কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ
كتاب السنن للإمام أبي داود
২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ
মোট হাদীস ১১৬৫ টি
হাদীস নং: ১০৫১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৫. জুমআর নামাযের ফযিলত।
১০৫১. ইবরাহীম ইবনে মুসা (রাহঃ) ..... আতা আল-খুরাসানীর স্ত্রী উম্মে উছমানের আযাদকৃত গোলাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আলী (রাযিঃ)-কে কুফার মসজিদে মিম্বরের উপর বসে বলতে শুনেছিঃ যখন জুমআর দিন আসে, তখন শয়তান স্বীয় ঢালসহ বাজারে (বা লোকদের একত্রিত হওয়ার স্থানে) ঘুরে বেড়ায় আর লোকজন বিভিন্ন প্রয়োজনের বেড়াজালে নিক্ষিপ্ত করে নামায হতে বিরত রাখতে চেষ্টা করে এবং জুমআয় হাযির হতে বিলম্ব ঘটায়। পক্ষান্তরে জুমআর দিন ফিরিশতারা দপ্তরসহ (নথিপত্র) আগমন করেন এবং মসজিদের দরজায় উপবেশন করে এবং প্রত্যেক ব্যক্তির আগমনের সময় লিপিবদ্ধ করেন, এমনকি ইমাম খুতবা দেয়ার জন্য মিম্বরের উপর আরোহণ করা পর্যন্ত তাঁরা একাজে লিপ্ত থাকেন। (অতঃপর ইমাম মিম্বরের উপর বসার সাথে সাথেই তাঁরা খাতা বন্ধ করে দেন)।
ইমাম খুতবা দেয়া শুরু করলে যে ব্যক্তি চুপচাপ বসে শুনে সে দুইটি বিনিময় প্রাপ্ত হয়। আর যে ব্যক্তি এতদূরে বসে যে, ইমামের খুতবা শুনতে পায় না; তবুও সে চুপ করে বসে থাকার জন্য একটি বিনিময় প্রাপ্ত হবে। আর যে ব্যক্তি এমন স্থানে উপবেশন করে যেখান হতে সে ইচ্ছা করলে ইমামের খুতবা শুনতে এবং তাকে দেখতেও পারে, কিন্তু সে এরূপ না করে বেহুদা কথা ও কর্মে লিপ্ত হয়, সে গুনাহগার হবে। অতঃপর যে ব্যক্তি জুমআর দিন ইমামের খুতবা দানের সময় অন্যকে চুপ থাকতে বলে সেও বেহুদা কর্মে লিপ্ত হয়। আর যে ব্যক্তি এরূপ বেহুদা কথা বা কর্মে লিপ্ত হয়, সে জুমআর দিনের কোন ফযীলাত প্রাপ্ত হবে না। অতঃপর আলী (রাযিঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে এরূপ বলতে শুনেছি।
ইমাম খুতবা দেয়া শুরু করলে যে ব্যক্তি চুপচাপ বসে শুনে সে দুইটি বিনিময় প্রাপ্ত হয়। আর যে ব্যক্তি এতদূরে বসে যে, ইমামের খুতবা শুনতে পায় না; তবুও সে চুপ করে বসে থাকার জন্য একটি বিনিময় প্রাপ্ত হবে। আর যে ব্যক্তি এমন স্থানে উপবেশন করে যেখান হতে সে ইচ্ছা করলে ইমামের খুতবা শুনতে এবং তাকে দেখতেও পারে, কিন্তু সে এরূপ না করে বেহুদা কথা ও কর্মে লিপ্ত হয়, সে গুনাহগার হবে। অতঃপর যে ব্যক্তি জুমআর দিন ইমামের খুতবা দানের সময় অন্যকে চুপ থাকতে বলে সেও বেহুদা কর্মে লিপ্ত হয়। আর যে ব্যক্তি এরূপ বেহুদা কথা বা কর্মে লিপ্ত হয়, সে জুমআর দিনের কোন ফযীলাত প্রাপ্ত হবে না। অতঃপর আলী (রাযিঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)কে এরূপ বলতে শুনেছি।
كتاب الصلاة
باب فَضْلِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَطَاءٌ الْخُرَاسَانِيُّ، عَنْ مَوْلَى، امْرَأَتِهِ أُمِّ عُثْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا، - رضى الله عنه - عَلَى مِنْبَرِ الْكُوفَةِ يَقُولُ " إِذَا كَانَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ غَدَتِ الشَّيَاطِينُ بِرَايَاتِهَا إِلَى الأَسْوَاقِ فَيَرْمُونَ النَّاسَ بِالتَّرَابِيثِ أَوِ الرَّبَائِثِ وَيُثَبِّطُونَهُمْ عَنِ الْجُمُعَةِ وَتَغْدُو الْمَلاَئِكَةُ فَيَجْلِسُونَ عَلَى أَبْوَابِ الْمَسْجِدِ فَيَكْتُبُونَ الرَّجُلَ مِنْ سَاعَةٍ وَالرَّجُلَ مِنْ سَاعَتَيْنِ حَتَّى يَخْرُجَ الإِمَامُ فَإِذَا جَلَسَ الرَّجُلُ مَجْلِسًا يَسْتَمْكِنُ فِيهِ مِنَ الاِسْتِمَاعِ وَالنَّظَرِ فَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ كِفْلاَنِ مِنْ أَجْرٍ فَإِنْ نَأَى وَجَلَسَ حَيْثُ لاَ يَسْمَعُ فَأَنْصَتَ وَلَمْ يَلْغُ كَانَ لَهُ كِفْلٌ مِنْ أَجْرٍ وَإِنْ جَلَسَ مَجْلِسًا يَسْتَمْكِنُ فِيهِ مِنَ الاِسْتِمَاعِ وَالنَّظَرِ فَلَغَا وَلَمْ يُنْصِتْ كَانَ لَهُ كِفْلٌ مِنْ وِزْرٍ وَمَنْ قَالَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ لِصَاحِبِهِ صَهْ . فَقَدْ لَغَا وَمَنْ لَغَا فَلَيْسَ لَهُ فِي جُمُعَتِهِ تِلْكَ شَىْءٌ " . ثُمَّ يَقُولُ فِي آخِرِ ذَلِكَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ذَلِكَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ عَنِ ابْنِ جَابِرٍ قَالَ بِالرَّبَائِثِ وَقَالَ مَوْلَى امْرَأَتِهِ أُمِّ عُثْمَانَ بْنِ عَطَاءٍ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৬. জুমআর নামায ত্যাগ করার কঠোর পরিণতি সম্পর্কে।
১০৫২. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) ..... আবুল জাদ্ আদ-দামিরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি বিনা কারণে অলসতা হেতু তিনটি জুমআর নামায পরিত্যাগ করে আল্লাহ তার অন্তরের উপর মোহর মেরে দেন (যাতে কোন কল্যাণ তাতে প্রবেশ করতে না পারে, ফলে তাতে কল্যাণ ও বরকত প্রবেশের দ্বার বন্ধ হয়ে যায়)।
كتاب الصلاة
باب التَّشْدِيدِ فِي تَرْكِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ حَدَّثَنِي عُبَيْدَةُ بْنُ سُفْيَانَ الْحَضْرَمِيُّ، عَنْ أَبِي الْجَعْدِ الضَّمْرِيِّ، - وَكَانَتْ لَهُ صُحْبَةٌ - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ تَرَكَ ثَلاَثَ جُمَعٍ تَهَاوُنًا بِهَا طَبَعَ اللَّهُ عَلَى قَلْبِهِ " .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৫৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৭. জুমআর নামায ত্যাগের কাফফারা।
১০৫৩. আল-হাসান ইবনে আলী (রাহঃ) ..... সামুরা ইবনে জুনদুব (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি বিনা ওযরে জুমআর নামায ত্যাগ করে, সে যেন এক দীনার সাদ্কা করে। যদি তার পক্ষে এক দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) সাদ্কা করা সম্ভব না হয়, তবে যেন অর্ধ-দীনার সদ্কা করে।
كتاب الصلاة
باب كَفَّارَةِ مَنْ تَرَكَهَا
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ وَبَرَةَ الْعُجَيْفِيِّ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ تَرَكَ الْجُمُعَةَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ فَلْيَتَصَدَّقْ بِدِينَارٍ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَبِنِصْفِ دِينَارٍ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهَكَذَا رَوَاهُ خَالِدُ بْنُ قَيْسٍ وَخَالَفَهُ فِي الإِسْنَادِ وَوَافَقَهُ فِي الْمَتْنِ .
হাদীস নং: ১০৫৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৭. জুমআর নামায ত্যাগের কাফফারা।
১০৫৪. মুহাম্মাদ ইবনে সুলাইমান (রাহঃ) ..... কুদামা ইবনে ওয়াবারাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তির বিনা কারণে জুমআর নামায পরিত্যক্ত হবে, সে যেন এক দিরহাম বা অর্ধ দিরহাম অথবা এক সা’ গম, বা অর্ধ-সা’ গম আল্লাহর ওয়াস্তে সাদ্কা করে।
كتاب الصلاة
باب كَفَّارَةِ مَنْ تَرَكَهَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَزِيدَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ أَيُّوبَ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ قُدَامَةَ بْنِ وَبَرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ فَاتَتْهُ الْجُمُعَةُ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ فَلْيَتَصَدَّقْ بِدِرْهَمٍ أَوْ نِصْفِ دِرْهَمٍ أَوْ صَاعِ حِنْطَةٍ أَوْ نِصْفِ صَاعٍ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ سَعِيدُ بْنُ بَشِيرٍ عَنْ قَتَادَةَ هَكَذَا إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ " مُدًّا أَوْ نِصْفَ مُدٍّ " . وَقَالَ عَنْ سَمُرَةَ ، قَالَ أَبُو دَاوُدَ: سَمِعْت أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ، يُسْأَلُ عَنِ اخْتِلَافِ هَذَا الْحَدِيثِ، فَقَالَ هَمَّامٌ: عِنْدِي أَحْفَظُ مِنْ أَيُّوبَ يَعْنِي أَبَا الْعَلَاءِ
হাদীস নং: ১০৫৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৮. যাদের উপর জুমআর নামায ফরয।
১০৫৫. আহমাদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) .... নবী করীম (ﷺ) এর স্ত্রী আয়িশা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকজন নিজ নিজ ঘর হতে (মদীনা শহরের) জুমআর নামায আদায়ের জন্য মসজিদে নববীতে আগমন করতেন, এমনকি আওয়ালীয়ে মদীনা’ (অর্থাৎ মদীনার শহরতলী) হতেও লোকজন আসতো।
كتاب الصلاة
باب مَنْ تَجِبُ عَلَيْهِ الْجُمُعَةُ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ جَعْفَرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ كَانَ النَّاسُ يَنْتَابُونَ الْجُمُعَةَ مِنْ مَنَازِلِهِمْ وَمِنَ الْعَوَالِي .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৮. যাদের উপর জুমআর নামায ফরয।
১০৫৬. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহয়া (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ যারা জুমআর নামাযের আযান শুনতে পাবে তাদের উপর জুমআর নামায আদায় করা ওয়াজিব। (বাধ্যতামূলক)।
كتاب الصلاة
باب مَنْ تَجِبُ عَلَيْهِ الْجُمُعَةُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ، - يَعْنِي الطَّائِفِيَّ - عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ نُبَيْهٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ هَارُونَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْجُمُعَةُ عَلَى كُلِّ مَنْ سَمِعَ النِّدَاءَ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ جَمَاعَةٌ عَنْ سُفْيَانَ مَقْصُورًا عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو لَمْ يَرْفَعُوهُ وَإِنَّمَا أَسْنَدَهُ قَبِيصَةُ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৫৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৯. বৃষ্টির দিনে জুমআর নামায।
১০৫৭. মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর (রাহঃ) .... আবু মালীহ (রাহঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধের দিন বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন নবী করীম (ﷺ) মুয়াযযিনকে স্ব-স্ব অবস্থানে নামায আদায়ের ঘোষণা দেওয়ার নির্দেশ দেন (বৃষ্টিপাতের মধ্যে একত্রিত হয়ে নামায আদায়ের কোন ব্যবস্থা না থাকায় এরূপ করা হয়)।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ فِي الْيَوْمِ الْمَطِيرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ يَوْمَ، حُنَيْنٍ كَانَ يَوْمَ مَطَرٍ فَأَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مُنَادِيَهُ أَنِ الصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৫৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৯. বৃষ্টির দিনে জুমআর নামায।
১০৫৮। মুহাম্মাদ ইবনুল মুছান্না (রাহঃ) .... আবু মালীহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, এটা (হুনাইনের) ছিল জুমআর দিন।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ فِي الْيَوْمِ الْمَطِيرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ صَاحِبٍ، لَهُ عَنْ أَبِي مَلِيحٍ، أَنَّ ذَلِكَ، كَانَ يَوْمَ جُمُعَةٍ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৫৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৫৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২১৯. বৃষ্টির দিনে জুমআর নামায।
১০৫৯. নসর ইবনে আলী (রাহঃ) ...... আবু মালীহ (রাযিঃ) থেকে তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় তিনি জুমআর দিন নবী করীম (ﷺ) এর কাছে আসেন। ঐ সময় হালকা বৃষ্টি হয় যাতে জুতার তলাও ভিজে নাই। নবী করীম (ﷺ) সকলকে স্ব-স্ব অবস্থানস্থলে নামায আদায়ের নির্দেশ দেন।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ فِي الْيَوْمِ الْمَطِيرِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ سُفْيَانُ بْنُ حَبِيبٍ خَبَّرَنَا عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ شَهِدَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ وَأَصَابَهُمْ مَطَرٌ لَمْ تَبْتَلَّ أَسْفَلُ نِعَالِهِمْ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يُصَلُّوا فِي رِحَالِهِمْ .
তাহকীক:
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৬০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬০. মুহাম্মাদ ইবনে উবাইেদ (রাহঃ) .... নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। ইবনে উমর (রাযিঃ) একদা দাজনান্ নামক স্থানে (মক্কা ও মদীনার মধ্যবর্তী একটি জায়গা) শীতের রাতে অবতরণ করেন। ঐ সময় তিনি মুয়াযযিনকে স্ব-স্ব স্থানে নামায আদায়ের ঘোষণা দিতে বলেন।
রাবী আইয়ুব বলেন, নাফে (রহ) থেকে ইবনে উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রচন্ড শীত ও বৃষ্টির রাতে মুয়াযযিনকে স্ব-স্ব আবাসে নামায আদায়ের ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দিতেন।
রাবী আইয়ুব বলেন, নাফে (রহ) থেকে ইবনে উমর (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রচন্ড শীত ও বৃষ্টির রাতে মুয়াযযিনকে স্ব-স্ব আবাসে নামায আদায়ের ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ দিতেন।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، نَزَلَ بِضَجْنَانَ فِي لَيْلَةٍ بَارِدَةٍ فَأَمَرَ الْمُنَادِيَ فَنَادَى أَنِ الصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ . قَالَ أَيُّوبُ وَحَدَّثَنَا نَافِعٌ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ مَطِيرَةٌ أَمَرَ الْمُنَادِيَ فَنَادَى الصَّلاَةُ فِي الرِّحَالِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬১. মুআম্মাল ইবনে হিশাম (রাহঃ) .... নাফে (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনে উমর (রাযিঃ) দাজনান নামক স্থানে নামাযের জন্য আযান দেন। অতঃপর তিনি স্ব-স্ব অবস্থানে সকলকে নামায আদায়ের নির্দেশ দেন।
রাবী নাফে (রাহঃ) বলেন, অতঃপর ইবনে উমর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, তিনি (নবী (ﷺ)) মুয়াযযিনকে নামাযের আযান দিতে বলতেন, অতঃপর মুয়াযযিন ঘোষণা দিত যে, সফরের সময় প্রচন্ড শীত অথবা বৃষ্টির রাতে স্ব-স্ব অবস্থানে (তাঁবুতে) নামায আদায় কর।
রাবী নাফে (রাহঃ) বলেন, অতঃপর ইবনে উমর (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, তিনি (নবী (ﷺ)) মুয়াযযিনকে নামাযের আযান দিতে বলতেন, অতঃপর মুয়াযযিন ঘোষণা দিত যে, সফরের সময় প্রচন্ড শীত অথবা বৃষ্টির রাতে স্ব-স্ব অবস্থানে (তাঁবুতে) নামায আদায় কর।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، قَالَ نَادَى ابْنُ عُمَرَ بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ ثُمَّ نَادَى أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ قَالَ فِيهِ ثُمَّ حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ يَأْمُرُ الْمُنَادِيَ فَيُنَادِي بِالصَّلاَةِ ثُمَّ يُنَادِي " أَنْ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ " . فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ وَفِي اللَّيْلَةِ الْمَطِيرَةِ فِي السَّفَرِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ وَعُبَيْدِ اللَّهِ قَالَ فِيهِ فِي السَّفَرِ فِي اللَّيْلَةِ الْقَرَّةِ أَوِ الْمَطِيرَةِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬২. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। একদা তিনি দাজনান্ নামক স্থানে প্রচন্ড শীত ও বায়ু প্রবাহের রাতে নামাযের আযান দেন এবং আযান শেষে বলেন, তোমরা স্ব-স্ব অবস্থানে নামায আদায় কর। অতঃপর তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সফরকালীন প্রচন্ড শীত ও বর্ষার সময় স্ব-স্ব তাঁবুতে নামায আদায়ের নির্দেশ দিতেন।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ نَادَى بِالصَّلاَةِ بِضَجْنَانَ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ فَقَالَ فِي آخِرِ نِدَائِهِ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ ذَاتُ مَطَرٍ فِي سَفَرٍ يَقُولُ أَلاَ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬৩. আল্-কানবী (রাহঃ) .... নাফে (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইবনে উমর (রাযিঃ) শীত ও বায়ু প্রবাহের রাতে নামাযের আযানের পর বলেন, শুনে নাও! তোমরা স্ব-স্ব অবস্থানে নামায আদায় কর। অতঃপর তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রচন্ড শীত অথবা বৃষ্টির রাতে মুয়াযযিনকে স্ব-স্ব অবস্থানে নামায আদায় করার ঘোষণা দিতে বলতেন।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، - يَعْنِي أَذَّنَ بِالصَّلاَةِ فِي لَيْلَةٍ ذَاتِ بَرْدٍ وَرِيحٍ - فَقَالَ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ ثُمَّ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَأْمُرُ الْمُؤَذِّنَ إِذَا كَانَتْ لَيْلَةٌ بَارِدَةٌ أَوْ ذَاتُ مَطَرٍ يَقُولُ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রাহঃ) ..... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মদীনাতে শীতের ভোরে ও বৃষ্টির রাতে নবী করীম (ﷺ) লোকদেরকে স্ব-স্ব আবাসে নামায আদায়ের ঘোষণা দেন।
অপর এক বর্ণনায় আছে যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) এর নিকট থেকে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটা সফরের সময়ের ব্যাপার।
অপর এক বর্ণনায় আছে যে, ইবনে উমর (রাযিঃ) নবী করীম (ﷺ) এর নিকট থেকে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এটা সফরের সময়ের ব্যাপার।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَادَى مُنَادِي رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِذَلِكَ فِي الْمَدِينَةِ فِي اللَّيْلَةِ الْمَطِيرَةِ وَالْغَدَاةِ الْقَرَّةِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَى هَذَا الْخَبَرَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيُّ عَنِ الْقَاسِمِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِيهِ فِي السَّفَرِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬৫. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) .... জাবের (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে ছিলাম। ঐ সময় বৃষ্টিপাত হওয়ায় তিনি সাহাবীদের বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজ ঘরে নামায আদায়ের ইচ্ছা করে সে তা করতে পারে।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَمُطِرْنَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِيُصَلِّ مَنْ شَاءَ مِنْكُمْ فِي رَحْلِهِ " .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২০. শীতের রাতে জামাআতে না যাওয়া সম্পর্কে।
১০৬৬. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনুল হারিছ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বৃষ্টির দিনে তাঁর মুয়াযযিনকে বলেন, তুমি ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’’ বলার পর ‘হাইয়্যা আলাস্ সালাত’ বল না, বরং বলবে ‘সাল্লু ফী বাইতিকুম’ (তোমরা নিজ নিজ ঘরে নামায আদায় কর)। এতদশ্রবণে লোকেরা তা অপছন্দ করেন। তখন তিনি বলেন, তা আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি করেছেন। জুমআর নামায আদায় করা ওয়াজিব। এরূপ বৃষ্টি-বাদলের মধ্যে হেটে এসে তা আদায় করবার জন্য তোমাদেরকে বাধ্য করতে আমি পছন্দ করি না।
كتاب الصلاة
باب التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ، صَاحِبُ الزِّيَادِيِّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ ابْنُ عَمِّ، مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ، قَالَ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ . فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ . قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ . فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا ذَلِكَ فَقَالَ قَدْ فَعَلَ ذَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُحْرِجَكُمْ فَتَمْشُونَ فِي الطِّينِ وَالْمَطَرِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২১. মহিলা ও গোলামদের জন্য জুমআর নামায ফরয নয়।
১০৬৭. আব্বাস ইবনে আব্দুল আযীম (রাহঃ) ..... তারিক ইবনে শিহাব (রহ) থেকে বর্ণিত। নবী করিম (ﷺ) বলেন, জুমআর নামায প্রত্যেক মুসলমানের উপর জামাআতের সাথে আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু তা চার প্রকার লোকের উপর ওয়াজিব নয়ঃ ক্রীতদাস, মহিলা, শিশু ও রুগ্ন ব্যক্তি।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ لِلْمَمْلُوكِ وَالْمَرْأَةِ
حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ، حَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا هُرَيْمٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْجُمُعَةُ حَقٌّ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ فِي جَمَاعَةٍ إِلاَّ أَرْبَعَةً عَبْدٌ مَمْلُوكٌ أَوِ امْرَأَةٌ أَوْ صَبِيٌّ أَوْ مَرِيضٌ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ طَارِقُ بْنُ شِهَابٍ قَدْ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَسْمَعْ مِنْهُ شَيْئًا .
হাদীস নং: ১০৬৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২২. গ্রামাঞ্চলে জুমআর নামায আদায় সম্পর্কে।
১০৬৮. উছমান ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ...... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইসলামের প্রথম জুমআ মদীনাতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মসজিদে (মসজিদে নববীতে) অনুষ্ঠিত হওয়ার পর অন্য যেখানে প্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা হল বাহরাইনের আব্দুল কায়েস গোত্রে অবস্থিত ‘‘জাওয়াছা’’ নামক গ্রামে। রাবী উছমান (রাহঃ) বলেন, তা আব্দুল কায়েস নামীয় গোত্রের বসতি এলাকা।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ فِي الْقُرَى
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُخَرِّمِيُّ، - لَفْظُهُ - قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي جَمْرَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّ أَوَّلَ جُمُعَةٍ جُمِّعَتْ فِي الإِسْلاَمِ بَعْدَ جُمُعَةٍ جُمِّعَتْ فِي مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ لَجُمُعَةٌ جُمِّعَتْ بِجُوَاثَاءَ قَرْيَةٍ مِنْ قُرَى الْبَحْرَيْنِ . قَالَ عُثْمَانُ قَرْيَةٌ مِنْ قُرَى عَبْدِ الْقَيْسِ .
তাহকীক:
হাদীস নং: ১০৬৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৬৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২২. গ্রামাঞ্চলে জুমআর নামায আদায় সম্পর্কে।
১০৬৯. কুতায়বা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ...... আব্দুর রহমান ইবনে কাব ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তার পিতা কাব (রাযিঃ) এর দৃষ্টিশক্তি বিলুপ্ত হওয়ার পর তিনি তার পরিচালক ছিলেন। তিনি তার পিতা কাব (রাযিঃ) এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, তার পিতা যখন জুমার নামাযের আযান শুনতেন, তখন আসআদ ইবনে যুরারা (রাযিঃ) এর জন্য দু'আ করতেন। তার এরূপ দু'আ করার কারণ সম্পর্কে আমি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, যেহেতু তিনি ইয়ামানের “হাযম আল-নাবিত” নামক গ্রামে আমাদের জন্য সর্বপ্রথম জুমার নামায কায়েম করেন। এই স্থানটি “নাকী” নামক স্থানের “বানি বায়দার-হুররাতে” অবস্থিত এবং তা নাকী আল-খাদামাত নামে প্রসিদ্ধ। অতঃপর আমি আমার পিতাকে জিজ্ঞাসা করি, সে সময়ে আপনারা সংখ্যায় কতজন ছিলেন? তিনি বলেনঃ চল্লিশজন।
كتاب الصلاة
باب الْجُمُعَةِ فِي الْقُرَى
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، - وَكَانَ قَائِدَ أَبِيهِ بَعْدَ مَا ذَهَبَ بَصَرُهُ عَنْ أَبِيهِ، كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ كَانَ إِذَا سَمِعَ النِّدَاءَ، يَوْمَ الْجُمُعَةِ تَرَحَّمَ لأَسْعَدَ بْنِ زُرَارَةَ . فَقُلْتُ لَهُ إِذَا سَمِعْتَ النِّدَاءَ، تَرَحَّمْتَ لأَسْعَدَ بْنِ زُرَارَةَ قَالَ لأَنَّهُ أَوَّلُ مَنْ جَمَّعَ بِنَا فِي هَزْمِ النَّبِيتِ مِنْ حَرَّةِ بَنِي بَيَاضَةَ فِي نَقِيعٍ يُقَالُ لَهُ نَقِيعُ الْخَضِمَاتِ . قُلْتُ كَمْ أَنْتُمْ يَوْمَئِذٍ قَالَ أَرْبَعُونَ .
হাদীস নং: ১০৭০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩. ঈদ ও জুমআ যদি একই দিনে একত্রিত হয়।
১০৭০. মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর (রাহঃ) .... আইয়াস ইবনে আবু রামলা আশ-শামী (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মুআবিয়া বিন আবু সুফীয়ান (রাযিঃ) যায়দ বিন আরকাম (রাযিঃ)-কে কিছু জিজ্ঞাসা করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। তিনি (মুআবিয়া) বলেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সময়ে তার সাথে ঈদ ও জুমা একই দিনে অনুষ্ঠিত হতে দেখেছেন? তিনি (যায়দ বিন আরকাম) উত্তর দিলেন: হ্যাঁ। তিনি পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, তিনি কিরূপে তা আদায় করেছিলেন? তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) প্রথমে ঈদের নামায আদায় করেন, অতঃপর জুমার নামায আদায়ের ব্যাপারে অবকাশ প্রদান করে বলেনঃ যে ব্যক্তি তা আদায় করতে চায়, সে তা আদায় করতে পারে।
كتاب الصلاة
باب إِذَا وَافَقَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ عِيدٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ أَبِي رَمْلَةَ الشَّامِيِّ، قَالَ شَهِدْتُ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ وَهُوَ يَسْأَلُ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ قَالَ أَشَهِدْتَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِيدَيْنِ اجْتَمَعَا فِي يَوْمٍ قَالَ نَعَمْ . قَالَ فَكَيْفَ صَنَعَ قَالَ صَلَّى الْعِيدَ ثُمَّ رَخَّصَ فِي الْجُمُعَةِ فَقَالَ " مَنْ شَاءَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُصَلِّ " .
তাহকীক: