কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১৩১১
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৩. নামাযের মধ্যে তন্দ্রা এলে।
১৩১১. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ নামায পাঠের জন্য দণ্ডায়মান হয়, তখন তন্দ্রার কারণে কুরআনের আয়াত পাঠ করছে তা বুঝতে না পারে, এমতাবস্থায় সে নিদ্রার জন্য শয়ন করবে।
كتاب الصلاة
باب النُّعَاسِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَاسْتَعْجَمَ الْقُرْآنُ عَلَى لِسَانِهِ فَلَمْ يَدْرِ مَا يَقُولُ فَلْيَضْطَجِعْ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৩. নামাযের মধ্যে তন্দ্রা এলে।
১৩১২. যিয়াদ ইবনে আইয়ুব (রাহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পান যে, দুটি খুটির সাথে একটি রশি বাঁধা আছে। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ এটা কেন? তখন জনৈক ব্যক্তি বলেনঃ এটা হামনা বিনতে জাহাশ (রাযিঃ) এর রশি। তিনি রাত্রিতে নামায আদায়কালে যখন ক্লান্তিবোধ করেন, তখন তিনি নিজেকে এর দ্বারা আটকে রাখেন। এতদশ্রবণে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ সামর্থ অনুযায়ী নামায আদায় করবে এবং যখন ক্লান্তি বোধ করবে, তখন বিশ্রাম গ্রহণ করবে।
রাবী যিয়াদ বলেনঃ তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ এটা কি? জবাবে তাঁরা বলেনঃ এটা যয়নাব (রাযিঃ) এর রশি। তিনি রাত্রিতে নামায আদায়কালে যখন ক্লান্তিবোধ করেন, তখন তিনি এর দ্বারা নিজেকে আটকে রাখেন। তখন তিনি নির্দেশ দেন, এটা খুলে ফেল। অতঃপর তিনি বলেনঃ তোমরা আনন্দের সাথে নামায আদায় করবে এবং যখন ক্লান্তি বোধ করবে তখন বিশ্রাম নিবে।
রাবী যিয়াদ বলেনঃ তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ এটা কি? জবাবে তাঁরা বলেনঃ এটা যয়নাব (রাযিঃ) এর রশি। তিনি রাত্রিতে নামায আদায়কালে যখন ক্লান্তিবোধ করেন, তখন তিনি এর দ্বারা নিজেকে আটকে রাখেন। তখন তিনি নির্দেশ দেন, এটা খুলে ফেল। অতঃপর তিনি বলেনঃ তোমরা আনন্দের সাথে নামায আদায় করবে এবং যখন ক্লান্তি বোধ করবে তখন বিশ্রাম নিবে।
كتاب الصلاة
باب النُّعَاسِ فِي الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ، وَهَارُونُ بْنُ عَبَّادٍ الأَزْدِيُّ، أَنَّ إِسْمَاعِيلَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَهُمْ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسْجِدَ وَحَبْلٌ مَمْدُودٌ بَيْنَ سَارِيَتَيْنِ فَقَالَ " مَا هَذَا الْحَبْلُ " . فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذِهِ حَمْنَةُ بِنْتُ جَحْشٍ تُصَلِّي فَإِذَا أَعْيَتْ تَعَلَّقَتْ بِهِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِتُصَلِّ مَا أَطَاقَتْ فَإِذَا أَعْيَتْ فَلْتَجْلِسْ " . قَالَ زِيَادٌ فَقَالَ " مَا هَذَا " . فَقَالُوا لِزَيْنَبَ تُصَلِّي فَإِذَا كَسِلَتْ أَوْ فَتَرَتْ أَمْسَكَتْ بِهِ . فَقَالَ " حُلُّوهُ " . فَقَالَ " لِيُصَلِّ أَحَدُكُمْ نَشَاطَهُ فَإِذَا كَسِلَ أَوْ فَتَرَ فَلْيَقْعُدْ " .
হাদীস নং: ১৩১৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৪. নিদ্রার কারণে ওযীফা পরিত্যক্ত হওয়া সম্পর্কে।
১৩১৩. কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ..... উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রিতে নামায আদায়কালে নিদ্রার কারণে তার সম্পূর্ণ বা আংশিক অযীফা পরিত্যক্ত হয়; অতঃপর সে যদি তা ফজর ও যোহরের মধ্যবর্তী সময়ে পাঠ করে, তবে রাত্রিতে পাঠের ফলে যেরূপ সাওয়াব ঐ ব্যক্তির আমলনামায় লেখা হত তদ্রূপ সাওয়াব লেখা হয়।
كتاب الصلاة
باب مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو صَفْوَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَرْوَانَ، ح وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، - الْمَعْنَى - عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ، وَعُبَيْدَ اللَّهِ، أَخْبَرَاهُ أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ قَالاَ عَنِ ابْنِ وَهْبِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، قَالَ سَمِعْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ نَامَ عَنْ حِزْبِهِ أَوْ عَنْ شَىْءٍ مِنْهُ فَقَرَأَهُ مَا بَيْنَ صَلاَةِ الْفَجْرِ وَصَلاَةِ الظُّهْرِ كُتِبَ لَهُ كَأَنَّمَا قَرَأَهُ مِنَ اللَّيْلِ " .
হাদীস নং: ১৩১৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৫. নামাযের নিয়ত করবার পর নিদ্রাচ্ছন্ন হলে।
১৩১৪. আল-কানবী (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত্রিতে নিয়মিত নামায আদায় করে থাকে সে যদি কোন রাত্রিতে নিদ্রাচ্ছন্ন হওয়ার কারণে নামায আদায়ে ব্যর্থ হয় তবুও আল্লাহ তাআলা তার আমলনামায় উক্ত নামায আদায়ের অনুরূপ সাওয়াব প্রদান করবেন এবং তার ঐ নিদ্রা সাদ্কাস্বরূপ হবে।
كتاب الصلاة
باب مَنْ نَوَى الْقِيَامَ فَنَامَ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ رَجُلٍ، عِنْدَهُ رَضِيٍّ أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنِ امْرِئٍ تَكُونُ لَهُ صَلاَةٌ بِلَيْلٍ يَغْلِبُهُ عَلَيْهَا نَوْمٌ إِلاَّ كُتِبَ لَهُ أَجْرُ صَلاَتِهِ وَكَانَ نَوْمُهُ عَلَيْهِ صَدَقَةً " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৬. রাত্রির কোন সময়টা ইবাদতের জন্য উত্তম।
১৩১৫. আল-কানবী (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ প্রত্যহ আল্লাহ রবুল আলামীন রাত্রির এক-তৃতীয়াংশ অবশিষ্ট থাকতে দুনিয়ার আকাশে অবতীর্ণ হয়ে বলতে থাকেনঃ তোমাদের কেউ আমার নিকট কোন কিছুর জন্য প্রার্থনা করবে, আমি তার ঐ দুআ কবুল করব, যে কেউ আমার নিকট কিছু যাচ্ঞা করবে, আমি তা তাকে প্রদান করব এবং যে আমার নিকট গুনাহ মাফের জন্য কান্না করবে, আমি তার গুনাহ মাফ করব (এতে বুঝা গেল যে, দুআ কবুলের জন্য রাত্রির তিনভাগের শেষ ভাগ সময়টি উত্তম)।
كتاب الصلاة
باب أَىُّ اللَّيْلِ أَفْضَلُ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَعَنْ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ الأَغَرِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى سَمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ فَيَقُولُ مَنْ يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ " .
হাদীস নং: ১৩১৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩১৬. হুসায়েন ইবনে য়াযীদ (রাহঃ) .... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা নবী করীম (ﷺ)কে রাতের এমন সময় ঘুম হতে জাগাতেন যে, তিনি তাঁর আশানুরূপ ওযীফা শেষ না করা পর্যন্ত সাহরীর সময় হত না।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ يَزِيدَ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ إِنْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُوقِظُهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ بِاللَّيْلِ فَمَا يَجِيءُ السَّحَرُ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْ حِزْبِهِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩১৭. ইবরাহীম ইবনে মুসা ও হান্নাদ (রাহঃ) .... মাসরূক (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আয়িশা (রাযিঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নামায সম্পর্কে জিজ্ঞাসা প্রসঙ্গে বলিঃ তিনি রাতের কোন অংশে নামায আদায় করতেন? জবাবে তিনি বলেনঃ তিনি রাতে মোরগের ডাক শুনে জাগরিত হয়ে নামায আদায় করতেন (অর্থাৎ অর্ধরাত্রির পর)।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، ح وَحَدَّثَنَا هَنَّادٌ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، - وَهَذَا حَدِيثُ إِبْرَاهِيمَ - عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ - رضى الله عنها - عَنْ صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ لَهَا أَىُّ حِينٍ كَانَ يُصَلِّي قَالَتْ كَانَ إِذَا سَمِعَ الصُّرَاخَ قَامَ فَصَلَّى .
হাদীস নং: ১৩১৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩১৮. আবু তাওবা (রাহঃ) ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম (ﷺ) সাধারণত (ভোর রাতে তাহাজ্জুদ পাঠের পর কিছুক্ষণ) ঘুমাতেন।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ : مَا أَلْفَاهُ السَّحَرُ عِنْدِي إِلاَّ نَائِمًا، تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩১৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৩১৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩১৯. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা (রাহঃ) .... হুযাইফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নবী করীম (ﷺ) কোন কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হলে নামাযে মশগুল হয়ে যেতেন।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الدُّؤَلِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَخِي، حُذَيْفَةَ عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا حَزَبَهُ أَمْرٌ صَلَّى .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১৩২০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩২০. হিশাম ইবনে আম্মার (রাহঃ) ..... রবীআ ইবনে কাব আল-আসলামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি প্রায়ই সফরকালীন সময়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে অবস্থান করে তাঁর উযুর পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সরবরাহ করতাম। একদা তিনি আমাকে বলেনঃ তুমি আমার নিকট কিছু চাও? তখন আমি বলিঃ আমি জান্নাতের মধ্যে আপনার সঙ্গী হিসেবে থাকতে চাই। তিনি বলেনঃ এ ছাড়াও অন্য কিছু চাও? আমি বলিঃ এটাই আমার একমাত্র কামনা। তিনি বলেনঃ তুমি অধিক সিজদা আদায়ের দ্বারা তোমার দাবী পূরণে আমাকে সাহায্য কর।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الْهِقْلُ بْنُ زِيَادٍ السَّكْسَكِيُّ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَبِيعَةَ بْنَ كَعْبٍ الأَسْلَمِيَّ، يَقُولُ : كُنْتُ أَبِيتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آتِيهِ بِوَضُوئِهِ وَبِحَاجَتِهِ، فَقَالَ : " سَلْنِي " . فَقُلْتُ : مُرَافَقَتَكَ فِي الْجَنَّةِ . قَالَ : " أَوَغَيْرَ ذَلِكَ " . قُلْتُ : هُوَ ذَاكَ . قَالَ : " فَأَعِنِّي عَلَى نَفْسِكَ بِكَثْرَةِ السُّجُودِ " .
হাদীস নং: ১৩২১
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩২১. আবু কামিল (রাহঃ) ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি এই আয়াত সম্পর্কেঃ “তারা তাদের পৃষ্ঠদেশকে বিছানা হতে আল্লাহর ভয় ও আশায় দূরে রাখে এবং তাদের জন্য প্রদত্ত রিযিক হতে তারা আল্লাহর রাস্তার খরচ করে” বলেন যে, সাহাবীগণ মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তীকালীন সময়ে নামায আদায় করতেন (অর্থাৎ তারা মাগরিবের নামায আদায়ের পর না ঘুমিয়ে ইশার নামাযের জন্য অপেক্ষা করতেন)।
রাবী হাসান বলেনঃ এর দ্বারা তাহাজ্জুদ নামায বুঝানো হয়েছে
রাবী হাসান বলেনঃ এর দ্বারা তাহাজ্জুদ নামায বুঝানো হয়েছে
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فِي هَذِهِ الآيَةِ ( تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ، يَدْعُونَ رَبَّهُمْ خَوْفًا وَطَمَعًا وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ ) قَالَ : كَانُوا يَتَيَقَّظُونَ مَا بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ يُصَلُّونَ، وَكَانَ الْحَسَنُ يَقُولُ : قِيَامُ اللَّيْلِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২২
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
১৩২২. মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) .... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর বাণী ″তারা রাত্রিতে খুব কম সময়ই আরাম করত″ এই আয়াতের অর্থ হলঃ তারা মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে নামায আদায় করত। রাবী ইয়াহয়া তাঁর বর্ণিত হাদীসে আরও বর্ণনা করেছেন যে, “তাদের পৃষ্ঠদেশ বিছানা হতে দূরে অবস্থান করত″ - এই আয়াতের অর্থও পূর্বের আয়াতের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب وَقْتِ قِيَامِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، فِي قَوْلِهِ جَلَّ وَعَزَّ ( كَانُوا قَلِيلاً مِنَ اللَّيْلِ مَا يَهْجَعُونَ ) قَالَ : كَانُوا يُصَلُّونَ فِيمَا بَيْنَ الْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ، زَادَ فِي حَدِيثِ يَحْيَى : وَكَذَلِكَ ( تَتَجَافَى جُنُوبُهُمْ ) .
হাদীস নং: ১৩২৩
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৮. দুই রাকআত নফল দ্বারা রাতের নামায আরাম্ভ করা।
১৩২৩. আর-রাবী ইবনে নাফে (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ রাত্রিতে তাহাজ্জুদ নামাযের জন্য উঠে তখন সে যেন হালকাভাবে দুই রাকআত (নফল) নামায আদায় করে।
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ صَلاَةِ اللَّيْلِ بِرَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ أَبُو تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : " إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلْيُصَلِّ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২৪
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৮. দুই রাকআত নফল দ্বারা রাতের নামায আরাম্ভ করা।
১৩২৪. মাখলাদ ইবনে খালিদ (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে এই সনদেও উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, অতঃপর তুমি তোমার ইচ্ছানুযায়ী দীর্ঘ কিরাআত দ্বারা নামায আদায় করতে পার।
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ صَلاَةِ اللَّيْلِ بِرَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، - يَعْنِي ابْنَ خَالِدٍ - عَنْ رَبَاحِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ : " إِذَا " . بِمَعْنَاهُ زَادَ : " ثُمَّ لْيُطَوِّلْ بَعْدُ مَا شَاءَ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ وَجَمَاعَةٌ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدٍ أَوْقَفُوهُ عَلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَيُّوبُ وَابْنُ عَوْنٍ أَوْقَفُوهُ عَلَى أَبِي هُرَيْرَةَ، وَرَوَاهُ ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ : فِيهِمَا تَجَوَّزْ .
হাদীস নং: ১৩২৫
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৮. দুই রাকআত নফল দ্বারা রাতের নামায আরাম্ভ করা।
১৩২৫. আহমাদ ইবনে হাম্বল (রাহঃ) ..... আব্দুল্লাহ ইবনে হাবশী আল খাছাআমী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নবী করীম (ﷺ)কে উত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ উত্তম আমল হল দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে নামায আদায় করা।
كتاب الصلاة
باب افْتِتَاحِ صَلاَةِ اللَّيْلِ بِرَكْعَتَيْنِ
حَدَّثَنَا ابْنُ حَنْبَلٍ، - يَعْنِي أَحْمَدَ - حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، قَالَ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ أَخْبَرَنِي عُثْمَانُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، عَنْ عَلِيٍّ الأَزْدِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُبْشِيٍّ الْخَثْعَمِيِّ، : أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ أَىُّ الأَعْمَالِ أَفْضَلُ قَالَ : " طُولُ الْقِيَامِ " .
হাদীস নং: ১৩২৬
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩১৯. রাতের নামায দুই দুই রাকআত।
১৩২৬. আল-কানবী ..... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামকে রাতের নামাযের রাকআত সংখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেনঃ রাতের নামায হল-দুই দুই রাকআতের। অতঃপর তোমরা কেউ যখন নামায আদায়কালে ‘সুবহে সাদিকের’ আশঙ্কা করবে (তখন পাঠিত দুই রাকআতের সাথে) এক রাকআত মিলিয়ে নামায শেষ করবে এবং এটা তোমার জন্য বিতর হিসাবে পরিগণিত হবে।
كتاب الصلاة
باب صَلاَةِ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، : أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَلاَةِ اللَّيْلِ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم : " صَلاَةُ اللَّيْلِ مَثْنَى مَثْنَى، فَإِذَا خَشِيَ أَحَدُكُمُ الصُّبْحَ صَلَّى رَكْعَةً وَاحِدَةً تُوتِرُ لَهُ مَا قَدْ صَلَّى " .
হাদীস নং: ১৩২৭
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০. রাতের (নফল) নামাযে কিরাতের স্বশব্দে পাঠ করা সম্পর্কে।
১৩২৭. মুহাম্মাদ ইবনে জাফর (রাহঃ) ..... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী করীম সালাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বগৃহে নামায আদায়কালে এতটা উচ্চস্বরে কিরাআত পাঠ করতেন যে, বাইরের লোকেরা শুনতে পেত।
كتاب الصلاة
باب فِي رَفْعِ الصَّوْتِ بِالْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْوَرْكَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، مَوْلَى الْمُطَّلِبِ عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ : كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَلَى قَدْرِ مَا يَسْمَعُهُ مَنْ فِي الْحُجْرَةِ وَهُوَ فِي الْبَيْتِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২৮
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০. রাতের (নফল) নামাযে কিরাতের স্বশব্দে পাঠ করা সম্পর্কে।
১৩২৮. মুহাম্মাদ ইবনে বাককার (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) রাতের (নফল) নামায আদায়কালে কখনও কিরাআত আস্তে এবং কখনও জোরে পাঠ করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي رَفْعِ الصَّوْتِ بِالْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكَّارِ بْنِ الرَّيَّانِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ زَائِدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الْوَالِبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ : كَانَتْ قِرَاءَةُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِاللَّيْلِ يَرْفَعُ طَوْرًا وَيَخْفِضُ طَوْرًا . قَالَ أَبُو دَاوُدَ : أَبُو خَالِدٍ الْوَالِبِيُّ اسْمُهُ هُرْمُزُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩২৯
আন্তর্জাতিক নং: ১৩২৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০. রাতের (নফল) নামাযে কিরাতের স্বশব্দে পাঠ করা সম্পর্কে।
১৩২৯. মুসা ইবনে ইসমাঈল ও হাসান ইবনুস সাব্বাহ (রাহঃ) .... আবু কাতাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা নবী করীম (ﷺ) ঘর হতে বের হয়ে আবু বকর (রাযিঃ)-কে আস্তে আস্তে (নিঃশব্দে কিরাআত দ্বারা) নামায আদায় করতে দেখেন। অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ) এর পাশ দিয়ে গমনকালে দেখতে পান যে, তিনি শব্দ করে (জোর কিরাআত পাঠ করে) নামায আদায় করছেন।
রাবী বলেনঃ অতঃপর তাঁরা উভয়ে নবী কারিম (ﷺ) এর খিদমতে হাযির হলে তিনি বলেনঃ হে আবু বকর! আমি তোমার পাশ দিয়ে গমনকালে তোমাকে নিঃশব্দে নামায করতে দেখেছি। তখন তিনি (আবু বকর) বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার রবের সাথে গোপনে আলাপ করেছি এবং তিনি তা শ্রবণকারী (কাজেই আমি সশব্দে নামায আদায়ের প্রয়োজন বোধ করি নাই)।
রাবী বলেনঃ অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ আমি তোমার পাশ দিয়ে গমনকালে তোমাকে সশব্দে নামায আদায় করতে দেখেছি। উমর (রাযিঃ) বলেনঃ এর দ্বারা আমার ইচ্ছা ছিল ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগ্রত করা এবং শয়তানকে বিতাড়িত করা। রাবী হাসান তাঁর বর্ণিত হাদীসে এরূপ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ হে আবু বকর! তুমি তোমার কিরাআতকে একটু শব্দ করে পাঠ করবে। অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ তুমি তোমার কিরাআত একটু নিম্ন শব্দে পাঠ করবে।
রাবী বলেনঃ অতঃপর তাঁরা উভয়ে নবী কারিম (ﷺ) এর খিদমতে হাযির হলে তিনি বলেনঃ হে আবু বকর! আমি তোমার পাশ দিয়ে গমনকালে তোমাকে নিঃশব্দে নামায করতে দেখেছি। তখন তিনি (আবু বকর) বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার রবের সাথে গোপনে আলাপ করেছি এবং তিনি তা শ্রবণকারী (কাজেই আমি সশব্দে নামায আদায়ের প্রয়োজন বোধ করি নাই)।
রাবী বলেনঃ অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ আমি তোমার পাশ দিয়ে গমনকালে তোমাকে সশব্দে নামায আদায় করতে দেখেছি। উমর (রাযিঃ) বলেনঃ এর দ্বারা আমার ইচ্ছা ছিল ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগ্রত করা এবং শয়তানকে বিতাড়িত করা। রাবী হাসান তাঁর বর্ণিত হাদীসে এরূপ অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, তখন নবী করীম (ﷺ) বলেনঃ হে আবু বকর! তুমি তোমার কিরাআতকে একটু শব্দ করে পাঠ করবে। অতঃপর তিনি উমর (রাযিঃ)-কে বলেনঃ তুমি তোমার কিরাআত একটু নিম্ন শব্দে পাঠ করবে।
كتاب الصلاة
باب فِي رَفْعِ الصَّوْتِ بِالْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْحَاقَ، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، : أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ لَيْلَةً فَإِذَا هُوَ بِأَبِي بَكْرٍ - رضى الله عنه - يُصَلِّي يَخْفِضُ مِنْ صَوْتِهِ - قَالَ - وَمَرَّ بِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ وَهُوَ يُصَلِّي رَافِعًا صَوْتَهُ - قَالَ - فَلَمَّا اجْتَمَعَا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : " يَا أَبَا بَكْرٍ مَرَرْتُ بِكَ وَأَنْتَ تُصَلِّي تَخْفِضُ صَوْتَكَ " . قَالَ : قَدْ أَسْمَعْتُ مَنْ نَاجَيْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ وَقَالَ لِعُمَرَ : " مَرَرْتُ بِكَ وَأَنْتَ تُصَلِّي رَافِعًا صَوْتَكَ " . قَالَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ أُوقِظُ الْوَسْنَانَ وَأَطْرُدُ الشَّيْطَانَ . زَادَ الْحَسَنُ فِي حَدِيثِهِ : فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : " يَا أَبَا بَكْرٍ ارْفَعْ مِنْ صَوْتِكَ شَيْئًا " . وَقَالَ لِعُمَرَ : " اخْفِضْ مِنْ صَوْتِكَ شَيْئًا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১৩৩০
আন্তর্জাতিক নং: ১৩৩০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ৩২০. রাতের (নফল) নামাযে কিরাতের স্বশব্দে পাঠ করা সম্পর্কে।
১৩৩০. আবু হুসায়েন (রাহঃ) ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী করীম (ﷺ) হতে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এই বর্ণনায় আবু বকর (রাযিঃ)-কে একটু শব্দ করে এবং উমর (রাযিঃ)-কে একটু শব্দ ছোট করে পড়ার কথার উল্লেখ নাই। আবু হুরায়রা (রাযিঃ) এর বর্ণনায় অতিরিক্ত উল্লেখ আছে যে, তিনি বলেনঃ হে বিলাল! তুমি নামাযের মধ্যে এই সূরা পাঠ করে থাক। তখন বিলাল (রাযিঃ) বলেনঃ আল্লাহ তাআলা কুরআনের আয়াতকে সুন্দররূপে সুসজ্জিত করেছেন (কাজেই তা পাঠ করতে আমার ভালো লাগে)। এতদশ্রবনে নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমরা সকলেই সঠিক কাজ করেছ।
كتاب الصلاة
باب فِي رَفْعِ الصَّوْتِ بِالْقِرَاءَةِ فِي صَلاَةِ اللَّيْلِ
حَدَّثَنَا أَبُو حَصِينِ بْنُ يَحْيَى الرَّازِيُّ، حَدَّثَنَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْقِصَّةِ لَمْ يَذْكُرْ فَقَالَ لأَبِي بَكْرٍ : " ارْفَعْ مِنْ صَوْتِكَ شَيْئًا " . وَلِعُمَرَ : " اخْفِضْ شَيْئًا " . زَادَ : " وَقَدْ سَمِعْتُكَ يَا بِلاَلُ وَأَنْتَ تَقْرَأُ مِنْ هَذِهِ السُّورَةِ وَمِنْ هَذِهِ السُّورَةِ " . قَالَ : كَلاَمٌ طَيِّبٌ يَجْمَعُ اللَّهُ تَعَالَى بَعْضَهُ إِلَى بَعْضٍ . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : " كُلُّكُمْ قَدْ أَصَابَ " .
তাহকীক: