা।
১৪৫০. মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার (রাহঃ) ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ আল্লাহ ঐ বান্দার উপর রহম করুন, যে রাত্রিকালে উঠে নামায আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও জাগায় এবং সেও নামায আদায় করে। যদি সে (স্ত্রী) নিদ্রার কারণে উঠতে অস্বীকার করে, তবে সে তার মুখে পানি ছিটিয়ে দেয়। আল্লাহ তাআলা ঐ মহিলার উপরও রহম করুন, যে রাত্রিতে উঠে নামায আদায় করে এবং তার স্বামীকে ঘুম হতে জাগায় এবং সেও নামায পড়ে। যদি সে ঘুম হতে উঠতে অস্বীকার করে তবে সে তার মুখে পানি ছিটিয়ে জাগিয়ে তোলে।
كتاب الصلاة
باب الْحَثِّ عَلَى قِيَامِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، حَدَّثَنَا الْقَعْقَاعُ بْنُ حَكِيمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ " رَحِمَ اللَّهُ رَجُلاً قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّى وَأَيْقَظَ امْرَأَتَهُ فَصَلَّتْ فَإِنْ أَبَتْ نَضَحَ فِي وَجْهِهَا الْمَاءَ رَحِمَ اللَّهُ امْرَأَةً قَامَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّتْ وَأَيْقَظَتْ زَوْجَهَا فَإِنْ أَبَى نَضَحَتْ فِي وَجْهِهِ الْمَاءَ " .