কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
২. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৪৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৪৮৩
নামাযের অধ্যায়
৩৬৪. দুআর ফযিলত।
১৪৮৩. আল-কানবী (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, কেউ যেন এরূপ দুআ না করে, ইয়া আল্লাহ। যদি তুমি ইচ্ছা কর তবে আমাকে মার্জনা কর। আর যদি তুমি চাও, তবে আমার উপর রহম কর। বরং দৃঢ়তার সাথে দুআ করবে। কেননা আল্লাহর উপর কারো জোর খাটে না।
كتاب الصلاة
باب الدُّعَاءِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّهُ لاَ مُكْرِهَ لَهُ " .
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এর মর্ম হচ্ছে, দৈন্য ও অক্ষমতা, নিজের কাঙালপনা ও মুখাপেক্ষিতার দাবী হচ্ছে, বান্দা তার সদয় মেহেরবান প্রভুর দরবারে সম্পূর্ণ সংশয়মুক্ত ও দোদুল্যমানতামুক্ত হৃদয়মন ও বিশ্বাস নিয়ে তার হাজত পেশ করবে। এরূপ বলবে না যে, হে আল্লাহ, তুমি যদি চাও তা হলে দাও। এতে কিছুটা বেপরোয়া মনোভাবের অভিব্যক্তি ঘটে। এটা মাকামে আবদিয়াত ও প্রার্থনার পরিপন্থী। (ভাবখানা যেন এই, তুমি না দিলেও তেমন কিছু যায়-আসে না) এভাবে দু'আ মোটেও প্রাণবন্ত হয় না। তাই বান্দার উচিত এরূপ বলা যে, হে আমার প্রভু, হে আমার দয়াল মনিব! আমার এ অভাব তোমাকে মিটাতে হবে (তুমি ছাড়া কে আমার অভাব মিটাবে, প্রার্থনা কবুল করবে?) এতে কোন সন্দেহ নেই যে, তিনি যা চাইবেন তাই করবেন, এমন কোন সত্তা নেই যে তাঁর উপর চাপ প্রয়োগ করে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)