কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ৪৫১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে।
৪৫১. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া ..... আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে মসজিদে নববী ইটের দ্বারা তৈরী ছিল এবং তার ছাদ ছিল খেজুর গাছের ডাল ও গুড়ির দ্বারা তৈরী। মুজাহিদ বলেন, তার স্তম্ভগুলি ছিল শুকনা খেজুর গাছের। আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) তাতে কোন পরিবর্তন-পরিবর্ধন করেন নি। উমর (রাযিঃ) তাঁর শাসনামলে তা কিছুটা প্রশস্ত করেন; কিন্তু তাঁর মূল ভিত্তি ছিল রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর যুগে কাঁচা ইটের তৈরী দেওয়াল ও খেজুর পাতার ছাউনীতে। তিনি স্তম্ভগুলি পরিবর্তন করেন, কিন্তু মূল বুনিয়াদের মধ্যে কোন পরিবর্তন করেন নি।
মুজাহিদ (রাহঃ) বলেন, তার স্তম্ভগুলি ছিল শুকনা খেজুর গাছের। উছমান (রাযিঃ) এর সময় তিনি তার পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে তা অনেক প্রশস্ত করেন। তিনি কাঁচা ইটের পরিবর্তে নকশা খচিত প্রস্তর ও চুনা দ্বারা তার দেওয়াল নির্মাণ করেন এবং তার স্তম্ভগুলিও নকশা খচিত পাথর দ্বারা নির্মাণ করেন। তিনি সেগুন কাঠ দ্বারা (যা হিন্দুস্থানে পাওয়া যায়) এর ছাদ নির্মাণ করেন।
মুজাহিদ (রাহঃ) বলেন, তার স্তম্ভগুলি ছিল শুকনা খেজুর গাছের। উছমান (রাযিঃ) এর সময় তিনি তার পরিবর্তন-পরিবর্ধন করে তা অনেক প্রশস্ত করেন। তিনি কাঁচা ইটের পরিবর্তে নকশা খচিত প্রস্তর ও চুনা দ্বারা তার দেওয়াল নির্মাণ করেন এবং তার স্তম্ভগুলিও নকশা খচিত পাথর দ্বারা নির্মাণ করেন। তিনি সেগুন কাঠ দ্বারা (যা হিন্দুস্থানে পাওয়া যায়) এর ছাদ নির্মাণ করেন।
كتاب الصلاة
باب فِي بِنَاءِ الْمَسَاجِدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، وَمُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، - وَهُوَ أَتَمُّ - قَالاَ حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمَسْجِدَ كَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَبْنِيًّا بِاللَّبِنِ وَالْجَرِيدِ - قَالَ مُجَاهِدٌ وَعَمَدُهُ مِنْ خَشَبِ النَّخْلِ - فَلَمْ يَزِدْ فِيهِ أَبُو بَكْرٍ شَيْئًا وَزَادَ فِيهِ عُمَرُ وَبَنَاهُ عَلَى بِنَائِهِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِاللَّبِنِ وَالْجَرِيدِ وَأَعَادَ عَمَدَهُ - قَالَ مُجَاهِدٌ عُمُدَهُ خَشَبًا - وَغَيَّرَهُ عُثْمَانُ فَزَادَ فِيهِ زِيَادَةً كَثِيرَةً وَبَنَى جِدَارَهُ بِالْحِجَارَةِ الْمَنْقُوشَةِ وَالْقَصَّةِ وَجَعَلَ عَمَدَهُ مِنْ حِجَارَةٍ مَنْقُوشَةٍ وَسَقَّفَهُ بِالسَّاجِ . قَالَ مُجَاهِدٌ وَسَقْفُهُ السَّاجُ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ الْقَصَّةُ الْجِصُّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে।
৪৫২. মুহাম্মাদ ইবনে হাতেম ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী (ﷺ)-এর সময় মসজিদে নববীর ছাদ ছিল খেজুর পাতার তৈরী এবং আড়া ছিল খেজুরের গাছের। আবু বকর সিদ্দীক (রাযিঃ) এর যামানায় তা পুরাতন ও বিনষ্ট হওয়ায় তিনি তা পূর্বের ন্যায় খেজুরের গাছ ও পাতার দ্বারা পুনরায় নির্মাণ করেন। অতঃপর উছমান (রাযিঃ) এর শাসনামলে তা বিনষ্ট হওয়ায় তিনি তা পাকা ইট ও প্রস্তর দ্বারা নির্মাণ করেন। এখনও তা অক্ষত অবস্থায় বিরাজিত।
كتاب الصلاة
باب فِي بِنَاءِ الْمَسَاجِدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ شَيْبَانَ، عَنْ فِرَاسٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ مَسْجِدَ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم كَانَتْ سَوَارِيهِ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ جُذُوعِ النَّخْلِ أَعْلاَهُ مُظَلَّلٌ بِجَرِيدِ النَّخْلِ ثُمَّ إِنَّهَا نَخِرَتْ فِي خِلاَفَةِ أَبِي بَكْرٍ فَبَنَاهَا بِجُذُوعِ النَّخْلِ وَبِجَرِيدِ النَّخْلِ ثُمَّ إِنَّهَا نَخِرَتْ فِي خِلاَفَةِ عُثْمَانَ فَبَنَاهَا بِالآجُرِّ فَلَمْ تَزَلْ ثَابِتَةً حَتَّى الآنَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে।
৪৫৩. মুসাদ্দাদ .... আনাস ইবনে মালেক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মদীনায় আগমনের পর আওআলীয়ে-মদীনায় আমর ইবনে আওফ গোত্রে অবতরণ করেন এবং তথায় ১৪ দিন অবস্থান করেন। অতঃপর তিনি বনু নাজ্জার গোত্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে খবর পাঠান। তারা নবী (ﷺ) এর সম্মানার্থে গলদেশে তরবারি ঝুলিয়ে সেখানে আসেন। আনাস (রাযিঃ) বলেন, আমি যেন রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)কে বাহনে আরোহিত অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি এবং আবু বকর (রাযিঃ) তখন তাঁর পশ্চাতে আরোহিত ছিলেন। বনু নাজ্জার গোত্রের নেতৃবৃন্দ তাঁর চারদিকে ছিল। তিনি আবু আইয়ুব (রাযিঃ) এর বাড়ির আঙ্গিনায় এসে অবতরণ করেন।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যেখানেই নামাযের ওয়াক্ত হত সেখানেই নামায আদায় করতেন। এমনকি তিনি বকরী রাখার স্থানেও নামায আদায় করতেন। তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য আদিষ্ট হলে বনু নাজ্জার গোভ্রের নিকট এ সংবাদ প্রেরণ করেন এবং বলেন, হে বনু নাজ্জার। তোমরা মসজিদ নির্মাণের জন্য এই বাগানটি আমার নিকট বিক্রি কর। তাঁরা বলেন, আমরা বিনিময় একমাত্র আল্লাহর নিকটেই কামনা করি। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তাতে যা ছিল- সে ব্যাপারে আমি এখনই তোমাদের জ্ঞাত করাচ্ছি। ঐ স্থানে ছিল মুশরিকদের কবর, পুরাতন ধ্বংসস্তুপ ও খেজুর গাছ।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মুশরিকদের কবর হতে তাদের গলিত হাড্ডি ইত্যাদি অন্যত্র নিক্ষেপের নির্দেশ দিলে তা ফেলে দেয়া হয়, ভূমি সমতল করা হয় এবং খেজুর গাছগুলি কেটে ফেলা হয়। অতঃপর মসজিদের দক্ষিণ দিকের খেজুর গাছগুলি সুবিন্যস্তভাবে রাখা হয় এবং দরজার চৌকাঠ ছিল পাথরের তৈরী। মসজিদ তৈরীর জন্য পাথর আনার সময় নবী (ﷺ)ও সাহাবীদের সাথে একত্রে কাজ করার সময় নিম্নোক্ত কবিতা পাঠ করেনঃ
اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَهْ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَهْ
“ইয়া আল্লাহ! আখেরাতে কল্যাণই আমাদের কাম্য। আপনি আনসার ও মুহাজিরদের সাহায্য করুন”।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) যেখানেই নামাযের ওয়াক্ত হত সেখানেই নামায আদায় করতেন। এমনকি তিনি বকরী রাখার স্থানেও নামায আদায় করতেন। তিনি মসজিদ নির্মাণের জন্য আদিষ্ট হলে বনু নাজ্জার গোভ্রের নিকট এ সংবাদ প্রেরণ করেন এবং বলেন, হে বনু নাজ্জার। তোমরা মসজিদ নির্মাণের জন্য এই বাগানটি আমার নিকট বিক্রি কর। তাঁরা বলেন, আমরা বিনিময় একমাত্র আল্লাহর নিকটেই কামনা করি। আনাস (রাযিঃ) বলেন, তাতে যা ছিল- সে ব্যাপারে আমি এখনই তোমাদের জ্ঞাত করাচ্ছি। ঐ স্থানে ছিল মুশরিকদের কবর, পুরাতন ধ্বংসস্তুপ ও খেজুর গাছ।
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) মুশরিকদের কবর হতে তাদের গলিত হাড্ডি ইত্যাদি অন্যত্র নিক্ষেপের নির্দেশ দিলে তা ফেলে দেয়া হয়, ভূমি সমতল করা হয় এবং খেজুর গাছগুলি কেটে ফেলা হয়। অতঃপর মসজিদের দক্ষিণ দিকের খেজুর গাছগুলি সুবিন্যস্তভাবে রাখা হয় এবং দরজার চৌকাঠ ছিল পাথরের তৈরী। মসজিদ তৈরীর জন্য পাথর আনার সময় নবী (ﷺ)ও সাহাবীদের সাথে একত্রে কাজ করার সময় নিম্নোক্ত কবিতা পাঠ করেনঃ
اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَهْ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَهْ
“ইয়া আল্লাহ! আখেরাতে কল্যাণই আমাদের কাম্য। আপনি আনসার ও মুহাজিরদের সাহায্য করুন”।
كتاب الصلاة
باب فِي بِنَاءِ الْمَسَاجِدِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَنَزَلَ فِي عُلْوِ الْمَدِينَةِ فِي حَىٍّ يُقَالُ لَهُمْ بَنُو عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ فَأَقَامَ فِيهِمْ أَرْبَعَ عَشَرَةَ لَيْلَةً ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى بَنِي النَّجَّارِ فَجَاءُوا مُتَقَلِّدِينَ سُيُوفَهُمْ - فَقَالَ أَنَسٌ - فَكَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى رَاحِلَتِهِ وَأَبُو بَكْرٍ رِدْفَهُ وَمَلأُ بَنِي النَّجَّارِ حَوْلَهُ حَتَّى أَلْقَى بِفِنَاءِ أَبِي أَيُّوبَ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي حَيْثُ أَدْرَكَتْهُ الصَّلاَةُ وَيُصَلِّي فِي مَرَابِضِ الْغَنَمِ وَإِنَّهُ أَمَرَ بِبِنَاءِ الْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَى بَنِي النَّجَّارِ فَقَالَ " يَا بَنِي النَّجَّارِ ثَامِنُونِي بِحَائِطِكُمْ هَذَا " . فَقَالُوا وَاللَّهِ لاَ نَطْلُبُ ثَمَنَهُ إِلاَّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ . قَالَ أَنَسٌ وَكَانَ فِيهِ مَا أَقُولُ لَكُمْ كَانَتْ فِيهِ قُبُورُ الْمُشْرِكِينَ وَكَانَتْ فِيهِ خِرَبٌ وَكَانَ فِيهِ نَخْلٌ فَأَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِقُبُورِ الْمُشْرِكِينَ فَنُبِشَتْ وَبِالْخِرَبِ فَسُوِّيَتْ وَبِالنَّخْلِ فَقُطِعَ فَصَفُّوا النَّخْلَ قِبْلَةَ الْمَسْجِدِ وَجَعَلُوا عِضَادَتَيْهِ حِجَارَةً وَجَعَلُوا يَنْقُلُونَ الصَّخْرَ وَهُمْ يَرْتَجِزُونَ وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَعَهُمْ وَهُوَ يَقُولُ اللَّهُمَّ لاَ خَيْرَ إِلاَّ خَيْرُ الآخِرَهْ فَانْصُرِ الأَنْصَارَ وَالْمُهَاجِرَهْ
হাদীস নং: ৪৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৬. মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে।
৪৫৪. মুসা ইবনে ইসমাঈল .... আনাস ইবনে মালেক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মসজিদে নববীর স্থানটুকু বনু নাজ্জার গোত্রের বাগান ছিল। তথায় তাদের কৃষিক্ষেত্র, খেজুর বাগান ও মুশরিকদের কবর ছিল। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাদের নিকট মসজিদ নির্মাণের উদ্দেশ্যে তা বিক্রির প্রস্তাব দিলে তাঁরা বলেন- আমরা তা বিক্রি করতে চাই না (বরং দান করব)। তখন ঐ স্থানের খেজুর গাছগুলি কাটা হয়, ভূমি সমতল করা হয় এবং মুশ্রিকদের। কবর খুঁড়ে তাদের গলিত অস্থিগুলি অন্যত্র সরিরে ফেলা হয়। অতঃপর রাবী পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে রাবী এই হাদীসের মধ্যে “ফানসুর” শব্দের পরিবর্তে “ফাগফির” শব্দটির উল্লেখ করেছেন (অর্থ আপনি আনসার আর মুহাজিরদের ক্ষমা করুন)।
كتاب الصلاة
باب فِي بِنَاءِ الْمَسَاجِدِ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي التَّيَّاحِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ مَوْضِعُ الْمَسْجِدِ حَائِطًا لِبَنِي النَّجَّارِ فِيهِ حَرْثٌ وَنَخْلٌ وَقُبُورُ الْمُشْرِكِينَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ثَامِنُونِي بِهِ " . فَقَالُوا لاَ نَبْغِي بِهِ ثَمَنًا . فَقُطِعَ النَّخْلُ وَسُوِّيَ الْحَرْثُ وَنُبِشَ قُبُورُ الْمُشْرِكِينَ وَسَاقَ الْحَدِيثَ وَقَالَ " فَاغْفِرْ " . مَكَانَ " فَانْصُرْ " . قَالَ مُوسَى وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بِنَحْوِهِ وَكَانَ عَبْدُ الْوَارِثِ يَقُولُ خِرَبٌ وَزَعَمَ عَبْدُ الْوَارِثِ أَنَّهُ أَفَادَ حَمَّادًا هَذَا الْحَدِيثَ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭. পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণ সম্পর্কে।
৪৫৫. মুহাম্মাদ ইবনুল আলা ..... আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দেন এবং তা পবিত্র, সুগন্ধিযুক্ত ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখারও নির্দেশ দেন।
كتاب الصلاة
باب اتِّخَاذِ الْمَسَاجِدِ فِي الدُّورِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ أَمَرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِبِنَاءِ الْمَسَاجِدِ فِي الدُّورِ وَأَنْ تُنَظَّفَ وَتُطَيَّبَ .
হাদীস নং: ৪৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৭. পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণ সম্পর্কে।
৪৫৬. মুহাম্মাদ ইবনে দাউদ .... সামুরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তাঁর পুত্রদের নিকট এই মর্মে পত্র লিখেন যে, রাসুলূল্লাহ্ (ﷺ) আমাদেরকে পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং তা ঠিক ভাবে তৈরী করে পরিষ্কার রাখারও নির্দেশ দিয়ছেন।
كتاب الصلاة
باب اتِّخَاذِ الْمَسَاجِدِ فِي الدُّورِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ دَاوُدَ بْنِ سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، - يَعْنِي ابْنَ حَسَّانَ - حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سَعْدِ بْنِ سَمُرَةَ، حَدَّثَنِي خُبَيْبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، سُلَيْمَانَ بْنِ سَمُرَةَ عَنْ أَبِيهِ، سَمُرَةَ أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى ابْنِهِ أَمَّا بَعْدُ فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُنَا بِالْمَسَاجِدِ أَنْ نَصْنَعَهَا فِي دِيَارِنَا وَنُصْلِحَ صَنْعَتَهَا وَنُطَهِّرَهَا .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৮. মসজিদে আলো বাতির ব্যাবস্থা করা সম্পর্কে।
৪৫৭. আন্-নুফায়লী ..... মহানবী (ﷺ)-এর আযাদকৃত দাসী মায়মুনা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! বায়তুল মুকাদ্দাসের মধ্যে নামায আদায় করা এবং যিয়ারতের জন্য সফর করা সম্পর্কে আপনার অভিমত কি? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমরা সেখানে গিয়ে নামায আদায় করতে পার। তখন উক্ত শহর ছিল শক্রদের দখলে। এজন্য নবী (ﷺ) বলেনঃ যদি তোমরা সেখানে গিয়ে নামায আদায়ের সুযোগ না পাও তবে বাতি জালানোর জন্য (যায়তুন) তৈল পাঠিয়ে দাও।
كتاب الصلاة
باب فِي السُّرُجِ فِي الْمَسَاجِدِ
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مِسْكِينٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي سَوْدَةَ، عَنْ مَيْمُونَةَ، مَوْلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفْتِنَا فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَقَالَ " ائْتُوهُ فَصَلُّوا فِيهِ " . - وَكَانَتِ الْبِلاَدُ إِذْ ذَاكَ حَرْبًا - فَإِنْ لَمْ تَأْتُوهُ وَتُصَلُّوا فِيهِ فَابْعَثُوا بِزَيْتٍ يُسْرَجُ فِي قَنَادِيلِهِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯. মসজিদের কংকর সম্পর্কে।
৪৫৮. সাহল ইবনে তাম্মাম ..... আবুল ওয়ালীদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনে উমর (রাযিঃ)-কে মসজিদে নববীর ছোট ছোট প্রস্তর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি তিনি বলেন, একদা রাতে বৃষ্টি হওয়ায় মসজিদে নববীর অঙ্গণ ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যায়। তখন এক ব্যক্তি তার কাপড়ে পাথরের টুকরা বহন করে এনে স্ব (দণ্ডায়মানের) স্থানে রাখতে থাকে। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) নামাযের পর বলেনঃ কত উত্তম কাজ করেছে সে।
كتاب الصلاة
باب فِي حَصَى الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ تَمَّامِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ سُلَيْمٍ الْبَاهِلِيُّ، عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ، سَأَلْتُ ابْنَ عُمَرَ عَنِ الْحَصَى الَّذِي، فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ مُطِرْنَا ذَاتَ لَيْلَةٍ فَأَصْبَحَتِ الأَرْضُ مُبْتَلَّةً فَجَعَلَ الرَّجُلُ يَأْتِي بِالْحَصَى فِي ثَوْبِهِ فَيَبْسُطُهُ تَحْتَهُ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصَّلاَةَ قَالَ " مَا أَحْسَنَ هَذَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯. মসজিদের কংকর সম্পর্কে।
৪৫৯. উছমান ইবনে আবি শাঈবা .... আবু সালেহ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এরূপ বলা হত যে, যখন কোন ব্যক্তি মসজিদ হতে পাথরের টুকরা বাইরে নিয়ে যায়, তখন কংকর তাকে শপথ দেয় (আর বলে, আমাকে বাইরে নিয়ে যেও না)।
كتاب الصلاة
باب فِي حَصَى الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، وَوَكِيعٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، قَالَ كَانَ يُقَالُ إِنَّ الرَّجُلَ إِذَا أَخْرَجَ الْحَصَى مِنَ الْمَسْجِدِ يُنَاشِدُهُ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ৪৬০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ১৯. মসজিদের কংকর সম্পর্কে।
৪৬০. মুহাম্মাদ ইবনে ইসহাক .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। (অধস্তন রাবী) আবু বদর শুজা ইবনুল ওয়ালীদ (রাহঃ) বলেন, শরীক এ হাদীসের সনদ নবী (ﷺ) পর্যন্ত উন্নীত করেছেন। মহানবী (ﷺ) বলেনঃ মসজিদের প্রস্তর টুকরাগুলি সেই ব্যক্তিকে আল্লাহর নামে শপথ দেয়- যে তাদেরকে মসজিদ থেকে বাইরে বের করে।
كتاب الصلاة
باب فِي حَصَى الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ أَبُو بَكْرٍ، - يَعْنِي الصَّاغَانِيَّ - حَدَّثَنَا أَبُو بَدْرٍ، شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، حَدَّثَنَا أَبُو حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - قَالَ أَبُو بَدْرٍ - أُرَاهُ قَدْ رَفَعَهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الْحَصَاةَ لَتُنَاشِدُ الَّذِي يُخْرِجُهَا مِنَ الْمَسْجِدِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬১
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২০. মসজিদ ঝাড়ু দেওয়া সম্পর্কে।
৪৬১. আব্দুল ওয়াহহাব ইবনে আব্দুল হাকাম ..... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ আমার উম্মতের কাজের বিনিময় (সাওয়াব) আমাকে দেখান হয়েছে- এমনকি মসজিদের সামান্য ময়লা পরিস্কারকারীর সাওয়াবও। অপরপক্ষে আমার উম্মতের গুনাহসমূহও আমাকে দেখান হয়েছে। নবী (ﷺ) বলেনঃ আমি এ থেকে অধিক বড় কোন গুনাহ্ দেখিনি যে, কোন ব্যক্তি কুরআনের কোন আয়াত অথবা সূরা মুখস্ত করবার পর তা ভুলে গেছে।
كتاب الصلاة
باب فِي كَنْسِ الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْحَكَمِ الْخَزَّازُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنِ الْمُطَّلِبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَنْطَبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " عُرِضَتْ عَلَىَّ أُجُورُ أُمَّتِي حَتَّى الْقَذَاةُ يُخْرِجُهَا الرَّجُلُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَعُرِضَتْ عَلَىَّ ذُنُوبُ أُمَّتِي فَلَمْ أَرَ ذَنْبًا أَعْظَمَ مِنْ سُورَةٍ مِنَ الْقُرْآنِ أَوْ آيَةٍ أُوتِيَهَا رَجُلٌ ثُمَّ نَسِيَهَا " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬২
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১. মহিলাদের পুরুষদের হতে পৃথক পথে মসজিদে প্রবেশ সম্পর্কে।
৪৬২. আব্দুল্লাহ্ ইবনে উমর ও আবু মামার .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যদি এই দরজাটি কেবলমাত্র মহিলাদের প্রবেশের জন্য নির্দিষ্ট করা হত (তবে উত্তমই হত)। নাফে বলেন, অতঃপর ইবনে উমর (রাযিঃ) উক্ত দরজা দিয়ে তার ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত কোনদিন প্রবেশ করেননি। আব্দুল ওয়ারিছ ব্যতীত অন্যদের বর্ণনায় ইবনে উমর (রাযিঃ) এর পারিবর্তে উমর (রাযিঃ) এর উল্লেখ আছে এবং এটাই সঠিক।
كتاب الصلاة
باب فِي اعْتِزَالِ النِّسَاءِ فِي الْمَسَاجِدِ عَنِ الرِّجَالِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، وَأَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَوْ تَرَكْنَا هَذَا الْبَابَ لِلنِّسَاءِ " . قَالَ نَافِعٌ فَلَمْ يَدْخُلْ مِنْهُ ابْنُ عُمَرَ حَتَّى مَاتَ . وَقَالَ غَيْرُ عَبْدِ الْوَارِثِ قَالَ عُمَرُ وَهُوَ أَصَحُّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১. মহিলাদের পুরুষদের হতে পৃথক পথে মসজিদে প্রবেশ সম্পর্কে।
৪৬৩. মুহাম্মাদ ইবনে কুদামা .... নাফে হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন ......... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ এবং এটাই সঠিক।
كتاب الصلاة
باب فِي اعْتِزَالِ النِّسَاءِ فِي الْمَسَاجِدِ عَنِ الرِّجَالِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ قُدَامَةَ بْنِ أَعْيَنَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ - رضى الله عنه - فَذَكَرَهُ بِمَعْنَاهُ وَهُوَ أَصَحُّ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১. মহিলাদের পুরুষদের হতে পৃথক পথে মসজিদে প্রবেশ সম্পর্কে।
৪৬৪. কুতায়বা ইবনে সাঈদ ..... নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) পুরুষদেরকে মহিলাদের দরজা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করতে নিষেধ করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي اعْتِزَالِ النِّسَاءِ فِي الْمَسَاجِدِ عَنِ الرِّجَالِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - حَدَّثَنَا بَكْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، كَانَ يَنْهَى أَنْ يُدْخَلَ، مِنْ بَابِ النِّسَاءِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২. মসজিদে প্রবেশকালে পড়ার দুআ।
৪৬৫. মুহাম্মাদ ইবনে উছমান .... আবু হুমায়েদ (রাযিঃ) অথবা আবু উসায়েদ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ কালে সর্বপ্রথম নবী (ﷺ)-এর উপর সালাম, পাঠাবে, অতঃপর এই দুআ পড়বে, (اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ) “আল্লাহুম্মাফ তাহলি আবওয়াবা রাহমাতিকা” “ইয়া আল্লাহ! আমার জন্য তোমার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দাও”। অতঃপর যখন কেউ মসজিদ হতে বের হবে তখন এই দুআ পাঠ করবেঃ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ “আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদলিক” “ইয়া আল্লাহ! আমি তোমার করুণা কামনা করি”
كتاب الصلاة
باب فِيمَا يَقُولُهُ الرَّجُلُ عِنْدَ دُخُولِهِ الْمَسْجِدَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ - عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حُمَيْدٍ، أَوْ أَبَا أُسَيْدٍ الأَنْصَارِيَّ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيُسَلِّمْ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ لْيَقُلِ اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ فَإِذَا خَرَجَ فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ " .
হাদীস নং: ৪৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২. মসজিদে প্রবেশকালে পড়ার দুআ।
৪৬৬. ইসমাঈল ইবনে বিশর ..... হায়ওয়াত ইবনে শুরায়হ্ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উকবা ইবনে মুসলিমের সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে বলি, আমি জানতে পেরেছি যে, আপনার নিকট আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী (ﷺ) হতে হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি (নবী) যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন তখন বলতেনঃ
أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
“আমি মহান আল্লাহর নিকট তাঁর করুণাসিক্ত জাত ও চির পরাক্রমাশালী শক্তির মাধ্যমে-অনিষ্টকারী শয়তান হতে আত্মরক্ষার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছি।”
উকবা (রাযিঃ) বলেন, এখানেই কি হাদীসের শেষ? আমি বললাম, হ্যাঁ! তখন উকবা বলেন, যখন কেউ এই দুআ পাঠ করে তখন শয়তান বলে, এই ব্যক্তি আজ সারা দিনের জন্য আমার অনিষ্ট হতে রক্ষা পেল।
أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
“আমি মহান আল্লাহর নিকট তাঁর করুণাসিক্ত জাত ও চির পরাক্রমাশালী শক্তির মাধ্যমে-অনিষ্টকারী শয়তান হতে আত্মরক্ষার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছি।”
উকবা (রাযিঃ) বলেন, এখানেই কি হাদীসের শেষ? আমি বললাম, হ্যাঁ! তখন উকবা বলেন, যখন কেউ এই দুআ পাঠ করে তখন শয়তান বলে, এই ব্যক্তি আজ সারা দিনের জন্য আমার অনিষ্ট হতে রক্ষা পেল।
كتاب الصلاة
باب فِيمَا يَقُولُهُ الرَّجُلُ عِنْدَ دُخُولِهِ الْمَسْجِدَ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ بِشْرِ بْنِ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ حَيْوَةَ بْنِ شُرَيْحٍ، قَالَ لَقِيتُ عُقْبَةَ بْنَ مُسْلِمٍ فَقُلْتُ لَهُ بَلَغَنِي أَنَّكَ حَدَّثْتَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ قَالَ " أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ " . قَالَ أَقَطُّ قُلْتُ نَعَمْ . قَالَ فَإِذَا قَالَ ذَلِكَ قَالَ الشَّيْطَانُ حُفِظَ مِنِّي سَائِرَ الْيَوْمِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩. মসজিদে প্রবেশের পর নামায আদায় সম্পর্কে।
৪৬৭. আল্-কানবী ..... আবু কাতাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে পৌছে বসার পূর্বেই যেন দুই রাকআত (তাহিয়্যাতুল-মসজিদ) নামায আদায় করে।*
* মসজিদে প্রবেশ করলেই বসার পূর্বে দুই রাকআত নামায (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) পড়ে নেবে- তা যে কোন সময় প্রবেশ করুক না কেন। এই নির্দেশ শুধুমাত্র জুমুআর দিনের জন্য নির্দিষ্ট নয়। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ইবন হাম্বল, ইসহাক, হাসান বসরী ও মাহূল (রাহঃ)-এর মতে ইমামের খুতবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলেও বসার পূর্বে ঐ নামায পড়ে নেবে। পক্ষান্তরে ইব্ন সীরীন, আতা ইব্ন আব রাবাহ, ইবরাহীম নাখঈ, সুফিয়ান ছাওরী, মালেক, আবু হানীফা ও তাঁর সহচরগণ বলেন যে, ইমামের খুতবা চলাকালীন মসজিদে প্রবেশ করলে ঐ নামায না পড়ে বরং বসে যাবে এবং খুতবা শুনবে। তাদের মতে খুতবা শুনা ওয়াজিব এবং ঐ নামায হল নফল। তাই নফলের উপর ওয়াজিবকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
* মসজিদে প্রবেশ করলেই বসার পূর্বে দুই রাকআত নামায (তাহিয়্যাতুল মসজিদ) পড়ে নেবে- তা যে কোন সময় প্রবেশ করুক না কেন। এই নির্দেশ শুধুমাত্র জুমুআর দিনের জন্য নির্দিষ্ট নয়। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ইবন হাম্বল, ইসহাক, হাসান বসরী ও মাহূল (রাহঃ)-এর মতে ইমামের খুতবা চলাকালীন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলেও বসার পূর্বে ঐ নামায পড়ে নেবে। পক্ষান্তরে ইব্ন সীরীন, আতা ইব্ন আব রাবাহ, ইবরাহীম নাখঈ, সুফিয়ান ছাওরী, মালেক, আবু হানীফা ও তাঁর সহচরগণ বলেন যে, ইমামের খুতবা চলাকালীন মসজিদে প্রবেশ করলে ঐ নামায না পড়ে বরং বসে যাবে এবং খুতবা শুনবে। তাদের মতে খুতবা শুনা ওয়াজিব এবং ঐ নামায হল নফল। তাই নফলের উপর ওয়াজিবকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الصَّلاَةِ عِنْدَ دُخُولِ الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سُلَيْمٍ الزُّرَقِيِّ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا جَاءَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلْيُصَلِّ سَجْدَتَيْنِ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَجْلِسَ " .
হাদীস নং: ৪৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩. মসজিদে প্রবেশের পর নামায আদায় সম্পর্কে।
৪৬৮. মুসাদ্দাদ ..... আবু কাতাদা (রাযিঃ) থেকে অপর সনদে নবী (ﷺ)-এর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। এই বর্ণনায় আরও আছ... “অতঃপর সে ইচ্ছা করলে বসতে পারে বা নিজের প্রয়োজনে বাইরে চলেও যেতে পারে।”
كتاب الصلاة
باب مَا جَاءَ فِي الصَّلاَةِ عِنْدَ دُخُولِ الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عُمَيْسٍ، عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ بَنِي زُرَيْقٍ عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ زَادَ " ثُمَّ لْيَقْعُدْ بَعْدُ إِنْ شَاءَ أَوْ لِيَذْهَبْ لِحَاجَتِهِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ৪৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪. মসজিদে বসে থাকার ফযীলত।
৪৬৯। আল-কানবী ...... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ ফিরিশতাগণ তোমাদের কারো জন্য ততক্ষণ দুআ করতে থাকে যতক্ষণ তোমাদের কেউ জায়নামাযে নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে এবং তার উযু নষ্ট না হয় বা সে ব্যক্তি ঐ স্থান ত্যাগ না করে। ফিরিশতাদের দুআ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ “ইয়া আল্লাহ্! আপনি তাকে ক্ষমা করুন। ইয়া আল্লাহ্! আপনি তার প্রতি সদয় হোন”।
كتاب الصلاة
باب فِي فَضْلِ الْقُعُودِ فِي الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْمَلاَئِكَةُ تُصَلِّي عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِي مُصَلاَّهُ الَّذِي صَلَّى فِيهِ مَا لَمْ يُحْدِثْ أَوْ يَقُمِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ৪৭০
আন্তর্জাতিক নং: ৪৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৪. মসজিদে বসে থাকার ফযীলত।
৪৭০. আল্-কানবী ..... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) ইরশাদ করতেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ মসজিদে নামাযের জন্য অপেক্ষা করবে, ততক্ষণ সে নামাযী হিসেবে পরিগণিত হবে- একমাত্র নামাযই যদি তাকে ঘরে তার পরিবার পরিজনের নিকট প্রত্যাবর্তনে বাধা দিয়ে থাকে।
كتاب الصلاة
باب فِي فَضْلِ الْقُعُودِ فِي الْمَسْجِدِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَزَالُ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَةٍ مَا كَانَتِ الصَّلاَةُ تَحْبِسُهُ لاَ يَمْنَعُهُ أَنْ يَنْقَلِبَ إِلَى أَهْلِهِ إِلاَّ الصَّلاَةُ " .
তাহকীক: