কিতাবুস সুনান - ইমাম আবু দাউদ রহঃ

كتاب السنن للإمام أبي داود

২. নামাযের অধ্যায় - এর পরিচ্ছেদসমূহ

মোট হাদীস ১১৬৫ টি

হাদীস নং: ১০৭১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩. ঈদ ও জুমআ যদি একই দিনে একত্রিত হয়।
১০৭১. মুহাম্মাদ ইবনে তারীফ (রাহঃ) .... আতা ইবনে আবু রাবাহ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) জুমার দিনে আমাদের সাথে ঈদের নামায আদায় করেন। অতঃপর সূর্য পশ্চিমাকাশে একটু হেলে যাওয়ার পর আমরা জুমার নামায পড়তে যাই। কিন্তু তিনি না আসাতে আমাদের প্রত্যেকে একাকী নামায আদায় করেন। ঐ সময় ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) তায়েফে ছিলেন। তিনি তায়েফ থেকে ফেরার পর আমরা বিষয়টি তার নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেন, ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) সুন্নত অনুসারে কাজ করেছেন।
كتاب الصلاة
باب إِذَا وَافَقَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ عِيدٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَرِيفٍ الْبَجَلِيُّ، حَدَّثَنَا أَسْبَاطٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ صَلَّى بِنَا ابْنُ الزُّبَيْرِ فِي يَوْمِ عِيدٍ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ أَوَّلَ النَّهَارِ ثُمَّ رُحْنَا إِلَى الْجُمُعَةِ فَلَمْ يَخْرُجْ إِلَيْنَا فَصَلَّيْنَا وُحْدَانًا وَكَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ بِالطَّائِفِ فَلَمَّا قَدِمَ ذَكَرْنَا ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ أَصَابَ السُّنَّةَ .
হাদীস নং: ১০৭২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩. ঈদ ও জুমআ যদি একই দিনে একত্রিত হয়।
১০৭২. ইয়াহিয়া ইবনে খালাফ (রাহঃ) ..... ইবনে জুরায়জ (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আতা (রাযিঃ) বলেছেন, ইবনে যুবায়ের (রাযিঃ) এর সময় একবার ঈদুল ফিতর ও জুমা একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ইবনে যুবাইর (রাযিঃ) বলেন, একই দিনে দুইটি ঈদের সমাগম হয়েছে। তখন তিনি দুইটিকে একত্রিত করে উভয় ঈদের জন্য দুই রাকআত নামায আদায় করেন এবং সেদিন তিনি আছরের পূর্বে আর কোন নামায পড়েন নি।
كتاب الصلاة
باب إِذَا وَافَقَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ عِيدٍ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ قَالَ عَطَاءٌ اجْتَمَعَ يَوْمُ جُمُعَةٍ وَيَوْمُ فِطْرٍ عَلَى عَهْدِ ابْنِ الزُّبَيْرِ فَقَالَ عِيدَانِ اجْتَمَعَا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ فَجَمَعَهُمَا جَمِيعًا فَصَلاَّهُمَا رَكْعَتَيْنِ بُكْرَةً لَمْ يَزِدْ عَلَيْهِمَا حَتَّى صَلَّى الْعَصْرَ .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৭৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৩. ঈদ ও জুমআ যদি একই দিনে একত্রিত হয়।
১০৭৩. মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাফফা (রাহঃ) .... আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আজকের এই দিনে দুইটি ঈদের সমাগম হয়েছে (ঈদ ও জুমা)। অতএব কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করলে জুমার নামায আদায় করে তার ফযীলত অর্জন করতে পারে এবং আমি দুটিই (ঈদ ও জুমআ) আদায় করব।
كتاب الصلاة
باب إِذَا وَافَقَ يَوْمُ الْجُمُعَةِ يَوْمَ عِيدٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى، وَعُمَرُ بْنُ حَفْصٍ الْوَصَّابِيُّ، - الْمَعْنَى - قَالاَ حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْمُغِيرَةِ الضَّبِّيِّ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ رُفَيْعٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " قَدِ اجْتَمَعَ فِي يَوْمِكُمْ هَذَا عِيدَانِ فَمَنْ شَاءَ أَجْزَأَهُ مِنَ الْجُمُعَةِ وَإِنَّا مُجَمِّعُونَ " . قَالَ عُمَرُ عَنْ شُعْبَةَ .
হাদীস নং: ১০৭৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৪. জুমআর দিনে ফজরের নামাযে যে সূরা পড়তে হয়।
১০৭৪. মুসাদ্দাদ .... ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমার দিনে ফযরের নামাযে সূরা সিজদা (৩২ নং সূরা) এবং সূরা ইনসান (৭৬ নং সূরা) তিলাওয়াত করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يُقْرَأُ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مُخَوَّلِ بْنِ رَاشِدٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ تَنْزِيلَ السَّجْدَةِ وَ ( هَلْ أَتَى عَلَى الإِنْسَانِ حِينٌ مِنَ الدَّهْرِ ) .
হাদীস নং: ১০৭৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৪. জুমআর দিনে ফজরের নামাযে যে সূরা পড়তে হয়।
১০৭৫. মুসাদ্দাদ .... মুখাওয়াল (রাহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি একই অর্থে বর্ণিত হয়েছে। তবে সেখানে আরো উল্লেখ আছে যে, তিনি (নবী (ﷺ)) জুমার নামাযে সূরা জুমা এবং সূরা আল-মুনাফিকুন তিলাওয়াত করতেন।
كتاب الصلاة
باب مَا يُقْرَأُ فِي صَلاَةِ الصُّبْحِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ مُخَوَّلٍ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ وَزَادَ فِي صَلاَةِ الْجُمُعَةِ بِسُورَةِ الْجُمُعَةِ وَ ( إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ ) .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৭৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৫. জুমআর জন্য পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে।
১০৭৬. আল-কানবী (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) মসজিদের দরজার সামনে স্বর্ণখচিত রেশমী কাপড় বিক্রয় হতে দেখে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আপনি এই কাপড় খরিদ করতেন, তবে এর তৈরী জামা জুমার দিনে এবং বহিরাগত প্রতিনিধিগণ যখন আপনার খিদমতে উপস্থিত হয় তখন পরিধান করতে পারতেন।

নবী করীম (ﷺ) বলেন, এটা তো ঐ ব্যক্তি পরিধান করতে পারে যার আখিরাতে কোন অংশ নেই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে ঐ জাতীয় কিছু কাপড় হাদিয়া স্বরূপ এলে তিনি তা থেকে উমর (রাযিঃ)-কে একটি নকশীদার চাদর দান করেন। তখন উমর (রাযিঃ) বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এটা আপনি আমাকে পরিধানের জন্য দিয়েছেন, কিন্তু ইতিপূর্বে আপনি উতারাদের রেশমী কাপড় ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। তখন নবী করীম (ﷺ) বলেন, আমি এটা তোমার পরিধানের জন্য দেইনি। অতপর উমর (রাযিঃ) কাপড়টি মক্কায় তার এক অমুসলিম দুধভাইকে দান করেন।
كتاب الصلاة
باب اللُّبْسِ لِلْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رَأَى حُلَّةً سِيَرَاءَ - يَعْنِي تُبَاعُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ - فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوِ اشْتَرَيْتَ هَذِهِ فَلَبِسْتَهَا يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَلِلْوَفْدِ إِذَا قَدِمُوا عَلَيْكَ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا يَلْبَسُ هَذِهِ مَنْ لاَ خَلاَقَ لَهُ فِي الآخِرَةِ " . ثُمَّ جَاءَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا حُلَلٌ فَأَعْطَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ مِنْهَا حُلَّةً فَقَالَ عُمَرُ كَسَوْتَنِيهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَقَدْ قُلْتَ فِي حُلَّةِ عُطَارِدَ مَا قُلْتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنِّي لَمْ أَكْسُكَهَا لِتَلْبَسَهَا " . فَكَسَاهَا عُمَرُ أَخًا لَهُ مُشْرِكًا بِمَكَّةَ .
হাদীস নং: ১০৭৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৫. জুমআর জন্য পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে।
১০৭৭. আহমদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) ..... সালেম (রাহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন একদা উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বাজারে রেশমের মোটা কাপড় বিক্রি হতে দেখে তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে পেশ করে বলেন, আপনি এটা খরিদ করুন এবং তা পরিধান করে ঈদের নামায আদায় করতে এবং বহিরাগত প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাত করতে পারবেন। অতঃপর উক্ত হাদীসের পরবর্তী অংশ বর্ণিত হয়েছে এবং প্রথম হাদীসটিই পূর্ণাঙ্গ।
كتاب الصلاة
باب اللُّبْسِ لِلْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، وَعَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ وَجَدَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ حُلَّةَ إِسْتَبْرَقٍ تُبَاعُ بِالسُّوقِ فَأَخَذَهَا فَأَتَى بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ابْتَعْ هَذِهِ تَجَمَّلْ بِهَا لِلْعِيدِ وَلِلْوَفْدِ . ثُمَّ سَاقَ الْحَدِيثَ وَالأَوَّلُ أَتَمُّ .
হাদীস নং: ১০৭৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৫. জুমআর জন্য পরিধেয় বস্ত্র সম্পর্কে।
১০৭৮. আহমদ ইবনে সালেহ (রাহঃ) ...... মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহিয়া (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কারো পক্ষে বা তোমাদের পক্ষে সম্ভব হলে-নিজেদের সচরাচর পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া-জুমার নামাযের জন্য পৃথক দুইটি কাপড়ের ব্যবস্থা করে নেবে।
كتاب الصلاة
باب اللُّبْسِ لِلْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، وَعَمْرٌو، أَنَّ يَحْيَى بْنَ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ مُحَمَّدَ بْنَ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا عَلَى أَحَدِكُمْ إِنْ وَجَدَ " . أَوْ " مَا عَلَى أَحَدِكُمْ إِنْ وَجَدْتُمْ أَنْ يَتَّخِذَ ثَوْبَيْنِ لِيَوْمِ الْجُمُعَةِ سِوَى ثَوْبَىْ مَهْنَتِهِ " . قَالَ عَمْرٌو وَأَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ سَعْدٍ عَنِ ابْنِ حَبَّانَ عَنِ ابْنِ سَلاَمٍ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ذَلِكَ عَلَى الْمِنْبَرِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَيُّوبَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ مُوسَى بْنِ سَعْدٍ عَنْ يُوسُفَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلاَمٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
হাদীস নং: ১০৭৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৭৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৬. জুমআর দিন নামাযের পূর্বে গোলাকার হয়ে বসা।
১০৭৯. মুসাদ্দাদ (রাহঃ) .... আমর ইবনে শুয়াইব (রাহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তারঁ পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মসজিদে বেচা-কেনা করতে, হারানো জিনিস খোঁজ করতে এবং কবিতা পাঠ করতে নিষেধ করেছেন এবং জুমআর দিন নামাযের পূর্বে গোলাকার হয়ে বসতেও নিষেধ করেছেন।
كتاب الصلاة
باب التَّحَلُّقِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الصَّلاَةِ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الشِّرَاءِ وَالْبَيْعِ فِي الْمَسْجِدِ وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ ضَالَّةٌ وَأَنْ يُنْشَدَ فِيهِ شِعْرٌ وَنَهَى عَنِ التَّحَلُّقِ قَبْلَ الصَّلاَةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ .
tahqiq

তাহকীক:

হাদীস নং: ১০৮০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৭. মিম্বর তৈরী সম্পর্কে।
১০৮০. কুতাইবা ইবনে সাঈদ (রাহঃ) ...... আবু হাযিম ইবনে দীনার (রাহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিছু লোক সন্দীহান হয়ে সাহাল ইবনে সায়াদ আস-সাঈদী (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর মিম্বর তৈরী এবং কাঠ সম্পর্কে জানতে চায় এবং তারা তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! এটা কিসের তৈরী তা আমি অবগত আছি এবং আমি এর (মিম্বরের) প্রথম স্থাপনের দিন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রথম যেদিন তাতে উপবেশন করেন তা আমি স্বচক্ষে অবলোকন করেছি।

একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আনসার গোত্রের (আয়িশা নাম্নী) এক মহিলার নিকট এক ব্যক্তিকে এই খবরসহ প্রেরণ করেন: তুমি তোমার কাঠমিস্ত্রী মায়মুন নামীয় গোলামকে (রাবী সাহল ঐ মহিলার নাম উল্লেখ করেন) আমার বসে খুতবা দেয়ার জন্য একটি কাঠের মিম্বর তৈরী করতে বল। তিনি ঐ গোলামকে তা তৈরী করার নির্দেশ দেন। তখন ঐ মিস্ত্রী (মদীনা থেকে নয় মাল দূরে) জঙ্গল থেকে সংগৃহীত (ঝাউ নামীয়) গাছের কাঠ দিয়ে মিম্বর তৈরী করেন। অতঃপর তিনি তা নিয়ে তার মালিকার নিকট আসেন। তিনি তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর খিদমতে প্রেরণ করেন। অতপর তার নির্দেশে তা এই স্থানে রাখা হয়।

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এর উপর নামায পড়তে, তাকবীর বলতে এবং রুকু করতে দেখেছি। অতঃপর তিনি তা থেকে পেছনের দিকে সরে গিয়ে মিম্বরের গোড়ায় (অর্থাৎ মাটিতে) সেজদা করেন। অতঃপর তিনি তার উপরে উঠেন এবং এইরূপে নামায শেষে লোকদের দিকে ফিরে বলেনঃ হে জনগণ! আমি এজন্য এরূপ করেছি যাতে তোমরা আমার অনুসরণ এবং অনুকরণ করতে এবং আমার নামায আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞাত হতে পার।
كتاب الصلاة
باب فِي اتِّخَاذِ الْمِنْبَرِ
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيُّ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمِ بْنُ دِينَارٍ، أَنَّ رِجَالاً، أَتَوْا سَهْلَ بْنَ سَعْدٍ السَّاعِدِيَّ وَقَدِ امْتَرَوْا فِي الْمِنْبَرِ مِمَّ عُودُهُ فَسَأَلُوهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ وَاللَّهِ إِنِّي لأَعْرِفُ مِمَّا هُوَ وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ أَوَّلَ يَوْمٍ وُضِعَ وَأَوَّلَ يَوْمٍ جَلَسَ عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى فُلاَنَةَ امْرَأَةٍ قَدْ سَمَّاهَا سَهْلٌ " أَنْ مُرِي غُلاَمَكِ النَّجَّارَ أَنْ يَعْمَلَ لِي أَعْوَادًا أَجْلِسُ عَلَيْهِنَّ إِذَا كَلَّمْتُ النَّاسَ " . فَأَمَرَتْهُ فَعَمِلَهَا مِنْ طَرْفَاءِ الْغَابَةِ ثُمَّ جَاءَ بِهَا فَأَرْسَلَتْهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَ بِهَا فَوُضِعَتْ هَا هُنَا فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلَّى عَلَيْهَا وَكَبَّرَ عَلَيْهَا ثُمَّ رَكَعَ وَهُوَ عَلَيْهَا ثُمَّ نَزَلَ الْقَهْقَرَى فَسَجَدَ فِي أَصْلِ الْمِنْبَرِ ثُمَّ عَادَ فَلَمَّا فَرَغَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ " أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا صَنَعْتُ هَذَا لِتَأْتَمُّوا بِي وَلِتَعَلَّمُوا صَلاَتِي " .
tahqiq

তাহকীক:

rabi
বর্ণনাকারী:
হাদীস নং: ১০৮১
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮১
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৭. মিম্বর তৈরী সম্পর্কে।
১০৮১. আল হাসান ইবনে আলী (রাযিঃ) .... ইবনে উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) এর শরীর বার্ধক্য এবং বয়োবৃদ্ধি জনিত কারণে ভারী হয়ে গেলে একদা তামীমুদদারী (রাযিঃ) তাঁকে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি কি আপনার জন্য একটি মিম্বর তৈরী করে দেব যার উপর আপনি বসতে পারবেন? তিনি বলেন: হ্যাঁ। ঐ সময় তাঁর জন্য দুই ধাপবিশিষ্ট একটি মিম্বর তৈরী করা হয়।
كتاب الصلاة
باب فِي اتِّخَاذِ الْمِنْبَرِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لَمَّا بَدُنَ قَالَ لَهُ تَمِيمٌ الدَّارِيُّ أَلاَ أَتَّخِذُ لَكَ مِنْبَرًا يَا رَسُولَ اللَّهِ يَجْمَعُ - أَوْ يَحْمِلُ - عِظَامَكَ قَالَ " بَلَى " . فَاتَّخَذَ لَهُ مِنْبَرًا مِرْقَاتَيْنِ .
হাদীস নং: ১০৮২
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮২
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৮. মিম্বর রাখার স্থান।
১০৮২. মাখলাদ ইবনে খালিদ (রাযিঃ) .... সালামা ইবনুল আকাওয়া (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর রক্ষিত মিম্বর কিবলার দিকের প্রাচীরের মাঝখানে একটি বকরী চলাচল করার মত জায়গা ফাঁকা ছিল।
كتاب الصلاة
باب مَوْضِعِ الْمِنْبَرِ
حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي عُبَيْدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، قَالَ كَانَ بَيْنَ مِنْبَرِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَبَيْنَ الْحَائِطِ كَقَدْرِ مَمَرِّ الشَّاةِ .
হাদীস নং: ১০৮৩
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৩
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২২৯. সূর্য পশিমাকাশে হেলে যাওয়ার পূর্বে জুমআর দিন নামায আদায় করা সম্পর্কে।
১০৮৩. মুহাম্মাদ ইবনে ঈসা (রাহঃ) .... আবু কাতাদা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী করীম (ﷺ) জুমআর দিন ছাড়া অন্যদিন ঠিক দুপুরে নামায আদায় করা মাকরূহ মনে করতেন। তিনি আরো বলেন, জুমআর দিন ব্যতীত অন্যদিনের এই সময়ে জাহান্নামের আগুন প্রজ্জলিত করা হয়।
كتاب الصلاة
باب الصَّلاَةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الزَّوَالِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا حَسَّانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَرِهَ الصَّلاَةَ نِصْفَ النَّهَارِ إِلاَّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَقَالَ " إِنَّ جَهَنَّمَ تُسْجَرُ إِلاَّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هُوَ مُرْسَلٌ مُجَاهِدٌ أَكْبَرُ مِنْ أَبِي الْخَلِيلِ وَأَبُو الْخَلِيلِ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِي قَتَادَةَ .
হাদীস নং: ১০৮৪
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৪
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩০. জুমআর নামাযের ওয়াক্ত।
১০৮৪. আল-হাসান ইবনে আলী (রাযিঃ) .... আনাস ইবনে মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়ার পর জুমার নামায আদায় করতেন।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنِي فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنِي عُثْمَانُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ التَّيْمِيُّ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الْجُمُعَةَ إِذَا مَالَتِ الشَّمْسُ .
হাদীস নং: ১০৮৫
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৫
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩০. জুমআর নামাযের ওয়াক্ত।
১০৮৫. আহমদ ইবনে ইউনুছ (রাহঃ) .... ইয়াস ইবনে সালামা (রাহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে জুমার নামায আদায়ের পর প্রত্যাবর্তন করার পরেও দেওয়ালের ছায়া দেখতাম না। (অর্থাৎ, জুমার নামায তিনি এত তাড়াতাড়ি আদায় করতেন যে, এ সময় সূর্য বেশী হেলে না যাওয়ার কারণে দেওয়ালের ছায়া দেখা যেত না।)
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ الْحَارِثِ، سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْجُمُعَةَ ثُمَّ نَنْصَرِفُ وَلَيْسَ لِلْحِيطَانِ فَىْءٌ .
হাদীস নং: ১০৮৬
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৬
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩০. জুমআর নামাযের ওয়াক্ত।
১০৮৬. মুহাম্মাদ ইবনে কাছীর (রাহঃ) ..... সাহাল ইবনে সাদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জুমআর নামায আদায়ের পরে দিনের প্রথমাংশের খাবার খেয়ে “কায়লুলা” (দুপুরের বিশ্রাম) করতাম।
كتاب الصلاة
باب فِي وَقْتِ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ كُنَّا نَقِيلُ وَنَتَغَدَّى بَعْدَ الْجُمُعَةِ .
হাদীস নং: ১০৮৭
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৭
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩১. জুমআর নামাযের আযান সম্পর্কে।
১০৮৭. মুহাম্মাদ ইবনে সালামা (রাহঃ) .... আস-সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আবু বকর (রাযিঃ) ও উমর (রাযিঃ)-এর যুগে ইমাম যখন খুতবা দেয়ার উদ্দেশ্যে মিম্বরের উপর বসতেন, তখন যে আযান দেয়া হত তাই ছিল জুমআর প্রথম আযান। অতঃপর উসমান (রাযিঃ)-এর খিলাফতকালে যখন মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়, তখন তিনি তৃতীয় আযানের প্রবর্তন করেন। এই ধরণের প্রথম আযান ‘জাওরা’ নামক স্থানে সর্বপ্রথম প্রদত্ত হয়। অতঃপর এই নিয়ম ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে।
كتاب الصلاة
باب النِّدَاءِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ الأَذَانَ، كَانَ أَوَّلُهُ حِينَ يَجْلِسُ الإِمَامُ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ - رضى الله عنهما - فَلَمَّا كَانَ خِلاَفَةُ عُثْمَانَ وَكَثُرَ النَّاسُ أَمَرَ عُثْمَانُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ بِالأَذَانِ الثَّالِثِ فَأُذِّنَ بِهِ عَلَى الزَّوْرَاءِ فَثَبَتَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ .
হাদীস নং: ১০৮৮
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৮
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩১. জুমআর নামাযের আযান সম্পর্কে।
১০৮৮. আন-নুফায়লী (রাহঃ) ..... আস-সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমার দিনে যখন মিম্বরের উপর বসতেন, তখন মুয়াযযিন মসজিদের দরজার উপর নবী করীম (ﷺ) এর সামনাসামনি দাঁড়িয়ে আযান দিতেন এবং আবু বকর (রাযিঃ) ও উমর (রাযিঃ)-এর সময়েও এই নিয়ম চালু ছিল। .... অবশিষ্টাংশ পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
كتاب الصلاة
باب النِّدَاءِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ كَانَ يُؤَذَّنُ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا جَلَسَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ . ثُمَّ سَاقَ نَحْوَ حَدِيثِ يُونُسَ .
হাদীস নং: ১০৮৯
আন্তর্জাতিক নং: ১০৮৯
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩১. জুমআর নামাযের আযান সম্পর্কে।
১০৮৯. হান্নাদ ইবনুস-সারী .... আস-সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর একমাত্র মুয়াযযিন ছিলেন।
كتاب الصلاة
باب النِّدَاءِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ، قَالَ لَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مُؤَذِّنٌ وَاحِدٌ بِلاَلٌ ثُمَّ ذَكَرَ مَعْنَاهُ .
হাদীস নং: ১০৯০
আন্তর্জাতিক নং: ১০৯০
নামাযের অধ্যায়
পরিচ্ছেদঃ ২৩১. জুমআর নামাযের আযান সম্পর্কে।
১০৯০. মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহিয়া (রাযিঃ) ..... আস-সাইব ইবনে ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) ব্যতীত রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর আর কোন মুয়াজ্জিন ছিল না .... হাদীসের শেষ পর্যন্ত এবং এই হাদীস পুর্নাংগ নয়।
كتاب الصلاة
باب النِّدَاءِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ سَعْدٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ السَّائِبَ بْنَ يَزِيدَ ابْنَ أُخْتِ، نَمِرٍ أَخْبَرَهُ قَالَ وَلَمْ يَكُنْ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَيْرُ مُؤَذِّنٍ وَاحِدٍ . وَسَاقَ هَذَا الْحَدِيثَ وَلَيْسَ بِتَمَامِهِ .