কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১৪৭১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৭১. আব্দুল আলা ইবনে হাম্মাদ, আব্দুল জাব্বার ইবনুল ওযারদ (রাহঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি ইবনে আবু মুলায়কাকে বলতে শুনেছি, উবাইদুল্লাহ ইবনে আবু য়াযীদ বলেছেন, একদা আবু লুবাবা (রাযিঃ) আমার পার্শ দিয়ে গমনকালে আমি তাঁকে অনুসরণ করতে থাকি। ঐ সময় তিনি তাঁর ঘরে প্রবেশ করলে আমিও তথায় প্রবেশ করি। সেখানে আমি শীর্ণদেহ ও জীর্ণ বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে বলতে শুনি, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছিঃ ঐ ব্যক্তি আমাদের দলভুক্ত নয়, যে স্পষ্টভাবে উত্তম সুরে কুরআন পাঠ করে না।
রাবী বলেনঃ তখন আমি আবু মুলায়কাকে বলি, হে আবু মুহাম্মাদ! যদি কেউ এরূপে মধুর স্বরে তা পাঠ না করতে পারে? তিনি বলেন, সে ব্যক্তি তার সাধ্যানুযায়ী তা উত্তমরূপে তিলাওয়াতের চেষ্টা করবে।
রাবী বলেনঃ তখন আমি আবু মুলায়কাকে বলি, হে আবু মুহাম্মাদ! যদি কেউ এরূপে মধুর স্বরে তা পাঠ না করতে পারে? তিনি বলেন, সে ব্যক্তি তার সাধ্যানুযায়ী তা উত্তমরূপে তিলাওয়াতের চেষ্টা করবে।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ حَمَّادٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْوَرْدِ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ أَبِي مُلَيْكَةَ، يَقُولُ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ مَرَّ بِنَا أَبُو لُبَابَةَ فَاتَّبَعْنَاهُ حَتَّى دَخَلَ بَيْتَهُ فَدَخَلْنَا عَلَيْهِ فَإِذَا رَجُلٌ رَثُّ الْبَيْتِ رَثُّ الْهَيْئَةِ فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَتَغَنَّ بِالْقُرْآنِ " . قَالَ فَقُلْتُ لاِبْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ أَرَأَيْتَ إِذَا لَمْ يَكُنْ حَسَنَ الصَّوْتِ قَالَ يُحَسِّنُهُ مَا اسْتَطَاعَ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৭২. মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমানের সূত্রে বর্ণিত। ওকী (রাহঃ) বলেন, ইবনে উয়াইনা (রাহঃ) সুমধুর স্বরে কুরআন তিলাওয়াত করতেন।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، قَالَ قَالَ وَكِيعٌ وَابْنُ عُيَيْنَةَ يَعْنِي يَسْتَغْنِي بِهِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা’আতের মধ্যে ’তারতিল’ সম্পর্কে।
১৪৭৩. সুলাইমান ইবনে দাউদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাআলাঃ কোন কিছুই এতটা নিবিষ্টভাবে শুনেন না যেভাবে তিনি কুরআনের পাঠ শুনেন- যখন তাঁর নবী সুমধুর কন্ঠে স্পষ্ট উচ্চারণে তা পাঠ করেন।
كتاب الصلاة
باب اسْتِحْبَابِ التَّرْتِيلِ فِي الْقِرَاءَةِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي عُمَرُ بْنُ مَالِكٍ، وَحَيْوَةُ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا أَذِنَ اللَّهُ لِشَىْءٍ مَا أَذِنَ لِنَبِيٍّ حَسَنِ الصَّوْتِ يَتَغَنَّى بِالْقُرْآنِ يَجْهَرُ بِهِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬২. কুরআন হিফজের পর তা ভুলে গেলে, তার কঠোর পরিণতি সম্পর্কে।
১৪৭৪. মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রাহঃ) ..... সাদ ইবনে উবাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরআন পাঠের পর তা ভুলে যায়, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে কুষ্ঠ রোগাক্রান্ত অবস্থায় আসবে। (কুষ্ঠ রোগের কারণে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যেন খসে খসে পড়ছে)
كتاب الصلاة
باب التَّشْدِيدِ فِيمَنْ حَفِظَ الْقُرْآنَ ثُمَّ نَسِيَهُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي زِيَادٍ، عَنْ عِيسَى بْنِ فَائِدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا مِنِ امْرِئٍ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ يَنْسَاهُ إِلاَّ لَقِيَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَجْذَمَ " .
হাদীস নং: ১৪৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩. কুরআন সাত হরফে নাযিল হওয়া সম্পর্কে।
১৪৭৫. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল ক্বারী (রাহঃ) বলেন, আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-কে শুনেছিঃ আমি হিশাম ইবনে হাকীম (রাযিঃ)- কে সূরা আল-ফুরকান আমার পাঠের নিয়মের ব্যতিক্রমে পাঠ করতে শুনি। অথচ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) স্বয়ং আমাকে তা শিক্ষা দেন। আমি তার উপর ঝাপিয়ে পড়তে উদ্যত হই, কিন্তু তাঁকে পাঠ করার সুযোগ দিলাম। তিনি আবসর হলে আমি তার গলায় আমার চাদর পেচিয়ে তাকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে হাযির করি এবং বলিঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি এই ব্যক্তিকে সূরা ফুরকান অন্যরূপে তিলাওয়াত করতে শুনেছি, যেরূপে আপনি আমাকে শিক্ষা দিয়েছেন তার বিপরীত।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বলেনঃ তুমি পাঠ কর। তখন সে ব্যক্তি ঐরূপে পাঠ করে, যেরূপে আমি তাকে পাঠ করতে শুনেছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তা এরূপই অবতীর্ণ হয়েছে। পরে তিনি আমাকে বলেনঃ এবার তুমি পাঠ কর। তখন আমি তা তিলাওয়াত করি। আমার পাঠের পর তিনি বলেনঃ সূরাটি এভাবে নাযিল হয়েছে। অতপর তিনি বলেনঃ কুরআন সাত কিরা’আতে অবতীর্ণ হয়েছে। অতএব যেভাবে পড়তে সহজ হয় তোমার পাঠ কর।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে বলেনঃ তুমি পাঠ কর। তখন সে ব্যক্তি ঐরূপে পাঠ করে, যেরূপে আমি তাকে পাঠ করতে শুনেছিলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তা এরূপই অবতীর্ণ হয়েছে। পরে তিনি আমাকে বলেনঃ এবার তুমি পাঠ কর। তখন আমি তা তিলাওয়াত করি। আমার পাঠের পর তিনি বলেনঃ সূরাটি এভাবে নাযিল হয়েছে। অতপর তিনি বলেনঃ কুরআন সাত কিরা’আতে অবতীর্ণ হয়েছে। অতএব যেভাবে পড়তে সহজ হয় তোমার পাঠ কর।
كتاب الصلاة
باب أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ سَمِعْتُ هِشَامَ بْنَ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَؤُهَا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَقْرَأَنِيهَا فَكِدْتُ أَنْ أَعْجَلَ عَلَيْهِ ثُمَّ أَمْهَلْتُهُ حَتَّى انْصَرَفَ ثُمَّ لَبَّبْتُهُ بِرِدَائِهِ فَجِئْتُ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي سَمِعْتُ هَذَا يَقْرَأُ سُورَةَ الْفُرْقَانِ عَلَى غَيْرِ مَا أَقْرَأْتَنِيهَا . فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اقْرَأْ " . فَقَرَأَ الْقِرَاءَةَ الَّتِي سَمِعْتُهُ يَقْرَأُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَكَذَا أُنْزِلَتْ " . ثُمَّ قَالَ لِي " اقْرَأْ " . فَقَرَأْتُ فَقَالَ " هَكَذَا أُنْزِلَتْ " . ثُمَّ قَالَ " إِنَّ هَذَا الْقُرْآنَ أُنْزِلَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ فَاقْرَءُوا مَا تَيَسَّرَ مِنْهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩. কুরআন সাত হরফে নাযিল হওয়া সম্পর্কে।
১৪৭৬. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহিয়া (রাহঃ) .... মা’মার (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমাম যুহরী (রাহঃ) বলেন, কুরআন যে সাত কিরাআতে অবতীর্ণ হয়েছে, তা কেবলমাত্র আক্ষরিক পার্থক্য, এতে হালাল-হারাম সম্পর্কে কোন বিভেদ নাই।
كتاب الصلاة
باب أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ قَالَ الزُّهْرِيُّ إِنَّمَا هَذِهِ الأَحْرُفُ فِي الأَمْرِ الْوَاحِدِ لَيْسَ تَخْتَلِفُ فِي حَلاَلٍ وَلاَ حَرَامٍ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩. কুরআন সাত হরফে নাযিল হওয়া সম্পর্কে।
১৪৭৭. আবুল ওয়ালীদ আত-তায়ালিস (রাহঃ) ..... উবাই ইবনে কা’ব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলেন, হে উবাই, আমাকে কুরআন শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এবং, তুমি কি তা এক হরফে পড়তে চাও, না দুই হরফে? ঐ সময় আমার সঙ্গী ফিরিশতা আমাকে বলেন, আপনি বলুন, আমি দুই হরফে পড়তে চাই। তখন আমি বলিঃ দুই হরফের দ্বারা। আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয়ঃ তুমি কি দুই হরফে পড়তে চাও, না তিন হরফে? তখন আমার সঙ্গী ফিরিশতা (জিবরাঈল) আমাকে বলেন, আপনি বলুনঃ তিনি হরফের দ্বারা। তখন আমি বলিঃ তিন হরফের রীতিতে। এরূপে সাত কিরাআত (বা রীতি) পর্যন্ত পৌছায়।
অতঃপর তিনি বলেন, এই হরফগুলো বা কিরা’আত দ্বারা কুরআন পরিপূর্ণভাবে বোধগম্য হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যদি তুমি বলঃ (سَمِيعًا عَلِيمًا عَزِيزًا حَكِيمًا) তবে তুমি ঠিকই বলবে। (এভাবে যদি কেউ বলেঃسَمِيعًا عَلِيمًا او عَلِيمًا سَمِيعًا তবে তাও ঠিক) যতক্ষণ না আযাবের আয়াত রহমতের সাথে অথবা রহমতের আয়াত আযাবের সাথে সম্মিলিত হয়। (অর্থাৎ শব্দের বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও যেন অর্থের মধ্যে কোনরূপ ব্যতিক্রম না হয়)।
অতঃপর তিনি বলেন, এই হরফগুলো বা কিরা’আত দ্বারা কুরআন পরিপূর্ণভাবে বোধগম্য হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যদি তুমি বলঃ (سَمِيعًا عَلِيمًا عَزِيزًا حَكِيمًا) তবে তুমি ঠিকই বলবে। (এভাবে যদি কেউ বলেঃسَمِيعًا عَلِيمًا او عَلِيمًا سَمِيعًا তবে তাও ঠিক) যতক্ষণ না আযাবের আয়াত রহমতের সাথে অথবা রহমতের আয়াত আযাবের সাথে সম্মিলিত হয়। (অর্থাৎ শব্দের বিচ্ছিন্নতা সত্ত্বেও যেন অর্থের মধ্যে কোনরূপ ব্যতিক্রম না হয়)।
كتاب الصلاة
باب أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمُرَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ صُرَدٍ الْخُزَاعِيِّ، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " يَا أُبَىُّ إِنِّي أُقْرِئْتُ الْقُرْآنَ فَقِيلَ لِي عَلَى حَرْفٍ أَوْ حَرْفَيْنِ فَقَالَ الْمَلَكُ الَّذِي مَعِي قُلْ عَلَى حَرْفَيْنِ . قُلْتُ عَلَى حَرْفَيْنِ . فَقِيلَ لِي عَلَى حَرْفَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةٍ . فَقَالَ الْمَلَكُ الَّذِي مَعِي قُلْ عَلَى ثَلاَثَةٍ . قُلْتُ عَلَى ثَلاَثَةٍ . حَتَّى بَلَغَ سَبْعَةَ أَحْرُفٍ ثُمَّ قَالَ لَيْسَ مِنْهَا إِلاَّ شَافٍ كَافٍ إِنْ قُلْتَ سَمِيعًا عَلِيمًا عَزِيزًا حَكِيمًا مَا لَمْ تَخْتِمْ آيَةَ عَذَابٍ بِرَحْمَةٍ أَوْ آيَةَ رَحْمَةٍ بِعَذَابٍ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩. কুরআন সাত হরফে নাযিল হওয়া সম্পর্কে।
১৪৭৮. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) ..... উবাই ইবনে কা’ব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ) গিফার গোত্রের কূপের নিকট আবস্থনকালে তার নিকট জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) আগমন করে বলেনঃ আল্লাহ রবুল আলামীন নির্দেশ প্রদান করেছেন যে, আপনি আপনার উম্মতের সকলকে যেন একই কিরাতের অনুসারী বানান। তখন তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর নিকট এইজন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি যে, এ ব্যাপারে আমার উম্মতের এই ক্ষমতা নাই। জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) দ্বিতীয় বার আগমন করে পূর্বের ন্যায় বলেন, নবী করীম (ﷺ) একইরূপ বলেন। এরূপে সাত কিরাআত পর্যন্ত পৌছায়। অতঃপর জিবরাঈল (আলাইহিস সালাম) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা আপনাকে আপনার উম্মতদেরকে সাত কিরাতের কুরআন পড়বার অনুমতি প্রদান করেছেন। আপনার উম্মতের এই সাত কিরাআতের যে কোন কিরাআতে কুরআন পাঠ করবে, তারা ঠিক করবে।
كتاب الصلاة
باب أُنْزِلَ الْقُرْآنُ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ
حَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ عِنْدَ أَضَاةِ بَنِي غِفَارٍ فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ عَلَى حَرْفٍ . قَالَ " أَسْأَلُ اللَّهَ مُعَافَاتَهُ وَمَغْفِرَتَهُ إِنَّ أُمَّتِي لاَ تُطِيقُ ذَلِكَ " . ثُمَّ أَتَاهُ ثَانِيَةً فَذَكَرَ نَحْوَ هَذَا حَتَّى بَلَغَ سَبْعَةَ أَحْرُفٍ قَالَ إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُكَ أَنْ تُقْرِئَ أُمَّتَكَ عَلَى سَبْعَةِ أَحْرُفٍ فَأَيُّمَا حَرْفٍ قَرَءُوا عَلَيْهِ فَقَدْ أَصَابُوا .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৪৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৭৯. হাফস ইবনে উমর (রাহঃ) ..... নু’মান ইবনে বাশীর (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি (নবী (ﷺ)) বলেনঃ দুআও একটি ইবাদাত। তোমাদের রব বলেনঃ তোমরা আমার নিকট দুআ কর আমি তা কবুল করব।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ يُسَيْعٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ ( قَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ) " .
হাদীস নং: ১৪৮০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮০. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... ইবনে সা’দ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে এরূপ বলতে শুনেন যে, “ইয়া আল্লাহ! আমি আপনার নিকট জান্নাত, তার নিআমত ও সুখ-সৌন্দর্য ইত্যাদি কামনা করছি এবং আপনার নিকট দোজখের অগ্নি, তার লোহার জিঞ্জীর ও বেড়ী ইত্যাদি হতে পরিত্রাণ কামনা করি।″ আমার পিতা বলেন, হে প্রিয় বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে বলতে শুনেছি যে, অতি সত্বর এমন এক সম্প্রদায় প্রকাশ পাবে, যারা দুআর মধ্যে অতিরঞ্জন করবে। কাজেই তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হইও না। যদি তোমাকে জান্নাত দান করা হয়, তবে তার যাবতীয় সুখ-সম্পদ, আরাম- আয়েশের উপকরনাদিসহ প্রদান করা হবে। আর যদি তোমাকে দোযখের আগুন হতে রক্ষা করা হয়, তবে অবশ্যই তুমি তার যাবতীয় কষ্ট মুসীবত হতেও নিষ্কৃতি পাবে।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ، عَنْ أَبِي نُعَامَةَ، عَنِ ابْنٍ لِسَعْدٍ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعَنِي أَبِي، وَأَنَا أَقُولُ اللَّهُمَّ، إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَنَعِيمَهَا وَبَهْجَتَهَا وَكَذَا وَكَذَا وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَسَلاَسِلِهَا وَأَغْلاَلِهَا وَكَذَا وَكَذَا فَقَالَ يَا بُنَىَّ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " سَيَكُونُ قَوْمٌ يَعْتَدُونَ فِي الدُّعَاءِ " . فَإِيَّاكَ أَنْ تَكُونَ مِنْهُمْ إِنْ أُعْطِيتَ الْجَنَّةَ أُعْطِيتَهَا وَمَا فِيهَا مِنَ الْخَيْرِ وَإِنْ أُعِذْتَ مِنَ النَّارِ أُعِذْتَ مِنْهَا وَمَا فِيهَا مِنَ الشَّرِّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮১
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮১. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ....... ফাদালা ইবনে উবাইেদ (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) এর সাবাহী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শুনতে পান যে, জনৈক ব্যক্তি আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা ও নবী করীম (ﷺ) এর উপর দরূদ পাঠ ব্যতিরেকে দুআ করতে শুরু করে। তিনি বলেনঃ সে তাড়াহুড়া করেছে।
রাবী বলেন, অতঃপর তিনি ঐ ব্যক্তিকে বা অন্য কাউকে ডেকে বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করবে, তখন সে যেন সর্বপ্রথম আল্লাহর প্রশংসা ও নবীর উপর দরূদ পাঠ করে।
রাবী বলেন, অতঃপর তিনি ঐ ব্যক্তিকে বা অন্য কাউকে ডেকে বলেনঃ যখন তোমাদের কেউ নামায আদায় করবে, তখন সে যেন সর্বপ্রথম আল্লাহর প্রশংসা ও নবীর উপর দরূদ পাঠ করে।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا حَيْوَةُ، أَخْبَرَنِي أَبُو هَانِئٍ، حُمَيْدُ بْنُ هَانِئٍ أَنَّ أَبَا عَلِيٍّ، عَمْرَو بْنَ مَالِكٍ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ فَضَالَةَ بْنَ عُبَيْدٍ، صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ سَمِعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً يَدْعُو فِي صَلاَتِهِ لَمْ يُمَجِّدِ اللَّهَ تَعَالَى وَلَمْ يُصَلِّ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عَجِلَ هَذَا " . ثُمَّ دَعَاهُ فَقَالَ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ " إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِتَحْمِيدِ رَبِّهِ جَلَّ وَعَزَّ وَالثَّنَاءِ عَلَيْهِ ثُمَّ يُصَلِّي عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ يَدْعُو بَعْدُ بِمَا شَاءَ " .
হাদীস নং: ১৪৮২
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮২. হারূন ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুআর মধ্যে জাওয়ামি (অর্থাৎ এরূপ দুআ যার মধ্যে দুনিয়া ও আখিরাতের বিষয় উল্লেখ থাকে; যে দুআর মধ্যে সমস্ত মুসলমান শামিল অথবা এরূপ দুআ যা স্বয়ংসম্পূর্ণ) কে ভালবাসতেন এবং এটা ব্যতীত অন্য সব কিছু তিনি পরিত্যাগ করতেন।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ شَيْبَانَ، عَنْ أَبِي نَوْفَلٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسْتَحِبُّ الْجَوَامِعَ مِنَ الدُّعَاءِ وَيَدَعُ مَا سِوَى ذَلِكَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৩. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কেউ যেন এরূপ দুআ না করে, ইয়া আল্লাহ। যদি তুমি ইচ্ছা কর তবে আমাকে মার্জনা কর। আর যদি তুমি চাও, তবে আমার উপর রহম কর। বরং দৃঢ়তার সাথে দুআ করবে। কেননা আল্লাহর উপর কারো জোর খাটে না।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ لاَ مُكْرِهَ لَهُ " .
হাদীস নং: ১৪৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৪. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের দু'আ কবুল হয়ে থাকে, যতক্ষণ না সে ব্যক্তি তার জন্য তাড়াহুড়া করে এবং এরূপ বলতে থাকে যে, আমি দুআ করলাম অথচ তা কবুল হয় নাই।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يُسْتَجَابُ لأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ فَيَقُولُ قَدْ دَعَوْتُ فَلَمْ يُسْتَجَبْ لِي " .
হাদীস নং: ১৪৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৫. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসলামা (রাহঃ) ...... আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমরা দেওয়ালে পর্দা দিও না। যে ব্যক্তি অন্যের বিনা অনুমতিতে তার চিঠির প্রতি নজর করে সে যেন দোজখের প্রতি দৃষ্টিপাত করল। তোমরা তোমাদের হাতের তালু উপরের দিকে করে দুআ করবে, হাতের পিঠ উপরের দিকে করে নয় এবং দুআর শেষে (হাত) মুখমণ্ডলে মাসাহ করবে।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَيْمَنَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَعْقُوبَ بْنِ إِسْحَاقَ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ الْقُرَظِيِّ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَسْتُرُوا الْجُدُرَ مَنْ نَظَرَ فِي كِتَابِ أَخِيهِ بِغَيْرِ إِذْنِهِ فَإِنَّمَا يَنْظُرُ فِي النَّارِ سَلُوا اللَّهَ بِبُطُونِ أَكُفِّكُمْ وَلاَ تَسْأَلُوهُ بِظُهُورِهَا فَإِذَا فَرَغْتُمْ فَامْسَحُوا بِهَا وُجُوهَكُمْ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ كُلُّهَا وَاهِيَةٌ وَهَذَا الطَّرِيقُ أَمْثَلُهَا وَهُوَ ضَعِيفٌ أَيْضًا .
হাদীস নং: ১৪৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৬. সুলাইমান ইবনে আব্দুল হামীদ (রাহঃ) ..... মালিক ইবনে ইয়াসার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমরা আল্লাহ কাছে দুআ কর তখন তোমরা হাতের পেট দ্বারা দুআ করবে, পিঠ দ্বারা নয়। সুলাইমান (রাহঃ) বলেন, আমাদের মতে, মালিক (রাযিঃ) মহানবী (ﷺ)-এর সাহচর্য লাভ করেছেন।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْبَهْرَانِيُّ، قَالَ قَرَأْتُهُ فِي أَصْلِ إِسْمَاعِيلَ - يَعْنِي ابْنَ عَيَّاشٍ - حَدَّثَنِي ضَمْضَمٌ عَنْ شُرَيْحٍ حَدَّثَنَا أَبُو ظَبْيَةَ أَنَّ أَبَا بَحْرِيَّةَ السَّكُونِيَّ حَدَّثَهُ عَنْ مَالِكِ بْنِ يَسَارٍ السَّكُونِيِّ ثُمَّ الْعَوْفِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ فَاسْأَلُوهُ بِبُطُونِ أَكُفِّكُمْ وَلاَ تَسْأَلُوهُ بِظُهُورِهَا " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ لَهُ عِنْدَنَا صُحْبَةٌ يَعْنِي مَالِكَ بْنَ يَسَارٍ .
হাদীস নং: ১৪৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৭. উকবা ইবনে মুকাররাম (রাহঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে কখনও হাতের পেটের দ্বারা এবং কখনও পিঠের দ্বারা দুআ (ইসতিসকার নামাযে) করতে দেখেছি।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، حَدَّثَنَا سَلْمُ بْنُ قُتَيْبَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَبْهَانَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَدْعُو هَكَذَا بِبَاطِنِ كَفَّيْهِ وَظَاهِرِهِمَا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৮. মুতাম্মল ইবনে ফাদল (রাহঃ) ..... সালমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদের রব চিরঞ্জীব ও মহান দাতা। যখন কোন বান্দাহ হাত উঠিয়ে দুআ করে, তখন তিনি তার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ الْفَضْلِ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا عِيسَى، - يَعْنِي ابْنَ يُونُسَ - حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مَيْمُونٍ صَاحِبَ الأَنْمَاطِ - حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ، عَنْ سَلْمَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ رَبَّكُمْ تَبَارَكَ وَتَعَالَى حَيِيٌّ كَرِيمٌ يَسْتَحْيِي مِنْ عَبْدِهِ إِذَا رَفَعَ يَدَيْهِ إِلَيْهِ أَنْ يَرُدَّهُمَا صِفْرًا " .
হাদীস নং: ১৪৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৯. মুসা ইবনে ইসমাঈল (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, দুআর আদব (শিষ্টতা) হল, উভয় কাঁধ বা তার সম-পরিমাণ পর্যন্ত উত্তোলন করা এবং ইস্তেগফারের (গুনাহ মাফের জন্য দুআ করার) আদব হল, দুআর সময় শাহাদাত আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করা। ইবতিহালের (অর্থাৎ দুআর সময় রোনাজারি, কান্নাকাটি করা) আদব হল-দুআর সময় উভয় হস্তকে এত উপরে উঠানো যাতে হাতের বগলের সাদা অংশ দৃষ্টিগোচর হয়।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، - يَعْنِي ابْنَ خَالِدٍ - حَدَّثَنِي الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ الْمَسْأَلَةُ أَنْ تَرْفَعَ، يَدَيْكَ حَذْوَ مَنْكِبَيْكَ أَوْ نَحْوَهُمَا وَالاِسْتِغْفَارُ أَنْ تُشِيرَ بِأُصْبُعٍ وَاحِدَةٍ وَالاِبْتِهَالُ أَنْ تَمُدَّ يَدَيْكَ جَمِيعًا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৪৯০
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৯০. আমর ইবনে উছমান (রাহঃ) ..... আব্বাস ইবনে আব্দুল্লাহ (রাহঃ) হতে এই হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, ইবতিহাল এরূপ যে, দুআর সময় হাতের পৃষ্ঠদেশ দুআকারীর মুখের দিকে থাকবে।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْبَدِ بْنِ عَبَّاسٍ، بِهَذَا الْحَدِيثِ قَالَ فِيهِ وَالاِبْتِهَالُ هَكَذَا وَرَفَعَ يَدَيْهِ وَجَعَلَ ظُهُورَهُمَا مِمَّا يَلِي وَجْهَهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী: